Travel Power

Travel Power

Share

Welcome to the official fan page of Travel Power
Tel:+880 2 7314799

Photos 19/10/2014

ভ্রমণে থাকুন সুস্থ
------=------
শীতের সময় বেড়াবার উত্তম সময়। কিন্তু বেড়াতে গিয়ে অসুস্থ হলে পুরো আনন্দই মাটি। একটু সতর্ক থাকলেই সুস্থতায় কাটবে আপনার ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্ত। ভ্রমণকালীন বিভিন্ন সমস্যা যেমন—মাথা ঘোরানো, বমি বা বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, জ্বর, মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি ইত্যাদি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এসব সমস্যা বা রোগ এড়ানো সম্ভব। আর যাঁরা দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যেমন ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি রোগ রয়েছে, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঙ্গে ঔষধ নিয়ে নেয়া উচিত।

* মাথা ঘোরানো ও বমি
মাথা ঘোরানো ও বমি (মোশন সিকনেস) ভ্রমণের সময় হতেই পারে। এ থেকে বাঁচার উপায় হলো, জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকা, বড় বড় শ্বাস গ্রহন, মন শান্ত রাখা। বই পড়া বা স্থির কোনো কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকা থেকে বিরত থাকুন। এর বেশী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাথা ঘোরানো ও বমির ঔষধ সেবন করুণ।

* ভ্রমণে ডায়রিয়া
বেড়াতে গিয়ে নানা কারণে পেট খারাপ হতে পারে। সাধারণত বিভিন্ন ধরনের খাবার যেমন অল্প সেদ্ধ মাংস, সামুদ্রিক খাবার, অপাস্তুরিত দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার, পানি ইত্যাদির মাধ্যমে এটি ছড়ায়। তাই খাবার এবং পানির ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। এ জন্য সঙ্গে খাওয়ার স্যালাইন রাখা উচিত।

* পাহাড় ভ্রমণ
পার্বত্য এলাকায় ভ্রমণের আগে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ম্যালেরিয়ার প্রতিরোধক ওষুধ খেয়ে নেওয়া যেতে পারে। কেননা পাহাড়ি এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থাকে। এ ছাড়া মশা নিধনকারী সেপ্র ও মশারি ব্যবহার করবেন।

* আকাশে ভ্রমণ
উচ্চতার কারণে আকাশপথে ভ্রমণের সময় সমস্যা হয়। ফলে মাথা ঘোরা, কানে তালা লাগা ও বমির ভাব হতে পারে। চুইংগাম চিবানো, ঘনঘন ঢোক গেলা, ফলের রস খাওয়া ইত্যাদি হতে পারে এর সমাধান।

ভ্রমণে তাই বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। কোনোভাবেই ঠান্ডা লাগানো যাবে না। গরম কাপড়, মাফলার, কানটুপি অবশ্যই সাথে রাখুন।

Thanks & best regards
Travel Power
28/1, Swaright Road, Chawkbazar,
Dhaka-1211
Call: 01622373282 / 01713311469
88-02-7314799
E-mail: [email protected]
www.facebook.com/Travelpower786

Photos 16/10/2014

প্রবেশ নিষেধ ‘ভানগড় দুর্গ’ রাজস্থান
------------------------------
ভানগড় দুর্গ অবস্থিত ভারতের রাজস্থানের আলোয়ার জেলায় জয়পুর আর দিল্লির মাঝামাঝিতে।
ভয়ঙ্কর প্রভাবের কারণে সন্ধ্যা নামার আগেই ভানগড় থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে সরে যাওয়া নিরাপদ মনে করে এলাকার লোকজন।
আর ভ্রমণকারীরা! ভ্রমণকারীদের জন্য ‘নো এন্ট্রি’।

