mobileaccessoriesbd.com

mobileaccessoriesbd.com

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from mobileaccessoriesbd.com, Mirpur Zoo Road, Dhaka.

25/06/2024

বিষাক্ত প্রানী থেকে বাঁচার দুআ
اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّمَّاتِ مِنْ شِرِّمَا خَلَقَ

উচ্চারণঃ আউযুবি কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিনসাররি-মা-খলাক।
অর্থঃ আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার সমস্ত (উপকারী ও শেফাদানকারী) কলেমা দ্বারা তাহার সমস্ত মাখলুকের অনিষ্ট হইতে আশ্রয় চাহিতেছি।
উৎসঃ
মুসলিম
উপকারিতাঃ
(১) হযরত আবু হোরায়রা (রাযিঃ) বলেন, এক ব্যাক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে হাজির হইল এবং আরজ করিল, ইয়া রাসুলুল্লাহ, রাত্রে বিচ্ছুর কামড়ে আমার খুব কষ্ট হইয়াছে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিলেন, যদি তুমি সন্ধ্যায় এই কালিমাগুলি পড়িয়া লইতে
أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق
অর্থাৎ আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার সমস্ত (উপকারী ও শেফাদানকারী) কলেমা দ্বারা তাহার সমস্ত মাখলুকের অনিষ্ট হইতে আশ্রয় চাহিতেছি।
তবে বিচ্ছু কখনও তোমার কোন ক্ষতি করিতে পারিত না। (মুসলিম)
ফায়দাঃ কোন কোন ওলামায়ে কেরাম বলেন, আল্লাহ্‌ তায়ালার সমস্ত সমস্ত কালেমা দ্বারা কুরআনে করীম উদ্দেশ্য। (মেরকাত)
(২) হযরত আবু হোরায়রা (রাযিঃ) বর্ননা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি সন্ধার সময় তিনবার এই কালিমাগুলি বলিবে--
أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق
সেই রাত্রে কোন প্রকার বিষ তাহার ক্ষতি করিতে পারিবে না। হযরত সুহাইল (রাযিঃ) বলেন, আমাদের পরিবারের লোকেরা এই দুয়া মুখস্ত করিয়া রাখিয়াছিল। তাহারা প্রতি রাত্রে উহা পড়িয়া লইত। এক রাত্রে এক মেয়েকে কোন বিষাক্ত প্রাণী দংশন করিলে সে কোন প্রকার কষ্ট অনুভব করে নাই। (তিরমিযী)

