Rakhal Raha

Rakhal Raha

Share

Rakhal Raha: Human Being, Bengali, Writer, Believer, Religion-less (মানুষ, বাঙালী, লেখক, বিশ্বাসী, নিধর্মী)

24/05/2026

“...খোদাতালার প্রতি অতি জঘন্য ভাষায় বিদ্রোহ ঘোষণা করাই তাঁহার এই পুস্তকের [অগ্নিবীণা] প্রধান বিশেষত্ব।...নিজের বিদ্রোহীরূপের পরিচয় দিতে দিতে মোছলেম বাঙ্গালার সম্মুখে যে আদর্শ উপস্থিত করিয়াছেন—কোন আজাজীলই আজ পর্যন্ত ততটা করিতে সাহসী হয় নাই।...তিনি যে এছলামের সর্বপ্রধান শত্রু তাহাতে আর বিন্দুমাত্রও সন্দেহ নাই।...”–নজির আহমদ চৌধুরী, ‘মোহাম্মদী’, কার্তিক ১৩৩৫

24/05/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই ঈদের ছুটিতে দেশের ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে এবং ওভারপাসগুলোর কোনটা কি অবস্থায় আছে চেক করার ব্যবস্থা করুন। ওগুলো উন্নয়নের জোয়ারে সৃষ্ট! কোথায় কি হয়ে আছে, সাবধানের মার নেই!

24/05/2026

হাসো বাঙালী হাসো! হাসতেই থাকো!

23/05/2026

ধর্ষণ বৃদ্ধির কারণ কি? সবাই বলবেন, যথাসময়ে যথাযথ বিচার না হওয়া, মাদকের বিস্তৃতি, কুশিক্ষার বিস্তার, উৎসবের সংকোচন, বিনোদনের অপ্রাপ্তি, ধর্মের বিকৃতি, অবাধ পর্ণ প্রবাহ, পেশাগত অনিরাপত্তা, পারিবারিক বন্ধন ভেঙে পড়া, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্বৃত্তায়ন, ইত্যাদি। তবে কেউ কেউ বলবেন, পুরুষতন্ত্রই দায়ী! রাষ্ট্র আর সরকারের থেকে মনযোগ সরিয়ে মহান হওয়ার এ-ও এক তরিকা।

22/05/2026
21/05/2026

ধর্ষণ বিচারহীনতার ফল, কুশিক্ষা-কুশাসনের উৎপাদ—পেনিস আর পোশাক এর কারণ নয়।

21/05/2026

অবস্থা এমন যেন পুরুষের পেনিসটাই যতো সর্বনাশের মূল—ওটা না থাকলেই জগৎ-প্রকৃতি অনেক সুন্দর হতো, আমরা ভালো থাকতাম!

এই অতি উচ্চমাত্রার মানবীয় বোধসম্পন্ন মানুষগুলোর মুখে সবসময় কজ এন্ড কনসিকুয়েন্সের কথা শোনা যায়, কিন্তু বস্তুত তারা কনসিকুয়েন্সকে সেইভাবে হাজির করে, যাতে কজ সৃষ্টির প্রকৃত কারণ হারিয়ে যায়—মানুষের স্বাভাবিক মানবীয় সত্তাকেই মনে হয় কজ—আর এটা খারাপ, সর্বনাশের।
কিছুদিন আগে মার্কিন মুল্লুকে রাস্তার মধ্যে শাড়ী পরে নাচছে এমন এক বাঙালী মেয়ের চারপাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া অসংখ্য মানুষ, যারা একবার তাকিয়েও দেখছে না—এমন একটা ভিডিও দেখে আমাদের এই উচ্চমাত্রার মানবীয় মানুষগুলোর এমন হাহাকার, যেন পারলে কেঁদে ফেলে!

আমি ভাবছিলাম, একটা সমাজের মানুষ কি রকম অস্বাভাবিক হলে, পলিটিক্যালী পয়দাকৃত হলে, কত দীর্ঘ অপ্রাকৃতিকতার মধ্য দিয়ে গেলে এরকম অস্বাভাবিক একটা রাষ্ট্রীয় প্রাণী হয়ে উঠতে পারে। সুতরাং সেই মানুষ রাষ্ট্রের বাইরে গেলে, রাষ্ট্র না থাকলে ওমন অমানবিক সত্তা নিয়ে কি পরিমাণ দানব হয়ে উঠবে তা কল্পনা করা যায়। কল্পনা নয়, তার নমুনা আজ সারা দুনিয়ায় বীভৎসভাবে ছড়ানো তা দেখা যায়।

কিন্তু এই বীভৎসতাকে পুঁজি, পণ্য আর অর্থনীতি দিয়ে ব্যাখ্যা করার যতো অ্যাপারেটাস বা টুল বা মাল-মসলা আমরা পেয়েছি—মানবিক সত্তাকে হারিয়ে অসুস্থ, অপ্রকৃতিস্থ হওয়াকে ততোটাই গ্লোরিফাই করার পরিভাষা আর জার্গনও আমরা তাদের থেকে পেয়ে গেছি নিয়মিতভাবে।

এগুলোর মাধ্যমে এই অমানবিক সত্তাকে পরম মানবিকতার মোড়কে হাজির করে আমাদের মতো রাষ্ট্রহীন দেশে সমাজবিচ্ছিন্ন উচ্চমাত্রার যে কিছু মানবিক মানুষ তারা তৈরী করে, তারা নিজেরাও বোঝেন না, তাদের মানবিকতার বিকিরণ মানুষ থেকে মানুষকে নেই ক’রে নৈরাষ্ট্রকেই রক্ষা করে কিভাবে।

এমন মানুষের নাম-যশ-খ্যাতি তৈরীর বহু ধরণের প্রকল্প-উদ্যোগও থাকে তাদের। তাই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আগাছাকে বিশাল বৃক্ষ দেখায়, আর তা দেখে অনেক ভণ্ড-বদমাইশও সেগুলোতে আশ্রয় করে, ভর নেয়, তত্ত্ব ছোটায়—নানাজনকে, সমাজের নানাকিছুকে নানাভাবে চিহ্নিত করে নিজেদের বদমাইশীর আড়াল নিতে চায়—ঠিক ধর্মের মতোই এ আরেক ভর, যাকে আশ্রয় করলে শক্তি আসে, ভিত্তি আসে, যেনবা যা খুশী করা যায়! সমাজে দুই ধর্মের তাই এতো রেষারেষি, মাঝ দিয়ে মানুষ উলুখাগড়া হয়ে যায়।
একটা শিশু সমাজে সবার থেকে স্নেহ-ভালোবাসা পাবে, সবার চোখের চাহনি হবে তার প্রতি মমতাময়; একটা মানুষ পাশের মানুষের প্রতি স্বাভাবিক সৌজন্য প্রকাশ করবে, বিপদে এগিয়ে যাবে, বিপদে সাহায্য পাবে—সেই মানুষ এমন রাষ্ট্রহীন রাষ্ট্রের নৈরাষ্ট্রিক কার্যকলাপের কারণে প্রতিদিন যে নেই হয়ে যায়—সেখানে তারা রাষ্ট্রের এই স্বেচ্ছাব্যর্থতার দায়মুক্তি দিতে গুডটাচ-ব্যাডটাচ, জেণ্ডার এডুকেশন, পাশের মানুষ-যাত্রীকে সন্দেহ করুন, ইত্যাদি নিত্য নতুন ফতোয়া এনে শুধু বয়স্ক মানুষ নয়, শিশুর মানসিক স্তরেও ঢুকিয়ে দেয় ভয়াবহ সন্দেহ, ভয়—তার সুস্থ স্বাভাবিক জগৎকে করে তোলে অস্থির; নির্মল মানসকে করে তোলে জটিল।

তবু এই সব রাষ্ট্রের সমাজবিচ্ছিন্ন, উচ্চ অতিমানবিকতায় আচ্ছন্ন মানুষগুলো রাষ্ট্র রেখে বা কখনো রাষ্ট্র সহযোগেই সেই সব ফতোয়া লুফে নিয়ে লাফানোতেই সমাজ-রাষ্ট্রের কল্যাণ ভাবে—ভাবে, এভাবেই একদিন মানুষ সব ভালো হয়ে যাবে! ধার্মিক তো তাদেরই বলে! (তাদের ধর্ম হয়ও—বিশাল বিশাল ভবন হয়, গ্রন্থ হয়, পদ-পুরস্কার জোটে!)
এই সব রাষ্ট্রের সংকট আকাশছোঁয়া, আর সেই সব মানুষের সমাধান-ভাবনা সপ্ত আকাশছোঁয়া। তারা তা কখনো ছুঁতে পারে না। দীর্ঘকাল আসমানে তাকিয়ে চোখও হারিয়ে ফেলে, মাটি চিনতে পারে না।

আর যারা সবসময় আসমানে পা রেখে চলে, তাদের কথা না বলি—কারণ নৈরাষ্ট্রে তারা মানসিকভাবে এমন অবস্থানে থাকে, যেন সব অপকর্ম আসমানের নির্দেশে ঘটে চলেছে, তারা তাতে একটু শুধু শরীক হচ্ছে, এই যা! আসমান তাদের চিনতে পারবে, ক্ষমা করে দেবে!

এভাবে সব মিলিয়ে নৈরাষ্ট্রের চক্র হয় বৃহৎ, সমাজ হয় কারাগার, শিক্ষা-সংস্কৃতি-রুচি হয় উধাও, মানুষ যার যার অবস্থান থেকে স্যারেন্ডার করে, পালায়! এখন তুমি হয় তাদের সাথে ভীড়ে যাও, নয় তো চুপচাপ দেখে যাও! কথা বললে নলি টিপে দেবো!
রাখাল রাহা, ২১শে মে ২০২৬

20/05/2026

ছেলেরা শোনো!

20/05/2026

কোনো টাউট-বাটপার যখন তত্ত্ব ছোটায় আর কাউকে লক্ষ্য ক‌রে ফেসবু‌ক-ইউটিউবে হঠাৎ নিন্দা আর গালাগা‌লির ঝড় তোলে, বুঝ‌বেন সে বড়ো রক‌মের বদমাইশী‌তে ধরা পড়ে আড়াল খুঁজছে।

19/05/2026

মানুষ জীবন দিয়ে বোঝে এক, আর তর্ক করে আরেক! এ দিয়ে ধর্ম বা প্রগতি কিছুই হয় না। এদেশে নারী-প্রগতি-বিজ্ঞান—সবকিছুই এক ধরণের ধর্ম!

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Azimpur
Dhaka
1205