RX Raju Rhaman Raju

RX Raju Rhaman Raju

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RX Raju Rhaman Raju, Grocers, Dhaka, Gazipur.

28/02/2026

খুব অল্প বয়সে মাত্র ১৯ বছরেই পালিয়ে বিয়ে করেন আলভি আর ইকরা৷ ভালোবাসার ঝোঁকে শুরু হয়েছিল পথচলা। দেখতে দেখতেই কেটে গেল ১৪ বছরের সংসার…

কয়েকদিন আগেও দুজনেক জন্মদিনের হাসিমাখা ছবি চোখে পড়েছিল। ফেসবুক ভরা ছিল সুখী মুহূর্তে। কিন্তু সত্যিটা হলো আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষকে যতটা হাসিখুশি দেখি, সেটা আসলে তারা আমাদের যতটা দেখাতে চায় ঠিক ততটাই। ভেতরের কান্না, অশান্তি, ভাঙচুর—সেগুলো ক্যামেরার সামনে আসে না।

আলভির নাটক আমার কখনোই খুব পছন্দ ছিল না। তবে তার স্ত্রী ইকরার পোস্ট মাঝে মাঝে দেখতাম৷ সবসময় বাচ্চা আর স্বামীকে নিয়ে ছোট ছোট সুখের গল্প।

গতকাল আলভির পোস্টে তার স্ত্রীর একটি কমেন্ট দেখে মনে হলো, সবকিছু হয়তো ঠিকঠাক ছিল না।
হয়তো অনেক দিন ধরেই কিছু ভেতরে ভেতরে ভাঙছিল। একবার ভাবুন, দুজন মানুষ ভালোবেসে বিয়ে করলো। ১৪ বছর একসাথে কাটালো।
হাজার স্মৃতি, সন্তান, হাসি-কান্না৷ তারপর একসময় কষ্টের দায় বুকে নিয়েই একজন দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো।

জীবন আসলে ফেসবুকের ফিল্টার নয়।
হাসিমুখের ছবির আড়ালেও অনেক অশ্রু লুকানো থাকে। তবে খারাপ লাগলো বাচ্চাটার জন্যে৷ সে মা হারা হয়ে গেলো৷ হয়তো আলভি নতুন করে বিয়েও করবে কিন্তু মা কি আর ফিরে আসবে!!

31/12/2025
24/12/2025

কিছু মৃত্যু হঠাৎ করে আসে না,
ধীরে ধীরে ভেতরের আলো নিভিয়ে দিয়ে আসে।
চারপাশ তখন অস্বাভাবিকভাবে শান্ত হয়ে যায় ,
যেন পৃথিবী নিজেও কিছুক্ষণ কথা বলতে ভুলে যায়।

#হাদির চলে যাওয়া কোনো শিরোনাম নয়,
এটা একেকজনের ভেতরে ভেঙে পড়া ছোট ছোট ঘর।
যেখানে আর কেউ ডাক দেবে না,
আর কোনো অপেক্ষা পূর্ণ হবে না।
মৃত্যু আসলে শুধু একজনকে নেয় না,
সে রেখে যায় অসমাপ্ত কথা,
ফেলে যায় প্রশ্নহীন শূন্যতা,
আর বেঁচে থাকা মানুষগুলোর ভেতরে
একটা দীর্ঘ নীরবতা।
আজ আমরা শোককে শব্দে বাঁধতে পারি না,
শুধু নীরবে মাথা নত করি—
একটি থেমে যাওয়া জীবনের প্রতি সম্মান জানিয়ে।
— ভেতর ঘরের শব্দ

Photos from RX Raju Rhaman Raju's post 15/10/2025

হ্যাঁ। আমি গার্মেন্টস সেক্টরে চাকরি করি।
এটা নিয়া বিন্দু পরিমাণ আমি নিজেকে ছোট মনে করি না....

ঘুষ দিয়ে সরকারি চাকরি নেয়ার মত টাকা নাই আমার।

লাখ লাখ টাকা খরচ করে লেখাপড়া করে ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার / উকিল/ পাইলট ইত্যাদি নামীদামী পেশার লোক হতে পারি নি আমি।

ব্যবসা করতে গিয়ে বার বার ধরা খেয়ে টিকে থাকতে পারিনি আমি।

পরিবারকে ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমানোর সাহস হয়নি আমার।

ব্যাংক কিংবা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ কোন দিন আবেদনও করতে ইচ্ছা হয় নাহ।কেননা ওই প্রতিষ্ঠান গুলো সুদের ব্যবসা করে।
সুদকে আল্লাহ হারাম করেছেন।
অনেকেই হয়তো এখন বিভিন্ন যুক্তি দিবেন ব্যাংকে হালাল বানানোর জন্য।

আমি অল্পতেই খুশি। হালালভাবে অল্প কিছু টাকা আয় করি আমি।

আমার আশেপাশে অনেকেই আছেন যারা আমাকে হেয় করে দেখেন আমি গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করি বলে।
আমার অনেক বন্ধু আমার সাথে আগের মত কথা বলে নাহ এই কারণে।

আমার অনেক আত্মীয়স্বজনরা আমার পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করেন।

এছাড়াও যারা আছেন গার্মেন্টস সেক্টরকে নিন্দা করেন তাদের জন্য আজকে কিছু কথা বলতে চাই।।

আপনারা কি জানেন,
আমার মত বাংলাদেশে আরও প্রায় ৬০ লাখ মানুষ গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করেন।
বাংলাদেশে প্রায় ৫০০০ গার্মেন্টস রয়েছে।
২০১৯-২০২০ সালে মোট রপ্তানির প্রায় ৮৪.২১ % পন্য ছিল গার্মেন্টস সেক্টরের।
যার আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৪৫.২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
GDP তে যা প্রায় ২৩.১৭ %.

আমরা যদি গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ না করতাম তাহলে আপনারা সস্তায় আর নিত্য নতুন পোশাক পড়ে ঘুরে বেড়াতে পারতেন নাহ।

সবশেষে বলতে চাই, আমি অবৈধ ভাবে টাকা কামাই নাহ।।আমি হালালভাবে টাকা কামাই।
যদি কারোও আমার পেশা পছন্দ না হয়, তাহলে আমার থেকে দূরে থাকেন।

যে বা যারা আমার পেশা নিয়ে কটু কথা বলবেন তারা আমার মন থেকে উঠে যাবেন।

18/09/2025

একটি ছেলে ছিল নাম আদনান। সে খুব ধনী পরিবারের সন্তান। ছোটবেলা থেকেই দামী জিনিসের প্রতি তার আকর্ষণ ছিল। দামী ঘড়ি, দামি ফোন, নতুন গাড়ি—এসব ছাড়া তার চলতই না। আশেপাশের মানুষ তার এই বিলাসী স্বভাব দেখে বিরক্ত হতো, কিন্তু সে ভাবত এটাই জীবন।

একদিন তার বাবা তাকে নিয়ে গেলেন গ্রামে। গ্রামের পথে হেঁটে যাওয়ার সময় তারা দেখল এক বৃদ্ধ মানুষ, খুব পুরনো জামা পরে, মাথায় ঘাম, মাঠে কাজ করছে। আদনান অবাক হয়ে বলল—
“বাবা, এই বৃদ্ধ মানুষটা এত কষ্ট করে কাজ করছে কেন? ওর কাছে তো ঘড়ি নেই, ফোন নেই, গাড়ি নেই। কিভাবে থাকে?”

বাবা কিছু না বলে বৃদ্ধ লোকটির কাছে গেলেন। তিনি মাটিতে বসে পানির বোতলটা এগিয়ে দিলেন। বৃদ্ধ লোকটি হেসে পানি খেল এবং বলল—
“আল্লাহ আমাকে এখনো কাজ করার শক্তি দিয়েছেন, আমার সন্তানরা আজ খেতে পাবে—এই সুখের চেয়ে দামী আর কিছু নেই বাবা।”

আদনান স্তব্ধ হয়ে গেল।

ফিরে আসার পথে তার বাবা ধীরে ধীরে বললেন—
“দেখো আদনান, তোমার দামী ঘড়ি শুধু সময় দেখায়, কিন্তু ওই বৃদ্ধের কষ্টে কাটানো সময় তার পরিবারকে জীবন দেয়। তোমার দামী গাড়ি তোমাকে শুধু আরাম দেয়, কিন্তু ওই মানুষের হাঁটা তার সন্তানকে স্কুলে পৌঁছায়। দামী ফোন তোমাকে গেমস খেলায়, কিন্তু ওর ঘামের প্রতিটি ফোঁটা সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে। জীবনকে মূল্যবান করে দামী জিনিস নয়, বরং সঠিক কাজ আর মানুষের উপকার।”

