Reconstructive Plastic Surgery Bd
This is a unique place where you will get best available services on damages arising from burn,traum Ge****ls surgery (মহিলা বা পুরুষের জননাঙ্গ পুনর্গঠন)
9.
Services available through our center (আমাদের সেবা সমূহ) :-
1. Any physical deformity arises due to flame burn, hot water burn & electrical burn (গরম পানি বা আগুনে পোড়া রোগীদের তাৎক্ষণিক এবং পোড়াজনিত কারণে শারীরিক বিকৃতি)
2. Any physical deformity through accident or trauma (আঘাত বা দুর্ঘটনা জনিত শারীরিক ক্ষত)
3. Skin tumor malignant or non malignant (ত্বকের টিউমার/ক্যান্সার)
4. Any outgrouth on s
27/05/2026
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর মহান ত্যাগের অনুসরণ করে আসুন আমরা ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পরিবার এর সাথে ঈদুল আজহা উজ্জাপন করি। নিজ আংগিনা ও আশেপাশের পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হই।
09/05/2026
জন্মগত ত্রুটি সংশোধন
"স্কুলে যেতে চাইত না ছোট্ট রাফি — কারণ বন্ধুরা তাকে 'ঠোঁটকাটা' বলে ডাকত" আমাদের ছোট বেলায় এটা অতি সাধারণ বিষয় ছিলো যদিও সময়ে অবর্তে অনেক ফ্রি হেল্থ ক্যাম্প এর বদান্যতায় ঠোটকাটা শিশুর সংখ্যা কমে এসেছে তবে গ্রামে গঞ্জে এখানে সেখানে পাওয়া যায়।
রাফির বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখন থেকেই মা বুঝতেন ছেলেটা একটু আলাদা। জন্ম থেকেই ওপরের ঠোঁট কাটা। কথা বলতে পারে, কিন্তু উচ্চারণ স্পষ্ট হয় না। খাবার খেতে গেলে নাক দিয়ে বেরিয়ে আসে।
স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর শুরু হলো আসল কষ্ট। সহপাঠীরা আঙুল দিয়ে দেখায়, হাসাহাসি করে। রাফি একদিন মাকে বলল — "আম্মু, আমি আর স্কুলে যাব না।" মা সেদিন অনেক কেঁদেছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি।
বাংলাদেশে কতটা সাধারণ এই সমস্যা?
ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা বাংলাদেশে অন্যতম সাধারণ জন্মগত ত্রুটি। প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু এই সমস্যা নিয়ে জন্ম নেয়। এ ছাড়াও অনেক শিশু জন্ম নেয় জোড়া আঙুল, অতিরিক্ত আঙুল, কানের গঠনগত সমস্যা বা শরীরের অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি নিয়ে।
এই শিশুরা শারীরিকভাবে যতটা কষ্ট পায়, মানসিকভাবে তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পায়। সমাজের কটু কথা, সহপাঠীদের উপহাস আর নিজের চেহারার দিকে আয়নায় তাকাতে না পারার যন্ত্রণা — এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
কী কী জন্মগত ত্রুটির চিকিৎসা সম্ভব?
আধুনিক রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারিতে এখন অনেক জটিল জন্মগত ত্রুটিও সংশোধন করা সম্ভব। যেমনঃ
*ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা সংশোধন, যা শিশুর কথা বলা ও খাওয়ার সমস্যা দূর করে।
*জোড়া আঙুল আলাদা করে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া।
*অতিরিক্ত আঙুল বা অঙ্গ অপসারণ এবং
*কানের গঠনগত ত্রুটি সংশোধন করে স্বাভাবিক আকৃতি ফিরিয়ে আনা।
কখন চিকিৎসা শুরু করা উচিত?
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। ঠোঁটকাটার ক্ষেত্রে সাধারণত তিন থেকে ছয় মাস বয়সেই অপারেশন করা যায়। তালুকাটার ক্ষেত্রে নয় থেকে বারো মাসের মধ্যে। শিশু যত ছোট থাকতে অপারেশন হয়, সেরে ওঠার ক্ষমতা তত বেশি থাকে এবং মানসিক ক্ষতিও কম হয়।
তবে বড় বয়সেও চিকিৎসা করানো সম্ভব। দেরি হয়ে গেছে ভেবে আশা ছেড়ে দেওয়ার কিছু নেই।
রাফির গল্পের শেষটা কেমন হলো?
