Ihtesam Rasel
Allah guides my way, my loyalty lies with my country and its people, not with any political party
ইউনুস রে পদ্মায় চুবাইতে চাইয়া একজনের ১৬ বছরের সাজানো সংসার ভাইংগা গেছে.......ওইটা তো তাও চালাক আছিলো
এই ভোদাই নাকি ইউনুস রে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিছে? ইউনুস দেশে থাকলে তো তোদের লস আরো.....আবার interm govt head হইতে পারে সে.....😅
ইউনুসের বন্ধু-বান্ধব কারা জানেন? মোদি, দুনিয়ার চতুর্থ ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও ১.৫ বছরে কোন আওয়াজ তুলতে পারে নাই..... তুমি কে ভাইয়া? 😂😂
বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা কিছুদিনের জন্যে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। মেয়ে তখন মায়ের সাথে যায়নি ,বাড়িতেই ছিল। মেয়েটা ভেবেছিল বাবা তো বাড়িতে আছে তার সাথেই থাকি কোন সমস্যা হবে না।
কিন্তু রাতের দিকে মেয়েটা লক্ষ্য করে তার বাবা তার রুমে এসে অনেকক্ষণ যাবত বসে আছে। মেয়েটা ভেবেছিল হয়তো কোন দরকারে এসেছে। কোন দরকার আছে কিনা মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল বাবাকে।
কিন্তু কোন উত্তর না দিয়েই বসে ছিল বাবা। তার কিছুক্ষণ পরই বাবা ইউসূফ মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। মেয়েটা কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা।
মেয়েটা প্রথমে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু বয়সে ছোট হওয়ায় বাবার সাথে আর পেরে উঠেনি। তাছাড়া চিৎকার করতেও চেয়েছিল কিন্তু বাবা তখন মেয়েটার মুখে কাপড় পেচিয়ে মুখটা বন্ধ করে রেখেছিল।
ওইদিন রাতে বাবাটা প্রথম ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। প্রথমবার ধ*র্ষণের ঘটনাটা ঘটেছিল ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মেয়েটা ভেবেছিল মা আসলে মাকে সবকিছু বলে দিবে।
কিন্তু কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পরও মা আসেনি। এজন্যে মেয়েটা ভেবেছিল পাশের বাসার চাচীকে সবকিছু বলবে কিন্তু নিজের বাবার সাথে এমন ঘটনা লজ্জায় বলতে পারেনি। তাছাড়া বাবা তাকে হুমকিও দিয়েছিল।
এভাবে মা যতদিন আসেনি ততদিন রাতে অমানুষিকভাবে নিজের মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতে থাকে বাবা ইউসূফ।
এর কিছুদিন পর মা বাড়িতে আসে। বাবা ইউসূফ বুঝে যায় মেয়ে এবারে মাকে সবকিছু বলে দিবে তাই সে দিনেরবেলা মেয়েকে নিজের রুমে ডেকে বলে- তোর মাকে যদি কিছু বলিস তাইলে তোরে কাইট্টা টুকরা টুকরা কইরা নদীতে ভাসাইয়া দিমু, তোরে মারেও ভাসাইয়া দিমু।
মেয়েটা লজ্জায় এবং ভয়ে মাকেও কিচ্ছু জানাতে পারে না।
মা বাড়িতে আসার পরও মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতো বাবা ইউসূফ। ঘর খালি পেলেই অমানুষিক নির্যাতন করতো মেয়েটাকে। লাগাতার ধ*র্ষণের কারণে মেয়েটা যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে জোর করে ঔষধও খাওয়াতো মেয়েটাকে।
এভাবে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা। টানা ধ*র্ষণের কারণে ঔষধেও কাজ না হওয়ায় মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
এভাবে আরও কিছুদিন চলার পর মেয়েটার পেট বাড়তে থাকে এবং গর্ভধারণের লক্ষ্যণ মা তাসলিমা বুঝতে পারে। মা তখন জানতে চায় এবং মেয়েটা নিজ থেকেই পুরো ঘটনাটা মাকে বলে দেয়।