সেদিন রাতে আদনান অনেক ভেবেছিল। ঘড়ি, ফোন, গাড়ি—এসবের মূল্য আসলে ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু অন্যের জন্য কিছু করা, নিজের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া, সৎভাবে বাঁচা—এসবই আসল সম্পদ।

এরপর থেকে আদনান বদলে যায়। দামী জিনিসের পেছনে ছোটা বন্ধ করে, বরং পরিশ্রম করে জীবনে অর্থবহ কিছু করার চেষ্টা শুরু করে।

---

এই গল্পে ছেলেটি বুঝতে পারে—বিলাসিতা সাময়িক, কিন্তু দায়িত্ব, পরিশ্রম আর অন্যের কল্যাণ চিরস্থায়ী।

29/08/2025

১৯৪৫ সাল।
যু*দ্ধবিধ্বস্ত জাপান।
এক কিশোর তার মৃ*ত ভাইকে মাটি চাপা দিতে পিঠে করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। একজন আর্মি অফিসার বিষয়টি লক্ষ্য করে কিশোরকে বললেন, "লাশটা পিঠ থেকে ফেলে দাও, ওটা অনেক ভারী।"
কিশোরটি সঙ্গে সঙ্গে দৃঢ় স্বরে জবাব দিল, "সে ভারী নয়, সে আমার ভাই!" আর্মি অফিসারের কিছুক্ষণ সময় লাগে ঘটনাটি বুঝতে। এরপর পুরো বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এই ঘটনা নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র জাপান জুড়ে। সেই থেকে ছবিটি হয়ে ওঠে দেশটির ঐক্যের প্রতীক। ভাইকে পিঠে তুলে নেওয়া কিশোরের ওই উক্তি হয়ে যায় তাদের জাতীয় স্লোগান: "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/বোন।" (He’s not a burden, he’s my brother/sister.)

আপনার ভাই বা বোন যদি পড়ে যায়, তাকে উঠান। যদি তার সামর্থ্য না থাকে, যদি সে দুর্বল হয়, তার পাশে দাঁড়ান। আর যদি সে ভুল করে, তাকে ক্ষমা করে দিন। পৃথিবী যদি তাকে পরিত্যাগ করে, আপনি তাকে আপনার পিঠে তুলে নিন। কারণ সে বোঝা নয়, সে আপনার ভাই/বোন।

14/08/2025

জীবনে একে অপরের মতো হওয়াটা জরুরি নয়, একে অপরের জন্য হওয়াটা ভীষণ জরুরী।

Facebook Lite for Android 10/08/2025

Facebook Lite for Android This version of Facebook uses less data and works in all network conditions.

10/08/2025

একজন শিক্ষক বলতেন— জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না। কখনোই কারো ওপর এত বেশি নির্ভরশীল হবে না যে, তাদের সামান্য অবহেলাতেই তোমার মন খারাপ হয়ে যায়, বিশেষ করে মানসিকভাবে।

তোমার মন খারাপ? তাহলে তোমার যেটা ভালো লাগে প্রয়োজনে পবিত্র গ্রন্থ পড়ো, হেমন্তের গান শুনো, নিজের জন্য এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বানাও, বিকেলের মিষ্টি রোদে আপনমনে হাঁটো, কিংবা প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুব দাও। যদি কোনো সৃজনশীলতা থাকে, তবে সেটাই হোক তোমার সঙ্গী।

অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস দেওয়া, নিজের দুঃখ-দুর্বলতা সবার সামনে প্রকাশ করা— এগুলো কোনো পরিণত মানসিকতার পরিচয় নয়। খুব বেশি একা লাগলে বা মন খারাপ হলে ঘর অন্ধকার করে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকো, প্রার্থনা করো।

পুরোনো স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো— কিন্তু নিজের সাথে এমন একটা সম্পর্ক গড়ে তোলো, যেন দুঃখের দিনগুলোতে কাউকে না পেলেও নিজেই নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে উঠতে পারো।

যদি কোনো কাজে সফল হও, নিজেকে পুরস্কৃত করো। যদি ব্যর্থ হও, নিজের সাথে একটু অভিমান করো, কিন্তু হাল ছাড়বে না। তবে কখনোই অন্যের চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার ভুল করো না।

