Customize Recipe
Visual Content Creator
18/12/2025
ঘরে থাকা রান্নাঘরের উপকরণ দিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রবণতা এখন অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বিশেষ করে প্রাকৃতিক উপাদানে ভরসা করা মানুষের কাছে অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল একটি পরিচিত নাম। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে মিশরের রানী ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যচর্চার সঙ্গেও অলিভ অয়েলের ব্যবহার জড়িয়ে আছে বলে প্রচলিত রয়েছে। খাবারের ক্ষেত্রে এই তেল যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি ত্বকের যত্নে এর ব্যবহার নিয়ে রয়েছে নানা মত।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বকে ব্যবহারযোগ্য অলিভ অয়েল সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে। এটি নির্ভর করে ত্বকের ধরন, ব্যবহারপদ্ধতি ও সময়ের ওপর।
ত্বকে অলিভ অয়েলের সম্ভাব্য উপকারিতা
রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, অলিভ অয়েলে থাকা উপকারী চর্বি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক আর্দ্র রাখতে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে এর উপকারিতা কিছুটা বেশি দেখা যায়।
রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, “শীতকালে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে। ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও ঘরের ভেতরে হিটার ব্যবহারের কারণে ত্বক থেকে দ্রুত পানি শুকিয়ে যায়। এমন অবস্থায় ভেজা ত্বকে অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে তা ত্বকের ওপর একটি আবরণ তৈরি করে, যা ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।”
তার মতে, অতিরিক্ত শুষ্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষেত্রে এটি উপকার দিতে পারে।
ক্ষত সেরে ওঠায় ভূমিকা
জলপাইয়ের তেলে থাকা প্রদাহনাশক উপাদান ত্বকের হালকা ক্ষত বা শুষ্কতার কারণে ফাটল সেরে উঠতে সহায়তা করতে পারে।
শারমিন কচি বলেন, “অলিভ অয়েলের কিছু উপাদান ত্বকের ভেতরে কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, যা ক্ষত দ্রুত সারাতে ভূমিকা রাখে। তবে গভীর ক্ষত বা সংক্রমণের ক্ষেত্রে নিজে নিজে এটি ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।”
বার্ধক্যের ছাপ কমাতে কতটা কার্যকর
অলিভ অয়েলে থাকা ভিটামিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত আর্দ্রতা পেলে ত্বক কিছুটা মসৃণ দেখায় এবং সূক্ষ্ম রেখা কম চোখে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বয়সজনিত পরিবর্তন পুরোপুরি ঠেকাতে পারে না।
ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য ঝুঁকি
যেসব উপকারিতার কথা বলা হয়, তার পাশাপাশি অলিভ অয়েলের কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষ করে তেলতেলে ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের ক্ষেত্রে।
রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, “অলিভ অয়েল তুলনামূলক ভারী তেল। এটি ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। ফলে ব্রণপ্রবণ ত্বকে ব্রণের সমস্যা আরও বাড়তে পারে। মুখে নিয়মিত ব্যবহার করলে জ্বালা, লালচে ভাব ও নতুন ব্রণ দেখা দিতে পারে।”
রোদে বের হওয়ার আগে ব্যবহার নিয়ে সতর্কতা
বিশেষজ্ঞরা রোদে বের হওয়ার আগে অলিভ অয়েল ব্যবহারে সতর্ক করছেন। তাদের মতে, এই তেল লাগিয়ে রোদে গেলে ত্বকের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে এবং ত্বকের রং কালচে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কখন ও যেভাবে ব্যবহার তুলনামূলক নিরাপদ
শারমিন কচির পরামর্শ অনুযায়ী, অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে চাইলে তা রাতে গোসলের পর করাই ভালো। গোসলের পর ত্বক হালকা ভেজা অবস্থায় কয়েক ফোঁটা তেল লাগালে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। হাত, বাহু ও পায়ের মতো অংশে ব্যবহার তুলনামূলক নিরাপদ। মুখে ব্যবহার করলে পরিমাণ খুবই কম হওয়া জরুরি।
অলিভ অয়েলের বিকল্প কী হতে পারে
সব ধরনের ত্বকের জন্য অলিভ অয়েল উপযোগী নয়। সেক্ষেত্রে হালকা ও দ্রুত শোষণযোগ্য তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জোজোবা তেল ত্বকের স্বাভাবিক তেলের সঙ্গে মিল থাকায় সহজে শোষিত হয় এবং রোমকূপ বন্ধ করে না। আর ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য টি ট্রি তেল জীবাণুনাশক হিসেবে কার্যকর হতে পারে বলে জানান রূপবিশেষজ্ঞরা।
17/12/2025
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য ও তন্তুযুক্ত অংশ, যা বাঙালি খাবারে বহুদিন ধরে পরিচিত। গ্রামবাংলার রান্নায় কলার থোড়ের তরকারি যেমন জনপ্রিয়, তেমনি এর রসও ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, পটাসিয়াম ও উদ্ভিদজাত উপকারী যৌগ, যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সহায়তা করে।
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে ভূমিকা
কলার থোড়ের রস কিডনিতে পাথর তৈরি বা বৃদ্ধি রোধে সহায়ক বলে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। গবেষণায় দেখা গেছে, অপ্রক্রিয়াজাত কলার থোড় প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয় এবং খনিজ কণাকে পাথরে রূপ নেওয়া থেকে বাধা দেয়।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
কলার থোড়ে থাকা পেকটিন, লিগনিন ও বিভিন্ন পলিফেনল জাতীয় জৈব সক্রিয় উপাদান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে এবং শরীরে গ্লুকোজ ব্যবহারের প্রক্রিয়া উন্নত করে। ফলে রক্তে অতিরিক্ত শর্করা জমার ঝুঁকি কমে।
অন্ত্রের কার্যকারিতা ও হজমশক্তি বাড়ায়
কলার থোড়ে থাকা খাদ্যতালিকাগত ফাইবার, বিশেষ করে অদ্রবণীয় ফাইবার, মলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। এতে অন্ত্রের স্বাভাবিক গতিবিধি বজায় থাকে। গবেষণায় জানা যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি ও অন্ত্র পরিষ্কারে কলার থোড় কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে কলার থোড় খেলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং পেট ভরা ভাব দীর্ঘস্থায়ী থাকে।
শরীরের বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে সহায়তা
কলার থোড় শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্স প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এটি প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি ও বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে। একই সঙ্গে মূত্রতন্ত্র পরিষ্কার রাখতে ভূমিকা রাখে এবং মূত্রনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে। কম ক্যালোরিযুক্ত এই খাবারে থাকা পটাসিয়াম ও অন্যান্য ইলেক্ট্রোলাইট শরীরের তরল ভারসাম্য ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।
#কাষ্টমাইজ_রেসিপি
পৃথিবীর সব থেকে Thankless job.
হোমমেকার
সবাই সেবা নেই,তবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
27/10/2025
ফ্রিজে ইলিশ মাছ নাই বলে 😒
07/10/2025
ফুচকা নাকি ভেলপুরি😋 সাধের লড়াইয়ে জিতবে কোনটা।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
58/1/A
Dhaka
1000