lekhapora24.com

lekhapora24.com

Share

With ecstasy we are going to inform that , Online news portal www.lekhapora24.com has started its journey including all the news of education .

07/08/2023
22/07/2023
Photos 10/01/2017

সহজ ইংরেজি-১

ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ‘I love you’ বলুন

বলা হয়ে থাকে ভালোবাসা শব্দটি স্বর্গীয় । শব্দটি যেমন সুন্দর তেমনি ভালোবাসার সুন্দর সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন বা জড়াতে চান এমন মানুষদের জন্য আবেগময় একটি শব্দ । ভালোবাসা নিয়ে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ বলেছেন, ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে ভালোবাসা।’

I love you’ এই phraseটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত । প্রিয় মানুষকে ‘I love you’ বলা বা তার মুখ থেকে ‘I love you’ শোনা দুটিই মধুর । এই একটি কথাকে প্রিয় মানুষের কাছে প্রকাশ করার জন্য কবি সাহিত্যিকসহ নানা গুণীজন ব্যবহার করেছেন নানা কথামালা, নানা ভঙিমা।

আপনি যদি কারো সাথে ভালোবাসার সুন্দর সম্পর্কে জড়িয়ে থাকেন তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই একটু ভিন্নভাবে প্রিয় মানুষটিকে নিজের ভালোবাসার কথা জানাতে চান ।

তাহলে চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু phrase সম্পর্কে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ভালোবাসার কথা আপনার প্রিয় মানুষটিকে বলতে পারেন ।

Poetic Way (পয়েটিক ওয়ে) বা কাব্যিক ভাষায়

Poetic Way বা কাব্যিক ভাষায় ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা খুবই রোমান্টিক একটি পন্থা । কাব্যিক ভাষায় ভালোবাসার কথা বলতে যে phraseগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো

I am smitten (স্মিটেন) by you ( আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট)

ভাবছেন smitten বলতে কী বুঝায় । Smitten বলতে বুঝাচ্ছে আপনি কারো প্রতি এতটা আকৃষ্ট যে আপনি তার পাশে থাকতে চান এবং তার সাথে থাকতে আপনার ভালো লাগে । তখন আপনি এই phaseটি ব্যবহার করে আপনার ভালোলাগার কথা প্রিয় মানুষটির সামনে তুলে ধরতে পারেন । ধরুন আপনার বন্ধু কাউকে খুব ভালোবাসে ।তখন আপনি আপনার বন্ধুর ভালোবাসার কথা অন্য কাউকে বলতে পারেন এভাবে

O my god, He is smitten by her (সে তার প্রতি আকৃষ্ট)

Have you heard, Rabi is smitten by her (তুমি কি শুনেছ, রবি তার প্রতি আকৃষ্ট)

I am under your spell (স্পেল) (আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ)

Spell magical power। এখানে I am under your spell দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে আপনি কারো দ্বারা প্রভাবিত বা কারো প্রতি মুগ্ধ । যেমন ধরুন আপনি কাউকে খুব পছন্দ করেন তখন তাকে বলতে পারেন

I want to say that I am under your spell. ( আমি বলতে চাই যে আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ)

I am under your spell and will you accept my love? (আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ, আপনি কি আমার ভালোবাসা গ্রহণ করবেন?)

I am yearn (ইয়ার্ন) for you ( আমি আপনাকে আকুলভাবে কামনা করি)

আপনাদের জন্য তৃতীয় phaseটি হলো ‘I am yearn for you.’

phaseটি ব্যবহার করা হয় তখন যখন কেউ কাউকে ব্যাকুল ভাবে চায় বা কামনা করে । ধরুন আপনি আপনার আদর্শ জীবনসঙ্গী বা perfect soul mate (পারফেক্ট সোল মেট) ব্যাকুল ভাবে কামনা করছেন তখন আপনি তাকে বলতে পারেন

‘I am truly speaking, I am yearning for you. (সত্যি বলছি আমি আপনাকে বা তোমাকে আকুলভাবে চাই বা কামনা করি।)

‘I am yearning for you, so will you be my soul mate? (আমি তোমাকে আকুলভাবে কামনা করি, তাই তুমি কি আমার জীবন সঙ্গী হবে?)

Persuasive (পারসুয়েসিভ)/ Over the top বা অতিরঞ্জিতভাবে

আপনি আপনার কথা দ্বারা কাউকে বিশ্বাস করাতে চান যে আপনি তাকে খুব ভালোবাসেন। কখনো কখনো আমরা আমাদের প্রিয় মানুষটিকে খুশি করার জন্য ভালোবাসার কথাটি সুন্দর সুন্দর শব্দ ব্যবহার করে Exaggerate (এক্সাগেরেট) বা অতিরঞ্জন করতে চাই, তাহলে এটি হচ্ছে আপনার অনুভূতি আপনার প্রিয় মানুষটি কাছে তুলে ধরার একটি উত্তম পন্থা ।

We complete ( কমপ্লিট) each other (আমরা একে অন্যকে পূর্ণতা দান করি)
Phrase দ্বারা বুঝাতে পারেন যে আপনারা দুজন মিলে ভালো pair বা জোড়া । অবশ্যই মনে রাখবেন এখানে আপনি complete-এর স্থানে finish (ফিনিশ) ব্যবহার করতে পারবেন না । কারণ ব্যবহারিক দিক থেকে complete এবং finish শব্দ দুটি ভিন্ন ।

যেমন আপনি যদি বলেন ‘O, we finish each other’ (আমরা একজন আরেক জনকে শেষ করি) এটা দ্বারা বুঝানো হচ্ছে যে, আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে আপনার ভালো সম্পর্কে নেই । সে ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার প্রিয় মানুষটিকে বুঝাতে চান যে আপনারা দুজনে মিলে good couple (গুড কাপল) হতে পারেন তখন এই Phrase ব্যবহার করে আপনি বলতে পারেন

‘We complete each other so will you be my love?’। (আমরা একজন আরেকজনকে পূর্ণতা দান করি। সুতরাং তুমি কি আমার ভালোবাসার মানুষটি হবে)

‘I cannot imagine a single day without you like you because we complete each other’ (আমি তোমাকে ছাড়া একটি দিনও কল্পনা করতে পারি না, যেমন তুমিও পার না কারণ আমরা একজন আরেকজনকে পূর্ণতা দান করি)

I worship( অরশিপ) you (তুমি আমার কাছে পূজেয়)

অনেক রোমান্টিক মানুষের মধ্যে তার ভালোবাসার মানুষটিকে খুশি করার জন্য ‘I worship you’ phraseটি ব্যবহার করার প্রবণতা আছে । এই ধরনের phrase-এর ব্যবহার কিছুটা নাটকীয় মনে হলেও এটি ভালোবাসার মানুষটিকে আপনার ভালোবসার কথা জানানোর একটি ভালো পন্থা। যেমন আপনি আপনার ভালোবাসার কথা কাউকে জানাতে বলতে পারেন

‘I really worship you or you are my goddess (তুমি আমার কাছে পূজেয় অথবা তুমি আমার ঈশ্বরী।)