অভিশাপ কিংবা ভুতুড়ে কর্মকাণ্ডের জন্যই এ প্রবেশ নিষেধ সাইনবোর্ড। ভীতিকর এবং বিস্ময়কর সব ঘটনা ঘটেছে ভয়ঙ্কর দুর্ধর্ষ এই ভানগড় দুর্গে। আর তার পরেই লেগে যায় ‘নো এন্ট্রি’ সাইনবোর্ড। অভিশাপ, ভূতদের উৎপাতের কারণে জায়গাটি এত বেশি কুখ্যাতি অর্জন করেছে যে, সরকারিভাবেই রাতের অাঁধারে এখানে প্রবেশের ওপর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

স্থানীয়দের বিশ্বাস, এখানে থাকলে অস্বাভাবিক কিছু ঘটবেই। এখানে থাকলে মানুষের মনের অস্থিরতা বেড়ে যায়। আর মনের মধ্যে ভর করে অজানা-অচেনা আতঙ্ক কিংবা ভয়। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে স্থানীয় লোকজন দুর্গের আশপাশের এলাকায় বাড়ি তৈরি করতে পারে না। আবার সাহস করে কেউ যদি বাড়ি নির্মাণও করে ফেলে, তাহলে সেই বাড়ির ছাদ রাখা যায় না। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো কেউ যদি ছাদ নির্মাণও করে, তাহলে সেটি আপনা-আপনি ধসে যায়।

ভানগড় দুর্গের প্রকৃত ইতিহাস আজও অজানা। তবে এ সম্পর্কে বেশ কয়েকটি ধারণার প্রচলন রয়েছে। সতেরো শতকে রাজা মান সিংয়ের ছোট ভাই মাধো সিং এই দুর্গের নির্মাতা। মোগল শাসনের প্রতাপ-প্রতিপত্তি কমার সঙ্গে সঙ্গেই দুর্গটির দুর্দশা শুরু হয়। নগরীর শুরুর দিকে ভানগড়ের লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ১০ হাজার। সীমানা প্রাচীরের মাঝে মাঝে ৫টি তোরণ তৈরি করে শহরটিকে আশপাশের এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ভানগড় দুর্গ নগরীর ধ্বংস স্তূপের মধ্যে এখনো টিকে আছে মসজিদ আর মন্দির। টিকে আছে হনুমান, শিব, নারায়ণ এবং গোপীনাথের মন্দির।

এই নগরকে অভিশপ্ত মনে করার পেছনে ইতিহাসের বেশ কয়টি শক্ত কারণ রয়েছে। ভানগড়ের সঙ্গেই ছিল গুরু বালুনাথের আশ্রম। গুরু বালুনাথ রাজা ভানু সিংকে নগর তৈরি করার সময় বলেছিলেন যেন তাকে বিরক্ত না করা হয়। এ বিষয়ে গুরুরাজাকে একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন। একবার সতর্কবার্তা পাঠান গুরু। আর সেই বার্তাটি ছিল, প্রাসাদের ছায়া তার আশ্রম ছোঁয়া মাত্রই শহর ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু রাজা ভানু সিং বালুনাথের কথা মানেননি। পরবর্তী সময়ে গুরু বালুনাথের কথাই সত্যি হয়। প্রাসাদের উচ্চতার কারণে ছায়া পড়ে তার আশ্রমে। এর পরই ধ্বংস হয়ে যায় এ শহর। প্রচলিত বিশ্বাসের সেই গুরু বালুনাথের সমাধিও রয়েছে ভানগড়ে।

