Ekramul Hoq RUBEL

Ekramul Hoq RUBEL

Share

মানব জীবনে ইসলামের প্রয়োগ। Work agrani bank

নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে: – Ekramul Hoq 19/03/2025

নীচের লিংক ক্লিক করে সম্পুর্ণ পড়ে প্লিজ আপনার মুল্যবান অভিমত দিন।

নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে: – Ekramul Hoq Categories My text নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে: Post author By Woazifa Khatun Post date March 19, 2025 No Comments on নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে: নামাজ বেহেস্তের চাবী নহে:মো.....

28/06/2024
10/06/2024

.............স্কলারগন নাস্তিক হওয়ার পেছনের রহস্য
আল্লাহ সম্বন্ধে একটি সুসম ধারনা পেতে হলে, শুধু তাঁর বাণী পড়লেই হবে না একি সাথে তাঁর সৃষ্টি জগৎ নিয়েও ভাবতে হবে। তা না হলে আমরা তাঁর সম্বন্ধে একটা অসম্পুর্ন, ভারসাম্যহীন ধারনা পোষন করে বসে থাকব।

এ ছাড়া আমাদের ইসলাম মানা এবং বুঝা দুটোই ভারসাম্য হীন হয়ে যাবে। ভারসাম্যহীন ইসলাম মানার ফলাফল হবে ভয়ংকর।

ইসলাম নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করার পরও দেখা যায়, আল্লাহ তা'য়ালার প্রতি শ্রদ্ধা বোধ হয় না। নানান ধরনের সন্দেহ, আবান্তর প্রশ্ন মাঝে মাঝে আমাদের ঈমানে ফাঁটল ধরিয়ে দেয়। মন মত কিছু না হলে আমাদের অনেকেই আল্লাহ তা'য়ালাকে দোষ দিতে থাকে।

কেন আল্লাহ তা'য়ালা এমন করল, ওরকম কি করতে পারত না? আমার সাথেই কেন এমন হল? অন্যের কেন এমন হয় না? এই সব প্রশ্ন অনেককে জর্জরিত করে দেয়।

আল্লাহ কোরআনে আমাদেরকে বহুবার তাঁর সৃষ্টিজগৎ নিয়ে চিন্তা করতে বলেছেন। কারন আল্লাহ তায়ালাকে জানার জন্য আমাদের কাছে দুইটি মাত্র উপায় রয়েছে।

একটি হচ্ছে তার দেয়া বানী। আরেকটি হচ্ছে, আমাদের চোখের সামনে তাঁর এই বিশাল সৃষ্টি জগৎ।

দ্রষ্টব্যঃ বাংলা শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত নর নারীকে দেখা যায় কোরানের আয়াত নিয়ে প্রচুর লিখা লিখি করে। বুঝা যায় তারা নিয়মিত কোরআনের অনুশীলন করেন। কিন্তু তাদের বাংলা লিখার বানানের ধরন দেখলে প্রশ্ন জাগে যে মানুষটি মাতৃভাষার শব্দ সমুহের বানান শুদ্ধভাবে লিখতে পারে না, সে আরবী ভাষার কোরআন নিয়ে কতটা বুঝে?

একই মাটিতে একটি গাছের আম মিষ্টি অপরটির টক কেন? এটি নিয়েই গবেষনা করতে থাকুন, জটিল এই রহস্য উদঘাটন করতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজে পেলে বুঝা যায় আল্লাহর অস্তিত্ত।
ধ্যান মগ্ন হয়েও তাঁকে পেতে পারেন সে ভিন্ন আরেক পথ।

09/06/2024

ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে নিজের ইচ্ছা আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে।

অন্যদিকে, মোল্লাতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো কতিপয় মোল্লা পুরোহিত পাদ্রীর ইচ্ছা। এখানে মোল্লারা যে কোন ধর্মের অনুসারীদের ইচ্ছা, স্বপ্ন, কল্পনা, আশা, ভয়, হতাশা, যৌনতা এমন কি মানবীয় প্রায় সকল অনুভূতি গুলোকে একটা নির্দিষ্ট ছকে এঁকে দেয়। এই ছকটা আঁকে মূলত তাদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদে। স্বার্থের উপর নির্ভর করে ধর্মের কিতাব গুলোকে তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করে। আর এই ব্যাখ্যাকে পাক কিতাব বলে সাধারণ ধর্মাবলম্বীদের উপর চাপিয়ে দেয়। সেটা কি হিন্দু,কি মুসলিম,কি খৃষ্টান কি বৌদ্ধ সব ধর্মের বেলায় একই নীতি অনুসরন করা হয়।

স্বৈরতন্ত্রের সাথে মোল্লাতন্ত্রের মুল জায়গা থেকে সাদৃশ্য আছে বিধায় তারা নিজেদের মধ্যে ধর্ম এবং রাজনীতির মৈত্রী স্থাপন করে মানুষের ইহকাল এবং পরকাল নিয়ন্ত্রণ করে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বৈরতন্ত্র বাই নেচার মোল্লাতন্ত্রের সাথে আঁতাত করে থাকে। একই সাথে মোল্লাতন্ত্র তার ব্যবসা এবং কর্তৃত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বাই নেচার রাষ্ট্র ক্ষমতায় সবসময় স্বৈরতন্ত্রের সহযোগী হয়ে থাকে। মোয়াবিয়া শাশন আমল তার অনন্য দৃষ্টান্ত।

সঠিক বাংলা অনুবাদ - Ekramul Hoq 16/04/2024

কিছু আরবী শব্দের বাংলা অনুবাদ নিয়ে

সঠিক বাংলা অনুবাদ - Ekramul Hoq ১] সালাত ( প্রচলিত অনুবাদ নামাজ) (প্রকৃত বাংলা রবের আদেশের অনুশীলন) ২] সিয়াম ( প্রচলিত অনুবাদ রোজা) ( প্রকৃত বাংলা অনুব....

09/03/2024

-------------------;--;প্যারালাল

কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন।
কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন।

বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, শুদ্র। অথচ সেই বেদ পড়ার অধিকার নাই শুদ্রের।
শাস্ত্র মতে শূদ্র অস্পৃশ্য জাতি। সেই অস্পৃশ্য জাতীকে একমাত্র ব্রাহ্মন মন্ত্র পড়ে স্বর্গে পাঠাতে পারে ।

ব্রাহ্মন্যবাদ আর মোল্লাতন্ত্র মুদ্রার এপিট ওপিট। তারা যেন স্রষ্টার পক্ষ হতে মানুষকে স্বর্গে পাঠানোর নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার।
সনাতনের মনুসিংহতা এক শ্রেনীর মানুষকে সম্মানের চরম শিখরে পৌঁছে দেয়, আরেক শ্রেনীর মানুষকে নামিয়ে দেয় অপমানের অতল অন্ধকারে।
বেদে মানুষকে চার শ্রেনীতে ভাগ করে।
ব্রাহ্মন -- ভগবানের মুখ হতে সৃষ্টি
ক্ষত্রিয় - বাহু যুগল হতে সৃষ্টি
বৈশ্য -- উরু হতে সৃষ্টি
শূদ্র --ব্রহ্মার পদ যুগল হতে সৃষ্টি, শূদ্রের গলায় এ জন্য কালো সুতো পড়িয়ে দেওয়া হয় যাতে সমাজ সহজে চিনতে পারে এরা নীচু জাতি।

অনুরুপ বিবি হাওয়া আদমের বাম পাঁজর হতে সৃষ্টি। তাই স্বামীর পায়ের নীচে তার স্বর্গ।

কখনও কখনও মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা তাদের বিভ্রান্তিগুলি ধ্বংস করতে চায় না।"

মানুষ নিজেই নিজের স্বর্গ বা নরকের সৃষ্টিকর্তা, আর তার নিজের ভুল ছাড়া অন্য কোন শয়তান নেই"।

বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, শুদ্র। অথচ সেই বেদ পড়ার অধিকার নাই শুদ্রের।
শাস্ত্র মতে শূদ্র অস্পৃশ্য জাতি। সেই অস্পৃশ্য জাতীকে একমাত্র ব্রাহ্মন মন্ত্র পড়ে স্বর্গে পাঠাতে পারে ।

ব্রাহ্মন্যবাদ আর মোল্লাতন্ত্র মুদ্রার এপিট ওপিট। তারা যেন স্রষ্টার পক্ষ হতে মানুষকে স্বর্গে পাঠানোর নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার।

কালের বিবর্তনে মহাকাব্য রুপান্তর হয়ে গেল মহাভারতে। বুখারীও আজ অনুরুপ ঠাই করে নিয়েছে অস্তি মজ্জায়।
মুল গ্রন্থে যাই থাকুক _____

26/11/2023

৫ ওয়াক্ত সালাত:

১/ ফজর- (১৭:৭৮), (১১:১১৪), (০৭:২০৫), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)

২/ যোহর - (১৭:৭৮) ও (৩০:১৮)

৩/ আছর- (১১:১১৪),(১৭:৭৮),(০২:২৩৮), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)

৪/ মাগরিব- (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (০৭:২০৫)

৫/ ইশা- (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (৩০:১৮)

পবিত্র কুরআনে উল্লিখিত সালাতের অসংখ্য আয়াতের মধ্যে এইগুলি সামান্য কয়েকটি আয়াত মাত্র।যে আয়াত গুলিতে সালাত কায়েমের সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারন করে বর্ননা করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে সালাতের সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে বর্ননা করে নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েমে ব্রতি হতে বলা হলেও অনেকে সালাতের আনুষ্ঠানিকতাকে বিশ্বাস করেন না।
তারা কোন কিছুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম করা ছাড়াই কোনকিছু কিভাবে কায়েম/প্রতিষ্ঠিত করার কথা প্রচার করেন এটা বোধগম নয়।
প্রকৃত পক্ষে সালাত কুরআনে উল্লিখিত সালাত,সিয়াম, হজ্জ,যাকাত-ইসলামের অসংখ্য ইবাদতের মধ্যে একটা ইবাদত।
আল্লাহ ইনসান/মানুষ জাতীকে তাঁর ইবাদত করা ব্যতিত আর কিছুর জন্যই সৃষ্টি করেন নাই,এটাও কুরআনের ঘোষনা।কিন্তু কুরআনে উল্লিখিত এইসব আনুষ্ঠানিক ইবাদতকে অস্বীকার করে এগুলিকে অবমুল্যায়িত করে চলেছেন বিভিন্ন বিবৃতি বক্তব্যের মাধ্যমে।
অনেক ইসলামিক গবেষকগন সালাত,সিয়াম,হজ্জ, যাকাতকে অবজ্ঞা করে শুধুমাত্র আমিলুস সালিহান/নেক আমল/সৎকর্ম সম্পাদনের কথা বলে থাকেন কিন্তু সেই সৎকর্ম গুলি কি কি জিজ্ঞাসা করলে, তা সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করতে সমর্থ হয়।
যে সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে জান্নাতের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে,সেই সৎকর্ম গুলি কি কি তাদের কাছে তার সুষ্পষ্ট জবাব নেই।জবাবে যে দু'একটি আয়াত তুলে ধরেন সেই আয়াতের মধ্যেও সালাত ও যাকাতের উল্লেখ থাকে।
প্রকৃতপক্ষে তারা জানেই না যে,প্রত্যেক ইবাদতই নেক আমল/সৎকর্মের অন্তর্ভুক্ত।তথা সালাত,সিয়াম,হজ্জ, যাকাত,দান-খয়রাত সবকিছু মিলেই সৎকর্ম/নেক আমল।

সালাতে যদি কোন আনুষ্ঠানিকতা না থাকে তাহলে উপরে কুরআনের আয়াতে উল্লিখিত আয়াত গুলিতে কোন কোন সৎকর্ম/নেক আমল কিভাবে করতে হবে লসব সুনির্দিষ্ট সময় গুলিতে তারা সেটা কেনো বর্ননা করেন না!

তাদের কাছে কি প্রশ্ন করতে পারি যে,তাদের মনোনিত নেক আমল/সৎকর্ম/আমলে সালেহ গুলি কি শুধুমাত্র ঐ সুনির্দিষ্ট সময়/ওয়াক্ত গুলিতেই করতে হবে?এই উল্লিখিত সুনির্দিষ্ট সময়ের বাহিরে কি কোন নেক আমল/সৎকর্ম করার সুযোগ নেই।

সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,দান-খয়রাত যদি নেক আমল না হয়,তাহলে কুরআনে উল্লিখিত ঐ সুনির্দিষ্ট সময়ে কি কি নেক আমল/সৎকর্ম করতে হবে তা একটু বলবেন কি?
নেক আমল করার প্রস্তুতির জন্য আল্লাহর ইবাদত করার মাধ্যমে মন-মানষিকতা তৈরীর জন্য আল্লাহর ইবাদতের কোন প্রয়োজন নেই কি?

20/09/2023

কোরআনের আলোকে জান্নাতের ৮টি শ্রেনী:

১) জান্নাতুল ফিরদাউস: যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের আপ্যায়নের জন্য আছে ফিরদাওসের উদ্যান,
( ৮ঃ ১০৭)

২) জান্নাতুন নাঈম: মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ-বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।
( ৬৮ঃ৩৪)

৩) জান্নাতুল মাওয়া: যাহারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে তাহাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ তাহাদের আপ্যায়নের জন্য তাহাদের স্থায়ী বাসস্থান হইবে জান্নাত। ( ৩২ঃ ১৯)

৪) জান্নাতুল আদন: উহা স্থায়ী জান্নাত যাহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে; উহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; তাহারা যাহা কিছু কামনা করিবে উহাতে তাহাদের জন্য তাহাই থাকিবে। এইভাবেই আল্লাহ্ পুরস্কৃত করেন মুত্তাকীদেরকে,(১৬ঃ ৩১)

৫) দারুস সালাম: তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদের জন্য রহিয়াছে শান্তির আবাস এবং তাহারা যাহা করিত তজ্জন্য তিনিই তাহাদের অভি-ভাবক।( ৬ঃ ১২৭ & ১০ঃ২৫)

৬) দারুল খুলদ: তাহাদেরকে বলা হইবে, 'শান্তির সঙ্গে তোমরা উহাতে প্রবেশ কর ; উহা অনন্ত জীবনের দিন।'
( ৫০ঃ ৩৪)

৭) দারুল মাকাম: 'যিনি নিজ অনুগ্রহে আমাদেরকে স্থায়ী আবাস দিয়াছেন যেখানে ক্লেশ আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং ক্লান্তিও স্পর্শ করে না।' ( ৩৫ঃ ৩৫)

৮) দারুল কারার: হে আমার সম্প্রদায়! এই পার্থিব জীবন তো অস্থায়ী উপভোগের বস্তু এবং আখিরাতই হইতেছে চিরস্থায়ী আবাস। ( ৪০ঃ ৩৯)

20/09/2023

জাহান্নামের যে সাতটি নাম কোরআনে উল্লেখিত:-

১. জাহান্নাম।

২. জাহিম।

৩. সাকার।

৪. ছা'ঈর।

৫. হাবিয়া।

৬. হুতামা।

৭. লাজা।

অপরাধের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাস্তির জন্যে ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ বা এলাকা রয়েছে। অপরাধ তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ হবে এক একটি ফটক-যা নিম্নরূপঃ

(১) জাহান্নাম :
وعد الله المنافقين والمنافقات والكفار نار جهنم خالدين فيها
অর্থাৎ, আল্লাহ তায়ালা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, মুনাফিক পুরুষ ও নারী গণ এবং কাফেররা অনন্ত কাল জাহান্নামের আগুনে বাস করবে। –সূরা তাওবা-৬৮

(২) জাহিম :
والـذيـن سـعـوا فـي أبـاتـنـا مـعـجـزيـن أولنك اصحـاب الـجـحـيـم

অর্থাৎ, যারা অক্ষম হয়েও আমার নিদর্শনাবলীতে ভুল ধরার চেষ্টা করে তারাই জাহিমের অধিবাসী। (সূরা হজ্জ-৫১)

(৩) সাকার :
إن هذا إلا قول البشر سأصليه ستر
অর্থাৎ, যে/যারা (আমার আয়াতকে) বলতো ইহাতো মানুষেরই কথা-শীঘ্রই আমি তাকে সাকারায় ফেলবো। (সূরা মুদ্দাসির-২৫, ২৬)

(৪) ছা'ঈর:
আল্লাহর বিধান না মানলে সায়ীরে প্রবেশ করতে হবে ।
মহান আল্লাহ বলেন- وقالوا لوكنا نسمع أو نعقل ما كنا اصحاب الشعير *

অর্থাৎ, তখন তারা বলবে আমরা যদি আল্লাহর বানী মানতাম ও অনুধাবন করতাম তবে আজ আমরা সায়ীরের অধিবাসী হতাম না। –সূরা মুলক-১০

(৫) হাবীয়া :
وأما مـن خفـت مـوازيـنـه نـامه هـاويـة و مـا أدرك مـاهـيه نار حامية
অর্থাৎ, যার নেক আমলের পাল্লা হালকা হবে তার আবাস হবে হাবিয়া দোজখে। তুমি কি জানো হাবিয়া কি ? উহা উত্তপ্ত আগুন। -সূরা কারিয়া-৮

(৬) হুতামা :
كلا لينبذن في الحطمة وما أدراك ما الحطمة نار الله الموقدة *
অর্থাৎ, যারা পর নিন্দা করে ও মাল জমা করে তারা হুতামায় নিক্ষিপ্ত হবে। তুমি জান হুতামা কি ? উহা আল্লাহর জালানো আগুন । সূরা হুমাযাহ-৪

(৭) লাজা :
انها لظى براعة للشـوى تـدعـوا مـن أدبر و تولى و جمع فاوعى
অর্থাৎ, নিশ্চয়ই লাজা হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা, উহা চামড়া ও গোস্ত ঝলসাবে। যে ব্যক্তি সত্যকে অমান্য করে আর মালামাল জমা করে তাকে লাজা ডাকবে। -সূরা মায়ারিজ-১৬

Want your business to be the top-listed Media Company in Jamalpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Jamalpur
2000