‘I worship you and I want to spend my whole life with you. (তুমি আমার কাছে পূজেয় এবং আমি তোমার সাথে সারা জীবন কাটাতে চাই।)

I can’t do without you. (আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি না)

যখন কেউ বলেন যে ‘I can’t do without you’ অথবা ‘I can’t live without you’-এর মানে এই নয় যে প্রিয় মানুষটিকে না পেলে তিনি মারা যাবেন, এটা শুধু ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করার একটি সুন্দর পন্থা। এর দ্বারা বুঝানো হচ্ছে যে আপনি কাউকে খুব ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া থাকা আপনার পক্ষে কষ্টকর বা প্রায় অসম্ভব। ধরুন আপনি কাউকে খুব ভালোবাসেন সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার ভালোবাসার কথা তাকে জানাতে বলতে পারেন

‘I love you so much that I can’t do without you.’ (আমি তোমাকে এতটা ভালোবাসি যে আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি না)

‘I can’t live without you, will you accept (এক্সেপ্ট) my love?’(আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারি না, তুমি কি আমার ভালোবাসা গ্রহণ করবে?)

Slangy (স্লেংগি) বা অপভাষা ব্যবহার করে

মূলত এই slang (স্লেং) গুলো হলিউড সিনেমাতে ব্যবহার হতে দেখা যায়। আপনি হয়তো হলিউড সিনেমাগুলোতে এই slang গুলোর ব্যবহার দেখে থাকতে পারেন । চলুন তাহলে slang গুলো দেখে নেওয়া যাক।

I am hooked (হুক্ট) on you (আমি তোমার প্রতি অনুরত)

Hook (হুক) । এখানে hooked শব্দটির দ্বারা প্রকৃতপক্ষে এটা বুঝানো হচ্ছে না যে আপনি কারো ফাঁদে পড়েছেন। এই phraseটি দ্বারা বুঝানো হচ্ছে আপনি কারো প্রতি খুব বেশি addicted (অ্যাডিক্টেট) বা অনুরত। তার মানে এই মানুষটি আপনার কাছে আপনার সবকিছু। তখন আপনি বলতে পারেন

‘It is impossible for me to live without you because I am hooked on you.’ (আমার পক্ষে তোমাকে ছাড়া থাকা অসম্ভব কারণ আমি তোমার প্রতি অনুরত)

Cup cake

যখন কোনো মানুষ তার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার, পার্টি কিংবা ডিনারে (dinner) যাওয়ার চেয়ে বাসায় প্রিয় মানুষটির কাছাকাছি থেকে রোমান্টিকভাবে সুন্দর সময় কাটাতে অধিকতর পছন্দ করে তখন একে বলা হয় Cup cake । যেমন আপনি বলতে পারেন

‘Let’s take cup cake tonight. (চল, আজ রাতে রোমান্টিক সময় কাটাই)

‘Why don’t you come over to cup cakewith me? (কেননা তুমি আমার সাথে রোমান্টিক সময় কাটাতে আসো?)

Lustful (লাস্টফুল) কামুকতা পূর্ণভাবে

Lustful physical attraction। সেই ক্ষেত্রে আপনি যে phrase গুলো ব্যবহার করতে পারেন তা হলো

Let’s turn (টার্ন) on the heat (চলো দুষ্টুমিপূর্ণ আচরণ করি)

এটি খুবই naughty (নটি) বা দুষ্ট একটি phrase। সাধারণত ছেলেরা এই phrase ব্যবহার করে থাকে যখন তারা কোনো সুন্দরী মেয়ের সাক্ষাৎ পায়, হয়তোবা পার্টিতে বা অন্যকোনো অনুষ্ঠানে। ধরুন আপনি কোনো পার্টিতে গিয়ে কোনো সুন্দরীর সাক্ষাৎ পেলেন তাকে খুশি করার জন্য আপনি এই phrase ব্যবহার করতে পারেন। তখন আপনি বলতে পারেন

‘Hay, let’s turn on the heat’-।

You make me burn with desire(ডিজায়ার) (তুমি আমাকে আকৃষ্ট কর)
phrase খুবই রোমান্টিক একটি phrase । ধরুন আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে খুবই রোমান্টিক mood-এ আছেন তখন আপনি এই phrase ব্যবহার করে বলতে পারেন ‘Hay, you make me burn with desire. (ডিজায়ার)’ তার মানে আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে অনুভব করেন এবং তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে যেতে চান।

Your place is mine

এটিও একটি naughty বা দুষ্টু phrase। ধরুন আপনি কোনো পার্টিতে এমন কারো সাক্ষাৎ পেলেন যার দ্বারা আপনি physically attracted বা শারীরিকভাবে আকর্ষিত এবং আপনি তার সাথে শারীরিকভাবে সম্পর্ক তৈরি করতে চান তখন আপনি বলতে পারেন ‘Hay, Your place is mine’

সুতরাং এই phrase গুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ভলোলাগা এবং ভালোবাসার কথা আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে প্রকাশ করতে পারেন।
আরও দেখুন এ নিচের লিংকে ক্লিক করে ভিডিও
https://www.youtube.com/watch?v=mpE2Ec7wK3k

Different styles to say 'I Love You' - Spoken English Lesson 09/01/2017

সহজ ইংরেজি-১

ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ‘I love you’ বলুন

বলা হয়ে থাকে ভালোবাসা শব্দটি স্বর্গীয় । শব্দটি যেমন সুন্দর তেমনি ভালোবাসার সুন্দর সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন বা জড়াতে চান এমন মানুষদের জন্য আবেগময় একটি শব্দ । ভালোবাসা নিয়ে বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ বলেছেন, ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে ভালোবাসা।’

I love you’ এই phraseটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত । প্রিয় মানুষকে ‘I love you’ বলা বা তার মুখ থেকে ‘I love you’ শোনা দুটিই মধুর । এই একটি কথাকে প্রিয় মানুষের কাছে প্রকাশ করার জন্য কবি সাহিত্যিকসহ নানা গুণীজন ব্যবহার করেছেন নানা কথামালা, নানা ভঙিমা।

আপনি যদি কারো সাথে ভালোবাসার সুন্দর সম্পর্কে জড়িয়ে থাকেন তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই একটু ভিন্নভাবে প্রিয় মানুষটিকে নিজের ভালোবাসার কথা জানাতে চান ।

তাহলে চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু phrase সম্পর্কে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ভালোবাসার কথা আপনার প্রিয় মানুষটিকে বলতে পারেন ।

Poetic Way (পয়েটিক ওয়ে) বা কাব্যিক ভাষায়

Poetic Way বা কাব্যিক ভাষায় ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা খুবই রোমান্টিক একটি পন্থা । কাব্যিক ভাষায় ভালোবাসার কথা বলতে যে phraseগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো

I am smitten (স্মিটেন) by you ( আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট)

ভাবছেন smitten বলতে কী বুঝায় । Smitten বলতে বুঝাচ্ছে আপনি কারো প্রতি এতটা আকৃষ্ট যে আপনি তার পাশে থাকতে চান এবং তার সাথে থাকতে আপনার ভালো লাগে । তখন আপনি এই phaseটি ব্যবহার করে আপনার ভালোলাগার কথা প্রিয় মানুষটির সামনে তুলে ধরতে পারেন । ধরুন আপনার বন্ধু কাউকে খুব ভালোবাসে ।তখন আপনি আপনার বন্ধুর ভালোবাসার কথা অন্য কাউকে বলতে পারেন এভাবে

O my god, He is smitten by her (সে তার প্রতি আকৃষ্ট)

Have you heard, Rabi is smitten by her (তুমি কি শুনেছ, রবি তার প্রতি আকৃষ্ট)

I am under your spell (স্পেল) (আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ)

Spell magical power। এখানে I am under your spell দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে আপনি কারো দ্বারা প্রভাবিত বা কারো প্রতি মুগ্ধ । যেমন ধরুন আপনি কাউকে খুব পছন্দ করেন তখন তাকে বলতে পারেন

I want to say that I am under your spell. ( আমি বলতে চাই যে আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ)

I am under your spell and will you accept my love? (আমি আপনার প্রতি মুগ্ধ, আপনি কি আমার ভালোবাসা গ্রহণ করবেন?)

I am yearn (ইয়ার্ন) for you ( আমি আপনাকে আকুলভাবে কামনা করি)

আপনাদের জন্য তৃতীয় phaseটি হলো ‘I am yearn for you.’

phaseটি ব্যবহার করা হয় তখন যখন কেউ কাউকে ব্যাকুল ভাবে চায় বা কামনা করে । ধরুন আপনি আপনার আদর্শ জীবনসঙ্গী বা perfect soul mate (পারফেক্ট সোল মেট) ব্যাকুল ভাবে কামনা করছেন তখন আপনি তাকে বলতে পারেন

‘I am truly speaking, I am yearning for you. (সত্যি বলছি আমি আপনাকে বা তোমাকে আকুলভাবে চাই বা কামনা করি।)

‘I am yearning for you, so will you be my soul mate? (আমি তোমাকে আকুলভাবে কামনা করি, তাই তুমি কি আমার জীবন সঙ্গী হবে?)

Persuasive (পারসুয়েসিভ)/ Over the top বা অতিরঞ্জিতভাবে

আপনি আপনার কথা দ্বারা কাউকে বিশ্বাস করাতে চান যে আপনি তাকে খুব ভালোবাসেন। কখনো কখনো আমরা আমাদের প্রিয় মানুষটিকে খুশি করার জন্য ভালোবাসার কথাটি সুন্দর সুন্দর শব্দ ব্যবহার করে Exaggerate (এক্সাগেরেট) বা অতিরঞ্জন করতে চাই, তাহলে এটি হচ্ছে আপনার অনুভূতি আপনার প্রিয় মানুষটি কাছে তুলে ধরার একটি উত্তম পন্থা ।

We complete ( কমপ্লিট) each other (আমরা একে অন্যকে পূর্ণতা দান করি)
Phrase দ্বারা বুঝাতে পারেন যে আপনারা দুজন মিলে ভালো pair বা জোড়া । অবশ্যই মনে রাখবেন এখানে আপনি complete-এর স্থানে finish (ফিনিশ) ব্যবহার করতে পারবেন না । কারণ ব্যবহারিক দিক থেকে complete এবং finish শব্দ দুটি ভিন্ন ।

যেমন আপনি যদি বলেন ‘O, we finish each other’ (আমরা একজন আরেক জনকে শেষ করি) এটা দ্বারা বুঝানো হচ্ছে যে, আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে আপনার ভালো সম্পর্কে নেই । সে ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার প্রিয় মানুষটিকে বুঝাতে চান যে আপনারা দুজনে মিলে good couple (গুড কাপল) হতে পারেন তখন এই Phrase ব্যবহার করে আপনি বলতে পারেন

‘We complete each other so will you be my love?’। (আমরা একজন আরেকজনকে পূর্ণতা দান করি। সুতরাং তুমি কি আমার ভালোবাসার মানুষটি হবে)

‘I cannot imagine a single day without you like you because we complete each other’ (আমি তোমাকে ছাড়া একটি দিনও কল্পনা করতে পারি না, যেমন তুমিও পার না কারণ আমরা একজন আরেকজনকে পূর্ণতা দান করি)

I worship( অরশিপ) you (তুমি আমার কাছে পূজেয়)

অনেক রোমান্টিক মানুষের মধ্যে তার ভালোবাসার মানুষটিকে খুশি করার জন্য ‘I worship you’ phraseটি ব্যবহার করার প্রবণতা আছে । এই ধরনের phrase-এর ব্যবহার কিছুটা নাটকীয় মনে হলেও এটি ভালোবাসার মানুষটিকে আপনার ভালোবসার কথা জানানোর একটি ভালো পন্থা। যেমন আপনি আপনার ভালোবাসার কথা কাউকে জানাতে বলতে পারেন

‘I really worship you or you are my goddess (তুমি আমার কাছে পূজেয় অথবা তুমি আমার ঈশ্বরী।)

‘I worship you and I want to spend my whole life with you. (তুমি আমার কাছে পূজেয় এবং আমি তোমার সাথে সারা জীবন কাটাতে চাই।)

I can’t do without you. (আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি না)

যখন কেউ বলেন যে ‘I can’t do without you’ অথবা ‘I can’t live without you’-এর মানে এই নয় যে প্রিয় মানুষটিকে না পেলে তিনি মারা যাবেন, এটা শুধু ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশ করার একটি সুন্দর পন্থা। এর দ্বারা বুঝানো হচ্ছে যে আপনি কাউকে খুব ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া থাকা আপনার পক্ষে কষ্টকর বা প্রায় অসম্ভব। ধরুন আপনি কাউকে খুব ভালোবাসেন সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার ভালোবাসার কথা তাকে জানাতে বলতে পারেন

‘I love you so much that I can’t do without you.’ (আমি তোমাকে এতটা ভালোবাসি যে আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি না)

‘I can’t live without you, will you accept (এক্সেপ্ট) my love?’(আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারি না, তুমি কি আমার ভালোবাসা গ্রহণ করবে?)

