Mahbub R Patwary
☆┌─┐ ─┐☆
│▒│ /▒/
│▒│/▒/
│▒ /▒/─┬─┐
│▒│▒|▒│▒│
┌┴─┴─┐-┘─┘ ●● Like ●●
│▒┌──┘▒▒▒│
└┐▒▒▒▒▒▒┌┘
└┐▒▒▒▒┌┘
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে ধারাবাহিক, সফল ও ইনফর্ম ব্যাটসম্যান হল মমিনুল হক৷ অথচ সাব্বিরকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার মারপ্যাঁচে সেই ব্যাটসম্যানকেই একাদশের বাইরে রাখা হয়েছে৷
কি অদ্ভুত সব পরীক্ষা নিরীক্ষা! বিশ্বকাপের মত বড় আসর নিশ্চয় কোন পরীক্ষা নিরীক্ষার জায়গা নয়৷ তারপরও যদি কোন প্লেয়ারকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেই হয়, তবে নিশ্চয় সবচেয়ে ইনফর্ম ব্যাটসম্যানকে বসিয়ে রেখে নয়৷ অনেক দিন খেলার মধ্যে না থাকার ফলে তার ফর্মও নষ্ট হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক৷ যে প্লেয়ার ফর্মহীন আছে তার পরিবর্তে কাউকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো উচিত৷ সেক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে অফ ফর্মে রিয়াদ, নাসির এবং ফরহাদ রেজা৷
স্কোয়াড ঘোষণায় সবচেয়ে গোঁজামিলের পরিচয় মিলেছে নির্বাচকদের কাছ থেকে! বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের স্কোয়াড প্রায় একই সময়ে ঘোষণা করা হয়েছে৷ এশিয়া কাপের স্কোয়াডে জিয়ার কারণে যেখানে ফরহাদ রেজার জায়গা হয় না, সেখানে জিয়াকে টপকে রেজা কিভাবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পায়?
সাম্প্রতিক বা অতীত পারফর্মেন্স কিংবা টি২০ স্পেশালিস্ট কোন বিচারেই জিয়াকে টপকে রেজার জায়গা পাওয়া একেবারেই অবিশ্বাস্য! সেই অবিশ্বাস্য কাজটি সম্ভব হয়েছে সম্ভবত 'জিয়াউর রহমান' নামটির কারণে৷ এছাড়া আর অন্য কোন যৌক্তিক তো দূরের কথা অযৌক্তিক কারণও দাঁড় করানো সম্ভব নয়৷ আর তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে এরকম কাজের ঘৃণা জানানোর কোন শব্দ আমার জানা নাই৷
লিখা: Probasi Vabuk
13/03/2014
বাচ্চু ভাই এর জন্য একটি ছোট্ট
খোলা চিঠি।
প্রিয় বাচ্চু ভাই,
৭৫০০০ টাকার ইংলিশ
মিডিয়ামে পড়া দর্শকদের
কথা বাদ দিই কারণ
ওরা তো বাংলা বলতেই
পারেনা,বাংলা গান শুনবে কি?
সত্যি বলতে কি যারা সর্বনিম্ন
২০০০ টাকার দর্শক তারাও প্রায়
এলিট শ্রেণীর মানুষ।
এরা বাংলিশিন্দী ভাষার সংকর
মানুষ।এরা বাংলা জানে কিন্তু
বাংলা ভাষায় অনর্গল
কথা বলতে লজ্জা পায়।
বাংলা ভাষায় হিন্দী,ঊর্দূ,ইং
রেজি ভাষার শব্দ ব্যবহার
করা মানুষ এরা।
এরা হয়তো তোমার গান
লুকিয়ে লুকিয়ে শোনে কিন্তু
সবার সামনে স্বীকার
করতে লজ্জা পায়।তুমি এদের
ক্ষমা করে দাও।
ওরা হয়তো জানেনা যে আইয়ুব
বাচ্চুকে এশিয়ার জিম মরিসন
বলা হয়।
তুমি যদি ভারত,পাকিস্তান
কিংবা আরো উন্নত
কোনো দেশে জন্মাতে তাহলে আজ
ওরাই পাঁছার কাপড় মাথায়
তুলে নাচতো।ওরাই বলতো অমুক
দেশের
বিশ্বসেরা গিটারিস্টের গান
সরাসরি দেখে এলাম।
সত্যি বলতে যারা ২০০০
টাকা খরচ করেও এ
অনুষ্ঠানে যেতে পারেনি,
তারাই আসলে এ দেশের
মধ্যবিত্ত শ্রেণী,তারাই
আসলে বাংলায় কথা বলে,
তোমাদের গান
শোনে,সস্তা কনসার্টে গিয়ে বাংলা গানে জামা খুলে নাচে,সিটি বাজায়,তালি বাজায়।
কিন্তু আজকের
কনসার্টে তো এই মধ্যবিত্ত
শ্রেণীর
ছেলে মেয়েরা যেতে পারেনি।
তাই হয়তো তুমি স্টেডিয়াম
জুড়ে গগনবিদারী তালি,সিটি শুনতে পাওনি।
তাই দয়া করে আমাদের
ক্ষমা করে দাও,ওদেরও
ক্ষমা করে দাও।
ইতি
বাংলা গানের একজন
পাগলা শ্রোতা
Ashif Entaz Rabi
বাংলাদেশ হচ্ছে চেতনার দেশ।
এখানে পত্রিকা খুললে চেতনা, ফেসবুক খুললে চেতনা, টিভি খুললে চেতনা, এমনকি ফ্রিজের ঢাকনা খুললেও চেতনা বেরিয়ে পড়ে ...
বাংলাদেশ চেতনামাতৃক দেশ।
পল্টন ময়দানে চেতনা, সোহরার্দী উদ্যানে চেতনা, শাহবাগে চেতনা, খালে চেতনা, বিলে চেতনা, ম্যানহোল, ড্রেন, সিন্দুক এমনকি ব্যাংকের ভল্টেও চেতনা ...
বাংলাদেশ গণচেতনাতান্ত্রিক দেশ।
আমাদের মুখে চেতনা, আমাদের বুকে চেতনা, গালে চেতনা, পেটে চেতনা, উরুতে চেতনা, হাটুতে চেতনা, চেতনা ছাড়া আমাদের শরীরে আর কিছুই নেই।
শুধু চেতনা নেই অামাদের মনে।
থাকলে বিদেশি কুকুর নিয়ে পুজা করার আগে দেশী ঠাকুরকে এভাবে অপমানিত করতাম না।
আমি তো জানতাম উদ্বোধন অনুষ্ঠান বাংলাদেশেই হচ্ছে।
চেতনার এই বাম্পার ফলনের যুগে আমি এমন চেতনাহীন কর্মকান্ড মেনে নিতে পারছি না।
কি হয়েছে বাংলাদেশের? কাদের হাতে বাংলাদেশ? দেশ তুমি যাচ্ছো কোথায়?
26/02/2014
25/02/2014
Please Share This
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার এর জিডি নং ৩৯৫ তারিখ ২৫/০২/২০১৪ এবং খিলগাও থানার জিডি নং ১৩৪৪, তারিখ ২৪/০২/২০১৪ অনুযায়ী ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার মোছাঃ সুমাইয়া নামের ০৮(আট) বছর বয়সী হারিয়ে যাওয়া মেয়ে শিশুটিকে তাদের জিম্মায় রেখেছে। মেয়েটি তার মা, বাবা’র নাম বলতে পারলেও ঠিকানা কিছুই বলতে পারে না। নিচে মেয়েটির বর্ণনা এবং ছবি দেওয়া হল---
নাম- মোছাঃ সুমাইয়া (০৮)
পিতার নামঃ ইদ্রিস হাওলাদার
মাতার নামঃ ইসমত আরা
ঠিকানা-অজ্ঞাত।
গায়ের রং- ফর্সা , উচ্চতা- ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি, মুখমন্ডল-গোলাকার, চুল-কালো, তার পরনে ছিল সবুজ রঙের
কামিজ এবং লাল রঙের সেলোয়ার।
কোন সহৃদয় ব্যক্তি মেয়েটির অভিভাবকের সন্ধান পেলে দয়া করে তেজগাঁও থানা সংলগ্ন ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
যোগাযোগের ঠিকানা-
ডিউটি অফিসার
ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার
তেজগাঁও, ডিএমপি, ঢাকা।( তেজগাঁও থানা সংলগ্ন)
মোবাইল নং- ০১৭৪৫-৭৭৪৪৮৭, ফোন ৯১১০৮৮৫ ,
ফ্যাক্স-৯১৩৭৮৩৮
ইমেইল[email protected]
অথবা
মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা। ( রমনা থানা সংলগ্ন)
মোবাইল নং- ০১৭১৩৩৯৮৭৫৬
25/02/2014
নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবির পলাতক দুধর্ষ দুই জঙ্গি যদি চেহারা পরিবর্তন করে তাহলে তাদের চেহারা কেমন হতে পারে সে ধরণের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ সদর দফতর। সে সাথে তাদের চেহারা ও দৈহিক বর্ণনা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার পুলিশ সদর দফতরের এআইজি মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। পলাতক দুই জঙ্গি হচ্ছে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত সালাহ উদ্দিন ওরফে সালেহীন ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত বোমা মিজান। গত সোমবার পুলিশ সদর দফতর দুইজনকে ধরিয়ে দিতে বা সন্ধান দিলে প্রত্যেকের জন্য পাঁচ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
সালাহ উদ্দিন একাধিক নামে পরিচিত। তার অপর তিনটি নাম হচ্ছে সালেহীন, সজীব ও তাওহীদ। তার উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। ওজন ৫৫ কেজি। শারীরিক গঠন মাঝারি, গায়ের রং শ্যামলা। চোখের রং কালো। সালেহীনকে সনাক্ত করার চিহ্ন হচ্ছে তার বাম পায়ের হাটুর নিচে কাটা দাগ রয়েছে। অরপদিকে মো. জাহিদুল ইসলাম আরও চারটি নাম রয়েরেছ। এগুলো হচ্ছে সুমন, বোমারু মিজান, হারুন ও কামরুল। তার উচ্চতা ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং ওজন ৭০ কেজি। মাঝারি ধরণের শারীরিক গঠন, চোখের রং কালো এবং গায়ের রং শ্যামলা। তাকে চেনার উপায় হচ্ছে বাম হাতের মধ্য আঙ্গুলে কাটা দাগ রয়েছে। এদের ব্যাপারে কারো কাছে কোন তথ্য জানা থাকলে ফেসবুকের ইনবক্সে জানাতে পারেন অথবা নিম্ন ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন......
মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা। ( রমনা থানা সংলগ্ন)
মোবাইল নং- ০১৭১৩৩৯৮৭৫৬
অথবা [email protected] এ মেইল করতে পারেন
22/02/2014
>>>> সিলেটে বাংলা বানান শুদ্ধি অভিযানে কাকতাড়ুয়া
আমার কাছে ব্যাপারটি পরিস্কার হচ্ছে না!!
ভারতীয় বিতর্কিত 'গুন্ডে' ছবি নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ নীরব কেনো ? ছবিটিতে কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবমাননা হয়নি ? পাকিস্তানের দুতাবাস যে মঞ্চ ঘেরাও করলো আজ কেনো তারা ভারতীয় দুতাবাস ঘেরাও করছে না ? তাহলে কি প্রমাণ করানো হচ্ছে 'গণজাগরণ মঞ্চ' কোন একটি দেশের প্রেসক্রিপশনে, কোন একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়েছিলো ? আমাদের দেশপ্রেম, স্বাধীনতার চেতনার আবেগকে ব্যবহার করা হয়েছিলো ?
আশা করি 'গণজাগরণ মঞ্চ' এটি পরিষ্কার করবে। আমার 'শাহবাগ' দুতাবাস ঘেরাও করুক, তা চাই না। আমরা প্রতিবাদ চাই। যদি তা করতে ব্যর্থ হয় গণজাগরণ মঞ্চ, তাহলে ধরে নিতে হবে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নয়, কোন একটি দেশের স্বার্থে আমাদের ব্যবহার করেছিলো। এখনও করছে। এখন মন চাইতাছে যারা শাহবাগে মঞ্চে দাড়িয়ে মাইকের সামনে গলা ফাটায় এই গুলারে জুতা মারতে। এরাই এখন দেশের সনদ প্রাপ্ত দালাল।
Gunday ছবিতে আমাদের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে, আমাদেরকে যে ভাবে ছোট করে দেখানো হয়েছে। তার জন্যে উচিৎ মামলা করে এই ছবিটির প্রচার বন্ধের ব্যাবস্তা করা। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ছবি থেকে আমাদের ইতিহাস সম্পর্কে ভুল শিক্ষা নিবে। এ ব্যাপারে দেশের সংস্কৃত মনা ব্যাক্তি বর্গ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
Gunday মুভির পরিপ্রেক্ষিতে তোমাদের ক্ষমা চাওয়ার জবাব,
হে আলী আব্বাস জাফর ,
তুমি একটি শুক্রাণুর প্রচণ্ড অপচয় । তুমি নোংরা ড্রেনের পানি তে জন্মানো আণুবীক্ষণিক ব্যাকটেরিয়া । তুমি ইন্ডিয়া নামক সুবিশাল দেশের এক কলঙ্ক ; সুতীব্র প্রহসন ! তুমি কি জানো তোমার জন্মদাতা পিতা রাত্রিবেলা ঘর অন্ধকার করে কোনও এক কোনায় বসে চোখের পানি বিসর্জন দ্যায় ? কারন তুমি তার মানুষ রুপি গাধা মানব সন্তান !!! এখন ও সময় আছে মানুষ হ । দেশের মানুষ কে লজ্জার হাত থেকে বাচাও ।
ইতি
গর্বিত ইতিহাস ধারী এক বাংলাদেশি
21/02/2014
ভারতের গুন্ডে ছবিটির বর্তমান রেটিং দেখে মনে হচ্ছে আমরা বাঙালী জাতী এক হয়ে কি না করতে পারি। ৩ দিন আগেও কিনা যে ছবিটির রেটিং ছিল ৮.৫ আর এখন কিনা ১.৫ এর কারন কিন্তু আমরাই। যখনই ফেইসবুকে এই ছবির পট ভূমি নিয়ে লেখা লেখি শুরু হল এবং বলা হল আই এম ডি তে গিয়ে এই ছবিটির রেটিং ১/১০ করে দিতে আর তারই ফল হিসেবে আই এম ডি রেটিং এ যাবত কালের সর্ব নিম্ন রেটিং পাওয়া গুন্ডে মুভিটি। আরও দেখলাম রিভিউতে কমেন্ট করেছেন দেশ বিদেশ থেকে অনেক বাঙালী প্রাণ, সবার কমেন্ট গুলতে স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে এই ছবিটি এবং ছবিটি পরিচালনাকারিদের আমরা কতটা ঘৃণার চোখে দেখছি। আমরা কেন ঘৃণা প্রকাশ করবো না, তোমরা আমদের লক্ষ্য প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত মাতৃভূমিকে তার ইতিহাসকে আঘাত করবে আর আমরা তা চুপ চাপ বসে দেখবো তা কখনোই হবে না।
ভাবতে ভালই লাগছে আমরা বাঙালী জাতী এখন অনেক অ্যাডভানস হয়ে গেছি। দেশের কোন স্বার্থে আঘাত লাগলেই আমরা বিদ্রোহ শুরু করি সর্ব প্রথম ফেইসবুকের মাধ্যমে তার পর একে একে সবাই সেই দাবির সাথে একাত্মা হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এগিয়ে যাও বাংলাদেশ।
গ্রামীণ ফোন এ বছর আয় করেছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য অপারেটররাও নিশ্চয়ই হাজার কোটি টাকা লাভ করে।
মোবাইলে এয়ারটেলের একটি বিজ্ঞাপন দেখা যায়: টলিউড হিরো দেব বা জীত -এর এক্সক্লুসিভ আপডেট পেতে *877*4*1 # ডায়াল করুন/ ২.৩০ টাকা প্রতিদিন।
আয়ের একটি অংশ এ ধরণের খাত থেকেও আসে। অনেক পোস্টপেইড গ্রাহকরা জানেই না কবে কোন সার্ভিস অটো একটিভ্যাট করে চার্জ কাটা শুরু হয়েছে! বিপুল পরিমাণ আয়ের বড় অংশ চলে যাচ্ছে বিদেশে।
বিদেশী বিনিয়োগের এই মোবাইল অপারেটররা কয়েক বছর যাবত নিয়োগও দিচ্ছে আউটসোর্সিং সিস্টেমে। অর্থাৎ দিনের পর দিন যে মানুষটি কোন মোবাইল কোম্পানির জন্য কাজ করছে সে ঐ প্রতিষ্ঠানের নয়। কারও মেধা, সেবা ও শ্রমের মাধ্যমে সুবিধা আদায় করে দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উপায়।
আমাদের ফোন টেলিটক-এর মান কোনভাবেই অন্য অপারেটরদের চেয়ে কম নয়। কলরেট বা অন্যান্য মূল্যও তুলনামূলকভাবে কম। সেবার মান উন্নত হচ্ছে। তবু আমরা পারতপক্ষে টেলিটক ব্যবহার করছি না।
টেলিটকের বিরুদ্ধে কিছু দুর্নীতির কথা শোনা যায় যা কমে আসছে। তবু যদি কিছু দুর্নীতি হয়, আমাদের দেশের মানুষের কাছেই এ টাকা থাকবে। বৈধ উপায়ে বিদেশীদের কাছে না যেয়ে সেই টাকা যদি দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের দেশের মানুষের কাছে থাকে - অনৈতিক হলেও ক্ষতি কি!
সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টেলিটক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হোক। টেলিটক হোক আমাদের প্রাইমারি ফোন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka