BD Power Plus
In whole bangladesh we supply
Motorcycle Battery Brand (Koyama,Vela)
UPS / IPS Battery
AVR, UPS, Rice Cooker
Computer Accessories.
22/09/2025
KSTAR 10KVA Online UPS Model:EP
Low frequency.
Call.01713272434
22/09/2025
VELA Motorcycle Battery 12v5AH Maintenance Free Battery. VRAL & AGM প্রযুক্তির হওয়াতে এটা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।
Call.01713272434
Luminous i-Cruze 5000+ 4Kva 3200w 48v IPS
Luminous Tubular ILTB24 200 12v200ah Battery.
Warranty: 03Year
Call.01713272434
Luminous Optimus3800+ IPS
Luminous Tubular ILTB24 200, 12v200Ah
Warranty: 02 Year
Call.01713272434
05/07/2025
VELA MOTORCYCLE BATTERY
31/12/2024
পুরাতনের বিদায় নতুন এর আগমন।আগামী দিনগুলো যেন সুন্দর কাটে সেই দোয়া মহান আল্লাহর তালার কাছে।
15/12/2024
মোটরসাইকেল এর ব্যাটারি সংক্রান্ত সকল প্রশ্ন ও তার উত্তর
Review Overview
User Rating:
মোটরসাইকেল ব্যাটারি কতক্ষণ চার্জ দিয়েই যাবে ?
এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমি তিনটা মোটরসাইকেল বেছে নিচ্ছি পালসার, এফ জি/ফেজার এবং আর১৫। তিনটা প্রাকটিক্যাল উদাহরণ। একদম পানির মতো, চলুন শুরু করি।
এখানে বিষয়টা হলো আমরা যত দ্রুত ব্যাটারি খরচ করি সেটা আমাদের মোটরসাইকেল কত দ্রুত রিচার্জ করে দিতেছে? আরেক ভাবে বললে মোবাইল ফোনে চার্জার লাগিয়ে গেমস খেলা ভাবতে পারেন। গেমস খেলতেছি ব্যাটারি খরচ হছে, চার্জার একই সাথে ব্যাটারি রিচার্জ করে যাচ্ছে । রিচার্জের শক্তি বেশি হলে গেমস খেলতে খেলতে ব্যাটারি ফুল হয়ে যাবে। সেইম বেসিক প্রিন্সিপাল মোটরসাইকেল এর বেলাতেও প্রযোজ্য। হেডলাইট জ্বালাইতেছি, হর্ন দিতেছি ব্যাটারি খরচ হচ্ছে, একই সাথে অলটারনেটর ব্যাটারি রিচার্জ করে যাচ্ছে।
তিনটা মোটরসাইকেল পালসার, এফ জি / ফেজার ও আর১৫ কার কত এম্পায়ার ব্যাটারি ?
ক) পালসার ব্যাটারির শক্তি : ১২ ভোল্ট ৯ এম্পায়ার অর্থাৎ ১০৮ ওয়াট ( = ১২ * ৯ )
খ) এফজি/ফেজার ব্যাটারির শক্তি: ১২ ভোল্ট ৫ এম্পায়ার অর্থাৎ ৬০ ওয়াট (= ১২*৫)
গা) আর১৫ ব্যাটারির শক্তি : ১২ ভোল্ট ৩.৫ এম্পায়ার অর্থাত ৪২ ওয়াট (= ১২*৩.৫)
• একটা ফুল চার্জ পালসার ৯ এম্পায়ার ব্যাটারি কোনো রকম রিচার্জ ছাড়া একটানা চলতে পারে বা শক্তি সরবরাহ করতে পারে :
৩ ঘন্টা ৩ এম্পায়ার ( =৩৬ওয়াট ) করে খরচ করলে।
২ ঘন্টা ৪.৫ এম্পায়ার ( = ৪৫ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
অথবা ১ ঘন্টা চলবে ৯ এম্পায়ার ( = ১০৮ ওয়াট ) করে খরচ করলে ।
• অপরদিকে এফ জি / ফেজার এর ব্যাটারি ১২ ভোল্ট ৫ এম্পায়ার, কোনো রকম রিচার্জ ছাড়া একটানা চলতে পারে :
৩ ঘন্টা ১.৬৭ এম্পায়ার ( = ২০ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
বা ২ ঘন্টা ২.৫ এম্পায়ার ( = ৩০ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
অথবা ১ ঘন্টা ৫ এম্পায়ার ( = ৬০ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
• অন্যদিকে ইয়ামাহা আর১৫ এর ব্যাটারি মাত্র ৩.৫ এম্পায়ার (সামান্য ব্যাটারি ভাবলে ডস খাবেন, বাইক নিজেই রাক্ষসের মতো শক্তি উৎপাদন করে) কোনো রকম রিচার্জ ছাড়া একটানা চলতে পারে :
৩ ঘন্টা ১.১৬ এম্পায়ার ( = ১৩ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
২ ঘন্টা ১.৭৫ এম্পায়ার ( = ২১ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
১ ঘন্টা ৩.৫ এম্পায়ার ( = ৪২ ওয়াট ) করে খরচ করলে।
পালসার, এফ জি / ফেজার ও আর১৫ কে কত জোরে রিচার্জ করে ?
