Easy Math with SR
"অঙ্ক হোক পানির মতো সহজ!"🇧🇩
07/03/2025
27/06/2023
শেখ হাসিনার বাড়ি,শেখ হাসিনা পেশেখ হাসিনা,শেখ হাসিনার গান,ঁয়াজ,শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান,শেখ হাসিনার ক্যান্সার,শেখ হাসিনার জীবন কাহিনী,শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুল,শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম,শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন,shek hasinar salam nin,sheikh hasina funny speech,shek hasinar car,sheikh hasina press conference,sheikh hasina family,sheikh hasina lifestyle
23/05/2018
কি সৃষ্টি আল্লাহ তাআলার। আমরা কেও কি ভেবে দেখেছি এগুলো কোথা থেকে এলো কে সৃষ্টি করলো।। এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা সব কিছুই মহান আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন।।।আল হামদোরিল্লাহ,, সোবহান আল্লাহ।
তারাবির নামাজের কথা বলতে গেলে সার্বো প্রথম আমাদের দেখতে হবে আল-কুরআন এবং সুন্নত বা হাদিস। তারাবি কথাটি কুরআনে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি কিন্তু এটিকে কিরামুল লাইল বলা হয়। সহীহ বুখারিতে আয়সা( রাঃ)থেকে বর্ণিত তিনি বলেন সাঃ সারা বছর এগারো রাকাত করে পড়তেন এবং রমজানের মাসেও এগারো রাকাত করে পড়তেন, তিনি চার-চার-তিন এভাবে পড়তেন।।আবার নামাজের সুন্দরের বিবরাণ দিতে গিয়ে বলেন তোমরা জিঙ্গাস করো না এক এক রাকাত কত দীর্ঘ ছিল আর কত সুন্দর ছিল।।।....
ইদরীস (আঃ)-এর পরিচয়: তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত নবী। তাঁর নামে বহু উপকথা তাফসীরের কিতাবসমূহে বর্ণিত হয়েছে। যে কারণে জনসাধারণ্যে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। হযরত ইদরীস (আঃ) হযরত নূহ (আঃ)-এর পূর্বের নবী ছিলেন, না পরের নবী ছিলেন এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ ছাহাবীর মতে তিনি নূহ (আঃ)-এর পরের নবী ছিলেন।[1]
সূরা মারিয়ামে হযরত ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক্ব, ইয়াকূব, হারূণ, মূসা, যাকারিয়া, ইয়াহ্ইয়া, ঈসা ইবনে মারিয়াম ও ইদরীস (আঃ)-এর আলোচনা শেষে আল্লাহ বলেন,
أُوْلَئِكَ الَّذِيْنَ أَنْعَمَ الله ُعَلَيْهِم مِّنَ النَّبِيِّينَ مِن ذُرِّيَّةِ آدَمَ وَمِمَّنْ حَمَلْنَا مَعَ نُوحٍ وَمِن ذُرِّيَّةِ إِبْرَاهِيْمَ وَإِسْرَائِيلَ وَمِمَّنْ هَدَيْنَا وَاجْتَبَيْنَا إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِمْ آيَاتُ الرَّحْمَن خَرُّوْا سُجَّداً وَبُكِيّاً-
‘এঁরাই হ’লেন সেই সকল নবী, যাদেরকে নবীগণের মধ্য হ’তে আল্লাহ বিশেষভাবে অনুগৃহীত করেছেন। এঁরা আদমের বংশধর এবং যাদেরকে আমরা নূহের সাথে নৌকায় আরোহণ করিয়েছিলাম তাদের বংশধর এবং ইবরাহীম ও ইসরাঈল (ইয়াকূব)-এর বংশধর এবং যাদেরকে আমরা (ইসলামের) সুপথ প্রদর্শন করেছি ও (ঈমানের জন্য) মনোনীত করেছি তাদের বংশধর। তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহর আয়াত সমূহ পাঠ করা হ’ত, তখন তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ত ও ক্রন্দন করত’ (মারিয়াম ১৯/৫৮)। অত্র আয়াতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, ইদরীস (আঃ) হযরত নূহ (আঃ)-এর পরের নবী ছিলেন। তবে নূহ ও ইদরীস হযরত আদম (আঃ)-এর নিকটবর্তী নবী ছিলেন, যেমন ইবরাহীম (আঃ) হযরত নূহ (আঃ)-এর নিকটবর্তী এবং ইসমাঈল, ইসহাক্ব ও ইয়াকূব হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকটবর্তী নবী ছিলেন।[2] নূহ পরবর্তী সকল মানুষ হ’লেন নূহের বংশধর।[3]
