Muhammad Mahdi
alhamdulillah. أنا سعيد جدا، كلمة، العبارة أو الجملة
মরতে মরতে বেচে গেলাম আজকে 🥺
همسة مضيئة Muhammad Mahdi
২৭-৩৫ বছরের সময়টাকে গুরুত্ব দাও। এই সময়টা শক্তি, দক্ষতা, সুযোগকে কাজে লাগানোর সেরা সময়। যদি সময়গুলোকে কাজে না লাগাও তাহলে তোমার ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে!
লোভী মানসিকতার মেয়েরা আপনার পকেট খালি করবে, আর ভালো মানসিকতার মেয়েরা আপনার স্বপ্ন পূরণ করবে।
আবু তহা
#আবুতহা
দুপুরের রোদে শহরটা একটু থমকে যায়।
সব কাজের মাঝে হঠাৎ একটা নরম ক্লান্তি নেমে আসে।
চা–কফির কাপ ডাকে,
আর মন চায় একটু বিরতি,
একটু নীরবতা,
একটু নিজের সাথে কথা বলা।
দুপুর মানেই শুধু সময় নয়—
এটা দিনের মাঝপথে ছোট্ট একটা শ্বাস নেওয়া।
অনেক দিন পেজে কিছু দেওয়া হয় না 🥺
08/01/2025
#সবাই স্ক্রিন আসক্তি অন্তরকে মেরে ফেলে। জীবনের সমস্যা ও আনন্দের অনুভূতি নষ্ট করে দেয়। মাঝে মাঝে অনুভূতিগুলো এতই নষ্ট করে দেয় যে আমাদের অজান্তেই অমানুষের পর্যায়ে নিয়ে যায়।
ভার্সিটির কোচিং করার সময় আমার এক রুমমেটের বাবা মারা যায়। বাবা মারা যাওয়ার পরের দিন রুমমেট হোস্টেলে চলে আসে পরীক্ষার জন্য। আসার পর আমি তার মুখে তেমন কোনো দুঃখের চিহ্ন দেখিনি। সে মুটামুটি পর্দা করত। কিন্তু তেমন নামাজ পড়ত না। কিন্তু হোস্টেলে আসার পর সে মাত্র এক ওয়াক্ত নামাজ পড়েছিল। আর ওই এক ওয়াক্ত নামাজে তাকে মুনাজাত ধরতে দেখেছি। বাকি সময় সে ফেইসবুকে পড়ে থাকত। চ্যাটিং করত। প্রসঙ্গক্রমে বাবার কথা উঠলে একটু মুখ কালো করত। অথচ সে তার বাবার দুই কন্যা সন্তানের ভেতর বড় ছিল। খুব আদুরে মেয়ে ছিল। আমরা যদি আমাদের বাস্তব জীবনের দিকে তাকাই, তবে দেখব স্ক্রিন আসক্তি আমাদের ইবাদতের থেকে গাফেল করে দেয়৷ আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ করে। আমরা আমাদের জীবনের সত্যিকার সমস্যাগুলোকে সমস্যা হিসেবে বুঝতে পারি না, অথবা গুরুত্ব দেই না। এরপর সময় চলে গেলে হা-হুতাশ করি।
আবার স্ক্রিন আসক্তি অন্তরকে শক্ত করে দেয়৷ কান্না করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মানুষের প্রকৃত অনুভূতি নষ্ট হলে কান্না করার ক্ষমতা কমে যায়। ছোট ছোট ফেইসবুকিয় বিষয়ে হাসি ঠাট্টার পরিমাণ বেড় যায়। যার কারণে কোনো সমস্যায় পড়লে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার থেকে ফেইসবুকে দুঃখমাখা পোস্ট করে বেশি প্রশান্তি লাগে। জায়নামাজে কান্না আসে না। মাঝে মাঝে অনেকের আসক্তি এতই বেড়ে যায় যে ফরজ নামাজের পর যিকরগুলো করার সময়ও নেট ব্যবহার করে। অনেকে নামাজের শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে নামাজ আদায় করে। আর এটা একশ পার্সেন্ট সত্য কথা। আপনি আপনার চারপাশে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন।
সামনে রমাদান আসছে। আমরা আমাদের জীবনে বরকত আনতে চাইলে অবশ্যই কান্না করার ক্ষমতা তৈরী করতে হবে। কোনো এক ইমাম বলেছিলেন, ‘নামাজে কান্না না আসলেও আমাদের কান্নার ভাব করা উচিত'। কিন্তু এই ভাবটুকু করতেও আমাদের কান্নার উপলব্ধি প্রয়োজন। এই উপলব্ধি আনার জন্য হলেও আমাদের স্ক্রিন আসক্তি কমাতে হবে। আমরা যেন আমাদের রমাদানকে বিফলে যেতে না দেই। সবার সামনে আপনি মানতে রাজি না হলেও এটা একদম সত্য যে স্ক্রিন আসক্তি কমালে জীবনের অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। আমি যখন খুব লিমিটের ভেতর নেট ব্যবহার করি, তখন আমার দিনগুলো খুব প্রোডাক্টিভ যায়। আমি আমার সব কাজ তৃপ্তি ও ইখলাস নিয়ে করতে পারি।
এখন শা'বান মাস। আমাদের এই মাস থেকেই নিজেদের রমাদানের জন্য প্রস্তুত করা উচিত। সালাফরা রমাদান আসার ছয় মাস আগে থেকে নিজেদের প্রস্তুত করতেন। আর আমরা রমাদান শুরু হয়ে যাওয়ার পর তোড়জোড় করি। এখানেই আল্লাহর বিশেষ বান্দা আর আমাদের পার্থক্য। রমাদানকে সুন্দর করার জন্য আমাদের এখন থেকেই স্ক্রিন আসক্তি কমানো উচিত। যে তার রমাদানকে ঠিক ভাবে কাজে লাগাতে না পারে, তার থেকে হতভাগা আর কেউ নেই। আমরা নিশ্চয় হতভাগার কাতারে সামিল হতে চাই না।
– রমাদান বনাম স্ক্রিন আসক্তি
~ সংগৃহীত
24/12/2024
এই পর্যায়ে কেউ কেউ যুক্তি তুলে ধরতে পারেন। বলতে পারেন, 'ভাই! ব্যাপারটাকে আপনি যতটা সরলীকরণ করেছেন, সেটা আসলে অতটা সরল নয়। ক্যাম্পাসের কোনো এক বান্ধবীর সাথে বসে আড্ডা দিলে কিংবা অফিসের কোনো মেয়ে কলিগের সাথে অবসরে বসে কফি খেলে সেটা তো আর অনৈতিক সম্পর্কে গড়ায় না। এটা জাস্ট ফ্রেন্ডলি ব্যাপার!'
শাইখ আলি তানতাবি রাহিমাহুল্লাহর একটা কথা আমার খুব পছন্দের। তিনি বলেছেন, 'কিছু যুবক বলে থাকে তারা মেয়েদের চরিত্র ও ভদ্রতা ছাড়া আর নাকি কিছুই দেখে না। মেয়েদের সাথে তারা নাকি বন্ধুর মতোই কথা বলে এবং মেয়েদের বন্ধুর মতোই ভালোবাসে। মি'থ্যে কথা! আল্লাহর শপথ, এসব মি'থ্যে কথা! যুবকেরা তাদের আড্ডায় তোমাকে নিয়ে যে ধরনের কথা বলে তা যদি শুনতে পেতে, তাহলে তুমি ভ'য়ে চমকে উঠতে।'
শাইখ তানতাবির কথাগুলোর নিরেট বাস্তবতা আছে। দুজন বন্ধুর একাকী আলাপের মাঝে তাদের সুন্দরী বান্ধবীটা সম্পর্কে কী ধরনের কথাবার্তা উঠে আসে তা না শুনলে বিশ্বাস করাটাই দুরূহ! সেই রগরগে আলোচনাগুলো যদি সেই বান্ধবী শুনতে পেত, তাহলে সে কোনোদিনও আর তাদের মুখ দেখত না।
আপনি বলতে পারেন, কেবল কথা বললেই কিংবা তাকালেই কি পাপ হয়ে যায়? জি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'চোখের যি'না হলো চোখ দিয়ে দেখা। জিহ্বার যি'না হলো সেই জিহ্বা দিয়ে (অ'শ্লীল, রগরগে) কথা বলা। হাতের যি'না হলো পরনারীকে (খারাপ উদ্দেশ্যে) স্পর্শ করা। পায়ের যি'না হলো ব্য'ভিচারের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হওয়া এবং মনের যি'না হলো (ব্যভিচারের) ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা করা। আর এ সবকিছুকে কাজে রূপান্তর করে মানুষের গুপ্তাঙ্গ।' ~ (সহীহ বুখারী : হাদিস নং - ৬২৪৩)
হাদিসের ভাষ্য এখানে খুবই স্পষ্ট। চোখ দিয়ে আপনি ক্যাম্পাসের যে বান্ধবীটার রূপলাবণ্য উপভোগ করছেন, আপনি আসলে সেখানে যি'না করছেন। চোখের যি'না। তার হাতে ফুল গুঁজে দেওয়ার নাম করে অথবা বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে তার হাত স্পর্শ করার যে কায়দা আপনি করে থাকেন, তা আসলে যি'না। হাতের যি'না।
বন্ধুদের সাথে একান্ত আড্ডায়, চ্যাটে কিংবা মোবাইল ফোনে বান্ধবীদের নিয়ে যে অ'শ্লীল, কুৎসিত আলাপে আপনি মেতে ওঠেন, তাও একপ্রকার যি'না। জিহ্বার যি'না। বান্ধবী কিংবা কলিগের হাত ধরার জন্য, তার পাশে বসার জন্য, তার কথা শোনার জন্য আপনার মন যখন আকুপাকু করে, তখনো আপনি আসলে যি'না করেন। মনের যি'না। এই একান্ত কাম'নাগুলো মেটানোর উদ্দেশ্যে আপনি যখন ঘর থেকে বের হন, তখনো আপনি যি'নার মধ্যেই থাকেন। পায়ের যি'না।
সুতরাং 'একটু কথা বললে সমস্যা কী?' 'একটু হাত ধরলে আপত্তি কীসের?' 'আমরা তো আর প্রেম করছি না, বন্ধুই তো'-এ সমস্ত কথা আসলে ঠুনকো অজুহাত মাত্র। শ'য়তানের একটা চোরা ফাঁ'দ। একটা রঙিন চশমা যা পরলে দুনিয়াটাকেই রঙিন রঙিন মনে হয়।
বই : বেলা ফুরাবার আগে, পৃষ্ঠা নং - ৭৬-৭৭।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Dhaka
Gazipur
1700