ব্যাটারি রিচার্জ হয় অলটারনেটর থেকে উৎপন্ন শক্তি দিয়ে। পালসার এই শক্তি উৎপাদন করতে পারে মাত্র ৬০ ওয়াট, অন্যদিকে এফ জি / ফেজার উৎপাদন করে ১২৫ ওয়াট, ইয়ামাহা আর১৫ করে ১৬০ ওয়াট। বোঝাই যাচ্ছে আর১৫ অনেক জোরে কারেন্ট উৎপাদন করে। এই কারেন্ট এসি অবস্থায় থাকে। আমাদের দরকার ডিসি কারেন্ট।
আমরা যখন মোবাইল এ চার্জার লাগাই কি ঘটে? মোবাইল চার্জার ঘরের ২২০ এসি ভোল্ট গ্রহণ করে, এটাকে ডিসি’তে রূপান্তর করে, ছোট ব্যাটারির উপযোগী সীমিত ৪ ভোল্ট নামিয়ে রিচার্জ করতে থাকে। একইভাবে মোটরসাইকেলের রেগুলেটর রেকটিফায়ার ডিভাইসটি এসি ভোল্ট গ্রহণ করে, ডিসি’তে রূপান্তর করে, ১২ ভোল্ট ব্যাটারির উপযোগী ১৪ ভোল্ট এ নামিয়ে রিচার্জ করতে থাকে। মোটরসাইকেল চালু তো ব্যাটারি রিচার্জও চালু।
পালসার মোটরসাইকেল এর রেগুলেটর রেকটিফায়ার ব্যাটারি কে সর্বোচ্চ দিতে পারে ৫.৫৬ এম্পায়ার।
ইয়ামাহা এফ জি / ফেজার এর রেগুলেটর রেকটিফায়ার সর্বোচ্চ দিতে পারে ২০ এম্পায়ার।
ইয়ামাহা আর ১৫ এর রেগুলেটর রেকটিফায়ার সর্বোচ্চ দিতে পারে ১৪ এম্পায়ার।
অর্থাৎ, ব্যাটারি রিচার্জ এর গতিতে ইয়ামাহা এফ জি / ফেজার (২০ এম্পায়ার ) সবার আগে।
কারেন্ট উৎপাদন দিক থেকে ইয়ামাহা আর ১৫ সবার আগে (১৬০ ওয়াট) .।
ব্যাটারি ধারণ ক্ষমতার দিক থেকে পালসার সবার আগে (৯ এম্পায়ার ব্যাটারি ) .।
ব্যাটারি লোড টেস্টিং
নতুন মোটরসাইকেল কেনার পর বাজার থেকে এলইডি হেডলাইট বাল্ব, ফগ লাইট, ডাবল পি৯০ হর্ন প্রভৃতি ইনস্টল করলাম। এখন জানতে চাচ্ছি এসব কিছুর লোড আমার মোটরসাইকেল ব্যাটারি কোনো সমস্যা ছাড়া নিতে পারবে কী? দীর্ঘ মেয়াদে সব কিছু নিরাপদে ব্যবহার করতে পারব কিভাবে বুঝব?
ব্র্যান্ড এর একটা মুল্য আছে। অসরাম ফিলিপস এর লাইট যে সার্ভিস দিবে, তা সস্তা চাইনিজ বংশাল লাইট কখনো দিবে না। এক্ষেত্রে আপনার মোটরসাইকেলের কোনো দোষ নাই। ব্যাটারি লোড টেস্টিং হলো সব কিছু চালানো, জ্বালানো অবস্থায় ব্যাটারি তা হাসি মুখে গ্রহণ করছে কি না তা জানা। এজন্য আমাদের দরকার হবে একটা ভোল্ট মিটার। আসে পাশের কোনো ইলেকট্রনিক্স এর দোকানে মোটরসাইকেল নিয়ে কাজটা করতে পারেন।
মোটরসাইকেল চালু করুন। হেডলাইট, পার্কিং লাইট, এলইডি লাইট আর যা আছে সব অন করুন। এখন ব্যাটারির ভোল্টেজ মাপুন।
ব্যাটারির ভোল্ট ১২.৬০ = ব্যাটারি খরচ এবং রিচার্জ সমানে সমান। এটা ভালো।
ব্যাটারির ভোল্ট ১২.৬০ থেকে কম = ব্যাটারি যতটুকু রিচার্জ হচ্ছে, তার থেকে বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। এটা খারাপ। মোটরসাইকেল লোড নিতে পারছে না।
ব্যাটারির ভোল্ট ১২.৮০ থেকে বেশি = ব্যাটারি যতটুকু খরচ হচ্ছে , তার থেকে বেশি রিচার্জ করতেছে। এটা ভালো লক্ষণ। মোটরসাইকেল নিশ্চিন্তে লোড নিতে পারছে।
সাইড নোটস : ১ ) মোটরসাইকেল স্টক ওয়ারিং কাটাকাটি করবেন না। ২ ) নতুন কিছু এমন ভাবে ইনস্টল করুন, যাতে যে কোনো সময় পূর্বের অবস্থায় ফেরত যাওয়া যায়। ৩ ) তার জোড়া এমন ভাবে দিন যা হবে মজবুত পানিরোধী, তাইলে দীর্ঘমেয়াদে কিছু হবে না। ৪ ) তার এলোমেলো না রেখে স্টক ওয়ারিং এর পাশে পাশে টানুন।
ব্যাটারি রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাটারি রক্ষনাবেক্ষণ খুব একটা প্রয়োজন পরে না। এখন বেশির ভাগ লিড এসিড ব্যাটারি সিলড অবস্থায় থাকে। যেগুলো সিলড থাকে না, ব্যটারী পানি দাগ সমান সমান আছে কি না দেখবেন। না থাকলে বা কমে গেলে শুধু ব্যটারির পানি দিয়ে রিফিল করবেন দাগ সমান। মোটরসাইকেল সার্ভিসিং এর সময় সেখানে রিচার্জ করে নিবেন। ব্যাটারির দোকানে উচ্চ এম্পায়ার এ রিচার্জ করে, এটা বাস ট্রাক গাড়ির ৩৫, ৫০, ৬০ এম্পায়ার ব্যাটারির জন্য ঠিক আছে । মোটরসাইকেল এর ব্যাটারি মাত্র ৩, ৫, ৯ এম্পায়ার হয়। ব্যাটারি টার্মিনাল শুকনা রাখবেন না, সেখানে সাদা নিল বালু বালু করোসান হতে পারে। এটা দীর্ঘমেয়াদে পসিটিভ নেগেটিভ টার্মিনাল খেয়ে ফেলে, তারের জয়েন্ট খেয়ে ফেলে। টার্মিনাল গুলো ভালো করে পরিষ্কার করে মেরিল পেট্রোলিয়াম জেলি লাগায় দেন। আর করোসান হবে না।
বাজারে কালো রঙের কিছু ব্যাটারি পাওয়া যায়। ইউ পি এস এর ভিতরে এরকম ব্যাটারি থাকে। এগুলা মোটরসাইকেল এ লাগাবেন না। এগুলা ডিপ সাইকেল ব্যটারী বা অনেকক্ষণ ধরে নির্দিষ্ট খরচে চলার জন্য তৈরী। মোটরসাইকেল এ আমরা যে ব্যাটারি ব্যবহার করি এগুলা হুট করে প্রচুর খরচ করার জন্য তৈরী। যেমন স্টার্টার মোটর ১২৫ ওয়াট দুই চার সেকেন্ড এ প্রচুর খরচ করে। ইঞ্জিন চালু হয়ে গেলে একটু পরে রিচার্জ হতে থাকে। এসব ব্যাটারির ৮০% চার্জ সবসময় মজুদ থাকে। এদের মেন কাজ হলো cca বা কোল্ড ক্রানক এম্পায়ার বা হুট করে প্রচুর খরচ করার জন্য প্রস্তুত থাকা । ব্যাটারি পর্ব এখানেই শেষ।
15/12/2024
একটি বাইকের ইন্জিন অয়েল সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা প্রয়োজন
আসলে অয়েল বা তেল হিসেবে আমরা যেটা জানি সেটা আসলে কী ? সেটা কী আমরা জানি ? আমরা বিভিন্ন সংজ্ঞামতে যেটা জানি সেটা হল তেল এমন একটি পদার্থ যা বেশ চটচটে একটি জৈবযৌগ এবং এটা পানির সাথে মিশে না । আর এই তেল হল বাইকের ইন্জিনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ যেটা ছাড়া বাইক বা অন্য যেকোন যন্ত্রপাতি চালানো সম্ভব না । তেল হল বাইকের কাছে রক্তের মত একটা বস্তু । মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাচতে বা চলতে পারে না , তেমনই বাইক ও ইন্জিন অয়েল ছাড়া অচল । এই ইন্জিন অয়েল বাইকের ইন্জিনের ঘর্ষণ প্রতিরোধ , বাইকটি স্মুথলি রান করানো , ইন্জিন ঠান্ডা রাখা সহ অনেক কাজে ব্যাবহার করা হয় ।
• API – American Petroleum Institute
• JASO – The Japanese Automotive Standards Organization
• “S” grade stands for Petrol vehicles. (Sprak Ignition)
• “C” grade stands for Diesel vehicles.(Compression)
• “W” for winter
• Multi grade
• Single grade
• EP – Extra Pressure
• SAE (Society of Automotive Engineers
• MA – Grade for Wet Clutch type vehicles (HIGH FRICTION VEHICLES. Non Clutch Slipping Oil)
• MA2- next version of MA(HIGH FRICTION VEHICLES Non Clutch Slipping Oil)
• MB – LOW FRICTION VEHICLES(NOT RECOMMENDED. Clutch Slipping Oil)
এখানে আমরা দেখছি যে “S” গ্রেডের অয়েল পেট্রোল ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয় যার ইগনিশন সিস্টেম স্পার্ক সুতরাং বাইকের জন্য অবশ্যই আমাদের “S” গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে হবে।“C” গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ডিজেল ইঞ্জিনের জন্য এবং MA গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল হলো ওয়েট ক্লোচ টাইপের ইঞ্জিনের জন্য।
EP/Extra Pressure গিয়ার বক্সে ব্যবহারের জন্য ভালো।কিন্তু ইঞ্জিন অয়েল হিসাবে এবং 2 স্ট্রোক ইঞ্জিনের গিয়ার বক্সে ব্যবহারের জন্য ভালো না।
পেট্রোল ইঞ্জিন অর্থাৎ বাইকের ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড গুলো হলো SA, SB, SC, SD, SE, SF, SG, SH, SJ, SL এবং SM। বেশির ভাগ মানুষ API/SAE-SL/SM (JASO MA or MA2) কোডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করে এবং উক্ত কোডের মধ্য SM গ্রেডের অয়েল তুলনামূলকভাবে ভালো কারণ এটার ভালো অক্সিডেশন রেসিসটান্স আছে, ডেপোজিট ও ওয়ার প্রটেকশন করে আবার কম তাপমাত্রায় ভালো কাজ করে।বাংলাদেশের বাইক গুলো যেহেতু ম্যাক্সিমাম ইন্ডিয়ান এবং ইন্ডিয়ার সবগুলো বাইকই ওয়েট ক্লাচ সিস্টেমের সুতরাং আমাদের এই বিষয়টা খেয়াল করে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে হবে। যার যে বাইক এবং সেই বাইক কোম্পানি যে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে রিকমেন্ড করে সেই টাইপের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা ভালো।
বিভিন্ন কোয়ালিটি এবং বিভিন্ন গ্রেডের জন্য নিচের ইনফরমেশন থেকে জানা যায় ওই গ্রেড বা ওই ইঞ্জিন অয়েল উক্ত তাপমাত্রার নিচে কাজ করে না:
1. 0° C(32° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30,10W-40,20W-50
2. -18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30, 10W-40.
3. BELOW -18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30.
আবার একই গ্রেডে কিছু ভিন্ন টাইপের অয়েল আছে।যা এদের উপাদান এবং তৈরি পদ্ধতির জন্য ভিন্ন হয় যেমন- মিনেরাল, সিনথেটিক এবং সেমি-সিনথেটিক অয়েল।
মিনেরাল অয়েল:
ভূগর্ভ থেকে যে অয়েলটা আমরা পাই সেটিকে মিনেরাল অয়েল বলে।যাকে সাধারণত ন্যাচারাল অয়েল বলা হয়।
সিনথেটিক অয়েল:
রাসায়নিকবিদরা ল্যাবে যে অয়েল উৎপন্ন করে সেটি সিনথেটিক অয়েল।এটি মূলত কৃত্রিম অয়েল। এটা বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে গবেষণাগারে তৈরী করা হয় ।
সেমি- সিনথেটিক অয়েল:
মিনেরাল এবং সিনথেটিক অয়েলের মিশ্রণকে সেমি-সিনথেটিক অয়েল বলে।
মিনারেল অয়েলের সাথে সিনথেটিক অথবা সেমি- সিনথেটিক অয়েল মিশানো যাবেনা । আপনি আপনার বাইকে ইন্জিন অয়েল পরিবর্তন করার জন্য বছরে একবার বা ২ বা ইনিজ্ন অয়েল ব্যাবহারের আগে ফ্লাসিং অয়েল ব্যাবহার করতে পারেন । অবশ্য এটা আপনি বছরে মোট কত কিলোমিটার বাইক রাইড করছেন এটার উপরেও ডিপেন্ড করে । তবে কার্বন পরিস্কার করার জন্য ফ্লাসিং অয়েলের পরিবর্তে কখনও ভুল করেও কেরোসিন বা ডিজেল বা পেট্রোল ব্যাবহার করবেন না ।এটা বাইকের ইন্জিনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে । নতুন গ্রেড অয়েলে কার্বন কণা দূরিকরণের জন্য পুরাতন গ্রেড থেকে ভালো পরিষ্কারক আছে ।সুতরাং পুরাতন গ্রেড থেকে নতুন গ্রেড ব্যবহার করা ভালো।কখনো গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল বাইকে ব্যবহার করা যাবে না।
আর মনে রাখবেন ঘর্ষণ কমানোর জন্য বাইকের ইন্জিন অয়েলের সাথে আলাদা করে কোন লুব্রিকেন্ট বা অয়েল ব্যাবহারের কোন দরকার নেই । এটার ইন্জিন অয়েলই এটার জন্য যথেষ্ঠ । আর যদি এটা ব্যাবহার করেন তাহলে বেশী লোডে থাকার সময় অথবা বেশী স্পীডে ক্লাচ স্লিপ করতে পারে ।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে বাইকের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করার জন্য আমাদের অনেক গুলো নিয়ম মেনে চলতে হবে।যা বাইকের যত্নের জন্য খুবই প্রয়োজন। আজ আর নয় আমরা নিজেদের দিকে খেয়াল রাখব এবং বাইক চালানোর সময় ট্র্যাফিক নিয়ম মেনে চলব।
14/12/2024
VELA Battery. সরাসরি চায়না থেকে আমদানিকৃত। এজিএম উন্নত প্রযুক্তির মোটরসাইকেল ব্যাটারি। গুণগতমান সম্মত ও অরজিনাল অথরাইজ প্রোডাক্ট। সব ধরনের মোটরসাইকেল ব্যাটারি আমাদের কাছে এভেলেবল আছে।কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়। একমাত্র আমদানি কারক বিডি পাওয়ার প্লাস। বিস্তারিত জানতে কল করুন। 01713272434, 01619102105
02/05/2024
VELA Motorcycle Battery,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Head Office: 820-31, Lavel-8, Branch: 615-16, Lavel-6 Suvastu Arcade IT Park New Elephant Road
Dhaka
1205
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 21:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 21:00 |
| Thursday | 10:00 - 21:00 |
| Saturday | 10:00 - 21:00 |
| Sunday | 10:00 - 21:00 |