The IncomeTax.com

The IncomeTax.com

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The IncomeTax.com, Tax Lawyer, Dhaka.

আয়কর সম্পর্কে যেসব তথ্য না জানলেই নয় 12/11/2018

আয়কর সম্পর্কে যেসব তথ্য না জানলেই নয় বাংলাদেশে অনেকেই মনে করেন আয়কর দিতে গিয়ে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়, হিমসিম খেতে হয়। জেনে নিন আয়কর সম্পর্কে নান...

বাংলাদেশ দখলের হুমকি, হিন্দু পরিষদের সাইট হ্যাক করলো সাইবার ৭১ 20/07/2018

বাংলাদেশ দখলের হুমকি, হিন্দু পরিষদের সাইট হ্যাক করলো সাইবার ৭১ বাংলাদেশ দখল করে নেয়ার হুমকি দেয়ায় ভারতের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) ওয়েবসাইট হ্যাকড করেছে ‘সাইবার ৭১’ নামের...

ফেইসবুক গুগল ইউটিউবকেও কর দিতে হবে 07/06/2018

এবার ফেইসবুক গুগল ইউটিউবের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের আয়ের ৩৫ শতাংশ উৎসে কর দিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ কালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রচুর আয় করছে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমরা তেমন একটা কর পাচ্ছিনা। ভার্চুয়াল ও ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টি তুলনামূলক নতুন বিধায় এসব লেনদেনকে করের আওতায় আনার মতো পর্যাপ্ত বিধান এতদিন আমাদের কর আইনে ছিল না।’

‘ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদির বাংলাদেশে অর্জিত আয়ের উপর করারোপনের জন্য আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার আলোকে প্রয়োজনীয় আইনী বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হলো।’

ফেইসবুক গুগল ইউটিউবকেও কর দিতে হবে এবার ফেইসবুক গুগল ইউটিউবের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের আয়ের ৩৫ শতাংশ উৎসে কর দিতে হবে... 

বহুস্তর রেখেই ভ্যাটে বড় পরিবর্তন আসছে 05/06/2018

বহুস্তর রেখেই ভ্যাটে বড় পরিবর্তন আসছে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাটে দুই স্তরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। বহুস্তর বহাল রেখেই নতুন অর্থবছরের বাজ....

Photos 02/06/2018

আয়কর রেয়াত পেতে কোথায় বিনিয়োগ করবেন?

