Introvert Twinkle

Introvert Twinkle

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Introvert Twinkle, Blogger, Gopalganj.

07/04/2025

আবূ উমামাহ (রাঃ) বর্ণিত নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে নিজে জিহাদ করেনি বা কোন মুজাহিদকে জিহাদের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে দেয়নি অথবা মুজাহিদ পরিবারের উপকারও করেনি, আল্লাহ ক্বিয়ামাতের পূর্বে তাকে কঠিন বিপদে ফেলবেন।

হাদিস নং: ২৫০৩, সুনানে আবু দাউদ।

06/04/2025

মহান আল্লাহ যাকে অপছন্দ করেন তাকে অঢেল ধন-সম্পদ দান করেন, আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন 'হিকমাহ'। যাকে 'হিকমাহ' দান করেন তাঁর মধ্যে থাকে 'সাকিনা'। 'সাকিনা' শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

আপনার সামনে টেবিল ভর্তি খাবার সাজানো রয়েছে, অথচ প্রত্যেকটি খাবারে আপনি কোন না কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, তৃপ্তি সহকারে খেতে পারছেন না! কারণ আল্লাহ্‌ আপনাকে সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু 'হিকমাহ' দেননি। এজন্য আপনার মধ্যে 'সাকিনা'-ও নেই।

আপনাকে 'হিকমাহ' দেওয়া হয়েছে এজন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি বৈবাহিক জীবনে সুখি নন, কারণ আপনাকে 'হিকমাহ' দেওয়া হয়নি। নিজস্ব গাড়িতে চড়েও আপনি সুখি নন, আরও দামি গাড়িতে চড়ার আফসোস করেন। কারণ আপনার মধ্যে 'হিকমাহ'-ও নেই, 'সাকিনা'-ও উঠে গেছে। এজন্য ভালো অবস্থানে থেকেও আপনি সুখি নন।

আরবি 'হিকমাহ' শব্দের অর্থ 'প্রজ্ঞা'। যাকে মহান আল্লাহ 'হিকমাহ' দান করেন তিনি জীবনের সকল অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকেন, শান্তিতে থাকেন।

'রিজিক' শব্দটির অর্থ অনেক ব্যাপক। রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা উপলব্ধি করতে পারি...

*রিযিকের সর্বনিম্ন স্তর হলো- টাকা-পয়সা আর অর্থ-সম্পদ।
*রিযিকের সর্বোচ্চ স্তর হলো- শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
*রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হলো- পুণ্যবান স্ত্রী, নেক সন্তান।
*রিযিকের পরিপূর্ণ স্তর হলো- মহান আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জন।

আমরা পুরো জীবনে কতো টাকা উপার্জন করবো সেটা লিখিত, কে জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে-কখন-কোথায় মা*রা যাবো সেটাও লিখিত। এছাড়াও কতোটা আহার ও পানীয় গ্রহণ করবো, তা-ও লিখিত বা সুনির্দিষ্ট। একটি দানাও কম বা বেশি হবে না।

মনে করুন এটা লিখিত যে একজন মানুষ সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবেন, এই সিদ্ধান্ত মহান আল্লাহ্‌ নিয়েছেন। কিন্তু, সেটা হালাল উপায়ে না হা*রাম উপায়ে করবেন, সেই সিদ্ধান্ত একান্ত-ই ব্যক্তির নিজস্ব।

আমরা যদি ধৈর্য ধারণ করি, মহান আল্লাহ্‌র কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে সেই এক কোটি টাকা আয় করে-ই দুনিয়া থেকে বিদায় নিবো। আর হা*রাম উপায়ে হলেও সেই এক কোটি-ই। এর কম কিংবা বেশি নয়!

আজ আপনি যে ফলটি আপনার বাসায় বসে খাচ্ছেন, সেটা হয়তো বাইরের কোন দেশ থেকে আমদানি করা। সেই গাছে যখন মুকুল ধরেছিল সে সময়-ই নির্ধারিত হয়েছে, সেটি একদিন আপনার কাছে-ই পৌঁছাবে।

এর মধ্যে কতো পাখি ফলটির উপর বসেছে, কতো মানুষ ফলটি পাড়তে চেয়েছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়ে-চেড়ে দেখেছে, পছন্দ হয়নি বলে ক্রয় করেননি। এসব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আপনার রিযিকে-ই লেখা ছিল। যতোক্ষণ না আপনি কিনতে যাচ্ছেন, ততোক্ষণ সেটা সেখানেই থাকবে। রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

কোন আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আপনার বাসায় এলে, সে আসলে আপনার খাবার খাচ্ছে না। এটা তার-ই রিযিক, মহান আল্লাহ্‌ কেবলমাত্র আপনার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আপনার মঙ্গলও নিহিত রয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ!