কারণ, মানুষ সবসময় তোমার গুণের চেয়ে তোমার ত্রুটিগুলো দেখতেই বেশি পছন্দ করবে। তুমি যদি পারো, সেটাই যথেষ্ট। একা রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াটা স্বাভাবিক মনে করো, একা পার্কে সময় কাটানোটা যেন হাস্যকর না লাগে।

নিজেকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করো, যাতে মুড অফ থাকলে নিজের জন্য এক টুকরো চকলেট কিনতে পারো, নিজের বিশেষ দিনে নিজেকে একটা সুন্দর উপহার দিতে পারো। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে বিশেষদিনে আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের পোশাক নিজের জন্য নিজেই কিনতে পারো।

মাঝেমধ্যে নিজেকে কিছু ফুল উপহার দাও। সুন্দর সুবাস মন ভালো করে দেবে। সবার মন জয় করাও তোমার দায়িত্ব নয়, কারণ পৃথিবীর কেউই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনি। তাই যেখানে প্রয়োজন, সেখানে "না" বলতে শেখো।

"আমার বাবা-মা আমাকে বোঝে না, বন্ধুরা আমাকে সময় দেয় না, কাছের মানুষ আমাকে অবহেলা করে"— এসব ভাবনাকে প্রশ্রয় দিও না। কারণ এগুলো আসলে তোমার নিজের তৈরি করা মানসিক চাপ।

কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবে?
বরং এমন এক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলো, যাতে তোমার উপস্থিতিই সম্মানের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
আর যাই করো মনুষ্যত্ব অর্জন করার সাথে মানবিক থেকো আর ভেঙ্গে না পড়ে চেষ্টা করে যা

04/07/2025

শান্ত হও। ছেড়ে দাও। যে যেতে চাইছে যাক। যে ভালো থাকতে চাইছে থাকুক। জোর করতে নেই। ভালোবাসার আগে ভালো থাকাটা জরুরী সবার। শুধু সম্পর্ক রাখতে হবে বলেই জোর করতে নেই। লোক দেখানো ভালো থাকতে নেই। মন যা চাইছে মেনে নাও। যে পাখি উড়তে চাইছে উড়তে দাও। ভালোবাসার শেকলে আগলে রাখতে হয় বেঁধে রাখতে নেই। সরল হবার আগে সহজ হওয়া জরুরী। মেনে নেওয়ার শক্তি রাখা জরুরী। ঠিক তুমিই পারবে নিজেকে আগলে রাখতে। এতদিন তো তাই আগলেছো। 💜

"Love B'ombing" শব্দটা শুনে রোমান্টিক মনে হলেও, আসলে ব্যাপারটা অনেক ভয়ংকর।

Love b'ombing হলো এমন একটা সাইকোলজিক্যাল টার্ম, যেখানে কেউ একজন হঠাৎ আপনাকে অতিরিক্ত ভালোবাসা, আদর, যত্ন, কেয়ার, গিফট, ফোন, টেক্সট সবকিছু দিবে। আপনি ভাববেন, আহা! এরকম মানুষ তো আমি চেয়েছিলাম! মনে হবে, এই মানুষটাই বুঝি আপনার জন্য বানানো।

কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন আপনি তার দিকে একটু অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন। তখনই সে হঠাৎ করে দুরে সরে যাবে, যোগাযোগ কমিয়ে দিবে, বিরক্তি দেখাবে, আপনাকে দোষ দিতে শুরু করবে। তখন আপনি নিজেও কনফিউজড হয়ে যাবেন "আমি কি ভুল কিছু করলাম?"

Love b'ombing হলো এক ধরনের Manipulation technique। এই কৌশলে যারা মাস্টার, তারা শুরুতে আপনাকে ইমোশনালি এটাচড করে তুলবে। যখন আপনি পুরোপুরি তাদের উপর ইমোশনালি ডিপেন্ডেবল হয়ে যাবেন, তখনই তারা দূরে সরে যাবে বা আপনাকে কন্ট্রোল করতে চাইবে।

বর্তমানে অনেকেই এটার শিকার হচ্ছে। মনে রাখবেন, যে ভালোবাসা হুট করে শুরু হয়, সেটা হুট করেই শেষ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে তৈরি হওয়া সম্পর্ক, এগুলাই টিকে বেশিদিন। তাই কারো অতিরিক্ত যত্নে মুগ্ধ হবার আগেই ভাবুন, সে আপনাকে ঠিকমতো বুঝতেছে, নাকি আপনাকে নিয়ে খেলতেছে।

-

Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
Gazipur