10/05/2024

হযরত সফওয়ান ইবনে উমাইয়াহ (রাঃ) এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন সফওয়ান ইবনে উমাইয়ার কেনানা গোত্রীয়া স্ত্রী বাগুম বিনতে মুআদ্দাল (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করিলেন। কিন্তু স্বয়ং সফওয়ান ইবনে উমাইয়া পালাইয়া একটি পাহাড়ী ঘাঁটিতে আত্মগোপন করিলেন। সফওয়ানের সহিত তাহার ইয়াসার নামীয় গোলাম ব্যতীত আর কেহ ছিল না। তিনি গোলামকে বলিতে লাগিলেন, তোর নাশ হউক। দেখতো সামনের দিক হইতে কে আসিতেছে? গোলাম বলিল, ইনি ওমায়ের ইবনে ওহব (রাঃ)। সফওয়ান বলিলেন, ওমায়েরকে দিয়া কি করিব? খোদার কসম, সে নিশ্চয় আমাকে কতল করিবার উদ্দেশ্যেই আসিতেছে। সে তো আমার বিরুদ্ধে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সাহায্য করিয়াছে। ইতিমধ্যে হযরত ওমায়ের (রাঃ) তাহার নিকট পৌঁছিয়া গেলেন। সফওয়ান বলিলেন, হে ওমায়ের, তুমি এ যাবৎ আমার সহিত যাহা কিছু করিয়াছ, তাহা কি যথেষ্ট হয় নাই? তুমি নিজের ঋণ ও পরিবার পরিজনের বোঝা আমার ঘাড়ে চাপাইয়াছ, তারপর এখন আমাকে কতল করিতে আসিয়াছ। হযরত ওমায়ের (রাঃ) বলিলেন, হে আবু ওহব, আমার প্রাণ তোমার জন্য উৎসর্গিত হউক। আমি মানবকুলে সর্বাপেক্ষা সদাচারী ও সৎসম্পর্ক স্থাপনকারী ব্যক্তির নিকট হইতে তোমার নিকট আসিয়াছি। হযরত ওমায়ের (রাঃ) ইতিপূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আরজ করিয়াছিলেন যে, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার কাওমের সরদার নিজেকে সমুদ্রে ডুবাইয়া শেষ করিবার জন্য পালাইয়া গিয়াছে। সে এই আশঙ্কা করিতেছিল যে, আপনি তাহাকে নিরাপত্তা দিবেন না। আমার পিতামাতা আপনার উপর কোরবান হউক, আপনি তাহাকে নিরাপত্তা দান করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমি তাহাকে নিরাপত্তা প্রদান করিলাম।
হযরত ওমায়ের (রাঃ) সফওয়ানের সন্ধানে বাহির হইলেন এবং তাহার নিকট পৌঁছিয়া বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে নিরাপত্তা প্রদান করিয়াছেন। সফওয়ান বলিলেন, না, খোদার কসম, যতক্ষণ না তুমি তাঁহার নিকট হইতে এমন কোন চিহ্ন আনিবে যাহা আমি চিনিতে পারি, ততক্ষণ আমি তোমার সহিত কিছুতেই যাইব না। (হযরত ওমায়ের (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যাইয়া ইহা ব্যক্ত করিলেন।) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমার পাগড়ী লইয়া যাও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশের সময় যে চাদরখানি তাঁহার মাথায় বাঁধা ছিল উহা সেই ইয়ামানী চাদর ছিল। হযরত ওমায়ের (রাঃ) উহা লইয়া দ্বিতীয়বার সফওয়ানের সন্ধানে বাহির হইলেন এবং তাহার নিকট পৌঁছিয়া বলিলেন, হে আবু ওহব! আমি তোমার কাছে এমন ব্যক্তির নিকট হইতে আসিয়াছি যিনি সকল মানুষ অপেক্ষা উত্তম, সৎসম্পর্ক স্থাপনকারী, সকল মানুষ অপেক্ষা সদাচারী ও সর্বাপেক্ষা ধৈর্যশীল। তাঁহার মর্যাদা তোমারই মর্যাদা, তাঁহার সম্মান তোমারই সম্মান। তাঁহার রাজত্ব তোমারই রাজত্ব। তোমারই বংশের লোক। আমি তোমাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করাইতেছি। সফওয়ান বলিলেন, আমি নিজের ব্যাপারে কতল হইবার আশঙ্কা করিতেছি। হযরত ওমায়ের (রাঃ) বলিলেন, তিনি তোমাকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিয়াছেন। যদি তুমি খুশীমনে তাহা গ্রহণ কর তবে তো কোন কথাই নাই, অন্যথায় তিনি তোমাকে দুইমাস সময় দান করিবেন। তিনি সর্বাপেক্ষা ওয়াদা পালনকারী ও সদাচারী। তিনি তোমার নিকট তাঁহার সেই চাদর প্রেরণ করিয়াছেন যাহা মাথায় বাঁধিয়া তিনি মক্কায় প্রবেশ করিয়াছিলেন। তুমি উহা দেখিলে চিনিতে পারিবে কি? সফওয়ান বলিলেন, হাঁ, চিনিতে পারিব। হযরত ওমায়ের (রাঃ) উহা বাহির করিলে সফওয়ান বলিলেন, হাঁ, ইহা সেই চাদর।
