WE FOR BLOOD

WE FOR BLOOD

Share

This is NON profit voluntary Social Services Organization of Feni,Bangladesh. We work for our Motherland ❤️

Some of Our events are Blood Donor Management, Cloth & Food Program,Free Medical Camp,Tree Plantation, Education Program and many more.

17/05/2026

জরুরি সতর্কতা: ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তবুও মারা গেলেন কেন?

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র এক সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু। একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিশু ও নারীসহ আরও ৯ জন।

অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন — ভ্যাক্সিন নিয়েও কেন মরলেন?

উত্তরটা লুকিয়ে আছে একটাই জায়গায়: সাবান-পানি দিয়ে ধোয়া হয়নি।

❓ মুখে কামড় কেন বেশি বিপজ্জনক?

কুকুরের কামড় বা আঁচড় যদি ঘাড় বা মাথায় হয় তাহলে ইনকিউবেশন পিরিয়ড কমে আসে। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের যত কাছাকাছি কামড় বা আঁচড়, তত দ্রুত রোগ ছড়ায়।

অর্থাৎ, পায়ে কামড় দিলে হয়তো ৩ মাস সময় থাকে — কিন্তু মুখ বা মাথায় কামড় দিলে ভাইরাস দিন কয়েকের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যেতে পারে। ভ্যাক্সিন সেই দ্রুততার সাথে কাজ করার সুযোগ পায় না।

🧼 সাবান-পানি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এটা শুধু "পরিষ্কার করা" নয়। এটা ভাইরাস সরানো।

সঠিকভাবে ধোয়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশের আগেই ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দূর করা সম্ভব।

কামড় দিলে বা আঁচড় কাটলে যদি কোনো ধরনের ক্ষত তৈরি হয়, তাহলে ক্ষতস্থান তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিয়ে কাপড় ধোয়ার ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ফেনা উঠিয়ে ধুতে হবে।

ভাবুন — ভ্যাক্সিন হলো শেষ প্রতিরক্ষা। আর সাবান-পানি হলো প্রথম প্রতিরক্ষা। প্রথম প্রতিরক্ষা না থাকলে শেষ প্রতিরক্ষা একা কাজ করতে পারে না।

*** বিশেষ সতর্কতা: ক্যাটাগরি ৩ মানে RIG ইনজেকশনও লাগবে

মাথায়, বুকে বা ঘাড়ে কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে রক্তপাত হোক বা না হোক, সেটিকে ক্যাটাগরি ৩ ধরা হয়। বিশেষ করে ক্যাটাগরি ৩ কামড়ের জন্য অ্যান্টি র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (RIG) ইনজেকশনও নিতে হবে।

শুধু সাধারণ ভ্যাক্সিন নয়, RIG ইনজেকশন না নিলে সুরক্ষা অসম্পূর্ণ থাকে — এই তথ্যটি অনেকেরই জানা নেই।

✅ কুকুর কামড় দিলে সঠিক ক্রম:

১. সাথে সাথে সাবান-পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুন

২.যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন নিন

৩. মুখ/মাথা/ঘাড়ে কামড় হলে অবশ্যই RIG ইনজেকশনও নিন

৪. হলুদ, চুন, মরিচ গুঁড়া কখনো লাগাবেন না⁉️

চূড়ান্ত কথা:

জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য, আবার শতভাগ প্রাণঘাতী।বিড়ালের সামান্য আঁচড় কিংবা কুকুরের কামড়কে তুচ্ছ মনে করার যে সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত, তা অনেক ক্ষেত্রেই জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন। একটি শেয়ার একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

By Dr.Nobel
MBBS,BCS

অ্যাপয়েন্টমেন্ট:01764921821

08/05/2026

আজ ৮ই মে-২০২৬ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস।
"রক্ত পরীক্ষায় মিলবে সমাধান, থ্যালাসেমিয়া মুক্ত হোক আগামীর প্রাণ। ৮ই মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসে আসুন আমরা সচেতন হই এবং নিয়মিত রক্ত পরীক্ষায় উৎসাহিত করি। আমাদের সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।"
#থ্যালাসেমিয়া_দিবস #সচেতনতা #রক্তদান

Photos from WE FOR BLOOD's post 08/05/2026

একজন বয়স্ক রক্তস্বল্পতা রোগী বি পজেটিভ রক্তদান Rijon Chowdhruy

রোগী এবং রক্তদাতা জন্য দোয়া করবেন সবাই।

30/04/2026

প্রিয় Robiul Hasan Nihan প্রথমবার ও পজেটিভ রক্তদান।🌺

একজন গর্ভবতী নারীকে Hasan Nihanরক্তদান।

আল্লাহ রোগী এবং রক্তদাতা নেক হায়াত দান করুক।

সবাই রোগী,রক্তদাতার জন্য দোয়া করবেন।

19/04/2026

থ্যালাসেমিয়া —বিয়ের আগের একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা কীভাবে বাঁচাবে আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ!
.....

দুজন সুস্থ-সবল মানুষ। ভালোবেসে বা পারিবারিকভাবে অত্যন্ত ধুমধামের সাথে বিয়ে হলো। স্বপ্ন দেখলেন ঘর আলো করে আসবে একটি ফুটফুটে সুস্থ সন্তান। বাচ্চা জন্মও নিল। কিন্তু বয়স যখন ৬ মাস বা ১ বছর পেরোলো, তখন বাচ্চাটা কেমন যেন ফ্যাকাসে হতে শুরু করল। ঘন ঘন জ্বর, শরীর দুর্বল, খাওয়ায় অরুচি আর শারীরিক বিকাশ একদম থমকে গেল।

ডাক্তারের কাছে দৌড়াদৌড়ি করার পর একসময় বাবা-মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল—আপনাদের আদরের সন্তানটি 'থ্যালাসেমিয়া মেজর' (Thalassemia Major)-এ আক্রান্ত! এখন তাকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতি মাসে অন্যের রক্ত শরীরে ঢোকাতে হবে।

সবচেয়ে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি কী জানেন? আপনারা দুজন বাবা-মা হিসেবে শারীরিকভাবে একদম সুস্থ হওয়ার পরও, আপনাদের জিনেই লুকিয়ে ছিল এই ভয়াবহ রোগের বীজ। আপনারা ঘুণাক্ষরেও তা জানতেন না।

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই অত্যন্ত জরুরি আর্টিকেলে আমরা জানবো, থ্যালাসেমিয়ার জিনগত সমীকরণ, একটি বাচ্চার আজীবনের যন্ত্রণা এবং বিয়ের আগে একটি মাত্র রক্ত পরীক্ষা না করার খেসারত কীভাবে পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়।

১. নীরব ঘাতক: 'থ্যালাসেমিয়া বাহক' (Carrier) আসলে কী?

থ্যালাসেমিয়া এমন একটি জিনগত বা বংশগত রোগ, যেখানে শরীরে পর্যাপ্ত ও সুস্থ হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। হিমোগ্লোবিনের কাজ হলো পুরো শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা। এর অভাবে রোগী মারাত্মক রক্তশূন্যতায় ভোগে।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টি হলো 'বাহক' বা Carrier হওয়া। যিনি থ্যালাসেমিয়ার বাহক, তিনি নিজে কোনো রোগী নন। তার শরীরে কোনো লক্ষণ থাকে না, তিনি একদম স্বাভাবিক এবং সুস্থ জীবনযাপন করেন। কিন্তু তার জিনে এই রোগের একটি ত্রুটিপূর্ণ কপি লুকিয়ে থাকে। যেহেতু বাইরে থেকে দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই এবং আমাদের সমাজে টেস্ট করার চল নেই, তাই বেশিরভাগ মানুষই জানেন না যে তারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক। তারা ভাবেন, "আমার তো কোনো রোগ নেই, আমার বংশেও কারও নেই, তাহলে আমার বাচ্চার কেন হবে!" এই অজ্ঞতাই সবচেয়ে বড় বিপদের কারণ।

২. বিপদের সমীকরণ: সুস্থ বাবা-মায়ের অসুস্থ সন্তান কীভাবে হয়?

জিনতত্ত্বের এই অমোঘ নিয়মটি প্রতিটি বাবা-মায়ের জানা থাকা বাধ্যতামূলক। চলুন সমীকরণটি মিলিয়ে দেখি:

🔹 বাবা স্বাভাবিক + মা বাহক (বা বিপরীত):

সন্তানের স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% এবং বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০%। (এক্ষেত্রে সন্তান রোগী হবে না)।

🔴 বাবা বাহক + মা বাহক (সবচেয়ে বিপজ্জনক সমীকরণ):

প্রতিটি প্রেগনেন্সিতে সন্তানের 'থ্যালাসেমিয়া মেজর' বা রোগী হওয়ার চরম ঝুঁকি থাকে ২৫%। এছাড়া বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% এবং স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ২৫%।

🔹 বাবা রোগী (মেজর) + মা স্বাভাবিক:

সন্তান ১০০% ক্ষেত্রেই বাহক হবে। (এক্ষেত্রে সন্তান নিজে রোগী হবে না)।

🔴 বাবা রোগী (মেজর) + মা বাহক:

সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগী হওয়ার ঝুঁকি ৫০% এবং বাহক হওয়ার ঝুঁকি ৫০%।

🔴 বাবা রোগী (মেজর) + মা রোগী (মেজর):

সন্তান ১০০% ক্ষেত্রেই থ্যালাসেমিয়া রোগী (মেজর) হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

আপনারা যদি দুজনেই 'বাহক' হন, তবে আপনারা নিজেদের অজান্তেই একটি চরম অসুস্থ শিশুকে পৃথিবীতে আনার ঝুঁকি নিচ্ছেন। অনেকেই ভুল ভাবেন যে চারজন বাচ্চা নিলে একজন অসুস্থ হবে। বিজ্ঞান বলছে, প্রতিবার সন্তান গর্ভে আসার সময়ই এই ২৫% লটারি বা ঝুঁকিটি কাজ করে।

৩. সিরিঞ্জের নিচে চুরি যাওয়া শৈশব এবং 'প্যারেন্টাল গিল্ট'

একটি থ্যালাসেমিয়া মেজর বাচ্চার কষ্ট এবং একটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক ধ্বংসের চিত্র অত্যন্ত ভয়াবহ:

আজীবন সুঁইয়ের যন্ত্রণা:

এই বাচ্চাদের শরীর নিজে থেকে রক্ত বানাতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য প্রতি ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পরপর তাদের শরীরে অন্যের রক্ত (Blood Transfusion) দিতে হয়। প্রতি মাসে হাসপাতালে গিয়ে সুঁই ফোটানোর যন্ত্রণায় তাদের শৈশব হারিয়ে যায়।

আয়রন ওভারলোডের অভিশাপ:

বারবার রক্ত নেওয়ার ফলে রোগীর শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমতে শুরু করে। এই আয়রন লিভার, হার্ট এবং এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ডগুলোকে বিকল করে দেয়। এই জমানো আয়রন বের করার জন্য অত্যন্ত দামি ওষুধ (Chelation Therapy) সারা জীবন ধরে খেয়ে যেতে হয়।

প্যারেন্টাল গিল্ট (Parental Guilt) এবং মানসিক ট্রমা:

যখন বাবা-মা জানতে পারেন যে তাদের জিনগত ত্রুটি বা সামান্য একটি টেস্ট না করার অবহেলার কারণেই বাচ্চাটি এই ভয়াবহ রোগ পেয়েছে, তখন তারা চরম অপরাধবোধে ভোগেন। সন্তানের প্রতিটি কান্নার জন্য তারা নিজেদের দায়ী মনে করেন। এর ফলে মায়ের চরম ডিপ্রেশন তৈরি হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে পরিবারে ভাঙন দেখা দেয়।

অর্থনৈতিক বিপর্যয়:

রক্ত জোগাড় করা, দামি ওষুধ কেনা এবং নিয়মিত হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে একটি মধ্যবিত্ত পরিবার খুব দ্রুত আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

৪. স্মার্ট প্যারেন্টিং সল্যুশন: বিজ্ঞান দিয়ে অভিশাপ রুখে দিন

ভাগ্য বা কপালের দোহাই দিয়ে সন্তানকে এই চরম বিপদে ফেলবেন না। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের শতভাগ কার্যকর উপায় রয়েছে:

বিয়ের আগে একমাত্র রক্ষাকবচ:

পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের সময় রূপ, গুণ, স্ট্যাটাস বা জন্মকুণ্ডলী দেখার আগে মাত্র একটি রক্ত পরীক্ষা করুন—Hb Electrophoresis (হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস)। যেকোনো ভালো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এটি করানো যায়। এই একটি টেস্ট বলে দেবে আপনাদের মধ্যে কেউ বাহক কি না। যদি দুজনই বাহক হন, তবে চিকিৎসকেরা এই বিয়ে এড়িয়ে চলার কঠোর পরামর্শ দেন।

বিয়ের পর গর্ভধারণের আগে সতর্কতা:

আপনারা যদি অলরেডি বিবাহিত হন এবং না জেনে থাকেন যে আপনারা বাহক কি না, তবে কনসিভ করার আগেই দুজনের টেস্ট করান।

গর্ভস্থ ভ্রূণের পরীক্ষা:

যদি দেখা যায় স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বাহক এবং স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে গেছেন, তবে গর্ভাবস্থার ১০-১২ সপ্তাহের মাথায় CVS (Chorionic Villus Sampling) বা অ্যামনিওসেন্টেসিস (Amniocentesis) নামক পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নেওয়া সম্ভব গর্ভের সন্তানটি থ্যালাসেমিয়া মেজর কি না।

উপসংহার

আপনার সন্তানের জীবনের প্রথম অধিকার হলো একটি সুস্থ শরীর নিয়ে পৃথিবীতে আসা। ভালোবাসার অন্ধ আবেগে বা 'আমাদের বংশে এসব রোগ নেই'—এমন অজ্ঞতার ওপর ভরসা করে সন্তানের শরীরে আজীবনের যন্ত্রণার বীজ বুনে দেবেন না। আপনার একটি সচেতন সিদ্ধান্ত এবং সামান্য কয়েক টাকার একটি টেস্টই পারে আপনার আগামী প্রজন্মকে সিরিঞ্জ আর হাসপাতালের বেডের এই ভয়ংকর অভিশাপ থেকে চিরতরে মুক্তি দিতে। প্রতিরোধই থ্যালাসেমিয়া থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।

সংগৃহীত

17/04/2026

দাগনভুইয়া ‘‍’মাধবী ফ্লাওয়ার্স’‍’ এর সত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম রাজীবের ভাতিজা সিয়াম আজ তিন দিন নিখোঁজ। কেউ কোথাও দেখে থাকলে দয়া করে যোগাযোগ করিয়েন।
মোবাইল নাম্বার-০১৭২৯১৭১৭৫০৭

Photos from WE FOR BLOOD's post 29/03/2026

🌿 মানবতার পথে আরেকটি ছোট পদক্ষেপ 🌿

#স্বাবলম্বী_প্রজেক্ট ১:
আমাদের We For Blood সামাজিক ও রক্তদান সংগঠন এর পক্ষ থেকে শুরু হলো নতুন উদ্যোগ — “সাবলম্বী প্রজেক্ট” 🐐

এই প্রজেক্টের প্রথম ধাপে আজ এক্সিডেন্টে পা অচল হওয়া অসহায় একজন CNG চালক এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি ছাগল, যা তার জন্য হতে পারে আয়ের একটি নতুন পথ❤️

আমরা বিশ্বাস করি, সাহায্য মানে শুধু মুহূর্তের পাশে থাকা নয় — বরং কাউকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি করে দেওয়া 💪

আমাদের সাবলম্বী প্রজেক্টটি আপনাদের সহোযোগিতায় ইনশাআল্লাহ নিয়মিত চলবে ♥️
আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা 🙏
চলুন, সবাই মিলে গড়ে তুলি একটি মানবিক সমাজ 🌍

#সাবলম্বী_প্রজেক্ট

06/03/2026

#হারানো_বিজ্ঞপ্তি তাওহিদ হাসান নিহাল (৭ম শ্রেণি) কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলা রেদোয়ান আহমদের কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে আসরের নামাজের পর নিখোঁজ হয়। কেউ কোথাও তাকে দেখা মাত্র নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাব্য লোকেশনঃ https://maps.app.goo.gl/fvnXJgBkfCXxNdWz7?g_st=ic

01843889690

06/03/2026

#হারানো_বিজ্ঞপ্তি
Muhammad Goni ছোট চাচার ছেলে তাওহিদ হাসান নিহাল (৭ম শ্রেণি) কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলা রেদোয়ান আহমদের কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে আসরের নামাজের পর নিখোঁজ হয়। কেউ কোথাও তাকে দেখা মাত্র নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাব্য লোকেশনঃ
https://maps.app.goo.gl/bEeTcbarpDdc91Fk6?g_st=ic

01843889690

Photos from WE FOR BLOOD's post 27/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের গোপন দান আমরা গোপনেই চাহিদা সম্পন্ন মানুষের হাতে পৌছে দিতে সক্ষম হয়েছি।

মহান আল্লাহ পাকের ইচ্ছায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে আমাদের WE FOR BLOOD পরিবারের পক্ষ থেকে ইফতার আয়োজনের প্রথম ধাপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আমরা আপনাদের সবার সহযোগিতায় অসহায় ৫৫টি পরিবারকে পুরো রমজান মাসের ইফতার দেয়ার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটি গিফ্ট প্যাকের মধ্যে ছিলো ছোলা,চিড়া, মুড়ি,বুটের ডাল,আলু,পেয়াজ,তেল,চিনি,রসুন এবং শরবত। আমরা বরাবরের মতো খাদ্যের কোয়ালিটি বজায় রেখেই উপহার দেয়ার চেষ্টা করেছি।

যারা আমাদেরকে এই গরীব ও অসহায় মানুষদের পাশে থাকার জন্য সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ🥰 আপনাদের এই দান মহান আল্লাহ তায়ালা কবুল করুক।



্বেচ্ছায়_রক্তদান_সংগঠন🥰

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Feni?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dagonbhuiyan
Feni
3920