MD Sohel Rana

MD Sohel Rana

Share

আসসালামু আলাইকুম

17/08/2025

0 - 1

12/08/2025

02/03/2025

শেষ বিকেলের ভালোবাসা

বিকেলবেলা শহরের পার্কটা বেশ নির্জন থাকে। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে রোদের শেষ আলো মাটিতে ছায়া ফেলছে। একটা বেঞ্চে বসে আছে নায়লা, হাতে পুরোনো একটা ডায়েরি। সে আসলে অপেক্ষা করছে—ফারহানের জন্য।

ফারহান ও নায়লার পরিচয় কয়েক বছর আগে, এক কলেজের অনুষ্ঠানে। প্রথম দিন থেকেই তাদের বন্ধুত্বটা অন্যরকম ছিল—একটা অদ্ভুত বোঝাপড়া, যেখানে কথার চেয়ে নীরবতাই বেশি কথা বলত।

কিন্তু জীবন তো সবসময় মনের মতো চলে না। কলেজ শেষের পর ফারহান হঠাৎ করেই বিদেশে চলে যায়। যাওয়ার আগে শুধু বলেছিল, "একদিন ফিরব, তোমার জন্য।"

নায়লা অপেক্ষা করেছে। প্রথম কয়েক মাস চিঠি লিখত, কিন্তু উত্তর আসেনি। ধীরে ধীরে তার মনে হতে লাগল, ফারহান হয়তো ভুলে গেছে। তবুও, কোনো এক অজানা আশায় প্রতিদিন এই পার্কে এসে বসে থাকত।

আজও সে এসেছে, ঠিক আগের মতোই। কিন্তু আজকের দিনটা অন্যরকম লাগছে। বাতাসে এক ধরনের উত্তেজনা, যেন কিছু একটা হতে যাচ্ছে।

হঠাৎ পেছন থেকে পরিচিত এক গলা—

"নায়লা!"

সে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।

ফারহান! পাঁচ বছর পরও তাকে একদম আগের মতোই লাগছে, শুধু চোখে একটু ক্লান্তি আর মুখে পুরনো স্মৃতির ছাপ।

নায়লার চোখে বিস্ময়, অভিমান আর আনন্দের মিশ্র অনুভূতি।

"তুমি এসেছ?" তার কণ্ঠ কাঁপছিল।

ফারহান হেসে বলল, "বলেছিলাম না, একদিন ফিরব?"

নায়লা চুপ করে রইল। পাঁচ বছর ধরে জমে থাকা হাজারটা প্রশ্ন, অভিমান, অভিযোগ—সব যেন এক মুহূর্তে হারিয়ে গেল।

ফারহান তার দিকে একটা ছোট বাক্স বাড়িয়ে দিল।

"এটা তোমার জন্য।"

নায়লা ধীরে ধীরে খুলল। ভিতরে একটা আংটি!

ফারহান গভীরভাবে তার চোখে তাকিয়ে বলল, "এবার আর হারিয়ে যাব না, নায়লা। চলো, নতুন করে শুরু করি?"

নায়লার চোখ ভিজে এল, কিন্তু সে হাসল। একদম সেই আগের দিনের মতো।

সূর্য ডুবে যাচ্ছে, আকাশ লাল হয়ে উঠেছে। আর সেই লাল আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে দুটো হাত একসাথে জড়িয়ে গেল—ভালোবাসার নতুন শপথে।

শেষ।

02/03/2025

ছায়ামানব

রাত তখন প্রায় ১টা। রাফি একা একা হেঁটে যাচ্ছে গ্রামের নির্জন পথ ধরে। চারপাশে গভীর অন্ধকার, শুধু জোনাকিরা মাঝে মাঝে আলো দিচ্ছে। দূরে শিয়ালের ডাক ভেসে আসছে, বাতাসে একটা অদ্ভুত গন্ধ।

হঠাৎ রাফি দেখল, সামনে একটা ছায়ামানব দাঁড়িয়ে আছে। চাঁদের আলোয় সে দেখতে পেল, লোকটির মুখ নেই!

রাফির শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল। সে দৌড় দিতে চাইল, কিন্তু পা যেন মাটিতে আটকে গেছে। লোকটি ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসছে।

"কে... কে আপনি?" রাফি কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল।

কোনো উত্তর নেই। লোকটি হাত বাড়িয়ে দিল।

রাফি জ্ঞান হারিয়ে ফেলল।

পরদিন সকালে গ্রামবাসীরা তাকে রাস্তার পাশে অজ্ঞান অবস্থায় পেল।

কিন্তু আজও সে রাতের কথা মনে পড়লেই রাফির গা শিউরে ওঠে। কে ছিল সেই ছায়ামানব? মানুষ, না কিছু অশরীরী?

কেউ তা জানে না…

শেষ।

02/03/2025

বিশ্বাস

রাতের শহরটা বেশ নীরব। রাস্তার ধারে একটা বেঞ্চে বসে আছে রাকিব। তার পাশেই বন্ধুর মতো বসে আছে একটা ছোট কুকুর। রাকিবের চোখে বিষণ্ণতা, মনে হাজারো প্রশ্ন।

আজ সন্ধ্যাতেই তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু, রিয়াদ, তাকে দারুণভাবে অপমান করেছে। রিয়াদ বিশ্বাস করে, রাকিব তার গোপন কথা অন্যদের বলে দিয়েছে। অথচ সত্যটা পুরোপুরি ভিন্ন।

রাকিব একা একা ভাবছিল, "কেন মানুষ এত সহজে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে?"

ঠিক তখনই কুকুরটা মৃদু শব্দ করে তার গায়ে মুখ ঘষতে লাগল। রাকিব কুকুরটার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। ছোট প্রাণীটি তার দিকে এমনভাবে তাকিয়ে ছিল, যেন বলছে—"আমি তোমাকে বিশ্বাস করি!"

রাকিব হেসে ফেলল। জীবনের কঠিন সময়ে যখন কাছের মানুষ দূরে সরে যায়, তখনও কেউ কেউ পাশে থাকে—নিঃস্বার্থভাবে, নিঃশর্তভাবে।

সেই রাতেই রাকিব সিদ্ধান্ত নিল, সে আর ব্যাখ্যা দেবে না। সত্য একদিন নিজেই প্রকাশ পাবে। বিশ্বাস যারা করতে চায়, তারাই করবে।

26/02/2025

26/02/2025

"তুমি কি ম্যাগনেট? 😂
কারণ আমি তোমার দিকে টান অনুভব করছি!
তুমি কি ইন্টারনেট? 🙂
কারণ তোমাকে ছাড়া আমার কানেকশনই কাজ করে না!
তাই, প্লিজ বলো—
আমার হার্টের ওয়াইফাইতে তোমার ‘হ্যাঁ’ কানেক্ট হবে?"🥺

Want your business to be the top-listed Media Company in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


RN Road Jessore
Jessore