অতঃপর সফওয়ান ফিরিয়া আসিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছিয়া দেখিলেন তিনি মসজিদে লোকদেরকে আসরের নামায পড়াইতেছেন। তাহারা উভয়ে অপেক্ষা করিতে লাগিলেন। সফওয়ান জিজ্ঞাসা করিলেন, মুসলমানগণ দিনে রাতে কতবার নামায আদায় করে? হযরত ওমায়ের (রাঃ) বলিলেন, পাঁচ বার। সফওয়ান জিজ্ঞাসা করিলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই কি তাহাদের নামায পড়ান? হযরত ওমায়ের (রাঃ) বলিলেন, হাঁ।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফিরাইবার পর সফওয়ান উচ্চস্বরে বলিলেন, হে মুহাম্মাদ, ওমায়ের ইবনে ওহব আমার নিকট আপনার চাদর লইয়া আসিয়াছে এবং বলিয়াছে যে, আপনি আমাকে আপনার নিকট আসিতে বলিয়াছেন। আমার ইচ্ছা হইলে আমি ইসলাম গ্রহণ করিব, অন্যথায় আপনি আমাকে দুই মাসের সময় প্রদান করিয়াছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হে আবু ওহব, সওয়ারী হইতে নামিয়া আস। সফওয়ান বলিলেন, না, খোদার কসম, আগে আপনি স্পষ্ট করিয়া বলুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, বরং তোমাকে চার মাসের সময় দেওয়া হইল। এই কথা শুনিয়া সফওয়ান সওয়ারী হইতে নামিলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাহাবাদের সঙ্গে লইয়া) হাওয়াযেন গোত্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইলেন। সফওয়ানও এই সফরে তাঁহার সহিত গেলেন। তিনি তখনও মুসলমান হন নাই। নবী করীম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফওয়ানের নিকট লোক মারফৎ তাহার
যুদ্ধাস্ত্র ধার হিসাবে চাহিলে তিনি একশত লৌহবর্ম ও উহার সাজসরঞ্জাম
ধার দিলেন। ধার দিবার সময় সফওয়ান জিজ্ঞাসা করিলেন, আমি এই
যুদ্ধাস্ত্র স্বেচ্ছায় দিব না আপনি জোরপূর্বক নিবেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তোমার নিকট হইতে ধার হিসাবে
লইতেছি যাহা ফেরৎ দেওয়া হইবে। সুতরাং বর্মগুলি ধার হিসাবে দিলেন।
অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশে বর্মগুলি
তিনি নিজেই আপন উটের উপর বহন করিয়া হুনাইনে গেলেন এবং
হুনাইন ও তায়েফের যুদ্ধে শরীক থাকিলেন। তায়েফের যুদ্ধ শেষে যখন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জেএররানায় ফিরিয়া
আসিলেন এবং ঘুরিয়া ঘুরিয়া গনীমতের মালামাল দেখিতেছিলেন তখন
সফওয়ানও তাঁহার সঙ্গে ছিলেন। সফওয়ান ইবনে উমাইয়া উট বকরী ও
উহার রাখাল দ্বারা পরিপূর্ণ জেএররানার পাহাড়ঘেরা ময়দানের দিকে
দেখিতে লাগিলেন এবং একদৃষ্টে ময়দানের দিকে চাহিয়া রহিলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাহাকে আড়চোখে
দেখিতেছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলিলেন, হে আবু ওহব। (গনীমতের মালামালে পরিপূর্ণ) এই ময়দান
কি তোমার পছন্দ হইতেছে? সফওয়ান বলিলেন, হাঁ। রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, এই ময়দান ও উহাতে যত
মালামাল আছে সবই তোমাকে দেওয়া হইল। (ইহা শুনিয়া) সফওয়ান
বলিলেন, নবী ব্যতীত আর কেহ এরূপ দানের হিম্মৎ করিতে পারে না।
অতঃপর সেখানেই কালিমায়ে শাহাদাৎ-
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ -
পাঠ করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিলেন। (কান্য) অপর এক রেওয়ায়াতে উমাইয়া ইবনে সফওয়ান নিজ পিতা সফওয়ান হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের যুদ্ধের সময় সফওয়ানের নিকট হইতে কিছু বর্ম ধার চাহিলে তিনি বলিলেন, হে মুহাম্মাদ, জোরপূর্বক নিবেন কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, বরং নিজ দায়িত্বে ধার হিসাবে লইতেছি। (অর্থাৎ নষ্ট বা হারাইয়া গেলে উহার ক্ষতিপূরণ দিব।) বর্ণনাকারী বলেন, কিছুসংখ্যক বর্ম যুদ্ধে হারাইয়া গিয়াছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই সকল হারানো বর্মের ক্ষতিপূরণ দিতে চাহিলে সফওয়ান বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আজ তো আমার অন্তরে ইসলামের আগ্রহ জন্মিয়াছে। (সুতরাং আমি ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করিব না।)
(হায়াতুস সাহাবা ১ম খন্ড) ❤❤❤ ̇slam ❤️ #ইসলামিক #আল্লাহ #সাহাবী