নগরী ধ্বংসের পেছনে আরও একটি কারণ প্রচলিত রয়েছে। ভানগড়ের রাজকুমারী রত্নাবতী বয়োপ্রাপ্ত হলে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। সে সময় ভানগড় এলাকায় সিংহিয়া নামে এক তান্ত্রিক বাস করত। সিংহিয়া রাজকুমারী রত্নাবতীকে ভালোবাসত। কিন্তু তান্ত্রিক সিংহিয়া তন্ত্রবলে জানতে পেরেছিলেন রত্নাবতী তার প্রেমে সাড়া দেবে না। এর পরও দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না সিংহিয়া। তিনি সুযোগের অপেক্ষা করতে লাগলেন। একদিন রাজকুমারী সহচারীদের সঙ্গে নিয়ে কাছের বাজারে পছন্দের সুগন্ধি তেল কেনার জন্য আসেন। সুযোগটা ব্যবহার করে তান্ত্রিক সুগন্ধির ওপর জাদুর প্রভাব বিস্তার করেন। তার উদ্দেশ্য ছিল এই সুগন্ধির প্রভাবে রাজকুমারীকে নিজের বশে নিয়ে আসা। কিন্তু রাজকুমারী ছিলেন দারুণ বুদ্ধিমতী। তিনি তান্ত্রিকের কুমতলব আঁচ করতে পারলেন। বুঝতে পেরে রাজকুমারী বাজার থেকে কেনা সুগন্ধি তেল মাটিতে ফেলে দেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটে যায় এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। রাজকুমারীর ফেলে দেওয়া তেল থেকে তৈরি হয় বিশাল এক অগ্নিকুণ্ড। অগ্নিকুণ্ডের লকলকে জিব তাড়া করে জাদুকরকে। আগ্নেয়লাভা জাদুকরকে দ্রুত ধরে ফেলে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারে। তান্ত্রিক মারা যাওয়ার আগে ভানগড় নগরী ধ্বংসের অভিশাপ দিয়ে যায়। পরের বছর এক যুদ্ধে প্রাণ হারান রাজকুমারী। যুদ্ধের ক্ষতে ধ্বংস হয়ে যায় নগরী। এরপর থেকে এ নগরী অভিশপ্ত নগরী হিসেবে পরিচিতি পায় ভারতজুড়ে।

ভানগড় নগরীকে কেন্দ্র করে এমন উপকথা আর এই সময়ে মানুষের ভয়ের গল্প শুনলে যে কারোর কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হওয়ার কথা। কিন্তু ভারতজুড়ে তো বটেই, বিশ্বজুড়েও ভানগড়ের অদ্ভুতুড়ে কীর্তিকলাপ ফলাও করে প্রচার হয়েছে।

ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভানগড় নগরের সামনে ভারতের প্রত্নতাত্তি্বক দফতর একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছে। যাতে লেখা আছে, ‘ভানগড় এলাকায় সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের আগে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ আর ভ্রমণকারীদের জন্য চূড়ান্ত সতর্কের কথা বলা হয়’।

সূত্র: বাংলাদেশ ট্রাভেল নিউজ ।

Photos 30/08/2014

#মালয়েশিয়ায়_খাবার:

বিশ্বের অনান্য দেশের চেয়ে মালয়েশিয়ার খাবার খরচ অনেক কম। দিনপ্রতি তিন বার খাবার খেতে আপনার খরচ হবে ১৫ থেকে ২৫ রিঙ্গিত। খাবারের তালিকায় থাকবে মাছ,মাংশ,শাক-সবজি সহ অনান্য খাবার আপনার পছন্দ মত বেছে নিতে পারেন। পানির দাম মালয়েশিয়ায় বেশি পানি কিনে নিতে হবে ১.৫ লিটার পানির দাম ২ রিঙ্গিত কোথাও কোথাও আরো বেশি। মালয়েশিয়ানরা খাবারে একবারেই ঝাল কম খায়। এখানকার সব চেয়ে জনপ্রিয় খাবার নাসি গরেং। ভাত কে বলা হয় নাসি। ভাতের সাথে ডিম মাংশ মিক্স করে খাবার তৈরী করা খাবারকে বলে নাসি গরেং। গরুর মাংশ খেতে চাইলে নাসি গরেং দাগিং,মুরগির মাংশ নাসি গরেং আয়াম,চিংড়ি মাছ হলে নাসি গরেং উদাং। ফাস্ট ফুড খাবার খেতে চাইলে আছে , .

Photos 16/08/2014

সমুদ্র সৈকত,শপিং,রেস্তরাঁ আর মন্দিরের বিনোদনে সজ্জিত হয়ে আপনাকে আহবান করছে থাইল্যাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন শহর পাতাইয়া। ব্যাংককের দক্ষিণে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার দূরে এশিয়ার অন্যতম এই সি বিচ রিসোর্ট-পাতাইয়া। এখানে সমস্ত সৈকত জুড়েই আনন্দ বিনোদনের এক উপাখ্যান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আপনার জন্য। পাতাইয়া শহরটা যেন ছবির মত। নানান রকম বর্ণিল বাতির কল্যাণে সারা রাত জেগে থাকে এই শহর। অন্ধকার নামতেই প্রাণ ফিরে পায় শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অজস্র ক্লাব,বার,রেস্তরাঁ প্রভৃতি। অনেক রেস্তরাঁয় ঢুকে সেখানকার সত্যিকারের একুয়ারিয়ামে রাখা বিবিধ প্রকারের মাছের ক্রীড়া দর্শনে মুগ্ধ হতে পারবেন।
যেতে পারেন পাতাইয়ার বিচ রোডে। সেখান থেকে স্পিডবোটে সমুদ্রেস মাঝখানে ঘুরে বেড়াতে পারবেন ঝামেলা ছাড়াই। ডুবুরীর পোশাক পরে নেমে যেতে চাইলে নামতে পারবেন জলে। আর জলের তলে আপনার আবিস্কারের অপেক্ষায় রয়েছে অবারিত সৌন্দর্য।
এশিয়ার অন্যতম বিখ্যাত সৌন্দর্যের নগরী হওয়ার কারণে সারা বছরই অসংখ্য নারী পুরুষের ভীড়ে মুখরিত থাকে পাতাইয়া। আর এই সব দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করতে স্থানীয়দেরও রয়েছে নানা আয়োজন আর সেবা। এক কথায় পুরো পাতাইয়া জুড়েই যেন রয়েছে ভালোলাগার অজস্র কাব্য লেখা। একবার গেলে পুনরায় আপনাকে টানবে।

সিটি ট্যুর
শহর ঘুরে দেখার জন্য রয়েছে আলকাজার শো,থাই সবমেরিন ট্যুর,এলিফ্যণ্ট ভিলেজ ট্যুর,শ্রীরাছা টাইগার জু ট্যুর,ষ্টোন পার্ক এণ্ড কোকোডাইল ফার্ম ট্যুর,মিউজিয়াম আর্ট সেন্টার ট্যুর প্রভৃতি।

খাওয়াদাওয়া
ইটালিয়ান পিৎজা,জার্মান,সুইস,ফ্রেঞ্চসহ নানান পদের আমেরিকান খাবারও যখন তখন হাতের নাগালে পাবেন। এছাড়াও রয়েছে এ অঞ্চলের বিশেষ ডিশ।

শপিং করতে
আপনার শপিং সুবিধার জন্য এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অজস্র শপিং মল। এদের মধ্যে যেকোনো একটাতে ঢুকে গেলেই হাতের নাগালে আপনার চাহিদাসমেত সব পেয়ে যাবেন। দি সুপার সেন্ট্রাল,সেন্ট্রাল ফেস্টিভ্যাল সেন্টার,ফ্রেণ্ডশিপ সুপার মার্কেট,রয়্যাল গার্ডেন প্লাজ প্রভৃতি মার্কেট আপনার শপিং চাহিদা পূরণের জন্য অপেক্ষা করছে।

বিস্তারিত বিবরণের জন্য
Travel Power
ফোন-01622373282

Photos 06/08/2014

Our Thai visa success rate is almost 100% & we take only 3,900/- taka for Thai visa processing fee with service charge.

For Details :
Travel Power
28/1, Swaright Road, Chawkbazar,
Dhaka-1211
Call: 01622373282 / 01713311469
88-02-7314799
E-mail: [email protected]

Photos from Travel Power's post 17/07/2014

ঈদ উপলক্ষে আমাদের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষনা

আপনার ভ্রমনকে আনন্দময় করতে আমরা বদ্ধ পরিকর। আমরা ভালো মানের সেবা দিয়ে থাকি। কথায় কাজেই আমরা বিশ্বাস করি। আপনার জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত হোক উপভোগ্য।

আমাদের সাথে যোগাযোগ :
28/1, Swaright Road, Chawkbazar,
Dhaka-1211
Call: 01622373282 / 01713311469
88-02-7314799
E-mail: [email protected]

আপনাদের সন্তুষ্টুই আমাদের লক্ষ্য

Photos 15/07/2014

আপনাদের জন্য একটা সুখবর দিচ্ছি আমাদের তরফ থেকে, সেটা হলো, যদি আপনারা কেউ বিদেশ ভ্রমণে যেতে চান, বিশেষ করে ভিজিটর হিসেবে, তাহলে আমাদের একটু টুকা দিয়েন, কারণ আমরা হোটেল রিজারভেশন এবং ট্রাভেল প্লান করে দেবো
অনেক কম রেটে। আর এয়ার টিকেট নিতে চাইলে সবচেয়ে লয়েষ্ট দামে দিতে পারবো, যেকোন ডেষ্টিনেশনে।

For Any Query
Travel Power
28/1, Swaright Road, Chawkbazar,
Dhaka-1211
Call: 01622373282 / 01713311469
88-02-7314799
E-mail: [email protected]

Photos 13/07/2014

Eid Special Nepal Tour Package Only 23,500/- taka

নেপাল ভ্রমণের কিছু জরুরি তথ্য:

১. বাই এয়ারে নেপাল যেতে ভিসা নিতে হয় না। শুধু বিমানের টিকেট করে নিলেই হয়। সাথে এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি নিতে হয়। নেপাল এয়ারপোর্ট নেমে ইমিগ্রেশন ফর্ম পূরণ করে ছবিসহ জমা দিলেই ভিসা পাওয়া যায়, যাকে বলা হয় অন-এরাইবেল ভিসা। তবে বাই রোডে নেপাল যেতে হলে অবশ্যই ভারতের ভিসা নিতে হবে।

২. আপনি অবশ্যই এয়ারপোর্টে ২/৩ ঘণ্টা আগে যাবেন, কেননা বেশ কিছু নিয়ম মেনে আপনাকে উঠতে হবে আপনার কাঙ্খিত যাত্রাপথের বিমানে।

৩.ইমিগ্রেশন বিভাগ চাইলে (যে কোনো দেশের ইমিগ্রেশন বিভাগ) আপনার ভ্রমণ বাতিল করারও ক্ষমতা রাখে।

৪. নেপাল’র আছে নিজস্ব নেপালি রুপি। তবে আপনি ইচ্ছে করলে ভারতীয় রুপিও চালিয়ে নিতে পারেন না ভাঙিয়ে। তবে অন্য দেশের টাকা হলে আপনাকে মানি এক্সচেঞ্জ থেকে পরিবর্তন করে নিতে হবে।

৫. নেপালে মানি এক্সচেঞ্জ করার ব্যবস্থা আছে, তাই টাকা পরিবর্তন করার আগে আপনি বেশ কিছু মানি এক্সচেঞ্জ ঘুরে যাচাই করে টাকা পরিবর্তন করুন।

৬. নেপালে কোনো ঝামেলায় পড়লে অবশ্যই আপনি ট্যুরিস্ট পুলিশ’র সাহায্য নিতে পারেন। পর্যটকদের জন্য নেপাল সরকার আলাদা ব্যবস্থা করে রেখেছে।

For Details Please Call : 01622373282 / 01713311469/ 88-02-7314799
E-mail: [email protected]

Photos 29/06/2014
Photos 26/06/2014

would you love to have dinner here

25/06/2014

নিচে একটা জিনিস
দিলাম ,আপনি লাইক না দিয়ে পারবেন
না।
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট মানব হলো :---
হযরত মুহাম্মদ (স:) !!!!
একমত ??

Want your business to be the top-listed Travel Agency in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1211