Computer Traning
The computer training is provided
01/12/2016
Some of the computer to learn the shortcuts
কাজে লাগতে পারে কম্পিউটার keyboard এর শর্টকার্টঃ
-
© F1: সাহায্য (Help);
© CTRL+ESC: Start menu চালু;
© ALT+TAB: চালু করা প্রোগ্রামগুলো
থেকে বাছাই;
© ALT+F4: প্রোগ্রম বন্ধ করা;
© SHIFT+DELETE: সরাসরি ফাইল ডিলিট
করা;
© Windows Logo+L: কম্পিউটার লক করা;
© CTRL+C: কপি;
© CTRL+X: কাট;
© CTRL+V: পেস্ট;
© CTRL+Z: আনডু;
© CTRL+B: অক্ষর বোল্ড করা;
© CTRL+U: অক্ষর আন্ডারলাইন করা;
© CTRL+I: অক্ষর ইটালিক করা;
© SHIFT+right click: অতিরিক্ত শর্টকাট সহ
মেনু;
© SHIFT+double click: বিকল্প ডিফল্ট
কমান্ড;
© ALT+double click: প্রোপার্টিজ প্রদর্শন;
© F10: মেনু বার চালু করা;
© SHIFT+F10: নির্বাচিত আইটেমের
জন্যে শর্টকাট মেনু;
© CTRL+SHIFT+ESC: টাস্ক ম্যানেজার;
© ALT+DOWN ARROW: ড্রপ ডাউন মেনু
খোলা;
© ALT+TAB: অন্য কোনো চালু করা
প্রোগ্রামে যাওয়া ( সবগূলো
প্রোগ্রাম দেখতে ALT চেপে ধরে TAB
চাপুন );
© SHIFT: অটোরান বন্ধ করতে এটি চেপে
ধরে রাখুন;
© ALT+SPACE: মেইন উইন্ডো’র সিস্টেম
মেনু দেখা;
© CTRL+TAB: কোনো প্রোগ্রামের এক
উইন্ডো থেকে অন্য উইন্ডোতে যাওয়া;
© ALT+আন্ডারলাইন কৃত অক্ষরঃ
নির্দিষ্ট মেনুতে যাওয়া;
© ALT+F4: বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করা;
© CTRL+F4: একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস
সহ কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা;
© F2: নির্বাচিত ফাইল রিনেইম করা;
© F3: ফাইল খোঁজা
© F4: অন্য কোনো ফোল্ডারে ফাইল মুভ
করা
© F5: বর্তমান উইন্ডো রিফ্রেশ করা
© CTRL+A: ফোল্ডারের সবগুলো আইটেম
নির্বাচন করা
© BACKSPACE: পুর্ববর্তি ফোল্ডারে
যাওয়া (ইন্টারনেট ব্রাউজারের
ক্ষেত্রে পুর্বের পেইজ)
© Left ALT+left SHIFT +PRINT SCREEN: Toggles
high contrast on and off;
© Windows Logo: Start menu;
© Windows Logo+M: সব প্রোগ্রাম
মিনিমাইজ করা;
© SHIFT+Windows Logo +M: মিনিমাইজ আনডু
করা;
© Windows Logo+E: Windows Explorer চালু করা;
© Windows Logo+F: Files অথবা Folders
খোঁজা;
© Windows Logo+D: সব প্রোগ্রাম
মিনিমাইজ করা;
© Windows Logo+TAB: টাস্কবার
চক্রাকারে দেখা;
© Windows Logo+Break: System Properties
ডায়ালগ বক্স চালু করা;
© Application key: নির্বাচিত আইটেমের
জন্যে শর্টকাট মেনু;
© Windows Logo+L: উইন্ডোজ লগ অফ করা;
© Windows Logo+P: প্রিন্ট ম্যানেজার
চালু করা;
© Windows Logo+C: কন্ট্রোল প্যানেল চালু
করা;
© Windows Logo+V: ক্লিপবোর্ড চালু করা;
© Windows Logo+K: Keyboard Properties
ডায়ালগ বক্স চালু করা;
© Windows Logo+I: Mouse Properties ডায়ালগ
বক্স চালু করা।
Photoshop Tools shortcut details to memorize easily-
ফটোশপের টুলবক্স ৪টি আলাদা বিভাগে বিভক্ত। ফলে কোনও একটি বিশেষ কাজের জন্য টুল খুঁজে পাওয়াটা সহজ। প্রথম বিভাগটি হচ্ছে- সিলেকশন, ক্রপ অ্যান্ড স্লাইস টুলস। এটি ব্যবহার করে কোন ছবিকে সিলেক্ট করা এবং কাটা যায়।
এরপর রয়েছে রিটাচ অ্যান্ড পেইন্ট টুলস। এর মাধ্যমে ছবিতে রঙ পরিবর্তন ও পেইন্ট করা যায়।
তৃতীয় বিভাগে থাকা ড্রয়িং অ্যান্ড টাইপ টুলসটি ব্যবহার করে ফন্ট, ড্রয়িং ও ভেক্টরভিত্তিক কাজ খুব সহজে করা যায়।
শেষ বিভাগে রয়েছে অ্যানোটেশন অ্যান্ড মেজারমেন্ট টুলস। ছবিতে নোট দেওয়া, জুম ও পরিমাপ করার জন্য এই টুলসটি ব্যবহার করা হয়।
এই চারটি বিভাগের পাশাপাশি আরও কয়েক ধরণের টুল রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ফোরগ্রাউন্ড এবং ব্যাকগ্রাউন্ড। কোন ‘শেপ’ বা লেখার রঙ দেওয়ার জন্য ফোরগ্রাউন্ড এবং পিছনের পটভূমির রঙ দেওয়ার জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার ব্যবহারের সময় যা খেয়াল রাখবেন
তথ্য-প্রযুক্তির যুগে সব জায়গাতেই কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে৷ তবে কম্পিউটারের পর্দা থেকে কতটা দূরে বসা উচিত বা কতটা আলো দরকার আর সঠিকভাবে তা না হলে কী সমস্যা হতে পারে- এ সব প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন এখান থেকে।
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য
আজকের যুগে অফিস-আদালতের কাজ কম্পিউটার ছাড়া যেন ভাবাই যায় না৷ আর বাড়িতেও কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত মানুষ৷ মনিটর থেকে ঠিক দূরত্বে না বসা কিংবা অতিরিক্ত বা কম আলো থেকে হতে পারে চোখের নানা সমস্যা, এমনকি ঘাড় ব্যথাও৷ ‘‘কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে এ সব সমস্যার কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যায়’’, বলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা৷
কতটা দূরত্বে বসবেন?
কম্পিউটারের বেশি কাছে বসে কাজ করলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, বিশেষ করে চোখের৷ বেশিরভাগ মানুষই কম্পিউটারের পর্দা থেকে ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে বসে কাজ করেন৷ এই দূরত্ব ৭৫ সেমি. হলে সবচেয়ে ভালো হয়৷ পরামর্শ দিয়েছে জার্মানির পেশাদারী নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের৷বিগ হাই রেজোলিউশন কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অবশ্য এই দূরত্ব ১০০ সেন্টিমিটার হতে পারে৷
প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন
সব কিছুই নির্ভর করে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ওপর৷ কারণ প্রতিটি মানুষের বসা, স্ক্রিনের দিকে তাকানোর অভ্যাস, স্বভাব ইত্যাদি সবকিছুই আলাদা৷ তাই আলাদাভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কে, কীভাবে পর্দার সামনে বসে কাজ করতে আরাম বোধ করেন৷ সাথে যাতে হাত নাড়াচাড়া করার ভালো সুবিধা, যথেষ্ট জায়গা থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে৷ তাছাড়া টেবিল এবং চেয়ারের উচ্চতাও লক্ষ্য রাখা জরুরি৷
আলো বা লাইট নির্বাচন
অনেকেই কম্পিউটারের কাজ করার সময় অভ্যাসবশত ঘরের লাইটটি জ্বালিয়ে রাখেন৷ বাইরে যথেষ্ট আলো থাকলে তো আর ঘরের আলোর প্রয়োজন হয় না৷ তাই নিজেকেই দেখে নিতে হবে কতটা আলো রয়েছে৷ অনেক অফিসেই মাথার ওপরে বিশাল টিউব লাইট থাকে, যাতে অনেকেরই অসুবিধা হয়৷ এক্ষেত্রে টেবিল লাইট ব্যবহার করুন৷ পরামর্শ কোলনন শহরের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাল্ফ ক্রটের৷
মনিটরের ব্যাকগ্রাউন্ড লাইট
মনিটরের পর্দাটি সবসময় পরিষ্কার রাখুন৷ মনিটরের ব্যাকগ্রাউন্ড আলোটি হালকা নীল হলে ভালো৷ তাছাড়া কম্পিউটারে লম্বা টেক্স পড়া বা কম্পোজ করতে গেলে সবচেয়ে ভালো হয় যদি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর কালো রং দিয়ে লেখা হয়৷ এতে চোখের ওপর চাপ কম পড়ে৷ প্রয়োজনে অক্ষরের সাইজ বড় করে নেয়া যেতে পারে৷
বিশ্রাম
অনেকেই কাজ করার সময় এতো ব্যস্ত থাকেন যে চোখ বা ঘাড়ের বিশ্রামের কথা ভুলে যান৷ এর ফল অবশ্য পাওয়া যায় কিছুক্ষণ পরেই৷ তাই একবারে লম্বা বিশ্রাম না নিয়ে ঘণ্টাখানেক পর পর কয়েক মিনিট করে বিশ্রাম নেয়া ভালো৷ অর্থাৎ দু-চার মিনিট চোখ বন্ধ করে থাকা এবং জানালা দিয়ে অনেক দূরে তাকিয়ে থাকা আর ঘাড়টাকে একটি এদিক-সেদিক ঘোরালে আরাম পাওয়া যায়৷ এছাড়া সম্ভব হলে দাড়িয়ে একটু হাঁটাচলাও করা যেতে পারে৷
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Dolar Dorga Bajar, Nawabganj
Dinajpur
5270