Viewen Apparels
100% Quality full Garments product Manufacturer (Fresh Order & Stock Sourcing) & Fabrics Supplier.
04/04/2021
আলহামদুলিল্লাহ একটি সুন্দর সমাপ্তির পথে এগিয়ে চলছে আমাদের "উদ্যোক্তা কথন - গল্প লিখা প্রতিযোগিতা ২০২০"। আমাদের এ পথ চলায় আপনি সাথে আছেন তো??
অত্র আয়োজন প্রসঙ্গে আলাপচারিতায় ক্যামেরাবন্দী হওয়া আমাদের অন্যতম প্রধান দুজন ব্যাক্তি। একজন আমাদের এই আয়োজন তথা সমগ্র প্রচেষ্টার প্রাণসঞ্চারক জনাব ফজলুর রহমান বাবু (মিডিয়া ব্যক্তিত্ব), অপরজন জনাব খন্দকার তৈয়বুর রহমান (প্রজেক্ট হেড, আইডিয়া বাংলাদেশ)
CCU: Sazzad Hossain, Hossen Mahbub & his Team!
01/08/2020
To all of our Friends, Relatives, Customers, Business-dealers & Well wishers🌻
একটি দীর্ঘ বিরতির পর আবার নতুন করে পুরনো সেই কর্মোদ্দীপনায় নিজেদেরকে ব্যস্ত দেখার আশায় আমরা পরিবার🤗🥰
পোশাকের দেশীয় ব্র্যান্ড🙄
দেশে গত কয়েক বছরে পোশাকের বাজারে বেশ কিছু নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু হয়েছে। এসব ব্র্যান্ডের অধিকাংশই গড়ে তুলেছে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যারা কিনা দীর্ঘদিন ধরে এইচঅ্যান্ডএম, ওয়ালমার্ট, জারা, প্রাইমার্ক, গ্যাপ ও নাইকিসহ বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডকে পোশাক সরবরাহ করে আসছে।
কয়েকজন উদ্যোক্তা বলেছেন, দেশের পোশাক বাজার খুবই সম্ভাবনাময়। কারণ আয় বৃদ্ধির সুবাদে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মানসম্মত পোশাকের চাহিদা। তাই রপ্তানির পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগে দেশেই নতুন নতুন ব্র্যান্ড গড়ে উঠছে। স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো মানসম্মত পণ্য সরবরাহ করায় পোশাক আমদানি কমছে।
গত শতাব্দীর শেষ দিকে ১৯৯৮ সালে পোশাকশিল্পের নামকরা প্রতিষ্ঠান জায়ান্ট গ্রুপের দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে টেক্সমার্টের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিকে রপ্তানির পর যেসব পোশাক কারখানায় থেকে যেত সেগুলোই তারা বিক্রি করত। কয়েক বছর পর অবশ্য নিজস্ব ডিজাইন বা নকশায় পোশাক তৈরি শুরু করে ব্র্যান্ডটি। ২০০৭ সালে শুধু তরুণদের জন্য ওকাল্ড নামে আরেকটি ব্র্যান্ড গঠন করে টেক্সমার্ট। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু হয় বেক্সিমকো গ্রুপের ব্র্যান্ড ইয়েলোর। বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে তাদের ১৯টি বিক্রয়কেন্দ্র আছে। একই বছর চালু হয় ব্যাবিলন গ্রুপের দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ট্রেন্ডস’। ২০১৪ সালে ইভিন্স গ্রুপ ‘নোয়া’ ও অ্যাম্বার গ্রুপ ‘অ্যাম্বার লাইফস্টাইল’ ব্র্যান্ড চালু করে। পরের বছর ইপিলিয়ন গ্রুপ নিয়ে আসে সেইলর। এনার্জিপ্যাক গ্রুপ গত বছর চালু করেছে ‘ও কোড’। এসব গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক রপ্তানির পাশাপাশি অন্য খাতের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছে।
২০২০-এর পবিত্র ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে তিনটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। এর মধ্যে পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান টিম গ্রুপ এর ‘টুয়েলভ’ ব্র্যান্ড, ডেকো গ্রুপ পুরোনো ব্র্যান্ড ম্যানস ক্লাবের দুটি বিক্রয়কেন্দ্র কিনে নিয়ে চালু করেছে ‘ক্লাব হাউস’, আর স্নোটেক্স গ্রুপ মিরপুরে একটি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে চালু করেছে ‘সারা’ নামের ফ্যাশন ব্র্যান্ড।
রপ্তানিকারকদের হাত ধরে দেশীয় পোশাকের ব্র্যান্ডের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি ফারুক হাসান গত সপ্তাহে প্রথম আলোকে বলেন, দেশে যত মানসম্মত ব্র্যান্ড হবে তত ভালো। এতে করে পোশাক আমদানি কমে যাবে। কেনাকাটার জন্য বিদেশমুখিনতা কমবে। তা ছাড়া দেশে সাফল্য পেলে হয়তো ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কোনো ব্র্যান্ড বিদেশেও ব্যবসা করতে যাবে।
Thankful to....