www.facebook.com/TheincomeTaxbd
===============================

আপনি জানেন কি সঠিকভাবে বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়?এবং এর ফলে আপনার আয়কর অনেকাংশে হ্রাস পেতে পারে?
তবে এই আয়কর রেয়াত পেতে হলে আপনাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত কিছু খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।
এর জন্য চাই সঠিক ট্যাক্স প্ল্যানিং। ট্যাক্স প্ল্যানিং এর ফলে আয়কর একদিকে যেমন হ্রাস পায় তেমনি অন্যদিকে বিনিয়োগের অংক বৃদ্ধি পায়।
কিন্তু সেজন্য আপনাকে জানতে হবে কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনি তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন।
কোথায় বিনিয়োগ করবেন?
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ষষ্ঠ সিডিউল পার্ট-বি, ধারা ৪৪ (২) (বি) অনুযায়ী একজন ব্যাক্তি করদাতা কোথায় বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে। সঠিকভাবে না জানার কারনে অনেকেই আয়কর বেশি দিয়ে থাকেন। আয়কর আইনে সরকার করদাতাদের যে সুবিধা দিয়ে রেখেছে তা জেনে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
আপনি মাস শেষে খরচ করে অবশিষ্ট টাকা হয়তো আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রেখে দেন। সেটা হতে পারে সঞ্চয়ী হিসাব বা চলতি হিসাব।
আবার বছর শেষে এই টাকা যখন জমে একটা বড় অংক হয় তখন হয়তো স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দেন।এখানে আপনি বিনিয়োগ ঠিকই করেছেন এবং সেখান থেকে আপনি মাস শেষে বা বছর সেষে একটা রিটার্নও পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রতি বছর যে আপনি আয়কর দিচ্ছেন সেটা কমাতে পারতেন যদি আপনি সেই বিনিয়োগকৃত টাকাটা সঠিক খাতে বিনিয়োগ করতেন।
তাহলে চলুন জেনে নেই কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনার আয়কর কমবেঃ
পুজি বাজারে নিবন্ধিত কোন শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড অথবা ডিবেঞ্চার
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত ট্রেজারি বন্ড
কোন সিডিউল ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ বাৎসরিক ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিপিএস
জীবন বীমা প্রিমিয়াম (বাৎসরিক মোট বীমাকৃত অংকের সর্বোচ্চ ১০%)
রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সেভিংস সার্টিফিকেট
একটা ডেস্কটপ কম্পিউটার (সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা) অথবা একটা ল্যাপটপ কম্পিউটার (সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা)
স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডে কন্ট্রিবিউশন ইত্যাদি।
এতো গেলো নিজের জন্য বা পরিবারের সদস্যদের জন্য ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়। কিন্তু এর বাইরে অনেকেই সমাজ সেবামূলক কাজ করে আনন্দ পান।আর্থিক সুবিধার কথা বাদ দিয়ে সমাজের মানুষের উপকার করাটাই তাদের আসল উদ্দেশ্য।
কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মানুষকে সমাজ সেবামূলক কাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য কিছু ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াতের সুবিধা দিয়েছেন।আপনি উল্লেখিত সেই সব খাতে অনুদান দিয়ে আয়কর রেয়াত নিতে পারেন।
কোথায় অনুদান দিবেন?
আপনি যদি আয়কর রেয়াত পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে রাজস্ব বোর্ড স্বীকৃত বা অনুমোদিত ফান্ডে বা প্রতিষ্ঠানে আপনাকে অনুদান দিতে হবে।কেবল তখনই আপনি সেই দানকৃত অর্থের উপর আয়কর রেয়াত দাবি করতে পারবেন।
উপরে বর্ণিত সিডিউলে কোন কোন খাতে দান করলে আপনার দান আয়কর রেয়াতযোগ্য হবে এবার চলুন সেগুলো জেনে নেই।
কোন দাতব্য চিকিৎসালয় যেটা সিটি কর্পরেশনের বাইরে অবস্থিত। তবে সেখানে অনুদানকৃত টাকা অবশ্যই সেই চিকিৎসালয় স্থাপনের এক বছর পরে হতে হবে।
সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের অনুমোদিত কোন প্রতিষ্ঠান যেটা প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের এক বছর পরে অনুদানকৃত টাকা হতে হবে।
যাকাত ফান্ড অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যাকাত ফান্ডে অনুদানকৃত টাকা।
বাংলাদেশে আগা খান উন্নয়ন কর্মসূচী-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত কোন আর্থ-সামাজিক বা সাংস্কৃতিক উন্নয়নমূলক পতিষ্ঠানে দানকৃত টাকা।
সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
জাতির পিতার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি, উপরে বর্ণিত খাতে বিনিয়োগের পূর্বে জেনে নিন অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদিত। তা না হলে আপনি সমাজের উপকার ঠিকই করেছেন। কিন্তু আপনি আয়কর রেয়াত পাবেন না।
যেমন অনেকেই মসজিদ-মাদ্রাসায়, এতিমখানায় দান করে থাকেন। সেখানে কেউ আয়কর রেয়াতের কথা চিন্তা করে করেন না।
তারা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের আশায় করে থাকেন।মোট কথা হলো আপনি কি উদ্দেশ্যে করতে চাচ্ছেন তা অর্জন করতে পারছেন কিনা সেটাই আসল কথা।
কতো টাকা বিনিয়োগ সুবিধা পাবেন?
ধারা ৪৪ (২) (বি) এবং (সি) অনুযায়ী আপনি কতো টাকা বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে।
তবে আপনি এর উপরে বিনিয়োগ করতে পারবেন না সে ধরনের কোনো বাধা নেই। সেক্ষেত্রে আপনি সেই বিনিয়োগকৃত টাকার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন না।
উল্লেখিত তিনটি অংক হলোঃ
১. আপনার মোট করযোগ্য আয়ের ২৫% (কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া)
২. দেড় কোটি টাকা
৩. আপনার প্রকৃত বিনিয়োগকৃত টাকা
উপরে উল্লেখিত তিনটি অংকের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম হবে তার উপরই আপনি আয়কর রেয়াত পাবেন।
আপনার ন্যূনতম কতো টাকা বিনিয়োগ করতে হবে সেটা আয় বর্ষ শেষ হওয়ার আগেই জানতে হবে। আপনি যদি আগে থেকে না জানেন তাহলে অনেক সময় আপনি যে পরিমান বিনিয়োগ সুবিধা পেতেন তা থেকে কম পেতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনি যদি আগে থেকেই আয়কর দিয়ে থাকেন তাহলে গত বছরের মোট করযোগ্য আয়কে ভিত্তি ধরে সারা বছর ধরে বিনিয়োগ করে যেতে পারেন।
বছর শেষের দিকে এসে আনুমানিক আপনার কতো মোট করযোগ্য আয় হতে পারে সে হিসেব করে বিনিয়োগের পরিমান কমাতে বা বাড়াতে পারেন।
আর যারা নতুন আয়কর দিতে যাচ্ছেন তারাও সারা বছর কতো আনুমানিক আয় হতে পারে সে মতো বিনিয়োগ করতে পারেন। এবং বছর শেষে দরকার মতো বিনিয়োগ কমাতে বা বাড়াতে পারেন।
কতো আয়কর রেয়াত পাবেন?
২০১৫-১৬ আয় বর্ষের আগে বিনিয়োগযোগ্য অংকের উপর সরাসরি ১৫% হারে আয়কর রেয়াত পেতেন করদাতাগণ।কিন্তু ২০১৫-১৬ থেকে বিনিয়োগকৃত টাকাকে তিনটি ভাগে ভাগ করে তিনটি হার নির্ধারণ করে দিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তিনটি হার হলোঃ
১. প্রথম ২,৫০,০০০ টাকার উপর ১৫%
২. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১২%
৩. অবশিষ্ট বিনিয়োগকৃত টাকার উপর ১০%
অর্থাৎ আপনি উপরে উল্লেখিত হারে আয়কর রেয়াত পাবেন যেটা চূড়ান্তভাবে আপনার মোট আয়কর থেকে বাদ যাবে।
বাদ দিয়ে যেটা থাকবে সেটাই আপনাকে আয়কর হিসেবে জমা দিতে হবে।
তবে আপনি যদি আগে উৎসে কর দিয়ে থাকেন তাও বাদ যাবে। এসব বাদ যাওয়ার পর যা থাকবে কেবল সেটাই আপনাকে আয়কর হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-কে দিতে হবে।
তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
The IncomeTaxbd
পরামর্শক,
আয়কর, মূসক ও কোম্পানী আইন
মোবাইলঃ ০১৫৭১-৭৭৭২৬৭
ইমেইলঃ [email protected]