সাথে মেয়েটা এটাও বলে- সে যে মাকে এটা জানিয়েছে সেটা যাতে বাবাকে না জানায়। মেয়েটার মনে তখনও ভয় ছিল বাবা জানতে পারলে তাদের মা মেয়ে দুজনকেই কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিবে।
মেয়েটা তখন ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট। বাবা ইউসূফ যখন বুঝতে পারে মেয়েটা মাকে সবকিছু বলে দিয়েছে তখন সে তার স্ত্রীকে জোরাজোরি করতে থাকে মেয়েটার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে।
মা তখন রাগারাগি করে বাবাটার সাথে। তখন বাবাটা চুপ থাকার জন্যে তার স্ত্রীকেও হুমকি দেয়। তাকে নিয়ে সংসার করবে না, তালাক দিবে এসবও বলে। তাছাড়া কেউ যাতে কিচ্ছু জানতে না পারে সে ব্যবস্থাও করে বাবাটা।
পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে নিজের মেয়ের এবরশন করায়। তারপর গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাটাকে ফেলে দিয়ে আসে নর্দমার ড্রেনে।
এতকিছুর করার পর কয়েকদিন কেটে যায়। বাবাটা ভেবেছিল সবকিছু ধামাচাপা দিতে পেরেছে সে। কিন্তু এত ছোট্ট মেয়ের এবরশন করানোয় মেয়েটার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। তাই বাধ্য হয়েই মেয়েটাকে নিয়ে আসতে হয় উপজেলা হাসপাতালে।
বাবাটা ডাক্তারের কাছেও সবকিছু লুকিয়েছে, পেট ব্যথার সঠিক কারণটা জানায়নি। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর বুঝতে পারে মেয়েটার এবরশন হয়েছে ,সেকারণেই পেটে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।
পরে ডাক্তারদের ভরসায় মেয়েটাও পুরো ঘটনা তাদের সাথে শেয়ার করে। ডাক্তাররা তখন মেয়ের মাকে থানায় গিয়ে মামলা করতে বলে। ডাক্তারদের ভরসায় মা গতকাল ভোলার চরফ্যাশন থানায় মামলা করে।
বাবা টা টের পেয়ে আগেভাগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আজকে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাবাটাকে গ্রেফতার করেছে।
মেয়ের মা আজকে কেঁদে কেঁদে বলছিল - আমার এত ছোট মেয়েটারে ওর বাপের কাছে রাইখা গেছিলাম কিন্তু ওরা বাবাই ওর এত বড় সর্বনাশটা করল।
মেয়েটাও বলছিল- আমার বাবা আমার সাথে এত জঘন্য কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নাই। বলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল মেয়েটা। এরপর আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটা কিন্তু কান্নার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বাকি কথাগুলো বলতে পারেনি।
আজকে বাবাটা ধরা পড়েছে কিন্তু কাল কিংবা পরশু ঠিকই টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যাবে। কারণ এদেশের আইন, আদালত টাকার কাছে নিয়মতি বিক্রি হয়।
অন্যান্য মেয়েরা ধ*র্ষিত হলে তাদের বাবা-মা ভরসা দেয়, মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেয় অথচ এই মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়ার মতো মানুষটাই তাকে ধ*র্ষণ করেছে।
এই মেয়েটা এখন পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, বন্ধু-বান্ধবীদের কাছেও লাঞ্চিত হবে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না।
ধ*র্ষক বাবাটা হয়তো ঠিকই মুক্তি পেয়ে যাবে কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটাকে আজীবন ধ*র্ষিতার কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে
স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে মেয়েকে ধ/র্ষ/ণ, অতঃপর মেয়ের গ/র্ভে বাবার ৫ মাসের সন্তান!
জ্বি এটা বাংলাদেশেরই ঘটনা!
নিজ জন্ম দাতা পিতার কাছে ও নিরাপদ না!