07/05/2024

অর্থ: সেই মুমিনদের মধ্যকার কতক লোক এমনও আছে যে,
তাহারা আল্লাহর সহিত যে কথার অঙ্গীকার করিয়াছে, তাহা সত্যে পরিণত করিয়াছে, অতঃপর তাহাদের মধ্যে কতিপয় নিজেদের (শাহাদাতের) মান্নত পূর্ণ করিয়াছে, আর তাহাদের কতক লোক আগ্রহান্বিত রহিয়াছে এবং তাহারা (নিজেদের সঙ্কল্পকে) একটুও পরিবর্তন করে নাই। এই ঘটনাটি এইজন্য ঘটিয়াছিল, যেন আল্লাহ সত্যপরায়ণদিগকে তাহাদের সত্যপরায়ণতার বিনিময় প্রদান করেন এবং মুনাফিকদিগকে ইচ্ছা করিলে শাস্তি প্রদান করিবেন, কিংবা তাহাদিগকে তওবার তওফীক দিবেন, নিঃসন্দেহে আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়। (সূরা আহযাব, আয়াত ২৩-২৪)

07/05/2024

ইহুদী আলেম যায়েদ বিন সা’না এর ইসলাম গ্রহণ।।।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়ালা যখন যায়েদ ইবনে সা'নাকে হেদায়াত দান করিতে চাহিলেন তখন যায়েদ ইবনে সু'না আপন মনে ভাবিতে লাগিলেন যে, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মুবারকের প্রতি প্রথম দৃষ্টিতেই আমি নবুওয়াতের সকল নিদর্শন উহাতে বিদ্যমান পাইয়াছি। কিন্তু দুইটি বিষয় এখনও অবগত হইতে পারি নাই। এক-নবীর ধৈর্য তাঁহার মূর্খতার উপর প্রবল হইবে। দুই-তাঁহার সহিত যতই মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা হইবে ততই তাঁহার ধৈর্য বৃদ্ধি পাইবে।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরা হইতে বাহিরে আসিলেন। তাঁহার সঙ্গে হযরত আলী ইবনে আবি তালেব (রাঃ) ছিলেন। এমন সময় তাঁহার নিকট একজন উষ্ট্রারোহী আসিল। লোকটি দেখিতে বেদুইন মনে হইতেছিল। সে বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। গ্রামে অমুক গোত্রে আমার কিছু সঙ্গী ইসলাম গ্রহণ করিয়াছে। আমি তাহাদিগকে বলিয়াছিলাম যে, ইসলাম গ্রহণ করিলে তাহাদের রিযিক বৃদ্ধি পাইবে। কিন্তু এখন সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়াছে। মোটেই বৃষ্টি হইতেছে না। ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার আশঙ্কা হইতেছে যে, তাহারা যেমন (রিযিকের) লোভে ইসলাম গ্রহণ করিয়াছে, তেমনি আবার লোভের কারণে ইসলাম হইতে বাহির হইয়া না যায়। আপনি যদি সমীচীন মনে করেন তবে তাহাদের জন্য সাহায্য প্রেরণ করুন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁহার পার্শ্বে দাঁড়ানো ব্যক্তির প্রতি তাকাইলেন। আমার মনে হয় তিনি হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন। উক্ত ব্যক্তি (এই দৃষ্টির অর্থ বুঝিতে পারিয়া) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, সেই মালামালের কিছুই তো এখন আর অবশিষ্ট নাই।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, আমি তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটবর্তী হইয়া বলিলাম, হে মুহাম্মাদ, আপনি এখনই নগদ মূল্য গ্রহণ করিয়া অমুকের বাগানের এত পরিমাণ খেজুর এই মেয়াদে পরিশোধের শর্তে আমার নিকট বিক্রয় করিবেন কি? তিনি বলিলেন, অমুকের বাগান বলিয়া কোন বাগান নির্দিষ্ট করিও না। আমি বলিলাম, ঠিক আছে, তাহাই হইবে। অতএব তিনি বিক্রয়ে সম্মত হইলে আমি আমার থলি খুলিয়া আশি মিসকাল স্বর্ণ তাঁহাকে প্রদান করিলাম। তিনি সমস্ত স্বর্ণমুদ্রা আগত সাহায্যপ্রার্থী ব্যক্তিকে দিয়া বলিলেন, ইহা দ্বারা তাহাদের সাহায্য কর এবং তাহাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করিও।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, নির্দিষ্ট মেয়াদের দুই তিন দিন পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হযরত আবু বকর (রাঃ), হযরত ওমর (রাঃ) ও হযরত ওসমান (রাঃ) সহ অন্যান্য সাহাবাদের সঙ্গে বাহির হইয়া একটি জানাযার নামায পড়াইলেন। নামাযের পর তিনি যখন একটি দেয়ালের পাশে বসিবার জন্য অগ্রসর হইলেন তখন আমি তাঁহার বুকের জামা ও চাদর ধরিয়া অত্যন্ত ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাঁহার প্রতি চাহিলাম এবং বলিলাম, হে মুহাম্মাদ, আপনি কি আমার পাওনা পরিশোধ করিবেন না? খোদার কসম, তোমরা আবদুল মুত্তালিবের বংশ শুধু