TimeOne
Stay connected to gain new knowledge.” 🌏
contact :
[email protected]
"This channel provides educational content, explores emerging technologies worldwide, and presents modern defense and strategic developments in a factual and neutral manner.
ভারতকে রেখে সীমান্তে চীন ও পাকিস্তানর নতুন যৌথ কমিশনের উদ্যোগ?
17/09/2026
NATO Fighter Jets Shoot Down Suspected Russian-Made Drone Over Lithuania....
On the night of September 15, 2026, an unidentified drone entered Lithuanian airspace, reportedly from the direction of neighboring Belarus, according to Lithuanian authorities.
The drone remained in Lithuanian airspace for roughly 30 minutes before it was intercepted and destroyed near the village of Pratkūnai in the Kaišiadorys district, about 60 miles west of the capital, Vilnius.
Two Italian Eurofighter Typhoon fighter jets, operating under NATO’s Baltic Air Policing Mission from Šiauliai Air Base, were scrambled to intercept the drone. The operation was coordinated through NATO’s air command structure....
Lithuanian President Gitanas Nausėda confirmed that NATO fighter jets had destroyed the drone after it entered Lithuanian airspace. Lithuanian officials later said the drone appeared to be a Russian-made Gerbera-type UAV and was likely carrying explosives. However, there was no immediate confirmation of who launched the drone or whether it was deliberately targeting Lithuania....
The incident is reportedly the first time a drone has been shot down over Lithuanian territory by NATO fighter aircraft. It follows other recent drone-related airspace incidents in the Baltic region.
European Commission President Ursula von der Leyen described the latest incidents as part of what she called a broader pattern of aggression and provocation affecting Europe.
As the Russia-Ukraine war continues, NATO members on the alliance’s eastern flank are maintaining heightened vigilance over their airspace.
The incident highlights NATO’s ongoing air-policing role in the Baltic region.
What do you think? Could repeated airspace incidents increase security tensions across Europe?
👇 Share your thoughts in the comments.
15/06/2026
বেসরকারি চাকরিজীবীদের কথা কি কেউ ভাববে না
এ যেন এক মায়ের দুই সন্তান--আপন ছেলে এবং সৎ ছেলে?
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল আসে, বেতন বাড়ে, বোনাস বাড়ে, নানা সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো হয়। কিন্তু দেশের বেসরকারি খাতে কাজ করা লাখো মানুষ কি এসব সুবিধার বাইরে থেকেই যাবে?
সম্প্রতি সংসদে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন এমপি মারদীয়া মমতাজ।
তিনি প্রশ্ন করেছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যখন নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো আছে, তখন বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কেন কোনো কার্যকর ন্যূনতম বেতন নির্দেশনা থাকবে না?
তিনি সংসদে এক মায়ের কষ্টের কথাও তুলে ধরেন। সেই মায়ের প্রশ্ন ছিল, “আমরাও তো ভোট দিই, তাহলে আমাদের সন্তানদের জন্য রাষ্ট্রের কোনো নির্দেশনা বা সুরক্ষা থাকবে না কেন?”
বাস্তবতা হলো, দেশের অনেক বেসরকারি চাকরিজীবী দীর্ঘ সময় কঠোর পরিশ্রম করেও তুলনামূলক কম বেতন পান। তবে অনেক ক্ষেত্রে চাকরির নিরাপত্তাও থাকে না। অথচ দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে এই মানুষগুলোর অবদান অনেক বড়।
অনেকেই মনে করেন, সরকারি চাকরির প্রতি মানুষের এত আগ্রহের অন্যতম কারণ হলো ভালো বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। বেসরকারি খাতেও যদি সম্মানজনক বেতন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।
সংসদে দাঁড়িয়ে বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই বাস্তবতার কথা তুলে ধরার জন্য মারদীয়া মমতাজকে ধন্যবাদ। দেশের উন্নয়নের কথা বলতে হলে সরকারি ও বেসরকারি—দুই খাতের কর্মীদের কথাই সমান গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।
তার কথা আপনার কাছে কেমন লেগেছে কমেন্ট করতে ভুলবেন না!! ধন্যবাদ
14/06/2026
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ-- দীর্ঘ পালিয়ে থাকার পর আইনের জালে.... কথায় আছে,? পাপে ছাড়ে না বাপ কে,,!!
বাংলাদেশের আলোচিত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত ও মামলার মুখোমুখি থাকা বেনজীর আহমেদের এই গ্রেপ্তার দেশের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে তার ও পরিবারের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ, জমি, ফ্ল্যাট এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগের তথ্য সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে,,, সরকারি চাকরিতে থাকাকালীন সময়ে তিনি বৈধ অর্থ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ২০২৪ সালে তিনি দেশ ত্যাগ করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং বাংলাদেশ সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়,, এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে শনাক্ত ও আটকের জন্য সতর্ক অবস্থানে ছিল।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুবাই পুলিশ ইন্টারপোলের সহায়তায় তাকে আটক করেছে। বাংলাদেশ সরকার এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে,,,তবে তাকে ঠিক কোন স্থান থেকে এবং কী পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আর এই ঘটনাকে অনেকেই বাংলাদেশের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন,,,কারণ দেশের অন্যতম শীর্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তার পরবর্তী গ্রেপ্তার প্রমাণ করে যে আইনের আওতার বাইরে কেউ নয়।
তবে গুঞ্জন উঠেছে এরপরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর দিকে আঙ্গুল উঠতে পারে,,
কিন্তু দেশের মানুষের দৃষ্টি থাকবে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে,,বেনজীর আহমেদকে কবে দেশে আনা হবে এবং আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিচার কীভাবে সম্পন্ন হবে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরাধী যেই হোক, তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে আপনার মতামত কমিটি লেখুন।। ধন্যবাদ
13/06/2026
মৌলভীবাজার সীমান্তে আবারও প্রা*ণ গেল এক বাংলাদেশির,,,,,
১২ জুন সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গু/লিতে এক বাংলাদেশি যুবক নি/হত হওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে ,,, যা নি/হত যুবকের নাম মুজিবুর রহমান বলে জানা গেছে। তিনি স্থানীয় ঐ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
বিজিবি ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে এবং জানিয়েছে,,, বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে গু/লি চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন বারবার কেন সীমান্তে বাংলাদেশিদেরকে হ/ত্যাক/ণ্ডের স্বীকার হচ্ছে,,,
কারন সীমান্তে যেকোনো সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে হওয়া উচিত। একটি প্রাণ হারিয়ে যাওয়া কখনোই কাম্য নয়। সীমান্তে শান্তি, মানবিকতা ও আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
নিহত যুবকের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা রইল। আমরা আশা করি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রকৃত সত্য সবার সামনে উঠে আসবে।।
তা না হলে বারবার এমন ঘটনার স্বীকার হতে হবে।। তবে আপনার মতামত কমেন্টে লিখুন ! ধন্যবাদ।
12/06/2026
ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট: আরও শক্তিশালী বাংলাদেশের পথে নতুন অধ্যায়...
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এই খাতে।l
তবে বর্তমান বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত পাহারা দেওয়ার বিষয় নয়। আধুনিক যুদ্ধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এখন যুক্ত হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, আকাশসীমা ও সমুদ্রসীমা রক্ষা, গোয়েন্দা সক্ষমতা এবং দ্রুত দুর্যোগ মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা,।।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে এই বাজেট সহায়ক হবে।।
আর বিশ্ব রাজনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রতিটি দেশই নিজেদের নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।।
কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি রাষ্ট্রের আত্মবিশ্বাস ও স্থিতিশীলতার প্রতীক। তাই এবারের সামরিক বাজেট শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির প্রতিফলন।
উন্নয়নের বাংলাদেশ, নিরাপত্তার বাংলাদেশ,
আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ।
যা সময়ের সাথে সাথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ।
আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য কমেন্ট লিখুন !! ধন্যবাদ।।
12/06/2026
দাড়ি রেখে আলোচনায় সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান.....
আর সম্প্রতি হজ পালন শেষে দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান-কে দাড়ি রাখা নতুন লুকে দেখা যায়। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই লিখেছেন, "দাড়ি রেখে ইতিহাস গড়লেন সেনাপ্রধান। তবে বাস্তবতা হলো, এটি মূলত সামাজিক মাধ্যমে প্রচলিত একটি মতামতভিত্তিক বক্তব্য,,,এ বিষয়ে সেনাবাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
তবে,ওয়াকার-উজ-জামান দীর্ঘ সামরিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে দেশের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে রয়েছেন। তার সমর্থকদের মতে, তিনি একজন অভিজ্ঞ ও পেশাদার কর্মকর্তা, যিনি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা, আধুনিকায়ন এবং জাতীয় স্থিতিশীলতার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। হজ শেষে তার দাড়ি রাখা অনেকেই ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলনের ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে, একজন সেনাপ্রধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা বা ভিন্নমত থাকাও স্বাভাবিক। দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে তার ভূমিকা সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে।
তবে এসব বিষয়ের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তথ্য ও বাস্তব কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে, আবেগ বা গুজবের ভিত্তিতে নয়।
সত্য হলো, দাড়ি রাখা একজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়। একজন সেনাপ্রধানের প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার নেতৃত্ব, দক্ষতা, সততা, দায়িত্ব পালন এবং দেশের নিরাপত্তায় অবদানের মাধ্যমে। তাই কোনো ব্যক্তিকে শুধু তার বাহ্যিক রূপ দেখে নয়, বরং তার কাজ ও অর্জনের ভিত্তিতে বিচার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।
তবে এই বিষয়টি আপনার কাছে কেমন লেগেছে আপনার মতামত কমেন্টে লিখুন !! ধন্যবাদ !!
Category
Website
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when TimeOne posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.