RIYA

RIYA

Share

Words bleed pain, joy, compassion and distress, and I look forward to share mine with the rest of the world. �

23/02/2026

ভালবাসা হলো বেহায়া বানিয়ে দেওয়ার কাঁচামাল,
যা আত্মার কাপড় খুলে নেয়!
যেখানে শালীনতার সব বোতাম খুলে যায়
একটা নাম ডাকলেই।
ভালবাসা শেখায় কিভাবে চোখ নামিয়ে তাকাতে তাকাতেও সোজা বুকের ভেতর ঢুকে পড়তে হয়,
কিভাবে চুপ থাকাটাও একটা জোরে বলা স্বীকারোক্তি হয়ে ওঠে।

ভালবাসা মানুষকে নিজেরই কাছে অপরাধী বানায়,
রাতে ফোনের স্ক্রিনে আলো জ্বলে উঠলে সব নীতিকথা ঘুমিয়ে পড়ে।
এখানে লজ্জা থাকে না,থাকে শুধু অপেক্ষা,
একটা আছো?শব্দের জন্য নিজের সম্মানকে চায়ের কাপের মতো ঠান্ডা হতে দেওয়া।

এটা মানুষকে পাপী করে না,এটা মানুষকে উলঙ্গ করে দেয় নিজেরই সামনে।
ভালবাসা মানে নিজেকে ছোট করতে করতে
কারো ভেতর বড় হয়ে ওঠা,
নিজের নাম ভুলে গিয়ে কারো ডাকনামে বেঁচে থাকা।
তবুও,এই বেহায়াপনা ছাড়া মানুষ আর কিছুই হয়ে উঠতে পারে না,
কারণ ভালবাসা না থাকলে আমরা সবাই ভীষণ ভদ্র,
ভীষণ একা।

25/12/2025

“ভালোবাসা মানে পাওয়া নয়, অপেক্ষা—যে অপেক্ষা মনকে ধীরে ধীরে মানুষ করে তোলে।”
যারা রবীন্দ্রনাথ পড়েছে,যারা শরৎচন্দ্র পড়েছে তারা জানে ভালোবাসা কি গভীর মনস্তাত্ত্বিক একটা অনুভুতি,না পাবার আকাঙ্ক্ষার তীব্রতা ঠিক কতখানি, একতরফা ভালোবাসার কি অদ্ভুত সৌন্দর্য। হুমায়ূন যারা পড়েছে তারাও জানে,শরীর কাছে পেয়েও মন ছুঁতে না পারার কষ্ট কিরকম, বাবা মায়ের কড়া শাসনে থাকা মেয়েটাও যদি কোনদিন তার প্রেমিককে বিয়ে করতে পারে সে ভালোবাসায় কি প্রচন্ড রকম আত্নহারা হতে পারে! আজকাল আমাদের পছন্দ রগরগে যৌন বর্ণনায় ভরা উপন্যাস,সিনেমা,সিরিজ। কাউকে দেখলাম,ভালো লাগলো, ডেট করলাম টাইপ। প্রথমে শরীরকে জেনে তারপর মনকে জানার গল্প‌ই এখন আমাদের প্রিয়। বাট মনকে কি আমরা আসলেই জানতে পারছি? মন বোঝা কি এত‌ই সহজ!!

বলিউড একটা সিনেমা আছে 'Bajirao Mastani'.... ভালোবাসা যে কত তীব্র হতে পারে, শুধুমাত্র একবার চোখের দেখাতেই তা কত প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারে,তার জন্য কত অপমান যে সহ্য করা যায়! ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র জিনিস যা হেরে গেলেও জিতে যায়।

একটা সিনেমা আছে 'Raanjhanaa'..... একতরফা ভালোবাসার যে কি প্রচন্ড জোর! বোকাসোকা একটা মানুষকে দিয়েও সেই ভালোবাসা বিরাট কিছু করিয়ে ফেলতে সক্ষম, ভালোবাসা মৃতকেও জাগাতে পারে। কিন্তু তারজন্য এমন তীব্র ভালোবাসা অপরজনের থাকা লাগবে।