টালবাহানাই করিতে শিখিয়াছ। তোমাদের সঙ্গে চলিয়া এই ব্যাপারে আমার খুব শিক্ষা হইয়াছে। এমন সময় হযরত ওমর (রাঃ) এর প্রতি আমার দৃষ্টি পড়িতেই লক্ষ্য করিলাম যে, (ক্রোধে) তাহার চক্ষুদ্বয় গোল আকাশের ন্যায় ঘুরপাক খাইতেছে। তিনি আমার প্রতি চোখ পাকাইয়া তাকাইলেন এবং বলিলেন, 'ওরে খোদার দুশমন, তুই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন কথা বলিতেছিস যাহা আমি শুনিতেছি? আর তাঁহার সহিত এমন ব্যবহার করিতেছিস যাহা আমি দেখিতেছি? সেই পাক যাতের কসম, যাহার কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিসের আদবের কথা চিন্তা না করিতাম তবে এখনি আমার তলোয়ার দ্বারা তোর গর্দান উড়াইয়া দিতাম।'
অপরদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত শান্তসৌম্য দৃষ্টিতে আমার প্রতি চাহিয়া রহিলেন এবং (হযরত ওমর (রাঃ) এর কথা শুনিয়া) বলিলেন, হে ওমর। আমার ও তাহার ইহা অপেক্ষা অন্যকিছুর অধিক প্রয়োজন ছিল। আমাকে তুমি উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধের কথা বলিতে এবং তাহাকে সুন্দরভাবে দাবী জানাইতে বলিতে। হে ওমর, তাহাকে লইয়া যাও এবং তাহার পাওনা দিয়া দাও। আর যেহেতু তুমি তাহাকে ভয় দেখাইয়াছ সেইজন্য বিশ সা' খেজুর অতিরিক্ত দিবে।
হযরত যায়েদ (রাঃ) বলেন, হযরত ওমর (রাঃ) আমাকে লইয়া গেলেন এবং আমার পাওনা হক দিবার পর অতিরিক্ত আরো বিশ সা' খেজুর আমাকে দিলেন। আমি বলিলাম, হে ওমর। এই অতিরিক্তগুলি কেন দিলেন? তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করিয়াছেন যে, আমি যেহেতু তোমাকে ভয় দেখাইয়াছি সেহেতু এই অতিরিক্ত খেজুর যেন প্রদান করি। আমি বলিলাম, হে ওমর। আপনি কি আমাকে চিনিতে পারিতেছেন? হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, না। বলিলাম, আমি যায়েদ ইবনে সা'না। তিনি বলিলেন, ইহুদীদের সেই বড় আলেম? আমি বলিলাম, হাঁ, সেই বড় আলেম। তিনি বলিতেন, (এত বড় আলেম হইয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিত এইরূপ আচরণ কেন করিলে? তাঁহাকে এইরূপ কথা কেন বলিলে? আমি বলিলাম, হে ওমর। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মুবারকের প্রতি দৃষ্টি করিয়াই উহার মধ্যে নবুওয়াতের সকল নিদর্শন চিনিতে পারিয়াছি। কিন্তু দুইটি বিষয় সম্পর্কে অবগত হইতে পারি নাই। এক-নবীর ধৈর্য তাঁহার মূর্খতার উপর প্রবল হইবে। দুই-তাঁহার সহিত যতই মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা হইবে ততই তাঁহার ধৈর্য বৃদ্ধি পাইবে। আর এই দুইটাই আমি এখন পরীক্ষা করিয়া লইয়াছি। হে ওমর, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখিয়া বলিতেছি যে, আমি রব্ব হিসাবে আল্লাহর উপর, দ্বীন হিসাবে ইসলামের উপর এবং নবী হিসাবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর সন্তুষ্ট হইয়া গেলাম। আর আমি আপনাকে সাক্ষী রাখিয়া বলিতেছি যে, আমি মদীনায় সর্বাপেক্ষা ধনী ব্যক্তি। সুতরাং আমার অর্ধেক মাল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমগ্র উম্মতের জন্য দান করিয়া দিলাম। হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, সমগ্র উম্মতের পরিবর্তে উম্মতের কিছু অংশের জন্য বল, কারণ তোমার জন্য সমগ্র উম্মতকে দেওয়া সম্ভব নয়। আমি বলিলাম, ঠিক আছে, উম্মতের কিছু অংশের জন্য দান করিলাম।
অতঃপর হযরত ওমর ও হযরত যায়েদ (রাঃ) সেখান হইতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আসিলেন, হযরত যায়েদ (রাঃ) খেদমতে উপস্থিত হইয়াই বলিয়া উঠিলেন, 'আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।'
তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ঈমান আনিলেন, তাঁহাকে সত্য নবী বলিয়া স্বীকার করিলেন এবং তাঁহার হাতে বাইআত হইলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিত বহু জেহাদে অংশগ্রহণ করিয়াছেন। অবশেষে তবুকের যুদ্ধে ফিরিবার পথে নহে বরং অগ্রসর হইবার কালে তিনি ইন্তেকাল করেন। 'আল্লাহ তায়ালা হযরত যায়েদের প্রতি রহমত নাযিল করুন।'
(তাবারানী)
(হায়াতুস সাহাবা ১ম খন্ড)

29/08/2021

বিচ্ছেদের পর যারা ছেড়ে চলে যায় তারা আর ফিরে আসে না,, এই নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম গড়ে তোলা যায় না,,,।

কোন সম্পর্কের বিচ্ছেদ হবে না,, কেউ কাউকে ছেড়ে যেতে পারবে না,, কোন মানুষ আর কষ্ট পেত না,,,।

কেউ কাউকে কাঁদাতে পারবে না বিধান হবে যদি ভালোবাসো তবে ছেড়ে যেতে পারবে না,,,।

আর যদি ছেড়ে যাবে ভাবো তবে ভালোবাসি বলবে না,, কারণ ভালোবাসা ছেড়ে যাওয়ার জন্য নয়,,,।

আগলে রাখার জন্য ভালোবাসতে হয়,,যারা ছেড়ে যায় তারা ভালোবাসতে আসে না,, শুধু সময় কাটাতে আসে,,,।

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাশে আসা মানুষ গুলো সবার আগে হারিয়ে যায়,,।

বিচ্ছেদের পর যখন তোমাকে ফিরে পাওয়া অপেক্ষা করছি তখন তুমি বুঝিয়ে দিলে না তুমি আমার ছিলে আর না কখনো আমার হবে,,,,।

তোমার সেই চলে যাওয়ার ক্ষণে হৃদয়ে যে দীর্ঘশ্বাসের ঝড় উঠেছিলো তা আমি কাউকে দেখাতে বা বোঝাতে পারিনি,, নিঃস্বাস নিতে দিচ্ছিলো না আমাকে মনে হয়েছিল দমটা আটকে যাবে,,।

কিন্তু না দম আটকে যায়নি বেঁচে আছি আমি,, তবে দীর্ঘশ্বাস গুলো খুব ভারী হয়েছে যা শান্তি দেয় না আমায়।।

#অনি

16/08/2021

______ হাই আফসোস _________
নিজের স্বার্থে মানুষ বন্ধু হয় নিজের স্বার্থে মানুষ শত্রু হয় আসলে স্বার্থ ছাড়া কিছু ই নাই এই পৃথিবীতে !!

Photos from mobileaccessoriesbd.com's post 03/07/2018

* ব্র্যান্ড: Remax অরিজিনাল পাওয়ার ব্যাংক (vanguard)
* ক্যাপাসিটি: 10000 mAh- 100%
* ব্যাটারি – Lithium-Polymer
* ডাইমেনশন – 120 x 64 x 18 mm
* ওজন – 153 g
* যে কোন ধরনের স্মার্ট ফোন বা মিনি USB লাইট চার্জ করা যাবে
* বি. দ্র.: প্রোডাক্টের গায়ে উল্লিখিত ক্যাপাসিটি থেকে ক্ষেত্রবিশেষে ৩০%-৪০% পাওয়ারের তারতম্য হতে পারে
1650/= Taka Only

Photos 02/06/2017
Photos from mobileaccessoriesbd.com's post 29/05/2017

Product Name: Ring
Code: bz
Price: 75 Taka . Discount price 😃
Shipping: 50 Taka anywhere in Dhaka, and 100 Taka out of Dhaka.
Contact: 01674617246, 01927536153
For More Info inbox us

Photos from mobileaccessoriesbd.com's post 24/05/2017

Product Name: Cooling Fan
Code: ez
Price: 170 Taka . Discount price 😃
Shipping: 50 Taka anywhere in Dhaka, and 100 Taka out of Dhaka.
Contact: 01674617246, 01927536153
For More Info inbox us

Want your business to be the top-listed Transport Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Mirpur Zoo Road
Dhaka
1216