Syscom Trade

Syscom Trade

Share

We take immense pleasure by introducing our company Syscom trade for electronic security & surveillance product adhering to world class standards. Syscom T

10/10/2024

★ বাঙালির সমরাস্ত্র দক্ষতা★

বাংলার ইতিহাসে যুদ্ধের ময়দানে বাঙালিরা তাদের সামরিক দক্ষতার মাধ্যমে এক অসামান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সুলতান শামস-উদ-দ্বীন ইলিয়াস শাহ বাংলার সমরাস্ত্রশক্তিকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করে অমর হয়ে আছেন। তাঁর উদ্ভাবিত 'চলমান দুর্গ' ছিল বাংলার সুলতানাতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুদ্ধাস্ত্র। এই দুর্গ চারটি হাতির ওপর রথ বসিয়ে নির্মাণ করা হতো, যাতে ১২ জন অগ্নিবাণ নিক্ষেপকারী সৈনিক যুদ্ধ করত। বাংলার সেনারা এই চলমান দুর্গের সাহায্যে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করতে সক্ষম হতো।

শুধু এই চলমান দুর্গই নয়, বাংলার রণহস্তীর খ্যাতি সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল। পাল রাজা দেবপালের সুপ্রশিক্ষিত ১ লক্ষ রণহস্তীর কথা শুনে তিব্বতের সম্রাট চীনে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। বাংলার চট্টগ্রাম অঞ্চল ছিল বিশালাকার রণহস্তীর মূল জোগান কেন্দ্র। বাংলার হাতির শক্তি ও দক্ষতা হিন্দুস্তানের হাতির চেয়ে বহু গুণে শ্রেষ্ঠ ছিল। সুলতান দাঊদ শাহ কররানীর সময়ে ৩৬০০ রণহস্তীর বিশাল বহর ছিল বাংলার গর্ব।

বাংলার এই সামরিক শক্তি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও বিশাল অবদান রেখেছিল। মসলিন, রেশমি কাপড়, এবং কৃষিজ পণ্যের উৎপাদন মুঘল সাম্রাজ্যের অর্থনীতিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। বাংলার সুবাহর ধনসম্পদ আকবরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল এবং ১৫৭৬ সালে বাংলা দখলের চেষ্টা করলেও, তা তিনি নামেমাত্র করতে পেরেছিলেন। বাংলা সম্পূর্ণভাবে মুঘলদের অধীনে আসে ১৬১২ সালে, শাহজাহানের শাসনামলে। তখন থেকেই বাংলার ধনসম্পদ দিল্লীর সম্রাটদের ধনী করে তুলতে শুরু করে।

সুলতান ইলিয়াস শাহের মতো মহান ব্যক্তিদের হাত ধরে বাংলার সামরিক ও অর্থনৈতিক গৌরব ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। আমরা বাঙালিরা এক মহান জাতির উত্তরসুরী। আমাদের ঐতিহ্য শুধু সাহসিকতার গল্প নয়, বরং বুদ্ধিমত্তা ও সামরিক শক্তির এক অসাধারণ সংমিশ্রণ। আমরা বাংলাদেশী হিসেবে গর্বিত, কারণ আমরা সেই জাতির উত্তরাধিকার বহন করি, যারা কখনও সহজে পরাজিত হয়নি, বরং নিজেদের দক্ষতা ও শক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে।

“আমরা বাংলাদেশী, আমরা এক মহান জাতি!”
এই গর্ব নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, যেনো ভবিষ্যৎ প্রজন্মও আমাদের ঐতিহ্যকে ধারণ করে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।

23/08/2024

নির্মম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১টি জেলায় ৪৪ লাখের বেশি মানুষ এখন চরম দুর্দশায়। এই দুর্যোগে আমরা সবাই এক হয়ে পাশে দাঁড়াই।

এই সংকটময় মুহূর্তে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে সহায়তা পাঠানোর মাধ্যমে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে থাকতে পারি। আপনার সাহায্য দ্রুত পৌঁছাবে তাদের কাছে, যারা সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন।

ত্রাণ তহবিলে সহায়তা পাঠানোর জন্যঃ

হিসাবের নাম: প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল
ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়
হিসাব নম্বর: ০১০৭৩৩৩০০৪০৯৩
আমাদের ত্রাণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই তারা নতুন করে বাঁচার সাহস পাবে। আসুন, সবাই মিলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই এবং বাংলাদেশকে একত্রিত করি এই দুর্যোগের সময়।

