SS Building solution

SS Building solution

Share

ক্লায়েন্টের সকল চাহিদা অনুযায়ী আমরা বাড়ির সকল কাজ করে থাকি।
Gazipur Development & Construction (GDC)

07/02/2026

🎉শুভ জন্মদিন প্রকৌশলী শেখ সাদী ভাই 🎂
ডেল্টা যুব ও ক্রীড়া সামাজিক সংগঠন এর প্রতিষ্ঠাতা।
আপনার জন্য এই সংগঠন টি আজ সরকারিভাবে নিবন্ধন হয়েছে। ৫ বছর ধরে এই সংগঠন টি সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করে আসতেছে।
আপনার মাধ্যমে আমরা তরুণরা সমাজের জন্য ভালো কাজ করার সাহস ও অনুপ্রেরণা পাই।
আমরা সবাই আপনার পাশে আছি। এগিয়ে যান আপনি। আপনার চিন্তাভাবনাকে যতটুকু সহযোগিতা করা লাগে আমরা সবাই করতে প্রস্তুত আছি।

আল্লাহ পাক আপনাকে নেক হায়াত দান করুক। আরো ভালো ভালো কাজ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তৌফিক দান করুক।

Photos from SS Building solution's post 06/01/2026

নীমতলীতে বিগত দিনের ছোট ব্রিজের লেআউট চেক দিয়ে নতুন বক্স কালভার্টের জন্য খসড়া লেআউট দেওয়া হয়।
দৈর্ঘ্য ৩৬ ফিট,প্রস্থ ৫০ ফিট হবে নতুন বক্স কালভার্টের।

06/01/2026

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Photos from SS Building solution's post 04/01/2026

কনকনে শীতের সকালে বক্স কালভার্টের বেড লেভেল করতে ডাইভারশনের কাজ হচ্ছে।

লোকেশনঃ নীমতলী, টঙ্গী।

Photos from SS Building solution's post 02/01/2026

সিলমুন নীমতলীতে হায়দারাবাদ রোডে বক্স কালভার্ট এর কাজ শুরু।

Photos from SS Building solution's post 28/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ,
২য় মানবতার দেয়াল উদ্বোধন হলো ৪৭ নং ওয়ার্ডের মরকুন পশ্চিম পাড়া জুনা ক্লাবের সামনে।

24/11/2025
Photos from SS Building solution's post 22/11/2025

বাংলাদেশে বড় ভূমিকম্প, এক দিন না একদিন হবেই!

বাংলাদেশের ভেতরে-বাইরে অনেকগুলো ফাটল আছে। যেমন:

হিমালীয় মুখ্য ফাটল বা Himalayan subduction zone
আজ থেকে সাড়ে ৫ কোটি বছর আগে মিলিত ভারত-বার্মা পাত ইউরেশীয় পাতকে সজোরে ধাক্কা দিলে হিমালয় জেগে ওঠে। ধাক্কার পর ভারতীয় পাত ইউরেশীয় পাতের নিচ দিয়ে গতিশীল হয় । এইভাবে প্রায় ২,২০০ কিলোমিটার লম্বা হিমালীয় সাবডাকশন জোন গঠিত হয়। গতিশীল ভারতীয় পাতের চাপে ইউরেশীয় পাতে শক্তি জমা হয় যা আকস্মিকভাবে মুক্ত হলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এখান থেকে স্লেমোনের সূত্রানুযায়ী সর্বোচ্চ ৯.২ - ৯.৩।

বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত সবচেয়ে লম্বা ফাটলটা হলো চট্টগ্রাম-আরাকান ফাটল যা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূল ও মিয়ানমারের উপকূলে অবস্থিত। ৯১২ কিলোমিটার লম্বা এই ফাটল সর্বোচ্চ ৮.৮ - ৮.৯ মাত্রার ভূমিকম্প উৎপন্ন করতে পারে। ১৭৬২ সালে এই ফাটল থেকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সমস্ত শক্তি ছেড়ে দেওয়ায় তখন ৮.৫ - ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প উৎপন্ন হয় যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে যমুনা নদীর জন্ম হয়। এই ফাটলের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগে তাই এখান থেকে ভূমিকম্প তৈরি হলে সেখানেই ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হবে।

সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্তে অবস্থিত ফাটলটার নাম হলো দাউকি। ৩৫৫ কিলোমিটার লম্বা এই ফাটল সর্বোচ্চ ৮.৩ - ৮.৪ মাত্রার ভূমিকম্প উৎপন্ন করতে পারে। ১৮৯৭ সালে এই দাউকি ফাটল এবং ভারতের ওলধাম ফাটল মিলিতভাবে ৮.২ - ৮.৩ মাত্রার ভূমিকম্প তৈরি করে । ছোট সোনা মসজিদ, বাঘা মসজিদ, কুসুম্বা মসজিদ, কান্তজিউ মন্দিরসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঢাকা শহরের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ফাটল হলো মধুপুর ফাটল যার দক্ষিণভাগ সরাসরি ঢাকা শহরের মধ্যে পড়ে। ১১৮ কিলোমিটার এই ফাটল দেশের সবচেয়ে ছোট ফাটলগুলোর একটা। তবু এটা সর্বোচ্চ ৭.৮ - ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্প তৈরি করতে পারে।

সব মিলিয়ে যেহেতু দেশের ভেতরে ও আশেপাশে বড় বড় ফাটল আছে এবং তারা যথেষ্ট বড় ভূমিকম্প তৈরি করতে পারে তাই বাংলাদেশে যে বড় ভূমিকম্প একদিন হবে সেটা খুবই স্বাভাবিক। তবে কবে হবে, কোন ফাটল থেকে হবে, কত বড় ভূমিকম্প হবে এসব একমাত্র আল্লাহই জানেন ।

Photos from SS Building solution's post 22/11/2025

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে “বেস আইসোলেশন” ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।

এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?

সহজ কথায়: বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।

আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।

BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

আমদের যেন কখনো শিখতে না হয় দুর্ঘটনা থেকে।
শিখি জাপানের মত উন্নত দেশের প্রযুক্তি থেকে।

সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনায় 😊

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Gazipur
1704