Dynamic Creation
Dynamic Creation is a trusted online shop. It provides authentic Indian, local and others dress collections.
21/10/2023
ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়কে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল, রাহুল দ্রাবিড় সেটা ফিরিয়ে দিয়েছেন।
শুধু ফিরিয়ে দিয়েছেন তা নয়, তার সাথে চমৎকার একটি বক্তব্য দিয়েছেন, তিনি বলেছেন- আমার স্ত্রী ডাক্তার, সে এই ডাক্তার ডিগ্রীর উপাধি পেতে অসংখ্য বিনিদ্র রজনী ও দিবস কাটিয়েছে। আমার মা স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক, তিনি এই ডিগ্রীর জন্য দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর অপেক্ষা করেছেন, অধ্যবসায় করেছেন। ক্রিকেট খেলতে অনেক পরিশ্রম করেছি ঠিক, কিন্তু সেই পরিমাণ পড়াশুনা আমি করিনি, কাজেই এই ডিগ্রী আমি নেই কীভাবে?
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতার ফলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৩০ লাখ এবং কোচিং স্টাফদের ২০ লাখ রুপি করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করে। প্রধান কোচ দ্রাবিড় হওয়ার দ্রাবিড়কে ৫০ লাখ রুপি দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি দ্রাবিড়ের কাছে বৈষম্যের মনে হয়। তার মতে, দলকে জেতাতে দলের অন্যান্য কোচিং স্টাফরাও সমান ভূমিকা রেখেছে। তবে এই বৈষম্য কেন? পরে তার অনুরোধে দ্রাবিড়সহ দলের অন্যান্য কোচিং স্টাফদের সবাইকে ২৫ লাখ রুপি অর্থ পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়।
💙"মানুষ তো সবার ঘরে জন্মায় ,
কিন্ত মনুষ্যত্ব সবার ঘরে জন্মায় না |"💙
( মানুষের ধর্ম ) কবিগুর
06/09/2023
Very true for all of the boys amd girls also
07/08/2023
❤️Good Reviews means always Inspiration...
06/06/2023
#অনুধাবন
আমি বরাবরই স্বাবলম্বী, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পছন্দ করি। এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই টিউশনি শুরু করি, যদিও তার কোন প্রয়োজন ছিল না। আমার বাবা সরকারি একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাজেই টাকা পয়সা আমার কাছে কোন সমস্যা না। কিন্তু আমি বরাবরই চেষ্টা করেছি নিজে কিছু করতে। আমরা তিন ভাই বোন, বড় ভাই ভাবী বিয়ের পর থেকে আলাদা ভাবে নিজেদের সংসার গুছিয়ে নিয়েছেন যদিও একই শহরে বসবাস আর আমার একমাত্র ছোট বোন বিথী কলেজে পড়ছে। জানিনা কিভাবে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার সঙ্গে সঙ্গেই মোটামুটি মানের একটা চাকরি পেয়ে গেলাম। এ বাজারে চাকরি পাওয়া ভীষণ কঠিন, যেখানে মাস্টার্স কিংবা এমবিএ করা অনেক ছেলেমেয়ে চাকরি পাচ্ছে না সেখানে আমার চাকরি পেয়ে যাওয়াটা অনেকটাই কল্পনার মতো। বেতন খুব একটা বেশি না মাত্র ২৫ হাজার টাকা। হাজার পাঁচেক টাকা হাতে রেখে মায়ের হাতে বাকি টাকা তুলে দিতাম, এমন না যে আমার পরিবার আমার টাকার উপর নির্ভরশীল। আমার পরিবার সচ্ছল এটা আগেই বলেছি কিন্তু এতে আমি এক ধরনের আত্ম তৃপ্তি পেতাম। মাস্টার্স পড়তে পড়তেই আমার বিয়ে হয়ে গেল । বুয়েট থেকে পাশ করা এক ইঞ্জিনিয়ার ছেলের সঙ্গে, সভ্য সুন্দর ছোট ফ্যামিলি। ও বাড়ির মোটামুটি সবাই আমাকে আপন করে নিল।
বিয়ের মাসখানেক পরে স্যালারির টাকা হাতে পেয়ে মাকে ফোনে বললাম
-মা, আমাকে একটু সাহায্য করো না
-কি?
-দেখো, আমি এই বাড়িতে বউ হয়ে এসেছি, সবাই আমাকে অনেক ধরনের উপহার দিয়েছে, আমারও ইচ্ছে করছে ওদেরকে কিছু একটা দিই কিন্তু কাকে কি দেবো কিছুই বুঝতে পারছিনা
-তুই কি বেতন পেয়েছিস?
-হ্যাঁ মা
-যা খুশি দে, মেয়ে বড় করেছি, শ্বশুর বাড়ি গিয়েছে। এখন তো আমরা পর, শ্বশুর বাড়ির লোকজনের জন্যই তো সব করবে। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম মা ফোন কেটে দিলো।
পরমুহূর্তেই অনুধাবন করলাম নিয়মিত উপহার কে মানুষ নিজের প্রাপ্য হিসেবে বিবেচনা করে। তাই যত কাছের মানুষই হোক মাঝে মাঝে তাকে বুঝতে দেওয়া উচিত এটা তোমার প্রাপ্য নয়, আমি খুশি হয়ে দিচ্ছি।
ভাইয়ার চাকরির সুবাদে প্রায় সারা সপ্তাহেই তাকে ব্যস্ত থাকতে হয়, শুধুমাত্র শুক্রবার বন্ধ। আর ওই শুক্রবারে ভাইয়া ভাবীকে একটু সময় দেয় মানে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, একাকী একটু সময় কাটানো , যদিও তারা আলাদা বাসাতেই থাকে। আমিও বিয়ের আগে প্রায় প্রতি শুক্রবার তাদেরকে ছুটি দিয়ে একমাত্র ভাতিজিকে সঙ্গ দিতাম। আমার ভালই লাগতো কিন্তু বিয়ের পর সেটি তো আর সম্ভব না। আমার নিজের এখন পরিবার আছে। আস্তে ধীরে লক্ষ্য করলাম ভাবী আমাকে ফোন করা কমিয়ে দিয়েছে, না ভুল বললাম আসলে ফোন করেই না। নিজে থেকে ফোন করলেও ব্যস্ত আছি বলে রেখে দেয়। শেষবার যখন কথা বলেছিলাম তখন বলেছিল,
- এখন তো আর আমাদের জন্য তোমার সময় হবে না নিজের সংসারটাই মনোযোগ দিয়ে করো, আর আমি সারা সপ্তাহ চুলা ঠেলবো আর বাচ্চা পালবো, কপাল আমার! বলার সময় খুব বলবে আমার ভাতিজি, আমাদের রক্ত। আরো নানান আজেবাজে কথা বলে নিজ থেকেই লাইনটা কেটে দিলো।
আর আমি অনুধাবন করলাম আমার আদরের ভাতিজিকে আমার সময় দেওয়া, আদর যত্ন ভালোবাসা দেয়ার ঘটনাটাকে তারা সার্ভিস হিসেবে বিবেচনা করেছে যেটাকে বলা হয় বিনামূল্যে সার্ভিস। এজন্যই বোধহয় মাঝে মাঝে স্বার্থপর হতে হয়, নিজেও সারা সপ্তাহ ক্লান্তিকর ক্লাস কিংবা অফিসের ফাঁকে একটা দিন বোধহয় আমার নিজেকে দেয়া উচিত ছিল।
বিয়ের বছর খানেক পর মায়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। ছোট বোন বিথী ছুটে এসে শরবত বানিয়ে দিল । অবশ্য আমি একাই এসেছি, আমার সঙ্গে সৈকত মানে আমার স্বামী আসেনি, আমি অফিস থেকে সরাসরি এসেছি।
-আরে আপা, তোর গলার চেইনটা তো খুব সুন্দর আর লকেটটাও।দে না আমাকে, আমি কিছুদিন ব্যবহার করি।
বিয়ের আগে আমার সবকিছুই বিথীর অধিকারে ছিল তাই ও যখন বললো আমি কিছু মনে করিনি বরং সুন্দর করে বুঝিয়ে বললাম,
- আরে এটা আমার অ্যানিভার্সারি গিফট রে, তোর ভাইয়া আমাকে দিয়েছে আর সবসময় গলায় রাখতে বলেছে তোকে বরং একই রকম আমি একটা বানিয়ে দেব।
বিথী মুখ কালো করে উঠে চলে গেল এবং আমি প্রায় ঘন্টাখানেক ছিলাম ও আর আসেনি। আমি অনুধাবন করলাম কাউকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তোলাটা এক ধরনের বোকামি, প্রথম থেকেই ওকে বুঝিয়ে দেয়া উচিত ছিল সবকিছু চাইলেই পাওয়া যায় না, কিছু ক্ষেত্রে লিমিটেশন থাকে , এই ক্ষেত্রে বোধহয় একটু স্বার্থপর হওয়াই যায়।
বিয়ের পর প্রতিদিন সকালে আমার রুটিন হচ্ছে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা তৈরি করে সৈকতকে জাগিয়ে তুলে ওকে খাইয়া অফিসে পাঠিয়ে নিজে রেডি হয়ে অফিসে যাওয়া। আগের রাত্রে ঘুম আসছিল না, ঘুমোতে ঘুমোতে ভোর হয়ে গেছে উঠতেও তাই দেরি হয়েছে। প্রচন্ড জোরে ধাক্কায় ঘুম ভাঙলো। তাকিয়ে দেখি সৈকত রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে
-কয়টা বাজে খেয়াল আছে? আমি অফিসে যাব না! নাস্তা বানাবে কে, কখন খাবো, কখন যাবো, নাকি তোমার জন্য চাকরিটাও ছেড়ে দেবো?
এত ছোট একটা ঘটনায় এই ধরনের বাড়াবাড়ি আমার কাছে পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত ছিল। আমি অনুধাবন করলাম বছরে ৩৬৪ দিন যে মানুষটার জন্য আমি শ্রম দিচ্ছি একদিন যখন সেই শ্রমটা দিতে পারছি না সেটাই বিশাল ডাইনোসরের মত আমাকে গিলে খেতে আসছে তাই বোধহয় মাঝে মাঝে নিয়ম ভাঙ্গতে হয়, আমি মানুষ রোবট নই, আমারও ঘুম প্রয়োজন আমারও ক্লান্তি আসে এই জিনিসগুলো বোধ হয় আগেই বুঝিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। হয়তো তাতে আমাকে কিছুটা স্বার্থপর মনে হবে তারপরেও সেটাই বোধহয় সৈকতের প্রাপ্য।
আমার শাশুড়ির হাই প্রেসার, ডায়বেকটিস । নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় । কোন বেলায় কোন ওষুধটা খেতে হবে সব দায়িত্বই আমি পালন করি। একদিন ভুল করে এক বেলার ওষুধ সাজিয়ে রাখতে ভুলে গেলাম। অফিসে প্রচন্ড ব্যস্ত ছিলাম তার মাঝে বাসা থেকে ছয়টা ফোন, কোনভাবে ফোনটা ধরলাম
-বৌমা এখনই বাড়িতে আসো
-কেন মা কি হয়েছে?
-তুমি জানো না আমাকে সব সময় ওষুধের উপরে থাকতে হয়, এবেলার ওষুধ কোথায়? আমাকে মেরে ফেলতে চাও! আমি কি চিরাচরিত শাশুড়ির মত যে বউয়ের পেছনে লেগে থাকি? আমাকে মেরে ফেলে নিজের সংসার সাজাতে চাও? আরো অনেক কথা বললেন উনি ফোনে, আমার কান ঝাঝা করছিল। উনি শক্ত সমর্থ একজন মহিলা,এমন নয় চোখে কম দেখেন, নিজের ওষুধ নিজেই নিয়ে খেতে পারেন, তাছাড়া আমি আসার আগেও তো নিজেরটা নিজেই খেতেন। সাথে সাথে আমি অনুধাবন করলাম ভুল আমারই ছিল, হাজারটা দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে নিয়েছিলাম। মাঝে মাঝে অযাচিত দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে হয়, ঝাড়া হাত পা নিয়ে তথাকথিত স্বার্থপর হয়ে ভালো থাকতে হয়।
আমি অনুধাবন করেছি কিছুটা স্বার্থপর হয়ে যদি ভালো থাকা যায় তাহলে সমস্যা কোথায় ? যার যেটা প্রাপ্য শুধুমাত্র সেটুকুই তাকে দেয়া উচিত। অকৃত্রিম ভালোবাসাকে কেউ যদি তার অধিকার মনে করে সেটা এক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি এখন মা-বাবাকে বিভিন্ন উপলক্ষ্যগুলোতে উপহার দেই, তাছাড়াও বাড়িতে যাওয়ার সময় এটা সেটা টুকটাক জিনিসপত্র, ফলমূল নিয়ে যাই, বিথীকে মাঝে মাঝে হাত খরচ দেই তবে অবশ্যই সেটা নিয়মিত না, ওর বার্থডে কিংবা কোন স্পেশাল ডে তে উপহার দেই। ভাই ভাবীর বাসায় মাঝে মাঝে বেড়াতে যাই তাদেরকেও দাওয়াত করি । সকালে সৈকতের যেমন অফিস থাকে আমারও তেমন অফিস থেকে আর দুজনই টায়ার্ড হয়ে অফিস থেকে ফিরি। তাই মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে রান্নাবান্না করি, অবশ্য সৈকত নিজেও এখন মাঝে মাঝে আমাকে সাহায্য করে বাকিটা কাজের মেয়ে সামলে নেয়। শাশুড়ি মাকেও সারা মাসের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধগুলো একেবারে বুঝিয়ে দিই, উনি এখন অভ্যস্ত এবং নিজেই বুঝতে পারেন। আমি অনুধাবন করেছি এক জীবনে সবাইকে খুশি রাখা কখনোই সম্ভব না, এমনকি নিজের সর্বোচ্চ টুকু দিয়েও। তাই নিজেকে ভালো রাখার জন্য মাঝে মাঝে হয়তো কিছুটা স্বার্থপর হওয়া জরুরি হয়ে পড়ে । যদিও সমাজের চোখে এটা তথাকথিত স্বার্থপরতা কিন্তু আমার কাছে এটা হচ্ছে নিজেকে ভালো রাখার মূল মন্ত্র আর নিজে ভালো না থাকলে কাছের প্রিয় মানুষগুলোকে ভালো রাখা কখনোই সম্ভব না।
#কালেক্টেড
হ্যা, আমিও মনে করি, কারো উপকার করলে সেটা টানা করতে নেই, মানুষ উপকার কে অধিকার মনে করে বসে। যেমন অতিরিক্ত ভালবাসা কে মানুষ দুবলতা মনে করে এবং নিজেকে অনেক কিছু ভেবে অপরপক্ষ কে অবজ্ঞা অবহেলা দেয় সেই রকম।
কখনোই কারো জন্য ই মন প্রাণ উজার করে করার কিছুই নাই 😊। যে যেটার যতটুকু যোগ্য তাকে ততটুকু দেয়াই শ্রেয়। ৯৯% মানুষ ভালবাসা উপকার এগুলোকে গুলিয়ে ফেলে এবং অসম্মানিত ও আহত করে ফ্লেএ সুন্দর অনুভূতি গুলোকে। তাই যত আপন ই হোক, তাজে বুঝানো উচিত যা তোমাকে দিয়েছিলাম, এটা আমার ভালবাসা বা সম্মান ছিল,যা স্পেশাল কিছু,
যা এত সহজে কেউ পায় না। মুল্যায়ন করতে শিখো।
05/06/2023
💙প্রেম-ভালোবাসা, বিয়ে এর ক্ষেত্রে বংশ/ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 💙
#ধর তুমি বদরুল। পড়ছ প্রাইমারী স্কুলে, পাব্লিক ভার্সিটিতে। ছোটবেলায় শখ আহলাদ বলে কিছুই তোমার ছিল না। সারাজীবন বাবা-মা র কাছে ফিজিকালি আর মেন্টালি এবিউসড হইছ।
আগের জন্মে কোন এক পূণ্যের কারণে ধনীর দুলালী আফসানার সাথে তোমার বিয়ে হল। আফসানার বাবা-মা আফসানার জন্য কোন কিছু করা বাকি রাখে নাই। সে যা চাইছে পাইছে।
এখন আফসানা তার বন্ধুদের সাথে হ্যাংআউটে গেলে তোমার খারাপ লাগে। কারণ তোমার ফ্যামিলিতে মেয়েদের এত খুশী দেখে তুমি অভ্যস্ত না।
সারাজীবন নিজের মা কে রান্নাঘরে পচতে দেখে তুমি অভ্যস্ত।মেয়ে মানুষ বাচ্চা নিবে,সারাদিন লাগায়া ১৪ পদ রান্না করবে তাও দিনশেষে তার হাজার টা দোষ,ভুলের শেষ নাই। তুমি বা তোমার মা কেউ ই চাবে না আফসানা রান্না না করে ঘুরে বেড়াক না চাকরি করুক,একটু সাজুক,একটু হাসুক, মানুষের সাথে মিশুক, নিজের মত বাচুক- চাই বা না।কারন তোমার সেই রকম চিন্তার করার সেই কালচার ই নাই।
আফসানা যে নিজের মত থাকতে চায় এটাও তোমার ভাল লাগে না। কারণ, একে অন্যের বদনাম করা তোমাদের কাছে আন্তরিক গল্প করা আর একে অন্যের পিছে আঙুল দেওয়াই তোমাদের পারিবারিক রীতি।
আফসানার ভাল থাকাটাকে তোমার মনে হবে স্বার্থপরতা। কেননা, নিজের ভালো চাওয়াটাকে তোমার ফ্যামিলিতে এভাবেই দেখা হয়।
আসলে তোমার ও দোষ নাই। যে পাখি উড়তে পারে না সে উড়াটাকে পাপ না ভাবলে মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হবে।
এইকারণে বিসিএস ক্যাডার, ইউএস সিটিজেন, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার এসব দেখে বিয়ে দেওয়ার আগে, পরিবারটাও দেখবেন। পরিবার যদি ফকিন্নী মার্কা হয়, পাত্র/পাত্রী নিজ গুণে বিলগেটস হলেও কোথাও না কোথাও রিস্ক থেকে যায়।
❤️হুট করে দুইটা পয়সা বেশি কামানো যতটা কঠিন
জাতে ওঠা তার চাইতে শত গুণে কঠিন।❤️
লেখক : রূপম
#জীবন_থেকে_নেয়া_সিরিজ
04/06/2023
যারা কাউকে হারিয়ে বা জীবনের যেকোন ধবংসের কারনে একটু পিছিয়ে পড়েছেন এন্ড খুব ডিপ্রেশনের মধ্যে আছেন।
এই গল্পটা তাদের জন্য 😊।
একটা পাখি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছিল যে, আল্লাহ..!! আমি খুব কষ্ট করে আমার ঘরটা বানিয়েছিলাম।তুমি তুফান দিয়ে আমার ঘরটা উড়িয়ে দিলে।কেন এমন করলে🤔??
তখন আল্লাহ উওরে বলছিলেন তুমি তখন ঘুমাচ্ছিলে,আর তোমার ঘরে একটা সাপ ঢুকছিল তোমাকে খাওয়ার জন্য।তাই আমি তুফান দিয়ে তোমার ঘরটা ভেঙে দিলাম।যার জন্য তুমি উড়ে যেতে পারছিলে।
এই গল্পটা শুনে কি বুঝতে পারলেন😔।
আমাদের জীবন থেকে কিছু মানুষকে আল্লাহ নিজেই কেড়ে নেন,এই জন্য যেন ভবিষ্যৎতে তারা আমাদের জীবনের ধ্বংসের কারন না হয়ে দাঁড়ায়।অনেক সময়েই আমরা হতাশাগ্রস্ত হই,টেনশানে পড়ে যাই,ঘুমাতে পারি না, ভাবি কেন আমার সাথেই এমন হলো, অথচ হয়ত ওর পেছনে এমনি কোন কারন আছে যা এক আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না।তাই জীবনে যেমন ভাংগন ই আসুক কখনো ভেংগে পড়া যাবে না,শেষ অবধি দেখার জন্য পথ চলতেই হবে,থামানো যাবে না।সবসময় ভাবতে হবে,যা হয়েছে এটার মধ্যেই হয়ত কোন সমাধান আছে আমার জন্য,হয়ত আমি এখন দেখতে পাচ্ছি না।একদিন অবশ্যই সব হিসাব মিলে যাবে, সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবো এর সেইটা মেলানোর জন্য ই শেষ অবধি আমার পথটুকু আমি হেয়ে যাব।
একমাত্র আল্লাহ পাকই উওম পরিকল্পনাকারী।
আল্লাহামদুলিলাহ 🖤
10/03/2023
New arrival : Piani Cotton Three Pices
(High Quality Cotton Fabrics)
Urna : Cotton paka 5hat
Salower : 2.5 metre (Cotton)
Body: free size
Long: 52
Print: screen print
Price 950 tk
Delivery : Inside Dhaka 80 tk,
Outside Dhaka 150 tk.
01/03/2023
💚Offer only 2days 1000 taka only
(প্রতিটি ড্রেস)
🌿অরিজিনাল জয়পুরি।
👉পিওর কটন প্রিমিয়াম কোয়ালিটি।
👉স্পেশালিষ্ট সুন্নতি গোল জামা হবে
👉ড্রেস হাতে পেয়ে কোয়ালিটি নিশ্চিন্ত করে টাকা পরিষোধ করবেন।
👉অরিজিনাল পিকচার কালারে ঝামেলা হবেনা।
💚প্রাইজ মাত্রঃ 1000 /- টাকা ফিক্সড
💚অযথা ইনবক্সে কেউ দরদাম করবেন না
আমাদের পেইজ নাম্বারঃ 01878-197757
ম্যাটাটিয়ালসঃ পিওর ১০০% লাক্সারিয়াস কটন
কামিজের লম্বা ৫০' বডিতে ফ্রি সাইজ(৩.০০)
সালওয়ার আটাইগজ(২.৫০)
💚ওড়না সম্পুর্ন নামাজী সাড়ে ৫হাত
কালার এর ক্ষেত্রে মানি ব্যাক গ্যারান্টি 💚
💚ডেলিভারি চার্জ:- ঢাকা ৮০/- টাকা
ও ঢাকার বাহিরে ১৫০/- টাকা
05/02/2023
❤️একটি সুন্দর বিছানার চাদরই যথেষ্ট ঘরকে আরও বেশি সুন্দর করতে❤️
❤️ বিছানার চাদর প্রি অডার নেয়া হচ্ছে ❤️
❤️পছন্দ হলে ছবি সহ ইনবক্স করুন।
❤️Beautiful Sharee for Falgun... :)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House/80/2, Middle Paik Para, Mirpur-1
Dhaka
1216