এই পোস্টটি শেয়ার করে আরও মানুষকে সাহায্য করার সুযোগ করে দিন। একসাথে আমরা পারবো, ইনশাআল্লাহ।

21/08/2024

সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ৩,৫০,০০০ মানুষ অপরিসীম কষ্ট ও দুর্ভোগ সহ্য করছে। সিলেট, ফেনী, কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরসহ দেশের অনেক অঞ্চল ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। হাজার হাজার ঘরবাড়ি, ফসল এবং মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ মুহূর্তে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের মানবিক কর্তব্য। তাদের জন্য খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং আশ্রয়ের প্রয়োজন। যেখানেই থাকুন, যেভাবেই পারেন, দুর্গত মানুষদের সাহায্য করুন। আমাদের ঐক্যই এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার শক্তি। 💪🏼

এবারও আমরা পারবো—ঠিক যেমন আগেও করেছি। একসাথে মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বন্যার কবল থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারি।

আমাদের একত্রিত হওয়ার সময় এসেছে। বন্যাকবলিত মানুষের প্রতি আমাদের ভালবাসা ও সমর্থন পৌঁছে যাক। 🤲🏼💙

✊🏼 আসুন আমরা সবাই মিলে তাদের পাশে দাঁড়াই।

09/08/2024

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন যাত্রার শুভকামনা
আমাদের সকলের জন্য এক নতুন সূচনা!

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে, বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে আমরা সকলেই গর্বিত। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি নতুন যাত্রার শুরু হয়েছে। তিনি একজন দূরদর্শী নেতা, যিনি দেশের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে আমরা আশা করি, বাংলাদেশ একটি উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে আমরা নিশ্চিত যে,

দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
দুর্নীতি দমন করা হবে।
বৈষম্য দূর করা হবে।
সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
দেশের অর্থনীতি সুদৃঢ় করা হবে।
আমি ড. ইউনূসকে তার এই নতুন দায়িত্ব পালনে সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই। আমরা সকলে মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করি।

আনোয়ার হোসেন পলাশ

আমি বিশ্বাস করি, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে পারবে। আমি আশা করি, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে।

01/05/2024

গাহি সাম্যের গান–
মানুষের চেয়ে কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান ,
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ
ধর্মজাতি,
সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের
জ্ঞাতি ।
‘পুজারী, দুয়ার খোল,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পুজার সময়
হলো !’
স্বপ্ন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়
দেবতার বরে আজ রাজা-
টাজা হয়ে যাবে নিশ্চয় !
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান্থ, ‘দ্বার খোল বাবা,
খাইনা তো সাত দিন !’
সহসা বন্ধ হল মন্দির , ভুখারী ফিরিয়া চলে
তিমির রাত্রি পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক
জ্বলে !
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পুজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয় !’
মসজিদে কাল শিরনী আছিল, অঢেল গোস্ত রুটি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই
কুটিকুটি !
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে-আজারির চিন্
বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা ফাকা আছি আজ
নিয়ে সাত দিন !’
তেরিয়াঁ হইয়া হাঁকিল
মোল্লা–”ভ্যালা হলো দেখি লেঠা,
ভুখা আছ মর গে-ভাগাড়ে গিয়ে ! নামাজ পড়িস
বেটা ?”
ভুখারী কহিল, ‘না বাবা !’ মোল্লা হাঁকিল-
‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ !’ গোস্ত-
রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা !
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে–
“আশিটা বছর কেটে গেল,
আমি ডাকিনি তেমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু !
তব মজসিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী,
মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল
দুয়ারে চাবী !”
কোথা চেঙ্গিস, গজনী-মামুদ, কোথায়
কালাপাহাড় ;
ভেঙ্গে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-
দ্ব ার !
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায় কে দেয়
সেখানে তালা ?
সব দ্বার এর খোলা র’বে, চালা হাতুড়ি শাবল
চালা !
হায় রে ভজনালয়
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের
জয় !
মানুষেরে ঘৃণা করি
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল
চুম্বিছে মরি মরি
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর
করে কেড়ে
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই
মানুষেরে মেরে ।
পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল !–মুর্খরা সব শোনো
মানুষ এনেছে গ্রন্থ,–গ্রন্থ আনেনি মানুষ
কোনো ।
আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এরা পিতা পিতামহ, এই আমাদের
মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-
বেশী করে প্রতি ধমনীতে বাজে !
আমরা তাঁদেরি সন্তান , জ্ঞাতি ,
তাঁদেরি মতন দেহ
কে জানে কখন মোরাও
অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ ।
হেস না বন্ধু ! আমার আমি সে কত অতল অসীম
আমিই
কি জানি কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম

হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি,
তোমাতে মেহেদি ঈসা,
কে জানে কাহার অন্ত ও আদি, কে পায় কাহার
দিশা ?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই,
কাহারে মারিছ লাথি ?
হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিছেন
দিবারাতি !
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ –
দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন্থ ভজানালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয় !
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর -বাসে
জন্মিছে কেহ-জোড়া নাই যার জগতের
ইতিহাসে !
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ,
যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখেনি–হয়ত আসিছে সে এরই
ঘরে !
ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য
জীব !
ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব

আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে,
করিবে নান্দী পাঠ ।
রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা, ও-
হেলা কাহারে বাজে !
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল
সাজে !
চাষা বলে কর ঘৃণা !
দেখো চাষা রুপে লুকায়ে জনক বলরাম
এলো কি না !
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারও ধরিল হাল
তারাই আনিল অমর বাণী–
যা আছে র’বে চিরকাল ।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায়
নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা -নাথ
গিরিজায়া, তা কি চিনি !
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-
মুষ্টি দিলে
দ্বার দিয়ে তাই মার
দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলৈ ।
সে মোর রহিল জমা -
কে জানে তোমারে লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে
বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ দু’চোখ স্বার্থ ঠুলি,
নতুবা দেখিতে,
তোমারে সেবিতে দেবতা হয়েছে কুলী ।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা মথিত
সুধা
তাই লুটে তুমি খাবে পশু ?
তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা ?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই
জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের
কোনখানে !
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু ফেলেছে তোমায় মৃত্যু
বিবরে টানি ।
মে দিবসের কবিতা
মানুষ
---কাজী নজরুল ইসলাম।।

27/04/2024
22/08/2023

"Empowering Security and Communication: Your Trusted Services in Bangladesh

In an ever-evolving world, ensuring the safety of your premises is paramount. At Syscom Trade, we offer a comprehensive range of advanced security and communication solutions tailored for the unique needs of Bangladesh.

CCTV Camera Solutions:
Our state-of-the-art CCTV camera systems provide vigilant monitoring, deterring potential threats and offering peace of mind. With high-definition cameras and intelligent analytics, you can keep a watchful eye on your surroundings, day and night.

Access Control Systems:
Control and restrict access to your premises with our Access Control solutions. Utilizing cutting-edge technology, we empower you to manage entry permissions efficiently, enhancing security while streamlining operations.

IP Phone Communication:
Stay connected seamlessly with our IP Phone solutions. Experience crystal-clear communication and collaboration, whether it's within your organization or beyond. Our IP Phone systems offer reliability and efficiency for effective communication in Bangladesh's dynamic business landscape.

Fire Detection and Protection:
Prevention is key, and our Fire Detection and Protection Services are designed to safeguard lives and property. With advanced detection mechanisms and rapid response systems, we provide early alerts and effective measures to mitigate fire risks.

Your Safety, Our Priority:
At Syscom Trade, we take pride in securing your world. Our integrated approach combines technology, expertise, and a deep understanding of Bangladesh's security and communication challenges. Whether you're a business owner or a homeowner, our solutions are tailored to fit.

Experience the future of security and communication with Syscom Trade. Contact us today to fortify your surroundings and stay connected with confidence."

Syscom Trade
House-116, East Azampur, Dakshinkhan, Uttara
Dhaka-1230
Whatsapp: +8801716582208

21/02/2023

Welcome to our comprehensive range of electronic security products. We offer top-quality CCTV cameras, alarm systems, access control solutions, and more to help protect your home or business from potential threats. Our products include everything from archway gates to security guards, surveillance cameras to intrusion detection systems, and so much more.

We understand that different customers have different security needs, which is why we offer customized solutions tailored to your specific requirements. Our home security products are designed to keep your family and valuables safe, while our business security solutions can help you safeguard your assets and employees. We also offer indoor and outdoor security options to ensure comprehensive coverage.

In addition to traditional security products, we also offer cutting-edge technologies such as IP cameras, NVRs, and DVRs to provide advanced video surveillance capabilities. Our fire alarms and security lighting options also provide added protection against potential hazards.

Our team of experts provides professional security installation services to ensure that your security products are installed correctly and effectively. We also offer ongoing security monitoring services to help ensure that your security systems are always functioning optimally.

At our company, we take pride in offering high-quality, reliable electronic security products and exceptional customer service. Contact us today to learn more about our products and services, and let us help you find the best solution to meet your security needs.

28/05/2022

আপনি দূরে থেকে আপনার অফিস,বাড়ি কিংবা ব্যবসায়িক স্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সর্বাধুনিক উপায় সম্পর্কে ধারনা পেতে চান, তাহলে আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করছি।
হোম অটোমেশন কি এবং কেন হোম অটোমেশন প্রয়োজন !!!
হোম অটোমেশন সিস্টেম, যা একটি বাড়ির তিনটি মূল অংশ- হিটিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম এবং সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম সহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলোকে স্মার্ট উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় বলে একে হোম অটোমেশন সিস্টেম বলা হয়। হোম অটোমেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে হোম নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে একটি বাড়ির নিরাপত্তা, বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, হোম এন্টারটেইনমেন্ট ইত্যাদি প্রতিটি সিস্টেম আলাদা আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং একই সঙ্গে এগুলোর সমন্বয় সাধন করা যায়। হোম অটোমেশন এর মাধ্যমে অফিস কিংবা বাড়ীর সবধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি প্রচলিত সুইচ এর বদলে সংক্রিয়ভাবে এবং প্রয়োজনে স্মার্ট ফোন থেকেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। IOT (Internet of Things) নির্ভর হোম অটোমেশন প্রযুক্তিতে, প্রচলিত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সাথে স্মার্ট ডিভাইস সমুহ WI-FI ইন্টারনেট এর সাথে সংযোগ স্তাপনের মাধ্যমে স্মার্ট উপায়ে সার্বিক বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সুইচ বাটনে কোন স্পর্শ ছাড়াই।
(উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি রুমে পায়চারি করছেন তখন সয়ংক্রিয় ভাবে আপনার পর্দা খোলা হবে, তাপমাত্রা চালু হবে, এবং আপনার প্রিয় গান বাজানো শুরু হবে)
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হোম অটোমেশন প্রযুক্তি জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এর পাশাপাশি সর্বচ্চো নিরাপত্তা বিধান করে থাকে । হোম অটোমেশন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা অনেক।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ঃ
হোম অটোমেশন সিস্টেম পৃথক ডিভাইসের শক্তি ব্যবহারের পরিমাপ করতে পারে, আপনার একটি পুরানো হোম আপ্লাইন্স খুব বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে কিনা তা বের করতে পারবেন অনায়াসেই এতে করে বেশি বিদ্যুৎ বিল উৎপাদনকারি বৈদ্যুতিক লোড সমূহ বদলে স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে ২০-৯০ % বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করা যায়।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনঃ
গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহে বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে এসি অন করলেও আরামদায়ক তাপমাত্রা পেতে কিছুক্ষণ দেরি হয় কিন্তু হোম অটোমেশন এর মাধ্যমে বাড়ীর কাছাকাছি এসে স্মার্ট ফোন এর মাধ্যমে আগে থেকেই এসি অন করে দেয়া যায় এতে বাড়ি ফিরেই আরামদায়ক তাপমাত্রা পাওয়া যায়।
পানির অপচয় রোধঃ
পাম্প অটোমেশন এর মাধ্যমে পানির অপচয় রোধ করে বিদ্যুৎ খরচ কমানো যায়, রুফটপ ট্যাঙ্কি এবং রিসার্ভ ট্যাঙ্কিতে স্মার্ট ডিভাইস সংযোগের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পানির সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্য করা যায় এরফলে ট্যাঙ্কি ওভারফ্লো হয়ে পানির অপচয় হয়না কিংবা অপ্রয়োজনীয় ভাবে পাম্প চলে বিদ্যুৎ খরচ হয়না।
বাড়ি পর্যবেক্ষণঃ
বাড়ীর বাইরে থেকেও স্মার্ট ফোন থেকে সার্বক্ষণিক বাড়ীর তদারকি করা যায়, হোম অটোমেশন সিস্টেমে নিরাপত্তা ক্যামেরাগুলি মোশন ডিটেকসান পন্থায়, বাড়ীর বাহ্যিক এবং আভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে মালিককে সিগনাল পাঠায়, এমনকি বাড়ীর দরজায় অতিথি আসলে বাড়ীর বাইরে থেকেও দরজা খুলে দেয়া যায়।
বাচ্চাদের পর্যবেক্ষণঃ
চাকরীজীবী বাবা মায়েদের বাসায় রেখে যাওয়া সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাবে হোম অটোমেশন সিস্টেম। হোম নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ভিডিও ক্যামেরা এবং একটি স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে, আপনি যখন বাড়িতে থাকেন না তখন বাচ্চারা কী করছে তা দেখতে পাবেন। এছারাও ক্যমেরাতে ব্যবহৃত ২ ওয়ে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ভয়েছ আদান প্রদান করতে পারবেন মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করেই।
তালা চাবির ঝামেলা বিহিন নিরাপত্তা ব্যবস্থাঃ
বাসার চাবি হারিয়ে গেল কিনা কেন্দ্রিক চিন্তা করতে হবে না আর। এখন চাইলেই ইলেক্ট্রনিক ডোর লক এর সংখ্যাসূচক কীপ্যাড এবং হোম অটোমেশন সিস্টেমের সমন্বয়ে স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশন মাধ্যমে দরজা আনলক করতে সক্ষম হবেন।
নিছিদ্র নিরাপত্তাঃ
বাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন তাড়াহুড়োই হইতো ডোর লক করতে ভুলে গেছেন, চিন্তার কিছু নেই হোম অটোমেশন সিস্টেমের কল্যাণে আপনার বাড়ীর সবগুলো তালা স্মার্ট ফোন থেকেই বন্ধ করতে পারবেন। হাজার মাইল দূরে থেকেও ডোর লক গুলো পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
সময় সচেতনতাঃ
ব্যবহৃত হোম আপ্লাইন্স সমূহ অচল হয়ে যাওয়ার আগেই রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে সতর্ক করে দেবে হোম অটোমেশন সিস্টেম। যেমন প্রিপেইড বৈদ্যুতিক মিটার এর টাকা শেষ হওয়ার আগেই সতর্ক করবে হোম অটোমেশন সিস্টেম।
ছোট যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণঃ
আপনি সম্ভাব্য চোরকে বোকা বানাতে পারেন। ছুটিতে যাচ্ছেন? কোন সমস্যা নেই দূর থেকে চোর ভাববে আপনি বাড়িতেই আছেন। দূরে থেকেও প্রতি রাতে লাইটিং সিস্টেম অন অফ করার প্যাটার্ন সক্রিয় রেখে অনাকাঙ্ক্ষিত চুরি রোধ করা সম্ভব। এছাড়া দূর থেকেও টিভি ,হোম থিয়েটার অপারেট করা যায় হোম অটোমেশন প্রজুক্তি ব্যবহার করে।
অজাচিত অনুপ্রবেশ রোধকরণঃ
বাড়ীর চারপাশে মোশন ডিটেকশন লাইটিং ও মোশন ডিটেকশন অ্যালার্ম এর সাথে হোম অটোমেশন সিস্টেম এর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রপার্টিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অজাচিত অনুপ্রবেশ রোধ করা যায়।
বাড়ীর বাইরে থেকে একটি স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে হোম এপাইন্স সমূহ অপারেট কিংবা হোম অটোমেশন সিস্টেমের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সক্রিয় করার সুযোগ অবিশ্বাস্যভাবে সুবিধাজনক হতে পারে এবং সময়ের সাথে সাথে আপনার বিদ্যুৎ খরচ কমাতে এটি একটি কার্যকরী ভুমিকা রাখবে।
তথ্যপ্রযুক্তি ক্রমশ সবকিছুই সহজ করে দিচ্ছে, এমনকি জীবনযাপনের অনেক জটিল বা শ্রমসাধ্য বিষয়কেও। এইসব প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে বাড়ি কিংবা অফিস সহজেই স্মার্ট হোম এ রূপান্তরিত করা যায়। স্মার্টহোমের ধারণা মোটেই নতুন কিছু নয়। ১৯৮০ সালের দিকে আমেরিকায় পরিচিতি পাওয়া ইন্টেলিজেন্টবিল্ডিংই বর্তমানে স্মার্ট হোম নামে পরিচিত । হোম অটোমেশন এখন আর সপ্ন নয়, আমাদের দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের হোম অটোমেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য।
বাসস্থান কে নিরাপদ, সময়োপযোগী, পরিবেশবান্ধব, স্বয়ংক্রিয়করন ও সাশ্রয়ীকরণে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এখন জাপান, জার্মান, ভিয়েতনাম সহ পৃথিবীর বিভিন্ন্য দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

02/05/2022

Assalamu Alaikum,

I wish you a happy Eid-ul-Fitr. Eid will bring joy, happiness and peace to everyone. Good luck,

Polash Anwar

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


116, East Azampur, Uttara
Dhaka
1230.