Subhankar Karmakar
তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ বিগত ২৫ বছরে বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ১৯৭৮ সালে মাত্র ৯টি রপ্তানিমুখী পোশাক তৈরির কারখানায় উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করে আনুমানিক এক মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আয় করেছিল বাংলাদেশ। অনেক কারখানা ছিল ছোট আকারের এবং এখানে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও বিক্রি হতো। এরকম চারটি ছোট পুরাতন কারখানার নাম রিয়াজ গার্মেন্টস, প্যারিস গার্মেন্টস, জুয়েল গার্মেন্টস এবং বৈশাখী গার্মেন্টস। এর মধ্যে রিয়াজ গার্মেন্টস ছিল পথ-প্রদর্শক, যা ঢাকায় রিয়াজ স্টোর নামে একটি ছোট দর্জির কারখানা হিসেবে ১৯৬০ সালে কাজ শুরু করে। এটি আনুমানিক ১৫ বছর স্থানীয় বাজারে কাপড় সরবরাহ করেছে। ১৯৭৩ সালে কারখানাটি নাম পরিবর্তন করে মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড নামে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীকালে কার্যক্রম সম্প্রসারিত করে ১৯৭৮ সালে প্যারিসভিত্তিক একটি ফার্মের সাথে ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক মূল্যের ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে। রিয়াজ গার্মেন্টসই প্রথম বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পোশাক রপ্তানি করে। ১৯৭৯ সালে দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড প্রথম যৌথ উদ্যোগে নন-ইকুইটি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে। দেশ গার্মেন্টস ও দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েয়ু কর্পোরেশনের মধ্যে প্রযুক্তিগত এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়। প্রথম দিকে মেশিনে কাজ করার মতো উপযোগী করে তোলার জন্য শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে পরিদর্শকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ জন মহিলাসহ ১২০ জন পরিচালক (মেশিন) দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই ১৯৮০ সালে উৎপাদন শুরু করে। এটা ছিল প্রথম শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। ১৯৮০ সালে ইয়াঙ্গুন নামে অপর একটি কোরিয়ান কর্পোরেশন বাংলাদেশি ট্রেকসীম লিমিটেড নামে অপর একটি কোম্পানির সঙ্গে প্রথম যৌথ উদ্যোগে তৈরি পোশাক কারখানা গড়ে তোলে। বাংলাদেশি অংশীদাররা নতুন প্রতিষ্ঠান ইয়াঙ্গুনস বাংলাদেশ-এ শতকরা ৫১ ভাগ ইকুইটির মালিক হয়। এটি প্রথম ১৯৮০ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ থেকে প্যাডেড এবং নন-প্যাডেড জ্যাকেট সুইডেনে রপ্তানি করে।
ফ্যাশনে যুক্ত হচ্ছে মাস্ক🤗
এই বছরটা বিশ্ববাসীর প্রায় সব হিসাব-নিকাশ গড়মিল করে দিয়েছে। কোথায় গেল বৈশাখ-নবান্নের উৎসব, কোথায় হারালো ঈদের শপিং? যেন সব কিছু ছাপিয়ে সবার ভেতর আতঙ্ক নিয়ে কোনোভাবে টিকে থাকার এক অঘোষিত যুদ্ধ চলছে। মহামারি কোভিড-১৯ এর কারণে আমাদের জীবনযাত্রায় নতুন করে যোগ হয়েছে বেশ কিছু জিনিস, যেগুলো আগেও ছিল তবে গুরুত্ব ছিল না তেমন। মাস্ক তাদের মধ্যে অন্যতম। ভাইরাস সংক্রমণ থেকে আমাদের বেশ খানিকটা সুরক্ষা দেয় এই মাস্ক তাই ঘরের বাইরে যাওয়া মানে মাস্ক পরা বাধ্যতামুলক। সাধারণত বাইরে যেতে আমরা সচেতন থাকি সাজ-পোশাক নিয়ে। এই সময়ে মুখে মাস্ক পরার কারণে সবার সেভাবে আর সাজগোজ করা হয় না। তবে মাস্কটা যেহেতু পরা হয়, তাই আজকাল মাস্ক নিয়েই ভাবছেন অনেকে। ডিজাইনার অভিষেক মাস্ক ব্যবহার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে চেয়ে বলেন, আগামী দিনে মাস্কের গুরুত্ব অনেক বাড়বে। লোকজন হ্যান্ডব্যাগ ও ওয়ালেট কেনার মতো করেই মাস্ক কিনবে।
পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করছেন এখন। যদি নিজেরা ডিজাইন করে মাস্ক তৈরি করেন অবশ্যই সঠিক মাপ নিয়ে নেবেন, যেন বাইরের কিছু না ঢুকতে পারে। আবার ঠিকমতো শ্বাস নেওয়া যায়।
জনপ্রিয় ব্র্যান্ড লুবনান ট্রেড কনসোর্টিয়ামের পরিচালক মনিরুল হক খান বলেন, করোনার জন্য দেশের না শুধু, বিশ্বের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ক্ষতির মুখে পড়েছে। আর গতানুগতিক পোশাকের বাইরে গিয়ে মানুষের জীবন রক্ষায় প্রয়োজন ও ফ্যাশন দু’টিই রক্ষা হয়, এই বিষয়গুলো নিয়ে এখন থেকেই ভাবতে হবে। যেহেতু এখন সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন, এটি অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক কাপড়ে তৈরির কথা সব হাউসই ভাবছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্ক যেন পরা হয় অবশ্যই মহামারিতে সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে। কাপড় দিয়ে তৈরি মাস্কও তিন লেয়ারের হতে হবে। আর এটি দিয়ে মুখ-নাক ঠিকভাবে ঢেকে রাখতে হবে। একটি মাস্ক কয়েকবার ব্যবহার করতে হলে, নিয়মিত পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে হবে।
COPY PASTE from....
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রতিযোগিতামুলক বাজার ব্যবস্থার বর্তমান এই পৃথিবীর অন্যতম একটি বড় চ্যালেন্জ হচ্ছে স্বল্প মূল্যে বেস্ট প্রডাক্টটি কাস্টমারের হাতে তুলে দিতে পারা। টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রায় সবাই যখন তাদের নিজ নিজ পণ্যের দাম বাড়িয়ে অধিক মুনাফা পেতে ব্যস্ত, আমরা কেউ কেউ তখন করছি দামে সঠিক সামঞ্জস্য রেখে পণ্যটিকে সকলের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার প্রাণপন চেষ্টা। কারণ রিয্ক তো আগেই লিখা হয়ে গিয়েছে, তার এক টুকরো বেশি বা কম তো পাবোনা তাইনা? তাই সততার সাথে ব্যবসা করে গেলে কিছু উপরি লাভ হিসেবে পাওয়া যাবে আল্লাহর একান্ত নৈকট্য। আমরা আমাদের নিজস্ব ফ্যাক্টরীতেই নীটের প্রায় সব ধরনের কাজ করে থাকি বিধায় কয়েক হাত ঘুরে দাম বাড়ার কোন অবকাশ নেই। আর এজন্যই আমরা দামটা অন্য প্রায় সব কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান, পেইজ ও অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে কমিয়ে রাখতে পারছি। কিন্তু তাই বলে এর মান নিয়ে কোন সংশয় আনবেন না মনে, কারন আমরা পণ্যের মান-এ কোন আপোষ করছিনা। তাও যদি ভুল চোখে আসে, ধরিয়ে দেবেন, শুধরে নেবো যেভাবে আপনারা খুশি হন। কোনো প্রয়োজন কিংবা সমস্যা যেটাই হইক প্লিজ নির্ধিদ্বায় আমাদেরকে বলবেন। আল্লাহ রব্বুল আলামীন আপনাকে, আমাকে ও আমাদের পরিবারের সবাইকে কবুল করে তার আরশের ছায়ায় জায়গা করে দিক (আমিন)।
কৃতজ্ঞতা
ভিওয়েন পরিবার😍
Expressing Condolences During this COVID-19 Crisis moment!
Dear Friends & Neighbors,
When a death occurs, we are accustomed to gathering with family and friends to say, “I care about you in your loss,” because giving and receiving support is an important part of the grieving process.
Like many of you, our day-to-day lives in the Quiet Corner are being impacted by the COVID-19 pandemic. As part of the CDC’s recommendation of “social distancing,” public gatherings for funerals have shifted to private services for close family members.
“How do I let them know I Care?”
There are still several ways for you to express your care and condolences. We would like to give you some practical ideas to let the survivors know you care.
👍Send a plant or floral arrangement to the survivor’s home.
👍Consider making a donation to a charity in memory of the person who died.
👍Send a sympathy card or write a personal note.
👍Make a phone call. Nothing is sweeter than a thoughtful voice on the other end of the line.
👍Send a message by email or social media.
Respectfully,
Viewen Apparels Ltd
COPY PASTE from.....
(Bob Fournier and the Staff of Gilman & Valade Funeral Homes and Crematory)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Gazipur
1750