mastercopy.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from mastercopy.com, Mobile Phone Shop, Jatrabari.
13/11/2017
যে ৭টি ক্ষতি হবে এক রাত কম ঘুমালে :-
প্রতি রাতে আপনার দরকার ৭ থেকে ৯
ঘণ্টার ঘুম। শতকরা ৪০ ভাগ লোক এর
চেয়ে কম ঘুমায়। মাত্র এক রাত ঘুম কম
হলেই আপনার শরীরে এর ক্ষতিকর
প্রভাব পড়তে শুরু করে। যথেষ্ট ঘুম না
হলে চোখ লাল হয়, গায়ের চামড়ার রঙ
নষ্ট হয়। অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
যথেষ্ট ঘুম না ঘুমালে কী কী ক্ষতি হয়
একরাত ঘুম কম হওয়া বা কিছু সময় ধরে ঘুম
কম হওয়ার সমস্যাটি শুরুতে অল্প
থাকলেও পরে তা বড় সমস্যায় রূপ নেয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ঘুম না
হওয়ার পিছনে অনেক কারণের একটি
হচ্ছে খাবার-দাবার। অতিরিক্ত
ক্যালরি আছে এমন খাবার বা
অতিরিক্ত শর্করার খাবার খেলে বা
অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এ ধরনের
সমস্যা হতে পারে।
১৫ জন লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে
দেখা গেছে মাত্র এক রাত ঘুম না হলেই
মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয় শুরু হয়। ১৭৪১ জন
নারী এবং পুরুষের উপর গবেষণা চালিয়ে
দেখা গেছে যারা ১০ থেকে ১৪ বছর ধরে
ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমান তাদের মধ্যে
মারাত্মক ধরনের মৃত্যুহার বেশি থাকে।
তাছাড়া তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস,
উচ্চ রক্তচাপ সহ আরো অনেক রোগের
হার বেশি।
এক রাত কম ঘুমালে যে সমস্যা হয়
১) ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং আপনি বেশি
খেতে শুরু করেন।
২) যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকির
মধ্যে থাকেন আপনি।
৩) আপনি দেখতে যেমন আপনাকে তার
চেয়ে খারাপ দেখায়।
৪) ঠাণ্ডা-সর্দি লাগার আশঙ্কা বেড়ে
যায়।
৫) আপনার মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া
শুরু হয়।
৬) আপনি সামান্য কারণে ইমোশোনাল
হয়ে যান।
৭) আপনার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু
করে।
একরাত ঘুম কম হওয়া বা অল্প সময়কাল
ধরে ঘুম কম হওয়ার সমস্যাটি পরে গুরুতর
হয়ে উঠতে পারে। এটি রূপ নিতে পারে
নিয়মিত ঘুম কম হওয়া বা ঘুম না হওয়ার
সমস্যায়।
প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে,
নিয়মিত ঘুম না হওয়ার কারণে ব্রেস্ট
ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি
বেড়ে যায়। আর নিয়মিত ঘুম কম হলে
আপনার ওজন বেড়ে যেতে থাকে।
নিয়মিত কম ঘুমালে যে সমস্যাগুলি হয়
১) স্ট্রোক করার ঝুঁকি চারগুণ বেড়ে যায়
২) অবেসিটি রিস্ক বেড়ে যায়। ফলে
তাড়াতাড়ি আপনি মোটা হতে থাকেন।
৩) কোনো ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৪) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৫) হৃদরোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
৬) আপনার শরীরে শুক্রাণু কম উৎপন্ন
হতে থাকে।
৭) মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন ।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই । ........ধন্যবাদ
[ লাইক, শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে
তুলতে আমার পেইজে লাইক দিন।
04/07/2017
আচ্ছালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ও ভাল আছি। যাই হোক
বোন্ধুরা সবাইকেই Link টি দেখার বিশেষভাবে অনুরোধ রোইলো।
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস,
জেনে রাখা ভালো •• Page টি visit করুন ভাল লাগলে লাইক দিন, ট্যাগ করুন , শেয়ার করুন ,
https://www.facebook.com/cellbazar.net?ref=hl
Sponsor by=
mastercopy.com
সবার সহযোগীতা আশা করছি।
এই পাতাটি পছন্দ করতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান
আচ্ছালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ও ভাল আছি। যাই হোক
বোন্ধুরা সবাইকেই Link টি দেখার বিশেষভাবে অনুরোধ রোইলো।
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস,
জেনে রাখা ভালো •• Page টি visit করুন ভাল লাগলে লাইক দিন, ট্যাগ করুন , শেয়ার করুন ,
https://www.facebook.com/cellbazar.net?ref=hl
Sponsor by=
mastercopy.com
সবার সহযোগীতা আশা করছি।
এই পাতাটি পছন্দ করতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান
11/12/2016
20/01/2016
আচ্ছালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ও ভাল আছি। যাই হোক
বোন্ধুরা সবাইকেই Link টি দেখার বিশেষভাবে অনুরোধ রোইলো।
স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস,
জেনে রাখা ভালো •• Page টি visit করুন ভাল লাগলে লাইক দিন, ট্যাগ করুন , শেয়ার করুন ,
https://www.facebook.com/cellbazar.net?ref=hl
Sponsor by=
mastercopy.com
সবার সহযোগীতা আশা করছি।
এই পাতাটি পছন্দ করতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান
আচ্ছালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ও ভাল আছি। যাই হোক
বোন্ধুরা সবাইকেই Link টি দেখার বিশেষভাবে অনুরোধ রোইলো।
উন্নতমানের মোবাইল ক্রয় করার জন্য Page টি visit করুন ভাল লাগলে লাইক দিন, ট্যাগ করুন , শেয়ার করুন ,
https://www.facebook.com/cellbazar.net?ref=hl
Sponsor by=
mastercopy.com
সবার সহযোগীতা আশা করছি।
mastercopy.com Mobile Phone Shop
দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
দ্রুত বীর্যপাতেরই আরেক নাম ইংরেজিতে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। মাঝে মধ্যে অনেক পুরুষকেই দেখা যায় যৌনমিলনের সময় নিজেদের অথবা তাদের যৌনসঙ্গিনীর চাহিদার তুলনায় দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন। যদি এটা কদাচিৎ ঘটে তাহলে তেমন সতর্ক হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু যদি নিয়মিত আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনসঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরে আপনার বীর্যপাত ঘটে যায়- তাহলে বুঝতে হবে আপনার যে সমস্যাটি হচ্ছে তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন।
এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজন এ সমস্যায় আক্রান্ত হন। যদিও এটি একটি সাধারণ সমস্যা, যার চিকিৎসা রয়েছে; কিন্তু অনেক পুরুষ এ বিষয়ে তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে কিংবা চিকিৎসা নিতে সঙ্কোচ বোধ করেন।
একসময়ে ধারণা করা হতো, প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হলো সম্পূর্ণ মানসিক; কিন্তু বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে শারীরিক বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাতের সাথে পুরুষত্বহীনতার সম্পর্ক রয়েছে। আপনি আর দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা নিয়ে জীবন কাটাবেন না। বর্তমানে অনেক চিকিৎসা বেরিয়েছে- যেমন বিভিন্ন ওষুধ, মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বিভিন্ন যৌনপদ্ধতির শিক্ষা। এগুলো বীর্যপাতকে বিলম্ব করে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর যৌনজীবনকে মধুর করে তুলবে। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা খুব ভালো কাজ করে।
উপসর্গ :
একজন পুরুষ বীর্যপাত করতে কতটা সময় নেবেন সে ব্যাপারে চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো আদর্শ মাপ নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হলো নারী-পুরুষ উভয়ের পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। এমনকি হস্তমৈথুনের সময়ও কিংবা শুধু অন্যের সাথে যৌনমিলনের সময়।
প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : এটি হলো আপনি যৌন সক্রিয় হওয়া মাত্রই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।
সেকেন্ডারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : এ ক্ষেত্রে আগে আপনার যৌনজীবন তৃপ্তিদায়ক ছিল, কিন্তু বর্তমানে দ্রুত বীর্যপাত ঘটছে।
জেনে রাখুন কালো জিরার কত গুণ !
জেনে রাখুন কালো জিরার কত গুণ !কালো জিরাকে বলা হয় ‘মৃত্যু ব্যতিত সর্ব রোগের মহৌষধ’। প্রাচীন কাল থেকেই নানা অসুখ-বিসুখে কালো জিরাকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন চিকিৎসক-কবিরাজরা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ- সকল অঙ্গের রোগ নিরাময়ে জুড়ি নেই কালো জিরার। সর্দি-কাশি, আমাশয়, ফুসফুসের প্রদাহ, মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দাওয়াই এই কালো জিরা।
নিচে কালো জিরার কিছু গুণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:
কালো জিরা ভর্তা আমরা অনেকেই শখ করে খাই। রান্নার মশলার মধ্যে কালো জিরার গুণাগুণের তুলনা নেই। কালো জিরা শুধু ক্ষুধা বাড়ায় তা নয়, পেটের বায়ুনাশক ও ফুসফুসের রোগেও মহাউপকারী।
আমাশা নিরাময়- আমাশার সমস্যায় কালোজিরা মহৌষধ। এ সময় কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
গলা ফোলা- সর্দি-কাসির জন্য গ্লান্ড ফুলেছে, সে ক্ষেত্রে কালোজিরা ও চাল পোড়া সমান পরিমাণে নিয়ে বেটে প্রলেপ দিলে এক দিনের মধ্যে ফোলা ও ব্যাথা উভয়ই উপশম হয়।
বিছের হুল- কালোজিরা বেটে কামড়ের জায়গায় লাগিয়ে দিলে অল্প সময় পরই হুলের জ্বালা কমে যায়।
চুল পড়া- কালোজিরা বেটে মাথায় নিয়মিত মালিশ করলে চুল পড়া কমে ও নতুন চুল গজায়।
দাঁতের ব্যথা- গরম জলে কালোজিরা নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।
ত্বকের শুষ্কতা- ঘিয়ের সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় ও রং ফর্সা হয়।
মাথায় যন্ত্রণা – কাঁচা সর্দি থেকে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা কাপড়ে পুঁটলি করে বেঁধে শুকোতে হবে। হাতে রগড়ে নিয়ে সেই গন্ধটা শুকলে উপকার পাওয়া যায়।
অনিয়মিত পিরিয়ড – যে সব মহিলা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভোগেন, তাদের পিরিয়ড শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে অল্প গরম জলে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হবে।
চুলকানি- কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
কৃমি- ভিনেগারে ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয়।
স্মৃতিভ্রংশ- স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা ২০ মিলিলিটার মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এ রোগ সারে। এতে সর্দি-কাশিও থাকবে একশ’ গজ দূরে।
জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি- কালোজিরা বেটে খেলে এ সব রোগ ভালো হয়।
প্রস্রাবের বাধকতা- নিয়মিত কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।
আমলকি খাওয়ার উপকারিতা
আমলকি খাওয়ার উপকারিতাআমলকি এমন একটি ফল যার মধ্যে রয়েছে অনেক ভেষজ গুণ। ফল থেকে শুরু করে পাতাও ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ ভরপুর আমলকি।
পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
উপকারিতা
ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সাথে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে।
আমলকি লিভার ভালো রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভালো হয়। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে।
শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। আমলকির জুস দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী। পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
ব্রঙ্কাইটেসও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী। আমলকি গুঁড়ার সাথে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। আমলকিতে সামান্য লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর খেতে পারেন।
খাবারের সাথে আমলকির আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে। আমলকি মাঝারি আকারে টুকরো করে নিয়ে ফুটনত্ম জলের মধ্যে দিন। আমলকি নরম হলে তা নামিয়ে ঝরিয়ে লবণ, আদা কুঁচি, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রেখে দিতে পারেন। সারা বছরই ভালো থাকবে।
এছাড়াও, প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়)-এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর। আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ।
আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jatrabari
1205