Math Academy & Science
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Math Academy & Science, Tutor/Teacher, Gopalganj.
শিরোনাম:শব্দের ঊর্ধ্বে যে নীরবতা-তা লেখার আধ্যাত্মিক সাধনা
✍️ মো: নাঈম ইসলাম
আমরা যারা বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদে নিয়মিত লিখি, আমরা কেউ কবি, কেউ গল্পকার, কেউ দার্শনিক, কেউবা আধ্যাত্মিক ভাবুক। আমাদের সবার অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি ও ভাবনার গভীরতা রয়েছে। তাই আমি যা বলছি, তা কোনো উপদেশ নয়, বরং আমার গবেষণাভিত্তিক আত্মচিন্তার সামান্য রূপরেখা, যা আমি তাঁদের উদ্দেশে শেয়ার করছি ,যাঁরা সাহিত্যের পথে হাঁটছেন, কিন্তু এখনও আত্মজাগরণের দিকটি নিয়ে ভাবতে শুরু করেননি।
যাঁরা এই জ্ঞান ও উপলব্ধির পথ সম্পর্কে সচেতন, তাঁরা তো জানেনই তাঁদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা।
তবে একটা প্রশ্ন আমরা সবাই নিজেদের কাছে রাখতে পারি:
আমরা যা লিখছি, তা কি কেবল আবেগের খেলা? নাকি চেতনাকে নাড়া দেওয়ার এক আত্মিক প্রয়াস?
আমার লেখা কি পাঠকের মনে একটি প্রভাব ফেলছে, নাকি আত্মাকে কোথাও স্পর্শ করছে?
আমার শব্দ কি কেবল ভাব প্রকাশ করছে, নাকি তার মধ্য দিয়ে আলো আসছে?
আমরা লিখি কেন?
নিজেকে জানার জন্য,অন্যকে জাগানোর জন্য
জীবনের বাইরেও কোনো এক গভীর সত্য ছুঁয়ে দেওয়ার জন্য
আমরা যা লিখছি, তা কি কেবল আবেগের খেলা? নাকি চেতনাকে নাড়া দেওয়ার একটি আত্মিক প্রয়াস?
কেন লিখি আমরা?
হয়তো নিজের ভিতরে আলো ধরাতে,
হয়তো কাউকে সেই আলোর ইশারা দিতে।
হয়তো জীবনের বাইরেও কোনো এক গভীর সত্যকে ছুঁয়ে দিতে চেয়ে।
লেখার পেছনে যদি থাকে শুধু আবেগ, তাহলে তা হয়তো মন ছুঁতে পারে,
কিন্তু লেখার ভিতরে যদি থাকে বোধ ও দায়িত্ব,তখনই তা আত্মা পর্যন্ত পৌঁছায়।
আমাদের নিজেদের কাছে প্রশ্ন করা উচিত যে ,আমার লেখা কি কেবল অনুভূতির জোয়ার, নাকি তা কাউকে ভাবতে বাধ্য করে?
আমার শব্দে কি আছে ঈশ্বর, মানবতা বা আত্মার ইশারা?
সাহিত্য তখনই সাধনার মতো হয়,
যখন তা হৃদয় থেকে জন্ম নেয়, আত্মাকে ছোঁয়, আর অন্যকে জাগাতে চায়।
বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদে আমরা যা করছি, তা কেবল ‘প্রকাশ’ নয়, তা হলো আত্মপ্রকাশ।
তাই আমাদের লেখা যেন শুধু মনের খেলা না হয়,
তা যেন হয়ে ওঠে আত্মজাগরণের সিঁড়ি।
এখানে একটা দৃষ্টান্ত দেওয়া হলো,একজন কবি যখন অপার রহস্যের মুখোমুখি হন, তিনি বলেন
“আহা! কী অপার নীল!
তারপর সেই নীলকে ছন্দে, রূপকে, উপমায় বাঁধেন। তিনি থেমে যান অভিজ্ঞতার দিগন্তে।
কিন্তু একজন আধ্যাত্মিক সাধক সেই অপার নীলে ঝাঁপ দেন।
তিনি নিজেকে বিলিয়ে দেন। তিনি শুধু দেখেন না, তাঁর সত্তা হারিয়ে যায় সেই রহস্যে।তারপর তিনি ফিরে আসেন-উপলব্ধির আলো নিয়ে।
কবি রহস্যকে ছুঁয়ে যান আর আধ্যাত্মিক ব্যক্তি রহস্যের মধ্যেই বাস করেন।অর্থাৎ একজন অনুভব করেন,অপরজন উপলব্ধি করেন।
কবিতা আমাদের চেতনাকে আন্দোলিত করে,
আর আধ্যাত্মিকতা আমাদের সত্তাকে রূপান্তরিত করে।
তবে যদি কবি নিজেই আধ্যাত্মিক হন,তবে তাঁর কবিতাও হয়ে ওঠে ধ্যান, হয়ে ওঠে আত্মার ধ্বনি।ঠিক যেমন রুমি, লালন, কবীর, কিংবা রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’।
তাই শব্দের খেলা যেখানে শেষ,সেখানে শুরু হয় নীরবতার গভীরতা।আর সেই গভীরতা ধরতে হলে,কবির হৃদয়কে হতে হয় সাধকের মতোই প্রস্তুত।
লিখুন যেন শব্দ নয়, আলো ছড়ায়।
ভাবুন যেন অনুভব নয়, উপলব্ধি জাগে।
জাগান যেন পাঠক নয়, আত্মা দেখে।
আত্মদর্শনের পথে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পান নিমোক্ত ব্যক্তিগন।
১. আধ্যাত্মিক সাধক
২. ভাববাদী লেখক
৩. মরমী কবি
৪. দার্শনিক
৫. ধর্মীয় চিন্তক
তবে আমার গবেষণালব্ধ জ্ঞান থেকে আত্মদর্শনের পথে কারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? এ বিষয়ে আধ্যাত্মিকতার পথে সবাই একভাবে ভূমিকা রাখেন না। কেউ পথ দেখান, কেউ ভাষা দেন, কেউ ভাবনার পরিবেশ তৈরি করেন। সেই আলোকে লেখক বা চিন্তকদের আমি ১২টি শ্রেণিতে ভাগ করেছি।
যাদের অবদান অনুযায়ী প্রধানত তিনটি স্তরে আমি ভাগ করেছি। এগুলো আমার অনেক আগে থেকে গবেষণার ফল।
প্রথম স্তর: যাঁরা আত্মজগতে পথ দেখান
১. আধ্যাত্মিক সাধক তারা ধ্যান ও আত্মজ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়ে পথ দেখান।
২. ভাববাদী লেখক তারা চেতনা, অস্তিত্ব ও ব্রহ্মচিন্তা নিয়ে লেখেন।
৩. মরমী কবি তারা প্রেম ও আত্মার সহজ প্রকাশ ঘটান
৪. দার্শনিক তারা আত্মা, বাস্তবতা ও সময়ের গভীরে ভাবেন
৫. ধর্মীয় চিন্তক তারা শাস্ত্রের আলোকে আত্মজ্ঞান অনুসন্ধান করেন।
এঁরা আত্মদর্শনের পথের মূল বাতির মতো,যাঁদের লেখা মানেই এক ধরনের আত্ম-আলোকপ্রাপ্তি।
এবার আসুন দ্বিতীয় স্তরে,
দ্বিতীয় স্তর: যাঁরা সেই আলোকে রূপ দেন
৬. কবি তারা হৃদয়ের গভীর অনুভবকে ছন্দে রূপ দেন। তবে মনে রাখা দরকার অনুভব জিনসটা উপলব্ধির কাছাকাছি।
৭. গীতিকাররা, ভাব, প্রেম, চেতনা গানে প্রকাশ করেন
৮. সাহিত্যিকরা,চিন্তা ও উপলব্ধিকে গদ্যে রূপ দেন
৯. ঔপন্যাসিক,চরিত্র ও কাহিনির ভেতর দিয়ে চেতনার বিশ্লেষণ করেন।
এঁরা আত্মার কথা শব্দে সাজিয়ে আমাদের সামনে আনেন ,ভাষা দিয়ে চেতনার দরজা খোলেন।
তৃতীয় স্তর: যাঁরা পরিবেশ ও প্রেক্ষাপট তৈরি করেন
১০. সমাজসচেতন লেখক তারা সমাজের অসত্য, অন্যায় ও বৈষম্য তুলে ধরেন।
১১. আত্মজীবনী লেখকরা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আত্মজিজ্ঞাসার দিক দেখান।
১২. ব্লগার / সমকালীন লেখক তারা অনলাইন ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ভাবনা ছড়িয়ে দেন।
তাঁরা সরাসরি গুরু না হলেও, আমাদের ভাবতে শেখান, প্রশ্ন তুলতে সাহস জোগান।
সব কবি কি একরকম? না, তাঁদেরও বহু রূপ
আমরা আজকাল অনেক “কবি” দেখি কিন্তু সব কবিই কি আত্মদর্শনের পথে পথিক?
এ বিষয়ে ও একটু বলি,
১. মরমী কবিরা ঈশ্বর, প্রেম, আত্মা নিয়ে সহজ ভাষায় লেখেন (লালন, হাসন রাজা)
২. আধ্যাত্মিক কবিরা দর্শন, আত্মজ্ঞান ও চেতনা নিয়ে ভাবেন (রুমি, কবীর, বায়েজিদ বোস্তামী,প্রভৃতি)
৩. দার্শনিক কবিরা অস্তিত্ব, সময়, মৃত্যু নিয়ে লেখেন (জীবনানন্দ দাশ)
৪. বিপ্লবী কবিরা অন্যায় ও সমাজ বিপর্যয় নিয়ে লিখে জাগান (নজরুল ইসলাম)
৫. প্রকৃতিপ্রেমিক কবিরা প্রকৃতি ও সৌন্দর্য নিয়ে রোমান্টিক ভাবনা প্রকাশ করেন (জীবনানন্দ, সুকান্ত)
৬. ভালোবাসার কবিরা প্রেম, সম্পর্ক, আবেগের প্রকাশ ঘটান (শামসুর রাহমান সহ অনেকে)
৭. ভাষাবাজ কবিরা ছন্দে পটু, শব্দে দক্ষ, কিন্তু গভীরতা কম (আজকাল অনেকেই!)
সত্যিকারের কবি তিনি-ই, যিনি শব্দের অন্তরালে চেতনাকে জাগান, হৃদয়ের গভীরে আলো ছড়ান।
পরিশেষে বলতে চাই,
আমি কোনো ধর্মের দেয়ালে নিজেকে আটকে রাখিনি,আমি প্রেমের দিকে ফিরে এসেছি।
আমি বিশ্বাস করি,
যে ঈশ্বর পাখিকে গান শেখান, গাছকে পাতায় পূর্ণ করেন ,তিনিই আমাকেও ধ্যান শেখান,ভালোবাসার জন্য।
আমার সাধনা, আমার লেখা সবকিছু একটাই চেষ্টায় নিবিষ্ট:
আপনার ভিতরের নীরব প্রেমকে জাগিয়ে তোলা।
আমরা যদি সত্যিকারের সাহিত্য গড়ে তুলতে চাই, তাহলে শব্দ নয় আত্মার আলো নিয়েই লিখতে হবে।
লেখা মানে শুধু বলা নয়,লেখা মানে দেখা নিজের ভেতর, আর পাঠকের হৃদয়ে।”
মো: নাঈম ইসলাম
নড়াইল লোহাগড়া,
ইসলামের অন্তর্নিহিত রুপ এবং ইসলামের অন্তর্গত আধ্যাত্মিকতা নিয়ে যে ধারায় আলোচনা করা হয়ে থাকে, তাই সুফিবাদ।সুফিবাদ হলো এমন একটি ধারা যেখানে মানুষের আত্মা সর্গীয় সত্তার সাথে মিলনে ব্যাকুল পাগল এবং আত্মহারা হয়ে থাকে।(শামসতাব্রীজি)
Hsc, সংযুক্তকোণের ত্রিকোণমিতির অনুপাত নির্ণয়। অধ্যায় : ৭ম।
(Hsc+Ssc) ত্রিকোণমিতির বেসিক ক্লাস।
Hsc , higher math 1st paper , relation and function.
chapter :08
Hsc # উচ্চতর গণিত ১ম পত্র। অনুশীলনী: 9(A). ক্লাস:07
Hsc # উচ্চতর গণিত ১ম পত্র। লিমিটের মান নির্ণয় করার বিভিন্ন কৌশল। ক্লাস: ০৬
একাদশ শ্রেণি, উচ্চতর গণিত ১ম পত্র # Differentiation # ফাংশনের অবিচ্ছিন্নতা নির্নয়। ক্লাস: ০৪
একাদশ শ্রেণি, উচ্চতর গণিত । লিমিট আসলে কি? ক্লাস :০৩
math ist paper # Differentiation # class :02
07/09/2023
শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য আত্মশক্তি জাগ্রত করা। শিক্ষাকে শুধু পুস্তকে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। একজন আধ্যাত্মিক গুরু ও প্রয়োজন বটে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Gopalganj