একটা হলিউড মুভি আছে 'La La Land' যেটা দেখলেই নজরুলের একটা কথা আমার মনে পড়ে, "তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন,সে জানে তোমারে ভোলা কতটা কঠিন।"
ভালোবাসা কি সেটা জিজ্ঞেস করেন‌ শেষের কবিতার লাবণ্যকে,কেন সে অমিতকে ছেড়ে অন্য আরেকজনকে বিয়ে করলো শুধুমাত্র ভালোবাসা বাঁচিয়ে রাখার জন্য? ভালবাসা জানতে হলে যেতে হবে সমরেশের কালবেলার মাধবীলতার কাছে, কিসের শক্তিতে সে একটা মানুষকে এভাবে একতরফা এত কষ্ট সয়ে বুকে পুষে সহ্য করলো সমাজের অদৃশ্য সব চাবুকের আঘাত! ভালোবাসা জানতে হলে বিভূতিভূষনের অপু-অপর্ণা জুটিকে দুচোখ ভরে দেখতে হবে, কিভাবে অতবড় বাড়ির একটা মেয়ে পরম আদরে অপুর ভাঙ্গাচোরা ছোট্ট মাটির ঘরে গোবর লেপে দিতে পেরেছিলো, মাসের পর মাস তাকে না দেখে একটা চিঠির অপেক্ষায় কাটিয়ে দিতে পেরেছিলো একাকী বিকালগুলো। পুতুল নাচের ইতিকথাতে শশী ডাক্তার কি আর এমনি এমনি বলেছিলো,"শরীর, শরীর, শরীর! তোমার মন নাই কুসুম?" মনকে ছুঁয়ে দেবার প্রাণপণ চেষ্টায় শশী তখন হাবুডুবু খাচ্ছিলো প্রেমের অতল সাগরে,তাও তল খুঁজে পায়নি।

ভালোবাসা স্বর্গীয়, যৌনতা আসে তার‌ও অনেক অনেক পরে। কিন্তু মন দিয়ে ভালোবাসা অনুভব করতে গেলে সময় দিতে হয়, কাউকে ভালোলাগার সাথে সাথে তাকে হাতের মুঠোয় পেয়ে রগড়ে নিংড়ে অন্তত মনের সেই ভালোবাসার রস আস্বাদন করা যায় না,সেটা করতে হয় ধীরে ধীরে.. ভালোবাসার মানুষটাকে দূর থেকে ভালোবেসে,পাবার আনন্দটা তখন‌ই তীব্র হয়ে ওঠে।

দুঃখী এই জেনারেশন, ভালোবাসা মানেই তারা জানলো শরীরের স্পর্শ,মন স্পর্শ করতে আর শিখলো না! হাত বাড়ালেই পেয়ে গেলো,অপেক্ষার আনন্দ জানলো না।‌ জানলো না প্রিয় গানের লিরিক্সের মধ্যে বন্দী করে রাখা যায় ভালোবাসার মানুষটির সমস্ত স্মৃতিকে,জানলো না রবীন্দ্রনাথের একেকটা গানের সাথেই মিলিয়ে ফেলা যায় নিজের পুরো জীবনটাকে।

19/11/2025

ম্যারিলিন মনরো─ 'ইতিহাসের সুন্দরতম ও সবচেয়ে মার্জিত আইকন'─ আত্মবিশ্বাসের দেবী ছিলেন। তাঁর তলপেট ছিল উতল; তাঁর উরুতে ছিল অসংখ্য ছোটছোট চর্বিপিণ্ড; তাঁর ছিল প্রচুর বলিরেখা, যেগুলো মেকাপে ঢাকতেন না; এবং তাঁর স্তনযুগল পীনোন্নত ছিল না, ছিল স্যাগি। তিনি, জগতের ইতিহাসের রূপশ্রেষ্ঠাদের একজন হিসেবে স্বীকৃত।

দীর্ঘ ছয় দশক ধরে, মেধাবী ব্রেইনের সাথে তাঁর এই প্রাকৃতিক ও প্রকৃত দৈহিক রূপকেই সৌন্দর্যের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে আসছে। যদি পৃথিবীর নারীরা, এবং পুরুষরাও, অনুধাবন করতো যে─ সৌন্দর্য আরোপিত কিছু নয়; স্লিমি, স্কিনি, ফ্যাটি, স্মুদ, মাস্কুলার, মাচো─ এইসব শব্দ মূলত বিশ্ব-পুঁজিবাদের বাণিজ্যিক লাভালাভের পসরা; রূপ মূলত আত্মবিশ্বাসের সাথে মেধা ও দক্ষতার বাস্তবায়ন; তাহলে ভাস্কর্যরূপ দেহসৌষ্ঠব অর্জনের কাল্পনিক পথ ধরে ছুটতো না।

নিজেকে সম্মান করো। তুমিই সুন্দরতম। প্রকৃতপক্ষে, মেধাই সুন্দরতম রূপ।

04/11/2025

I didn’t leave because you were a bad person, or because I stopped loving you. I left because the way you treated me made me feel like your world would be just fine without me. And once you start feeling invisible in someone else’s life, love starts to feel more like self-betrayal.

I could have stayed longer, tried harder, ignored my own needs a little more. But being with you triggered the worst parts of me. I was always anxious, overthinking, constantly trying to decode what you felt or why you pulled away. And when I needed comfort, I only felt distance.

Little by little, I stopped wanting the things I used to hope for. Repeating the same conversations drained me. Apologies meant less. My silence meant more. And when I realized you didn’t understand the things that made me break down, I stopped trying to explain.

I won’t fight you. I won’t try to make you see it. I won’t raise my voice or slam any doors. I’ll just disappear the way I stayed. Quietly.

You have your reasons. I have my limits. And I’m not interested in teaching someone how to love me while I’m falling apart. It’s exhausting to ask for the bare minimum, and it’s heartbreaking to realize I had to.

So I’ve made peace with it. I don’t regret meeting you, but we couldn’t get over the hill together. That’s okay.

I let go of someone important to me on an ordinary day. It hurt, but it also felt like closing a book I’ve reread too many times. No drama. No anger. Just quiet acceptance that the story had ended.

17.10.2025

17/10/2025

এই যে রকিব হাসান মরে গেলেন- আমি কাঁদছি- কেন কাঁদছি এত, এই মধ্যবয়সে মৃত্যু কি এত কাঁদায়? তবু তো চোখ ভিজে যাচ্ছে।

বন্ধুদের একজনের দেওয়া পোস্ট দেখে কান্নাটা আরো তীব্র হলো। সেই যে তিন গোয়েন্দার মলাটের পেছনে এক টুকরো লেখাটা সে পোস্টে সেঁটে দিয়েছে-

"হ্যালো, কিশোর বন্ধুরা আমি কিশোর পাশা বলছি, আমেরিকার রকি বীচ থেকে। জায়গাটা লস অ্যাঞ্জেলেসে, প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে, হলিউড থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে। যারা এখনও আমাদের পরিচয় জান না, তাদের বলছি, আমরা তিন বন্ধু একটা গোয়েন্দা সংস্থা খুলেছি, নাম তিন গোয়েন্দা। আমি বাঙালী। থাকি চাচা-চাচীর কাছে। দুই বন্ধুর একজনের নাম মুসা আমান, ব্যায়ামবীর, আমেরিকান নি**গ্রো; অন্যজন আইরিশ আমেরিকান, রবিন মিলফোর্ড, বইয়ের পোকা। একই ক্লাসে পড়ি আমরা। পাশা স্যালভিজ ইয়ার্ডে লোহা-লক্কড়ের জঞ্জালের নিচে পুরানো এক মোবাইল হোম-এ আমাদের হেডকোয়ার্টার। তিনটি রহস্যের সমাধান করতে চলেছি এসো না, চলে এসো আমাদের দলে।"

যতবার তিন গোয়েন্দার নতুন বই হাতে নিতাম, বহুবারপঠিত এই লেখাটা আবার পড়তামই। মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল। তবু পড়তাম। কল্পনায় কিশোর পাশার চেহারাটা মনে হতো খুব শার্প, চিন্তা করার সময় নিচের ঠোঁটটা বারবার চিমটি কেটে ধরতো বলে মনে হতো, ওর নিচের ঠোঁটটা একটু বড় হয়ে গেছে। মুসা আমানকে মনে হতো মোটুসোটু কিন্তু শক্তপোক্ত কিশোর। ব্ল্যাক আমেরিকান। চুল কোঁকড়া। আর রবিন? রবিন মিলফোর্ড সাদা একটা আইরিশ কিশোর, যার চুল সোনালি, চোখ নীল, সেই চোখে গোল সোনালি রিমের চশমা। এমনকি স্যালভেজ ইয়ার্ডের লোহা লক্করের জঞ্জালে ঢাকা হেডকোয়ার্টারটা অব্দি আমি দেখতে পেতাম চোখ বুঁজলে!

এই যে চোখ দিয়ে জল ঝরছে, কেন ঝরছে? কিশোরের জন্য? মুসা আর রবিনের জন্য? নাকি আমার হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলার জন্য? যে ছোটবেলাটা মুঠো ফসকে কই যে গেছে, এত ছুটি তাকে ধরবো বলে, একটা ছোট্ট নরম অংশও কেন নাগালে পাই না? যে শিশুকালটা, যে কিশোরবেলাটা রোদে রোদে, বৃষ্টিতে বৃষ্টিতে, ধুলোবালিতে, ঘাসে, জোৎস্নায় মিশে থাকতো! যে ছেলেবেলাটা ৯০ দশকের সাদামাটা ঘরদোরে, সহজ জীবনে মিশে ছিল? যে ছেলেবেলায় আমরা দলবেঁধে হেঁটে হেঁটে ইশকুলে যেতাম! রিকশা চেপে পড়তে যেতাম স্যারের বাসায়, ব্যাচে। অংক খাতার ভিতরে প্রেমপত্র - আর ফেরার পথে রিকশার পেছনে কেউ বাইসাইকেলে ফলো করত! সেই হঠাৎ প্রেমিকের যন্ত্রণা কেন সুখের মতো লাগতো?

যে ছেলেবেলায় আমরা শীত নামলেই নানুবাড়ি যেতাম। যে শিশুকালে আমরা বড় ভাইবোনদের ছোট হয়ে যাওয়া জামা ভাগ করে নিতাম। ঈদের শপিংয়ে যেতাম গুষ্টি ধরে সবাই মিলে।

কোথায় হারিয়ে গেল দোতলার বারান্দাটা? আমার পুতুলের সংসার? আমার মিনি পুষি? বাসার নিচে গোল্লাছুট আর কুতকুত খেলার টানা দাগ?

কোথায় হারালো বইয়ের দোকান? ২৫ টাকা দিয়ে কিনে আনা তিন গোয়েন্দা, কিশোর ক্লাসিক, ওয়েস্টার্ন! কোথায় হারালেন রকিব হাসান? কেন হারালেন? কেন হারান?

12/10/2025

আমি যে বছর প্রেমে পড়লাম
সেই গোটা বছরটাই
আমার জন্য বসন্তে রূপ নিলো
আমি ফুল তুললাম, ঘ্রাণ নিলাম।

এরপর সেই গোটা বছর যেতে না যেতেই
নেমে এলো বর্ষা
সেই যে বর্ষণ,
আজও থামলো না।
সব কিছু ভেঙে চুড়ে তছনছ হয়ে গেল
আমি কেবল বাঁধ বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি ক্রমাগত,
সম্বল বলতে সেই ফুল, বসন্ত কিছুই আর অবশিষ্ট নেই

একটা ঘর আছে
আর আছি আমি 💕

02/10/2025

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না,,,,
যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীর ভাবে অনুভব করে, আর যে মেয়ে লেখে।

কখনও শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক ,
পাগলাটে মেয়ের প্রেমে পড়ো না।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না,,,,
যে ভাবতে পারে, যে জানে সে কি
জানে এবং উড়তে জানে;
যে মেয়ে নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না,,,,
যে প্রেমের সময় হাসে বা কাঁদে,
জানে কীভাবে আত্মাকে পরিণত করতে হয় শরীরে;
সে মেয়েকে ছেড়ে দাও যে বিপজ্জনকভাবে কবিতা ভালোবাসে,
অথবা একটি পেইন্টিং-এর ধ্যানে
ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়
এবং যে সঙ্গীত ছাড়া বাঁচতে
পারে না।...

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না,,,,
যে তার শরীরের গঠন ও মুখের আদল
ছাড়াই সুন্দর।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে তীব্র, মনোরম,
স্বচ্ছ এবং অপ্রাসঙ্গিক।

এমন কোনও মেয়ের
প্রেমে পড়ো না।

কারণ যখন তুমি এমন একটি
মেয়ের প্রেমে পড়বে,
তুমি তার সঙ্গে থাকো
বা নাই থাকো, সে তোমাকে ভালোবাসুক বা নাই ভালোবাসুক,
এমন মেয়ের কাছ থেকে
তুমি কখনওই ফিরতে পারবে না।

09/09/2025

আমার ব্যক্তিগত স্ট্যান্ড হচ্ছে (নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে না গিয়েও) কে সাজবে বা সাজবেনা সেটা তার একান্তই নিজস্ব রুচি ও বিশ্বাসের বিষয়। আপনার আমার পছন্দ নাও হতে পারে কিন্তু কেউ যদি সেটা করে বা করতে ভালোবাসে তাহলেও কি আমার কিছু বলার আছে না বলা উচিত? আমাকে অনেকেই বলে আমি একটা পজিশনকে হোল্ড করি তাই ইয়ার্কি ফাইজলামী করা আমাকে মানায়না। মানে হচ্ছে আমাকে ভারিক্কি দেখানোর জন্য আমার Intrinsic বৈশিষ্টকে অস্বীকার করতে হবে (এর মানে গুগল করলেই পেয়ে যাবেন)। কিন্তু কেন? কেউ বয়স হলে সাজতে পারবেনা বা কেউ উচ্চপদে কাজ করলেই তার ভিতরে থাকা কোন চাইল্ডিস অ্যাটিটিউড বা ইন্টারনাল ডিজায়ারকে প্রকাশ করতে পারবেনা এমন রুলস কে বানালো? কোন ডিকশনারী কি বানানো হয়েছে? না। তাহলে? এর সবই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বা এই তথাকথিত সমাজের সৃষ্টি। আর সামাজিক দৃষ্টি কীভাবে তৈরী হয় সেটা আমরা ভালো করেই জানি। তাই অন্য কাউকে এই টাইপ "মোরাল জাস্টিস" বা "মোরাল পুলিশিং" করার আগে একটু দম নেন। ভাবেন যে আপনাকে কি তিনি অধিকার দিয়েছেন এই "করণীয়" ঠিক করতে?

সিমিলারলি, জয়া আহসানকে নিয়েও অনেক কথা প্রচলিত। জয়া আধুনিক বিজ্ঞানের সাহায্য নিয়ে যদি নিজের বয়সকে ধরে রাখতে চায় বা বয়সকে গ্রেইসফুলি এক্সেপ্ট না করতে চায় তাহলেও সেটা যেমন তার রুচি ও বিশ্বাসের বিষয় ঠিক তেমনি সাবিত্রী চ্যাটার্জি বা আমাদের দেশের দিলারা জামানের মত বয়স হয়ে গেলেই বা চামড়া কুঁচকে গেলেই তিনি লিপিস্টিক বা মেইকাপ দিয়ে ক্যামেরায় আসতে পারবেননা এমন চিন্তা থেকে সরে আসা উচিত। আপনার ভাল্লাগে নিজেরে বুইড়া মরা ট্যাংরা বা শুকনা লতির মত দেখতে তো দেখেন কিন্তু আমার ভাল্লাগে আমারে তরতাজা দেখতে আমি সেটাই করি। দুইটাই দুইজনের মানবাধিকার। তাই নয় কী? মাই লাইফ মাই রুলস যদি মানেন, তাহলেও এই ইকুয়েশনেই আসা লাগবে।

05/09/2025

একটা সত্যি কথা বলছি, সৌন্দর্য দিয়ে, শরীর দিয়ে, যৌনতা দিয়ে, টাকা দিয়ে, বিলাসিতা দিয়েও একটা মানুষকে সম্পূর্ণ নিজের কাছে আগলে রাখা যায় না....
আমি ভাগ্যে তেমন বিশ্বাসী নই, কিন্তু একটা মানুষের সম্পূর্ণ ভালোবাসা পেতে কপাল লাগে, কপাল....
ভালোবাসা আশীর্বাদের মতো, সবাই পায় না...
অনেকে পেয়েও হারায়, আবার অনেকে নিজের একটা মানুষ পাওয়ার জন্য হা হুতাশ করে গোটা জীবন....
এই পৃথিবীতে মানুষ টাকাপয়সা বাড়ি গাড়ি সুখ সম্পত্তি সব চায়, তার সাথে সম্পূর্ণ নিজের একটা মানুষও চায়....
যে মানুষটাকে কারোর সাথে কোনোদিন ভাগ করা যায় না, যে মানুষটার ভেতর সারাদিন ডুবে থাকা যায়, যে মানুষটার দিকে তাকালে চোখের ভেতর সব শোক মরে যায়....
যে মানুষটার সাথে সারাদিন কথা বললেও একঘেয়েমি লাগে না, যে মানুষটাকে যখন তখন ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার আবদার করা যায়....
যে মানুষটা ছুঁয়ে দিলে আমাদের গোটা শরীরে কমলা রঙের রোদ খেলে যায়, যে মানুষটা পাশে বসে থাকলে সব দুঃখ ব্যথা যন্ত্রণার তীব্রতা কমে যায়....
যে মানুষটার জন্য মাঝরাতে বৃষ্টিতে ভেজা যায়, যে মানুষটার জন্য ভর দুপুরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দরদর করে ঘামতে ঘামতে হাতে গোলাপ ফুল নিয়ে অপেক্ষা করা যায়....
যে মানুষটার জন্য পাগলামি করা যায়, যে মানুষটার জন্য নিজের যাবতীয় ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, টাকাপয়সা বাড়ি গাড়ি সব বিসর্জন দেওয়া যায়....
যে মানুষটার জন্য গায়ে কাদা মাখা যায়, যে মানুষটার জন্য নিজের চোখের তলার কালি মুছে কাজল লাগানো যায়....
যে মানুষটার জন্য রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেয়ে গোটারাত জেগে লম্বা লম্বা মেসেজ টাইপ করা যায়....
যে মানুষটার জন্য রঙচঙে জামাকাপড় শার্ট প্যান্ট পরা যায়...
যে মানুষটার সাথে সিনেমা দেখতে গিয়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়া যায়....
সবারই একটা মানুষ লাগে, যে মানুষটাকে কারোর সাথে ভাগ বাটোয়ারা করা যায় না, যাকে গোটা দুনিয়ার সামনে "শুধু আমার মানুষ" বলে পরিচয় দেওয়া যায়....
আর সেই মানুষটা যার জীবনে আসে, এমনি থেকেই আসে, এমনিই গোটাজীবন থেকে যায়। সেই মানুষটাকে রূপ রঙ যৌবন টাকাপয়সা বিলাসিতা কোনোকিছু দিয়ে আগলে রাখতে হয় না....
যে থাকার, সে থেকে যায়, শুধু একটু ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেলেই সেই মানুষটা যেভাবেই হোক থেকে যায়, বিশ্বাস করুন আর কোনোকিছুর প্রয়োজন পড়ে না, কোনোকিছুর নয়...
আর যে থাকতে চায় না, সে যেভাবেই হোক এক না একদিন ঠিকই সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে যায়। তাকে রূপ রঙ যৌবন টাকাপয়সা কোনোকিছু দিয়েই বেঁধে রাখা যায় না...
মানুষ মানুষের সাথে বেঁধে থাকে একমাত্র ভালোবাসা দিয়ে, শ্রদ্ধা দিয়ে, বন্ধুত্ব দিয়ে, বিশ্বাস দিয়ে, যাঁদের ভেতর এই আবেগগুলো নেই, এই বোঝাপড়া গুলো নেই, যাঁদের ভেতর একে অপরের দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা নেই, তারা শুধু ছেড়ে যাওয়ার অজুহাত খোঁজে....

08/08/2025

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শুধু প্রেমিক নয়, সে একজন নিঃসন্দেহে নার্সিসিস্ট। এমন মানুষ নিজের আনন্দ আর তৃপ্তির জন্য আপনার মনকে খেলনার মতো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে, আপনার কষ্ট দেখেও শান্তির নিশ্বাস ফেলে।

নার্সিসিস্টদের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, প্রথম দেখায় আপনি বুঝতেও পারবেন না। তারা চমৎকারভাবে কথা বলতে জানে, আপনাকে মুহূর্তেই মুগ্ধ করবে, আপনার চোখে চোখ রেখে এমনভাবে হাসবে যে মনে হবে পৃথিবীর সেরা মানুষটিকে পেয়েছেন। তারা হয়তো খুবই স্মার্ট, বুদ্ধিমান, আর সবার মন জয় করতে ওস্তাদ।

কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, এরা আসলে ভয়ংকর এক ধরণের খেলোয়াড়। আপনার অনুভূতিগুলো আস্তে আস্তে তারা তাদের মুঠোয় পুরে নেয়, আপনাকে নিজের মতো করে ভাঙে গড়ে। যখন এদের আসল রূপ দেখবেন, তখন আবিষ্কার করবেন একেবারে ভিন্ন একজন মানুষ—যার মনে দয়া নেই, যিনি কেবল নিজের স্বার্থটুকু দেখে।

বিশ্ববিখ্যাত মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নার্সিসিস্টরা একধরনের দ্বিমুখী জীবনযাপন করে। বাইরে মানুষকে দেখায় তারা কত মানবিক, কত সৎ আর কেয়ারিং। কিন্তু নিজের ঘরের দরজার ভেতর তারা হয়ে ওঠে হৃदयহীন, স্বার্থপর, আর নির্মম এক স্বত্বা—যা শুধু প্রিয় মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়।

এরা ভালোবাসা দিয়েই আপনাকে আটকাবে, আবার সেই ভালোবাসার নামেই আপনার মন ভেঙে ফেলবে। যখন আপনি এদের কথার বা ইচ্ছের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, তখনই বুঝতে পারবেন তাদের আসল রূপ। আপনার চোখের জল, কাকুতি-মিনতি কিছুই তখন আর ওদের কাছে দাম পাবে না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো, এরা কখনো পরিবর্তন হয় না। এরা মনে করে, তাদের কথাই সঠিক, তারা সবার চেয়ে আলাদা আর বিশেষ। আর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকেই তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, মানসিক খেলায় পরিণত করে।

তাই যদি এমন কারো প্রেমে পড়েন, খেয়াল রাখবেন, যেন তার সুন্দর মুখোশের আড়ালে লুকোনো অন্ধকার আপনাকে গিলে না ফেলে।

19/06/2025

Perfect 👌

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Mohammadpur
Dhaka