kroyzone.com

kroyzone.com

Share

kroyzone.com aims to provide you the superior shopping experience with its wide range of products and dedicated customer service in online market place.

Photos from kroyzone.com's post 20/08/2016

আপনি কি বাসায়, রাস্তায় কিংবা দেশের বাইরে বসেই আপনার দোকান কিংবা অফিসে কি হচ্ছে সেটা দেখতে চান আপনার মোবাইলে ??
বাসার কাজের লোক, বা দোকানের ক্যাশ আইপি সিসি ক্যামেরার দ্বারা রাখুন আপনার নজরদারিতে মোবাইলের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টাই। :O :O
চাইলে রেকর্ডও করতে পারবেন এবং মোবাইলে বসেই দেখে নিতে পারবেন সেই রেকর্ড করা ভিডিও। অফিসে বসেই বাসায় আপনার ছোট্ট বাচ্চাটি কি করছে সেটা মোবাইলে বা ল্যাপটপে দেখতে পাবেন। আমরা আপনাকে সেই সুবিধা দিব তাও আবার মাত্র ৬৫০০ টাকায়। :O :O অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ 01978933300 ও 01978633377 এই নম্বরে। প্রতিটি ক্যামেরার সাথে সম্পূর্ণ ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি তো আছেই।

Delivery and installation charge 350 taka. (within Dhaka) . Location dependent service charge outside Dhaka.
মোবাইল থেকে ক্যামেরাটিকে ডান-বাম , উপর-নিচে ১৮০-৩৬০ ডিগ্রী পর্যন্ত কন্ট্রোল করতে পারবেন । অর্থাৎ এই একটি মাত্র ক্যামেরা দিয়েই ২-৩ টি CCTV ক্যামেরার কাজ করা যাবে।
ক্যামেরাতে রেকর্ডার থাকায় দরকার হলে মোবাইলে বা ল্যাপটপে বসেই দেখে নিতে পারবেন যে ২-৭ দিন আগে কি হয়েছিল। একটি মাত্র ক্যামেরা দিয়েই আপনি করতে পারবেন এতো কিছু। দাম পড়বে সর্বসাকুল্যে মাত্র ৬৫০০ টাকা !!!!!
আমদের ক্যামেরার সুবিধা-সমুহঃ
১. একটি মাত্র ক্যামেরা ছাড়া আর কিছুই লাগবে না। কামেরাতে বিল্ট ইন রেকর্ডার আছে যার ধারণক্ষমতা ৪ জিবি থেকে সর্বোচ্চ ৩২ জিবি। শুধু micro-SD মেমরি কার্ড লাগাতে হবে প্রয়োজনমত।
২. কোন তার বা ব্যয়বহুল wiring এর প্রয়োজন নেই। ওয়াই- ফাই কিংবা ব্রডব্রান্ড রাউটার হলেই চলবে। যার দাম মাত্র ১২০০ টাকা।
আর বাসায় বা দোকানে আগে থেকেই ওয়াই- ফাই কিংবা ব্রডব্রান্ড রাউটার থাকলে তো কথাই নেই। শুধু ক্যামেরা ছাড়া আর কিছুই লাগবে না।
৩. ক্যামেরাতে মোশন সেন্সর আছে। যখন আপনি আমাদের Android অথবা iphone apps থেকে বলে দিবেন যে আপনি দোকান বা বাসায় নেই তখন আপনার অবর্তমানে ক্যামেরার আওতাভুক্ত স্থানে কেউ ঢুকলে সাথে সাথে আপনার মোবাইলে ‘ Alert Call ‘ আসবে এবং ছবিও চলে আসবে ই-মেইলে ।
৪. ক্যামেরাগুলো নাইট ভিশন হওয়ায় সম্পূর্ণ অন্ধকার রুমেও পরিস্কার দেখা যায়।
৫. বর্তমান বাজারে নিম্মমানের ও লো রেজুলেশনের ক্যামেরা থেকে আমাদের HD Intelegence IP Camera টি Full HD-1080P কোয়ালিটি সম্পন্ন এবং গুণগত মান অনেক ভালো।

Photos from kroyzone.com's post 20/05/2016

জরুরিঃ

শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় 'রোয়ানু'। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর, কক্সবাজার উপকূলে ৬ নম্বর এবং মংলা সমুদ্র বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত জারি।

উপকূলবর্তী এলাকার সকলে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করুন। জানমালের ক্ষয়ক্ষতি প্রশমনে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। সংবাদটি দ্রুত ছড়িয়ে দিয়ে সকলকে সতর্ক করুন।

15/05/2016

💝 ভালোবাসা তাকেই বলে, যে একজন আরেকজনের জন্য নিজের সুখটুকু বিসর্জন দেয় ।
👫 বন্ধুত্ব তাকেই বলে, যে সুখে সময় নয় বরং দুঃখের সময় বন্ধুকে বুকে জড়িয়ে নিতে পারে ।
👻 স্বপ্ন তাকেই বলে, যে স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাতে স্বপ্ন দেখা সে ভুলে যায় ।
💏 সুখ তাকেই বলে, যে দুঃখকে আপন করে নিয়ে দুঃখের মাঝে সুখ খুঁজে ।
🎓 জ্ঞান তাকেই বলে, যে পুথিগত বিদ্যা নয় বরং বাস্তব জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করে ।
😞 দরিদ্র তাকেই বলে, যে দরিদ্রতা মোচনে ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে কর্মতে বিমুখ হয় ।
✊ দায়িত্ব তাকেই বলে, যে দায়িত্ব পালনে নিজের কর্তব্য ইচ্ছাকৃত ভুলে না যায় ।
👎 আশা তাকেই বলে, যে নিরাশা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হতাশা কে দূরে রাখে ।
👌 আবেগ তাকেই বলে, যে বিবেক বিসর্জন দিয়ে মনের দুর্বল দিকটাকে প্রধান্য দেয় ।
💪 বাস্তবতা তাকেই বলে, যে পারিপার্শ্বিক দিক গুলো কল্পনাতে নয় বরং বাস্তব দৃষ্টিকোন থেকে দেখে ।
💞 প্রেম তাকেই বলে, যে শরীরিক প্রবৃত্তিকে নয় বরং পবিত্র বন্ধনটাকে প্রাধান্য দেয় ।
✍ Azad Abul Kalam

Photos from kroyzone.com's post 14/05/2016

সবাই মরার জন্য প্রস্তুত হোন!!

পোষ্টটি অনেক অনেক বেশী শেয়ার করে সবাইকে বিষয় এইগুল জানার সুযোগ করে দিন। হায়রে বাংলার মানুষ একে অন্য কে মারাই ব্যস্ত!!!

আমাদের সোনার বাংলাদেশ - আমাদের বাংলাদেশ!!!

Photos 08/05/2016

:)

22/04/2016

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন ?

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। সেগুলো হলো-

১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ

যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন, “উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫] তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।

২. দু’আ ও যিকর করাঃ

আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি, “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪] তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪] তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।

৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ

প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, “আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।” আল-খাতীব আল-জামী'(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ “এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’” যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ

একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।

৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ

আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।

৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ

পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে। ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি। তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন। ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।”

মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।”

৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ

আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে। তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ভাতঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে। আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।

৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারসমূহ ত্যাগ করাঃ

বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি।'[

ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না। মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি। আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা। তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা।

৯. হাল না ছাড়াঃ

যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া। যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

Photos 21/04/2016

.
কিছু পাওনা টাকা পেয়ে গেলাম ব্রাক ব্যাংকে জমা দিতে। উনারা নোটটি তিনদিকে ছেঁড়া বলে ( অপবাদ) নোটটি ফেরৎ দিলেন!!! আমি বললাম লিখিত দেন নতুবা ওই নোট রাখতে হবে!!! তারপর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক ব্যবস্থাপককে বললাম উনিও সমানভাবে আমাকে refuse করলেন। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম্বার খুজে ফোন দিলাম। একজন কর্মকর্তা ফোন ধরলেন, কথা বললে উনাকেও ব্যাংক কর্মকর্তারা বুঝ দিয়েদিলেন কিন্তু আমি বললাম ওই নোট অচল নয় ( কারণ নোটটা সামন্য ছেঁড়া)!!! অতপর যখন আমি লিখিত অভিযোগ করার জন্য তৈরী হচ্ছি তখন উনি ওই নোট নিয়ে যাচাই বাছাই করে কাউন্টারে রাখার জন্য বললেন!!!

আমার উনাদের উপর কোন রাগ বা ক্ষোভ নেই!!!

আমার কথা হল কেন ব্যাংকগুলো ছেঁড়া নোট বাছাই করে রেখে দেয় না? তাহলেত আর বাজারে ছেঁড়া টাকার নোট আসে না।

ব্যাংকিং খাতে কখনো যদি কোন হয়রানির শিকার হন তাহলে ডায়াল করুন - ১৬২৩৬ এই নাম্বারে...

