Beautiful Feni
We talk about feni & fenian. The main highway of Bangladesh, Dhaka-Chittagong inter-district highway passes through Feni.
Feni (Bengali: ফেনী জেলা , Feni Jela also Feni Zilla) is a small southeastern district of Bangladesh bordering (clockwise from the north) Tripura in [India], Chittagong District, the Bay of Bengal, Noakhali District and Comilla District.[1] It comprises six sub-districts ("Upazilas"): Feni Sadar, Chhagalnaiya, Porshuram, Fulgazi (variant of Phool Ghazi), Daganbhuiyan and Sonagazi. Buses usually ta
12/02/2026
এই মানুষটা জিতলে শুধু একজন প্রার্থী জিততেন না, জিতে যেত বরিশালের স্বপ্ন, ভরসা আর মানবিকতার রাজনীতি।
বরিশালের মাটি থেকেই উঠে আসা এক মেয়ের গল্প এটা। যার শৈশব–কৈশোর কেটেছে বরিশালে। বরিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে ডাক্তারি পাশ করেছেন। বিসিএস করে সরকারি ডাক্তার হয়েছেন, পোস্টিংও নিয়েছেন নিজের শহরে।
কিন্তু মানুষের সেবা করতে গিয়ে তিনি বুঝতে পেরেছেন কাগজে-কলমে নিরপেক্ষ থাকা আর বাস্তবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক জিনিস নয়। তাই নিরাপদ চাকরি ছেড়ে সরাসরি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পথ বেছে নিয়েছেন।
বরিশাল ছাড়েননি। বরং আরও গভীরভাবে জড়িয়ে গেছেন মানুষের সাথে। তাই মানুষ তাকে ডাকে “গরিবের ডাক্তার”।
এটা কোনো বানানো গল্প না, বাস্তবের গল্প।
এই মানুষটার নাম : ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
মানবিক, সাহসী আর নিজের মাটির প্রতি দায়বদ্ধ এক মানুষ।
লড়াই চলবে!!
28/03/2025
পিনাকির মত মুশরিকদের ফিতনা থেকে বাচুঁন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হচ্ছে গাফফার (অতি ক্ষমাশীল)। পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করে মুসলমানরা আল্লাহ্ নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য। পরম করুনাময় অতি ক্ষমাশীল। কেউ যদি সঠিক নিয়তে আল্লাহর কাছে তওবা করে গুনাহ মাফ চায় নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ মার্জনাকারী ও ক্ষমাশীল। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪৩)
একজন কাফের যিনি হচ্ছে আল্লাহর সাথে শিরক করে, এমন একজন ব্যক্তি মুসলমানদের মাঝে একটা কৃত্রিম ব্যক্তি (রাজনৈতিক সংগঠন ) যাকে পরিচালিত করে কিছু প্রাকৃতিক ব্যক্তি, যাদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন। এই জন্য দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অবশ্যই যারা কৃত্রিম ব্যক্তিকে ভুল পথে পরিচালনা করেছেন এবং দেশের মানুষের প্রতি কৃত্রিম ব্যক্তির মেমোরেন্ডামে যেসব কমিটমেন্ট
ছিলো যে অনুযায়ী দ্বায়ীত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন
তাদের কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি দেওয়া উচিত।
কিন্তু এই কাফের এইসব সস্তা দুনিয়াবী কৃত্রিম বস্তুর আবেগকে পুঁজি করে মুসলমানদের মধ্যে হিংসার বীজ সুনিপুনভাবে রোপণ করছে। কোন ব্যক্তি দোষত্রুটির উর্ধ্বে নয়, তিনি যে জৈনিক জেনারেলকে নিয়ে কথা বলছেন তিনিও ভুলের উর্ধ্বে নয় তিনিও মানুষ তারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারও দুই কাঁধে দুই ফেরেশতা রয়েছে ভালো-মন্দ লেখার জন্য। একজন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দর্শন থাকতে পারে বা নির্দিষ্ট কোন কৃত্রিম ব্যক্তির প্রতি তার সফট কর্নার কাজ করতেই পারে। অথচ এই কাফের বলে জেনারেল নামাজি হলেও ফ্যাসিবাদীর বন্ধু হতে পারে। ইতিহাস দেখে বিচার করুন জেনারেলদেরকে, নামাজ দেখে না।
তার মানে কি, দুনিয়াবী সস্তা একটি কৃত্রিম বস্তুকে নামাজের থেকেও বড় করে দেখাচ্ছে। নাউজুবিল্লাহ। অথচ বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটে যাওয়ার সর্বোউত্তম পন্থা হলো নামাজ। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, হে আদম সন্তান! তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে ক্ষমার আশা রাখবে, তোমার অবস্থা যা-ই হোক না কেন, আমি কারো পরোয়া করি না, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্তও পৌঁছে, আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, আমি কারো পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী ভর্তি গুনাহ নিয়ে আমার কাছে হাজির হও এবং আমার সঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করো, আমি পৃথিবীব্যাপী ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে হাজির হবো। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৪০)
আল্লাহ ক্ষমাশীল তাই আমাদেরকে ক্ষমাশীল হওয়া উচিত অথচ এই কাফের দুনিয়ার একটা সস্তা কৃত্রিম বস্তুর আবেগকে পুঁজি করে মুসলমানদের ভিতরে ক্ষমা করার মহৎ গুণটিকেও খুব সুনিপুণভাবে হত্যা করে হিংসার বীজ রোপন করছে। তাই এই কাফেরের ফিতনা থেকে বাঁচুন। খোঁজ নিয়ে দেখুন হতে পারে এই কাফের কোন ইসলাম বিরোধী গোপন কনো সংস্থার সদস্য।
যে রাজনৈতিক আবেগ কাজে লাগিয়ে মুসলমান মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে। এই জন্যই
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী ও মুশরিকরা
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন- আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ-৮২) অর্থাৎ খাছভাবে সমস্ত ইহুদী এবং মুশরিকরা মুসলমানদের সবচাইতে বড় শত্রু আর আমভাবে সকল কাফির-মুশরিক, বিধর্মীরাই মুসলমানদের শত্রু। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে ইহুদী-মুশরিকসহ সকল কাফিরদেরকে শত্রু হিসেবে জেনে তাদের সকল ষড়যন্ত্র থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন!