পৃথিবীতে কেউ কারোটা খাচ্ছেন না, যে যার রিযিকের ভাগ-ই খাচ্ছেন। তবে সেটা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমরা আল্লাহ্‌র উপর কতোটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতোটুকু ভরসা করছি।

কেন না, আল্লাহ তা'আলা বলেন- 'দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোন প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহ'র ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে'। (সুরা হুদ: আয়াত ৬)

মহান আল্লাহ অন্যত্র বলেন- 'যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোন না কোন পথ বের করে দেবেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দেবেন, যা সে ধারণা-ও করতে পারবে না'। (সুরা ত্বালাক: আয়াত ২-৩)

মহান আল্লাহ্‌ আমাদের সঠিক পথ, হালাল ও প্রশস্ত উপার্জন এবং রিযিকের বন্দোবস্ত করে দিন, সকল প্রকার হা*রাম উপার্জন এবং রিযিক থেকে হিফাযত করুন। আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, আমিন...

06/04/2025

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏لاَ هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْحِ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ، وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘(মক্কা) বিজয়ের পর আর হিজরত নেই। বরং রয়েছে কেবল জিহাদ ও নিয়ত। যখন তোমাদের জিহাদের ডাক দেয়া হয়, তখন বেরিয়ে পড়।’

- হাদিস নং ২৭৮৩, সহীহ বুখারী।

30/03/2025

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ لِأَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ يَوْمَانِ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَلَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ، قَالَ: " كَانَ لَكُمْ يَوْمَانِ تَلْعَبُونَ فِيهِمَا وَقَدْ أَبْدَلَكُمُ اللَّهُ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْفِطْرِ، وَيَوْمَ الْأَضْحَى "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) বর্ণিত তিনি বলেন, জাহিলিয়াত যুগের অধিবাসীদের জন্য প্রত্যেক বৎসরে দু’টি দিন ছিল, যাতে তারা খেল-তামাশা করত। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি বললেন, তোমাদের জন্য দু’টি দিন ছিল, যাতে তোমরা খেল-তামাশা করতে। এখন আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য উক্ত দু’দিনের পরিবর্তে তার চেয়েও অধিকতর উত্তম দু’টি দিন নিদির্ষ্ট করে দিয়েছেন, ঈদুল ফিত্‌রের দিন এবং কুরবানীর দিন।

15/03/2025

সেদিনটির কথা আমি কখনোই ভুলবো না, যেদিন কোর্টে বাবা মায়ের সেপারেশনের সময় মা'কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, "আপনি কাকে চান, ছেলেকে না মেয়েকে?? "
মা তখন ছেলেকে চেয়েছিল, আমাকে চায়নি। বাবাও তখন আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কারণ তিনি আবার বিয়ে করে নতুন সংসার করার স্বপ্ন দেখেছিলেন, অযথা আমাকে নিয়ে নতুন সংসারে বোঝা বাড়াতে চাননি।

কাঠের বেঞ্চিতে বসে যখন অঝোরে কাঁদছিলাম তখন বুকে আগলে ধরেছিলেন এক লেডি কনস্টেবল। আশ্রয় দিয়েছিলেন তার বাড়িতে। কিন্তু তার মাতাল স্বামীর লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল আমার উপর। শিশু বয়সে অত কিছু না বুঝলে ও কেমন যেন খারাপ লাগতো। রাতে যখন আন্টি বাসায় ফিরতেন, আমি তাকে সব বলে দিতাম। মহিলা দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। অতঃপর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি আমাকে একটা এতিমখানায় রেখে আসলেন। যাবার সময় আমাকে দু হাতে জড়িয়ে ধরে যেমন করে কাঁদলেন, আমার মাও আমাকে রেখে যাওয়ার সময় ওভাবে কাঁদেনি।

দিন যায়-মাস যায়, এতিমখানাতেই জীবন কাটতে থাকে আমার। খুব অসহায় লাগতো নিজেকে। বাবা মা বেঁচে থাকতে ও যে শিশুকে এতিমখানায় থাকতে হয় তার থেকে অসহায় বুঝি আর কেউ নেই!!

বছর দু'য়েক পরের কথা। এক নিঃসন্তান ডাক্তার দম্পতি আমাকে দত্তক নেন। জীবনটাই পাল্টে গেল আমার। হেসে খেলে রাজকীয় ভাবে বড় হতে লাগলাম আমি। আমার নতুন বাবা মা আমাকে তাঁদের মতই ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমার একগুঁয়ে ইচ্ছে ছিল একটাই, আমি ল'ইয়ার হবো। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আজ আমি একজন ডিভোর্স ল' ইয়ার। যারাই আমার কাছে তালাকের জন্য আসে, আগেই আমি বাচ্চার কাস্টোডির জন্য তাদের রাজি করাই। কারণ বাবা মা ছাড়া একটা শিশু যে কতটা অসহায়, তা আমি ছাড়া কেউ জানে না!!

চেম্বারে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলাম। হঠাৎ একটা নিউজে চোখ আটকে গেল। এক বৃদ্ধা মহিলাকে তার ছেলে আর বউ মিলে বস্তায় ভরে রেলস্টেশনে ফেলে রেখে গেছে। পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। নিচে বৃদ্ধা মহিলার ছবি দেয়া। মুখটা খুব চেনা চেনা লাগছিল। কাছে এনে ভালো করে ছবিটা দেখলাম। বুকের মাঝে ধক করে উঠলো। এ তো সেই মহিলা যে আমাকে অনেক বছর আগে আদালতে ছেড়ে গিয়েছিল, আমার মা। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে ছুটে গেলাম হাসপাতালে।

সেই মুখটা কিন্তু চেনার উপায় নেই। চামড়াটা কুঁচকে আছে, শরীরটা রোগে শোকে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। ঘুমন্ত মুখটার দিকে তাকিয়ে খুব মায়া লাগছে, ভেতরটা ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে। আচ্ছা, সেদিন কি তার একটু ও কষ্ট লাগেনি, যেদিন তার ১০ বছরের শিশু কন্যাটি মা-মা করে পিছু পিছু কাঁদতে কাঁদতে দৌড়াচ্ছিল?? হয়তো লাগেনি। নয়তো এভাবে ফেলে যেতে পারতো না।

একবার ভেবেছিলাম চলে যাবো। হঠাৎ দেখি তিনি ঘুম ভেঙে চোখ পিটপিট করে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। বুঝলাম চিনতে পারেন নি, চেনার কথা ও নয়!! আমি আমার পরিচয় দিলাম। কয়েক সেকেন্ড নিষ্পলক তাকিয়ে থেকে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। নিজের কৃতকর্মের জন্য বারবার ক্ষমা চাইতে থাকে। নিজের বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি মাকে।

মাকে পাওয়ার পর বাবার জন্য ও মনটা উতলা হয়ে উঠে। মায়ের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বাবার অফিসে যোগাযোগ করি। জানতে পারি, কয়েক বছর আগেই রিটায়ার্ড করেছেন তিনি। বাসার ঠিকানায় গিয়ে দেখি উনি নেই। উনার দ্বিতীয় পক্ষের ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞেস করে জানলাম, রিটায়ার্ড করার কিছু দিনের মধ্যেই তিনি প্যারালাইজড হয়ে বিছানায় পড়েন। অযথা একটা রুম দখল করে নোংরা করত, তাই বিরক্ত হয়ে ছেলেমেয়েরা তাকে একটা সরকারি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, অযথা ঘরে বোঝা বাড়িয়ে কি লাভ!!!

ওদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে বৃদ্ধাশ্রম গেলাম। চিনতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো, মনে হলো একটা জীবিত লাশ পড়ে আছে বিছানায়। পাশে বসে হাতটা ধরলাম, পরিচয় দিতেই মুখ ফিরিয়ে কাঁদতে লাগলেন।

বাবা মা এখন আমার সাথে একই বাড়িতে আছেন। একসময় তারা আমাকে ছেড়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু আমি পারিনি ছাড়তে। হাজার হোক আমার বাবা মা তো।

Collected From Advice Wall

06/12/2024

দোয়া করার সময় যদি আপনার চোখ দিয়ে পানি বের হয় তখন বুঝবেন আপনার দোয়া কবুল হয়ে গেছে ইনশাআল্লাহ।।।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Gopalganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Gopalganj
8100