( পরিবর্তনের শুরু - যেখানেই অন্যায়, সেখানেই প্রতিবাদ করুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন)

- Md Muzahid Uddin

Photos 21/04/2016

গেছিলাম কয়েকদিন আগে একটা রেস্টুরেন্ট এ... খাবার শেষ এ দাম দেওয়ার সময় দেখি দামের সাথে ১৫% ভ্যাট যোগ করেছে।
সাথে সাথে ধরলাম, এই ভ্যাট কিসের?
- এটা সরকারকে দিতে হয়।
- ঠিক আছে। আপনাদের ভ্যাট নাম্বার কত?
একটা নাম্বার দেখাল লোকটা।
এবার আমি বললাম, মুসক ১১ ফর্ম অর্থাৎ ভ্যাট চালান দেন।
সেলসম্যান অবাক।
আবার বললাম, কি হল? আমি সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি, আর সরকার আমাকে এর রিসিপ্ট দিবে না? যান, নীল রঙয়ের ভ্যাট চালানটি নিয়ে আসুন।
এরপর সে তাদের বসকে ডাকল। তিনি এসে,
- কি সমস্যা ভাই?
- সমস্যা তো আপনার। মুসক বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী আমি আপনার মাধ্যমে সরকারকে ভ্যাট দিলাম, আর আপনি আমাকে চালানের কাগজ তো দিলেন না।
- এটা তো নাই আমাদের কাছে?
- নাই মানে? তাহলে কোন আইনে আপনি আমার কাছে ভ্যাট আদায় করলেন? আপনার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
লোকটি চুপ। পরে ১৫% ভ্যাট ছাড়াই বিল দিল।
শুধু এটি নয় হাজার হাজার শপ, সেবা প্রতিস্টান, হোটেল ইত্যাদি এভাবে ভ্যাটের নামে অর্থ আত্মসাৎ করছে। আর সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকাচ্ছে।
নিয়ম হল, যখনি কেউ আপনার বিলে ভ্যাট হিসেবে টাকা কেটে নিবে, সাথে সাথে সে আপনাকে একটি চালানের সরকারি কাগজ (নীল রঙয়ের) দিয়ে দিব। আপনি যে সরকারকে ভ্যাট দিলেন, আর সরকার যে বুঝিয়ে পেল সেটার প্রমাণ এটি। ভ্যাট নিবন্ধিত প্রত্যেক দোকান বা রেস্টুরেন্টে এই সরকারি কাগজ থাকে।
অনেক সময় শুধু প্রিন্ট করা বিল আমাদের দেয় যেখানে ভ্যাটের টাকার পরিমাণও উল্লেখ থাকে... কিন্তু এটি ভ্যাটের সরকারি কাগজ নয়। নীল রঙয়ের চালান কাগজটিই হল ভ্যাটের কাগজ।
কেউ যদি প্রিন্টেড বিলে ভ্যাট নিয়ে আলাদাভাবে এই চালান কাগজ না দেয়, তাহলে বুঝবেন সেই টাকা সেই প্রতিষ্ঠান নিজের পকেটে ঢুকালো, অথচ আপনি সরকারকে ঠিকই ভ্যাট দিলেন। খাবার রেস্টুরেন্টগুলোতে এই দুই নম্বরি কাজগুলো বেশি করে।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নাম্বারই নেই, তারাও অযথা ভ্যাটের নামে টাকা আদায় করে।
কেউ চালান কাগজ দিতে অস্বীকার করলে, তাকে আইনের কথা উল্লেখ করে আর ভ্যাট দিবেন না। বেশি তেড়িবেড়ি করলে এনবিআরে সরাসরি ফোন দিয়ে অভিযোগ করবেন।
আমরা কষ্টের ইনকামের টাকা থেকে প্রতিনিয়ত সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি কিন্তু সে টাকা সরকার পর্যন্ত যাচ্ছেই না, কারণ বেশিরভাগ লোকই এটা জানে না...আর এই সুযোগে এসব দুষ্ট লোকগুলো সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে চোখের সামনে।
নিচের ছবি দেখলে বুঝতে পারবেন কোন রেস্টুরেন্ট।
[[শেয়ার করুন, নিজে তো জানলেন, বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন।। ]]

(Courtesy: Police Bureau of Investigation- PBI)

Photos 20/04/2016
Photos 18/04/2016

ঢাকা ভূমিকম্প ২০?? সাল ... ঢাকায় সর্ববৃহৎ মানবিক বিপর্যয় রুখতে শহরের শত ঝুকিপূর্ণ ভবন ভাঙ্গার উদ্দ্যোগ চাই ...
সবাই শেয়ার করে হ্যাশ ক্যাম্পেইন টি সারা ফেসবুকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করুন
#ঝুকিপূর্ন_ভবন_ভাঙ্গুন

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
1207