Bondhan Design & Development
Bondhan design & development a sisters concern of Bondhan Group.They doing all kinds of building construction related work.
*জমি বায়না রেজিস্ট্রেশন এর তারিখঃ ২৬শে জুলাই ২০২০ইং।
* এখনই বাড়ি করার উপযোগী বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের অভিজাত এলাকা দক্ষিণ খুলশী 1 নম্বর রোডের শেষ মাথায় (এস বি নগর আবাসিকের মুখে) আবাসিক এলাকায় জমির শেয়ার কিনে নির্মাণ খরচে নিজের ফ্ল্যাট তৈরি করুন প্রায় অর্ধেক মূল্যে।
*লোকেশনঃ দক্ষিণ খুলশী 1 নম্বর রোডের শেষ দিকে জমির অবস্থান। খুলশি টাউন সেন্টার কনকর্ড 5 মিনিট এর হাঁটার দূরত্ব। ব্যাংক, মসজিদ, সুপারস্টাের, বাজার, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, কলেজ ভারতীয় হাইকমিশন, ইউনিভার্সিটি খুবই সন্নিকটে।
*মোট জমির পরিমাণ ৪.৬০ কাঠা বা ৭.৬০ শতক/ ( পশ্চিম মুখী)।
*মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ টি।
*জি+৭ বা ৮ তলা বাড়িতে ১৪ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে।
*ফ্ল্যাট সাইজঃ কম বেশী ১৬৬০ স্কয়ার ফিট (ফ্ল্যাট + কমন + পার্কিং সহ)
*রেজিস্ট্রেশন ছাড়া প্রতিটি জমির শেয়ারের মূল্য নিম্নরূপঃ
*১৬৬০ বর্গফুট = ১৫ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা মাত্র।
*সম্ভাব্য নির্মাণ খরচ ১৬০০+ টাকা প্রতি বর্গফুট।
*ফ্ল্যাট ও পার্কিং বন্টন লটারির মাধ্যমে।
*নির্মাণ সময় ২৪ মাস।
* বায়না রেজিস্ট্রেশন এর সময় মাত্র ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পরিশোধযোগ্য। বায়না রেজিস্ট্রেশনের পরবর্তী চার মাসের মধ্যে অবশ্যই জমি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
*জমির বাকি টাকা জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় পরিশোধ করতে হবে এবং আপনার নামে আনুপাতিক হারে জমির একটি নির্ধারিত অংশ রেজিস্ট্রেশন করে দেয়া হবে। জমি রেজিস্ট্রেশন সম্ভাব্য তারিখঃ ২৬শে নভেম্বর ২০২০ইং।
*সুতারাং আপনার বিনিয়োগ হবে ১০০% সুরক্ষিত।
*নির্মাণ কাজ শুরু হলে নির্মাণ খরচ ২৪ মাসের মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করার সুবিধা পাবেন।
*আরো বিস্তারিত জানতে ফোন করুন: ০১৭৪০৫৭৪৪৯০ অথবা ০১৯১১১৮৭৫৫৭ এই নাম্বারে।
*সার্বিক সহযোগিতায়ঃ নিজের স্বপ্ন নিজে গড়ি Powered By Bondhan Living Ltd.(বন্ধন লিভিং লিমিটেড)
18/05/2020
স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণ: সোলিং এর খুঁটিনাটি ব্রিক সোলিং এর প্রাথমিক জ্ঞান বাড়ি নির্মাণের সময় লক্ষ্য রাখতে হয় খুঁটিনাটি অনেক ব্যাপারে। কিছু কাজ ক্ষেত্রবিশে.....
17/05/2020
বাড়ি নির্মাণ: সয়েল টেস্ট কী, কেন, কীভাবে ‘সয়েল টেস্ট’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন যাবেন, একজন প্র...
12/05/2020
জলছাদ: কী ও কেন দেওয়া হয়? বাড়ির ছাদের উপর বৃষ্টির পানি জমা হলে পানি চুইয়ে যাতে ছাদের রডকে মরিচা ধরাতে পারে এ জন্য জলছাদ দেয়া হয়। এছাড়াও জলছা...
28/07/2019
28/05/2019
17/05/2019
Ready shop @ Masterpara, Feni.
Size 190 sft.
যারা বর্ষার পরে বাড়ির কাজে হাত দিতে চাচ্চেন, তারা খুব দ্রুত প্রস্তুতি নেন। বর্ষা শেষ হয়ে যাচ্ছে। অাপনাদের স্বপ্নের বাড়ি নির্মানে অামরা অাছি অাপনাদের পাশে।
অামাদের সার্ভিস
১. বিল্ডিং এর ডিসাইন (অার্কিটেকচারাল এবং স্টাকচারাল, ইলেকট্রি, প্লাম্বিং, থ্রিডি)
২. ইন্টেরিয়ার ও এক্সটেরিয়ার ডিসাইন
৩. রাজউক / সিডিএ/ পৌরসভা অনুমোদন
৪. বাড়ির কন্সট্রাকশন
৫. সয়েল টেস্ট
৬. বাড়ির পাইলিং
অাপনাদের স্বপ্নের বাড়ির নির্মান শেষ পর্যন্ত অাপনাদের পাশে থাকবে
15/05/2017
ইলেকট্রিক কাজ সর্ম্পকে এক জন সিভিলের ইঞ্জিনিয়ারের যে সকল বিষয় জানা দরকার:
প্রথমে কি কি ডায়ার পাইপ লাগে
সাধারন্ত ইলেকট্রিক কাজে ১.২৫" ১" ০.৭৫" ০.৫০" ডায়ার পাইপ ব্যবহার হয়ে থাকে
১.২৫" পাইপ ভাটিক্যাল লাইনে
১"/০.৭৫" পাইপ ছাদে
০.৭৫" পাইপ ওয়ালে
০.৫০" পাইপ সিলিং যদি কেটে পয়েন্ট সরানো লাগে তখন এবং টাইলসের নীচ দিয়ে কোন লাইন নেওয়া লাগলে যেমন ডিস টেলিফোন লাইনে ০.৫০" ব্যবহার হয়।
এবার এমকে স্টীল বক্স
৩ গ্যাং
২ গ্যাং
১ গ্যাং
স্টীল বক্স ব্যবহার করে থাকি
এবার তার
৯৫ আরএম
৭০ আরএম
৫০ আরএম..............
১৬ আরএম
১০ আরএম
৬ আরএম
৪ আরএম
৩ আরএম
২.৫০ আরএম
২ আরএম
১.৫০ আরএম
১.৫০ আরই
১.৩ আরএম
১.৩ আরই
১ আরই
আমরা মেন লাইনে ৯৫ আরএম ~ ১৬ আরএম ব্যবহার দেখে থাকি
১০ আরএম ~ ৬ আরএম এমডিবি থেকে এসডিবি ব্যবহার করে থাকি
৪ আরএম ~ ৩ আরএম এসি জন্য
৩ আএম ~ ২ আরএম পাওয়ার পয়েন্ট
১.৫০ আরএম~ ১.৩০ আরএম লাইট ও ফ্যান পয়েন্ট
১.৩০ আরই ~ ১.০০ আরই আর্থিং ও আইপিএস জন্য ব্যবহার করে থাকি
তার আমরা ৪ টি কালার ব্যবহার করে থাকি যেমন
লাল কালার মেন লাইন
কালো কালার নিউটাল
সবুজ কালার আর্থিং
হলুদ কালার আইপিএস
এখন বাজারে নীল কালারের তার পাওয়া যায়।
এবার সুইচ সকেট
১ গ্যাং সুইচ
২ গ্যাং সুইচ
৩ গ্যাং সুইচ
৪ গ্যাং সুইচ
৫ গ্যাং সুইচ
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যাম্পিয়ার
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যাম্পিয়ার
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৫~৬ এ্যাম্পিয়ার
ডিপি সুইচ
টিপি সুইচ
টিভি আউট লেট
টেলিফোন আউট লেট
বেল পুশ
১০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
১৬ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
২০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৩০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৪০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৫০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬৩ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬" রাউন্ড ফ্যান কাভার
৫"x৭" এবোনাইট সিট জাংশন বোর্ড
এখন কোনটার কত উচ্চতা
সুইচ বোর্ড ৪'-৬"
এসডিবি ৭'-০"
এমডিবি ২'-৬"
পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
এসি পয়েন্ট ৭'-১০"
এসির সুইচ ৪'-৬"
গ্রীজার পয়েন্ট ফল্সচ ছাদে
গ্রীজার সুইচ ৪'-৬"
লাইট পয়েন্ট ৭'-১০"
বেল পুস ৪'-৬"
এক্সজাষ্ট ফ্যান পয়েন্ট ৭'-১০"
এক্সজাষ্ট ফ্যান সুইচ ৪'-৬"
মিরর লাইট টপ অফ মিরর
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যা ৭'-১০"
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যা ৯"
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
টিভি আউট লেট ৯"
টেলিফোন আউট লেট ৯"
ইন্টারকম ৪'-৬"
কলিং বেল ৭'-০"
গার্ডেন লাইট সুবিধা মোতাবেক
গার্ডেন ওয়াল লাইট ওয়াটার পুভ করে দিতে হয়
বাথ রুম রান্নার রুমে পাওয়ার পয়েন্ট ৪'-৬"
আমার জানা মতে এই হিসাব, তবে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার আরও ভাল জানে
তবে সাইট চালাইতে এই মাপ ও হিসাব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জানা দরকার।
15/05/2017
বাড়ীতে রং করার নিয়ম
* বাড়ির বাইরের দেয়ালে রং করতে চাইলে মাথায় রাখুন আবহাওয়া। বাইরের দেয়ালে রং লাগানোর জন্য গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উপযোগী। ভেতরের দেয়ালে বছরের যেকোনো সময় রং করাতে পারেন। চাইলে বর্ষাকালেও ভেতরের দেয়ালে রং করা যায়।
* প্রথমবার রং করানোর ক্ষেত্রে সিমেন্টের আস্তরের ৯০ দিন পর সিলার ব্যবহার করুন। সিমেন্টের আস্তরণ পুরোপুরি শুকাতে তিন মাস সময় লাগে।
* দেয়াল খুব ভালো করে শুকিয়ে গেলে ভেতরের দেয়ালে সিলার ব্যবহার করুন। এতে দেয়াল মসৃণ হবে।
* আর বাইরের দেয়ালে মসৃণতা আনতে পুডিং প্রলেপ দিন। পুডিং ব্যবহার করার আগে পানি দিয়ে দেয়াল ভিজিয়ে নিন। খরচ কমাতে চাইলে পুডিংয়ের পরিবর্তে তিন কোট রং অর্থাৎ তিনবার রঙের প্রলেপ দিলেও দেয়াল মসৃণ হবে।
* দেয়ালে রং করার আগে পাথর দিয়ে দেয়াল ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। প্রাইমারি কোট শুকানোর পর সেকেন্ডারি কোট ব্যবহার করুন। এবং সেকেন্ডারি কোট ভালোভাবে শুকালে তারপর টারশিয়ারি বা ফাইনাল কোট রং দেওয়া উচিত।
* পুরনো বাড়ির ক্ষেত্রে বাইরের দেয়াল তিন বছর পর পর রং করা উচিত। ভেতরের দেয়ালের রং সাধারনত পাঁচ বছর পর্যন্ত উজ্জ্বল থাকে।
* পুরনো বাড়ির বাইরে দেয়ালে রং করার আগে ছত্রাকগুলোকে চেঁছে তুলে ফেলতে হবে। তারপর দেয়ালে অ্যান্টি-ফাঙ্গাশ সলিউশন ব্যবহার করুন। এতে দেয়ালের রং দীর্ঘস্থায়ী হবে।
* বাড়ির দেয়ালের জন্য সাধারণত ডিসটেম্পার ও প্লাষ্টিক পেইন্ট এই দুই ধরনের রং ব্যবহার হয়।
* বাইরের দেয়ালে আবহওয়ার প্রভাব থাকে। তাই এখানে ব্যবহার করুন অ্যাক্রেলিক ইমালশন।
মিস্ত্রির উপর ভরসা নয়, মিস্ত্রির পরামর্শে এবং তদারকিতে বাড়ি নির্মাণ করবেন না ৷ বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন I
বাড়ি নির্মান করার সময়ে গুরুত্বপুর্ন একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হচ্ছে বাড়িটি ঠিক কতটুকু উচু করতেন চাচ্ছেন। এই প্রশ্নটির সঙ্গে অনেক বিষয় জরিয়ে থাকে। বাড়ি উচু বলতে বোঝায় বাড়িটির গ্রউন্ডফ্লোরটি মাটি থেকে ঠিক কতটুকুন উচ্চতায় থাকবে সেটি। আর এই বিষয়টি বেশ কিছু বিষয়ের উপরে নির্ভর করে।
১) বন্যা পানির লেভেল:- বাড়িটি যেখানে নির্মিত হচ্ছে সেই অঞ্চলে গত ৫০ বছরে সবেচেয় ভয়াবহ বন্যা ঠিক কত ফিট উচু হয়েছিলো সেটার একটা মোটামুটি হিসাব বের করা হয়। এবং সেটাকে বিবেচ্য রেখেই বাড়ির উচ্চতা নির্নয় করতে হয়। যদি বন্যকবলিত অঞ্চল না হয়ে থাকে বা শহরাঞ্চলের হলে বৃস্টির সময় পানির লেভেল হিসেব করতে হয়। এই হিসেবটি স্থানিয় সরকারি অফিসগুলোতে সংরক্ষিত থাকে আবার লোকমুখে পাওয়া যায়।
২) রাস্তার লেভেল:- প্রায়শই দেখা যায় সরকারি রাস্তাগুলো অনেক উচুতে নির্মিত হয়। এখন আপনার বাড়িটি যদি রাস্তার পাশে হয়ে থাকে তবে আপনাকে অবশ্যই সেই রাস্তাকে ধরে তার থেকে কমপক্ষে ৩ ফিট উচুতে নির্মান করতে হবে না হলে রাস্তার পানি আপনকে ব্যাপক হেনস্থা করবে।
৩) পার্শ্ববর্তি বাড়ির লেভেল:- পার্শ্ববর্তি বাড়িগুলো ঠিক কোন লেভেলে আছে সেটা জানুন এবং দেখুন। তাদের ভুলগুলো এবং তাদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে তাদের সংঙ্গে আলোচনা করুন। দেখুন তারা তাদের বর্তমান লেভেল নিয়ে সন্তুস্ট আছেন কিনা নাকি সমস্যা হচ্ছে। তাদের অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগিয়ে আপনার বাড়ির উচ্চতা নির্ধারন করুন। এটি অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন যে আপনার পাশের বাড়িটি যদি আপনার থেকে উচু হয় তবে তার বাড়ির বৃস্টির পানির ধারা আপনার বাড়িতে জমবে আর যদি সমান লেভেলে হয় তবে তার জানালা থেকে আপনার জানালা দেখা যাবে যেটা আপনার প্রাইভেসি নস্ট করবে।
বাড়ি উচু করার পদ্ধতিটি নির্ভর করে আপনার বাড়ি ফাউন্ডেশন এর উপরে। মানে হচ্ছে যদি বাড়িটি পাইল ফাউন্ডেশন হয় তবে সেটা হবে একরকম আর যদি ফুটিং ফাউন্ডেশন হয় তবে সেটা হবে অন্যরকম। তবে একটা বিষয় মনে রাখবেন গ্রেডবীম থেকে ফাউন্ডেশন এর নিচ পর্যন্ত কলাম এর দৈর্ঘ যাতে খুব বেশি না হয়। এই আপনার বাড়িটিকে দুর্বল করবে এবং ভুমিকম্পের জন্য ঝুকিপুর্ন হবে। এটাকে শর্ট কলাম বলা হয়। সাধারনত ইঞ্জিনিয়ারিং এ ৮ ফিট এর বেশি এলাও করা হয় না শর্ট কলাম তবে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ ডিজাইন করে সেটাকে বৃদ্ধি করা যায়। বাড়ি যদি বেশি উচু হয় প্রয়োজন দুটি গ্রেডবীম করুন বা গ্রেডবীম নিচে রেখে ব্রিক ওয়াল করে বাড়িরি গ্রাউন্ডফ্লোর উচু করুন। সেটাও যাতে ৩ ফিটের বেশি না হয় খেয়াল রাখুন না হলে অতিরিক্ত মাটির চাপে ওয়াল ফেটে যেতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
27, Mehedi Plaza (2nd Floor), S. S. K Road (Opposite Of Fire Service)
Feni
3900
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 18:00 |
| Tuesday | 10:00 - 18:00 |
| Wednesday | 10:00 - 18:00 |
| Thursday | 10:00 - 18:00 |
| Saturday | 10:00 - 18:00 |
| Sunday | 10:00 - 18:00 |