Rising Communication
Your Faith, Our Honesty
সবার প্রয়োজনে আমরা
05/06/2021
Topics: বেসিক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং [Brick Work বা ইটের গাথুনি]।
===============================================
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য অন্যান্য সাধারণ কাজগুলোর মধ্যে ব্রিক ওর্য়াক হচ্ছে অন্যতম একটি। আমাদের দেশে আমরা সাধারণত দুই ধরনের ব্রিক ওয়ার্ক করে থাকি।
✅ Ordinary Brick Work:
যা আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, এই ধরনের কাজে ইট দিয়ে গাথুনি তৈরির পর গাথুনি পৃষ্ঠকে ড্যাম্প ও আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।
✅ Pointing Brick Work:
যেখানে ব্রিক ওয়ালের জয়েন্টগুলোর সৌন্দর্য প্রদর্শনের জন্য ইহার উপরে কোন আস্তর বা প্লাস্টার প্রদান করা হয়না, গাথুনি পরবর্তীতে জয়েন্টগুলোকে পয়েন্টিং করে দেওয়া হয়। পয়েন্টিং ব্রিক ওয়ার্ক সচরাচর ১০ ইঞ্চির হয়ে থাকে।
✅ ব্রিক ওয়ালের প্রকারভেদ:
বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের ব্রিক ওয়াল প্রচলিত হয়েছে, তন্মধ্যে আমাদের দেশে মূলতঃ দুই ধরনের ব্রিক ওয়ালের বেশি প্রচলন রয়েছে;
☑️ Stretcher Bond:
যা আমাদের দেশে ৫” ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, ইহা পার্টিশন ওয়াল, ইন্টারনাল বা এক্সটার্নাল উভয় ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।
☑️ English Bond:
যা ১০ “ ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, সচরাচর ইহা বহি:স্থ বা আউটার দেওয়াল হিসেবে প্রদান করা হয়।
✅ এ ছাড়াও যেসব ব্রিক ওয়াল হয়ে থাকে:
ফ্লেমিশ বন্ড, হেডার বন্ড, ফেসিং বন্ড, রেকিং বন্ড, হেরিং বোন বন্ড, জিকজ্যাক বন্ড, Stack Bond, Dutch Bond ইত্যাদি।
……………………………………………………………….......
তো চলুন জেনে নেওয়া যাক গাথুনির কাজ শুরুর পূর্বেই আমাদেকে যা যা করতে হবে:-
🔺 ইট ভিজানো:
ইটকে ভালভাবে ভিজাতে হবে এবং কাজ শুরুর ২৪ ঘন্টা পূর্বে পানি থেকে তুলে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন ইট যদি শুষ্ক থাকে তবে সিমেন্ট মসলার পানি শুষে নিবে, ফলশ্রুতিতে পানির অভাবে সিমেন্টের হাইড্রেশন ক্রিয়া ব্যহত হবে, যার দরুন গাথুনি দূর্বল হবে। একই ভাবে ইটের মধ্যে অত্যাধিক পানি থাকার কারণে যা হতে পারে;
☑️ সিমেন্ট মসলা নরম হয়ে জয়েন্ট থেকে ইটের গা বেয়ে পড়ে যাবে। যার দরুন জয়েন্টের মসলার পুরুত্ব খুবই কম থাকবে।
☑️ গাথুনি ভার্টিক্যালি শল আউটের প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।
☑️ মিস্ত্রি কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করবে, সাধারণত অত্যাধিক ভিজা ইটের কারণে তাদের হাতের স্কিন ক্ষয় হয়ে যায়।
🔺 বালি চালা এবং ভিজানো:
যদিও সময় এবং আর্থিক দিক বিবেচনা করে সচরাচর আমরা এই দুটো কাজ করিনা, তবে উত্তম কোয়ালিটি পেতে হলে বালিকেও ইটের মত ভিজিয়ে নিতে হবে, সেই সাথে চেলেও নিতে হবে।
🔺 চিপিং:
অবশ্যই, অবশ্যই এবং অবশ্যই আপনাকে ব্রিক ওয়ার্ক শুরুর পূর্বে পুরাতন/ নতুন সকল RCC সারফেস কে ভালভাবে চিপিং [ 2-3mm deep & 3/4 to 1” c/c distance] করে নিতে হবে। সেই সাথে তা ভাল করে #ভিজিয়ে ও পরিস্কার করে কাজ শুরু করতে হবে।
🔺 সিমেন্ট স্যান্ড মসলা:
পানি দেওয়ার পূর্বে শুষ্ক সিমেন্ট ও বালিকে ভালভাবে মিক্সিং করে নিতে হবে, ভাল ফল পেতে আমরা সাধারনত শুষ্ক মিশ্রনকে তিন ধাপে নেড়ে নেই, যাকে মিস্ত্রির ভাষায় তিন কাটা বলে, তবে কখনোই দুই কাটার কম হবেনা। মনে রাখতে কেবল মাত্র সমসত্ত্ব মিশ্রনের ফলেই মসলার সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
☑️ আমরা সাধারণত ৫” গাথুনিতে ১:৪ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।
☑️ ১০” এর জন্য ১:৬ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।
বি.দ্র: মসলা প্রস্তুতের ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে শেষ করে ফেলা উত্তম।
……………………………………………………………….......
🔺 কাজ চলাকালীন সতর্কতা সমূহ:
🔘 লে আউট:
এ ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত ড্রইং এর মাপ অনুযায়ী দরজার জন্য নির্দিষ্ট ফাকা রেখে প্রতি রুমে এক ইট করে লে-আউট গাথুনি করে থাকি।
যেটা আগেই বলেছি, চিপিং এর পর ফ্লোরকে ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে পরিষ্কার করে গাথুনির কাজ শুরু করতে হবে।
যদিও এটা বই পুস্তকে কোথাও দেখিনি, তবে অধিকাংশ ইঞ্জিনিয়ারগনই পুরাতন RCC সারফেসে নতুন গাথুনি বা ঢালাই শুরুর পূর্বে সিমেন্টের #গ্রাউটিং সাজেস্ট করে থাকেন [আমিও ফলো করি]। গ্রাউটিং এর বেলায় লক্ষ্য রাখতে হবে ইহা যেন শুকিয়ে না যায়, আদ্র থাকা অবস্থাতেই মসলা ফেলতে হবে।
বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে ডায়াগোনাল মাপ যেন ঠিক থাকে যদি রুমগুলো স্কয়ার টাইপের হয়, রুম সাইজ একটু কম বেশি করে হলেও দেওয়ালকে কলাম এবং বিম ফ্ল্যাশে রাখতে হবে, না হলে রুমের ভিতর ১/২” বা ১” অফসেট বের হবে যা দেখতে দৃষ্টিকটু হবে।
🔘গাথুনির হাইট:
৫” হলে একদিনে বুক সমান উচ্চতায় বা সর্বোচ্চ ৪.৫ ফিট করতে পারবে, ১০” হলে ৫ ফিট পর্যন্ত করা যাবে। এর বেশি হলে গাথুনি শল আউট কিংবা যে কোন এক দিকে হেলে পড়তে পারে।
🔘 উলম্ব শল:
কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে কোন একটি ইটকে ধরে শল চেক করতে হবে, নচেৎ গাথুনি শলে থাকবেনা। দেখা যায় অনেক মিস্ত্রি এক সময় এক ইটে শল ধরে, এতে করে গাথুনি বাকা হবার সম্ভাবনা থাকে। এখানে যেটা করা যেতে পারে, প্রথম ধাপে সবার নিচের ইটকে শলে রেখে পরবর্তীতে ৪.৫ ফিটের মাথায় আরেকটিকে স্থির করে অবশিষ্ট গাথুনি শেষ করতে হবে।
🔘 মসলার জয়েন্ট:
মসলার জয়েন্টে হরিজনটালি এবং ভার্টিক্যালি ১/২” বা 12mm করে মসলা বা মর্টার দিতে হবে এবং ইহা সর্বত্র একই থাকবে।
🔘 লেভেল:
যদি মসলার জয়েন্টে একই পুরুত্বের মসলা দেওয়া হয় তবে গাথুনি লেভেলে থাকবে, বিশেষ করে ৭ ফিটে গিয়ে অবশ্যই গাথুনির লেভেল করে নিতে হবে, না হলে লিল্টেন বসাতে অসুবিধে হবে।
🔘 জয়েন্টে মসলার ছিদ্র বা ভয়েড:
গাথুনির কাজে এটা কোন ভাবেই এলাউ না, অনেক সময় দেখা যায় মসলা দেওয়ার পরও জয়েন্টের ভিতরের ছিদ্র দিয়ে এপাশ থেকে ওপাশের সব দেখা যায়😄। মনে রাখবেন ইহা অবশ্যই পরিহার করতে হবে, না হলে যা হবে;
☑️ গাথুনি দূর্বল হবে❗️
☑️ প্লাস্টারের পরও ফাঁকা দিয়ে পানি প্রবেশ করে দেওয়ালকে আদ্র করবে, ফলশ্রুতিতে পেইন্ট নষ্ট হয়ে যাবে❗️
সুতরাং এই ফাঁকা বা ছিদ্র বন্ধের জন্য ঠেলা গাথুনি Allow করবেন না, মিস্ত্রিকে অবশ্যই জয়েন্টে কর্নি দিয়ে মসলা কুপিয় দিতে বলবেন এবং ইটের উপরে ও পার্শ্বে কর্নি দিয়ে হালকা আঘাত করে গাথুনি করতে বলবেন।
🔘 ফ্ল্যাশ সাইড:
আউটার দেওয়ালের ক্ষেত্রে বাহিরের দিকে ফ্লাশ রাখা উত্তম, এতে করে প্লাস্টারের পুরুত্ব ঠিক রাখা যায়, সর্বপরি বাহির থেকে দেখতেও সুন্দর লাগে।
🔘 ফ্রগমার্ক:
ইটের ফ্রগমার্ক বা সিল সব সময় উপরের দিকে থাকবে, এতে করে দুই ইটের মাঝে উত্তম বন্ডের সৃষ্টি হয়।
🔘 বিমের নিচের গাথুনি বা সর্বশেষ গাথুনি:
সর্বশেষ গাথুনি বা বিমের নিচের গাথুনিকে করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে ফাকা না থাকে, যদি খুব বেশি ফাকা থাকে তবে মসলার সাথে ইটের টুকরা ঢুকিয়ে দিবেন। না হলে পরবর্ততে RCC এর সাথে প্লাস্টার ছেড়ে দিয়ে বিমের নিচে ফাটলের ন্যায় দেখাবে।
🔘 মাটাম বা টুথিং:
কোন দেওয়ালে সাথে আড়াআড়ি বা 90 ডিগ্রি এ্যাংগেলে নতুন গাথুনি করার জন্য প্রতি এক ইট পর পর ইটকে কিছুটা বর্ধিত রাখাকে টুথিং বলে, যাকে মিস্ত্রিরা মাটাম বলে। উত্তম বন্ডিং এর জন্য ইহার বিকল্প নেই।
🔘 পুটলগ বা ডগনার ছিদ্র:
৫ ফিটের উপরে গাথুনি কিংবা ছাদ ও দেওয়ালের প্লাস্টারের জন্য মিস্ত্রিরা ১২/১৩ ইটের লেয়ারে কিছু দূর পর পর যে ফাকা রাখে তাকে পুটলগ বলে, মিস্ত্রিদের ভাষায় যাকে ডগনার ছিদ্র বলে। উপরের কিংবা বাহিরের কাজ শেষ হলে প্লাস্টারের পূর্বে অবশ্যই ইহাকে ব্রিক দ্বারা ভালভাবে ভরাট করে দিতে হবে, না হলে এখান দিয়ে লিকেজের সম্ভাবনা থাকে❗️
🔘 ঝাড়ু বা পরিষ্কার:
খুব সুন্দর করে ঝাড়ুর মাথাকে চেপে ধরে জয়েন্টগুলো হরিজনটালি এবং ভার্টক্যালি ঝাড়ু দিয়ে দিবেন, তাতে করে দেখতে সুন্দর লাগবে ও ফাকা বা ছিদ্র থাকলে তা ভরাট হয়ে যাবে।
🔘 লিন্টেল ও দরজার সাটারিং:
কখনোই গাথুনি শক্ত হবার পূর্বে তার সাথে সাটারিং করতে দিবেন না, তাতে করে গাথুনিতে ফাটল দেখা দিতে পারে।
🔘 কিউরিং:
প্রতিদিন দুইবেলা করে ৭ থেকে ১৪ দিন কিউরিং করবেন।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং জব প্রিপারেশন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পেতে জয়েন করতে পারেন আমাদের গ্রুপে,এছাড়াও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং জব প্রশ্ন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পোস্ট করতে পারেন গ্রুপে......