ঈদ যাত্রার বিড়ম্বনা এড়াতে অনেকেই ঢাকা ছাড়েন ঈদের পরদিন। যারা এখনো রওনা দেননি, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি—যদি রাতে গ্রামে থাকার পরিকল্পনা থাকে, তবে হালকা শীতের কাপড় সঙ্গে রাখবেন। আমি যখন ঢাকা ছাড়ি, ভেবেছিলাম চৈত্র মাসে কাঠফাটা রোদ দেখব। ওমা! এখানে এসে দেখি বেশ ঠান্ডা।
নির্বাচিত সরকার এলে পরিস্থিতি ঠান্ডা হবে—এমন ধারণা ছিল। কিন্তু এতটা ঠান্ডা হবে, তা আশা করিনি।
তখন টিভিতে সবচেয়ে অবহেলিত একটা চ্যানেলে ছিল সংসদ টিভি। তারো অনেক আগে বাসায় শুধু বিটিভি ছিল। এন্টেনা দিবার পর শুধু একটাই চ্যানেল আসে।
যে সময়টাতে সংসদ অধিবেশন হতো তখন মনে হাঁসফাঁস করত। এত বিরক্তিকর একটা জিনিস এতক্ষণ কেন দেখায়? আজকে সেই জেনারেশন টিভি মোবাইল ফোনে একটানা পুরো সংসদ অধিবেশন দেখল।
সবাই সংসদ অধিবেশন নিয়ে মিম বানাচ্ছে। ছোটখাটো ভিডিও কাট করে শেয়ার দিচ্ছে বাহবা দিচ্ছে। এমেইজিং।
গতকাল বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের অডিআই ম্যাচ ছিল। কোথাও কোনো আলাপ নাই। গোটা জেনারেশনের ইমশোন ক্রিকেট থেকে শিফট হয়ে দেশের দিকে আসছে। এই দেশের রাজনীতিবিদরা এখন সেলেব্রিটি।
কারণ এই সংসদ অধিবেশন আমাদের পেতে কত শত রক্ত লাশ মাড়িয়ে আসতে হয়েছে জুলাই সাক্ষী। আজকে সংসদ স্বাধীন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের কোন অপশন ছিল না। কিন্তু এখন আছে পরিবর্তন করার অপশন আছে। যাইহোক বেচারার জন্য খারাপ লাগে আগে বলতো জয় বঙ্গবন্ধু আর এখন বলে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
কেন জানি আমার মনে হচ্ছে আজকে সরকার ও বিরোধী জোট প্ল্যান করে চুপ্পুকে এমন অপদস্থ করলো। সরকারি দল চুপ্পুকে বাধ্য করেছে খুনি হাসিনা ও লীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে। আর বিরোধী জোট ওরে যাচ্ছেতাই ভাষায় অপমান করলো। এপ্যারেন্টলি মনে হচ্ছে যা হইছে সমঝোতার ভিত্তিতেই হইছে।
ছাত্রদলের হামিম সাংগঠনিক রুল ব্রেক করসে। ট্রু।
কিন্তু রুল ব্রেক করে নাই কে? সবাই-ই তো করসে। কম আর বেশি। সামর্থ্য অনুযায়ী করসে। হামিমের সামর্থ্য বেশি, তাই তার রুলব্রেকটা বড় পর্দায় দেখা গেসে।
সাংগঠনিক রুল মাইনা ছাত্রদল ছাত্রবান্ধব কী করতে পারসে? সংগঠন ছাত্রদলের একটা নেতাকে কী এমন ফেসিলিটি আর লিডারশিপ প্রাক্টিস দেয় যেইটা অ্যাক্ট করলে একজন ছাত্রদল নেতা কর্মীদের বাইরে সাধারণ ছাত্রদেরও নেতা হয়ে উঠতে পারে? কিচ্ছু না।
এই যে সেকেলে আনস্মার্ট রাজনীতি, এইটা নিয়া দলের কর্মীরা কি আনহ্যাপি না?
চেনাপরিচিত কাউরেই তো হ্যাপি দেখি না ছাত্রদলের কালচার নিয়া। সবাই পরিবর্তন চায়। সবাই চায় দলের মধ্যে ফেয়ারনেস, ট্রান্সপারেন্সি, টলারেন্স বাড়ুক। কিন্তু সবাই আবার সবার বিরোধী। সবাই একাট্টা হয়ে কোনো কিছু করতে দেখি না, এক্সেপ্ট অকেশনাল শোডাউন।
তারেক রহমান কি এইগুলা দেখেন না? জানেন না?
দিনের বেলা তার কর্মীদের জিগাইলে তারা কয়, আমরা তো দলটাকে সংস্কার করতে চাই। স্মার্ট রাজনীতির চর্চা বাড়াইতে চাই। পলিটিকাল স্কুলিংকে সমর্থন করি। কিন্তু ফেসবুকে আসলে দেখি সবাই ‘দলীয় কমান্ড’কে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট করে (যেইটার তারা বিরোধী)।
ছাত্রদের কাছে ছাত্রদলের ভিলেন হওয়ার পিছনে শিবির, ছুপা নিরপেক্ষদের অহেতুক বিষোদগারের দায় আছে। কিন্তু বিগত দুইটা বছর ছাত্রদের জন্য, শিক্ষার জন্য ছাত্রদলের অবদান কী? তাদের প্ল্যান কী? কেবলি শত্রুদের দোষ দিয়া তো লাভ নাই। তাইনা!
তরুণদের ওপর কব্জা, খবরদারির এই রাজনীতি দিয়া তো ছাত্রলীগ, শিবির কোনোটারেই রিপ্লেস করা সম্ভব না। এইগুলা দিয়া আরেকটা ছাত্রলীগ, শিবির হওয়াই আল্টিমেট পরিণতি।
জামাত অ্যাক্টিভিস্টদের উচিত তাদের অতিরিক্ত হাইপ তোলার কার্যকারিতা এবং এর সম্ভাব্য ব্লোব্যাক নিয়ে চিন্তাভাবনা করা।
মানে তারা ভালো ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে, সন্দেহ নাই, কিন্তু সেটার ডোজ বেশি হয়ে গেলে কী কী সমস্যা হতে পারে, সেই বিষয়টাও মাথায় রাখা উচিত।
এদের প্রধান সমস্যা যেটা দেখলাম, এরা নিজেদের একটা বাবল তৈরি করে, এরপর সেই বাবলে নিজেরই আটকা পড়ে যায় এবং নিজেদের ন্যারেটিভ নিজেরাই বিশ্বাস করতে শুরু করে।
এর বাইরে অন্য কোনো নিউজ, অন্য কোনো ডেটা, অন্য কোনো জরিপ আসলেও সেইটাকে এক কথায় ফেক বলে উড়িয়ে দেয়।
ফলাফল? যখন রিয়েলিটি হিট করে, তখন এরা সেটা মানতে পারে না। হতাশ হয়ে দলে দলে ফেসবুক ডিঅ্যাক্টিভেট করার ঘোষণা দেয়।
নির্বাচনের দিন প্রথম কয়েক ঘণ্টায় এরা অন্য মিডিয়ার সব সোর্স ইগনর করে, জাস্ট নিজেদের অ্যাক্টিভিস্টদের পাঠানো শুধুমাত্র নিজেদের প্রার্থী এগিয়ে থাকা কেন্দ্রগুলোর ছবি, নিজেদের তৈরি একটা ফেক ওয়েবসাইটের ডেটা এবং নিজেদের দলের পেজ থেকে প্রকাশিত গ্রাফ ভাইরাল করে এমন একটা ভাইব ক্রিয়েট করছিল, যেন এরাই জিতে যাচ্ছে। সরকার গঠন করে ফেলছে।
তো এর ফলাফল কী হয়েছে? যখন দেখা গেল এরা হারছে, তখন এদের অ্যাক্টিভিস্টরা সেটা মানতেই পারছিল না।
বাস্তবে জামাতের ফলাফল কিন্তু খারাপ হয়নি। তারা অকল্পনীয় রকমের ভালো ফলাফল করেছে।
হ্যাঁ, তারা বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশের কমে আটকে দিতে পারেনি, এটা আসলেই হতাশার ব্যাপার। আমি নিজেও এটাতে হতাশ হয়েছি। আমি পুরো দেড়টা বছর মনেপ্রাণে চেয়েছি বিএনপি যেন দুই-তৃতীয়াংশ না পায়।
কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রে FPTP সিস্টেমে এরকমটা নিয়মিতই হয়। পার্সেন্টেজে যতটা পিছিয়ে, আসন সংখ্যায় তার চেয়ে অনেক বেশি পিছিয়ে থাকা এখানে রেগুলার ব্যাপার।
জামাত জোটের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, ৯টা আসনে তারা ৫০০০-এরও কম ব্যবধানে হেরেছে। মির্জা আব্বাসের আসনে তো পাটোয়ারি প্রায় জিতেই গিয়েছিল। খোদ তারেক রহমানের গদি পর্যন্ত তারা প্রায় টলিয়ে দিয়েছিল।
গত কয়েক দশকের মধ্যে তারা সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
২০০৮ সালের কথা বাদই দিলাম, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ যত সিট পেয়েছিল, জামাত এবার তারচেয়েও বেশি সিট পেয়েছে। এবং সেটাও তারা পেয়েছে ভার্চুয়ালি (বিএনপি + সাম পার্সেন্টেজ অব লীগ)-এর সমন্বিত ভোটের বিপরীতে।
সো তাদের খুশিই হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু না, ঐ যে তারা এমন হাইপ তৈরি করেছিল, সেই হাইপের বয়ান নিজেরাই এমনভাবে বিশ্বাস করেছিল, পরাজয়টা তারা মানতেই পারছিল না।
ফলে সারা রাত ধরে বেচারা বুড়া আমিরকে যাচ্ছেতাই ভাষায় গালাগালি করেছে। জাস্ট সাদিক কায়েম রাজি থাকলে মনে হয় তারা ইন্টার্নাল ক্যু করে তাকেই আমির বানিয়ে দিত।
এইটা হচ্ছে ন্যারেটিভের ওভারডোজের একটা সমস্যা।
ব্যারিস্টার আরমান নির্বাচনে জেতার পরেই চলে গেলেন উনার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তুলির বাসায়।
সেখানে তুলি মা আরমানকে জড়িয়ে ধরে বললেন, আমার আব্বা আসছে, আমি খুব খুশি আব্বা, আমি খুব খুশি আব্বা.....
অথচ আগের দিনই উনার মেয়েকে ভোটে হারাইছেন ব্যারিস্টার আরমান।
বেশ কিছু জায়গাতেই দেখলাম এই দৃশ্য।
পরাজিত প্রার্থীদের বাসায় মিষ্টি আর ফুল নিয়ে যাচ্ছেন বিজয়ীরা।
হেল্প চাইতেসেন।
এইগুলা আমাদের জন্য নতুন।
সারা জীবন গালিগালাজ, মারামারি আর খিস্তি শুনতে শুনতে আমরা ক্লান্ত।
তাই ব্যারিস্টার আরমানের ভিডিওটা, পরাজিত প্রার্থীকে মিষ্টি মুখ করানোর ভিডিওগুলো বারবার দেখতেসি।
অনেক না পাওয়াই থাকলো, বাট একেবারে কিছুই পাইনি, এইটা বলতে পারি না।
এভাবেই যদি সবাই মিলেমিশে থাকত, উনার ভালো থাকত, আমরাও ভালো থাকতাম।
আপাতত ব্যারিস্টার আরমান আর তুলির মায়ের ভিডিওটা দেখেন। কমেন্টে লিংক দিলাম।
আমার মত আপনারাও বলতে বাধ্য হবেন, ফুল ফুটুক বা না ফুটুক, আজ বসন্ত।
আজকে তারেক রহমানের সংবাদ সম্মেলনে তেলের খনির দেখা তেমন একটা পাওয়া যায়নি। এক সাংবাদিক হাল্কা করতে গেছিলো, তারেক রহমান থামিয়ে দিয়ে এক্সেক্ট প্রশ্নটা করতে বলছে। এই ধারা অব্যাহত থাকুক। হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের তেলের ড্রামের সাংবাদিকতা আমরা আর দেখতে চাই না।
তাসনিম জারার মতো এনসিপির সাবেক একজন স্টার প্রার্থীও যে জোটের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করে তৃতীয় স্থান পেল, এ থেকেই বোঝা যায়, জামাত জোটে যাওয়াটা এনসিপির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।
জোটে যাওয়ায় তাদের ছয় জন প্রার্থী এমপি হয়ে আসতে পেরেছে। আরও কয়েকজন খুব ক্লোজ কন্টেস্টে হেরেছে। কাজে লাগাতে পারলে এটা ভালো একটা ফাউন্ডেশন হতে পারে।
জোটে না গেলে সম্ভবত হাসনাত আব্দুল্লাহ আর হান্নান মাসুদ ছাড়া আর একজনও জিতে আসতে পারত না।
কিন্তু নির্বাচনের পর আমার মতে এনসিপির উচিত এখন তাদের স্ট্র্যাটেজি রিথিঙ্ক করা - তারা কি আজীবন জামাতের ছোট ভার্সন হয়ে টিকে থাকতে চায়, নাকি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়?
নির্বাচনী জোট করা যেতেই পারে। কিন্তু একবার জোট করলে আজীবন সেই জোটে থাকতে হবে - এমন কোনো শর্ত নাই।
আমার মতে, এনসিপির উচিত জামাত জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসা। অ্যাটলিস্ট স্পষ্ট দূরত্ব তৈরি করা। নিজেদের একটা পৃথক চরিত্র তৈরি করা, যেটা জামাতের চেয়ে অনেক দিক থেকেই ভিন্ন হবে।
নাহ, শত্রুতা করে বেরিয়ে আসতে বলছি না। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গঠিত সরকারের বিরোধিতা করার জন্য এই দুই দলকে বিভিন্ন ব্যাপারে একসাথে কাজ করতেই হবে।
কিন্তু তাই বলে এনসিপি যেরকম জামাতেই বিলীন হয়ে যাচ্ছিল, সেটা থেকে তাদের বেরিয়ে আসা উচিত। বিভিন্ন পলিসিতে তাদের জামাতেরও বিরোধিতা করা উচিত।
বাংলাদেশে একটা জামাতই যথেষ্ট। দ্বিতীয় আরেকটা জামাত দরকার নাই। বরং জামাতের থেকে একটু বামের, বিএনপির চেয়ে একটু ডানের জায়গাটা ধরার মতো দলের দরকার আছে।
জামাতের ব্যাপারে যেসব ভোটারের রিজার্ভেশন আছে, এনসিপির উচিত তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা। বেরিয়ে যাওয়া সদস্যদের সাথে মিটমাট করে তাদেরকে ফেরানোর চেষ্টা করা। দলের ভেতরে যারা অতি জামাতপন্থী, তাদেরকে কিছুটা আড়ালে পাঠিয়ে দেওয়া।
আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে তারা যদি নিজেদেরকে পৃথক একটা সত্ত্বা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে, তাহলে দীর্ঘদিনের মধ্যে আর সহজে উঠে দাঁড়াতে পারবে না।
জামাত ক্ষমতায় যদি যেতো, ওরাও ঠিকই পার্শ্ববর্তী দেশের প্রধানদের দাওয়াত দিতো।তখন সেটা রাইটই হইতো
যেহেতু বিএনপি দাওয়াত দিয়েছে, এখন সেটা ভুল😵💫
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হল টল দখল দেবে, চারিদিকে রঙ খেলবে এই সেই হবে। কিন্তু হয় নি। ওরা যথেষ্ট সহনশীল আচরণ করেছে দুইদিনে। কিন্তু এই নিয়ে কেউ প্রশংসা করেনি।
ভাই ২১৩ আসন জিতলে অন্যান্য দলের কর্মীরা আরো বেশি উগ্র আচরণ করতো। তারমানে এই না আমি কোনো কিছুর বৈধতা দিচ্ছি। আমি বৈধতা দেওয়ার কেউ না।
এসব অবশ্যই একদম জিরো পারসেন্টে নামা উচিৎ।
বিজয়ী দলকে একটু সমর্থন দেন সবাই। নাহলে আবার সেই ইউসুফ সরকারের মতো হয়ে যাবে।
12/02/2026
ক্ষমতা আর মাইক এই দুইটা কেউ একবার পাইলে ছাড়তে চায়না।
সেখানে ড.ইউনূস সাহেব কোনো ধরনের বড় আন্দোলন ছাড়াই নির্বাচন আয়োজন করলেন। এটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো বাংলাদেশের ইতিহাসে
আপনাকে ধন্যবাদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Jatrabari