Slangy (স্লেংগি) বা অপভাষা ব্যবহার করে

মূলত এই slang (স্লেং) গুলো হলিউড সিনেমাতে ব্যবহার হতে দেখা যায়। আপনি হয়তো হলিউড সিনেমাগুলোতে এই slang গুলোর ব্যবহার দেখে থাকতে পারেন । চলুন তাহলে slang গুলো দেখে নেওয়া যাক।

I am hooked (হুক্ট) on you (আমি তোমার প্রতি অনুরত)

Hook (হুক) । এখানে hooked শব্দটির দ্বারা প্রকৃতপক্ষে এটা বুঝানো হচ্ছে না যে আপনি কারো ফাঁদে পড়েছেন। এই phraseটি দ্বারা বুঝানো হচ্ছে আপনি কারো প্রতি খুব বেশি addicted (অ্যাডিক্টেট) বা অনুরত। তার মানে এই মানুষটি আপনার কাছে আপনার সবকিছু। তখন আপনি বলতে পারেন

‘It is impossible for me to live without you because I am hooked on you.’ (আমার পক্ষে তোমাকে ছাড়া থাকা অসম্ভব কারণ আমি তোমার প্রতি অনুরত)

Cup cake

যখন কোনো মানুষ তার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার, পার্টি কিংবা ডিনারে (dinner) যাওয়ার চেয়ে বাসায় প্রিয় মানুষটির কাছাকাছি থেকে রোমান্টিকভাবে সুন্দর সময় কাটাতে অধিকতর পছন্দ করে তখন একে বলা হয় Cup cake । যেমন আপনি বলতে পারেন

‘Let’s take cup cake tonight. (চল, আজ রাতে রোমান্টিক সময় কাটাই)

‘Why don’t you come over to cup cakewith me? (কেননা তুমি আমার সাথে রোমান্টিক সময় কাটাতে আসো?)

Lustful (লাস্টফুল) কামুকতা পূর্ণভাবে

Lustful physical attraction। সেই ক্ষেত্রে আপনি যে phrase গুলো ব্যবহার করতে পারেন তা হলো

Let’s turn (টার্ন) on the heat (চলো দুষ্টুমিপূর্ণ আচরণ করি)

এটি খুবই naughty (নটি) বা দুষ্ট একটি phrase। সাধারণত ছেলেরা এই phrase ব্যবহার করে থাকে যখন তারা কোনো সুন্দরী মেয়ের সাক্ষাৎ পায়, হয়তোবা পার্টিতে বা অন্যকোনো অনুষ্ঠানে। ধরুন আপনি কোনো পার্টিতে গিয়ে কোনো সুন্দরীর সাক্ষাৎ পেলেন তাকে খুশি করার জন্য আপনি এই phrase ব্যবহার করতে পারেন। তখন আপনি বলতে পারেন

‘Hay, let’s turn on the heat’-।

You make me burn with desire(ডিজায়ার) (তুমি আমাকে আকৃষ্ট কর)
phrase খুবই রোমান্টিক একটি phrase । ধরুন আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে খুবই রোমান্টিক mood-এ আছেন তখন আপনি এই phrase ব্যবহার করে বলতে পারেন ‘Hay, you make me burn with desire. (ডিজায়ার)’ তার মানে আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে অনুভব করেন এবং তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে যেতে চান।

Your place is mine

এটিও একটি naughty বা দুষ্টু phrase। ধরুন আপনি কোনো পার্টিতে এমন কারো সাক্ষাৎ পেলেন যার দ্বারা আপনি physically attracted বা শারীরিকভাবে আকর্ষিত এবং আপনি তার সাথে শারীরিকভাবে সম্পর্ক তৈরি করতে চান তখন আপনি বলতে পারেন ‘Hay, Your place is mine’

সুতরাং এই phrase গুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার ভলোলাগা এবং ভালোবাসার কথা আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে প্রকাশ করতে পারেন।

https://www.youtube.com/watch?v=mpE2Ec7wK3k

Different styles to say 'I Love You' - Spoken English Lesson Different styles to say 'I Love You' - Spoken English Lesson I love you holds a lot of meaning and there are various ways to express it and say it. In this l...

Photos 07/01/2017

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানোর ৭ উপায়
আনিকা আলম

শুদ্ধভাবে বাংলা বলার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাতেও চাই তুখোড় জ্ঞান। কারণ বর্তমান যুগে আন্তর্জাতিক এ ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে বিড়ম্বনা পোহাতে হয় কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইংরেজি বলা ও লিখতে পারা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে আত্নবিশ্বাসী করে তুলবে আপনাকে।

প্রচুর পরিমাণে ইংরেজি বই পড়ার কোনও বিকল্প নেই

ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে চাইলে নিজের ইচ্ছা ও চেষ্টাই সবচেয়ে জরুরি। জেনে নিন প্রয়োজনীয় কয়েকটি টিপস-

ইংরেজি সিনেমা দেখুন নিয়মিত। সাব-টাইটেলসহ দেখতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।
প্রচুর পরিমাণে ইংরেজি বই পড়ার কোনও বিকল্প নেই। শুরুতে অস্বস্তি বোধ হতে পারে। ডিকশনারি অথবা স্মার্ট ফোনের ট্রান্সলেটর অ্যাপস হাতের কাছে নিয়ে বসুন বই পড়ার সময়। প্রথম দিকে ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করুন। একসময় অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। বাড়বে শব্দ ভাণ্ডারও।
এখন সবার কাছেই স্মার্ট ফোন অথবা ট্যাব থাকে। এগুলো ব্যবহার করেও বাড়াতে পারেন ইংরেজি জ্ঞান। বিভিন্ন ইংরেজি ব্লগ ও আর্টিকেল পড়ুন। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নানা ধরনের পরামর্শও পেয়ে যাবেন ইন্টারনেটে।
হাতের কাছে থাকা বাংলা পত্রিকার বদলে বেছে নিন ইংরেজি পত্রিকা। মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। ছবির ক্যাপশনগুলো খেয়াল করুন ভালোমতো।
ইংরেজিতে দক্ষ হতে চাইলে শব্দ ভাণ্ডার বাড়ানোর কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েকটি নতুন শব্দ শেখার চেষ্টা করুন। নোটবুকে লিখে রাখতে পারেন নতুন শেখা শব্দগুলো।
ইংরেজি সংবাদপত্র পড়ুন ও রেডিও এবং টেলিভিশনে ইংরেজি সংবাদ শোনার অভ্যাস করুন।
লাইব্রেরিতে বসে বন্ধুরা মিলে ইংরেজি বই নিয়ে আলাপ করতে পারেন। বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে কথা বলতে পারেন ইংরেজিতে। এতে ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে স্বতঃস্ফূর্ততা আসবে।

Photos from lekhapora24.com's post 14/06/2015

জাহাজে চড়ে আসা প্রথম কম্পিউটারের অপারেটরকে মরণোত্তর সম্মাননা

শর্মিলা সিনড্রেলা

১৯৬৪ সালের কথা। জাহাজে চড়ে বিশাল এক কম্পিউটার আসলো তৎকালীন পাকিস্তানে। আইবিএম মেইন ফ্রেম ১৬২০ কম্পিউটার। কিন্তু কে কিভাবে এই কম্পিউটার ব্যবহার করবেন? কেই বা জানেন তার ব্যবহার?

