RadioTune.com
বাংলাদেশের সব খবর পেতে এখনই লাইক দিন।
জীবনতো একটাই, এ জীবনে যদি তোমায় না
পাই,তবে জীবন দিয়ে কি হবে?
তিন-এর নামতা
- কবীর হুমায়ূন
(ছড়া)
তিন একে তিন
লজ্জা হলো ভিক্ষা করা, চুরি এবং ঋণ।
তিন দ্বিগুণে ছয়
মেধাশক্তি অর্জন করে আনবো দেশের জয়।
তিন তিরিক্কা নয়
অলসতা মন্দ অনেক, কর্মে আনে জয়।
তিন চারে বার
বন্ধু হবো সকল জনের, শত্রু নহে কারো।
তিন পাঁচে পনের
কুসংস্কার ছাড়ো এবার ‘আনলাকি’ নয়
তের।
তিন ছয়ে আঠার
শত্রুকে হেলা নয় আর, শক্ত করে পাছাড়ো।
তিন সাতে একুশ
মন্দ কাজে এই
জীবনে হইবো নাতো বেহুঁস।
তিন আটে চব্বিশ
তিক্ত কথা গরল মাখা,
মিষ্টি কথা নির্বিষ।
তিন নয়ে সাতাশ
সবুজ করে দেশখানিরে সতেজ
রাখবো বাতাস।
তিন দশে তিরিশ
ঐ দেখা যায় আকাশ ছোঁয়া বৃক্ষরাজি-
শিরিষ।............................Black
ঘটনা প্রবাহ পাঁচ ...
পরকীয়ার বলি হচ্ছে সাজানো সংসার।
আজ আমার কাছে এক যুবক আসে। সে 'ডিপ্রেশন'
বা বিষণ্ণতায় ভুগছে। সে যা বলেছে তার
সরকথা হচ্ছে---
"৬ বছর আগে সে তার এক সহপাঠীকে প্রেম
করে ফ্যামিলির সম্মতিতে বিয়ে করে। বিয়ের পর স্বপ্নের
মতোই কাটছিল তাদের সংসার। বছর দেড়েক যাবার
পর সে তার স্ত্রীর চালচলনে পরিবর্তন
দেখতে পারে। সংসার ও স্বামীর প্রতি তার
স্ত্রী উদাসীন হয়ে পড়ে। সময়ে-
অসময়ে নানা উছিলায় বাইরে যায়।..
এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। একসময়
খোঁজ নিয়ে সে জানতে পারে যে তার
স্ত্রী বয়সে ছোট এক যুবকের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত।
পারিবারিকভাবে সালিসির মাধ্যমে তার
স্ত্রীকে সংশোধনের চেষ্টা করলেও কোন লাভ হয়নি।
উপরন্তু মাস দুই আগে তার স্ত্রী তাকে তালাক
দিয়ে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় ফাসিয়ে দেয়।
এরপর থেকে সে হতাশা ও বিষণ্ণতায় ভুগছে।"
একটি দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট
অনুযায়ী বাংলাদেশের শতকরা ৩৫ জন অবৈধ
সম্পর্কে লিপ্ত। বিগত ২০ বছরে এদেশে অবৈধ সম্পর্ক
বেড়েছে ৩ গুন। এর
সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তালাকের সংখ্যা।
তালাক দেয়ার ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের
থেকে অনেক এগিয়ে। একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরলেই
বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু
ঢাকা সিটিতেই তালাহ হয়েছে ৭১৫৩ টি।
ঢাকা উত্তরের মোট ৩৬৯৫ টি তালাকের
মধ্যে নারীরা তালাক দিয়েছে ২৮৮২টি ও
পুরুষরা মাত্র ৮১৩টি। ঢাকা দক্ষিণে মোট
৩৪৬৬টি তালাকের মধ্যে নারীরা দিয়েছে ২২৪৮
টি ও পুরুষরা ১২১৮টি। মহিলাদের তালাকের
অধিকাংশ কারণ পরকীয়া ও তাদের উচ্চ
চাহিদা মেটাতে না পারা।
তসলিমা নাসরীন, জাফর ইকবাল সহ এই শ্রেণীর
নাস্তিক-সেকুলাররা আজ অনেকটাই সফল।
নারী স্বাধীনতা, প্রগতি ও আধুনিকতার নাম
করে তারা এদেশের মানুষ বিশেষ করে নারীদের
ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।
সে সাথে চলছে টিভিতে দেশী-বিদেশী চ্যানেলের
সাংস্কৃতিক আগ্রাসন।
বাংলাদেশে আবহমান কাল ধরে স্বামী-স্ত্রী-স
ন্তান মিলে রক্ষণশীল ও ধর্মীয় পারিবারিক
পরিবেশে শান্তিতে বাস করছিল। কিন্তু অবাধ
যৌনতার বিস্তার, নৈতিকতার পতন ও ধর্মূমীয়
মূল্যবোধ কমে গিয়ে আজ এদেশে পাশ্চাত্যের অভিশাপ
ঘিরে ধরেছে।
পশ্চিমারা যেখানে মুসলিম পারিবারিক প্রথার
প্রতি ঝুঁকে পড়ছে সেখানে বাংলাদেশের মতো ৯০%
মুসলিমের দেশে পশ্চিমা কালচার চালু হবার
মানেটা কি??
কুমারী মাতা
# # # # # # # # # # # # #
জীবনে প্রেমের আবেদন চিরন্তন।
পৃথিবীর
আদি থেকেই এই প্রথা চলে এসেছে।
আমাদের এই
পৃথিবী ও সৃষ্টিকর্তার প্রেমের ফসল।নর
নারীর
প্রেম তো খুবই স্বাভাবিক। রহস্যময় এই
প্রেমের
ছোঁয়া সবাই গ্রহণ করতে চায়।এই সুখকর
প্রেমানন্দ মাঝেমাঝে হয়ে যায়
অভিশাপ। যার
ঘানি টেনে বেড়ায় সারাজীবন
কোনো নারী।
এক্ষেত্রে পুরুষ রা নিরপেক্ষ
ভূমিকা পালন করে।
কোনো দায় থাকেনা তাদের প্রেম
কে বিশুদ্ধ
করার।কিন্তু নারী তো মায়ের জাতি।
নিজের
মানসম্মান বিসর্জন দিয়ে বয়ে বেড়ায়
প্রেমের
ফসল অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান।
আবার অনেকেই পুরুষ দ্বারা প্রভাবিত
হয়ে বিনষ্ট করে দেয় সেই অনাকাঙ্ক্ষিত
বীজ।
তবে যারা বয়ে বেড়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত
সেই
সন্তান তেমনি একজন কুমারী মায়ের
আত্মজীবন নিয়ে লেখা এই গল্প
কুমারী মাতা।
আমি মেহেরজান।বাবা মায়ের আর পাচঁ
ভাইয়ের আদরের চোখের মনি ছিলাম।উচ্চ
শিক্ষা গ্রহন করার জন্য একদিন দেশের
সর্বোচ্চ
বিদ্যাপীঠ এ ভর্তি হয়েছিলাম।
প্রথম দিকে আমার খুব খারাপ লাগত কারণ
বাবা মাকে ছেড়ে আমি এখানে একা থাকি।
নিজেকে একা একা লাগত।তারপর একদিন
আমার সেই স্বপ্ন পুরুষের সাথে দেখা হয়।
আজাদ,ওর নাম।আমরা একই ডিপার্টমেন্ট এ
পড়তাম।ও আমার সিনিয়র ছিল।প্রথম
দিকে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিষয়
নিয়ে আমাদের
কথা হত।কিন্তু আমাদের সম্পর্ক ক্রমশই ঘনিষ্ঠ
হতে থাকল।আমাদের মন
দেয়ানেয়া হলো একদিন।
ও আমাকে খুব ভালবাসতো।
আর আমিও।জীবন টা অনেক রঙিন
হয়ে গিয়েছিল।
আমরা রোজ বিকেলে দেখা করতাম।
নানা জায়গায় ঘুরতাম।
ওকে আমি নিজের
থেকেও বেশি ভালবাসতাম।
অসম্ভব ভাল কাটতে লাগল আমার দিন।
আজাদ মেসে থাকত আর
আমি হলে থাকতাম।
দেখতে দেখতে কেটে গেল একবছর।
আজাদ
ফাইনাল ইয়ারে পড়ত।আর আমি সেকেন্ড
ইয়ারে।
আমাদের দুজনের স্বপ্ন গুলো একই সুতোয়
বাঁধা পড়ে গেল।আমারা একটা ছোট ঘর
বাঁধার স্বপ্ন দেখতাম।আর এই স্বপ্ন
গুলো আমাকে আজাদ দেখাতো।
ওকে আমি নিজের প্রভু মনে করতাম।বেশ
সুখে কাটছিল দিন।
একদিন
বিকেলে আমরা ঘুরতে বেড়িয়েছি।
হঠাত ঝড়
শুরু হলো। আমরা ওর মেসের
আশেপাশে ছিলাম।
তাই সন্ধ্যে হয়ে যাওয়ায় আমরা ওর
মেসে গেলাম।কিছুতেই ঝড় থামল না।
আমি আজাদ একই ছাদের নিচে ঝড়ের এক
রাত।
ভালবাসার উষ্ণতার বন্ধন
আমি উপেক্ষা করতে পারিনি।
তারপর....... তারপর একরাশ কালো ধোঁয়া।
সকালে আমি চলে আসি,ঝড়
থেমে গেছে।বাহিরের
ঝড় মনের ঝড় সব ঝড় থেমে গেছে। এরপর
মাস
দুয়েক পর আমি নিজের মাঝে কিছু
পরিবর্তন লক্ষ
করলাম।আমি বুঝতে পারলাম
আমি নিজের
মাঝে আরেক জনকে
ধারন করছি।আমার সেই ঝড়ের রাতের
অনাকাঙ্ক্ষিত বীজ।
আমি আজাদ কে বললাম। আজাদ
নির্বিকার। ও
আমায় বিয়ে করতে পারবে না।আর
আমাকে আমার অনাগত সন্তান
কে মেরে ফেলার কথা বলল।
আমি রাজি হলাম
না।
তাই আজাদ আমায় ছেড়ে চলে গেল।
আমি একা হয়ে গেলাম।যখন
আজাদকে আমার
খুব প্রয়োজন ছিল ও তখন আমায়
ছেড়ে দিল।
ধীরে ধীরে আমার শরীরের পরিবর্তন
ঘটতে লাগল। আমার বান্ধবী রা সবাই
আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল।
আমি একসময় বাড়ি ফিরে গেলাম।কিন্তু
আমার
বাবা মাও আমায় ত্যাগ করল।সমাজ আমার
পরিবার কে এক ঘরে করে দিল।তাই
পরিবার
কে মুক্তি দিতে আমি আবার
শহরে ফিরলাম।
একটা বস্তিঘর ভাড়া করলাম
মাথা গোজার
ঠাই হলো। খাদ্যের যোগান
দিতে একটা স্কুলে আয়ার কাজ নিলাম।শুরু
হলো আরেক নতুন অধ্যায়।
আমি আর আমার অনাগত সন্তান যুদ্ধ
করতে লাগলাম।টিকে থাকার যুদ্ধ।
বেঁচে থাকার যুদ্ধ। যখন আমি খুব অসুস্ত
হয়ে পড়তাম নিজেই
নিজেকে সেবা করতাম।
যখন আর বাইরে কাজ
করতে যেতে পারলাম
না তখন আমি নিজের সামান্য
গহনা বিক্রি করে একটা সেলাই মেশিন
কিনে ঘরে বসেই কাপড় সেলাই করতাম
বস্তির
মানুষদের।আর সেই সামান্য টাকায় আমার
সব
প্রয়োজন মিটে যেত।
আর আমার সন্তান আমার মধ্য একটু একটু
করে বড় হতে লাগল।আমি ওর
নড়াচড়া অনুভব
করতাম।পেটে ব্যাথা হত কিন্তু সুখ হত এই
ভেবে যে ও আমার নাড়িছেঁড়া ধন।
আমার
রক্তমাংস ওকে বড় করে তুলছে।
আমার অস্তিত্ব ও।দিনরাত্রি আমি ওর
আগমনের
জন্য প্রতিক্ষা করতাম।
কখন আমার প্রাণ প্রদীপ দেখতে পাব যার
জন্য এতটা প্রহর অপেক্ষা করছি।যার জন্য
সবাই আমাকে ত্যাগ করল।
একদিন সেই ক্ষণ এলো।আমার কোল
আলো করে ও
জন্ম নিল।আমি হয়ে গেলাম
কুমারী মাতা।
আমি ওর চোখে নিজের স্বপ্ন বুনতাম।
আমার
ছেলে মানিক।আমার অন্ধকার জীবনের
আলো।
আমি নিজের রক্ত পানি করে ওকে বড়
করে তুললাম। আমার হাত ধরে ও
হাটতে শিখল।
ও কথা বলা শিখল। ও যখন
মা মা বলে আমায়
জড়িয়ে ধরত আমি সব সুখ নিজের হাতের
মুঠোয়
পেয়ে যেতাম।যখন ওর অসুখ করত আমি রাত
জেগে ওর শিয়রে বসে থাকতাম।
ওকে আমি সেই বিদ্যাপীঠ এ
পড়িয়েছি যেখানে আমি পড়তে চেয়েছিলাম।
মানিক যখন আমায় ওর বাবার কথা বলত
আমি বলতাম ওর বাবা মরে গেছে।
নপুংসক আজাদ কে আমি নিজের জীবন
থেকে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছিলাম।
আমার মানিক এখন মস্ত বড় অফিসার। অনেক
বড় চাকরি করে ও।শহরে ওর নিজের
চারটি ফ্লাট।
ওকে ভাল
মেয়ে দেখে বিয়ে দিয়েছিলাম।
মানিক এখন ঘোর সংসারী। মায়ের
প্রতি ক্ষুদ্রতম দায়িত্ব
সে মনে রাখতে পারে না।
তারপর........তারপর অনেক কথা। আর বলব না।
আমার ক্লান্তি লাগছে।আমি এখন
বৃদ্ধাশ্রম
এর একটা ঘরে থাকি।একার মত একা।সেই
প্রথম
যেমন ছিলাম।আমি এখনো অপেক্ষার প্রহর
গুনি।
তবে মানিকের জন্য নয়
মৃত্যুরদূতের জন্য।জীবন আমাকে কিছুই দিল
না।
শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা ছাড়া।
আমার ভুল কি জানেন?
আমি কুমারী মাতা।
এটাই ভুল।তাই অপেক্ষা করছি জীবনের
সীমানার বাইরে যেতে।
কি জানি কবে আসবে সেই অপেক্ষিত
ক্ষণ।..............(MS)..........
akta love story dilam .....ata amar best friend der
love story .....sobai comments korben kinto .......
তুমি আমাকে তোমার
জীবনথেকে সরিয়ে দিলে,সত্যি এতে তোমার
উপর আমার কোন রাগনেই।হয়তো আর দশজন
যেভাবে তাদেরভালবাসারমা
নুষটিকে বলে যে তুমি আমারজীবনটা নষ্টকরেছো ,
তুমি ধোঁকাবাজ।
হয়তো এগুলো ওবলতে পারবনা। আর কেনই
বা বলবো ?যেই
মুখটা দেখেইভালবাসা তৈরী হয়েছিল,যেই
মুখটা দেখলে আমি আমার সব
কষ্টভুলে যাই, যেইমুখটা স্বপ্নে দেখলেও
তখন ইখুশীতে হেসে উঠি,আর আজ
তুমি ছেড়ে গেছ
বলে সেইমুখটাকে রাগকরে এগুলো কেন
বলব ? আমারভালবাসাতো এতটা তুচ্ছ
ছিলনা।জানো সবচেয়ে কষ্ট হয় কখন ?
যখনতোমারসাথে কাটানো মূহুর্ত
গুলোরকথা মনে পরে। কতবারই
না promiseকরেছিলে যে আমাকে ছেড়ে যাবেনা ,কিন্তু
আজকোন কারণ
ছাড়াইতুমি এইভাবে আমাকে একা রেখে চলে গেলে? ?
তুমি তো জানতে যে তুমি ছাড়া আমারকেউনাই,তোমা
র উপর রাগ
করেওআমি কথা না বলে থাকতে পারিনা,তোমাকে না বলে খেতেও
পারিনা,তবে কেনআমাকে একা রেখে এইভাবে চলে গেলে।
কি দোষছিল আমার।
হয়তো এইলেখাটা তুমি পড়বে হয়তবা পড়বেনা।
তোমার মনে পড়ে?
যেদিনতুমি প্রথমআমার
হাতটা ধরেছিলে সেদিনঅনেকচখুশী হয়েছিলাম।
হয়তএটা জানোনা যে,তোমারচোখের
আড়াল
করে সেদিননীরবে আমি চোখেরপানি ফেলেছিলাম,তবে সেটা ছিলো খুশীতে।
তবে আজ
সেসবমনে পড়লে কেনো জানি খুশী হতে পারিনা।
নিজের অজান্তেই চোখ
দুটো ভিজে উঠে।তুমি যতই বলো তোমার
family problem,কিন্তুআ
মি জানি এটা মিথ্যা। আজ
হয়ততোমারবোনটি তোমাকে হয়তো কিছুবলেছে অথবা যে তোমারবেস্ট
ফ্রেন্ড - তার
মনরক্ষা করতে গিয়ে আমারসাথে সব
সম্পর্ক ছিন্ন করলে। কিন্তুতোমারবেস্ট
ফ্রেন্ড এর জীবনে যখন কোনমানুষআসবে।
সে কি তোমার জন্য তোমার জন্য
তখনতারভালবাসার মানুষটিকে ত্যাগ
করবে?করবেনা।কারণ ভালবাসার
মূল্যসে বুঝে তুমি বোঝোনা।
জানো এখনসারারাত কাঁদলেও কেউ
আরবলতে আসেনা যে "থামো প্লিজ"।
আরবলবেইবা কেন,আমি তো এই
দুনিয়ায়সবচেয়ে খারাপমানুষ।
জানো সেদিন ও অনেককেঁদেছিলাম,
যেদিন প্রথমবলেছিলে "i love u"। সেদিন
কাঁদারপেছনে ভয়ছিল কখন
না হারাতে হয়।
আমি বুঝতে পারিনি সেইভয়
এতো তাড়াতাড়ি আমার উপড় চড়াওহবে।
শুধুশেষে একটা কথাই বলবো,
ভালথাকিস,নিজেরযত্ন নিস।
কখনো যদি মনে হয়আমাকে ভালবাসা তোরউচিত
ছিলো তাহলে সেদিন একদমকাঁদিসনা,তু
ইকাঁদলে যে আমি ভাল থাকিনা।
আরতোকে কাঁদানোরজন্য
তো আমি ভালোবাসিনি।ভালো
থাক,সুখী হ।
পারলে ফিরে আসিস,অপেক্ষায়থাকবো।
আমার পরিচয় আর কি দিব, হয়ত
ব্যাথায়কুঁকড়ে যাওয়া কোন এক
"নষ্টছেলে"।.........(ms)
"ঠাস". . . তনয়ের
গালে কষে একটা চড়
মেরে দিল লিপি ।কারণ তনয়
তাকে প্রোপোজ করসে।
- লিপি, তোর পায়ে পড়ি প্লীজ,
আরেকটা চড় মার ।
লিপি ভাবল, একটা থাপ্পড়
খেয়ে বান্দরটার
শিহ্মা হয়নি ।তাই
আরেকটা মেরে দিল ।
ঠাস করে ।
-থ্যাঙ্কু দোস্ত ।
একটা মারলে আমার
বিয়ে হতনা । তাই
আরেকটা মারতে বললাম ।
দুটা মারলে বিয়ে হয় । আর
বিয়েটা কিন্তু
তোর সাথেই হবে ।
- তুই এত ফাজিল ক্যান?
আমি তোকে ভালবাসি না। আর
বিয়েতো দূরের কথা ।
-তোকে বাসতে হবে না ।
আমি বেসে যাব
। I
love u.. . . . তনয় আর লিপির পরিচয় হয়
কলেজ
থেকে । এখন
তারা একই ভার্সিটিতে পড়ে ।
দুজনের
বন্ধুত্বে যেমন
আছে খুনসুটি ঝগড়া তেমনি আছে হাসি কান্না ।
ক্যাফেটেরিয়া, আড্ডায় সব
জায়গায়
একসাথে দেখা যেত ।
অনেকে তাদের কাপল
ভাবলেও ভুল হবে না। যাই হোক,
আজ
তনয়
তাকে প্রপোস করেছে । কিন্তু
মেয়েটা না করে দিসে ।
কেন না করল তনয়
এটা বুঝতে পারেনা ।
***
রাতে ফেসবুকে লগিন করল লিপি।
তনয়ের
স্ট্যাটাস দেখতে পেল ।
তনয় লিখসে, "ফ্রেন্ডজ, খুব শীঘ্রই
আমার
বিয়ে হবে । আজ একটা মেয়ের
কাছে দুইটা থাপ্পড়
খেয়েছি ।
ফিলিং লুঙ্গি ড্যান্স"
লিপি হাসে । আচ্ছা পাগল!
সে স্ট্যাটাসের
কমেন্ট পড়তে শুরু করে ।
কমেন্ট গুলা এরকম :
1. দোস্ত পার্টি দে ।
2. আমার ভাগ্যে কবে এরকম
মেয়ে জুটবে?
3. দোস্ত একটা পেইনকিলার
খেয়ে নিস ।
থাপ্পড়ের
ব্যথা বড়ই জালা দেয় । আমিও
এককালে খাইসিলাম
তো. . . .
4. থাপ্পড় মারল কিডা ?
তনয় রিপ্লাই দেয়,
"যে মারসে সে এই
স্ট্যাসটা দেখবে এবং ফিচকি ফিচকি হাসবে ।
"
লিপি স্ট্যাটাস আর
কমেন্টগুলা পড়ে আসলেই
হাসছিল।সে একটা কমেন্ট
দিতে গিয়ে কি মনে করে দিল
না ।হুট
করে ল্যাপটপ অফ করে দিল ।
***
তনয় এখন টিউশনিতে । সে বারবার
ফেসবুকে ঢুকে চেক
করছে লিপি লাইক
কমেন্ট
কিছু দিসে কিনা!কিন্তু নাহ দেয়
নি ।
লিপিতো এরকম করার কথা না ।
- ভাইয়া দেখেন তো । এই
ক্যালকুলাসটা পারছি না ।
- আচ্ছা দাও বুঝিয়ে দি ।
- আপনি কি চিন্তিত?
- কই নাতো ।
- আপনার গাল লাল মনে হচ্ছে!
ব্যাপার
কি?
- ও কিছুনা আপু । বান্ধবী চড়
মারসে ।
- হায় হায়! কেন?
- প্রপোজ করসি তাই । ঠাস
করে মেরে দিসে ।
- হিহি । ব্যাপার না । প্রথম প্রথম
ইগনোর করে ।
- হুম সেটাই তো দেখছি ।
কি করি বলোতো?
- কিছুদিন অন্য মেয়ের
সাথে ঘুরেন ।
আপুর
চোখে যাতে পড়ে । আপু তখন
জলবে আর
বিষ
দৃষ্টিতে তাকাবে ।
- ওয়াও বেশ ভাল আইডিয়া ।
তো তুমি আমার
সাথে ঘুর কিছুদিন!
- আমি?? না না । আমি পারবনা।
- আরে কিছু হবে না । চল একদিন ।
- বেশ । কলেজ
ফাঁকি দিয়ে আপনাদের
ক্যাম্পাসে ঘুরে আসব।
***
- লিপি, বিকেলে সময়
দিতে পারবি?
- কোথায় যাবি?
- মার্কেটে ।
- তুই যা । আমার টাইম নাই ।
- দেখ লিপি তুই আগে কখনোই
অজুহাত দিতি না । আমার
সাথে ইদানিং এরকম করিস ক্যান?
- ধুর ছাই ! আগে যেরকম ছিলাম
এখনও
সেরকম
আছি । এখন যায় । কাজ আছে ।
***
তনয় আর নিধিকে কিছুদিন
ধরে ক্যাম্পাসে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে ।
নিধি ওর
ছাত্রী । তনয়ের কাছের
বন্ধুরা ব্যাপারটা জানে ।
লিপি হাসানের
কাছে গিয়ে বলে, "দ্যাখ
হাসান, তনয়
কি একটা ল্যাছড়া মেয়ের
সাথে ঘুরছে! সহ্য
হয়?"
হাসান বলে, "ল্যাছড়া হবে কেন?
অনেক স্মার্ট । বেশ
মানাচ্ছে দুজনকে!"
লিপি ভাবে, "আসলেই
তো মেয়েটা ল্যাছড়া না!
তাইলে কি তনয় ওর সাথে. . . "
না না লিপি কি ভাবছে এসব!!
***
তনয় আর
নিধি ক্যাফেটেরিয়াতে চা সমুচা খাচ্ছে।
দুজন
মিলে বেশ আড্ডা দিচ্ছে ।
লিপি আড়চোখে ব্যাপারগুলা খেয়াল
করে ।
- ঐ তনয়, বিকেলে তোর সময় হবে?
নিধি বলে, "আপু বসেন । কফির
অর্ডার
দি ।"
- ধুর ছাই! রাখো তোমার কফি! তনয়
তোর
সময় হবে ?
- কই যাবি ?
- মার্কেটে ।
- তুই যা । আমার টাইম নাই ।
- দেখ তনয়, তুই আগে কখনোই অজুহাত
দিতি না। আমার
সাথে ইদানিং এরকম করিস ক্যান?
- ধুর ছাই ! আগে যেরকম ছিলাম
এখনও
সেরকম আছি । এখন
যাতো এখান থেকে!
- আচ্ছা গেলাম । লিপি রাগ
করে চলে যায়
।
নিধি বলে, "দেখসেন ভাইয়া , আপু
জলছে ।"
- হেহে । বেশ জলছে ।
***
রাতে তনয় রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস
চেন্জ
করে দেয়।ITS COMPLICATED..
লিপি এটা দেখে কেদে দেয় ।
তনয়কে কল
দেয়
সে ।
- হ্যা লিপি বল ।
- ঐ মেয়েটা কে? তুই
ওকে ভালবাসিস?
- জানিনা । শুন আমার বিয়ের
বাজার
কিন্তু
তোকেই করতে হবে । তোর
চয়েস ভাল ।
লিপি এবার
আরো জোরে কেদে দেয়।
- কিরে কাদিস ক্যান? বিয়ের
বাজার
করতে বলসি। আগুনে ঝাপ
দিতে তো বলি নাই।
- তনয়, তোকে ভালবাসি ।
- হুম জানি । তো সেদিন বলিস
নাই
ক্যান!?
-
আরে ঐটা এমনি মজা করেসিলাম
।
জানতাম নাকি তুই
আরেক মেয়ের পাল্লায় পড়বি?
- হেহে । আমি আবার কম কিসে?
নিধি আমার ছাত্রী। এতদিন
অভিনয়
করসি ।
- কি? তুই এত বদমাস ক্যান?
সামনে থাকলে থাপরাই গাল
লাল
করে দিতাম
তোর।
- চুপ থাক । বিয়ের বাজার কিন্তু
তোকেই
করতে হবে ।
- আবার শুরু করলি?
- আরে বাবা আমাদের বিয়ের
বাজার!
আমার
আম্মা তোকে বেশ পছন্দ করে ।
***
আজ ওদের ইয়ের রাত । ইয়ের রাত
মানে বাসর রাত আর কি!
তনয় স্ট্যাটাস দেয়,
"FRNDZ আজ আমাদের ইয়ের রাত ।
ইয়ের
রাতমানে ইয়ের রাত আর কি!
দুয়াপ্রার্থী ।"
বন্ধুরা কমেন্ট দেয়, "দুয়া করি ইয়ের
রাতে বউ যেন
তোরে থাপ্পড় না মারে ।"
লিপি হাসির ইমো দিয়ে কমেন্ট
করে,
"নাহ
আজ থাপ্পড় দিব না । আজ
ওকে এতগুলা পাপ্পি দিব"
এই কমেন্টে অনেক অনেক লাইক
পড়ে ।
তনয় হাসে । লিপিও হাসে ।
ঐদিকে বন্ধুরাও
হাসে এই
খুনসুটি ভালবাসা দেখে ।
কাক
বাংলাদেশ ও বিশ্ব মিডিয়ায়
আজকের প্রধান প্রধান শিরোনাম :-
‘বাংলাদেশর নিবার্চনে মৃত্যু’-
আজজাজিরা l
ভোট কেন্দ্রগুলোকে ‘মরুভূমি’
বলেছে -বিবিসি।
মিরপুরের একটি কেন্দ্রে ২৪ হাজার
দালিলিক ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই
ঘণ্টায় মাত্র ২৫টি ভোট পড়েছে । -
অ্যাসেসিয়েট প্রেস (এপি)l
বিশ্বখ্যাত ফরাসি সংবাদ
সংস্থা ‘এএফপি’ তাদের সংবাদ
শিরোনাম করেছে, কেন্দ্রে আগুন ও
পুলিশি আক্রমণের মধ্য
দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ।
সকালে ভোট কেন্দ্রগুলো খোলার
পর সেখানে ভোটারদের
কোনো লাইন দেখা যায়নি বলেও
উল্লেখ করে তারা। ...
মন্ত্রী বাবার নৌকায় একাই
দিলেন ৪৭৫ ভোট - আরটিএনএন l
খাঁ খাঁ ভোটকেন্দ্র, ভোটারের
প্রতীক্ষায় কর্মকর্তারা - আরটিএনএন l
লালমনিরহাটের ৩১
কেন্দ্রে কোনো ভোট পড়েনি -
শীর্ষ নিউজ l
ইলিয়াস আলীর বাড়ির
কেন্দ্রে কেউ ভোট দিতে যায়নি -
মানবজমিন l
ভোটার
বেশি দেখাতে আওয়ামীলীগ
নেতা কর্মীদের লাইন -
বাংলানিউজ ২৪.কম l
ব্যালটে সিল মারার
অভিযোগে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আটক।
- বিডিনিউজ ২৪.কম l
ভোটার নেই, তবু ভোট পড়েছে ৯০
ভাগ ! - প্রথম আলো।
দশম সংসদ নির্বাচন :
দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। ৫ জানুয়ারী সকাল ৮টা থেকে শুরু ভোট গ্রহন। কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন ১৫৩ জন প্রার্থী। মোট প্রতিদ্বন্দিতা হবে ১৪৭ আসনে। ১২টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করছে নির্বাচনে।
মেসির প্রথম কোচঃ
''মেসি অনেক বেশি বিস্কুট খেতে পছন্দ করতো। এই কারনে একবার আমি মেসিকে বললাম, প্রতিটি গোলের জন্য তোমায় ১টি করে বিস্কুট দেওয়া হবে! মেসি বিস্কুটের জন্য অনেক বেশি গোলের চেস্টা করতো। মাঝে মাঝে সে গোল করতে না পারলেও আমি তাকে অনেকগুলো বিস্কুট দিতাম"
''মেসি হেড দিয়ে গোল করতে পারতোনা, কারণ হরমজনিত সমস্যায় সে অনেক খাটো ছিলো। একদিন বললাম, হেড দিয়ে একটি গোল করতে পারলে তোমায় দুটি করে বিস্কুট দেওয়া হবে। সে এটার জন্যে অনেক চেষ্টা করতে লাগলো কিন্তু পারছিলো না। সে চেষ্টা চালিয়ে গেলো।"
"অত ছোট বয়সে সে এতটাই চালাক ছিলো যে, এরপর সে সবাইকে কাটিয়ে বল যখন জালের কাছে নিয়ে যেতো, তখন বল উপরে তুলতো এবং হেডে গোল করতো!''
জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার পাশের হার ৮৯.৩৪ শতাংশ।
দুপুর ২টার পর ফলাফল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী.....
নুরুল ইসলাম নাহিদ।
এক আসামিকে আদালতে হাজির করা হলো জজ সাহেবের সামনে|
জজ সাহেব তাকে তার দোষ সম্পর্কে জিগ্গেস করলে..............
আসামী নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে এবং
একটি ডায়রি জজ সাহেবের কাছে দিয়ে বলে যে,
এই ডায়রি পড়লে জজ সাহেব বুঝতে পারবেন যে সে নির্দোষ|
জজ সাহেব ডায়রি খুলে দেখলেন ডায়রিতে কায়দা
করে ৫০ হাজার টাকা রাখা আছে|
তখন তিনি মুখ গম্ভীর করে বললেন,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
তোমাকে নির্দোষ প্রমান করতে হলে এরকম আরো ৩ টা ডায়রি লাগবে!!!!
:M
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Malibugh
Dhaka
3500