TwisTech
Twistech is an IT Company. IT Related Training, Software Development, IT Job Opportunities, E-Shop Conditions applicable to IT / Freelancing Jobs.
আমি অধ্যাপক আর আমার স্ত্রী হাইস্কুলের শিক্ষিকা।
সকাল বেলায় আমার গিন্নির মেজাজ আর চায়ের জল এক সংগে ফুটতে থাকে।
আজ হঠাৎ গিন্নির আদেশ হলো - তিতলির (আমার মেয়ের নাম) স্কুল থেকে ডাক এসেছে, তোমাকে যেতেই হবে। অংকের দিদিমণি দেখা করতে চেয়েছেন।
অগত্যা যেতেই হলো।
গিয়ে দেখি, বিশাল একটা হলঘরে চশমা আঁটা অংকের দিদিমণি বসে আছেন।
গম্ভীর গলায় ডাকলেন - অনন্যা পাল। সেই ডাকে অনন্যার মা উঠে দাঁড়ালেন। চললো অনন্যা কোন কোন অংক পারেনি তার বিশ্লেষণ। তার সংগে পাল্লা দিয়ে চললো, বেচারা অনন্যার মায়ের তীব্র আস্ফালন।
- এতগুলো টাকা খরচ করে মাষ্টার রেখেছি। আজ বাড়ি চল, তোর হাত-পা ভাঙব!
পল্লবীর মা আর বাড়ি পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন না। তিনি হলের মধ্যেই পল্লবীর চুলের মুঠি ধরে কয়েকটা চড় মেরে বললেন - আজ তোর বাবা বাড়িতে আসুক। দেখবি ফাঁকি মারার কত মজা!
আর টুম্পার বাবা - টুম্পা তিনটে অংক ভুল করায় তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললেন - সামনের তিনদিন টুম্পার খাওয়া বন্ধ !!!
এভাবেই কেটে গেল অনেকটা সময়।
অবশেষে ডাক এলো - তিতলি বিশ্বাস, মানে আমার মেয়ে, যার জন্য এখানে আমার আসা।
দিদিমনি বলে চললেন - আপনার মেয়ে তো অর্ধেক অংকই পারেনি!
আমি বললাম
- অর্ধেক অংক তো পেরেছে। আর একটু বড় হলে বাকিটা শিখে নেবে। আপনি টেনশন করবেন না, ম্যাডাম।
- আপনি কনফিডেন্ট?
- নিশ্চিত। আসলে কি জানেন ম্যাডাম, আমি আর তিতলির মা, মাধ্যমিকে দুজনে মিলে অংকে ১০০ তুলতে পারি নি। তবুও আমার অধ্যাপক হওয়া কিম্বা তিতলির মায়ের রাগী দিদিমণি হতে কোন অসুবিধেই হয় নি!
তিতলি খুশী হয়ে বলল --
- বাবা, আজ বিরিয়ানী খাব।
আমি বললাম - টুম্পাকেও ডাকিস। ওর বাবা ওকে তিন দিন খেতে দেবে না বলেছে !!!!
বাড়তি চাপ দিয়ে ছেলেমেয়েকে টেনশন দেবেন না। টেনশন নেওয়ার জন্য তো সারা জীবনটা পড়ে রইল ওরা যেদিন নিজে বুঝবে ঠিক শুধরে যাবে।
সংগৃহীত
04/02/2022
🌸গল্পে গল্পে Parts of speech🌸
Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে । এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে । তবে তাদের কাজকর্ম এক না ।
১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা । বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা ।
২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয় । Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে ।
৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective । Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা । তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ ।
৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb । তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া । খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া ।
৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা । তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে ।
৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition । ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।
(Noun ➕ Verb➕Pronoun, Noun➕ Noun)
৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction । তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড় । সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায় ।
(Sentence ➕ Sentence)
৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে । সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।
30/01/2022
SEO কী? বিস্তারিত জানাবেন কি?
এসইও মানে হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এসইও কি, তা আমরা এখানে সহজ ভাষায় সংক্ষেপে আলোচনা করব। তবে আপনি এসইও করার সকল নিয়ম জানতে চাইলে লিংটিতে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
এখানে SEO এর মধ্যে দুটি পার্ট রয়েছে। একটি হচ্ছে "SE" এবং অন্যটি হচ্ছে "O". এই দুটি অংশের মধ্যে SE এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Search Engine এর O মানে হচ্ছে Optimization. তার মানে SEO এর মানে হচ্ছে Search Engine Optimization.
এসইও এর কাজ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করা। অর্থাৎ যে সমস্ত কাজ করলে সার্চ ইঞ্জিন একটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে বুঝতে পারবে এবং যে সমস্ত টেকনিক অনুসরণ করলে অন্য ওয়েবসাইটের চাইতে ভালো আর্টিকেল সঠিক উপায়ে শেয়ার করে অন্যান্য ওয়েবসাইট পিছনে ফেলে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসা যাবে, সেই সমস্ত কাজের সমষ্টি হচ্ছে এসইও।
মূলত সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বৃৃদ্ধি করার জন্য এসইও করা হয়। একমাত্র এসইও করে একটি ওয়েবসাইটকে কাঙ্খিত অডিয়্যান্স পর্যন্ত সহজে পৌছানো সম্ভব হয়।
29/01/2022
কম্পিউটার ভাইরাস কী?
কম্পিউটারের পরিভাষায়, ভাইরাস (Virus) শব্দের পূর্ণরূপ ভাইটাল ইনফরশন রিসোর্সেস আন্ডার সিজ (Vital Information Resources Under Seize), যার অর্থ গুরুত্বপূর্ণ উৎস সমূহ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন (Fred Chohe
27/01/2022
সফটওয়্যার বলতে কী বোঝায়?
এটির আসল উত্তর ছিল: সফটওয়্যার বলতে কি বুঝায় ?
কম্পিউটারের ভাষায় 'Soft' শব্দের অর্থ নরম অর্থাৎ হাত দ্বারা ছোঁয়া যায় না; আর 'Ware' শব্দের অর্থ সূক্ষ্ম । কম্পিউটার চালানোর সময় কম্পিউটারকে যে সমস্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়, যাদেরকে ছোঁয়া যায় না, সেসব নির্দেশনার সমষ্টিকে সফটওয়্যার (Software) বা প্রোগ্ৰাম (Program) বলে। যেমন: Game, vcl player, Photoshop, Google Chrome ইত্যাদি।
26/01/2022
Li-Fi কী? Li-Fi কীভাবে কাজ করে?
এটির আসল উত্তর ছিল: লাই-ফাই (Li-Fi) কী?
লি-ফাই প্রযুক্তি কী?
LiFi (হালকা বিশ্বস্ততা) একটি দ্বি নির্দেশমূলক ওয়্যারলেস সিস্টেম হতে পারে যা LED বা ইনফ্রারেডের মাধ্যমে ডেটা প্রেরণ করে। এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২০১১ সালে এবং ওয়াইফাই থেকে পৃথক, যা রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে, লিফাই প্রযুক্তির কেবল আলোর তরঙ্গের মাধ্যমে একটি ইন্টারনেট সংকেত প্রেরণের জন্য একটি চিপযুক্ত আলোর উত্সের প্রয়োজন হয়।b
25/01/2022
র্যামকে (RAM) অস্থায়ী মেমোরি বলা হয় কেন?
র্যামকে (RAM) অস্থায়ী মেমোরি বলা হয় । কারণ, কম্পিউটার যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিত থাকে ততক্ষণ র্যাম-এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত রাখে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে র্যাম তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
23/01/2022
রম (ROM) বলতে কী বোঝায়?
এটির আসল উত্তর ছিল: রম (ROM) বলতে কি বুঝায় ?
ROM অ্যাপ পূর্ণরূপ হচ্ছে Read Only Memory. কম্পিউটারের যে অংশ কোম্পানী কর্তৃক দেওয়া থাকে, যার নির্দেশনায় কম্পিউটার পরিচালিত হয়, সেই অংশকে রম বলে। কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে রম প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যার চেক করতে থাকে এবং হার্ড ডিক্স হতে অপারেটিং সিস্টেম এনে কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করে
22/01/2022
Software হলো কিছু প্রোগ্রামের সমষ্টি যা কম্পিউটার বা কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস কে নির্দেশ করে কি করতে হবে ও বা কিভাবে করতে হবে সেটা বলে দেই,তাকেই সফটওয়্যার বলে।এক কথায় সফটওয়্যার হল কম্পিউটারের প্রান।
কম্পিউটার software মূলত তিন প্রকার।
১। সিস্টেম সফটওয়্যার
২। এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
৩। প্রোগ্রামিং সফটওয়ার
22/01/2022
ওয়াইফাই-এর জন্য কোন রাউটার সবচেয়ে ভালো? রাউটারের রেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারবেন কি?