খোঁজ মিললো একজনের। তার নাম মো. হানিফউদ্দিন মিয়া। তিনি এই কম্পিউটারের ব্যবহার জানেন। কেননা অ্যানালগ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বিষয়ে ট্রেনিং করেছেন তিনি।

অগত্যা, ডাক পড়লো তার। পাকিস্তানের লাহোরে গিয়ে এই কম্পিউটারের ব্যবহারের আহবান জানানো হলো তাকে। বলা হলো, সব ধরণের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে।

কিন্তু বেঁকে বসলেন হানিফউদ্দিন। নিজের দেশ ছেড়ে কোথাও যাবেন না তিনি। কি আর করা! অবশেষে ঢাঁউস সাইজের কম্পিউটারটি গেলো ঢাকার আণবিক শক্তি কমিশনে। হানিফউদ্দিনের হাতেই শুরু হলো সেটার ব্যবহার।

এই হলো দেশের প্রথম কম্পিউটার ও কম্পিউটার অপারেটরের পেছনের গল্প।

হানিফউদ্দিনের জন্যই বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিলো। দেশের প্রথম এই কম্পিউটার চালককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি এবং সরকারের আইসিটি বিভাগ।

এবারের আইসিটি এক্সপোতে ১৭ জুন হানিফউদ্দিনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে সম্মাননা স্মারকসহ বিশেষ পুরস্কার।

হানিফউদ্দিনের বাড়ি নাটোরের শিংড়ার হুলহুলিয়া গ্রামে। ১৯২৯ সালের ১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করা মানুষটি মারা যান ২০০৭ সালের ১১ মার্চ।

কথা হয় হানিফউদ্দিন মিয়ার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মো. শরীফ হাসানের সঙ্গে। বলেন, বাবাকে আমরা সেসময় যেমন দেখেছি, তার চেয়ে অনেক বেশি আবিস্কার করেছি তিনি মারা যাওয়ার পর। গ্রামে তাকে দাফন করার পর দেখেছি মানুষ তাকে কতোটা সম্মান করতেন।

স্মৃতিচারণ করছিলেন তিনি, যখন প্রথম কম্পিউটার এদেশে এসেছে তখন আমরা অনেক ছোট। আমরা নিজেরাও সেই কম্পিউটারে অনেক সময় কাটাকাটি খেলতাম।

বাবা সম্পর্কে শরীফ হাসানের বক্তব্য: বাবা গণিত নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, তিনি গণিতে গোল্ড মেডেলও পেয়েছেন। বাবাকে সবসময় আমরা পড়াশোনা নিয়েই থাকতে দেখেছি। তাকে সম্মান জানানো হচ্ছে দেখে আমাদেরও অনেক ভালো লাগছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে টেলিভিশনের ৫০ বছর যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, বাংলাদেশে কম্পিউটারের আগমনের ৫০ বছর কিন্তু সেভাবে পালন করা হয়নি। অনেকে জানতেনই না।

তিনি জানান, ২০১৪ সালে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এবার তারা চাইছেন দেশের প্রথম কম্পিউটার অপারেটরকে খানিকটা সম্মান জানাতে। এর মাধ্যমে অনেকে হানিফউদ্দিন মিয়াকেও জানতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি।

'বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার চালককে জানা মানেই একটা ইতিহাস চোখের সামনে চলে আসা,' এভাবেই সম্মাননা উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন বাংলাদেশে আইসিটির এক পথিকৃৎ মোস্তফা জব্বার।

তিনি বলেন: আমরা আর কিছু করতে না পারি সেই প্রথম বাংলাদেশি মানুষটি যিনি কম্পিউটারে হাত রেখেছেন তাকে সম্মান তো জানাতে পারি, তার কথা লিখতে পারি, বলতে পারি। তিনি দেশ ছেড়ে গেলেন না বলেই তো আমরা এখন গর্ব করতে পারছি।

'তাকে সম্মানিত করলে দেশের তরুণ সমাজ আরো বেশি কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হবে,' এমনটাই বলছিলেন মোস্তফা জব্বার।

সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন

Photos from lekhapora24.com's post 02/06/2015

বলুন আমরা আর কি ভাবে ভালো রেজাল্ট করতে পারি

[আরাফাত শাওন। এবার বাণিজ্য বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। গত ৩০ প্রকাশিত ফলাফলে সে জিপিএ ৪.৮৩ পেয়েছিল। কিন্তু জিপিএ ৫ বা এ প্লাস না পাওয়ায় বাবা-মায়ের বকুনির শিকার হন। সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন এই কিশোর। মৃত্যুর আগে লিখে গেছেন একটি সুইসাইডাল নোট। যা পড়ে মনে হবে আমি বা আপনি আত্মহত্যা করি, আর বেঁচে থাকুক আরাফাত শাওনরা।]

আমি জানি না আজ আমি ঠিক কি ভুল কাজ করছি তবে এখন এটা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। আসলে ছেলে হয়ে এ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করাটাই আমার দূরভাগ্য। তা না হলে ছোট থেকে এ পর্যন্ত মেয়ের মতো সব সময় পরিবারের কাজ করতেই হয়েছে। আর কখনো পরিবার থেকে আমাকে খেলাধুলার সময় বা খেলতে দেওয়া হয়নি। আর আমিও মেয়ের মতো সব সময় মায়ের আঁচলের নিচেই ছিলাম।

আর আমি আদো জানি না যে আমি কি? এই পরিবারের বা আমার মা-বাবার সন্তান, তা না হলে সব সময় এ রকম শাসন আর কড়া শাসনের উপর আমাকে রাখা হয়েছে। কোন বাবা-মা তার সন্তানকে পড়া লিখার খরচে খোটা দেয় না। কিন্তু আমার মা বাবা সব সময় আমাকে বলে তোর জন্য মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা খরচ করছি। এভাবেই প্রতি নয়ত বকাঝযকা করা হয়। সব সময় বাবার থেকে শুধু খারাপ ভাষার গালি আর গালি শুনতে হয়। যা আমার একটু বালো লাগতো না। কিন্তু আমি এতো দিন সহ্য করে ছিলাম। কারণ কোন কিছু করার কথা ভাবলে মনে হতো এ দুনিয়ায় তো বাবা-মায়ের আদর ভালোবাসা পেলাম না। পেলাম না শুখ শান্তি। আসলে মানুষ বলে যে ঠিক টাকা পয়সা ও ধন সম্পদ মানুষকে সুখী করতে পারে না। আর যদি আমি নিজের হাতে আত্মহত্যা করি তা হলে মরর পরও শান্তি পাবো না। আর মরার পর আমাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হতো। তাই এখন আমার আর এসব কিছু সহ্য হচ্ছে না। …

আমাদের ছাত্রদের কি দোষ বলুন আমরা তো আমাদের মতো শ্রেষ্টা (চেষ্টা) করে যাই। তবে আমাদের দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গুলো কারণে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এমন হাল। এর আগের বছর সরকার তার নিজের স্বার্থের জন্য শিক্ষার হার বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এবার হরতাল-অবরোধ দেয়ার ফলে বর্তমান সরকার বিরোধী দলিয় সরকারকে গালি দেওয়ার জন্য পাশের হার কমিয়ে দিয়েছে, যাতে দেশে ফেল এর হার বেড়েছে। বলুন আমরা আর কি ভাবে ভালো রেজাল্ট করতে পারি!!!???