Group Link: Civilian Study Zone
Also Follow us:
👤Fb page: Design Integrity
🌍 website : https://dil.com.bd/
📚Blog: https://blog.dil.com.bd/
💼 LinkedIn: https://linkedin.com/company/dibd
18/07/2020
🏢 🏢 🏢 টাইলস এর কাজ 🏢 🏢 🏢
#শেয়ার করুন
------------------------------------------------------------------------------------
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অন্যতম ফিনিশিং আইটেম, টাইলস নিয়ে থাকছে এই পোস্ট এ।
কি কি থাকছে ?
১.টাইলস কি
২.টাইলস এর প্রকার
৩.ওয়াল টাইলস এর কাজ
৪.ফ্লোর টাইলস এর কাজ
৫.টাইলস কত পিস লাগবে তার হিসাব
৬.টাইলস এর জন্য মালামালের হিসাব
👷👷👷👷 #টাইলস কি ? 👷👷👷👷
সিভিল কাজে টাইলস একটা ফিনিশিং আইটেম।
আগে ফ্লোরে নেট সিমেন্ট ফিনিসিং করতো আর এক্সপেনসিভ আইটেম বড়জোর মোজাইক আর এখন টাইলস অন্যতম ফিনিশিং আইটেম ।টাইলস হল সর্বাধুনিক ফ্লোর ফিনিসড এটা স্থাপনে জটিলতা নেই দেখতে সুন্দর এটা ফ্লোর ওয়াল দুজায়গাতেই করা হয়।টাইলস সাধারনত ফ্লোর,বাথরুম,কিচেনের ভেতর ই কমনলি লাগানো হয়।
👷👷👷👷 #টাইলস এর প্রকার 👷👷👷👷
আমরা এখন অনেক প্রকার টাইলস ব্যবহার করেঃ
থাকি যেমন:-
১। ফ্লোর ও ওয়াল টাইলস
২। রাস্টিক টাইলস
৩। পেভম্যান্ট টাইলস
৫। সিরামিক্স টাইলস
৪। সিটি-৫ টাইলস বা বির্ক
বিভিন্ন সাইজের টাইলস বাজারে পাওয়া যাই ফ্লোর
১২"x১২, ১৬"x১৬", ২০"x২০"
২৪"x২৪",৩২"x৩২",২৪"x৪৮" ইত্যাদি
ওয়াল ৮"x১২", ১০"x১৩", ১০"x১৬", ১২"x১৮",
১২"x২০", ১২"x২৪", ১২"x৪৮" এছাড়া চায়না অনেক
প্রকার ওয়াল টাইলস পাওয়া যায়।
একজন প্রকৌশলীকে টাইলসের কাজ করার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হয়
নিচে ধাপ গুলো দেয়া হল।
👷👷👷👷 ওয়াল টাইলস 👷👷👷👷
🏠 টাইলস ওয়ালের হলে সর্ব প্রথম টাইলস গুলো পানিতে ভেজান ১২ ঘন্টা কারন ইটের মত এগুলো ও পানি শোষন করে ।
🏠 ওয়াল ভেজান প্রয়োজন মত যেন ওয়াল টাইলসের মসলার পানি শোষন করতে না পারে
🏠 দেয়ালের বাড়তি ইট গুলো ভেংগে নিন আর রাফ হিসাব করে দেখেন পূর্ন টাইলস কোথায় পড়বে আর শর্ট পিস কোথায় পড়বে
🏠 শর্ট পিস সব সময় দরজার পিছনে দেবেন যাতে দরজা খুললে ঢাকা পড়ে যায়
🏠 স্যনিটারি লাইন পানি দিয়ে চেক করুন লিকেজ আছে কিনা বা প্রেসার কেমন না হলে পরে টাইলস ভাংগা লাগবে।
🏠 মসলা তৈরী করতে হবে ১:৪ ক্ষেত্র বিশেষে ১:৩ ও করা হয় এর পর দেয়ালে পায়া বা লেভেল করুন আর টাইলস লাগানো শুরু করুন।
🏠 খেয়াল রাখবেন সব টাইলস যেন সমান হয় আর ২ টাইলস এর মাঝে ১ সুতা ফাকা থাকে
🏠 টাইলস এর নীচে মসলা ঠিক মত মানে পুরো টাইলসএই যেন মসলা লাগানো হয় অন্যথা শুকালে আওয়াজ করবে আর অল্প আঘাতেই ওই অংশ ভেঙ্গে পড়বে।
🏠 টাইলস সময়ই মার্কিন কাপড় দিয়ে অবশ্যই পরিস্কার করে নেবেন সাথে সাথে না হলে করার পরে উঠবেনা বা অতিরিক্ত ঘষাঘষিতে টাইলস ডিসকালার বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
🏠 শর্টপিস করার সময় টাইলস কার্টার দিয়ে খুব সাবধানে কাটতে হবে অন্যথা টাইলসের নিকেল উঠে যাবে।
🏠 মসলার থিকনেস ১/২" থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১" পর্যন্ত এলাও তবে সব নির্ভর করবে ওয়ালের লেভেলের উপর।
🏠 টাইলস করার ১২ ঘন্টা পর থেকে কিউরিং করবেন।
🏠 ৫/৭ দিন পর টাইলস ধুয়ে শুকিয়ে ফাঁকা জায়গাগুলোতে ফুটিং করবেন এর পূর্বে করলে মসলার ভেতরকার গ্যাস বের হতে নানা পারলে টাইলস ফেটে যাবে।
🏠ওয়াল টাইলস সব সময় উপর থেকে নীচের দিকে করে আসলে টেকনিক্যলি সুবিধা পাওয়া যায়।
🏠 টাইলস নির্বাচনের সময় অবশ্যই সমান মাপের টাইলস নির্বাচন করবেন এবং একই রকমের টাইলস একবারে কিনে ফেলবেন।
👷👷👷👷 ফ্লোর টাইলস 👷👷👷👷
🏠 ফ্লোর টাইলস অনেকটা সহজ আবার কঠীন ও প্রথমে ফ্লোর চিপিং কর এবং ধুয়ে পরিস্কার করে পাতলা সিমেন্ট গ্রাউটিং করতে হবে পুরোনো ফ্লোর হলে।
🏠 যদি হোমোজিনিয়াস টাইলস হয় তবে টাইলস ভেজানোর দরকার নেই
🏠 শুকনা মশলা ১:৩ রেশিওতে বানাতে হয় কারন ফ্লোরে অনেক কিছুর লোড পড়ে ও ব্যবহার হয় বেশী ।
🏠 যথারিতি স্যনিটারী লাইন যদি নীচ দিয়ে যায় তবে লিকেজ ও প্রেসার চেক কর এর পর লেভেল পায়া কর।
🏠 দরজার নীচে যেন ১/২" ক্লিয়ার থাকে সে মত পায়া হবে এর পর শুকনা মশলা ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে এর উপর টাইলস বসিয়ে লেভেল কর প্রয়োজন মত উঠানো, নামানো, সরানো যা প্রয়োজন করবে এর পর লেভেল ওকে হলে টাইলস সরিয়ে সিমেন্ট পানি মিশ্রিত গ্রাউটিং শুকনা মসলার উপর দিয়ে ঢেলে ভেজা বানাইয়ে নিয়ে মাঝে মাঝে কর্নি দিয়ে উক্ত মসলা কেটে কেটে রাফ করে দিবে এর পর টাইলস বসাতে হবে, প্রয়োজন মত রাবার হেমার দিয়ে হালকা হিট কর এবং লেভেল ফাইনাল কর ঠিক আগের নিয়মে ফাকা,পরিস্কার, কিউরিংকরতে হবে।
🏠 সব টাইলস যেন এক লাইনে থাকে শর্টপিস যেন দৃষ্টি কটু না লাগে এরুপ ব্যবহার করবে আর বাথরুম হলে স্লোপ দিতে হবে খুব ক্লোজ করে ধর ৫ ' এ ১"।
🏠 ফ্লোর টাইলস এর মসলার পুরুত্ব ফ্লোর লেভেলের উপর নির্ভর করবে তাই ছাদ ঢালাইয়ের সময় ই ছাদের টপ লেভেল সমান রাখতে হবে নতুবা টাইলস করার সময় মসলার পুরুত্ব বেড়ে যাবে এতে লোড ও নির্মান ব্যয় বেড়ে যাবে
🏠 ১ থেকে ১.৫" পুরুত্ব ফ্লোরের ক্ষেত্রে এলাওবেল।
🏠 বাথরুম কিচেনের বেলায় কমোডের অংশ,ওয়েষ্ট ওয়াটার পাইপের জায়গা,ফিটিংসের,ও হাউস, বার্নার স্ল্যাব এর জায়গায় টাইলস লাগাতে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে আর কোনার টাইলস জয়েন্টে দুটো টাইলস আর সাইড গুলো V শেইপে কেটে নেবে একে মুখোমুখি মিলে যাবে একে টাইলসের চোজ করা বলে।
👷👷👷👷 টাইলস হিসাব 👷👷👷👷
🏠 🏠 কত পিচ টাইলস লাগবে?
-----------------------------------------
#ফ্লোর
১৫০০ বর্গফুট জায়গায় টাইলস লাগাতে হবে তাহলে ৮% ওয়েস্টেজ সহ মোট পরিমান ১৬২০
বর্গফুটটাইলসের সাইজ ১২"x১২" হলে একটি টাইলসের এরিয়া
(১২"x১২")÷১৪৪ = ১ বর্গফুট
টাইলসের সংখ্যা= ১৬২০÷১= ১৬২০ পিচ.টাইলস
#ওয়াল
ওয়াল টাইলসে আমরা ১০% ওয়েজস্টেজ ধরি
তাহলে টাইলসের পরিমান
= ১৫০০x১.১০
= ১৬৫০ বর্গফুট
টাইলসের সংখ্যা= ১৬৫০÷১= ১৬৫০ পিচ.টাইলস
🏠 🏠 টাইলস এর জন্যে মসলার হিসাব
------------------------------------------
ওয়ালে আমরা ১" পুরুত্ব মসলা ধরে থাকি
ওয়ালে মসলার অনুপাত (১:২)
ফ্লোরে আমরা ১.৫" পুরুত্ব মসলা ধরে থাকি
ফ্লোরে মসলার অনুপাত (১:৩)
১৫০০ বর্গফুট ওয়াল টাইলসের মালামাল
বের করবো
প্লাষ্টারের ভেজা মসলার পরিমান
= ১৫০০x(১"÷১২)
= ১২৫ ঘনফুট
শুকনা মসলার পরিমান = ১২৫x১.৫
= ১৮৭.৫০
অনুপাতের যোগফল = (১+২)=৩
মালামাল
সিমেন্ট = (১৮৭.৫০x১÷৩)x০.৮
= ৫০.০০ ব্যাগ
বালি = (১৮৭.৫০x২÷৩)
= ১২৫.০০ ঘনফুট
পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন টাইমলাইনে,যেকোন সময় কাজে লাগতে পারে :)
বিভিন্ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্য পেতে Design Integrity পেজ এ লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন । এবং আপনার বন্ধু/কলিগ দের কে পেজ এ লাইক দিতে ইনভাইট করুন ।
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটির সাথে থাকুন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্যের সাথে আপডেটেড থাকুন :)
Design Integrity
16/07/2020
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম.
ঈদ মুবারাক
11/05/2020
সাধারন ইট ও সিরামিক ইটঃ
=====================
ভালো মানের ইটের উপর বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব নির্ভর করে। খারাপ ইট হলে নোনা পড়তে পারে, সিমেন্ট খরচ বেশি হবে, তাছাড়া গাঁথুনিও দূর্বল হয়ে যাবে।
কনস্ট্রাকশনে দু ধরনের ইট ব্যবহার হয়।
১. সাধারণ ভাটায় তৈরি ইট বা বাংলা ইট।
২. মেশিনে তৈরি ইট বা সিরামিক ইট।
#সাধারন ইট :
==========
♦প্রথম শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- ভালোভাবে পোড়ানো হয়;
- ইটের রঙ ও মাপ একই থাকে।
ব্যবহার: গাঁথুনির কাজে ব্যবহার করা হয়।
♦দ্বিতীয় শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- অপেক্ষাকৃত কম পোড়া, সাইজে ছোট-বড় হয়।
ব্যবহার: অস্থায়ী দেয়ালে অথবা বাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে।
♦ঝামা ইট বা পিকেট ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- বেশি পুড়ে আকার-আকৃতি বিকৃত হয়ে যায়।
ব্যবহার:
- খোয়া তৈরিতে ব্যবহার করা হয়;
- ঝামা ইটের মাঝে অনেক সময় কালো ইট চলে আসে, এগুলো ঢালাইতে ব্যবহার করা উচিত নয়।
ইট ব্যবহারের সতর্কীকরণ নির্দেশিকা
============================
দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ কাজে সব সময় প্রথম শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা উচিৎ। পাকা কাজে অথবা বাড়ির প্রাচীর নির্মাণ কাজে বা অস্থায়ী শেড তৈরির কাজে ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফিল্ড বা সাইটে ইট পরীক্ষা
=====================
নিচের পরীক্ষাগুলোর সাহায্যে নির্মাণ স্থলে ভাল ইট শনাক্ত করা যেতে পারে। যেমন-
♦প্রথমে একটি ইট নিয়ে এর পিঠে বা তলাতে নখ দিয়ে আচড় দিয়ে হবে, যদি আচড় পড়ে তবে তা খারাপ ইট বলে বিবেচিত হবে, আর না পড়লে ভাল ইট।
♦একটি ইট নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে হবে যদি ধাতব শব্দের সৃষ্টি হয় তবে ভাল ইট।
♦দুটো ইট হাতে নিয়ে T এর মত একটি অপরটির উপর ধরে ১ মিটার উপর থেকে সমান মাটিতে ফেলতে হবে, ভাল ইট হলে উপরের ইটটি ভাঙ্গবে ন্
বাংলাদেশে পি.ডব্লিউ.ডি সিডিউল অনুযায়ী ইটের সাইজ সাধারণত ৯ ১/২ ইঞ্চি X ৪ ১/২ ইঞ্চি X ২ ৩/৪ ইঞ্চি বা (২৩৮ মিমি X ৭০ মিমি) মাপের বাংলা ইট ব্যবহৃত হয়। আরও অনেক আকৃতির ইট আছে তবে এই আকৃতির ইট সবচেয়ে সুবিধা জনক মর্টারসহ উক্ত সাইজ হয় ১০ ইঞ্চি X ৫ ইঞ্চি X ৩ ইঞ্চি (২৫০ মিমি X ১২৫ মিমি X ৭৫ মিমি)।
♦ সিরামিক ইটঃ
=============
এটি অতি উন্নতমানের প্রথম শ্রেণীর ইটের অন্তর্ভূক্ত। এই প্রকার ইট মেশিনে তৈরি করা হয় বলে আকার ও আকৃতি সঠিক ভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্যাস অথবা বিদ্যুতের সাহায্যে পোড়ানোর ফলে এর রঙের সাম্যতা সর্বত্র বজায় থাকে। ফেয়ার ফেস ব্রিক ওয়ার্কে অর্থাৎ আস্তর করা হবে না এমন দেয়াল নির্মানে এই ইট ব্যবহার করা হয়। সিরামিক ইটে ৫৫% বালি, ৩০% অ্যালুমিনিয়াম, আয়রণ অক্সাইড, ৫% ম্যাগনেসিয়া ও ১% জৈব পদার্থ থাকতে পারে।
ব্রিক ওয়ার্ক করা সাধারণত সিরামিক ইট দিয়ে এবং এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে হয়, (বিশেষ করে সিরামিক দিয়ে যারা আগে কাজ করেছে) না হলে ফেয়ার ফেসের সৌন্দর্য নষ্ট হবার সম্ভবনা থাকে।
♦সিরামিক ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- মেশিনে তৈরি;
- সাইজ ঠিক থাকে;
- দেখতে সুন্দর এবং গুণগত মানে উন্নত।
ব্যবহার:
- গাঁথুনিতে ব্যবহার করা যায়;
- এক্সপোজড ব্রিক ওয়ালে সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়;
- সিরামিক ইটে ৩, ১০ বা ১৩ টি ছিদ্র থাকে, এর ভিতর রড দিলে দেয়াল মজবুত হয়
Courtesy of: Design Integrity
09/05/2020
Happy Brithday Mr. dependable
Mushfiqur Rahim
04/04/2020
করোনা রোগীর সংস্পর্শ, চিকিৎসক ও পুলিশসহ ১৮ জন কোয়ারেন্টিনে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংস্পর্শে আসা বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালের ৩ চিকিৎসক ও পুলিশের একজন স...
04/03/2020
কনস্ট্রাকশন সাইটে ইট/বালু/সিমেন্ট কিভাবে রিসিভ করবেন???
#শেয়ার করুন
================================================
সাইটে ম্যাটেরিয়ালস আসলে প্রথমেই তার গুনগতমান পরীক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ ফিল্ড টেস্ট করে দেখতে হবে ম্যাটেরিয়ালস এর প্রাথমিক কোয়ালিটি ঠিক আছে কনা।
আমাদের আগের পোস্ট গুলো তে ইট,বালু,সিমেন্ট ও রড এর গুনগত মান পরীক্ষার বিভিন্ন পদ্ধতি ও টেস্ট গুলো নিয়ে আলোচনা করা আছে, সেভাবে ম্যাটেরিয়ালস আগে চেক করে নিতে হবে। ম্যাটেরিয়ালস চেক করার পর তা রিসিভ করতে হবে।
ম্যাটেরিয়ালস রিসিভ করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় অবশ্যই করতে হবে....
১/ ম্যাটেরিয়ালস রিসিভ করার ক্ষেত্রে দেখতে হবে চালানের সাথে ম্যাটেরিয়ালস ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে দেখতে হবে।
২/ প্রতিদিন কি পরিমান ম্যাটেরিয়ালস আসে তার রেকর্ড রাখতে হবে
৩/ প্রতিদিন কি পরিমান ম্যাটেরিয়ালস ব্যাবহার হয় তার রেকর্ড রাখতে হবে
৪/ চালান থেকে ম্যাটেরিয়ালস আসলে তার রেকর্ড রাখতে হবে এবং হেড-অফিসে জানাতে হবে
🚩 বালি কিভাবে রিসিভ করবেন?
========================
👉প্রথমে ম্যাটেরিয়ালস কোয়ালিটি দেখে চেক করতে হবে
👉বালির ট্রাক আসার পর ট্রাকের উপরে দেখতে হবে ম্যাটেরিয়ালস লেভেল আছে কিনা, যদি লেভেল না থাকে তাহলে লেভেল করে নিতে বলতে হবে
👉ট্রাকের দৈর্ঘ্য,প্রস্থ মাপতে হবে
👉বালির উচ্চতা মাপতে হবে, রড দিয়ে মেপে নিয়ে রডের উচ্চতা স্কেল দিয়ে মেপে নিতে হবে
👉বালির ভলিউম ক্যালকুলেট করে রেকর্ড করে রাখতে হবে
🚩সাইটে সিমেন্ট রিসিভ
==================
👉সিমেন্ট এর মেয়াদ সহ অন্যান্য বিষয় চেক করে নিতে হবে
👉কত ব্যাগ সিমেন্ট আসার কথা জেনে নিতে হবে
👉১২ টা করে ইস্ট্রাক দিয়ে -২ ইস্ট্রাক দিয়ে তার উপর আরেকটা ব্যাগ রেখে ২৫ ব্যাগ করে রিসিভ করতে হবে, তাহলে সহজেই মোট সিমেন্ট ব্যাগের নাম্বার হিসেব রাখা যাবে।
🚩সাইটে রড রিসিভ
===============
👉রড বান্ডিল হিসেবে আসলে কত বান্ডিল হিসেব রাখতে হবে
👉মোট ওয়েটের জন্য rft বের করে ওয়েট বের করতে হবে
🚩সাইটে ইট রিসিভ
==============
👉গুনগত মান পরীক্ষা করে নিতে হবে
👉সাইটে ইস্ট্রাক দিয়ে ইট গুনে নিতে হবে
👉অথবা গাড়ি তে উঠে কয়টা সারিতে ইট আছে এবং প্রতি সারিতে কয়টা ইট আছে তার থেকে মোট ইটের সংখ্যা বের করতে হবে
Ex: দৈর্ঘ্য বরারবর ৬০ পিস,প্রস্থ বরাবর ১০ পিস আর উচ্চতা বরারবর ৫ পিস ব্রিক থাকলে, মোট ব্রিক= ৬০*১০*৫=৩০০০ ব্রিক আছে
পরবর্তী পর্বে কাঠ,স্যানেটারি,ইলেক্ট্রিক,রং,টাইলস সহ অন্যান্য ম্যাটেরিয়ালস রিসিভ নিয়ে পোস্ট করা হবে।
বিভিন্ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্য পেতে ডিজাইন ইন্টিগ্রিটির সাথে থাকুন।
Design integrity
16/02/2020
Area and circumfrence formulas
for(How To Calculate Land Area Or Plot Area)visit
👉👉https://bit.ly/2uQIBmL
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
120/A, Motijheel C/A
Dhaka
1000