02/04/2023
ভারতের আধ্যাত্মিক জগতের সম্রাটরা:
#খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) : দক্ষিণ এশিয়ার বিখ্যাত সুফি-সাধকের একজন খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.)। যিনি খাজা বাবা নামেই অধিক পরিচিত। যাকে ‘সুলতান-উল হিন্দ’ নামেও অভিহিত হয়। খাজা মঈনুদ্দীন (রহ.) ভারতীয় উপমহাদেশে চিশতিয়া ধারা প্রতিষ্ঠিত এবং পরিচিত করেন।ভারতে চিশতিয়া ধারার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ধারা পরবর্তীতে তার খলিফা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকি, নিজামুদ্দিন আউলিয়া (রহ.), বাবা ফরিদসহ অন্যান্য খলিফা এ ধারাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) মধ্যে এশিয়া খোরাসানের সানজার নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ খাজা গিয়াস উদ্দিন এবং মাতার নাম সৈয়দা উম্মুল ওয়ারা মাহেনূর।তিনি পিতার দিক দিয়ে হজরত আলী (রা.) এবং মাতার দিক দিয়ে হজরত ফাতেমা জোহরা (রা.) বংশধর। তিনি বংশে হাসানী-হোসাইনী আওলাদে রসুলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অশেষ সৌভাগ্যের অধিকারী।খাজা গরিবে নেওয়াজ পিতার কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। মাত্র নয় বছর বয়সে তর্জমাসহ পবিত্র কোরআন শরিফ হেফজ করেন। পিতার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কোরআন, হাদিস, ফিকহ, উসুল, তাফসির, আরবি সাহিত্য-ব্যাকরণ, মানতিক, হিকমত দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে অসামান্য জ্ঞান অর্জন করেন। সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য পাওয়ার জন্য তিনি অজানা উদ্দেশ্যে বের হন। আল্লাহর ধ্যানে ব্যাকুল হয়ে তিনি দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। বুখারা, ইরাক, নিশাপুর প্রভৃতি জায়গায় যেখানে অলি বুজুর্গ, দরবেশের সন্ধান পান, সেখানেই অবস্থান নিয়ে ইলমে মারেফত অর্জনে সফর অব্যাহত রাখেন।এক সময় বোখারা থেকে নিশাপুরে চলে আসেন।সেখানে যুগশ্রেষ্ঠ অলি হজরত ওসমান হারুনী (রহ.) তাকে খিলাফত প্রদান করেন। তখন থেকেই তাঁর আধ্যাত্মিক সাধনার শুরু.তাঁর জীবনীগ্রন্থ থেকে জানা যায়, প্রায় বিশ বছর তিনি পীরের খেদমত করে নিজের আধ্যাত্মিকতার উৎকর্ষ সাধন করেন।এক সময় খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) ভারতের আজমীরে আসেন ইসলাম প্রচার করতে। তাদের কাফেলা অবস্থান নেয় ‘আনা সাগর’ নামে একটি বিশাল হ্রদের পাশে। আনা সাগরের পাশেই ছিল অসংখ্য মন্দির। আনা সাগরের পানি শুধু উচ্চ বর্ণের হিন্দু ও পুরোহিতগণ ব্যবহার করতে পারতেন। একদিন মঈনুদ্দিন চিশতির (রহ.) শিষ্য মোহাম্মদ সাদি আনা সাগরে অজু করতে যান। এ সময় পুরোহিতরা তাকে অপমান করেন। পরে ওই শিষ্য সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করলেন খাজা মইনুদ্দীন চিশতির (রহ.) কাছে। তখন তিনি হজরত খাজা মোহাম্মদ সাদীকে আনা সাগর থেকে একঘটি পানি আনার নির্দেশ দিলেন। নির্দেশ মতো মোহাম্মদ সাদী আনা সাগর থেকে একঘটি পানি আনতেই দেখা গেল সব পানি উধাও। পরে এ ঘটনার জন্য বাধ্য হয়ে রাজা পৃথ্বীরাজ ও তার অনুসারীরা ক্ষমা চাইলে আনা সাগরের পানি আগের পরিস্থিতি ফিরে আসে। এরকম হাজারো কেরামত রয়েছে যুগ শ্রেষ্ঠ অলি মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.)।৬৩৩ হিজরির ৫ রজব দিবাগত রাতে হজরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) ইন্তেকাল করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পবিত্র কপাল শরিফে স্পষ্টভাবে স্বর্ণোজ্জ্বল আরবিতে লেখা ওঠে। যার বাংলা অর্থ- ইনি আল্লাহর বন্ধু আল্লাহর মুহব্বতেই তিনি রিছালত লাভ করেছেন।
#মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.) : যখন সমাজ কুসংস্কার ও অন্ধকারে পতিত হয় তখন একজন মুজাদ্দিদের আবির্ভাব ঘটে। যারা সমাজ সংস্কারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এমন একজন মুজাদ্দিদ হচ্ছেন ইমামে রাব্বানি মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.)। যার আসল নাম হচ্ছে শায়খ আহমেদ। ৯৭১ হিজরিতে ভারতের পাঞ্জাবের শেরহিন্দে (রহ.) জন্মগ্রহণ করেন। মুজাদ্দিদে আলফেসানির জন্মের কথা ছয়শ বছর আগেই ওই এলাকার প্রখ্যাত অলি হজরত সৈয়দ মোহাম্মদ ইসমাইল বন্দেগি (রহ.) জেনেছিলেন। তখন তিনি সৃষ্টিকর্তার কাছে মুজাদ্দিদ আলফেসানি (রহ.) সঙ্গে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করে দীর্ঘ হায়াত দিতে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করে সাড়ে ছয়শ বছরের হায়াত দেন। ১০৭৭ হিজরিতে আলফেসানির (রহ.) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ইন্তেকাল করেন ইসমাইল বন্দেগি (রহ.)।মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.) শিশু বয়সেই কোরআন হেফজ করেন। শেরহিন্দের বিখ্যাত আলেমদের কাছ থেকে ধর্মীয় শিক্ষা নেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি জাহেরি (প্রকাশ্য) ও বাতেনি (অপ্রকাশ্য) জ্ঞানের ভা-ারে পরিণত হন। এরপর দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার কাছে নিয়োজিত করেন নিজেকে। তাঁর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হাজির হন হাজার হাজার ভক্ত। মুজাদ্দিদে আলফেসানির (রহ.) পূর্ব পুরুষগণ ছিলেন মারিফাতপন্থি। তাই ইলমে মারিফত অর্জনের বিষয়টা ছিল বংশগতভাবে প্রাপ্ত। তিনি কাদেরিয়া তরিকার শ্রেষ্ঠ অলি হজরত শাহ সিকান্দারের (রহ.) কাছে খিলাফত লাভ করেন। সে সময় ‘কুবারিয়া’ তরিকা খুবই প্রসিদ্ধ ও প্রসার ছিল। হজরত মাওলানা ইয়াকুব (রহ.) ছিলেন ওই তরিকার বিখ্যাত অলি। মুজাদ্দিদ আলফেসানি (রহ.) তাঁর কাছ থেকেও খিলাফাত লাভ করেন। মুজাদ্দিদ আলফেসানি (রহ.)-এর পিতা শায়খ আবদুল আহাদের মৃত্যুর আগে পুত্রকে বাতেনি শক্তি দান করে তার স্থলাভিষিক্ত করে যান। সে সময় প্রচলিত সমস্ত তরিকার কামালিয়াত হাসিন করেন। পিতার নির্দেশমতো নকশাবন্দিয়া তরিকার পরবর্তীকালে কামালিয়াত হাসিল করে ইলমে মারিফাতের মহাসাগরে পরিণত হন।প্রচলন রয়েছে মুজাদ্দিদ আলফেসানি (রহ.) হজ ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করার ইচ্ছা শোষণ করেন। কিন্তু নানান কারণে তাঁর মনোবাসনা পূরণ হয়নি। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তখন আল্লাহর নির্দেশে পবিত্র কাবা শেরহিন্দ শরিফে চলে আসে। তখন আলফেসানি (রহ.)-এর খানকা শরিফের কূপগুলো জমজমের পানিতে ভরে যায়। তার খানকা শরিফের জমিকে বেহেশতি জমির মর্যাদা দেওয়া হয়। এখনো শেরহিন্দ শরিফের মসজিদের জমজমের পানির উৎস্য বিদ্যমান রয়েছে। এ ছাড়া কথিত আছে আলফেসানির (রহ.) দরবারে মদিনা মনওয়ারার রসুল পাক (সা.)-এর রওজা শরিফের কিছু মাটি আছে যে মাটি নুহ (আ.)-এর তুফানের সময় মদিনা মুনওয়ারা থেকে এ শেরহিন্দ শরিফে আসে।
#হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) : হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) ছিলেন ভারতের সর্বশ্রদ্ধেয় আউলিয়াদের একজন। যাঁকে সবাই সুলতানুল মশায়েখ এবং মাহবুবে ইলাহি নামে ডাকতেন। তিনি চিশতিয়া তরিকার মহান সুফি সাধকদের একজন ছিলেন। তার পূর্বসূরিদের মধ্যে হজরত ফরিদ গাঞ্জশাকার, হজরত বখতিয়ার কাকি এবং গরিবে নেওয়াজ হজরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.)-এর ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের চিশতিয়া তরিকায় আধ্যাত্মিক সিলসিলা। দানশীলতা, অতিথি পরায়ণতা, ধর্মপরায়ণতা এবং সরলতায় তিনি ভারতের অন্য সব সুফি সাধককে ছাড়িয়ে গেছেন। তাঁর অনেক শিষ্য ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ, বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্ম প্রচার করেছেন। বেঁচে থাকা অবস্থায় হাজার হাজার ভক্ত হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর দরবারে আসত মনোবাসনা পূরণের আশায়। এখনো প্রতি বছর লাখো অনুসারী লাখো ভক্তের আগমন ঘটে নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর মাজারে। মুসলিম ছাড়া, হিন্দু, শিখ ধর্মের অনুসারীরা বার্ষিক ওরশে অংশগ্রহণ করেন। সমবেত ভক্তরা মাজারে ফুল এবং মাজার চত্বরে কাউয়ালি গেয়ে নিজেদের মনোবাসনা পূরণের আর্জি দেন। নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর ৬০০-এর বেশি খলিফা ছিলেন। যাদের বিশ্বজুড়েই সুপরিচিতি রয়েছে। তাঁর বিখ্যাত খলিফাগণের মধ্যে রয়েছেন নাসিরুদ্দিন চিরাগ দেহলভি, আমির খসরু, রোরহানুদ্দিন গরিব, আখি সিরাজ আয়নায়ে হিন্দ, জালালুদ্দিন ভান্ডারী, সৈয়দ মাহমুদ কাশকিনাকার, আজান ফকির অন্যতম। নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) শিশুকালেই বাবাকে হারান। তিনি ও তাঁর মাতা অভাব অনটনের মধ্যে জীবন অতিবাহিত করতেন। তাই মাসের বেশির ভাগ সময় তাঁদের পরিবারে অভুক্ত হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। যে দিন তাদের ঘরে কোনো কিছু থাকত না তখন মাতা বিবি জুলায়খা সন্তান নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-কে বলতেন, ‘আজ আমরা আল্লাহর মেহমান। ’ এ কথা নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর খুবই পছন্দ হতো। যখন ঘরে নিয়মিত রান্না হতো তখন নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) মাকে জিজ্ঞাসা করতে আমরা কখন আল্লাহর মেহেমান হব। হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর কেরামত ছোঁকাল থেকেই প্রকাশ পেতে থাকে। ছোট বেলায় নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) খাজা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর (রহ.) মাজার জেয়ারত করতে যান। মাজারে তিনি এক মজজুব ব্যক্তির সাক্ষাৎ পান। তিনি দেখেই নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর কাছে দোয়া চাইলেন। যাতে তিনি কাজির পদ লাভ করেন। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, হে নিজামুদ্দীন তুমি কি কাজি হতে ইচ্ছা কর? আমি তোমাকে দেখছি, তুমি ধর্ম বিশারদ এক বাদশা। তুমি এমন স্তরে পৌঁছে যাবে, যেখান থেকে বিশ্ববাসী তোমার কাছ থেকে ফয়েজ লাভ করে ধন্য হবে।
#হজরত আমির খসরু (রহ.) : ভারতের সুফি সাধকের অন্যতম ছিলেন হজরত আমির খসরু (রহ.)।যার আসল নাম ছিল আবুল হাসান ইয়ামিন আল-দিন মাহমুদ। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগীতজ্ঞ ছিলেন তিনি। একাধারে ছিলেন কবি, দার্শনিক এবং গায়ক। এ সুফি সাধককে ‘তুত-ই হিন্দ’ বা ভারতের তোতাপাখি হিসেবে ডাকা হয়। তাঁর হাত ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশে গজল সংগীত ও কাব্যের প্রচার ও প্রসার হয়।সংগীত সম্রাট আমির খসরু (রহ.) ছিলেন বিখ্যাত অলি ও দরবেশ হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর অন্যতম শিষ্য। মৃত্যুর আগে নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) ভক্তদের প্রতি নির্দেশ নিয়ে যান আমির খসরুকে যেন তাঁর পাশের কবর দেওয়া হয়। ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে হজরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন মাজারের পাশে গিয়ে বিলাপ করতে থাকেন আমির খসরু (রহ.)। এভাবে টানা ছয় মাস কান্না করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পরে নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর পাশের কবরে শায়িত করা হয় প্রিয় শিষ্য আমির খসরু (রহ.)-কে। মাত্র আট বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর দরবারে যান বালক আমির খসরু। কিন্তু তিনি দরবারের ভিতর প্রবেশ না করে বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। তখন বালক আমির খসরু গুনগুন করে একটি কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। আধ্যাত্মিক শক্তির মাধ্যমে কবিতা শুনতে পেয়ে নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) পাল্টা কবিতা পাঠ আবৃত্তি বালক আমির খসরুকে অভিবাদন জানাতে দরজায় এগিয়ে আসেন। তখন বালক আমির খসরু বুঝতে পারেন তিনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এরপর আমির খসরু নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর প্রিয় শিষ্যে পরিণত হন। নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)-এর দরবারে কাউয়ালি গজল গাইতেন আমির খসরু। ভারতের অন্যতম এ সুফি সাধক অসংখ্য কিতাব রচনা করেন। তাঁর লেখা কিতাবের মধ্যে রয়েছে- খাজিনাউল ফুতুহ, ওয়াসতুল হায়াত, ঘুররাতুল কামাল, খামসা-ই-খসরু, সাকিনা, দুভাল রানি, বাকিয়া নাকিয়া, নুহ সিপার, ইজাজ-ই-খসরু, আফজাল উল-ফাওয়াইদ, তুঘলক নামা, নিহায়াত উল-কালাম অন্যতম। হজরত আমির খসরু (রহ.) ভারতীয়, আরবি এবং ইরানি সংগীতকে সমন্বয় করে নতুন সংগীত ধারা সৃষ্টি করেন। যা সংগীতজগতে উত্তর ভারতীয় উচ্চাঙ্গসংগীত হিসেবে খ্যাতি পায়। আর কাউয়াল হচ্ছে আমির খসরু (রহ.) উদ্ভাবিত সংগীত ধারা। তাই তাকে কাউয়ালির জনক বলা হয়। ‘তারানা’ সংগীত ধারা আমির খসরু (রহ.)-এর নিজস্ব আবিষ্কার। এটি হলো এক প্রকার শ্রুতিমধুর এবং দ্রুতগতির উচ্চাঙ্গসংগীত। তিনি অসংখ্য নতুন রাগ, তাল ও সংগীত যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
#হজরত খাজা বু-আলি শাহ কালান্দার (রহ.) : ভারতীয় উপমহাদেশে যে কয়জন সুফি সাধক ইসলাম প্রচার করেছেন তাদের একজন হচ্ছে হজরত খাজা বু-আলি শাহ কালান্দার (রহ.)। তিনি ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর বংশধর ছিলেন। তাঁর আসল নাম ছিল আলাউদ্দিন। রূপক নাম আবু আলি। তবে তিনি সবার কাছে বু-আলি কালান্দার (রহ.) নামে পরিচিত ও প্রসিদ্ধ ছিলেন। জন্মের পর থেকে খাজা বু-আলি শাহ কালান্দার (রহ.)-এর মধ্যে স্রষ্টার প্রতি প্রেম ও সুফি চেতনা প্রকাশ হতে থাকে। প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য তাঁকে পানিপথ শহরে পাঠান পরিবার। প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ শেষে তিনি চলে যান দিল্লি। ওখানে তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ অলি শাহ কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির খলিফা হজরত শাহ শায়েখ শাহাবউদ্দিন, ইমাম ফখরউদ্দিন রাজি শাগরেদ মাওলানা নিজামুদ্দীন মুশকি, মাওলানা রোকনউদ্দীন সামনির কাছে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি সারা জীবন নিয়োজিত ছিলেন ইসলামের প্রচার এবং প্রসারে। আজীবন প্রচার করেছেন ইসলামের মর্মবাণী। তিনি হজরত আলি (রা.)-এর কাছ থেকে ইলমে লাদুনির মাধ্যমে জ্ঞানার্জন করতেন বলেই বু-আলি (রহ.) নামে পরিচিত ছিল। বু-আলি নামের অর্থ হচ্ছে আলীর সুগন্ধ। তার অনুসারীরা চিশতিয়া কালান্দরিয়া (রহ.) নামে পরিচিত। তিনি লিখেছেন অসংখ্য কিতাব। তাঁর লিখা কিতাবসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে রিসালায়ে ইসরারে আশেকিন, রিসালায়ে সির ইশক, রিসালায়ে সুলুক, রিসালায়ে ইশকিয়াহ, রিসালায়ে হুকুমানহ, রিসালায়ে হাক্কাকে কলমায় তাইয়্যেবা, দিওয়ানে খাজা বু-আলি শাহ কালান্দার, গুলে বুলবুল, আরেফে শাহে কামাল অন্যতম। হজরত খাজা বু-আলি শাহ কালান্দর (রহ.) ১৩২৪ সালে করনালে ইন্তেকাল করেন। এরপর তাঁকে ওখানে দাফন করা হয়। কিন্তু ভক্ত ও শিষ্যরা মাজার পানিপথে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়। উদ্যোগের অংশ হিসেবে কবর খুঁড়লে তাঁর লাশ অক্ষত ও জীবন্ত মানুষের মতো দেখতে পান। তখন তাঁর কাফনের কাপড়ে কোনো প্রকার মাটির চিহ্ন ছিল না। যা দেখে আশ্চর্য হন ভক্তরা। এরপর তাঁর লাশ উত্তোলন করে হরিয়ানার পানিপথে নিয়ে আসা হয়। মহান এ সাধককে নিয়ে অনেক উপাখ্যান প্রচলিত রয়েছে। যার মধ্যে একটি হচ্ছে- তিনি ৩৬ বছর কার্নাল নদীর পানিতে দাঁড়িয়ে সাধনা করেন। এক সময় হজরত মুহাম্মদ (সা.) এসে তাঁকে বু-আলি উপাধি দান করেন। এ উপাধি পাওয়ার পর অনেক সুফি সাধক তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
#হজরত আহমদ রেজা খান বেরলভি (রহ.) :_ ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয় সুফিদের মধ্যে একজন হজরত আহমদ রেজা খান বেরলভি (রহ.)। যিনি আ’লা হজরত নামেই অধিক পরিচিত। অনুসারীরা তাঁকে চতুর্দশ হিজরির মুজাদ্দিদ মনে করেন। তিনি আইন, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর লিখেছেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে সহস্রাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। আ’লা হজরতের জন্ম ১৮৫৬ সালে ভারতের বেরেলিতে। জন্মের সময় তাঁর নাম রাখা হয় মুহাম্মদ। মাত্র ১৪ বছরের মধ্যে তিনি কোরআন, হাদিস, তাফসির, আরবিসহ যাবতীয় শিক্ষায় পা-িত্য অর্জন করেন। আল্লামা ইকবাল তাঁকে দ্বিতীয় ইমাম আবু হানিফা হিসেবে উপাধি দেন। ৬৮ বছরের জীবনে আলা হজরত (রহ.) ৫৫ শাখায় দেড় হাজারের ওপরে গ্রন্থ রচনা করেন। গবেষক ড. মাসউদ আহমদের মতে, আলা হজরত শুধু হাদিসের ব্যাখ্যার ওপর গ্রন্থ রচনা করেছেন ৪৬টি। তাঁর করা কোরআনের অনুবাদ ‘কানজুল ইমান’ সর্বাধিক পঠিত কোরআনের অনুবাদ হিসেবে মনে করা হয়। কানজুল ইমান গ্রন্থটি বাংলা, উর্দু, ইংরেজি, হিন্দি, ডাচ, তুর্কি, গুজরাটি, পশতুসহ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর লেখা ‘ফতোয়া-ই রেজভিয়া’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে মনে করা হয়। ৩০ খন্ডের গ্রন্থটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। এ ছাড়া তার লেখা সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে হাদায়েকে বখশিশ, হুসাসামুল হারামাঈন, আল মো’তামাদ ওয়াল মোশতানা, আল কাউকাবাতুল সাহাবিয়া, আল ইশতিমাদ, আল ফুয়জুল মাক্কিয়া। তাঁর লেখা অসংখ্য বই বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। তাঁর বাংলা অনুবাদ করা জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। বাংলায় অনূদিত বইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তাফসিরে খাজাইনুল ইরফান ও তরজুমায়ে কানজুল ইমান, তাফসিরে নুরুল ইরফান, ইরফারে শরিয়ত, খতমে নবুওয়াত, আহকামে শরিয়ত, নিদানকালে আশীর্বাদ অন্যতম।
বাংলাদেশের স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিকেট অবকাঠামো কতখানি নাজুক, সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে এই ভিডিওতে l
এই লজ্জা আপনার,আমার, প্রত্যেকটা ক্রিকেট ভক্তেরl
-Deb Chowdhury
06/06/2020
কক্সবাজারে একটি মা বন্যহাতিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মা হাতির মৃত্যুর পর থেকে শাবকটি মায়ের মৃতদেহ পাহারা দিচ্ছে। তার চোখেমুখে অসহায়ত্বের ছাপ। চোখ বেয়ে পড়ছে পানি।
শনিবার বিকালে সদর উপজেলার ঈদগাঁর ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাইস্যার ঘোনা এলাকায় এ মৃত হাতির সন্ধান পান রাবার বাগানের শ্রমিকরা।
রাত ১০টার দিকেও হাতি শাকবটিকে মায়ের লাশের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
রাবার বাগানের শ্রমিকরা জানান, শনিবার সকাল থেকে মা হাতিটি অস্থির ছিল এবং বাচ্চা নিয়ে ছোটাছুটি করছিল। দুপুরের পর হাতিটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা।
মৃত মায়ের পাশে এক বছর বয়সী হাতি শাবকটি বারবার শুয়ে পড়ছিল। এমনকি কান্নাও করছিল। মায়ের পাশে গিয়ে স্পর্শ করার দৃশ্য দেখে লোকজন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। এতে এলাকায় এক হৃদয় বিদারকদৃশ্যের অবতারণা হয়।
মা হাতিটির শরীরে বেশ কয়েকটি গুলির চিহ্ন ছিল। তাদের ধারণা, কে বা কারা কয়েকদিন আগে মা হাতিটিকে গুলি করেছিল। অসহ্য যন্ত্রণায় হাতিটির মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনার দেখে রাবার শ্রমিকরা রাজঘাট বিট কর্মকর্তাকে জানালে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।
কক্সবাজারের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি হাতি শাবকটি মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। শাবকটি সেখান থেকে সরছিল না।
তবে ময়নাতদন্তের জন্য এরইমধ্যে প্রাণীসম্পদ অধিদফতরের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণটি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
30/04/2020
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে নিজে আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালের পরামর্শে বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। একসময় মনে হয়েছে লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছেন। তবে ২৪ দিনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতেছেন তিনি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন। নিজের জীবনের কথা না ভেবে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনার সম্মুখসারির এই যোদ্ধার নাম সাঈদা আরা (২৬)। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই নার্সের বাড়ি ফেনী।
সাঈদা নার্সিং পেশায় কাজ করেন নিউইয়র্কের নর্থশোর এলআইজে হাসপাতালে।
23/03/2020
#হ্যান্ড_স্যানিটাইজার_সাবধানতা
এই ভদ্র মহিলা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করে রান্না করতে গিয়েছিলেন।হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হ্যান্ড রাব/হ্যান্ড স্যানিটাইজিং/হ্যাক্সাসল জাতীয় লোশন ইতাদিতে এলকোহল বিদ্যমান,যা কিনা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।এই এলকোহল-ই কিন্তু প্রচন্ড দাহ্য,অর্থাৎ আগুনের হালকা আঁচ থেকেই আগুন ধরে যায়।এমন স্থবিরবস্থায় এমন দূর্ঘটনার ভোগান্তি অনেক।তই এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি লাইক,কমেন্ট,শেয়ার করে আপনার পরিচিত জনদের জানার সুযোগ করে দিন
Collected
29/01/2020
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস হতে নিজে বাঁচুন ও অন্যকে বাঁচান
================================
©মেডিকেল পরিবার
আসুন জেনে নেই কিভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হয়।
সাধারণত ওয়ান টাইম মাস্ক গুলোতে দুই পার্ট থাকে। একটা কালার পার্ট আর একটা সাদা পার্ট।
কালার পাশ ওয়াটার প্রুফ এবং সাদা পাশ বায়ু ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
★আপনে যদি নিজে সুস্থ থাকেন এবং নিজেকে বাইরের জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করতে চান সেক্ষেত্রে সাদা পাশ টা বাইরের দিকে এবং রঙিন পাশ টা ভিররের দিকে থাকবে।
★আর যদি আপনে নিজেই রোগের জীবাণুতে আক্রান্ত কিন্তু অন্য কারোর শরীরে যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেক্ষেত্রে সাদা পাশ ভিতরের দিকে এবং রঙিন পাশ বাইরের দিকে রেখে পরবেন৷
আসুন সবাই মিলে সতর্কতা অবলম্বন করি এবং করোনাভাইরাসের মত রোগ-জীবাণু থেকে নিজেদের রক্ষা করি ।
16/01/2020
04/01/2020
আমাদের আশেপাশে এমন গায়ে ঘাওয়ালা কুকুর প্রায়ই দেখা যায়৷মাত্র ১০ টাকার একটি ঔষধের অভাবে অবলা প্রাণীগুলো একসময় ধুঁকে ধুঁকে মারা যায়। কাউকে বলার ক্ষমতাও তার নেই।
"NEOMEC''কিংবা এই সিরিজের যে কোন একটি ঔষধ ফার্মেসি থেকে কিনে মিষ্টি কিংবা রুটি অথবা যে কোন খাবারের সাথে মিশিয়ে খাইয়ে দিন। দেখবেন কয়েক দিনেই সুস্থ হয়ে যাবে।
(ঔষধের গায়েই সব তথ্য পাবেন)
চলুন একটি প্রাণীকে সুস্থ করে তুলি, এবং এতেই আনন্দ আরো বেশি
আমি দেখলাম একটা ছোট কুকুরের বাচ্চার মাথা থেতলে গেছে। গলা থেকে রক্ত গড়িয়ে গড়িয়ে রাস্তার এক পাশের গর্তে একটা ছোট পুকুর তৈরি হল। কুকুরটা যখন পেছনের একটা পা একটু করে নাড়াল তখন আমার কষ্টটা বেড়ে গেল; আমি বুঝলাম তার মৃত্যু যন্ত্রণা এখনো শেষ হয় নি।
আমি মুখ থেকে ওহহ! জাতীয় দীর্ঘশ্বাস ফেলে একটা চায়ের দোকানে গিয়ে বসলাম। কুকুরটার কথা যখন আমি প্রায় ভুলেই গেছি তখন দেখলাম তিনজন যুবক তাকে কোলে নিয়ে একটা গাড়ির পেছনের সীটে বসাল। তারা একটা প্রায় মৃত বেওয়ারিশ কুকুরকে পশু হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে এই দৃশ্যটা অনেকটা আমার শার্টের কলার ধরে বুঝিয়ে দিয়েছে, মুখ দিয়ে ওহহ শব্দ করে কেটে পড়া কতটা হৃদয়হীনতার নমুনা হতে পারে।
একবার এক তুফান বৃষ্টির রাতে আমি মেডিকেলের সামনের রাস্তায় এক বাচ্চা শিশুকে কাঁদতে দেখে দাড়িয়ে গেলাম। শিশুটির পাশে তার মা ঘুমিয়ে আছে দেখে আমার উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গেল। কেন মানুষটা এই ঝড়ের রাতে তার শিশুকে নিয়ে অন্তত একটা সানসেডের নিচে আশ্রয় নিল না; এইসব ভেবে ভেবে আমার কাছে তার জননীকে পৃথিবীর সব থেকে হৃদয়হীন মা মনে হল।
ঝড় যখন বেড়েই চলছিল, আশে পাশের ফার্মেসী গুলো যখন সাটার লাগাতে শুরু করল, বাচ্চাটি যখন কাঁদতে কাঁদতে শীতে কাঁপার শক্তিটাও হারিয়ে ফেলছিল এবং তখনো তার মা'কে সাড়াশব্দহীন দেখার এক পর্যায় বুঝলাম আমি আসলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে পৃথিবীর ইতিহাসের সব থেকে হৃদয় বিদারক দৃশ্যটা দেখছি।
একটা সহায়সম্বলহীন মা ঝড়ের রাতে মেডিক্যালের ফুটপাতে আড়াই তিন বছরের বছরের বাচ্চাকে ফেলে দিয়ে শীতে কাঁপতে কাঁপতে নিঃশব্দে মরে গেল !!! এর চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য পৃথিবীতে আর কী হতে পারে ??
শুরু করেছিলাম একটা বেওয়ারিশ কুকুরের বাচ্চাকে নিয়ে। শেষ করব বেওয়ারিশ মানুষের বাচ্চার কথা লিখে।
ভোরে যখন বাচ্চাটাকে নিয়ে আমার মত কিছু আমজনতা মেডিকেল হাসপাতালে গেল তখন ডাক্তারদের ব্যবহার আমাকে রীতিমত আতংকিত করেছিল। তারা ফর্ম দিল। পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। কাগজপত্রের ব্যাপার। বেওয়ারিশ বাচ্চার দায়িত্ব কে নিবে? তখন সেখানে ইন্টার্নি করে এরকম একজন ডাক্তার আমাকে বেশ কিছু সত্য বুঝিয়ে দিল। একটা বেওয়ারিশ বাচ্চা রাস্তা থেকে তুলে হাসপাতালে এনে দিয়ে নিজেকে মনিষী ভাবার কিছু নেই। আপনি বাচ্চাটার দায়িত্ব না নিলে এই বাচ্চাটির দায়িত্ব কে নিবে ? ডাক্তার ? ডাক্তার কতজন বাচ্চার দায়িত্ব নিবে ?
আমি এবং আমরা যখন মুখ দিয়ে ওহহ জাতীয় শব্দ করে কেটে পড়ার পায়চারা করছিলাম ঠিক তখন হাসপাতালের ব্যাডের প্রায় বয়স্ক এক মহিলা এই বাচ্চাটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে আমাদের শার্টের কলার ধরে বুঝিয়ে দিল, মুখ দিয়ে ওহহ জাতীয় দীর্ঘশ্বাস মানবতার না কাপুরুষতার সিম্বল।
মানুষ আসলে সামাজিক জীব না। মানুষ ব্যক্তিগত জীব। টেলিভিশনে একটা লঞ্চ ডুবে যাবার দৃশ্য দেখে আমরা মুখ দিয়ে ওহহ জাতীয় শব্দ করে ঠিকই অন্য চ্যানেলে নাটক সিনেমা দেখতে চলে যাই। একশজন মানুষের মৃত্যু সংবাদের চাইতে নিজের একশ ডিগ্রী জ্বর মানুষকে বেশি ভাবায়।
তবু পৃথিবীটা এত আশ্চর্য রকমের সুন্দর কেন জানো ? এই মানুষ গুলোর বিচরণ সব জায়গাতেই আছে। বাসে নিজের দাদার বয়সী কাউকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে তুমি যখন সীটে বসে হেড ফোন লাগিয়ে রক মেটাল গান শুনছো তখন দেখবে কেউ একজন সীট ছেড়ে তোমার বিবেগের কলার চেপে ধরে সামনের মোড়ে নেমে চলে গেছে।
ভোরের আযানের শব্দে তুমি যখন ভলিয়ম কমিয়ে মুঠো ফোনে যৌন আবেদন করছিলে, জানালা খুললেই দেখবে কত গুলো মানুষ ঠিকই আছে, হাড় কাঁপা শীতে কাঁপতে কাঁপতে মসজিদের দিকে এগোচ্ছে। ভাল করে তাকালেই দেখবেই শার্টের কলার তোমার কুচকে গেছে... ! একদম কুচকে দলা মুচকে চেপ্টে থেতলে গেছে।
-জুনায়েদ ইভান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Feni