updatebd24.com
সত্য প্রকাশে দৃঢ় প্রত্যয়।
10/06/2026
10/06/2026
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ঢুকে ইসরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে এক নিঃসঙ্গ লড়াইয়ের মহাকাব্য: লেবাননের যুবক শহীদ হামজা হামুদের বীরত্বগাথা সেই গল্প!
চোখের সামনে যখন নিজের মাতৃভূমি, নিজের প্রিয় শহর একের পর এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে থাকে, তখন কিছু মানুষ আর ঘরে বসে থাকতে পারেন না। তারা কোনো রাজনৈতিক দল, কোনো বড় সশস্ত্র গোষ্ঠী বা হিজবুল্লাহর আদেশের অপেক্ষা করেন না; তাদের চালিত করে কেবল বুকভরা ক্ষোভ, প্রতিশোধের আগুন আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তীব্র জেদ।
এমনই এক অকুতোভয় যুবকের নাম হামজা হামুদ। লেবাননের বৈরুতের বীর আল-আবেদ এলাকার এক সাধারণ বাসিন্দা। নিজের দেশকে ধ্বংস হতে দেখে তিনি আর চুপ থাকতে পারেননি। কোনো বড় পরিকল্পনা ছাড়াই, স্রেফ নিজের মোটরসাইকেলটি নিয়ে এবং একটি ব্যক্তিগত রাইফেল কাঁধে চেপে তিনি একাই রওনা দিয়েছিলেন এক দুঃসাহসিক যাত্রায়। বৈরুত থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি পৌঁছে যান দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকায়।
দক্ষিণ লেবাননের মারকাবা গ্রামের সীমান্ত ঘেঁষে যেখানে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর কাঁটাতারের কড়া পাহারা ছিল, হামজা সেই সীমানা প্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। হামজা ভেতরে ঢোকার পর তা বুঝতে পেরে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডে তুমুল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে সাইরেন বাজিয়ে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত মারগালিওট, মিসগাভ আম এবং কফার গিলাদি—এই তিনটি শহরের সমস্ত বাসিন্দাদের জরুরি ভিত্তিতে আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কার ও টানেলে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সীমান্ত অতিক্রম করে তিনি দমে যাননি, বরং প্রায় ১ মাইল (১.৬ কিলোমিটার) ভেতরে ঢুকে ইসরায়েলি বসতি ও সামরিক বাহিনীর একটি ড্রোন ঘাঁটিতে সরাসরি হামলা চালান। অত্যাধুনিক ড্রোনের নজরদারি আর উচ্চপ্রযুক্তির নিরাপত্তাবলয়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি একাকী রাইফেল দিয়ে দখলদার সেনাদের মুখোমুখি হয়ে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
একপাশে ছিল ভারী অস্ত্রে সজ্জিত একদল দখলদার সেনা, আর অন্যপাশে একাকী এক নির্ভীক যুবক। এই প্রচণ্ড এবং অসম লড়াইয়ের ময়দানে শেষ বুলেটটি পর্যন্ত লড়ে তিনি বরণ করে নেন বীরের শাহাদাত।
হামজা হামুদের এই নিঃসঙ্গ লড়াই আমাদের শিক্ষা দেয় যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে কোনো বড় দল বা শক্তির প্রয়োজন হয় না; কেবল বুকভরা সাহসিকতা আর দেশপ্রেমই যথেষ্ট। শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর এই আপসহীন প্রতিরোধ প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষকে আজীবন অনুপ্রাণিত করবে।
28/05/2026
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় কারখানায় রাতে কাজ করার সময় মেশিনে ঢুকে মোহাম্মদ রাসেল (১৭) নামে এক তরুণে মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিন সোনাপাহাড় নাহার এগ্রো ফিড মিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল একই এলাকার মোহাম্মদ আলমগীরের একমাত্র ছেলে।
জানা গেছে, ঈদে টাকা জমানোর জন্য ইলেক্ট্রিকের কাজের পাশাপাশি গত কয়েকদিন যাবত নাহার ফিড মিলে রাত্রিকালীন কাজ করছিলেন রাসেলসহ কয়েকজন যুবক। এদিন রাতেও তারা কাজ করার সময় রাসেল হঠাৎ ফিডমিলের ভুট্টা রাখার সাইলোতে ঢুকে যান। পরে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
28/05/2026
😓কাঁধে স্ত্রীর লা*শ,আরেক হাতে বাচ্চার লা*শ, আরেক হাতে ব্যাগ আর জীবিত বড় বাচ্চা😭💔
কতটা নিষ্টুর মানুষ সবাই ছবি ভিডিও করতেছে,
নরসিংদী রেল স্টেশনে রেল লাইন পাড় হতে কাটা পড়ে মা ছেলে মা*রা গেছে।😔
স্ত্রীকে কাঁধে নিয়ে আশেপাশের মানুষদের বলতেছে— বাচ্চাটার লাশ হাতে তুলে দিতে,কারণা বাচ্চা কে তুলতে গেলে স্ত্রীর লা'শ ঘাড় থেকে পড়ে যাবে,একটা ছেলে এসে তুলে দিলো, দুই লা*শ কাধেঁ,আরেক বাচ্চা ব্যাগ হাতে
কি করুণ দৃ*শ্য!!!💔😓
ওখানে কত মানুষ সবাই ভিডিও করতেছে কেউ একজন মানবিকতার হাত বাড়িতে দিলো না।
গরিবের বুঝি দুঃখ থাকে না..!
আল্লাহ এই পুরুষকে ধৈর্য দান করুক😓
25/05/2026
নিশ্চয়ই তারা ঈমানদার
মৃ/ত্যু চিরন্তন সত্য সেটা হোক আজ কিংবা কাল
কিন্তু নবীর দেশে আল্লাহর ইবাদত করতে যেয়ে এত সুন্দর মৃ/ত্যু কজনের ই বা হয়!🖤
21/05/2026
পাকিস্তানের জয়নব বিবির কথা হয়তো অনেকের খেয়াল আছে। শিশু মেয়েটা, যে পাশবিকতার শিকার হয়েছিল।
খবর পড়লে আপনার মনে হবে পাকিস্তানের পাঞ্জাব যেন চাইল্ড এবিউজের স্বর্গ। বাচ্চা মেয়ে পেলে এদের অনেকের যেন হুশ থাকে না।
জয়নবের বাড়ি ছিলো পাঞ্জাবের কাসুর শহরে। সম্প্রতি এই শহরেই আরেকটা ঘটনা ঘটেছে। এক গলিতে বাচ্চা মেয়ে খেলছে। এক প্রৌঢ় চলার পথে মেয়েটিকে পেয়ে মলেস্ট করে পালিয়ে যায়।
আল্লাহর কি কুদরত! সিসিটিভির ভিডিও ছিলো।
পুলিশ অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে। তবে টুইস্ট এইখানেই। গ্রেফতারের পর পুলিশ নাটক সাজিয়ে বলছে, আমরা তাকে ধরতে গেলে পালটা আক্রমণ চালায় ও আহত হয়।
কিসে আহত হয়েছে জানেন? বিচিতে গুলি লেগেছে। গ্রেফতার করে পুলিশই বিচিতে লোহার দানা চালিয়ে দিয়েছে আরকি।
বিচারবহির্ভূত কাজের সমালোচনা করলেও পুলিশের এই খবরে মন উল্লসিত হয়।
(রিপোস্ট)
ছবিতে নিচে সেই পিচাশের ছবি৷ পাকিস্তান সরকার তাকে কিছুদিন পরই ঝুলিয়ে দেয়।
20/05/2026
আল্লাহ!যতোবার আমি এই বাচ্চার সাথে ঘটে যাওয়া কাহিনী শুনতেছি,আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছে!আপনি ও আঁতকে উঠবেন নিশ্চিত!!!
ওর নাম রামিসা,বয়স মাত্র ৮।কি কিউট বাচ্চা,না?সকাল বেলা ওকে স্কুলে পাঠানোর জন্য ওর মা ওকে খুঁজতেছিলো।কোথাও খুঁজে না পেয়ে তিন তলার পাশের ফ্ল্যাটে দরজার সামনে রামিসার স্যান্ডেল দেখে।দেখেই অজানা আতঙ্ক ভর করে উনার মনে!অনেক ডাকা ডাকি করার পরেও কেউ দরজা খোলে নাই! শেষ পর্যন্ত দরজা ভেঙ্গে বাসায় ঢুকেন।ঢুকে যা দেখলেন,সেই দৃশ্য উনি নিশ্চিত ভুলতে পারবেনা!দেখে যে মেঝে তে র*ক্ত আর র*ক্ত! উনার মেয়ের শরীর ফ্লোরে কিন্তু মেয়ের মা**থা আর শরীরের সাথে আর নাই!!! মানে এই কিউট বাচ্চা টা কে গ**লা কে***টে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিয়েছে!কিউট বাচ্চা টার মা**থা পাওয়া যায় গোসলখানায় একটা বালতি তে!!!আমি একবার বাচ্চাটার দিকে দেখতেছি আর একবার ভাবতেছি 'কিভাবে পারলো?বুক একবার ও কাঁপে নাই?একবার ও না?' মানুষ আজকাল কোথায় নিরাপদ?প্রতিবেশির কাছেও না! পাশের বাসার মানুষ ও আপনার এতো বড়ো ক্ষতি করে ফেলতে পারে,যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না!!!আপনাদের যাদের বাচ্চা কাচ্চা আছে, প্লিজ ওদের কে চোখে চোখে রাখেন! এই বাচ্চাটা কে যতোবার দেখতেছি,আমি ব্যাপার টা নিতেই পারতেছিনা!!!কেমনে পারলো এই কাজ টা করতে?কেমনে?
20/05/2026
৫০ বছর বয়সী একজন বাবার কথা।
যিনি বলছেন, আপনারা আমার মেয়ের বিচার করতে পারবেন না। ১৫ দিন আলোচনা হবে, তারপর নতুন কোনো ঘটনায় রামিসা হারিয়ে যাবে।
এই কথাগুলো শুনতে কঠিন। কিন্তু মিথ্যা না।
একজন বাবা যখন বিচার ব্যবস্থার উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্র কোথাও গভীরভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
৭ বছরের রামিসা। ধ*র্ষ*ণের পর নৃ'শং'সভাবে হ/ত্যা। এই বাক্যটা লিখতেও হাত কাঁপে।
কতটা পশু হলে একটা শিশুর সাথে এটা করা যায়?
এই বাবার আহাজারি, এই মায়ের কান্না, এটা শুধু একটা পরিবারের কষ্ট না। এটা গোটা সমাজের লজ্জা।
সরকারের কাছে একটাই দাবি। ধ/র্ষ/ণ ও শিশু
হ/ত্যা/র বিচার দ্রুত হোক। মৃ:ত্যু'দ'ণ্ড কার্যকর হোক। যেন আর কোনো বাবাকে বলতে না হয়, এই দেশে বিচার নেই।
রামিসা, আল্লাহ তোমাকে জান্নাতে রাখুন। 😔
20/05/2026
মক্কার সেই স্থান, যেখানে কন্যা শি'শুদের ক*বর দেওয়া হত💔
20/05/2026
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 💔
আগে থেকেই বলে রাখি, যাদের মন খুব নরম তারা লেখাটা না পড়লেও পারেন।
রাজধানী ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ঘটনা৷ ক্লাস টুতে পড়ে ছোট্ট শিশু রামিসা৷ প্রতিদিনের মতো তার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করলেন তাদের রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷
রামিসার মা প্রথমে ভাবছে হয়তো পাশের বাসায় খেলতে গেছে কিন্তু সময় গড়িয়ে যাচ্ছে রামিসা ফিরে আসছে না৷ মায়ের মনে অজানা ভয় আসতে লাগলো৷ প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে এদিক সেদিক সবদিকে খুঁজেও মেয়েকে পেলেন না৷
একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটের সামনে পড়ে থাকতে দেখা যায় ছোট্ট রামিসার স্যান্ডেল। তখনই সবার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। দরজার ভেতরে থাকা লোকজনকে অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনো সাড়া মিলছিল না। অবশেষে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সামনে আসে এমন এক দৃশ্য, যা দেথে কোনো সাধারন মানুষ ঠিক থাকতে পারবে না৷
খাটের নিচে পড়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির রামিসা কিন্তু সাথে তার মিষ্টি মুখখানা ছিলো না৷ আর কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে পাওয়া যায় মিষ্টি মুখখানা৷
আর এমন নিকৃষ্ট কাজের পেছনে ছিলো অভিযুক্ত সোহেল রানা৷ যে কি না পেশায় একজন রিকশা মেকানিক, ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নিষ্ঠুরতা কীভাবে করতে পারে একজন মানুষ?
আমাদের দেশে মেয়েরা কোথায় নিরাপদ বলতে পারবেন? প্রতিদিনই এমন ঘটনা গুলো হচ্ছে৷ এরপরেও কারো ভেতর কোনো ডর ভয় নাই৷ কেনো জানেন? কারণ তারা জানে এ দেশের বিচারে তাদের চুল ছিঁড়া গেলো :)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
Faridpur
7800