Md.Golam Rabbi

Md.Golam Rabbi

Share

Imperfect

21/02/2026

ঘটনাটি ঘটেছিলো মাত্র কয়েক মিনিটের। লিটারালি কয়েক মিনিটেরই।

মুশফিকুর রহিম তখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন। রাত এগারোটার দিকে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ শেষ হয়। মুশফিকুর রহিম একটা স্ট্যাটাস দেন। লেখাছিলো, "এখন ভালো ঘুম হবে। ঘুমাতে যাই। ইন্ডিয়াকে হারতে দেখা সত্যিই সুখকর।"
মাত্র কয়েক মিনিট ছিলো স্ট্যাটাসটি। তারপর মুশফিক সেটা ডিলিট করে দেন। তবে এরমধ্যেই লক্ষ লক্ষ স্ক্রিণশট আর শেয়ার ছড়িয়ে পড়ে।

এর ফল কী হয় জানেন? মুশফিক সকল ফরমেটের ক্যাপ্টেন্সি থেকে বাদ পড়েন। তার খেলোয়াড়ি জীবনে আর কখনো তাকে ক্যাপ্টেন করা হয়নি। মাঠে যিনিই ক্যাপ্টেন থাকুন না কেন, মুশফিক কিন্তু ক্যাপ্টেনের মতোই রোল প্লে করেন। খেলার আগে পরে অসংখ্য ম্যাচে খেলোয়াড়দেরকে ক্যাপ্টেনের পরিবর্তে তাকেই ব্রিফ করতে দেখা গেছে। তবু মুশফিকের আর ক্যাপ্টেন হওয়া হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ে। ধারণা করা হয়, সেটি আন্তর্জাতিক রুট ব্যবহার করে গোপণে বাংলাদেশ হয়ে সেভেন সিস্টার্সের কোন অঙ্গরাজ্যে যাচ্ছিলো। বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার তত্ত্বাবধানে সেটা আটকে দেওয়া হয়। তখন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন লুৎফুজ্জামান বাবর। মামলায় অযাচিতভাবে ইন্ডিয়া তারেক রহমান এবং মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর নাম জড়ানোর চেষ্টা করে।

নিজামী সাহেবকে সেকারণেই ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। তারেক রহমানকে টর্চার করে দেশ ছাড়া করা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে ভরা হয়। বাবরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নিরূপায় হয়ে সাময়িক সময়ের জন্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে প্রতিবেশী এবং ডিপস্টেট। তবে বাবর বা মুশফিকের না ফেরাটা একই সুতোয় গাঁথা। রাজনীতি আর খেলা কোনোকিছুই প্রতিবেশীর দৃষ্টির বাইরে নয়।

19/02/2026

জনগণের হাতই নাই। সব হাত বিএনপি,আওয়ামী আর ভারতীয়...

16/01/2026

শরীয়াহ কোনো স্লোগান নয়—এটি রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যতার প্রশ্ন___

"শরীয়াহ চাই”—এই দুই শব্দ উচ্চারণ করলেই কোনো রাষ্ট্র ইসলামি হয়ে যায় না। শাসনব্যবস্থা বদলায় না।
ইনসাফ নিজে নিজে প্রতিষ্ঠিত হয় না। শরীয়াহ কোনো আবেগী মিছিলের স্লোগান নয়। কোনো হঠকারী বক্তৃতার হাততালি নয়।

শরীয়াহ একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রব্যবস্থা—যার জন্য প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্ব, জনসমর্থন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি।

যদি শুধু স্লোগানেই শরীয়াহ কায়েম হতো, তাহলে আজকের দুনিয়ায় অন্তত একটি ভূখণ্ডে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য শরীয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থা দৃশ্যমান থাকত।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—বর্তমান বিশ্বে পরিপূর্ণ ও কার্যকর শরীয়াহ শাসন অনুপস্থিত।
এই ব্যর্থতার দায় শুধু পশ্চিমা আধিপত্য বা জালিম শাসকদের ওপর চাপিয়ে দিলে আত্মসমালোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এর বড় দায় পড়ে দায়িত্বহীন ইসলামপন্থী রাজনীতি, বাস্তবতা-বিচ্ছিন্ন চিন্তা, এবং জনগণকে পাশ কাটিয়ে ওপর থেকে সবকিছু চাপিয়ে দেওয়ার মানসিকতার চিন্তার ওপর।

কুরআন আমাদের একটি মৌলিক নীতি শিখিয়েছে—
নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তনে সচেষ্ট হয়। (সূরা রা‘দ: ১১)।
অর্থাৎ—নৈতিকতা, যোগ্যতা ও দায়িত্ববোধ ছাড়া আল্লাহর বিধান কায়েম হয় না।

রাজনৈতিক বাস্তবতা অস্বীকার করা দ্বীন নয়।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম বঙ্গের এই ভূখণ্ডে
রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই বাস্তবতা অস্বীকার করে যারা রাজনীতি করে, তারা আসলে শরীয়াহ নয়—নিজেদের রোমান্টিক কল্পনাকেই পূজা করে।
বিদ্যমান গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতর দিয়ে না গিয়ে শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার কথা বলা মানে—জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং ইসলামকে রাজনৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক ও হাস্যকর করে তোলা।

সোজা কথা—
এই মুসলিম বঙ্গে ইসলামপন্থীদের ক্ষমতায় যেতে হলে ভোটের মুখোমুখি হতে হবে, সংসদে যেতে হবে, সরকার গঠন করতে হবে। আর ক্ষমতায় গিয়ে প্রথম কাজ হবে শরীয়াহ চাপিয়ে দেওয়া নয়—
প্রথম কাজ হবে ইনসাফ কায়েম করা।
শাস্তির আগে ন্যায়বিচার—এটাই সুন্নাহ।
শরীয়াহর প্রথম অধ্যায় শাস্তি নয়—
শরীয়াহর প্রথম অধ্যায় হলো—ন্যায়বিচার।

রাসূল (স:) মদিনায় রাষ্ট্র পরিচালনার শুরু
হুদুদ কায়েম দিয়ে নয়—
ন্যায়বিচার, আমানতদারি, সামাজিক চুক্তি এবং মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

হাদিসে এসেছে—
প্রত্যেক শাসকই দায়িত্বশীল অভিভাবক,
এবং তার অধীনস্থদের ব্যাপারে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। (বুখারি ও মুসলিম)।
অতএব; ক্ষমতায় গিয়ে প্রথম কাজ হবে—
দুর্নীতি দমন করা, বিচারব্যবস্থাকে কার্যকর করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই ভিত্তি ছাড়া শরীয়াহর কথা বলা
ইসলামের নামেই ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

কেন মানুষ ‘শরীয়াহ’ শব্দটিকেই ভয় পায়?
আজ ‘শরীয়াহ’ শব্দটি সাধারণ মুসলমানের কাছেই ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন?
কারণ কিছু দায়িত্বহীন মানুষ শরীয়াহকে ন্যায়বিচারের বদলে কঠোরতার প্রতীক বানিয়েছে। দাওয়াহর বদলে হুমকি দিয়েছে। চরিত্র গঠনের বদলে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখিয়েছে।
ফলাফল— মানুষ ইসলাম থেকে নয়, বরং তথাকথিত ‘শরীয়াহ রাজনীতি’ থেকে দূরে সরে গেছে।

স্লোগান থেকে শাসনে উত্তরণ___
আজ প্রয়োজন এমন নেতৃত্ব—যারা ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী, কিন্তু একই সঙ্গে বাস্তববাদী, যোগ্য ও জবাবদিহিমূলক এমন সরকার, যারা শাসনের মাধ্যমে প্রমাণ করবে—
ইসলাম মানে অরাজকতা নয়, ইসলাম মানে জুলুম নয়,
ইসলাম মানে ন্যায়, শৃঙ্খলা ও মানবিকতা। মানুষ যখন নিজের চোখে এই বাস্তবতা দেখবে, তখন শরীয়াহর পক্ষে কোনো স্লোগান লাগবে না—মানুষ নিজেরাই শরীয়াহভিত্তিক শাসন চাইবে।

জাতীয়তার ঊর্ধ্বে উম্মাহর চেতনা__
আরেকটি সত্য স্পষ্টভাবে বলা দরকার—
শরীয়াহ কিংবা খিলাফাহ__কোনো একক গোষ্ঠীর প্রকল্প নয়। এটা কোনো কল্পকাহিনি নয়। এটি আসবে তখনই, যখন উম্মাহ প্রস্তুত হবে__ নৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, এবং সাংগঠনিকভাবে।
যতদিন মুসলমানরা নিজেদের বাঙালি, আরব, তুর্কি, ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানি পরিচয়ের ভেতর বন্দি রাখবে, ততদিন উম্মাহর রাজনৈতিক শক্তি দাঁড়াবে না। ইসলামই আমাদের পরিচয়; বাকিগুলো ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র।

আল্লাহ তাআলা অযোগ্য, বিভক্ত ও দায়িত্বহীন জাতিকে শাসনব্যবস্থা উপহার দেন না।

সাইয়িদ কুতুব (রাহি:) বলেন_____আমরা জাহেলি সমাজকে সংস্কার করতে চাই না, আমরা এর বিকল্প নির্মাণ করতে চাই। এজন্য সময় লাগবে, কিন্তু আমরা তাড়াহুড়া করবো না।

অতএব; সিদ্ধান্ত পরিষ্কার—
শরীয়াহ চাইলে আগে যোগ্য হও। ক্ষমতা চাইলে আগে ইনসাফ দেখাও। আর ইসলামকে ভালোবাসলে—তাকে স্লোগানে নয়, শাসনে প্রমাণ করো।

ইনকিলাব_____জিন্দাবাদ

21/11/2025

আল্লাহ তাআলা ভূমিকম্প সম্পর্কে পবিত্র কোরআনুল কারিমে ‘যিলযাল’ নামে একটি স্বতন্ত্র সুরাই নাজিল করেছেন। এছাড়া কোরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে ভূমিকম্প সম্পর্কে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَ مَا نُرۡسِلُ بِالۡاٰیٰتِ اِلَّا تَخۡوِیۡفًا

মহান আল্লাহ বলেন, ‘…আমি ভয় দেখানোর জন্যই (তাদের কাছে আজাবের) নিদর্শনগুলো পাঠাই। ’ (সুরা বনি ইসরাইল: আয়াত ৫৯)

قُلۡ هُوَ الۡقَادِرُ عَلٰۤی اَنۡ یَّبۡعَثَ عَلَیۡکُمۡ عَذَابًا مِّنۡ فَوۡقِکُمۡ اَوۡ مِنۡ تَحۡتِ اَرۡجُلِکُمۡ

‘বলে দাও, ‘আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম...। ’ (সুরা আনআম: আয়াত ৬৫)

02/09/2025

মুক্তিযুদ্ধ-বিজনেসে ওসমানী কেন নাই?

আজকে (সেপ্টেম্বর ১, ১৯১৮) মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রধান সেনাপতি মহম্মদ আতাউল গনি ওসমানী'র জন্মদিন; কিনতু গত ১৫-১৬ বছরে বা ইন টোটাল মুক্তিযুদ্ধের আলাপে উনার কথা কতটুক পাইছেন?

যুদ্ধের ইতিহাস লেখতে হইলে উনার নাম সবার আগে আসা উচিত না? তারপরে সেক্টর কমান্ডারদের? ক্রুশিয়াল সব ফাইটের, স্যাক্রিফাইসের?... কিনতু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিজনেসে মোটামুটি সবকিছুই পাইবেন, কিনতু যুদ্ধের কথা-ই নাই তেমন! (কারন যারা এই মুক্তিযুদ্ধ বিজনেস করেন, তাদের কোন ওয়ার-এক্সপেরিয়েন্সই নাই, আর যাদের আছে তাদেরকেই ভিলেন বানায়া রাখা হইছে।

তো, আজকে উনারে লাগতেছে মুক্তিযুদ্ধ-বিজনেস করার লাইগা, এতোদিন নাম নেয়া যায় নাই, কেন যায় নাই? কারন -

১. উনি বাকশালে জয়েন করেন নাই
২. ১৯৭৫-পরবর্তি সময়ে মোশতাকের সরকারে ছিলেন
৩. উনি ইনডিয়ান আধিপত্য মানেন নাই

তারপরও আজকে মুক্তিযুদ্ধ-বিজনেসে উনারে লাগতেছে, কারন উনি ছাড়া আর কাউরে পাওয়া যাইতেছে না এখন! উনার কিছু ইন্টারেস্টিং মুভ আছে পলিটিকসে...

১. উনি আওমি-লিগের এমপি হইলেও বাকশালের সময় পদত্যাগ করছিলেন

২. মুশতাকের গবমেন্টে জয়েন করলেও নভেম্বরের ৩ তারিখের জেল-হত্যার পরে পদত্যাগ করছিলেন

৩. ১৯৭৬ সালে প্রথম পলিটিকাল পার্টি গঠন কইরা জিয়াউর রহমানের এগেনেস্টে রাষ্ট্রপতি ইলেকশন করছিলেন; জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের পরে এরশাদের ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদ করছিলেন

তো, সব দিক দিয়াই উনার পলিটিকাল-সততা'রে একসেপ্ট করতে পারার মতো গ্রাউন্ড তো কম-ই এখনো, বাংলাদেশে...

01/09/2025

যদি তিনি জীবিত থাকেন, তবে তার লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন। আর যদি শ'হীদ হোন, তবে তিনি তার লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়ে গেছেন।
উভয় অবস্থায়ই তিনি বিজয়ী।

রাসুল বলেন:
إن قُتل زيد فجعفر، وإن قُتل جعفر فعبد الله بن رواحة
"যদি যাঈদ শ'হীদ হন, তবে ঝান্ডা উচু করবে জা'ফর। আর যদি জা'ফরও শ'হীদ হয়ে যায়, তবে ঝান্ডার শীর উচু করে ধরবে আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা।”

মিনাল মু'মিনিনা রিজাল...

29/08/2025

সাহারা মরুভূমির বুকে ফুটেছিল এক ফুল,
কন্ঠে ছিলো যার অগ্নিঝড়া ফুলকি
ছড়িয়ে পড়েছিলো বিশ্বে দ্যুতি!
খ্যাতি করতে পারিনি বিড়ম্বনা,
এমন মানুষ রয়েছে হাতে গোনা।

তাওহীদ হৃদয়ে নিয়ে ছুটে চলা অবিরাম,
ত্যাগের মহিমায় জীবনের পথে
শক্তিশালী আধ্যাত্মিকতায় জাগিয়েছিলো সে কলরব,
জালিমের বিরুদ্ধে যখন মুষ্টমেয় হয়েছিলো সরব!

খেলাফত পতনে যখন মুসলিম বিশ্ব দিশেহারা,
ঠিক তখনই আবির্ভাব,এই প্রেরণার বাতিঘর!
দ্বীনের বুঝ ছিল তার সমুন্নত,
বাতিলের কাছে করে নি কখনো মাথানত,
দৃঢ়তায় সংগ্রাম চালিয়ে গেছে অবিরত।

সরকারের উচ্চ পদের মন্ত্রীর সুবিধা,
বাতিলের সাথে আপোষ করবে না বলে,
করেছিলো ঘৃণাভরে প্রত্যাখান ,
আল্লাহ দিয়েছিলো তরে দুনিয়াজোরা সম্মান।

জালিমের ঐ জেলের কুঠরীতে বসে সৃষ্টি করলো এক অসাধরণ সৃষ্টি
কুরআন বোঝা সহজ হয়ে গেলে,মানুষের খোলে দৃষ্টি।

বারংবার গ্রেফতারে,একটুও মনোবল হয়নি দূর্বল তার,
বিপ্লবের সুধা মেখে কলমের বিদ্রোহে
লিখলো মাইলস্টোন কিতাব
জালিমের চোখেমুখে তখন নাভিশ্বাস!
যদি জনতা জেগে উঠে,
যদি বিপ্লবের সুর বাঝে?
জালিম সরকার পায় না কোনো আশ্বাস!
বিচলিত কন্ঠে ফ্যাসিবাদের পরোয়ানা-
ঝুলিয়ে ফেলো তারে ফাঁসির কাষ্ঠে!

আক্ষেপের সুরে কারারক্ষীর সাথে ঐ কথামালা
তোমার কালিমা তোমায় রুটি রুজি যোগায়,
আর আমার কালিমা,ফাসির কাষ্ঠে ঝুলায়!
তবুও বাতিলের সাথে করবো না আপোষ,
আমি এমনভাবে খোদার দরবারে হাজির হতে চাই,
যখন আমি তার প্রতি,এবং তিনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট!

শাহাদাতের সুধা পানে,চলে গেলো পরোপারে,
রেখেগেলো দৃষ্টান্ত, বাতিলের সাথে আপোষ নেই বলে!

২৯.০৮.২২
প্রেরণার ফুলকি
©

12/08/2025

"তুমি কি এখন"
মতিউর রহমান মল্লিক

তুমি কি এখন স্বপ্নভঙ্গ কেউ
একাকী কোথাও আহত পাখির শোক
ছলছল চোখে এলোমেলো করো ঢেউ
তুমি কি এখন শরাহত কোনো লোক!

তুমি কি ভেবেছো সূর্যটা ডুবে গেছে
তুমি কি ভেবেছো নেই আর কোনো আলো
তুমি কি ভেবেছো শিলীভূত হয়ে আছে
অনন্ত এক আকাশের ঘনকালো

রাত্রির পরে সকাল যে ফিরে আসে
সে কথা জানো কি তুমি
শেষাবধি কোনো লোকালয় উদভাসে
দৃঢ়পদভারে পার হলে বনভূমি

মানুষের নামে যারা কলঙ্ক তারা মানে পরাভব
যোগ-গুণ-ভাগ নিয়েতো অঙ্ক বিয়োগ নয়তো সব
তবুও তুমি কি উঠে দাঁড়াবে না আজ
বুক টান করে নামবে না পথে আর
পাড়ি জমাবে না আকাশের শাহবাজ
ছিঁড়বে না টুটি দুরন্ত ঝঞ্ঝার

একটু আঘাতে সিংহের বাড়ে ক্ষোভ
একটু আঘাতে বাঘ ছাড়ে হুংকার
একটু আঘাতে জ্বলে ওঠে বিক্ষোভ
বজ্রসভায় বিদ্যুৎ বারতার

এসব খবরে তুমি কি হও না দ্বিগুণ
উৎসাহী কোনো পুরুষোত্তম কেউ
অথবা কেবল নিজেকে করছো খুন
বিষের পাত্রে স্বেচ্ছায় তুলে ঢেউ

হতাশ হয় না জিহাদের জঙ্গীরা
হতাশ হয় না কোনো খাঁটি বিপ্লবী
হতাশ হয় না শহীদের সঙ্গীরা
বুকে নিয়ে ফেরে ঈমানের দুন্দুভি

চলে অবিরাম চির মুজাহীদ বীর
সত্যের পথে সেনানী অকুতোভয়
ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে নিরাশার জিঞ্জির
সে শের-দিলীর মানে নাকো পরাজয়

এখনো এখানে মাদানীর খুন মাখা
শহীদ মালেক এখনো এখানে শুয়ে
মানুষের মনে কোরানের ছবি আঁকা
তবু কেনো তুমি পড়বে বন্ধু নুয়ে

তোমার সামনে তিতুমীর আছে
আছেতো খানজাহান
হাজী শরীয়ত আছে আরো কাছে
আছে শাহজালাল অম্লান

নূর কুতুবুল আলম যেখানে
প্রেরণার প্রিয় মহাপুরুষের নাম
কিসের ভাবনা তোমার সেখানে
বরং চেতনা আরো করো উদ্দাম

বখতিয়ারের ঘোড়ার শব্দ ঐ
লোকালয়ে যেনো অবিকল শোনা যায়
তাই কি আমিও দুই কান পেতে রই
সতেরো সওয়ার কবে আসে দরজায়

তুমি কি এখন স্বপ্নবিভোর কেউ
মুক্তপ কোনো বিহঙ্গ শ্লোক
রঙধনু চোখে ছুঁয়ে যাও যতো ঢেউ
তুমি কি এখন জাগরিত কোনো লোক

দুর্বল ভীরু আনে না দ্বীনের জয়
খানিক বিপদে ভয়ে কাঁপা তার কাজ
ঈমানের তেজে পৃথিবীর বিস্ময়
শুধু সেই পারে গড়তে হেরার রাজ

তবে তুমি ছুটে চলো বেগে আরো বেগে
বন্যার মতো দুরন্ত দুর্বার
চলো তাকবীর জোরে আরো জোরে হেঁকে
পড়ে থাক পিছে পচা লাশ মুর্দার।

রচনাকাল : ১৯৯৬

26/07/2025

কিছুদিন আগেও মন্ত্রী ছিল আজ সে কয়েদি !

আল্লাহ বলেন: আপনি কখনো মনে করবেন না যে জালিমরা যা করে সে ব্যাপারে আল্লাহ উদাসীন !

এদেশে প্রতিটা শাসক মেম্বার থেকে মন্ত্রী মজলুমের উপর।
অত্যাচার করার আগে একটু থামুন, ভাবুন...

12/06/2025

অপেক্ষা শুধু সময়ের....
০৬/০৬/২০২৫

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1212