উল্লেখ্য যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস, কা‘ব আল-আহবার, সুদ্দী প্রমুখের বরাতে হযরত ইদরীস (আঃ)-এর জান্নাত দেখতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফেরেশতার মাধ্যমে সশরীরে আসমানে উত্থান ও ৪র্থ আসমানে মালাকুল মউত কর্তৃক তাঁর জান কবয করা, অতঃপর সেখানেই অবস্থান করা ইত্যাদি বিষয়ে যেসব বর্ণনা তাফসীরের কিতাব সমূহে দেখতে পাওয়া যায়, তার সবই ভিত্তিহীন ইস্রাঈলিয়াত মাত্র।[4]
উল্লেখ্য যে, পবিত্র কুরআনে হযরত ইদরীস (আঃ) সম্পর্কে সূরা মারিয়াম ৫৬, ৫৭ এবং সূরা আম্বিয়া ৮৫ আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।
কুরতুবী বলেন, ইদরীস (আঃ)-এর নাম ‘আখনূখ’ ছিল এবং তিনি হযরত নূহ (আঃ)-এর পরদাদা ছিলেন বলে বংশবিশারদগণ যে কথা বলেছেন, তা ধারণা মাত্র। এমনিভাবে অন্যান্য নবীদের যে দীর্ঘ বংশধারা সাধারণতঃ বর্ণনা করা হয়ে থাকে, সে সবের কোন সঠিক ভিত্তি নেই। এসবের প্রকৃত ইল্ম কেবলমাত্র আল্লাহর নিকটে রয়েছে। ইদরীস (আঃ)-কে ৩০টি ছহীফা প্রদান করা হয়েছিল বলে হযরত আবু যর গেফারী (রাঃ) থেকে ইবনু হিববানে (নং ৩৬১) যে বর্ণনা এসেছে, তার সনদ যঈফ।[5]
কুরতুবী বলেন, তিনি যে নূহের পূর্বেকার নবী ছিলেন না, তার বড় প্রমাণ হ’ল এই যে, মি‘রাজে যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে ১ম আসমানে আদম (আঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়, তখন তিনি রাসূলকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বলেন, مرحبا بالابن الصالح والنبى الصالح ‘নেককার সন্তান ও নেককার নবীর জন্য সাদর সম্ভাষণ’। অতঃপর ৪র্থ আসমানে হযরত ইদরীস (আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ হ’লে তিনি রাসূলকে বলেন, مرحبا بالاخ الصالح والنبى الصالح ‘নেককার ভাই ও নেককার নবীর জন্য সাদর সম্ভাষণ’।[6] ক্বাযী আয়ায বলেন, যদি ইদরীস (আঃ) নূহ (আঃ)-এর পূর্বেকার নবী হ’তেন, তাহ’লে তিনি শেষনবী (ছাঃ)-কে ‘নেককার ভাই’ না বলে ‘নেককার সন্তান’ বলে সম্ভাষণ জানাতেন। যেমন আদম, নূহ ও ইবরাহীম বলেছিলেন। তিনি বলেন, নূহ ছিলেন সকল মানুষের প্রতি প্রেরিত প্রথম রাসূল। যেমন শেষনবী ছিলেন সকল মানুষের প্রতি প্রেরিত শেষ রাসূল। আর ইদরীস (আঃ) ছিলেন স্বীয় কওমের প্রতি প্রেরিত নবী। যেমন ছিলেন হূদ, ছালেহ প্রমুখ নবী’।[7] উল্লেখ্য যে, এখানে আদম, নূহ ও ইবরাহীমকে ‘পিতা’ হিসাবে খাছ করার কারণ এই যে, আদম হ’লেন মানবজাতির আদি পিতা। নূহ হ’লেন মানবজাতির দ্বিতীয় পিতা এবং ইবরাহীম হ’লেন তাঁর পরবর্তী সকল নবীর পিতা ‘আবুল আম্বিয়া’।
বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত ইদরীস (আঃ) হ’লেন প্রথম মানব, যাঁকে মু‘জেযা হিসাবে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও অংকবিজ্ঞান দান করা হয়েছিল। তিনিই সর্বপ্রথম মানব, যিনি আল্লাহর ইলহাম মতে কলমের সাহায্যে লিখন পদ্ধতি ও বস্ত্র সেলাই শিল্পের সূচনা করেন। তাঁর পূর্বে মানুষ সাধারণতঃ পোশাক হিসাবে জীবজন্তুর চামড়া ব্যবহার করত। ওযন ও পরিমাপের পদ্ধতি তিনিই সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন এবং লোহা দ্বারা অস্ত্র-শস্ত্র তৈরীর পদ্ধতি আবিষ্কার ও তার ব্যবহার তাঁর আমল থেকেই শুরু হয়। তিনি অস্ত্র নির্মাণ করে ক্বাবীল গোত্রের বিরুদ্ধে জেহাদ করেন।[8]
আজ থেকে জে এস ছি পরিক্ষা শুরু
হয়েছে।আমার জন্য দোয়া করবেন
যেন আমার অসহায় মায়ের মুখে
হাসি ফুটাতে পারি।'হে আল্লাহ
রহমত করো 'আমিন"
সৃজনশীল বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
প্রিয় জেএসসি পরীক্ষার্থী, আজ
বাংলা ১ম পত্র থেকে সৃজনশীল
বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর
ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হলো।
অতিথির স্মৃতি
১। নিচের কোনটি শরত্চন্দ্র
চট্টোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস?
ক. শেষের কবিতা খ. শেষ প্রশ্ন
গ. শেষ দেখা ঘ. শেষ সপ্তক
২। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের পূর্বনাম
কী
ছিল?
ক. মন্দির খ. বিন্দুর ছেলে
গ. দেওঘরের স্মৃতি ঘ. মামলার
৩। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটি পড়ে
শিক্ষার্থীরা কী পরিহার করবে?
ক. নিষ্ঠুরতা খ. আলসেমী গ. অলসতা ঘ.
দুষ্টুমি
৪। ‘পান্ডুর তার বদন খানি’—‘অতিথির
স্মৃতি’ গল্পে ‘পান্ডুর’ কী অর্থ বহন
করে?
ক. কালচে খ. ধূসর গ. বাদামি ঘ.
ফ্যাকাশে
৫। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পে ফুটে
উঠেছে জীবের প্রতি মানুষের—
ক. মমতা খ. নির্মমতা গ. নিষ্ঠুরতা ঘ.
মহিমা
৬। ‘অতিথির স্মৃতি’ নামকরণ থেকে
গল্পের কোন বিষয়টি প্রধান হয়ে
ওঠেছে?
ক. মানুষের সঙ্গে মানবেতর প্রাণীর
মধুর সম্পর্ক সৃষ্টি খ. শুনতে ভালো
লাগার পরিচয়
গ. গল্পকারের পছন্দ ঘ. কুকুরকে
প্রাধান্য দেওয়া
৭। যৌবনে কুকুরটির শক্তি-সামর্থ্য
ছিল তা লেখক যা দেখে বুঝলেন,
তা হলো—
i. ল্যাজ নাড়া দেখে ii. ধারালো
চাহনি দেখে
iii. শরীরের ক্ষয়িষ্ণু গঠন দেখে
কোনটি সঠিক?
ক. iii খ. ii ও iii গ. i ও ii ঘ. i, ii ও iii
৮। বেরিবেরির আসামি কারা?
ক. জনকয়েক বৃদ্ধ ব্যক্তি খ. কুলিরা
গ. অল্পবয়সী একদল মেয়ে
ঘ. বাড়ির চাকর-বাকররা
৯। লেখক কুকুরটিকে প্রথম কখন
দেখলেন?
ক. সকালবেলায় খ. দুপুরবেলায়
গ. বিকেলবেলায় ঘ. সন্ধ্যাবেলায়
১০। ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পটি কোন
দৃষ্টিকোণে লেখা?
ক. উত্তম পুরুষের দৃষ্টিকোণে খ. সর্বজ্ঞ
দৃষ্টিকোণে
গ. প্রান্তিক চরিত্রের দৃষ্টিকোণে
লেখা
ঘ. পার্শ্বিক চরিত্রের দৃষ্টিকোণে।
বাঙালির বাংলা
১১। হিমালয়কে কারা সব দৈব-
শক্তির নীলা-নিকেতন বলেছেন?
ক. বিজ্ঞানীরা খ. দার্শনিকেরা
গ. মুনি-ঋষিরা ঘ. পর্যটকেরা
১২। যৌবনকে নিত্য তেজ-প্রদীপ্ত
করে রাখে—
ক. দিব্যশক্তি খ. ঐশীশক্তি
গ. তড়িত্শক্তি ঘ. ক্ষাত্রশক্তি
১৩। ‘বাঙালির বাংলা’ লেখাটি
কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
ক. লাঙল খ. বিজলী গ. নবযুগ ঘ. সবুজ পত্র
১৪। কাজী নজরুল ইসলামের মতে
বাংলার বায়ুতে রয়েছে—
i. চিরবসন্ত ii. শরতের মাধুর্য iii. কালো
ধোঁয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. iii খ. ii ও iii গ. i ও ii ঘ. i, ii ও iii
১৫। ক্ষাত্রশক্তি কীভাবে তমকে
শাসন করতে পারে?
ক. পরামর্শদানের মাধ্যমে
খ. সহযোগিতার মাধ্যমে
গ. প্রতিরোধের মাধ্যমে ঘ. কাজের
মাধ্যমে
১৬। ‘তামসিকতা’ শব্দটি ‘বাঙালির
বাংলা’ প্রবন্ধে কোন অর্থকে
প্রকাশ করেছে?
ক. জ্ঞানজনিত ভাব খ. অজ্ঞানজনিত
ভাব
গ. ভাবুকতা ঘ. জড়তা।
# বাকি অংশ ছাপা হবে
আগামীকাল
সঠিক উত্তরটি মিলিয়ে নাও
বাংলা ১ম পত্র: সঠিক উত্তর
১. খ ২. গ ৩. ক ৪. ঘ ৫. ক ৬. ক ৭. গ ৮. গ ৯. ঘ
১০. খ ১১. গ ১২. ঘ ১৩. গ ১৪. গ ১৫. গ ১৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur