MR TV
নতুন নতুন ওয়াজ পেতে পেজটি লাইক করে পাশেই থাকুন।
রমজানের শেষের ১০ দিন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ | শায়েখ আহমাদুল্লাহ | MR TV BANGLA WAZ | Review
Islamic background music no copyright emotional background music Episode 06.mp3
https://youtu.be/XDEhA7gPumc
background frame image
Image https://www.freepik.com/free-photo/islamic-new-year-pattern-background_13833984.htm =islamic%20calligraphy%20background&position=36&from_view=search&track=ais
02/04/2023
সৌদি আরবে এক জায়গায় সবাইকে এই রকম একটি করে ইফতার পেকেট গোপনে দিয়ে গেছে।
খুঁজেই পাওয়া গেল না দাতাকে একটি সেলফি তোলার জন্য।
৫০০ রিয়েল এর যে নোটটি দিয়েছে,বাংলা টাকায় প্রায় ১৪,৫০০ টাকা।
এসে জিজ্ঞেস করেছেন-এখানে কতজন লোক থাকে?
একটি কার্টুনে করে যতগুলো লোক ঠিক ততোটা পেকেট দিয়ে চলে গেছেন।
কোন আয়োজন নেই,ক্যামেরা নেই,সেলফি নেই,দলে দলে লোক নেই,কোন তেলবাজও নেই।
(সংগৃহীত)
02/04/2023
একটা মেয়ে ফেসবুকে
পোস্ট করেছিল।
বাবা মায়ের দায়িত্ব
যদি মেয়েদের।
দেওয়া হয় তাহলে
পৃথিবীতে।
কোনো বাবা মা
বৃদ্ধাশ্রমে থাকবে না।
তা দেখে একটি ছেলে
কমেন্ট করেছিল।
সব মেয়েরা যদি তার
শশুর শাশুড়ী কে।
নিজের বাবা মা
ভাবতো।
তাহলে পৃথিবীতে
বৃদ্ধাশ্রম থাকতো না।💯
এই খানে কার কথা সঠিক ছেলেটার নকি মেয়েটার।
সৌদি আরবের জয়ে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে কংগ্রাচুলেশনস জানান তাদের জন্য
05/04/2022
রিযিকঃ
******
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)
আসসালামু -আলাইকুম,
আজকে ২০২২ সালের ৩ এপ্রিল পহেলা রমজান। আজকে আমরা আপনাদের কে জানানোর চেষ্টা করেছি বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম রমজানের সেহরি এবং ইফতারে সময় সূচি গুলো। আমরা এর পরে থেকে সবগুলো রমজানের সেহরি এবং ইফতারে সময় সূচি গুলো আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব।
Please Subscribe our YouTube channel: https://youtube.com/channel/UCgxl1_tjAr7ASAG_Y5rr8dQ
Video footage from: Pexels mobile app
Credit: BANGLA WAZ
আমি জুনাইদ জামশেদ বলছি
মনে আজ ইচ্ছে জেগেছে যে, আমি আপনাদেরকে আমার অতীত জীবনের কথা শোনাবো। সঙ্গীতাঙ্গন ছেড়ে দ্বীনের এ পথে আমি কীভাবে এসেছি, আল্লাহ তার ব্যবস্থাপনা কীভাবে করেছেন। আমার স্পষ্ট মনে পড়ছে, এমনই এক গ্রীষ্মতাপিত দিন ছিলো। জুলাইয়ের এমন এক দিনে আমি করাচিতে ছিলাম। আমি যাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখলাম, আমার বাম পাশ দিয়ে একটি তাবলীগি জামাত যাচ্ছে। এই তাবলীগ জামাত সম্পর্কে আমি তখন এতোটুকু জানতাম যে, এরা এমন একটি দল, যারা লোকদেরকে মসজিদের দিকে নিয়ে যায়। সবাইকে কারণে অকারণে বিরক্ত করে। ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসে। তবে তাদেরকে দেখে আমার মনের মধ্যে এ ভাবনা এলো যে জুনাইদ তুমি তো আরামে গাড়ির মধ্যে বসে আছো। দেখো এই বেচারারা কীভাবে ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকছে। উল্টো পথে ফিরে সেই জামাতের সাথী সঙ্গীদের কাছে চলে এলাম। সামনে এসে আমি একজনে দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে করমর্দন করে বললাম ভাই আপনারা তো অনেক ভালো কাজ করছেন। আমার জন্যেও কিছু দুআ করবেন। তিনি বললেন আমি আপনার জন্যে অবশ্যই দুআ করবো। এবার বিস্ময়ের সঙ্গে দেখুন আল্লাহর সুচারু ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত বিস্ময়কর ঘটনা। একজন মসজিদে গিয়ে বিস্মিত কণ্ঠে বললো জানো আজ আমাদেরকে রাস্তায় কে ধরেছিলো উপস্থিত লোকেরা বললো কে ধরেছিলো? তরুণ ছেলে বললো ওই যে জুনাইদ জামশেদ নামে একজন সঙ্গীতশিল্পী আছেন না! আমরা যখন মাকামি গাশত করছিলাম তখন তিনি গাশত চলাকালে আমাদের পথ আগলে গাড়ি থামান এবং আমাদের সামনে এসে বলেন ভাই! আমার জন্যে দুআ করবেন। তরুণ ছেলেটি যেই মসজিদে এ কথা বলছিলো সেখানে একজন মুসুল্লি ছিলেন। যিনি তাবলীগের ঘনিষ্ঠ সাথী। এ লোকটি ষোলো বছর পূর্বে আমার সঙ্গে স্কুলে পড়েছেন। আল্লাহর কুদরত দেখুন! তিনি এখন তাবলীগের মেহনত করছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কে তোমাদেরকে রাস্তায় ধরেছে? সে বললো ওই যে একজন সঙ্গীতশিল্পী আছে না! জুনাইদ জামশেদ নাম। তিনিই আজ আমাদের পথ আগলে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর শুনে সে বললো আচ্ছা ঠিক আছে। সেই ঘটনার পর থেকে আমার স্কুলের সহপাঠী এই বন্ধু আমার খোঁজ শুরু করলেন। একদিন আমার ঘরে তার ফোন এলো। আমি ফোন রিসিভ করলাম। ওপাশ থেকে প্রশ্ন এলো আপনি কি জুনাইদ? আমি বললাম হ্যা। সে আমাকে জিজ্ঞেস করলো জুনাইদ তুমি কি আমাকে চিনেছো? আমি ষোলো বছর পর ফোনে তাঁর কণ্ঠ শোনামাত্রই চিনে ফেললাম। আমি বললাম জুনাইদ গনী বলছো? সে হাসতে লাগলো। বললো তুমি আমাকে চিনে ফেলেছো? আমি বললাম তোমার দুষ্টামির কারণে এবং একই নামের হওয়ার কারণে অন্যদের কাছে আমিও বদনামের শিকার হতাম উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললো বন্ধু অনেক বড় ব্যাপার। তুমি আজ শুরুতেই আমাকে চিনে ফেললে আমি বললাম হ্যাঁ তোমাকে চিনতে আমার একটুও বেগ পেতে হয়নি। সে তখন আমাকে বললো দোস্ত তোমার সঙ্গে আমার দেখা করা দরকার। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন? বললো এমনিতেই। মানসিকতা তখন এমন ছিলো যে, কারও সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে হতো না যে কারণে আমি জুনাইদ গনীকে জিজ্ঞেস করলাম বন্ধু সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া তুমি কেন আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে? সে বললো ব্যস এমনিতেই। আমি বললাম ঠিক আছে জুনাইদ গনী! আল্লাহ যখন চাইবেন তখন তোমার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে। এ কথা বলে সঙ্গে সঙ্গে আমি তার ফোন কেটে দিলাম। পরদিন আবার তার ফোন। আমি রিসিভ করে জিজ্ঞেস করলাম কী কাজে ফোন দিয়েছো? বললো তোমার সঙ্গে দেখা করা দরকার। আমি জিজ্ঞেস করলাম কী কারণে দেখা করবে? বললো কোনো কারণ নেই। আমি বললাম যা বলার ফোনেই বলে ফেলো। সে বললো না ফোনে বলার মতো কাজও নেই। সঙ্গে সঙ্গে আমি ফোন রেখে দিলাম। কিছুদিন পর একদিন তার ফোন এলো। ওপাশ থেকে জুনাইদ গনী বলে ওঠলো দেখো জুনাইদ আমি তোমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে বলছি-তুমি এক মিনিট আমার কথা শোনো। আমি বললাম বলো। সে বললো ক’দিন হলো আমি ওমরা করে এসেছি। আমি মদীনার খেজুর যমযমের পানি জায়নামায-সহ কিছু জিনিস নিয়ে এসেছি। একবার এসে এগুলো তোমাকে দেবো এরপর চলে যাবো। আমি বললাম ঠিক আছে। তুমি কয় মিনিটের জন্যে আসবে? বললো পাঁচ মিনিটের জন্যে। বললাম ঠিক আছে। নির্দিষ্ট সময়ে সে চলে এলো। তাকে দেখে তো আমি প্রচণ্ড অবাক! গায়ে সফেদ পোশাক। মাথায় পাগড়ি। মুখে অনেক লম্বা দাড়ি। জামার ওপর কোট পরা। আমি বললাম জুনাইদ গনী তোমার এমন দশা কী করে হলো? সে বললো আমি বুঝতে পারছি না- তুমি কী বলছো আমার আবার কী দশা হয়েছে আমি বললাম তোমার বেশভূষা এমন কীভাবে হয়েছে! তোমার মতো এতো বড় শয়তান দুষ্ট ছেলে এখন বুযুর্গের লেবাস পরে আমার কাছে এসেছে জলদি ভেতরে এসো। আমার দিকে খেজুর বাড়িয়ে দিলো। যমযমের পানি দিলো। জায়নামায দিলো। ততোক্ষণে ঘড়ি ধরে কাঁটায় কাঁটায় পাঁচ মিনিট হয়ে গেছে। সে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললো পাঁচ মিনিট হয়ে গেছে। আমি এবার চলি। আমি বললাম না বসো। আমাকে খুলে বলো তোমার এমন পরিবর্তন কীভাবে? সে বললো দোস্ত এ বিষয় রাখো। চলো আমরা স্কুল লাইফের কথা বলি। আমি বললাম স্কুলের কথা ছাড়ো। আগে বলো এমন পরিবর্তনের পেছনের কারণ কী? তোমার মুখে দাড়ি গায়ে সফেদ পোশাক। কারা তোমার জীবন এভাবে বদলে দিলো? সে জিজ্ঞেস করলো যারা আমার জীবনে এমন পরিবর্তন এনেছে তুমি কি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাও। আমি বললাম অবশ্যই সাক্ষাত করতে চাই। যে লোকটি পাঁচ মিনিট সাক্ষাতের জন্যে আমার কাছে এসেছে তাকে আমি সাড়ে তিন ঘণ্টা আমার পাশে বসিয়ে রেখেছি। তার কাছ থেকে তার জীবনের গল্প শুনলাম। পরদিন আমি প্রস্তুত হলাম। তাঁর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। ময়দানে এসে যখন আমি গাড়ি থেকে নামলাম তখন দেখতে পেলাম সবাই পাঞ্জাবি - পায়জামা পরে এসেছে। সবার মাথায় টুপি। আমি তখন জুনাইদ গনীকে বললাম দোস্ত শোন, এসব লোকেরা আমার বেশ-ভুষা দেখে আমাকে মারবে না তো! বললো নারে ভাই আমরা তো মারার লোক নই। যেখানে ইজতিমা হচ্ছিলো আমরা সেই ময়দানের ভেতর প্রবেশ করলাম। আমি দেখলাম। পেছন থেকে হঠাৎ একজনের কণ্ঠে শুনলাম দেখ দেখ এখানে জুনাইদ জামশেদ এসেছে। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে আরো দু চারজনের কণ্ঠ উচ্চকিত হলো আরে! ও এখানে কী করতে এসেছে। এক জায়গা দেখিয়ে জুনাইদ গনী বললো ভাই! তুমি এখানে বসো। আমি এখনই একজনকে নিয়ে ফিরছি।
টিকটক আবু-ত্বহা মোহাম্মদ আদনান হুজুর
পরহেজগার ছাত্র একদিনের জন্য নাস্তিক হয়ে নাস্তিক শিক্ষক কে আস্তিক বানিয়ে ছাড়লেন। আবরারুল হক আসিফ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dimla
5351