আমাদের মা-বাবা চায় আমরা ভালো রেজাল্ট করি। কিন্তু দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে ও তো দেখতে হবে। আমার বাবা ও আমার আত্ত্বীয়-স্বজন আমার এ রেজাল্ট (৪.৮৩) এর উপর খুশিনা। সবাই আমাকে বকাবকি করছে। কিন্তু আমার স্কুলের মধ্যে ২য় স্থান পাওয়ার পরও কিন্তু তারা অন্যদের রেজাল্ট এর কথা দেখে না, ভাবে না। তাদের কথা আমাকে A+ পেতেই হবে। A+ কি গাছে ধরে যে আমি পেড়ে আনবো। আরো অনেক কথা যা মনের ভিতর জমা করে রেখেছি। কিন্তু বললে শেষ হবে না। থাক। যদিও আমি মারা যাই … তা হলে সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদিও বেঁচে যাই….!!!

আমার কিছু ঋণ রয়েছে
DJ Flower Tuch= সূর্য ৯০০
আমার বন্ধু শুভ= ১০০ (টাকা)
ইসমাইল= ২০০/পূবালী ইলেকট্রনিক শহীদ মার্কেট

[লেখকের বানান রীতি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে]

Photos 30/05/2015

পিএইচডি ফান্ডের জন্য আবেদন বিষয়ক তথ্য

রউফুল আলম, স্টকহোম (সুইডেন) থেকে





প্রতীকী ছবি। সংগৃহীতবিজ্ঞানী গাট্রুড বি এলিয়ন (Elion) পিএইচডির জন্য ১৫টি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দুর্ভাগ্য যে, একটি আবেদনেরও সাড়া পাননি। আত্মপ্রত্যয়ী এই মানুষটিই ১৯৮৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন। এমন উদাহরণ আরও দেওয়া যাবে। অর্জনের পথটাই কণ্টকাকীর্ণ। সেখানে চেষ্টাই সম্বল। সুতরাং আপনি যদি পিএইচডি ফান্ডের জন্য আবেদন করে ক্লান্ত হয়ে যান, গা ঝারা দিয়ে এখনই আবার শুরু করুন।
অধ্যাপকদের মেইল করছেন কিন্তু তারা উত্তর দিচ্ছেন না, তাই তো? অথবা, উত্তর দিলেও বলছেন, কোনো ফান্ড নেই, পজিশন নেই। এটা খুবই সাধারণ চিত্র! এমনটি আপনার, আমার, সবার ক্ষেত্রেই হচ্ছে। হয়তো দু-একজনের ক্ষেত্রে ভিন্ন। তাহলে কী করা যায়? আবেদনের সময় কিছুটা কৌশলী হয়ে দেখা যেতে পারে। যা অনেকের ক্ষেত্রেই কাজে দিয়েছে। হয়তো আপনার জন্যও সহায়ক হবে।
ক) গণহারে সকল অধ্যাপকদের একই মেইল পাঠানো বন্ধ করুন। অভিজ্ঞ অধ্যাপক এগুলো সহজেই বুঝতে পারেন। ফলে এসব মেইল পড়েন না।
খ) আপনার প্রফেশনাল-প্রাতিষ্ঠানিক মেইল আইডি থাকলে সেটা ব্যবহার করুন (gmail, yahoo ইত্যাদি নয়। এসব আইডির মেইল তাঁরা খুব গুরুত্ব দেন না। কখনো কখনো এসব মেইল ওপেনও করেন না)।
গ) যে অধ্যাপকের গ্রুপে আবেদন করবেন, সে গ্রুপের গবেষণার বিষয়বস্তু (Research Focus/Field) সময় দিয়ে পড়ুন। খুব ভালো হয় সাম্প্রতিক প্রকাশিত আর্টিকেল পড়লে।
ঘ) অনেক সময় তার সাম্প্রতিক প্রকাশিত আর্টিকেল পড়ে তাকে ধন্যবাদ দিতে পারেন। আর ধন্যবাদ দেওয়ার মাধ্যমেই গবেষণা কাজটির প্রশংসা করে দু-একটি প্রশ্ন (যৌক্তিক ও আকর্ষণীয়) করতে পারেন। উল্লেখ করতে পারেন যে, আপনি এই বিষয়টি ভালো বোঝেন ও এ বিষয়ে কাজের আগ্রহ অনেক। যোগাযোগের সূচনা এভাবেও করা যেতে পারে।

ঙ) রিসার্চ প্রপোজাল লিখতে হলে, একটি গবেষণা গ্রুপের সাম্প্রতিক প্রকাশিত আর্টিকেল পড়ে সেই আলোকে কিছু করতে চাওয়ার প্রস্তাব দেওয়াই উত্তম। প্রতিটি মানুষ তার সৃষ্টিকর্মে মোহিত (Obsessed)। যে যে বিষয়ে কাজ করে সেটার ওপর প্রপোজাল লিখুন। প্রপোজাল ১-২ পৃষ্ঠার বেশি না করাই উত্তম। গুরুত্বপূর্ণ ডায়াগ্রাম, ফিগার ব্যবহার করতে হবে বেশি করে। সেখান থেকেই যেন এক-নজরে বোঝা যায় কী বুঝাতে চাচ্ছেন।
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীতচ) মেইল আকারে বড় লিখবেন না। মেইলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এটাচ করে দেওয়াই উত্তম। ফাইলের জন্য পিডিএফ ফর্ম ব্যবহার করা ভালো।
ছ) আপনার পাবলিকেশন থাকলে সিভিতে সেগুলোই আগে উল্লেখ করুন। পাবলিকেশনের সঙ্গে DOI (Digital Object Identifier) নাম্বার দিন। সেটা থাকলে আর্টিকেল খুঁজে পাওয়া খুব সহজ (https://dx. doi. org/)। (যদি আপনার আর্টিকেলের DOI নাম্বার না থাকে, তাহলে সেটা আন্তর্জাতিক মানের আর্টিকেল নয়।জ) একজন অধ্যাপক আপনার সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানতে চাইবেন। ফলে সে পরিচিতদের কাছ থেকে আপনার ব্যাপারে শুনতে চায়। সে জন্য রেফারেন্স লেটার গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে রেফারেন্স লেটার হয় গোপনীয় (Confidential)। আমাদের দেশে সবাইকে একটি করে হাতে দিয়ে দেওয়া হয় (আমাদের দেশে সব ছাত্রই অত্যন্ত মেধাবী ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ থেকে বিরত)। চেষ্টা করুন তুলনামূলক পরিচিত গবেষকের কাছ থেকে রেফারেন্স লেটার নিতে।

ঝ) আপনার থিসিস থাকলে সেই থিসিস থেকে একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট তৈরি করুন (এক-দুই পৃষ্ঠা)। বাংলাদেশের এমএস থিসিসের ভলিউম (অন্তত বিজ্ঞানে), পৃথিবীর বহু দেশের পিএইচডি থিসিসের দ্বিগুণ বা ত্রিগুণ। একজন অধ্যাপকের এই থিসিস পড়ার সময় নেই। অধ্যাপক যদি চান, তাহলে পুরো থিসিস পাঠান।
ঞ) মাতৃভাষা ইংরেজি, এমন দেশের অধ্যাপকদের কাছে মেইল লিখতে গেলে ইংরেজির ভাষাগত বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো।
ওপরের বিষয়গুলো আপনার প্রস্তুতির জন্য হয়তো সহায়ক হবে কিন্তু প্রস্তুতিটা আপনাকেই নিতে হবে। শুভ কামনা!

(লেখক ডক্টরাল গবেষক, স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেন। ই-মেইল: [email protected])

সূত্র: প্রথম আলো

Photos 29/05/2015

মনবাসনা পূরণের আমল

আমাদের জীবনের সকল কর্মকাণ্ড আল্লাহর জন্যই। আমাদের ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, ব্যবসায়ীক জীবন, অর্থনৈতিক জীবন, সাংস্কৃতিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন তথা জীবনের সকল ক্ষেত্রে সকল প্রকার কাজকর্ম সব কিছুই আল্লাহর জন্য। যদি এই নিয়তই মানুষের থাকে তবে সকল কাজ মানুষের সহজ হয়ে যাবে, প্রতি শ্বাস-প্রশ্বাস মানুষের ইবাদতে পরিণত হবে। আল্লাহ বলেন-

ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।
অর্থ : আমার নামাজ, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ সকল কিছুই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য।

কেননা মানুষ আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। আর শয়তান আল্লাহর দুশমন। আল্লাহ কুরআনে দুই ধরনের শয়তানের কথা উল্লেখ করেছেন। এক শ্রেণির শয়তান হচ্ছে মানুষ; আর এক শ্রেণির শয়তান হচ্ছে জ্বীন (সুরা নাস)। তাইতো আমাদের ভালো ও মন্দের জন্য এই দুই শ্রেণির শয়তানই দায়ী। আমরা শয়তানের সকল প্রকার কুমন্ত্রণা ও খারাবি থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর সাহায্য প্রত্যাশী।

তাই তো আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য, প্রিয় মানুষকে আরও প্রিয় করে নেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকার আপদ-বিপদ তথা বালা-মুসিবতের মাধ্যমে পরীক্ষা করে থাকেন।

উপরন্তু আল্লাহ তাআলা ও তাঁর প্রিয় হাবীব রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তার কাছে আপদ-বিপদ, বালা-মুসিবত থেকে পরিত্রাণ পেতে তথা মনের নেক মাকসুদ হাসিলে আল্লাহর দরবারে কিভাবে ধরনা দিতে হবে তা কুরআন ও হাদীসে উল্লেখ করেছেন-

কুরআন ও হাদীসের আমলগুলি এই-
১. আল্লাহ বলেন-
উচ্চারণ : ‘রাব্বানা ওয়া লা- তাহ্মিল আ’লাইনা- ইসরান কামা- হামালতাহু আ’লাল্লাজিনা মিন ক্বাবলিনা- রাব্বানা ওয়া লা- তাহ্মিলনা- মা- লা- ত্বা-ক্বাতা লানা- বিহি- ওয়াআ’ফু আন্না- ওয়াগফিরলানা- ওয়ারহামনা- আন্তা মাওলা-না- ফানছুরনা- আ’লাল কাওমিল কা-ফিরি-না’। (সূরা বাকারা আয়াত-২৮৬)।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ওপর ভারী ও কঠিন কাজের বোঝা অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর অর্পণ করেছিলে। হে আমাদের প্রভু! আমাদের উপর এমন কঠিন দায়িত্ব দিও না, যা সম্পাদন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মোচন করো, আমাদের ক্ষমা করো এবং আমাদের প্রতি দয়া করো। তুমি আমাদের প্রভু! সুতরাং অবিশ্বাসী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো।

উৎস : হযরত ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতের বেলায় সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে তা তার জন্য যথেষ্ট। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।

২. আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেছেন-
উচ্চারণ : ‘রাব্বানা- আতিনা মিল্লাদুনকা রাহমাতাও ওয়া হাইয়্যিই লানা- মিন আমরিনা রাশাদা। (সূরা কাহ্ফ : আয়াত ১০)।

অর্থ : হে আমদের রব! আমাদেরকে আপনার নিকট থেকে রহমাত দান করুন এবং আমাদের জন্য আমাদের কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করার তাওফিক দান করুন।

উৎস : তাফসিরে ইবনে কাছীরে এই আয়াতের ব্যাখ্যা এসেছে-
আছহাবে কাহাফের গুহাবাসীগণ যখন বাদশার অত্যাচার নির্যাতনে ঘর-বাড়ি, সমাজ ছেড়ে গুহায় আশ্রয় নিচ্ছিলেন তখন যেন তারা আল্লাহর হুকুম সঠিকভাবে পালন করতে পারেন সে কারণে উক্ত দোয়া করেছিলেন।

৩. তাছাড়া বিপদে মুসিবতে পড়লে আমরা এই আমলটিও সব সময় করতে পারি। আল্লাহ বলেন-

ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাইহি রা-জিউন। (সূরা বাক্বারা : আয়াত ১৫৬)।
অর্থ : আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমাদের সবাইকে তাঁর সান্নিধ্যে ফিরে যেতে হবে।

এ দোয়াটি পাঠ করলে একদিকে যেমন অসীম সওয়াব পাওয়া যায় আবার অর্থের দিকে খেয়াল করলে বিপদের সময় আন্তরিক প্রশান্তি লাভ করা যায় এবং তা থেকে উত্তরণ সহজ হয়।

সুতরাং মানুষ তার মনের একান্ত সৎ কামনা বাসনা, চাওয়া-পাওয়া তথা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর শিখানো ভাষায় ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জবান মুবারকের হাদীসের বর্ণনায় আমল করলে আল্লাহ তাআলা মানুষের সকল প্রকার নেক মাকসেদ পূরণ করতে পারেন।

৪. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপদেশ-
সর্বোপরি মানুষের জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই দোয়াটি সর্বাবস্থায় আমল করবে-

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল আ’যিমুল হালি-ম, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুল আ’রশিল আ’জি-মি, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরযি রাব্বুল আরশিল কারীম।

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে লোক চিন্তা-ভাবনা, পেরেশানী কিংবা কোনো জটিল বিষয়ের সম্মুখীন হবে তার পক্ষে উপরোল্লেখিত বাক্যগুলি পড়া উচিত। তাতে সমস্ত জটিলতা সহজ হয়ে যাবে। (সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম; মেশকাত হাদীছ নং ২৩০৫)

সহিহ বুখারী ও ফাতহুল বারীতে এসেছে-
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি- আউ’যুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়াল আ’ঝজি ওয়াল কিসলি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া যাল্লাআ’দ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজালি।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থণা করছি (সকল প্রকার) চিন্তা-ভাবনা, অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা এবং কাপুরুষতা থেকে, অধিক ঋণ থেকে ও দুষ্টু লোকের প্রাধান্য থেকে।

এছাড়াও বিপদ ও মুসিবতে আরও অনেক দোয়া আছে যেগুলো আমরা সামনের দিনগুলোতে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে মানব কল্যাণে প্রকাশ করব ইনশা আল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের উক্ত আমলগুলো সঠিকভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন আমীন। ছুম্মা আমীন।

তথ্যসূত্র : তাফসীরে ইবনে কাছীর, সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম, ফাতহুল বারী ও মিশকাতুল মাসাবীহ।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়া বিহামদিহি আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।



মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

Photos 20/05/2015

বিদায় আনিছ স্যার, ক্ষমা চাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

গ্রামের সহজ-সরল ছেলে। এসএসসি ও এইচএসিতে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিলেন। উচ্চশিক্ষা নিতে এলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখানেও অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হলেন। তারপর?

তারপর রচিত হল বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ঘৃণ্যতম ইতিহাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তরে লুকিয়ে থাকা শ্রেণী ঘৃণা, বিদ্বেষ আর জিঘাংসার শিকার হয়ে মেধাবী শিক্ষককে চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে যেতে হল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আধাপেট খাওয়া শিক্ষক হিসেবে ধুকে ধুকে মরতে হল।

হ্যা, আমরা অধ্যাপক আনিছুর রহমান স্যারের কথা বলছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এই সাবেক শিক্ষক আর নেই। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার দিনগত রাত ৩টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের তৈয়াসার গ্রামের নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী মুন্নী আক্তার ও ছোট দুই বোনসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহীকে রেখে গেছেন।

সোমরার বিকাল সাড়ে ৫টায় নামাজের জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

আনিসুর রহমান ১৯৬০ সালে চৌদ্দগ্রামের তৈয়াসার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ পুলিশের কর্মকর্তা ছিলেন,মা মাহমুদা খাতুন গৃহিণী। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

আনিছুর রহমান চিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। পনের বছর বয়সে ১৯৭৫ সালে চিওড়া বেগম ফয়জুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান এবং ১৯৭৭ সালে একই বোর্ডের একই বিভাগ থেকে এইচএসসিতে পুনরায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।

পরবর্তীতে আনিছুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান লাভ করে স্নাতক সম্মান (অনার্স) ও স্নাতোকত্তর (মাস্টার) ডিগ্রী অর্জন করেন।

মাত্র ২২ বছর বয়সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন আনিছুর রহমান। দুঃসহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে মাত্র সাত বছর শিক্ষকতা করার সুযোগ পান এই শিক্ষক। এরপর ১৯৮৯ সালে তাকে বিশ্ববিদ্যিালয়ের চাকরি ছেড়ে গ্রামে চলে যেতে হয়। তখন তার বয়স ২৯ বছর।

কী ছিল আনিছুর রহমানের অপরাধ? গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষকরা বরাবরই আনিছুর রহমানের প্রসঙ্গটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরেও বিভাগের সবচেয়ে বড় কলঙ্কের ঘটনাটি কোনো না কোনো ভাবে শিক্ষার্থীরা জেনে যান।

আনিছুর রহমানের অপরাধ ছিল প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা একজন সহজ সরল মানুষ ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার দম্ভ, মেকি পার্সোনালিটি আর সামন্ত আচরণে তিনি অভ্যস্ত হতে পারছিলেন না। বরং সাহেবি প্রথা ভেঙে তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে বন্ধুদের মতো মিশে যেতেন।

গেয়ো, অসংস্কৃত ও আনস্মার্ট আচরণ থেকে বেরিয়ে আসতে আনিছুর রহমানকে অনেক বার শাসানোও হয়। কিন্তু সারল্য আর সহজ জীবনে অভ্যস্ত আনিছুর পড়াশোনা ছাড়া আর কিছুতেই সিরিয়াস হতে পারেননি। যাদের জীবনের কোনো পর্যায়ের উচ্চ শিক্ষাই তার সমান নয় তাদের থেকে আলাদা করতেই যে তিনি স্মার্টনেস দেখাতেন না তা অবশ্য কখনোই মুখে বলেননি তিনি।

এক পর্যায়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে আনিছুর রহমানকে এক ঘরে করে ফেলা হয়। তার সাথে উচ্চকোটির শ্রেণীদম্ভে বিশ্বাসী শিক্ষকরা কেউ কথা বলতেন না। গোপনে শিক্ষার্থীদেরও লেলিয়ে দেয়া হয় তার বিরুদ্ধে। শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতও করা হয় তাকে। আঘাত করা হয় তার মানিবক মর্যাদায়।

একদিন সব ছেড়েছুঁড়ে তৈয়াসা গ্রামে ফিরে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ মেধাবী শিক্ষক আনিছুর রহমান। গ্রামের মানুষ প্রথমে অবাক হলেও সারল্য আর মিশুক স্বভাব দেখে সবাই তাকে বুকে টেনে নেন।

পাগলাটে অপবাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দেওয়া আনিছুর রহমান কিন্তু শিক্ষকতা পেশা ছাড়েননি। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসিবে যোগ দেন তিনি। দরদ দিয়ে পড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে অসামান্য জনপ্রিয়তাও অর্জন করেন তিনি।

আনিছুর শেষ পর্যন্ত সংসারিও হয়েছিলেন। তিনি মুন্নী আক্তার নামে এক তরুণিকে বিয়ে করেন। অবশ্য আনিছ-মুন্নী দম্পতি ছিলেন নিঃসন্তান।

মেধাবী আনিছুর রহমান উচ্চ শিক্ষিত সমাজের কূটিলতায় শিকার হয়ে কষ্টকর জীবন যাপন করতে গিয়ে এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। খুব কম বয়সেই তার শরীর ভেঙে পড়ে, দ্রুত তিনি বুড়িয়ে যেতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন।

সর্বশেষ বারডেম হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ধারাবাহিক চিকিৎসার মধ্যেই রবিবার রাতে আনিছুর রহমান মারা যান।

আনিছুর রহমানের সরাসরি ছাত্র ছিলেন এমন অনেকেই এখন বাংলাদেশের সংবামাধ্যমের উচ্চপদগুলোতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কেউ কেউ সম্পাদক পদেও আসীন আছেন। তার ছাত্র ও ছাত্রীরা সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি অনেক প্রভাব বিস্তার করতে পারলেও নিজেদের শিক্ষকের দুঃখ আর বেদনাবোধ ঘুচাতে পারেননি তারা। প্রতিকার তো দূর কল্পনা। অবশ্য তাদের অনেকে এই শিক্ষকের খোঁজখবরও রাখেননি। স্বীকার্য কেউ কেউ শেষ বেলায় শাপমোচনের উদ্যোগ নেন, দীপ নেভার কিছুক্ষণ আগে তার অসুখে শরীরটা সারানোর চেষ্টা করেন তারা।

মৃত্যুর পর আনিছুর রহমানের জন্য একটি শোকবাণী ইস্যু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, ‘আনিসুর রহমান ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষক। সাংবাদিকতা শিক্ষার ক্ষেত্রে তার কর্মকান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’।

ভিসি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার পরিবারের শোক-সন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সম্ভবত আনিছুর রহমানের মৃত্যুর পর তড়িঘড়ি শোকবাণীর চেয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করাই ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র কর্তব্য, বিশেষ করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের।

দুঃসহ জীবন থেকে বিদায় আনিছুর রহমান স্যার, ক্ষমা প্রার্থনায় নত হও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়!

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka