Ihtesam Rasel
Allah guides my way, my loyalty lies with my country and its people, not with any political party
পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর সুর
অস্ট্রিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: 31 জানুয়ারি 1972
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র দেড় মাসের মাথায়। পোল্যান্ড-বুলগেরিয়ার পরপরই।
তখন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ছিলেন ব্রুনো ক্রাইস্কি। উনি বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিছিলেন জাতিসংঘে।
মোট 90+ দেশের আগে অস্ট্রিয়া স্বীকৃতি দিয়ে ফেলছিল।
আসুন আজকে সবাই অস্ট্রিয়া কে সাপোর্ট করি 😅😅
আগে ১ হাজার টাকা মিটারে ঢুকালে ১ মাস চলে যেত। এখন ১ হাজার টাকায় ১৩ দিন যায়। মাসে দুই হাজার টাকার উপর বিদ্যুতের পেছনে যাচ্ছে এখন। সরকার জনগণকে ঠিক মতো বিদ্যুৎ দিতে না পারলেও দাম বাড়িয়ে অত্যা* শুরু করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে কোন শ্লাকে দেখলাম না জোড়ালো প্রতিবাদ করতে। সবাই যার যার নিজের আখের গোছানোয় ব্যাস্ত। আর সংসদে গিয়ে সবাই মিলে পু মা* গল্পে ব্যাস্ত। মাওলানা মামুনুল হক সেই কবে নারী নিয়ে রিসোর্টে গিয়েছিলেন এগুলো এখন সংসদের আলোচ্য বিষয়। কি পরিমান ফাতরামি চলছে এই দেশ নিয়ে।
আসিফ নজরুল কে প্রধান উপদেষ্টা করার জন্য খুব তোরজোড় ছিলো।
কিন্তু এটা তরুণদের কারণে সম্ভব হয়নি তখন তার হাতেই রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিচার বিভাগ তুলে দেওয়া হইলো।
এরপর সে কখনো করলো একবার একেকদলের তোশামুদি।
সাথে মালয়েশিয়ায় গিয়ে আদমবেপারির লাইনঘাট করলো নিজের ইনকাম এর রাস্তা Secured করার জন্য।
এরপর সারাদেশে অযোগ্য অসংখ্য পিপি নিয়োগ দিলো সেখানে ও বিশাল বানিজ্য করলো।
তাহলে বিচার বিভাগটা তরুণ তরুণীরা কিংবা সুস্থ ভাবে কখন পরিচালনার সুযোগ পাইসিলো ইন্টারিমের সময়।
ইন্টারিমকে আমিও গালিগালাজ করি খারাপ বলি।
এখন ইন্টারিম আঁছিয়ার ঘটনার বিচার করতে পারে নাই দেখে আপনি বলবেন যে বর্তমান সরকারের কিভাবে নতুন গঠিত ঘটনা গুলোর বিচার করবে!
এইযে সেইফগার্ড খেলতেছেন যারা তাদের বলতেছি কানা হইয়েন হোন কোন অসুবিধা নেই।
তবে এইসব বিষয়ে হইয়েন না।
পরে নিজে কিংবা নিজের পরিবারের কেউচোদখাইলে কাউকে সরমে কইতেও পারবেন না।
অতীতে বিচার হয়নাই এজন্য বর্তমান কিংবা ভবিষ্যতে হবে না এমন চিন্তা ভাবনা লালন করলে শেখ হাসিনার কোন দোষই ছিলো না...
আর সবচেয়ে বড় বিষয় তাহলে পরিবর্তন এর কোন দরকার ও ছিলো না...
যেখানে ব্যক্তিত্বের মর্যাদা বারবার উপেক্ষিত হয়,
যেখানে অনুভূতির গভীরতা মূল্যহীনতায় নিঃশেষিত হয়,
সেখানে অস্তিত্বকে আবদ্ধ করে রাখা প্রজ্ঞার নয়, আত্মবিনাশের লক্ষণ।
কারণ আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে কোনো সম্পর্ক কিংবা অবস্থানে টিকে থাকা নয় মহত্ত্ব—
বরং নীরবে সরে আসার মধ্যেই নিহিত থাকে আত্মার সর্বোচ্চ ঔজ্জ্বল্য ও আধ্যাত্মিক প্রজ্ঞা।
ইউনুস রে পদ্মায় চুবাইতে চাইয়া একজনের ১৬ বছরের সাজানো সংসার ভাইংগা গেছে.......ওইটা তো তাও চালাক আছিলো
এই ভোদাই নাকি ইউনুস রে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিছে? ইউনুস দেশে থাকলে তো তোদের লস আরো.....আবার interm govt head হইতে পারে সে.....😅
ইউনুসের বন্ধু-বান্ধব কারা জানেন? মোদি, দুনিয়ার চতুর্থ ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও ১.৫ বছরে কোন আওয়াজ তুলতে পারে নাই..... তুমি কে ভাইয়া? 😂😂
বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা কিছুদিনের জন্যে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। মেয়ে তখন মায়ের সাথে যায়নি ,বাড়িতেই ছিল। মেয়েটা ভেবেছিল বাবা তো বাড়িতে আছে তার সাথেই থাকি কোন সমস্যা হবে না।
কিন্তু রাতের দিকে মেয়েটা লক্ষ্য করে তার বাবা তার রুমে এসে অনেকক্ষণ যাবত বসে আছে। মেয়েটা ভেবেছিল হয়তো কোন দরকারে এসেছে। কোন দরকার আছে কিনা মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল বাবাকে।
কিন্তু কোন উত্তর না দিয়েই বসে ছিল বাবা। তার কিছুক্ষণ পরই বাবা ইউসূফ মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। মেয়েটা কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা।
মেয়েটা প্রথমে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু বয়সে ছোট হওয়ায় বাবার সাথে আর পেরে উঠেনি। তাছাড়া চিৎকার করতেও চেয়েছিল কিন্তু বাবা তখন মেয়েটার মুখে কাপড় পেচিয়ে মুখটা বন্ধ করে রেখেছিল।
ওইদিন রাতে বাবাটা প্রথম ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। প্রথমবার ধ*র্ষণের ঘটনাটা ঘটেছিল ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মেয়েটা ভেবেছিল মা আসলে মাকে সবকিছু বলে দিবে।
কিন্তু কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পরও মা আসেনি। এজন্যে মেয়েটা ভেবেছিল পাশের বাসার চাচীকে সবকিছু বলবে কিন্তু নিজের বাবার সাথে এমন ঘটনা লজ্জায় বলতে পারেনি। তাছাড়া বাবা তাকে হুমকিও দিয়েছিল।
এভাবে মা যতদিন আসেনি ততদিন রাতে অমানুষিকভাবে নিজের মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতে থাকে বাবা ইউসূফ।
এর কিছুদিন পর মা বাড়িতে আসে। বাবা ইউসূফ বুঝে যায় মেয়ে এবারে মাকে সবকিছু বলে দিবে তাই সে দিনেরবেলা মেয়েকে নিজের রুমে ডেকে বলে- তোর মাকে যদি কিছু বলিস তাইলে তোরে কাইট্টা টুকরা টুকরা কইরা নদীতে ভাসাইয়া দিমু, তোরে মারেও ভাসাইয়া দিমু।
মেয়েটা লজ্জায় এবং ভয়ে মাকেও কিচ্ছু জানাতে পারে না।
মা বাড়িতে আসার পরও মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতো বাবা ইউসূফ। ঘর খালি পেলেই অমানুষিক নির্যাতন করতো মেয়েটাকে। লাগাতার ধ*র্ষণের কারণে মেয়েটা যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে জোর করে ঔষধও খাওয়াতো মেয়েটাকে।
এভাবে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা। টানা ধ*র্ষণের কারণে ঔষধেও কাজ না হওয়ায় মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
এভাবে আরও কিছুদিন চলার পর মেয়েটার পেট বাড়তে থাকে এবং গর্ভধারণের লক্ষ্যণ মা তাসলিমা বুঝতে পারে। মা তখন জানতে চায় এবং মেয়েটা নিজ থেকেই পুরো ঘটনাটা মাকে বলে দেয়।
সাথে মেয়েটা এটাও বলে- সে যে মাকে এটা জানিয়েছে সেটা যাতে বাবাকে না জানায়। মেয়েটার মনে তখনও ভয় ছিল বাবা জানতে পারলে তাদের মা মেয়ে দুজনকেই কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিবে।
মেয়েটা তখন ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট। বাবা ইউসূফ যখন বুঝতে পারে মেয়েটা মাকে সবকিছু বলে দিয়েছে তখন সে তার স্ত্রীকে জোরাজোরি করতে থাকে মেয়েটার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে।
মা তখন রাগারাগি করে বাবাটার সাথে। তখন বাবাটা চুপ থাকার জন্যে তার স্ত্রীকেও হুমকি দেয়। তাকে নিয়ে সংসার করবে না, তালাক দিবে এসবও বলে। তাছাড়া কেউ যাতে কিচ্ছু জানতে না পারে সে ব্যবস্থাও করে বাবাটা।
পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে নিজের মেয়ের এবরশন করায়। তারপর গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাটাকে ফেলে দিয়ে আসে নর্দমার ড্রেনে।
এতকিছুর করার পর কয়েকদিন কেটে যায়। বাবাটা ভেবেছিল সবকিছু ধামাচাপা দিতে পেরেছে সে। কিন্তু এত ছোট্ট মেয়ের এবরশন করানোয় মেয়েটার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। তাই বাধ্য হয়েই মেয়েটাকে নিয়ে আসতে হয় উপজেলা হাসপাতালে।
বাবাটা ডাক্তারের কাছেও সবকিছু লুকিয়েছে, পেট ব্যথার সঠিক কারণটা জানায়নি। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর বুঝতে পারে মেয়েটার এবরশন হয়েছে ,সেকারণেই পেটে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।
পরে ডাক্তারদের ভরসায় মেয়েটাও পুরো ঘটনা তাদের সাথে শেয়ার করে। ডাক্তাররা তখন মেয়ের মাকে থানায় গিয়ে মামলা করতে বলে। ডাক্তারদের ভরসায় মা গতকাল ভোলার চরফ্যাশন থানায় মামলা করে।
বাবা টা টের পেয়ে আগেভাগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আজকে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাবাটাকে গ্রেফতার করেছে।
মেয়ের মা আজকে কেঁদে কেঁদে বলছিল - আমার এত ছোট মেয়েটারে ওর বাপের কাছে রাইখা গেছিলাম কিন্তু ওরা বাবাই ওর এত বড় সর্বনাশটা করল।
মেয়েটাও বলছিল- আমার বাবা আমার সাথে এত জঘন্য কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নাই। বলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল মেয়েটা। এরপর আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটা কিন্তু কান্নার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বাকি কথাগুলো বলতে পারেনি।
আজকে বাবাটা ধরা পড়েছে কিন্তু কাল কিংবা পরশু ঠিকই টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যাবে। কারণ এদেশের আইন, আদালত টাকার কাছে নিয়মতি বিক্রি হয়।
অন্যান্য মেয়েরা ধ*র্ষিত হলে তাদের বাবা-মা ভরসা দেয়, মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেয় অথচ এই মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়ার মতো মানুষটাই তাকে ধ*র্ষণ করেছে।
এই মেয়েটা এখন পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, বন্ধু-বান্ধবীদের কাছেও লাঞ্চিত হবে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না।
ধ*র্ষক বাবাটা হয়তো ঠিকই মুক্তি পেয়ে যাবে কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটাকে আজীবন ধ*র্ষিতার কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে
স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে মেয়েকে ধ/র্ষ/ণ, অতঃপর মেয়ের গ/র্ভে বাবার ৫ মাসের সন্তান!
জ্বি এটা বাংলাদেশেরই ঘটনা!
নিজ জন্ম দাতা পিতার কাছে ও নিরাপদ না!
ঈদ যাত্রার বিড়ম্বনা এড়াতে অনেকেই ঢাকা ছাড়েন ঈদের পরদিন। যারা এখনো রওনা দেননি, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি—যদি রাতে গ্রামে থাকার পরিকল্পনা থাকে, তবে হালকা শীতের কাপড় সঙ্গে রাখবেন। আমি যখন ঢাকা ছাড়ি, ভেবেছিলাম চৈত্র মাসে কাঠফাটা রোদ দেখব। ওমা! এখানে এসে দেখি বেশ ঠান্ডা।
নির্বাচিত সরকার এলে পরিস্থিতি ঠান্ডা হবে—এমন ধারণা ছিল। কিন্তু এতটা ঠান্ডা হবে, তা আশা করিনি।
তখন টিভিতে সবচেয়ে অবহেলিত একটা চ্যানেলে ছিল সংসদ টিভি। তারো অনেক আগে বাসায় শুধু বিটিভি ছিল। এন্টেনা দিবার পর শুধু একটাই চ্যানেল আসে।
যে সময়টাতে সংসদ অধিবেশন হতো তখন মনে হাঁসফাঁস করত। এত বিরক্তিকর একটা জিনিস এতক্ষণ কেন দেখায়? আজকে সেই জেনারেশন টিভি মোবাইল ফোনে একটানা পুরো সংসদ অধিবেশন দেখল।
সবাই সংসদ অধিবেশন নিয়ে মিম বানাচ্ছে। ছোটখাটো ভিডিও কাট করে শেয়ার দিচ্ছে বাহবা দিচ্ছে। এমেইজিং।
গতকাল বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের অডিআই ম্যাচ ছিল। কোথাও কোনো আলাপ নাই। গোটা জেনারেশনের ইমশোন ক্রিকেট থেকে শিফট হয়ে দেশের দিকে আসছে। এই দেশের রাজনীতিবিদরা এখন সেলেব্রিটি।
কারণ এই সংসদ অধিবেশন আমাদের পেতে কত শত রক্ত লাশ মাড়িয়ে আসতে হয়েছে জুলাই সাক্ষী। আজকে সংসদ স্বাধীন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের কোন অপশন ছিল না। কিন্তু এখন আছে পরিবর্তন করার অপশন আছে। যাইহোক বেচারার জন্য খারাপ লাগে আগে বলতো জয় বঙ্গবন্ধু আর এখন বলে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
কেন জানি আমার মনে হচ্ছে আজকে সরকার ও বিরোধী জোট প্ল্যান করে চুপ্পুকে এমন অপদস্থ করলো। সরকারি দল চুপ্পুকে বাধ্য করেছে খুনি হাসিনা ও লীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে। আর বিরোধী জোট ওরে যাচ্ছেতাই ভাষায় অপমান করলো। এপ্যারেন্টলি মনে হচ্ছে যা হইছে সমঝোতার ভিত্তিতেই হইছে।
Category
Telephone
Address
Jatrabari
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Ihtesam Rasel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.