ভাল দামের সব রাউটার ই ভাল। একেক কাজের জন্য একেক রাউটার ভাল। আপনি কোন কাজের জন্য ব্যবহার করবেন তা উল্লেখ করেন নি। বাসার ইউজ করার জন্য কম দামের মধ্যে টিপি লিংক, ডি-লিংক ভাল, একটু বাজেট বাড়াতে পারলে নেটগিয়ার নিতে পারেন, রাউটার থেকে স্পীড ডাউন হয়ে যাওয়া সমস্যা ফেস করবেন না। আইএসপি ব্যাবসার জন্য মাইক্রোটিক ভাল। সিকিউরড কানেক্টিভিটির জন্য সিসকো বিল্ট ইন ভিপিন রাউটার নিতে পারেন।
রেঞ্জ মোটামুটি সব রাউটার এরই এক। গড়ে ৩৮ হাত। তবে আপনি অনেক দূর থেকে তারবিহীনভাবে ওয়াইফাই সংযোগ নিতে চাইলে আউটডোর CPE নিতে পারেন, তবে এটি যথেষ্ট ব্যায় বহুল।
22/01/2022
টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
আরও পড়তে পারেন এখানে CNET: Do you use SMS for two-factor authentication? Here's why you shouldn't
844 বার দেখা হয়েছে1টি শেয়ার দেখুন
Minhaj Hasan-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
FH Forhad-এর জন্য প্রোফাইল ফটোটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কতটা সুরক্ষা দেয়?
এক কথায় বলতে গেলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারে না। তবে নিরাপত্তার এই স্তর ব্যবহার না করার চেয়ে করা অনেক ভালো।
কেন শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারে না
সাধারণত এধনের মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেমে মোবাইলের সিম কার্ডে এসএমএসের মাধ্যমে চার বা ছয় অঙ্কের একটি কোড পাঠানো হয়। সমস্যা হচ্ছে, এসএমএসের মাধ্যমে যে টেক্সট আসে, সেটা সম্পূর্ণ প্লেইন টেক্সট হিসেবে থাকে। তৃতীয় পক্ষের পক্ষে সেই মেসেজ পড়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আপনার মোবাইল সিম অপারেটর এসএমএসের টেক্সট পড়তে পারবে চাইলেই। এছাড়াও অনেক surveillance device আছে যেগুলো দিয়ে Man-in-the-middle attack হিসেবে ফোনের এসএমএস পড়া যায় এমনকি পরিবর্তনও করা যায় (যেমন: IMSI-catcher)। অর্থাৎ আপনার ফোনে পাঠানো নিরাপত্তা কোডটি যে কেবলমাত্র আপনার কাছেই থাকবে— ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে। এছাড়াও কোনো কারণে আপনার সিমকার্ড বেহাত হয়ে গেলে অন্য কেউ আপনার সিমে প্রেরিত মেসেজ গ্রহণ করতে পারবে।
সুরক্ষার উপায়
এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর ব্যবহারের চেয়ে টাইম বেজড ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (TOTP) ব্যবহার বেশি সুরক্ষা দেয়। এজন্য আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে TOTP ম্যানেজ করার জন্য কোনো অ্যাপকে (যেমন: Google Authenticator) সেটাপ করে নিতে হবে। তাহলে ওই অ্যাপ একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন কোড জেনারেট করবে। ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকশনে ওই অ্যাপ থেকে প্রাপ্ত কোড দিয়ে দিলেই হয়ে গেলো। যেহেতু এটা এসএমএসের মাধ্যমে কোনো কোড পাবার সিস্টেম নয়, তাই সে তুলনায় অধিক নিরাপদ। এছাড়াও hardware based authentication ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: YubiKey), যদিও এটি বাংলাদেশে তেমন উপলভ্য নয়।
আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য এসএমএস ভিত্তিক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন তেমন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না। কেননা এসএমএসের টেক্সট চুরি করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মূল্য অনেক, আর চাইলেই যে কেউ কিনতে পারে না। তবে আপনি নিরাপত্তার স্বার্থে সিমের PIN Lock চালু করে রাখতে পারেন, যাতে সিম বেহাত হলেও অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে না পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Ghasipara
Dinajpur
5200
Opening Hours
| Monday | 00:00 - 19:00 |
| Tuesday | 10:00 - 19:00 |
| Wednesday | 10:00 - 19:00 |
| Thursday | 10:00 - 19:00 |
| Saturday | 10:00 - 19:00 |
| Sunday | 10:00 - 19:00 |