রাফির মা একদিন আমার কাছে এলেন। সব শুনে আমার একটাই কথা— "চিন্তা করবেন না, রাফি সুস্থ হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ ।"
অপারেশনের কয়েক মাস পর রাফি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখল। তারপর মায়ের দিকে তাকিয়ে হাসল — সেই হাসি মা আজও ভুলতে পারেন না।
পরের বছর রাফি নিজেই স্কুলে যেতে চাইল। ক্লাসে সবার সামনে দাঁড়িয়ে কবিতা আবৃত্তি করল। সেদিন মা দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে চোখের জল মুছেছিলেন — তবে সেটা ছিল আনন্দের জল। হয়তো মনে হতে পারে এটি নেহায়েত একটি গল্প।
যদি আপনার পরিচিত কেউ এমন ত্রুটি নিয়ে জন্ম নিয়ে থাকে আপনাদের সন্তানের জন্য আজই সিদ্ধান্ত নিন —
জন্মগত ত্রুটি আল্লাহ প্রদত্ত এখান মানুষের কোনো ভূমিকা নাই। চিকিৎসা প্রযুক্তির উন্নয়নের সুযোগ নিন। সহজেই সেটা সারিয়ে তোলার সুযোগও আল্লাহ সোবহানুতালাহ দিয়েছেন আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে। আপনার সন্তান সুন্দর জীবন পাওয়ার অধিকার রাখে। শুধু একটি সিদ্ধান্ত তার পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।
🏥 অধ্যাপক ডাঃ ইমরান চৌধুরী
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
রুম নং- ৬৩০৫ (৩য় তলা), রোড নং ৮, ব্লক-এফ, ধানমন্ডি, ঢাকা
📞 **অ্যাপয়েন্টমেন্ট:**
জনাব মিজান: **০১৭০৬৪০১৯৫২ / ০১৮০৬৪২০৫১৫**
#জন্মগত_ত্রুটি #শিশু_স্বাস্থ্য #শিশুর_হাসি #স্বাস্থ্য_সচেতনতা**
07/05/2026
#বেডসোর বা
"বিছানায় শুয়ে থাকা রোগীর গায়ে যে ঘা কেউ দেখে না — কিন্তু যন্ত্রণা দেয় সবচেয়ে বেশি"
পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদ্য পেনশন পেয়ে আয়াসী জীবন যাপনের পরিকল্পনা ছিলো করিম সাহেবের কিন্তু স্ট্রোকের পর থেকে বিছানায়। নড়াচড়া করতে পারেন না। পরিবার সাধ্যমতো সেবা করছে। কিন্তু একদিন পিঠের নিচে লাল একটা দাগ দেখা গেল। প্রথমে সবাই ভাবল সাধারণ ঘামাচি। কয়েক সপ্তাহ পর সেই দাগ গভীর ক্ষতে পরিণত হলো। ভেতর থেকে পুঁজ বের হচ্ছে, দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। রোগী যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন — কিন্তু বলতেও পারছেন না। এই নীরব যন্ত্রণার নাম #বেডসোর বা #প্রেশার_আলসার।
বেডসোর কেন হয়?
দীর্ঘক্ষণ একই জায়গায় শুয়ে বা বসে থাকলে শরীরের চাপের জায়গাগুলোয় রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই জায়গার চামড়া ও মাংস ধীরে ধীরে মরে যেতে শুরু করে। শরীরের যেসব জায়গায় বেডসোর বেশি হয় সেগুলো হলো — পিঠের নিচে, গোড়ালি, কোমর, কাঁধের হাড়ের কাছে এবং কানের পেছনে।
যারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন তারা হলেন — স্ট্রোক বা প্যারালাইসিসের রোগী, দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকা রোগী, বয়স্ক ও শয্যাশায়ী ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগী।
কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?
ত্বকে লাল বা কালচে দাগ যা চাপ দিলে সাদা হয় না, চামড়া শক্ত বা ফোলা অনুভব হওয়া, ক্ষত থেকে রস বা পুঁজ বের হওয়া এবং গভীর ক্ষত যেখানে হাড় পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে — এই লক্ষণগুলো দেখামাত্র বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
আধুনিক চিকিৎসায় কী সম্ভব?
বেডসোর একবার গভীর হয়ে গেলে সাধারণ ড্রেসিংয়ে সারে না। এখানেই রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারির ভূমিকা শুরু হয়।
আধুনিক চিকিৎসায় মৃত টিস্যু পরিষ্কার করে ক্ষত প্রস্তুত করা হয়, ফ্ল্যাপ সার্জারির মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী সুস্থ টিস্যু এনে ক্ষত ঢেকে দেওয়া হয় এবং স্কিন গ্রাফটিং করে ক্ষতস্থান পুনর্গঠন করা হয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।
পরিবারের অন্য সব সদস্যদের জন্য পরামর্শঃ
বাড়িতে শয্যাশায়ী রোগী থাকলে প্রতি দুই ঘণ্টায় একবার রোগীর শরীরের অবস্থান পরিবর্তন করুন। বিশেষ এয়ার ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন। ত্বক সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন — কারণ পুষ্টির অভাবে ক্ষত সারতে দেরি হয়।
মনে রাখবেন — বেডসোর প্রতিরোধ করা সবচেয়ে সহজ, কিন্তু একবার হয়ে গেলে চিকিৎসা করা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।
রোগীর পরিবারের কথা
প্রিয়জনের যন্ত্রণা দেখে চুপ থাকবেন না, সময় মতো সঠিক চিকিৎসা নিন। কারণ আপনার একটি সিদ্ধান্ত আপনার প্রিয়জনের জীবন আরও সহজ করে দিতে পারে।
অধ্যাপক ডাঃ ইমরান চৌধুরী**
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
রুম নং- ৬৩০৫ (৩য় তলা), রোড নং ৮, ব্লক-এফ, ধানমন্ডি, ঢাকা
অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ
জনাব মিজানঃ ০১৭০৬৪০১৯৫২ অথবা ০১৮০৬৪২০৫১৫
#বেডসোর #শয্যাশায়ী_রোগীর_সেবা #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #রোগীর_সেবা
05/05/2026
#ডায়াবেটিকফুটকেয়ার
"পায়ের একটা ছোট্ট ঘা — যা শেষ পর্যন্ত পা-ই কেড়ে নিতে পারে"
রহিম সাহেবের বয়স ৬২। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। একদিন গোসলের সময় দেখলেন পায়ের তলায় ছোট্ট একটা ঘা। তেমন ব্যথা নেই, তাই গুরুত্ব দিলেন না। সপ্তাহ দুয়েক পর সেই ছোট্ট ঘা থেকে পুঁজ বের হতে শুরু করল। আরও কিছুদিন পর পুরো পা ফুলে গেল। তখন ডাক্তারের কাছে গেলে জানা গেল — ইনফেকশন হাড় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে পা কেটে ফেলতে হতে পারে।
এই গল্পটা শুধু রহিম সাহেবের নয়। বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে প্রতিদিন এই ঘটনা ঘটছে বা ঘটতে পারে শুধু সচেতনতা অভাব।
কেন ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের ক্ষত এত বিপজ্জনক?
ডায়াবেটিস দীর্ঘদিন ধরে শরীরে থাকলে দুটো বড় ক্ষতি করে —
প্রথমত, পায়ের স্নায়ু দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ব্যথা অনুভব করার ক্ষমতা কমে যায়। ছোট্ট একটা কাঁটা বিঁধলেও রোগী টের পান না।
দ্বিতীয়ত, রক্ত চলাচল কমে যায়। তখন শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পায়ে ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ছোট্ট একটা ঘা সহজে শুকায় না, বরং দ্রুত ইনফেকশনে পরিণত হয়।
কোন লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেন?
পায়ে যেকোনো ছোট কাটা বা ঘা যা সহজে শুকাচ্ছে না, পায়ের চামড়া কালো বা নীলচে হয়ে যাওয়া, পা অস্বাভাবিক ঠান্ডা বা গরম অনুভব হওয়া, পায়ে জ্বালাপোড়া বা অসাড় লাগা এবং ক্ষত থেকে দুর্গন্ধ বা পুঁজ বের হওয়া — এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের কাছে যান।
আধুনিক চিকিৎসায় কী সম্ভব?
অনেকেই মনে করেন ডায়াবেটিক ফুটের চিকিৎসা মানেই পা কেটে ফেলা। কিন্তু আধুনিক রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারিতে এখন এই ধারণা সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
সময়মতো চিকিৎসা নিলে —
মৃত টিস্যু পরিষ্কার করে ক্ষত সারানো সম্ভব, স্কিন গ্রাফটিং বা ফ্ল্যাপ সার্জারির মাধ্যমে পা বাঁচানো সম্ভব এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতও সম্পূর্ণরূপে সারিয়ে তোলা সম্ভব।
রোগীর কথা, "আমি ভেবেছিলাম পা কেটে ফেলতে হবে। কিন্তু অধ্যাপক ডাঃ ইমরান চৌধুরীর চিকিৎসায় আমার পা বেঁচে গেছে। আজ আমি নিজের পায়ে হাঁটতে পারছি।"
মনে রাখবেন —
ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন পায়ের যত্ন নিন। আয়নায় পায়ের তলা দেখুন। সামান্য ঘা দেখলেও অবহেলা করবেন না। কারণ সময়মতো নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত আপনার পা বাঁচিয়ে দিতে পারে একইসাথে আপনার জীবনও বাঁচিয়ে দিতে পারে।
অধ্যাপক ডাঃ ইমরান চৌধুরী
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
রুম নং- ৬৩০৫ (৩য় তলা), রোড নং ৮, ব্লক-এফ, ধানমন্ডি, ঢাকা
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ
জনাব মিজানঃ ০১৭০৬৪০১৯৫২ অথবা ০১৮০৬৪২০৫১৫
#ডায়াবেটিক_ফুট #পায়ের_যত্ন #ডায়াবেটিস_সচেতনতা #স্বাস্থ্য_সচেতনতা **
27/04/2026
জটিল রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারিতে আপনার আস্থার ঠিকানা – অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে❤️
শারীরিক কোনো বিকৃতি বা আঘাত আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিচ্ছে? আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারি এখন অনেক জটিল সমস্যার সমাধান দিচ্ছে। আমরা আপনার হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং শারীরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে অঙ্গীকারবদ্ধ।
অধ্যাপক ডাঃ ইমরান চৌধুরীর (অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন) নেতৃত্বে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম বিশ্বমানের সেবা প্রদানে প্রস্তুত।
#আমাদের #সেবাসমূহঃ
✅ পোড়া ও আঘাতজনিত চিকিৎসাঃ অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার ফলে সৃষ্ট শারীরিক বিকৃতি ও ক্ষতের আধুনিক সমাধান।
✅ জন্মগত ত্রুটি নিরসনঃ ঠোঁটকাটা-তালুকাটা, জোড়া আঙুল, অতিরিক্ত আঙুলের মতো সমস্যার সঠিক চিকিৎসা।
✅ ক্যান্সার ও পুনর্গঠনঃ ব্রেস্ট টিউমার বা ক্যান্সারের পরবর্তী ব্রেস্ট পুনর্গঠন এবং ত্বকের টিউমার/ক্যান্সার অপসারণ।
✅ ডায়াবেটিক ফুট ও ক্ষতঃ পায়ের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত, ইনফেকশন বা বেড সোরের বিশেষ যত্ন।
✅ সৌন্দর্য ও গঠনমূলক সার্জারিঃ রিডাকশন সার্জারি, লিপোসাকশন, এবডোমিনোপ্লাস্টি, এবং যে কোনো পূনর্গঠিত সার্জারি।
✅ এছাড়া কিলয়েড অপসারণ, নার্ভ ও টেনডন মেরামত, হার্নিয়া ও রক্তনালীর টিউমার।
কেন আমাদের বেছে নেবেন?
