Own Life
আমার যা ভালো লাগে আমি তাই করি ��
স্ত্রী কি কখনো আপন হয় নাকি? স্ত্রী তো পরের বাড়ীর মেয়ে৷ একজন স্বামী এক সপ্তাহ জামাই আপপায়ন পেয়েও শশুর বাড়ীতে থাকতে পারেনা। কিন্তু একজন স্ত্রী শত অবহেলার পরেও দিন শেষে শশুর বাড়ীতেই থেকে যায়!
স্ত্রীর জন্য খরচ করলে টাকা পয়সা কমে যাবেনা? স্ত্রীর জন্য খরচ করা মানে টাকা পয়সা জলে দেওয়া। কিছু কিছু স্বামী আছে এমনটাই মনে করে।
নিজের মতো করে বাঁচো !!
কারো কাছে তুমি নগণ্য, কারো কাছে জঘন্য, কারো কাছে তার সবটুকুই তুমি! একটা কথা মনে রেখো, গাঁধার নাম ঘোড়া রাখলেও সেটা গাঁধা থেকে যায়। কারো জাজমেন্টে তোমার মূল্য একটুও কমে যাবে না।
কারণ আলুর ব্যাপারী তো আর সোনা চিনবে না! তুমি নেকা তুমি বোকা, তুমি রাগী, তুমি অহংকারী। আসলে এর কোনটাই তুমি নও। তুমি তাদের কাছে সেরকমই যেরকমটা তারা ডিজার্ভ করে____🦋
দিন শেষে তুমি তুমিই! একটু একটু ভালো একটু একটু মন্দ! সবটুকু ভালো হতে গেলে দেখবে সবাই ভালোই আছে, শুধু তুমি ছাড়া!
🥀💔
কব'র'স্থানের দিকে তাকালে, মনে হয়! পৃথিবীর সব ‘আয়োজন’ বৃথা।
অনেক পুরুষই চায় বিয়ের পর স্ত্রী মাঝে , ভালো একজন রাঁধুনি, ভালো একজন কাজের বুয়া যে ক্লীন ও ধোয়া মোছায় পারদর্শী , একজন ইন্টারটেইন করার সংঙ্গী , এবং তার বাচ্চা পালার মতন ধৈর্যশীল মা । কিন্তু পাশাপাশি সে পুরুষ চায় সে তার খরচ নিজে চালাক এবং নিজের ইনকাম নিজে করুক ।তার নিজের দায়িত্ব সে নিজে বহন করুক । তার হাত খরচের পয়সা সে নিজে যোগাড় করুক কিংবা একে বারেই কোন খরচ না করুক ।
কি আশ্চর্য একজন মানুষ যখন বাহিরে ইনকাম করে , তার নিজের হাত খরচ নিজে বহন করে , এবং বাহিরে একজন পুরুষের মতন সমান কাজ করে , তার থেকে এতটা আশা করা যাবে না , যে মানুষটা তার সংসারের দায়িত্ব নিবে হাউজ ওয়াইফের মতন আবার বাহিরে ইনকাম করবে তার সমকক্ষ হয়ে । স্বামীকে খুশি করতে যেয়ে যে মেয়ে ঘর ও বাহির দুটো সামলায় এক সময় সে ম্যারিড লাইফের প্রতি বিরক্ত হয়ে যায় ।
নিজের জীবন নিয়ে আপসেট হয়ে যায় ।তখন তার সংসার জীবনকে ভালো লাগে না।
তাই চাকুরীজিবী বউদের দেখবেন যখন তারা সেল্ফ ডিপেন্ড হয় তখন তারা জামাইয়ের এক্সপেকটেশন কে আর পাত্তা দেয় না। আপনি আসলে ঘরে একজন উপযুক্ত হাউজ ওয়াইফ চাইলে তাকে ভরন পোষন দেওয়ার সামর্থ্য থাকতে হবে । ভরন মানে খাবার ও মৌলিক চাহিদার নিরাপত্তা আর পোষন তার পোষাক আষাক ও তার জীবন যাত্রা করার মতন খরচ বহন করার নিশ্চয়তা । কারন সে আপনাকে বিয়ে করেছে তার কোন ছোট ছোট শখ বাদ দেওয়ার চুক্তি করে নি।
আর যদি না পারেন , তবে তার ইনকাম করাটা ভালো ভাবে গ্রহন করুন । তাকে স্পেস দেন তার দায়িত্ব নেওয়াটা যেন বোর না হয়ে উঠে ।তাকে হেল্প করুন ঘর সামলাতে । তার জীবনটাকে একটু সহজ করার চেষ্টা করুন । তার সাথে এমন ব্যবহার করবেন না যেন আপনার প্রতি মন উঠে যায় ।প্রবাদ আছে পেটে খেতে দিলে পিঠে প্রহার সয় । তার কাছে রেসপেক্ট পেতে চাইলে তাকেও রেসপেক্ট করুন । তার কাছে পারিবারিক ডিমান্ড করার আগে ভাবুন সে ক্লান্ত কি না ? তার মনের খেয়াল রাখুন । মেয়ে মানুষ হলো গোলাপ ফুলের মতন সে তীব্র রোদ সহ্য করতে পারে না। যত্নে লালন করতে না পারলে সে উল্টো হাঁটা দেয় ।এই যে সংসার বিমুখতা তার কারন সে ক্লান্ত হওয়ার ফল ।সে তার বাবার সংসারে রাজ কন্যার মতন ছিল কিন্তু যখন দেখে দায়িত্বের এত বোঝা সে ভয় পায় । তার মন খারাপ হয় । সে বিরক্ত হয় তার মুড সুয়িং হয় ।এই সাইকোলজীক্যাল ব্যাপার গুলো বুঝতে শিখুন ।
দিনের বেলাতেও জানালার পর্দা টেনে দিয়ে রুম অন্ধকার করে রাখার 'শান্তি' টাই আলাদা!'❤️
সবকিছু জেনে ও কিছু বলতে না পারা,বা করতে না পারার অনুভূতিটা সত্যি অনেক কস্টের,, 🙂
কিন্তু একবার আল্লাহ কে বলতে শিখে গেলে কোনো খারাপ লাগাই স্থায়ী হয় না,🥰
আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুর জন্য 🥰
🖤🖤শুভ রাত্রি 🖤🖤
সইতে সইতে সবই অভ্যাস হয়ে যায়।
নিজের ভিতর পরিবর্তন খুব বেশি প্রয়োজন।
একটা বড় বা ছোট বোন থাকা মানে তুমি খুব ভাগ্যবতী।
অনেক সময় দেখা যায়, বোন জীবনের কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সিস্টেম হয়ে দাঁড়ায়। তার সাথে মন খুলে সবকিছু শেয়ার করা যায়, এবং সে সব সময় পাশে থেকে মানসিক শক্তি জোগায়। জীবনের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বোনের সঙ্গ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
বোনের সাথে সম্পর্কের আরেকটি বিশেষ দিক হলো—একজন বোন সব সময় আপনাকে আপনার প্রকৃত রূপে গ্রহণ করে। সে জানে আপনার সব দুর্বলতা, তবুও সে আপনাকে ভালোবাসে এবং সমর্থন করে। জীবনের ব্যস্ততা, দূরত্ব, বা সময়ের পরিবর্তন এই সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Fulbaria