HW Life Associate

HW Life Associate

Share

Batter Health Batter Life.

25/09/2023
21/05/2023

অ্যালার্জি আছে বলে অনেকেই গরুর মাংস, বেগুন, ইলিশ, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি খাবার বন্ধ করে দেন। তবে সবার কিন্তু সব খাবারে অ্যালার্জি হয় না। মাংস খেলে যদি ত্বকে র‍্যাশ হয়, চুলকানি হয় বা নাক বন্ধ হয়ে পানি পড়ে, তাহলে বুঝবেন মাংসে আপনার অ্যালার্জি রয়েছে। অনেকেরই মাংস খেলে, বিশেষ করে গরুর মাংস খেলে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। ঈদুল আজহার পর বেশি পরিমাণ মাংস খাওয়া হয়। ফলে এ সময় তাঁরা অ্যালার্জিতে কষ্ট পেতে পারেন। যেকোনো বয়সেই এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার নির্দিষ্ট প্রাণীর মাংসে অ্যালার্জি থাকলে পরবর্তী সময়ে অন্য প্রাণীর মাংসেও অ্যালার্জি হতে পারে।

উপসর্গ

কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার পর প্রতিবারই যদি ত্বকে র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি হয়।

পেটে ব্যথা ও বদহজম, বমি বমি ভাব বা বমি অথবা ডায়রিয়া হয়।

নাক বন্ধ, মাত্রাতিরিক্ত হাঁচি, মাথাব্যথা, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

মাংসে অ্যালার্জি আছে এমন ব্যক্তি প্রথমবার মাংস খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা একে ক্ষতিকর পদার্থ হিসেবে ধরে নেয় এবং এর বিরুদ্ধে ইমিউনোগ্লোবিন (IgE) নামের নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি দেহের ইমিউন কোষের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ফলে এরপর যতবারই মাংস খাওয়া হয়, ততবারই এই ইমিউনোগ্লোবিন প্রচুর পরিমাণে হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক রক্তে ছড়িয়ে দেয়। এর প্রভাবে দেহে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যদি এ সময় আপনার অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়ে, তবে নিজেকে প্রশ্ন করুন।

অ্যালার্জি
কোন প্রাণীর মাংস খেলে অ্যালার্জি হচ্ছে?

কী কী লক্ষণ দেখা যাচ্ছে?

লক্ষণগুলো কত সময় স্থায়ী হচ্ছে?

কত দিন ধরে লক্ষণগুলো দেখা যাচ্ছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি।

প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ

অ্যালার্জি প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে ওই নির্দিষ্ট প্রাণীর মাংস পরিহার করা। যদি অ্যালার্জির মাত্রা কম হয়, তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাংস মাঝেমধ্যে খেতে পারেন। তবে এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। মাংস খাওয়ার ফলে অ্যালার্জি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। এতে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সাধারণত একই ব্যক্তির একাধিক খাবারে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। তাই নির্দিষ্ট করে শনাক্ত করতে প্রায়ই অসুবিধা হয়। এ জন্য একটি ‘ফুড ডায়েরি’ করতে পারেন।

06/04/2022

ইফতারের পর হার্ট অ্যাটাক বাড়ছে:

সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। অনেকে হার্ট অ্যাটাক ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে খেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?

পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও। টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার খাইতে থাকি।

তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান। নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

যাদের হার্টের সমস্যা আছে তারা ইফতার খুব আস্তে আস্তে কিছু সময় নিয়ে খাবেন।
কখনোই সম্পূর্ণ পেট ভরে খাবেন না।

Collected

16/12/2021

🇧🇩🇧🇩 সবাইকে বিজয়ের ৫০বছরের শুভেচ্ছা 🇧🇩🇧🇩

১৯৭১সালের এই দিনে দীর্ঘ ৯মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।
যাদের আত্মত্যাগ ছাড়া আমরা এই বিজয় অর্জন করতে পারতাম না, সেই ৩০লক্ষ শহীদ, ২লক্ষাধিক সম্ভ্রমহারানো মা-বোন ও মৃত্যু ভয়হীন বীরমুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধা।

বিজয়ের ৫০বছর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রইল বিন্ম শ্রদ্ধাঞ্জলি......

আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস।
বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি অর্জনের স্মৃতিবিজড়িত দিন।

সকলকে বিজয়ের ৫০বছরের শুভেচ্ছা...
🇧🇩🇧🇩🇧🇩
.
.

06/12/2021

আরগন ফার্মাসিউটিক্যালস্ এর একটি পণ্য।

#ক্যাপসুল_আরগো_জিং/(Ergo Ging).

✅ . Licence No: Ayu-073
✅ No: Ayu-91-A-48

আমাদের দেহ যা কিছু ব্যয় করে সারাদিন আমাদেরকে কর্মব্যস্তময় সময় পার করতে সাহায্য করে তার সব কিছু ফিরিয়ে দিতে শক্তিশালী জিনসেং এর আধুনিক সমন্বয়
ক্যাপসুল #আরগো_জিং-ই যথেষ্ট।

#কার্যকারিতাঃ-
১) সুস্বাস্থ্যের জন্যে জিনসেংকে টনিকের রাজা
বলা হয়।
২) কার্যকরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বমৃদ্ব।
৩) সুস্থ্য স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে।
৪) মহিলাদের পিরিয়ড বন্ধ পরবর্তি সময়ে সৃষ্ট
শারীরিক প্রতবন্ধকতা সারিয়ে তুলতে কাজ
করে।
৫) আপনার হার্ট হেলথকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য
করবে।
৬) ব্লাড সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে
সহায়তা করবে।
৭) এটা আপনাকে শক্তি সঞ্চয় করতে সহায়তা
করবে।
৮) আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
৯) এটা ঘামের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে
বিষ ক্রিয়া দূর করবে ও আপনার কোলনের
বিভিন্ন সমস্যা থেকে আপনাকে উপশম
দিবে।
১০) আরগো জিং অধিকতর প্রোটিন আছে,
আর এতে স্ট্রনটিয়াম থাকায় তা প্রোটিনকে
হজম করে শক্তিতে রুপান্তরে সহায়তা
করে।
১১) আরগো জিং ওমেগা ৩ ছাড়াও আরও
আছে ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম,
নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও
ফসফরাস।
১২) এটা ব্রেইন ফাংশনকে ডেভলপ করার
মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি ও মনযোগ বৃদ্বিতে
সাহায্য করে।
১৩) পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ও
ভুমিকা রাখে।
১৪) আপনার শারীরিক ও মানষিক শক্তি
বৃদ্বিতে যথেষ্ট কার্যকরি।

#খুচরা_মূল্যঃ ৭৫০/- টাকা (৩০ক্যাপসুল)

#সতর্কতাঃ- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

#প্রস্তুতকারকঃ-
আরগন ফার্মাসিউটিক্যালস্ (আয়ু)

#ক্রয়ের_জন্য_যোগাযোগ_করুনঃ-
আমাদের ঠিকানা........
এইচ ডব্লিউ লাইফ এসোসিয়েট
তেঁতুলঝোড়া, রাজফুলবাড়ীয়া-১৩৪০, সাভার, ঢাকা, বাংলাদেশে 🇧🇩।
মোবাইলঃ +৮৮০১৭৭-৭৬০৬৬৪৩

21/10/2021

#কচুর_লতি।

27/09/2021

#জেনে_রাখা_ভালো।

25/07/2021

Ergon Pharmaceuticals New Product: .

Photos from HW Life Associate's post 26/05/2021

আরগন-এর পণ্য পরিবহনের প্রক্রিয়াকে সহযতর করতে অতি শিঘ্রই সার্ভিসে যুক্ত হচ্ছে নতুন দুইটি পিকআপ ভান।

26/04/2021

আমাদের সাথে পথ চলা শুরু হলো ৷

01/04/2021

িরিক্ত_মেদ_ভুঁড়ি।
পেটের মেদ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। পেটের সাথে সাথে কোমরেও মেদ জমে থাকে। কোমরের মেদ সাধারণত ব্যায়াম ছাড়া কমানো সম্ভব হয় না। ব্যস্ত এই নগরজীবনে ব্যায়াম করার মত সময় সবার হয়ে উঠে না। এই কোমরের মেদ কমানোর জন্য পান করতে পারেন আদার তৈরির এই জাদুকরী পানীয়টি।

সারা বিশ্ব জুড়ে আদা স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে পরিচিত। পুষ্টি সমৃদ্ধ এই উপাদানটি কোমরের মেদ কমানোর পাশাপাশি বমি বমিভাব, পেশী ব্যথা, ডায়ারিয়া, মাইগ্রেন, বাত, কোষ্ঠকাঠিন্য সহ আরও অনেক রোগের প্রতিষোধ হিসেবে এটি কাজ করে থাকে। এটি রক্তে সুগার লেভেল হ্রাস করে রক্ত চলাচল বজায় রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া ক্যান্সারের কোষ মেরে ফেলতে সাহায্য করে আদা। এই আদা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন ডিটক্স। এটি কোমরের মেদ কাটানোর পাশাপাশি অনেকগুলো স্বাস্থ্য উপকারী পেয়ে যাবেন।

কোমরের মেদ কমাতে এক কাপ আদা পানি-১.৫ লিটার পানি আদা কুচি।

#যেভাবে_তৈরি_করবেনঃ

১। ১.৫ লিটার পানি চুলায় দিন, এর সাথে ২ ইঞ্চি লম্বা আদা কুচি মিশিয়ে নিন।

২। এটি কিছুক্ষণ জ্বাল দিন।

৩। ঘন হয়ে গেলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল আদার রস।

৪। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

৫। প্রতিদিন এক কাপ করে এই আদার রস পান করুন। কমপক্ষে ছয় মাস এটি পান করুন।

#কার্যকারণঃ
আদা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বমি বমি ভাব দূর করে, হজমশক্তি বৃদ্ধি, ঠান্ডা, কফ দূর করে থাকে। শুধু তাই নয়, এটি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মেদ হ্রাস করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রেখে খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

প্রতিদিন এক কাপ করে ছয় মাস এই পানীয় পান করুন।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1340

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00