আমাদের প্রতিটি সার্জারি করা হয় সর্বোচ্চ সতর্কতা, আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রেখে।
📍 **ঠিকানা:** আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রুম নং- ৬৩০৫ (৩য় তলা), রোড নং ৮, ব্লক-এফ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
📞 **এপয়েন্টমেন্টের জন্য কল করুন:**
জনাব মিজান: **০১৭০৬৪০১৯৫২ / ০১৮০৬৪২০৫১৫**
26/04/2026
মারিয়ার ফিরে আসা: ভয়ের সীমানা পেরিয়ে এক নতুন জয়ের গল্প (মারিয়া একটি ছদ্মনাম)
২০১৪ সালের সেই কঠিন দিনগুলো মারিয়ার মনে হয়তো এখন কেবল ঝাপসা এক স্মৃতি। হাসপাতালের সেই সাদা পোশাকের মানুষ, ছুরি-কাঁচির শব্দ, আর বারবার সার্জারির যন্ত্রণার কথা মনে পড়লে আজও কি মারিয়ার সেই ছোটবেলার আতঙ্ক ফিরে আসে? সম্ভবত কিছুটা তো আসেই। যে শিশুটি একসময় ডাক্তার দেখলেই ভয়ে কুঁকড়ে যেত, সে এখন কৈশোরের দ্বারে দাঁড়িয়ে।
মারিয়ার সেই ভয়াবহ দিনগুলোর পর তার পরিবার আর যোগাযোগ করেনি। হয়তো সেই আতঙ্কের স্মৃতি ভুলতেই তারা দূরে সরে গিয়েছিল। কিন্তু আজ যখন আমরা পেছনের দিকে ফিরে তাকাই, তখন আমাদের মনে পড়ে মারিয়ার সেই অসম্পূর্ণ কাজটি—যা ছিল পরবর্তী বয়সে তার ত্বকের পুনর্গঠন এবং মাথার চুল ফিরে পাওয়ার প্রতীক্ষা।
চিকিৎসা কি কেবলই শারীরিক?🤔
আমাদের সমাজে চিকিৎসার সংজ্ঞা অনেক সময় কেবল 'অপারেশন থিয়েটার' পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কিন্তু একজন শিশুর ক্ষেত্রে, যে ভয় পায়, যার মন ভেঙে গেছে—তার চিকিৎসার বড় অংশ হলো মানসিকভাবে তাকে আশ্বস্ত করা। মারিয়া যদি আজ যোগাযোগ করত, তবে হয়তো আমরা দেখতে পেতাম:
* সে আজ বড় হয়েছে, তার আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে অনেক বেশি।❤️
* যেই ডাক্তারকে সে একসময় ভয় পেত, আজ হয়তো সেই ডাক্তারই তার জীবনের সবচেয়ে বড় হিরো।
* এবং সবচেয়ে বড় কথা, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তার মাথার সেই বাকি থাকা পুনর্গঠনগুলো এখন অনেক সহজ ও কম যন্ত্রণাদায়ক।
আমাদের নীরব বার্তা😇
মারিয়া, তুমি যেখানেই থাকো, তোমার সেই অদম্য সাহস আজও চিকিৎসকদের অনুপ্রাণিত করে। তোমার পরিবার হয়তো ভয়ে যোগাযোগ করেনি, কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন অনেক বেশি মানবিক। এখন কেবল কাটাছেঁড়া নয়, কাউন্সিলিং এবং সাইকোলজিক্যাল সাপোর্টও চিকিৎসার অংশ।
আজকের এই ফলোআপ স্টোরিটি লিখছি সেই সব বাবা-মায়ের জন্য, যারা তাদের সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ধকলে আছেন। আপনারা একা নন। আপনার সন্তানের মনে যে ভয়ের বাসা, তা সময়ের সাথে সাথে ভালোবাসায় দূর করা সম্ভব। আর ডাক্তাররা কেবল রোগেরই চিকিৎসা করেন না, তারা ছোট ছোট মনের ভয়ের ক্ষতগুলোও সারিয়ে তুলতে সাহায্য করেন।
যদি আজ কোনো অভিভাবক এই গল্পটি পড়ে সাহস পান এবং তাদের অসম্পূর্ণ চিকিৎসাধীন সন্তানকে আবার বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান, তবেই মারিয়ার সেই কষ্ট সার্থক হবে।
জীবনের পথে এক নতুন সূর্যোদয় ও একটি বিশেষ বার্তা
২০১৪ সালের সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে? ছয় বছরের মারিয়া, যার মাথার খুলি ভেঙে গিয়েছিল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। বারবার সার্জারির ধকলে সেই ছোট্ট শিশুটি ডাক্তার দেখলে ভয়ে কুঁকড়ে যেত। পরিবার চেয়েছিল তার সুস্থতা, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সেই যন্ত্রণার স্মৃতি থেকে দূরে সরে যেতেই তারা হয়তো আর যোগাযোগ করেনি।
মারিয়া, তুমি আজ নিশ্চয়ই অনেক বড় হয়েছ। তোমার সেই অসম্পূর্ণ চিকিৎসার বাকি অংশটুকু—ত্বক প্রতিস্থাপন বা চুলের বিন্যাস—আধুনিক প্রযুক্তি এখন অনেক সহজ ও যন্ত্রণামুক্ত করে দিয়েছে।
পাঠক আপনার কাছে আমাদের একটি বিশেষ আহ্বানঃ
আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, চিকিৎসা কখনোই অসম্পূর্ণ রাখা উচিত নয়। মারিয়ার মতো এমন আরও অনেক শিশু ও কিশোর-কিশোরী আছেন, যারা হয়তো এক সময় দীর্ঘ চিকিৎসার ধকলে ভীত ছিলেন, কিন্তু আজ তারা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। আপনাদের সেই অসম্পূর্ণ চিকিৎসা বা ফলোআপের জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত।
*ভয় পাওয়ার কিছু নেই এখনকার চিকিৎসা অনেক বেশি আধুনিক, কাউন্সিলিং-ভিত্তিক এবং শিশু-বান্ধব। অসম্পূর্ণ চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদে আরও জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। এখন সময় এসেছে সেই বাধাগুলো জয় করার।
আপনি যদি এমন কোনো পরিবার হন, যারা কোনো এক সময়ে মাঝপথে চিকিৎসা থামিয়ে দিয়েছিলেন, আজ আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার সন্তানের সুন্দর হাসি এবং স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে আমরা আবার শুরু করতে চাই।
স্মৃতিগুলো কষ্ট দেয় ঠিকই, কিন্তু সঠিক চিকিৎসার আলোয় সেই স্মৃতিগুলোই একদিন জয়ের গল্প হয়ে ওঠে।
আপনারা যারা এই পোস্টটি পড়ছেন, পরিচিত কারো প্রয়োজন হলে তাদের সাথে শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারই কোনো এক শিশুর আগামীর পথ চলার শক্তি হয়ে উঠবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মারিয়ার মাথার খুলিতে একটা হাড় শক্ত টিসু দিয়ে পূনর্গঠিত করা।
ডাঃ ইমরান চৌধুরী,
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি, রোড নং ৮, ব্লক - এফ, রুম নং- ৬৩০৫, ৩য় তলা।
কনট্যাক্ট পারসন: জনাব মিজান
এপয়েনটমেনট নিতে ফোন করুন এই মোবাইল নম্বর গুলোতে: 01706401952 ও 01806420515
#স্বাস্থ্যসেবা #সচেতনতা
25/04/2026
#বেডসোর ও #ডায়াবেটিকফুট: অবহেলা করবেন না, প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান!
আমাদের পরিচিত অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা বা ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের ছোট কোনো ক্ষত বা দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকার ফলে হওয়া পিঠের দিকের ঘা (বেডসোর)—একে আমরা শুরুতে খুব একটা গুরুত্ব দেই না। মনে করি, সাধারণ ড্রেসিং বা ঘরোয়া মলমেই সেরে যাবে। কিন্তু এই সামান্য অবহেলাই কি আমাদের বড় ধরনের বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না?
#কেন অবহেলা প্রাণঘাতী হতে পারে?
শরীরের কোনো ক্ষত যখন বাড়তে থাকে, তখন তা কেবল ত্বকের সমস্যা থাকে না; তা পেশি, হাড় এমনকি রক্তপ্রবাহেও ছড়িয়ে পড়ে। ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে পায়ের ছোট একটি ক্ষত খুব দ্রুত **গ্যাংগ্রিন (Gangrene)** বা পচনশীল অবস্থায় রূপ নিতে পারে। একই অবস্থা বেডসোরের ক্ষেত্রেও ঘটে—যা সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না করলে ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে রোগীর জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। মনে রাখবেন, সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে অঙ্গহানির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকেও বেঁচে থাকা সম্ভব।
#কেন একজন 'রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন'-এর পরামর্শ জরুরি? #
অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন চিকিৎসকের কাছে যাবেন। বেডসোর বা ডায়াবেটিক ফুট কেয়ারে একজন **রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন** কেন সেরা পছন্দ, তা জেনে রাখা জরুরি:
ক্ষত নিরাময়ের বিজ্ঞান সম্মত ব্যবস্থাপনা একজন প্লাস্টিক সার্জন কেবল ক্ষত পরিষ্কার করেন না, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনর্গঠন বা রিকনস্ট্রাকশন প্রক্রিয়ায় দক্ষ। সাধারণ ড্রেসিংয়ের বাইরেও অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত ক্ষত শুকানোর বিশেষ দক্ষতা তাঁদের থাকে।
অঙ্গ রক্ষা করা (Limb Salvage): তাঁদের মূল লক্ষ্য থাকে গ্যাংগ্রিন বা পচন থেকে আক্রান্ত অংশকে বাঁচিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনা।
কেবল ঘা শুকানো নয়, পুনরায় যেন সেই স্থানে সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে তাঁরা দীর্ঘমেয়াদী পরামর্শ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
#আপনার মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি:
আমরা জানি, দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত বা ডায়াবেটিসের জটিলতা নিয়ে লড়াই করা মানসিকভাবে ক্লান্তিকর। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি একা নন। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান আপনার এই লড়াইকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। আপনার এই শারীরিক সমস্যাটি কোনো লজ্জার কারণ নয়, বরং দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ মাত্র। সঠিক চিকিৎসকের সঠিক পরামর্শে আপনি দ্রুত সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারেন। নিজের প্রতি যত্নশীল হোন, কারণ আপনার সুস্থতা আপনার পরিবারের জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
সচেতন হোন, সিদ্ধান্ত নিন আজই!
আপনার বা আপনার প্রিয়জনের শরীরে কোনো ক্ষত কি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে? ঘা কি থেকে থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বা রং বদলে যাচ্ছে? দেরি করবেন না। এটি অবহেলার সময় নয়, বরং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার সঠিক সময়।
কোনো ক্ষতকেই ছোট করে দেখবেন না বিশেষ করে ডায়াবেটিস রুগীর ক্ষেত্রে। জটিলতার আগেই একজন অভিজ্ঞ রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জনের পরামর্শ নিন। আপনার সচেতনতাই পারে বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করতে।
#আপনার সুস্থতাই আমাদের অঙ্গীকার।
ডাঃ ইমরান চৌধুরী,
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি, রোড নং ৮, ব্লক - এফ, রুম নং- ৬৩০৫, ৩য় তলা।
কনট্যাক্ট পারসন: জনাব মিজান
এপয়েনটমেনট নিতে ফোন করুন এই মোবাইল নম্বর গুলোতে: 01706401952 ও 01806420515
24/04/2026
প্লাস্টিক সার্জারি মানেই কি শুধু সৌন্দর্য বর্ধন? বাস্তবতা কিন্তু ভিন্ন!
আমরা অনেকেই মনে করি, প্লাস্টিক সার্জারি মানেই বুঝি কেবল নিজেকে আরও সুন্দর বা আকর্ষণীয় করে তোলা। কিন্তু চিকিৎসার ভাষায় প্লাস্টিক সার্জারির একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো **'রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি' (Reconstructive Plastic Surgery)**।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, শরীরের কোনো অঙ্গ আঘাত, দুর্ঘটনা বা জন্মগত ত্রুটির কারণে স্বাভাবিক আকৃতি বা কার্যক্ষমতা হারালে, সেই অঙ্গকে পুনর্গঠন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চিকিৎসা পদ্ধতিই হলো রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি।
# # # কেন এই চিকিৎসা জরুরি?
রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জারি কোনো বিলাসিতা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি মানুষের বেঁচে থাকা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য। এটি মূলত কাজ করে:
* **জন্মগত ত্রুটি সমাধানে:** অনেক শিশু জন্মগতভাবে ঠোঁট কাটা, তালু কাটা বা শরীরের কোনো অঙ্গের অস্বাভাবিকতা নিয়ে জন্মায়। এই সার্জারির মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক শারীরিক গঠন ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।
* **আগুনে পোড়া রোগীর চিকিৎসায়:** ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর ত্বক ও মাংসপেশির যে ক্ষতি হয়, তা স্বাভাবিক হতে দেয় না। রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি পোড়া রোগীদের ত্বকের কার্যক্ষমতা ফেরাতে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করে।
* **দুর্ঘটনায় শারীরিক ক্ষতি:** সড়ক দুর্ঘটনা বা কোনো বড় আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অঙ্গ বা ত্বক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পুনর্গঠন করতে এই সার্জারি ব্যবহৃত হয়।
* **ক্যান্সার পরবর্তী পুনর্গঠন:** ক্যান্সারের কারণে শরীরের কোনো অংশ (যেমন- স্তন) ফেলে দিতে হলে, সার্জারির মাধ্যমে সেই অঙ্গটির পুনর্গঠন করা হয়, যা রোগীর আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকর।
কেন এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান?
১. **কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা:** এটি কেবল চেহারার পরিবর্তন নয়, বরং হাত-পা বা শরীরের অকার্যকর অঙ্গকে সচল করে তোলে।
২. **আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি:** শরীরের কোনো বড় ক্ষত বা ত্রুটি একজন মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে পারে। এই সার্জারি একজন মানুষকে সমাজে নতুন করে মাথা উঁচু করে বাঁচার আত্মবিশ্বাস জোগায়।
৩. **সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা:** অনেক সময় শারীরিক ত্রুটির কারণে মানুষ সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয় পায়। রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি তাদের এই ভীতি কাটিয়ে স্বাভাবিক মানুষের মতো মিশতে সাহায্য করে।
সচেতন হোন, ভুল ধারণা দূর করুন
অনেকেই মনে করেন, প্লাস্টিক সার্জনরা কেবল চেহারার সৌন্দর্য নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু একজন রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জন মূলত একজন **‘হিউম্যান মেকানিক’** এর মতো কাজ করেন, যিনি শরীরের জটিল সব ভাঙন মেরামত করে জীবনকে সহজ করেন।
আপনার পরিচিত কেউ যদি দুর্ঘটনা বা জন্মগত কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে তাকে একজন বিশেষজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জনের সাথে পরামর্শ করতে উৎসাহিত করুন। সঠিক সময়ে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্তই পারে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে।
**আপনার কি এ বিষয়ে আরও কিছু জানার আছে? কমেন্টে জানাতে পারেন!**
ডাঃ ইমরান চৌধুরী,
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি, রোড নং ৮, ব্লক - এফ, রুম নং- ৬৩০৫, ৩য় তলা।
কনট্যাক্ট পারসন: জনাব মিজান
এপয়েনটমেনট নিতে ফোন করুন এই মোবাইল নম্বর গুলোতে: 01706401952 ও 01806420515
#স্বাস্থ্যসেবা #সচেতনতা
13/12/2025
কনুইয়ে ব্যথার চিকিৎসা কী?
কনুই ব্যথা বা টেনিস এলবো অনেকেরই হয়। এর আধুনিক চিকিৎসা এ দেশেই সম্ভব। আমরা যেকোনো রোগের দুই ধরনের চিকিৎসা দিই। একটি হলো প্রতিরোধক, আরেকটি হলো প্রতিষেধক। প্রতিরোধ করতে পারলে আগে থেকেই ভালো। তবে একবার হয়ে গেলে কেন হচ্ছে, সেটা নির্ণয় করব। হয়তো বা যে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়, তার ব্যাডমিন্টনটি বড় হতে পারে। একে সমন্বয় করতে হবে। এ ছাড়া বেশি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়েও খেলাধুলা করলে এ সমস্যা হয়ে থাকে।
এ ছাড়া এর কিছু চিকিৎসা আছে, যেমন—আমরা কিছুদিন বিশ্রাম দিয়ে থাকি। এর পর এখানে একটি ব্রেস দিই, যাকে বলে টেনিস এলবো ব্রেস। এখানে কাপড়ের একটি ব্যান্ডের মতো। যে জায়গায় ব্যথা হয়, সেখানে নিচে কাভার করে রাখে। তখন পেশিটা একটু বিশ্রাম পায়।
তিন নম্বরে আমরা ব্যথার ওষুধ দিই। চার নম্বরে ওয়ার্ম থেরাপি বা ফিজিওথেরাপি দিই।
পাঁচ নম্বরে এখানে লোকাল স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, স্টেরয়েড ইনজেকশনের আগেই ৯৫ ভাগ লোক ভালো হয়ে যায়। যাদের ভালো না হয়, তাদের ক্ষেত্রে হয়তো সার্জারির প্রয়োজন পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন পড়ে।
কখন সার্জারির সাহায্য দরকার হয়।
সাধারণত যদি দেখা যায় যে অন্যান্য চিকিৎসা নেওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে ভালো হচ্ছে না, তার দৈনন্দিন জীবনযাপন, খেলার জীবনযাপন যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সে ক্ষেত্রে ছয় মাস বা এক বছর কনজারভেটিভ চিকিৎসা দেওয়ার পর সার্জারির জন্য বলি।
সার্জারি চিকিৎসার ধরন। দুই ধরনের সার্জারি করা হয়। একটি হলো ওপেন মেথড, যেটা কি না কেটে করা হয়। আরেকটি রয়েছে আর্থোস্কোপিক মেশিনের সাহায্যে। মূলত দুই সার্জারির ক্ষেত্রে ফলাফল খুব বেশি আলাদা নয়। তবে আর্থোস্কোপিক সার্জারির ক্ষেত্রে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আমরা সাধারণ সার্জারি পদ্ধতিতেই আসতে বলি।
ফিজিওথেরাপি ট্রিটমেন্টের ভূমিকা থেরাপির মধ্যে শর্ট ওয়েভ ডায়াথারমিটার বেশ ভালো কাজ করে। আমরা জানি, যেখানেই ভাঙে সেখানেই গড়ে। আমার উদ্দেশ্য ইন্সট্রুমেন্টাল মাইক্রোট্রমা সৃষ্টি করা। এখান থেকে রক্ত চলাচল বেড়ে আবার নিরাময় হয়ে যায়। এ ছাড়া আলট্রাসাউন্ড থেরাপি দেওয়া হয়। কিছু ব্যায়াম দেখানো হয়। যেই পেশিতে সমস্যা হয়, এটি শক্ত করার জন্য আমরা কিছু ব্যায়াম দিয়ে থাকি।
এই চিকিতসাটার মেয়াদ নির্ভর করে যদি প্রাথমিক অবস্থায় শুরু করা যায়, দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঠিক হয়। যেহেতু বারবার এটি হতে পারে, তাই ওই পেশার পরিবর্তন না হলে আবারও এটি হতে পারে।
যারা ব্যায়ামের মধ্যে থাকে, তাদেরও যখন এই সমস্যা হয়, তাদেরও কি এই পরামর্শ থাকে : তাদের ক্ষেত্রে আমরা দুই থেকে তিন সপ্তাহ বিশ্রাম দিই। ফিজিওথেরাপি তাদের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিই। কারণ, একজন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়কে যদি বলি মোটেও খেলা করা যাবে না, সে কোনোরকমেই এটা মেনে নেবে না। সাময়িকভাবে হয়তো এই পেশিটা দুর্বল হয়ে যায়, তবে প্রদাহের চিকিৎসা করার পর, পেশিকে স্ট্রেচিংয়ের মাধ্যমে তার শক্তিটা ফেরানোর চেষ্টা করি। এতে দেখা যায়, সমস্যা থেকে প্রতিকার পেয়ে সে তার কাজে ফিরতে পারে।
প্রতিরোধের জন্য কী পরামর্শ: যেসব যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করে বা ঘরে যেসব কাজ করে, এগুলো উপযুক্ত হওয়া উচিত। কারো যদি এলবো জয়েন্টের বাইরের দিকে ব্যথা হয়, তাহলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। প্রাথমিক অবস্থায় এর চিকিৎসা করা অনেক সহজ। তবে দীর্ঘমেয়াদি হয়ে গেলে এটি চিকিৎসা করা সমস্যা। সে ক্ষেত্রে সার্জারি লাগার আশঙ্কা বেশি থাকে।
টেনিস এলবোর এমন অদ্ভুত নাম হওয়ার কারণ : আসলে টেনিস এলবো বলতে আমরা বুঝি এলবো জয়েন্টের বাইরের দিকে প্রদাহ বা ব্যথা। আসলে টেনিস খেলোয়াড়দের এই সমস্যা বেশি হতো বলে মনে করা হতো। তবে পরে দেখা গেছে, শুধু টেনিস খেলোয়াড় নয়, হাতের বেশি ব্যবহার করে, এমনকি আমরা যাঁরা সার্জন ও বেশি অস্ত্রোপচার করি, তাঁদেরও এ সমস্যা হতে পারে। এটা শুধু যে টেনিস খেলোয়াড়দের হয়, সেটি নয়। যখন শুরু হয়েছিল তখন মনে করা হতো, টেনিস খেলোয়াড়দের এটা বেশি হয়। যারা হাত দিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করে, সেটা খেলাধুলা হোক বা হাতে কাজ হোক, এটা হতে পারে।
আসলে এই অসুখ কেন হয়? আমরা আগেই বলছি, হাত দিয়ে কাজ করার সময় কনুইয়ে একটি প্রদাহ হয়। তিন-চারটি পেশির মধ্যে ইসিআরবি বলে একটি পেশি রয়েছে, যেটা কনুইয়ের জয়েন্টের বাইরের দিকে একটি অংশে লাগানো থাকে। ওই পেশির মধ্যে কোনো ক্ষত হলেই ব্যথাটা হয়। এই ব্যথা হলো প্রধান কারণ। এ ছাড়া এখানে সামান্য ফোলা থাকতে পারে বা হাত দিয়ে কাজ করার সময় খুব কষ্ট হবে। এমনকি পুরোপুরি শক্তি থাকে না। অনেক কমে যায়।
ব্যথা কি এলবোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়ে : কনুইয়ের জয়েন্টের বাইরের দিকে একটি নির্দিষ্ট জয়েন্টের দিকে সীমাবদ্ধ থাকে। ক্লিনিক্যালি আমরা বিষয়টি বুঝতে পারি। ৯০ ভাগ ক্লিনিক্যালিই নির্ণয় করি।
এ ক্ষেত্রে আমরা এক্স-রে করি। আর অন্য কোনো রোগের সঙ্গে জড়িত কি না, এ জন্য ঘাড়ের এমআরআই করি। ঘাড় থেকেও অনেক সময় ব্যথা এখানে আসে। তবে এর জন্য ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা ও এক্স-রে যথেষ্ট। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।
ডাঃ ইমরান চৌধুরী
রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
এমবিবিএস, এফসিপিএস প্লাস্টিক সার্জারি
ডাঃ ইমরান চৌধুরী,
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি, রোড নং ৮, ব্লক - এফ, রুম নং- ৬৩০৫, ৩য় তলা।
কনট্যাক্ট পারসন: জনাব মিজান
এপয়েনটমেনট নিতে ফোন করুন এই মোবাইল নম্বর গুলোতে: 01706401952 ও 01806420515
02/11/2025
ট্রিগার ফিঙ্গার (Trigger Finger) এটা হাতের আঙুলের খুবই কষ্টদায়ক একটি অবস্থা। আঙ্গুল বা বৃদ্ধাংগুলকে বাঁকা অবস্থায় আটকে দেয়। খুবই ব্যথা হয় যখন আঙ্গুলটাকে বাঁকা করা বা সোজা করার চেষ্টা করা হয়।
Flexor tendon এটি হাতের সব আংগুলের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফ্লেক্সর টেন্ডন যখন বাধাগ্রস্ত হয় তখন ট্রিগার ফিঙ্গার দেখা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত টেন্ডনে ছোট ছোট nodule বা স্ফীতি ঘটতে পারে। এসবই হাতের smooth movement কে প্রতিরোধ করে। আঙ্গুল হঠাৎ আটকে যাওয়ার পর মনে হতে পারে কিছু তাকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে।
উপসর্গ
আঙ্গুল সোজা করার সময় মনে হয় আঙ্গুল ভেঙ্গে যাচ্ছে
কোন কিছু ধরতে গেলে আঙ্গুল lock হয়ে যায়
সকালের দিকে আংগুলে শক্ত ভাবটা বেশি থাকে।
যাদের বেশি হয়
রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস
গাউট
ডায়াবেটিস
এ ধরনের সমস্যা যাদের আছে তাদের ট্রিগার ফিঙ্গার হয়। নারীরা এতে বেশি ভুগে থাকেন। ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের বেশি হয়। আঙ্গুলটাকে বিশ্রামে রাখা, splint ব্যবহার করা যায়। ঔষধ ও অন্যান্য চিকিৎসা যদি ব্যর্থ হয় তখন সার্জারির মাধ্যমে মুক্তি মিলবেএই কষ্টদায়ক স্বাস্হ্য সমস্যা থেকে।
ডাঃ ইমরান চৌধুরী,
অধ্যাপক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্লাস্টিক সার্জন
আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি, রোড নং ৮, ব্লক - এফ, রুম নং- ৬৩০৫, ৩য় তলা।
কনট্যাক্ট পারসন: জনাব মিজান
এপয়েনটমেনট নিতে ফোন করুন এই মোবাইল নম্বর গুলোতে: 01706401952 ও 01806420515
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
43/2, Abdul Hye Road, Jhikatola
Dhaka
1209