Photos 16/05/2018

আপনি কি আয়করের আওতায় পড়েন ?
জানতে হলে পড়ুন...
আয়কর রিটার্ন কারা দাখিল করবেন

ব্যক্তি (individual) করদাতার আয় যদি বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হয় তাকে রিটার্ন দিতে হবে। আর মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতার আয় যদি বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি, প্রতিবন্ধী করদাতার আয় যদি বছরে ৪ লাখ টাকার বেশি এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় বছরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার বেশি হয় তাহলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আয়ের পরিমাণ যাই হোক না কেন, ব্যক্তি করদাতাকে সংশ্লিষ্ট আয় বছরের জন্য আবশ্যিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

(ক) যদি করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে।
(খ) পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোন বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকে বা তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে।
(গ) করদাতা যদি-
১. কোন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার employee হয়ে থাকেন।
২. কোন ফার্মের অংশীদার ।
৩. সরকার অথবা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোন আইন আদেশে বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোন কর্তৃপক্ষ। করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের কর্মচারি (employee) হয়ে আয় বছরের যেকোন সময় ১৬০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ মূল বেতন আহরণ করে থাকেন।
৪. কোন ব্যবসায় বা পেশায় নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে (যে নামেই অভিহিত হোক না কেন) বেতনভোগী কর্মী(Employee)হন।
(ঘ) আয় বছরে করদাতার আয় কর অব্যহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য হয়ে থাকে।
(ঙ) যদি আয় বছরের কোন এক সময়ে নিম্নবর্ণিত শর্তের যে কোনটি করদাতার জন্য প্রযোজ্য হয়-
১. মোটর গাড়ির মালাকানা থাকা (মোটর গাড়ি বলতে জিপ বা মাইক্রোবাসকেও বুঝাবে)।
২. মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ থাকা।
৩. কোন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদ হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোন ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা।
৪. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার নিবন্ধন থাকা।
৫. আয়কর পেশাজীবী (income tax practioner)) হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিবন্ধন থাকা।
৬. কোন বণিক বা শিল্প বিষয়ক চেম্বার বা ব্যবসায়িক সংঘ বা সংস্থার সদস্যপদ থাকা।
৭. পৌরসভা, সিটি করপোরেশনের কোন পদে বা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়া।
৮. সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা স্থানীয় সরকারে কোন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করা্।
৯. কোম্পানির বা কোন গ্রুপ অব কোম্পানিজের পরিচালনা পর্ষদে থাকা।

তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

IncomeTax.com
পরামর্শক,
আয়কর, মূসক ও কোম্পানী আইন
মোবাইলঃ ০১৫৭১ ৭৭৭২৬৭
ইমেইলঃ http://nbr.gov.bd/uploads/publications/NIRDESHIKA_2017-18.pdf

Photos 16/05/2018

আপনি কি আয়করের আওতায় পড়েন ?
জানতে হলে পড়ুন...
আয়কর রিটার্ন কারা দাখিল করবেন

ব্যক্তি (individual) করদাতার আয় যদি বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হয় তাকে রিটার্ন দিতে হবে। আর মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতার আয় যদি বছরে ৩ লাখ টাকার বেশি, প্রতিবন্ধী করদাতার আয় যদি বছরে ৪ লাখ টাকার বেশি এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় বছরে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার বেশি হয় তাহলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আয়ের পরিমাণ যাই হোক না কেন, ব্যক্তি করদাতাকে সংশ্লিষ্ট আয় বছরের জন্য আবশ্যিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

(ক) যদি করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে।
(খ) পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোন বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকে বা তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে।
(গ) করদাতা যদি-
১. কোন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার employee হয়ে থাকেন।
২. কোন ফার্মের অংশীদার ।
৩. সরকার অথবা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোন আইন আদেশে বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোন কর্তৃপক্ষ। করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের কর্মচারি (employee) হয়ে আয় বছরের যেকোন সময় ১৬০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ মূল বেতন আহরণ করে থাকেন।
৪. কোন ব্যবসায় বা পেশায় নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে (যে নামেই অভিহিত হোক না কেন) বেতনভোগী কর্মী(Employee)হন।
(ঘ) আয় বছরে করদাতার আয় কর অব্যহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য হয়ে থাকে।
(ঙ) যদি আয় বছরের কোন এক সময়ে নিম্নবর্ণিত শর্তের যে কোনটি করদাতার জন্য প্রযোজ্য হয়-
১. মোটর গাড়ির মালাকানা থাকা (মোটর গাড়ি বলতে জিপ বা মাইক্রোবাসকেও বুঝাবে)।
২. মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ থাকা।
৩. কোন সিটি করপোরেশন, পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদ হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোন ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা।
৪. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার নিবন্ধন থাকা।
৫. আয়কর পেশাজীবী (income tax practioner)) হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিবন্ধন থাকা।
৬. কোন বণিক বা শিল্প বিষয়ক চেম্বার বা ব্যবসায়িক সংঘ বা সংস্থার সদস্যপদ থাকা।
৭. পৌরসভা, সিটি করপোরেশনের কোন পদে বা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়া।
৮. সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা স্থানীয় সরকারে কোন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করা্।
৯. কোম্পানির বা কোন গ্রুপ অব কোম্পানিজের পরিচালনা পর্ষদে থাকা।

তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

IncomeTax.com
পরামর্শক,
আয়কর, মূসক ও কোম্পানী আইন
মোবাইলঃ ০১৫৭১ ৭৭৭২৬৭
ইমেইলঃ http://nbr.gov.bd/uploads/publications/NIRDESHIKA_2017-18.pdf

Want your business to be the top-listed Finance Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka