Future Life Project
We want to decorate our life with FUTURE LIFE PROJECT.
স্বপ্ন যখন আপনার দোরগোড়ায়
16/01/2026
With I Decor – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
💕ভালোবাসি 💕
(দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প)
Samira Afrin Samia
#নিপা
পর্বঃ ১
তুষার – তুই কোনো দিনও বলিস নি কেন তুই যে আমাকে ভালোবাসিস?
মিষ্টি – কেন বলবো?
তুষার – একটা থাপ্পড় দিব। না বললে বুঝবো কি ভাবে?
মিষ্টি – সব কথা কি সব সময় বলে দিতে হয়? কিছু কথা না বললে ও বুঝে নেওয়া লাগে।
তুষার – হ আমি তো গণক হয়ছি।কেউ কিছু না বললেও তার চোখ মুখ দেখে মনের কথা বুঝে নিব।
মিষ্টি – যাকে ভালোবাস তার চোখ দেখে মনের কথা বুঝতে না পারলে এটা কেমন ভালোবাসা?
তুষার – বুড়িদের মত কথা বলবি না।
মিষ্টি – তুমি তো আমাকে ভালোবাস না। তুমি তোমার ওই শাঁকচুন্নি, কান কাটা পেত্নী, বিষকন্যা গফের কাছে যাও
আমরা এতক্ষণ যাদের দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়া দেখছিলাম তারা হলো গল্পের নায়ক ও নায়িকা। চলুন তাদের কাছ থেকেই আমরা তাদের পরিচয় জেনে নেই।
মিষ্টি – হ্যালো গাইস,,,,, আমি মিষ্টি আর এতক্ষণ যার সাথে কথা বলছি ও হলো ষাঁড় থুক্কু ষাঁড় না তুষার। আমাদের বাসার পাশেই ওদের বাসা। ছোট থেকেই ও আমার পিছনে হাত ধুয়ে পড়ে আছে। ঠিক টম আর জেরির মত। টম আর জেরির মত আমাদের মাঝে ও অনেক ঝগড়া হয় কিন্তু কেউই কারো উপর রাগ করে বেশিক্ষণ থাকতে পারি না। তুষারের আম্মু আর আমার আম্মু বেস্ট ফ্রেন্ড। তুষার আমার থেকে তিন বছরের বড়। ছোট থেকেই এক সাথে থাকার কারনে আমরা অনেক ক্লোজ। তুষারের এমন কোনো সিক্রেট নেই যা আমি জানি না। আমি এবার ইন্টার প্রথম বর্ষের ছাত্রী আর তুষার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এ র্কোস করছে।আমি যে তুষারকে ভালোবাসি তা আমি নিজেও জানতাম না।
এই পাঁচ মাসে আমি বুঝতে পারছি আমি তুষারকে কতটা ভালোবাসি।
পাঁচ মাস আগে কি হয়েছিল তা তো আমরা কেউই জানি না। তাহলে চলুন পাঁচ মাস আগে গিয়ে ঘুরে দেখে আসি কি ভাবে মিষ্টি আর তুষারের মাঝে বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসার সৃষ্টি হয়।
💕💕💕💕💕💕💕💕💕💕
পাঁচ মাস আগে………
মিষ্টি – ষাঁড় আজ আমাকে কলেজে নিয়ে যাবে?
কলেজে আজ আমার প্রথম দিন।
তুষার – কি নামে ডাকলি আমাকে?
মিষ্টি – কি নামে ডাকছি?
আমি তো তুষার বলেই ডাকছি। কেন তুমি কি শুনছ?
তুষার – তোর কি মনে হয় আমি কানে কম শুনি?
মিষ্টি – মনে হওয়ার কি আছে তুমি তো কানে কমই শুনো।(মনে মনে…)
মনে তো হয় একটু একটু কম শুনো। তা নাহলে আমি কি নামে ডাকছি তা ঠিকই শুনতা।
তুষার – অনেক কথা বলা শিখে গেছিস তাই না?
মিষ্টি – কথা বলা শিখতে হয়না এমনিতেই পারা যায়।
এখন বলো আমাকে কলেজে নিয়ে যাবে কি না?
তুষার – এত ঢং করস কেন?কলেজে প্রথম দিন তো কি হয়ছে। কলেজ চিনস না নাকি?
আর তোর মতো পেত্নীকে সাথে নিয়ে গিয়ে আমি হাজারো মেয়ের মন ভাঙ্গতে পারব না।
মিষ্টি – কি বললে আমি পেত্নী। আমি পেত্নী হলে তুমি কি হুম? কলেজে প্রথম দিন তাই ভয় লাগছিল। আর তাই তোমাকে নিয়ে যেতে বলছিলাম। থাক আমি একাই যেতে পারব।তুমি তোমার হাজারো মেয়ের মন নিয়ে বসে থাকো।
— মিষ্টি মন খারাপ করে নিচের দিকে তাকিয়ে কথা গুলো বললো।
—তুষার মিষ্টির মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলো মিষ্টি অনেকটা অভিমান নিয়ে কথা গুলো বলেছে।
তুষার – মেয়েটা এত অভিমানী কেন? ছোট থেকেই ওর কথা মত কিছু না হলে অভিমান করে গাল ফুলিয়ে রাখে। বড্ড বেশি ভালো লাগে ওকে জ্বালাতে। কিন্তু আজ ওর কলেজ লাইফের প্রথম দিন। আজই ওর মোড অফ করে দিলাম। (মনে মন…)
কথায় কথায় কান্না করস কেন। আমি কি না করছি তোকে নিয়ে যাবো না?
মিষ্টি – না করো নাই তো কি করছ? আমি একাই যেতে পারব।
তুষার – এত কথা না বলে চল তোকে কলেজে দিয়ে আসি।
— মিষ্টি বাইকে তুষারের পাশে বসে আছে তুষারের কাঁধে হাত রেখে। কলেজের সামনে এসে বাইক দাঁড় করিয়ে দু’জনেই কলেজের ভিতরে চলে গেল। প্রথম দিন হওয়াতে মিষ্টির একটু একটু ভয় লাগছিল যার কারনে মিষ্টি তুষারের পিছন পিছন হাঁটছে।
তুষার – কিরে ভয় লাগছে?
মিষ্টি – হুম
তুষার – আরে ভয় লাগার কি আছে। এখানে সবাই চেনা। আমি তো এই কলেজ থেকেই পড়ে গেছি।
মিষ্টি – তোমার চেনা আমার তো না।
— মিষ্টি আর তুষার কথা বলতে বলতে হাঁটছিল এমন সময় কিছু ছেলে এসে ওদের সামনে দাঁড়াল।
একটা ছেলে – তুষার ভাই অনেক দিন পর কলেজে। সাথে এটা ভাবী নাকি। তা ভাবীকে নিয়ে কই যাও?
—ছেলেটা মিষ্টিকে ভাবী বলাতে মিষ্টি তুষারের দিকে রাগী লোক নিয়ে তাকালো। তুষার বেচারাও অসহায় দৃষ্টি নিয়ে মিষ্টির দিকে তাকিয়ে আছে।
তুষার – মিষ্টি আমার দিকে যে ভাবে তাকালো মনে হয় এখনি আমাকে কাঁচা খেয়ে ফেলবে। আর আমাকে খাওয়ার পর এক গ্লাস পানি ও খাবে না।( মনে মনে…)
— পরিস্থিতি সামলানোর জন্য তুষার বলা শুরু করলো।
তুষার – আরে কি যে বলিস তোরা।ও তোদের ভাবী হতে যাবে কেন। ও তো একটা পেত্নী। তোদের ভাবী এমন পেত্নীর মত হবে নাকি?
মিষ্টি – কুত্তা তুমি আমাকে আবার পেত্নী বললা।তোমার বউ পেত্নী। তোমার পনেরো গোষ্ঠী থুক্কু চৌদ্দ গোষ্ঠী পেত্নী।
— মিষ্টি তুষারের চুল ধরে ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে কথা গুলো বলেছে। মিষ্টি ছোট থেকেই কারো সাথে ঝগড়া করলে ওর চুল নিয়ে টানাটানি শুরু করে দেয়।এই পর্যন্ত কতো বার তুষারের সাথে ঝগড়া করে তুষারের চুল নিয়ে টানাটানি করছে তা মিষ্টি নিজেও সঠিক বলতে পারবে না।
তুষার – আরে ছাড় করছিস কি? আমার মান সম্মান এভাবে বাতাসে উড়িয়ে দিস না। দেখ সব মেয়েরা কি ভাবে তাকিয়ে আছে। মান সম্মান যেটুকু ছিল ওইটুকু ও ধূলোয় মিশিয়ে দিলি আজ।
— মিষ্টি তাকিয়ে দেখল কলেজের চার পাশের ছেলে মেয়ে গুলো ড্যাব ড্যাব করে ওদের দিকে তাকিয়ে
আছে। মিষ্টি তুষারের চুলের মুঠো ছেড়ে দিল।
মিষ্টি – ওই ছেলে গুলো না জেনে আমাকে ভাবী বললো কেন?
— তুষার একটু দুষ্টুমি করে মিষ্টির একদম কাছে গিয়ে
তুষার – কেন ভাবী বললে প্রব্লেম কি? তুই আর আমি কি……
— তুষারের হঠাৎ এত কাছে চলে আসায় মিষ্টির কাছে কেমন যেন অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল।
মিষ্টি –
তুষার – আরে ওরা তো জানে না তুই আমার কে হস। তাই ভুলে ভাবী বলে ফেলছে।
মিষ্টি – ষাঁড় আজ শুধু বাসায় যেয়ে নেই। আমি আন্টিকে সব কিছু বলব।
তুষার – হায় হায় বলে কি আম্মুকে বললে তো আমি শেষ। এ মেয়ের কাছে কিছু শেয়ার করাটা আমার সব থেকে বড় ভুল। সারাক্ষণ শুধু একে বলে দিব ওকে বলে দিব।(মনে মনে….)
আরে কি বলিস আমি তো মজা করছি। তোর সাথে একটু মজা ও করতে পারব না?
এই তোরা সবাই তোদের ভাবীকে থুক্কু আপুকে সরি বল।
ছেলে গুলো – সরি আপু আমরা বুঝতে পারি নি ভুল হয়ে গেছে।
— ছেলে গুলো আর এক মুহূর্ত না দাড়িয়ে যে যার মত চলে গেল।
মিষ্টি – আচ্ছা যাও কাউকে কিছু বলবো না। কিন্তু তুমি এখন সোজা বাসায় যাবে। যাওয়ার সময় আমার জন্য কিটক্যাট নিয়ে যাবে। আর রাতে আমার সাথে ভুতের মুভি দেখতে হবে।
তুষার – এক তুই দুই তোর কিটক্যাট আর তিন তোর ভুতের মুভি এই তিনটা জিনিসই অসহ্যকর।( মনে মনে..)
মিষ্টি – কি হলো। কি ভাবছ?
তুষার – কই কিছুই তো ভাবছি না। কিটক্যাট নিব ঠিক আছে কিন্তু ভুতের মুভি দেখব না।
মিষ্টি – ভয় পাও কেন। ভুত তো টিভির ভিতরেই থাকবে। আর আমি আছি তো। আমি থাকতে তোমার ভুতে ভয় লাগে?
তুষার – না রে বইন আমার ভুতের ভয় লাগে না। আমার তো তোকে ভয় লাগে।
মিষ্টি – আমাকে কেন ভয় লাগবে। আমি তো আর ভুত্নী না।
তুষার – ভুত্নী থেকে কম কিসে?
মিষ্টি – আমি কিন্তু আন্টিকে ঐ দিনের কথাটা বলে দিব।তুমি যে ঐ দিন…….
— মিষ্টি কথাটা সম্পূর্ণ করার আগেই তুষার মিষ্টির মুখ চেপে ধরলো।
তুষার – ওই চুপ কর। ওকে যা দেখব।আমি যাচ্ছি কলেজে তোর কোনো প্রব্লেম হলে আমাকে জানাবি।
মিষ্টি – হুম
চলবে 💕
(ভুল ত্রুটি হ্মমার দৃষ্টিতে দেখবেন। কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না)
১৩৭টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ।
1. প্যাকেটজাত পণ্য
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।
4. অনলাইনে বই বিক্রি
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল
7. বোতল রিসাইকেলিং
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা
10. Cosmetics
11. Handcraft
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import
15. ঘি
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে
18. মাছ একোরিয়ামে
19. ইট
20. তাঁতের পোশাক শিল্প
21. ফুল
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি
24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,
25. ফ্রেস জুস
26. গিফট আইটেম
27. বিনোদন পার্ক
28. বাচ্চাদের যত আইটেম
29. অটো কার ওয়াশ
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন
31. গ্যারেজ
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি
33. পার্লার
34. কুরিয়ার বিজনেস
35. গহনা
36. সিরামিক টাইলস
37. ফার্নিচার
38. দেশি মুরগীর খামার
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা
42. ডিটারজেন্ট
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ
44. ফুড কার্ট
45. এগ্রো ফার্ম
46. মসল্লার চাষ
47. সবজি রপ্তানি
48. ফল রপ্তানি
49. মাছ রপ্তানি
50. লাইভ ফিস
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি
53. ককংক্রিটের ব্যবসা
54. ফুলের চাষ
55. তাত নিয়ে কাজ
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ
57. আইস্ক্রিম তৈরি
58. হাসের খামার
59. মুরগীর খামার
60. কবুতরের খামার
61. বায়োগ্যাস
62. কয়েলের ব্যবসা
63. মোমবাতি তৈরি
64. গিফট আইটেম সেল
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট
69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান
70. ডেইরি ফার্ম
71. জুয়েলারি ব্যবসা
72. কার ওয়াশ
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি
79. প্রিন্টিং ব্যবসা
80. স্টক লটের ব্যবসা
81. আধুনিক ফার্মেসী
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা
83. ফার্নিচার তৈরি
84. ফার্নিচার হোলসেল
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান
88. সিরামিক সামগ্রী
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা
90. ঠিকাদারি ব্যবসা
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং
93. চা পাতার ব্যবসা
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা
95. কপি শপ
96. ফাস্ট ফুড
97. লেদার নিয়ে কাজ করা
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া
99. ড্রাগন চাষ
100. খেজুর চাষ
101. নারিকেল চাষ
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট
105. চকলেটের দোকান
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা
107. বেকারি ব্যবসা
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি
116. পটেটো চিপস তৈরি
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার
120. চেইন শপের ব্যবসা
121. মৌমাছি পালন
122. সেলুন ব্যবসা
123. একুরিয়াম শপ
124. খাতা বানানোর কারাখানা
125. মানি ব্যাগ তৈরি
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী
128. ঝিনুক থেকে চুন
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
131. জিম আইটেম সেল
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়
133. পার্লার ব্যবসা
134. জি আই পাইপ তৈরি
135. মিনি সুগার মিল
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল
137. সয়াবিন রিফাইন
আপনার কোনটা?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
বাড়িধাড়া ডিওএইস এস
Dhaka