SPF Community

SPF Community

Share

সকল সনাতনী এক হও���

29/07/2024

জয় শ্রীরাম 🙏🙏
জয় হনুমান 🙏🙏🙏

17/04/2024

শুভ রাম নবমী 🙏🙏❤️
জয় শ্রী রাম🙏🙏❤️

11/10/2023

https://youtu.be/rhQKKZJVM4A?si=dn_5e6gkpBWnovdo
সকলে গানটি এখন ই দেখে আসুন। আর অবশ্যই গানটি শেয়ার করবেন।

Bejeche Dhak Reload (বেজেছে ঢাক) Eseche Ma Durga Ma | এসেছে মা | Durga Puja Song 2023 07/10/2023

https://youtu.be/rhQKKZJVM4A?si=bwG497y7fyBMC_pj

Bejeche Dhak Reload (বেজেছে ঢাক) Eseche Ma Durga Ma | এসেছে মা | Durga Puja Song 2023 HelloFriends we always try to entertain you. So here is another official Lyrics video for you Bejeche Dhak Reload (বেজেছে ঢাক).Bejeche Dhak Reload (বেজেছে ঢা...

05/10/2023

You will see today at 7 o'clock Gᴍs Oғғɪᴄɪᴀʟ on YouTube channel Bejeche Dhak Reload.....
Happy Autumn Durga Puja to all. Stay tuned and give your love.

Photos from SPF Community's post 08/08/2023

#পর্ব৫৪৭ #শ্রীমদ্ভাগবতম্ (নিত্যং ভাগবতসেবয়া)◾
»»»»»মঙ্গলাচরণ««««««
ওঁ অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জনশলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥
অনুবাদঃ- অজ্ঞতার গভীরতম অন্ধকারে আমার জন্ম হয়েছিল এবং আমার গুরুদেব জ্ঞানের আলোকবর্তিকা দিয়ে আমার চক্ষু উন্মীলিত করেছেন। তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

নমো ওঁ বিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে।
শ্রীমতে ভক্তিবেদান্ত স্বামীনিতি নামিনে॥
নমস্তে সারস্বতে দেবে গৌরবাণী প্রচারিণে।
নির্বিশেষ শূন্যবাদী পাশ্চাত্যদেশ তারিণে॥
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণের চরণাশ্রিত ও একান্ত প্রিয়ভক্ত কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। হে প্রভুপাদ, হে সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুরের প্রিয় শিষ্য, কৃপাপূর্বক শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী প্রচারের দ্বারা নির্বিশেষবাদ ও শূন্যবাদপূর্ণ পাশ্চাত্যদেশ উদ্ধারকারী, আপনাকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

শ্রীচৈতন্যমনোহভীষ্টং স্থাপিতং যেন ভুতলে।
স্বয়ং রূপঃ কদা মহাং দদাতি স্বপদান্তিকম্ ॥
অনুবাদঃ- শ্রীল রূপ গোস্বামী প্রভুপাদ, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অভিলাষ পূর্ণ করবার জন্য এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, আমি কবে তাঁর শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় লাভ করতে পারব?

বন্দেহহং শ্রীগুরোঃ শ্রীযুতপদকমলং শ্রীগুরু বৈষ্ণবাংশ্চ
শ্রীরূপং সাম্রজাতং সহগণরঘুনাথান্বিতং তং সজীবম্ । সাদ্বৈতং সাবধৃতং পরিজনসহিতং কৃষ্ণচৈতন্যদেবং
শ্রীরাধাকৃষ্ণপাদান সহগণললিতা-শ্রীবিশাখান্বিতাংশ্চ॥

অনুবাদঃ- আমি আমার গুরুদেবের পাদপদ্মে ও বৈষ্ণববৃন্দের শ্রীচরণে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীরূপ গোস্বামী, তাঁর অগ্রজ শ্রীসনাতন গোস্বামী, শ্রীরঘুনাথ দাস, শ্রীরঘুনাথ ভট্ট, শ্রীগোপাল ভট্ট ও শ্রীল জীব গোস্বামীর চরণকমলে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য, শ্রীনিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত, শ্রীগদাধর, শ্রীবাস ও অন্য পার্ষদবৃন্দের পাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীমতি ললিতা ও বিশাখাসহ শ্রীমতী রাধারাণী ও শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎপতে।
গোপেশ গোপিকাকান্ত রাধাকান্ত নমোহস্তু তে॥
অনুবাদঃ- হে আমার প্রিয় কৃষ্ণ! তুমি করুণার সিন্ধু, তুমি দীনজনের বন্ধু, তুমি সমস্ত জগতের পতি, তুমি গোপীদের ঈশ্বর এবং শ্রীমতী রাধারাণীর প্রেমাস্পদ। আমি তোমার পাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

তপ্তকাঞ্চনগৌরাঙ্গি রাধে বৃন্দাবনেশ্বরি।
বৃষভানুসুতে দেবি প্রণমামি হরিপ্রিয়ে ॥
অনুবাদঃ- শ্রীমতি রাধারাণী, যাঁর অঙ্গকান্তি তপ্তকাঞ্চনের মতো, যিনি বৃন্দাবনের ঈশ্বরী, যিনি মহারাজ বৃষভানুর দুহিতা এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রেয়সী, তাঁর চরণকমলে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

নীলাচল নিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে ।
বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ ॥
অনুবাদঃ- পরমাত্মা স্বরূপ যারা নিত্যকাল নীলাচলে বসবাস করেন, সেই বলদেব, সুভদ্রা ও জগন্নাথদেবকে প্রণতি নিবেদন করি।

নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেমপ্রদায়তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যনাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ ॥
অনুবাদঃ- হে মহাবদান্য অবতার! আপনি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুরূপে অবতীর্ণ হয়েছেন। আপনি শ্রীমতি রাধারাণীর অঙ্গকান্তি গ্রহণ করেছেন। আপনি ব্যাপকভাবে শুদ্ধ শ্রীকৃষ্ণপ্রেম বিতরণ করেছেন। আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

বৃন্দায়ৈ তুলসী দেব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ।
বিষ্ণুভক্তি প্রদে দেবী সত্যবত্যৈ নমাে নমঃ॥
অনুবাদঃ- কেশবপ্রিয়া বৃন্দাদেবী যিনি বিষ্ণু-ভক্তি প্রদান করেন সেই সত্যবতী তুলসী দেবীকে আমি বারবার প্রণাম নিবেদন করি।

বাঞ্ছাকল্পতরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যো বৈষ্ণবেভ্যো নমো নমঃ ॥
অনুবাদঃ- সমস্ত বৈষ্ণব-ভক্তবৃন্দ, যাঁরা বাঞ্ছাকল্পতরুর মতো সকলের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে পারেন, যাঁরা কৃপার সাগর ও পতিতপাবন, তাঁদের চরণকমলে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

জয় শ্ৰীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ ॥
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত আচার্য, শ্রীগদাধর ও শ্রীবাস আদি গৌরভক্তবৃন্দের চরণকমলে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥"

নারায়ণং নমস্কৃত্য নরং চৈব নরোত্তমম্।
দেবীং সরস্বতীং ব্যাসং ততো জয়মুদীরয়েৎ॥
অনুবাদঃ- সংসার-বিজয়ী গ্রন্থ শ্রীমদ্ভাগবত উচ্চারণ করার পূর্বে পরমেশ্বর ভগবান নারায়ণ, সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ নর-নারায়ণ ঋষি নামক ভগবৎ-অবতার, বিদ্যাদেবী সরস্বতী এবং ব্যাসদেবকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।

নষ্টপ্রায়েম্বভদ্ৰেষু নিত্যং ভাগবতসেবয়া ৷
ভগবত্যুত্তমশ্লোকে ভক্তিৰ্ভবতি নৈষ্ঠিকী॥
অনুবাদঃ- নিয়মিতভাবে শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ (কীর্তন) করলে এবং ভগবানের শুদ্ধ ভক্তের সেবা করলে হৃদয়ের সমস্ত কলুষ সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়, এবং তখন উত্তম শ্লোকের দ্বারা বন্দিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রেমময়ী ভক্তি সুদৃঢ়রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়।

"ওঁ ন‌মো ভগবতে বাসু‌দেবায়
ওঁ ন‌মো ভগবতে বাসু‌দেবায়
ওঁ ন‌মো ভগবতে বাসু‌দেবায়"
»»»»»»হরে কৃষ্ণ««««««
"শ্রীমদ্ভাগবত"
দশম স্কন্ধ, প্রথম অধ্যায়, অধ্যায়ের নাম:-
(শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ভূমিকা)
⚜️শ্রীশুকদেব গোস্বামী পরীক্ষিৎ মহারাজকে বললেন–
শ্লোক ৩০-৩২ অনুবাদ
রাজা উগ্রসেনের পুত্র কংস তাঁর ভগ্নী দেবকীকে তাঁর বিবাহের অবসরে প্রসন্নতা বিধানের জন্য শত শত স্বর্ণময় রথের দ্বারা পরিবৃত হয়ে তাঁর রথের সারথিরূপে অশ্বগণের রশ্মি গ্রহণ করেছিল। দেবকীর পিতা রাজা দেবক তাঁর কন্যাকে অত্যন্ত ভালবাসতেন। তাই, তাঁর কন্যা এবং জামাতা যখন তাঁর গৃহ থেকে চলে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি যৌতুকস্বরূপ তাঁর কন্যাকে স্বর্ণমালায় বিভূষিত চারশত হস্তী, দশ হাজার অশ্ব, আঠারশ রথ এবং বিবিধ অলঙ্কারে বিভূষিত দুইশত অত্যন্ত সুন্দরী যুবতী দাসী প্রদান করেছিলেন।

◾তাৎপর্য- বৈদিক সভ্যতায় কন্যাকে যৌতুক প্রদান করার প্রথা দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে। আজও সেই প্রথা অনুসরণ করে ধনবান পিতা তাঁর কন্যাকে প্রচুর যৌতুক প্রদান করেন। কন্যা উত্তরাধিকার সূত্রে পিতার সম্পত্তি প্রাপ্ত হন না, এবং তাই স্নেহশীল পিতা কন্যার বিবাহের সময় তাঁকে যথাসম্ভব যৌতুক প্রদান করেন। অতএব বৈদিক প্রথা অনুসারে যৌতুক প্রদান করা অবৈধ নয়। দেবক অবশ্য দেবকীকে যে যৌতুক প্রদান করেছিলেন, তা সাধারণ ছিল না। যেহেতু দেবক ছিলেন একজন রাজা, তাই তিনি তাঁর রাজকীয় পদের উপযুক্ত যৌতুক প্রদান করেছিলেন। এমন কি সাধারণ মানুষও, বিশেষ করে উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় অথবা বৈশ্য তাঁদের কন্যার বিবাহে মুক্ত হস্তে যৌতুক প্রদান করেন। বিবাহের পর কন্যা পতিগৃহে গমন করে, এবং তার প্রতি স্নেহ প্রদর্শন করে কন্যার ভ্রাতা সেই ভগ্নী ও ভগ্নীপতির সঙ্গে গমন করেন। কংস সেই প্রথা অনুসরণ করেছিল। বর্ণাশ্রমভিত্তিক সমাজে এইগুলি চিরাচরিত প্রথা, বর্তমানে অজ্ঞতাবশত যা হিন্দুসমাজ নামে পরিচিত। দীর্ঘকাল ধরে প্রবহমান এই প্রথাগুলি এখানে খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শ্লোক ৩৩ অনুবাদ
হে বৎস পরীক্ষিৎ! বর এবং বধূ যখন যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন, তখন তাঁদের যাত্রার শুভকামনা করে শঙ্খ, তূর্য, মৃদঙ্গ এবং দুন্দুভি যুগপৎ নিনাদিত হয়েছিল।

শ্লোক ৩৪
পথি প্রগ্রহিণং কংসমাভাষ্যাহাশরীরবাক ।
অস্যাস্ত্বামষ্টমো গর্তো হস্তা যাং বহসেঽবুধ ॥ ৩৪ ॥
অনুবাদঃ- কংস যখন অশ্বের রজ্জু গ্রহণ করে রথ চালনা করছিল, তখন পথের মধ্যে তাকে সম্বোধন করে একটি দৈববাণী হয়েছিল—“ওরে মূর্খ! তুই যাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিস, তার অষ্টম সন্তান তোকে হত্যা করবে।”

শ্লোক ৩৫
ইত্যুক্তঃ স খলঃ পাপো ভোজানাং কুলপাংসনঃ ।
ভগিনীং হস্তমারব্ধং খড়্গাপাণিঃ কচেঽগ্ৰহী‍ৎ ॥ ৩৫ ॥

অনুবাদঃ- কংস ছিল অত্যন্ত ক্রুরমতি ও পাপী, এবং তাই সে ছিল ভোজকুলের কলঙ্ক। সেই দৈববাণী শ্রবণ করে সে তার বাম হস্তে তাঁর ভগ্নীর বেশ ধারণ করে ডান হাতে তার খড়্গ উত্তোলন করে তার মস্তক ছেদন করতে উদ্যত হয়েছিল।

◾তাৎপর্য- কংস রথ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল এবং বাম হাতে সে অশ্বের রশ্মি ধারণ করে অশ্বগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করছিল, কিন্তু তার ভগ্নীর অষ্টম সন্তান তাকে বধ করবে, সেই দৈববাণী শ্রবণ করা মাত্র সে রশ্মি ত্যাগ করে তার ভগ্নীর বেশ ধারণ করেছিল এবং তার ডান হাতে খড়্গ উত্তোলন করে তাকে বধ করতে উদ্যত হয়েছিল। পূর্বে সে তার ভগ্নীর প্রতি এত স্নেহশীল ছিল যে, তার রথের সারথির কার্য করছিল, কিন্তু তার স্বার্থের হানি এবং জীবন বিপন্ন হওয়ার কথা শ্রবণ করা মাত্র, সে তার ভগ্নীর প্রতি সমস্ত স্নেহ বিস্মৃত হয়ে তৎক্ষণাৎ তার পরম শত্রুতে পরিণত হয়েছিল। এটিই অসুরদের প্রকৃতি। অসুর যতই স্নেহ প্রদর্শন করুক না কেন, কখনই তাকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।

শ্লোক ৩৬ অনুবাদ
কংস এতই নিষ্ঠুর, নির্লজ্জ এবং ক্রূর ছিল যে, সে ভগ্নীহত্যারূপ নিন্দিত কর্ম করতে উদ্যত হয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণের পিতা হওয়ার মহাসৌভাগ্য অর্জনকারী বসুদেব তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য এই কথাগুলি তখন বলেছিলেন।

◾তাৎপর্য- বসুদেব, যিনি ভবিষ্যতে শ্রীকৃষ্ণের পিতা হবেন, তাঁকে এখানে মহাভাগ বলে সম্বোধন করা হয়েছে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ এবং ধীর ব্যক্তি। তাই কংস তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করতে উদ্যত হলেও তিনি ধীর এবং অবিচলিত ছিলেন। বসুদেব শান্তভাবে কংসকে সম্বোধন করে কতকগুলি যুক্তি প্রদর্শন করেছিলেন। বসুদেব ছিলেন একজন মহাত্মা, কারণ তিনি জানতেন, কিভাবে এক নিষ্ঠুর ব্যক্তিকে শান্ত করতে হয় এবং কিভাবে পরম শত্রুকেও ক্ষমা করতে হয়। যে ব্যক্তি ভাগ্যবান, বাঘ অথবা সাপও তাকে আক্রমণ করে না।

শ্লোক ৩৭
শ্রীবসুদেব উবাচ
শ্লাঘনীয়গুণঃ শুরৈর্ভবান্ ভোজযশস্করঃ ।
স কথং ভগিনীং হন্যাৎ স্ত্রিয়মুদ্বাহপর্বণি ॥ ৩৭ ॥

অনুবাদঃ- বসুদেব বললেন—হে কংস, তুমি ভোজবংশের গৌরব, এবং মহান বীরেরা তোমার গুণাবলীর প্রশংসা করেন। তোমার মতো একজন গুণবান ব্যক্তি কিভাবে বিবাহ উৎসব বাসরে তার ভগ্নী এক অবলা স্ত্রীকে হত্যা করতে পারে ?

◾তাৎপর্য- বৈদিক নিয়ম অনুসারে ব্রাহ্মণ, বৃদ্ধ, স্ত্রী, শিশু এবং গাভীকে কোন অবস্থাতেই বধ করা উচিত নয়। বসুদেব বিশেষভাবে কংসকে বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন যে, দেবকী কেবল একজন অবলা স্ত্রীই নন, তিনি ছিলেন কংসের পরিবারের একজন সদস্যা। বসুদেবের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হওয়ার ফলে এখন তিনি পরস্ত্রী, অন্য এক ব্যক্তির পত্নী, এবং এই রকম একজন স্ত্রীকে হত্যা করা হলে কংসের কেবল পাপই হবে না, ভোজবংশের একজন রাজারূপে তার কীর্তিও কলঙ্কিত হবে। এইভাবে বসুদেব নানা যুক্তি প্রদর্শন করে কংসকে আশ্বস্ত করতে চেষ্টা করেছিলেন যাতে সে দেবকীকে হত্যা না করে।

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥"
শ্রীশ্রী রাধামাধব কি জয়
জগন্নাথ বলদেব সুভদ্রা মহারানী কি জয়
পঞ্চতত্ত্ব ভগবান কি জয়
শ্রীপ্রহ্লাদ নৃরসিংহদেব ভগবান কি জয়
মায়াপুর-বৃন্দাবন-নবদ্বীপ ধাম কি জয়
"গ্রন্থ রাজ শ্রীমদ্ভাগবত কি জয়"
"শ্রীল প্রভুপাদ কি জয়"
ইসকন গুরু বৃন্দ কি জয়
অনন্ত কোটি গৌর ভক্তবৃন্দ কি জয়
"নিতাই গৌর প্রেমানন্দে হরিবোল"



"হরে কৃষ্ণ"

26/03/2023

জয় মা বাসন্তী 🙏🙏

বসন্তের রং এ রাঙাতে মা আসছে বাসন্তী রুপে।
দেবী আদ্যাশক্তি পূজিত হবেন বাসন্তী রুপে। 🙏❤️

সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🙏❤️
Rony Sarkar

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Gopalganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Gopalganj
8101