Abdur Rahman Rafi
প্লিজ,সবাই Like,Follow দিয়ে সাথে থাকুন🤎💙
11/03/2026
মুজতবা আলী খামেনি💥
07/03/2026
রাসুল (সা.) বিখ্যাত নারী সাহাবি উম্মে সালমা (রা.)-কে বলেছিলেন, তোমাদের কেউ কি এতে খুশি নয় যে সে যখন স্বামীর পক্ষ থেকে গর্ভবতী হয় এবং স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্টও থাকে, তখন (এই গর্ভকালীন) সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বদা রোজা পালনকারী ও সারা রাত নফল ইবাদতকারীর মতো সওয়াব পেতে থাকবে। তার যখন প্রসব ব্যথা শুরু হয়, তখন তার জন্য নয়ন শীতলকারী কী কী নিয়ামত লুকিয়ে রাখা হয়, তা আসমান-জমিনের কোনো অধিবাসীই জানে না। সে যখন সন্তান প্রসব করে, তখন তার দুধের প্রতিটি ফোঁটার পরিবর্তে একটি করে নেকি দেওয়া হয়।
এ সন্তান যদি কোনো রাতে তাকে জাগিয়ে রাখে (অসুখ ইত্যাদির কারণে বিরক্ত করে মাকে ঘুমানে না দেয়) তাহলে সে আল্লাহর পথে নিখুঁত ৭০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে।
[তাবরানি, হাদিস: ৬৯০৮]
06/03/2026
🌼 স্ত্রীর নিকটে স্বামীর হকঃ
স্বামীর উপরে স্ত্রীর যেমন হক আছে, তেমনি স্ত্রীর উপরেও স্বামীর হক আছে। স্ত্রী এসব হক বা অধিকার যথাযথভাবে আদায় করলে সংসার সুখের হবে। তাদের মাঝে কখনো কোন অশান্তি বাসা বাঁধতে পারবে না। নিম্নে কয়েকটি হক উল্লেখ করা হ’ল।-
১. স্বামীর অপসন্দনীয় কাউকে বাড়ীতে প্রবেশ করতে না দেওয়া :
স্বামী অপসন্দ করে এমন কোন লোককে বাড়ীতে বা নিজের কাছে প্রবেশ করতে দেওয়া স্ত্রীর জন্য উচিত নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন,وَلَكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لاَ يُوْطِئْنَ فُرُشَكُمْ أَحَدًا تَكْرَهُوْنَهُ– ‘তাদের প্রতি তোমাদের অধিকার এই যে, তোমরা যাদেরকে পসন্দ কর না তারা যেন সেসব লোককে দিয়ে তোমাদের বিছানা না মাড়ায়’।[2] অন্যত্র তিনি বলেন, وَلاَ تَأْذَنَ فِى بَيْتِهِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، ‘স্বামীর অনুমতি ব্যতীত অন্য কাউকে তার গৃহে প্রবেশ করতে দেবে না’।[1]
২. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল ছিয়াম না রাখা :
স্বামী উপস্থিত থাকাবস্থায় তার অনুমতি ব্যতীত নফল ছিয়াম রাখা স্ত্রীর জন্য বৈধ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন,لاَ يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُومَ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، ‘যখন স্বামী উপস্থিত থাকবে, তখন স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলার জন্য (নফল) ছিয়াম পালন করা বৈধ নয়’।[3]
৩. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত বাড়ীর বাইরে না যাওয়া :
নারীর কাজ বাড়ীর ভিতরে। তাই বাড়ীর অভ্যন্তরে অবস্থান করা তার কর্তব্য। আল্লাহ বলেন,وَقَرْنَ فِيْ بُيُوْتِكُنَّ وَلاَ تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى ‘আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে। প্রাচীন জাহেলী যুগের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না’ (আহযাব ৩৩/৩৩)। কোন যরূরী প্রয়োজনে তাকে বাড়ীর বাইরে যেতে হ’লে স্বামীর অনুমতি নিয়ে যেতে হবে এবং শারঈ পর্দা বজায় রেখে যেতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তুমি মুমিন নারীদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান সমূহের হেফাযত করে। আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তবে যেটুকু স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় সেটুকু ব্যতীত। আর তারা যেন তাদের মাথার কাপড় বক্ষদেশের উপর রাখে’ (নূর ২৪/৩১)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, إِنَّهُ قَدْ أُذِنَ لَكُنَّ أَنْ تَخْرُجْنَ لِحَاجَتِكُنَّ ‘আল্লাহ প্রয়োজনে তোমাদেরকে বাইরে যাবার অনুমতি দিয়েছেন’।[4]
স্বামীর বিনা অনুমতিতে বাড়ীর বাইরে, পিতার বাড়ী, বোনের বাড়ী, মার্কেট বা অন্য কোথাও না যাওয়া পতিভক্তির পরিচায়ক। এমনকি ছালাত আদায়ের জন্য মসজিদে গেলেও স্বামীর অনুমতি নিতে হবে। মায়ের কোল ছেড়ে বাইরে গেলে যেমন শিশু ঝড়-বৃষ্টি, শীত-গ্রীষ্ম প্রভৃতি দুর্যোগে নিজেকে বিপদে ফেলে, মুরগীর কোল ছেড়ে বাচ্চারা দূরে গেলে যেমন বিভিন্ন হিংস্র প্রাণীর হামলার শিকার হয়, ঠিক তেমনি নারীও স্বামীর নির্দেশ উপেক্ষা করে একাকী বাইরে গেলে নানাবিধ দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আশংকা থাকে।
ধর্ম-কর্ম ও নৈতিকতাকে কবর দিয়ে অনেক উচ্চশিক্ষিতা মহিলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে মোটা অংকের টাকা উপার্জন করে। স্বামীর তোয়াক্কা না করে পার্থিব সুখ ভোগ করা বস্ত্তবাদী ও পরকালে অবিশ্বাসীদের বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে ধর্মীয় নির্দেশ পালন ও নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখে পার্থিব কর্তব্য পালন করা পরকালে বিশ্বাসী মুসলিম নারীর একমাত্র বৈশিষ্ট্য। কারণ মুসলমানের মূল লক্ষ্য হ’ল পরকালীন মুক্তি। মুসলিম দু’দিনের সুখস্বপ্নে বিভোর হয়ে পরকাল হারাতে রাযী নয়। সে চায় চিরস্থায়ী আবাস ও অনন্ত সুখের ঠিকানা জান্নাত। এজন্যই নবী করীম (ছাঃ) দো‘আ করতেন,وَلاَ تَجْعَل الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلاَ مَبْلَغَ عِلْمِنَا ‘দুনিয়াকে আমাদের বৃহত্তম চিন্তার বিষয় ও আমাদের জ্ঞানের শেষ সীমা (মূল লক্ষ্য) করে দিও না’।[5]
৪. স্বামীকে সম্মান করা ও তার অনুগত থাকা :
স্ত্রীর কাছে স্বামী অতি সম্মান ও মর্যাদার পাত্র। তার সম্মানের কথা হাদীছে এভাবে উল্লিখিত হয়েছে,لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللهِ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِى نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لاَ تُؤَدِّى الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّىَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِىَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ- ‘যদি আমি কাউকে নির্দেশ দিতাম আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে সিজদা করার, তাহ’লে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করার জন্য। যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ তাঁর কসম! কোন নারী তার প্রতিপালকের হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার স্বামীর হক আদায় করেছে। সওয়ারীর পিঠে থাকলেও স্বামী যদি তার মিলন চায়, তবে সে বাধা দিতে পারবে না’।[6] অন্যত্র তিনি বলেন,حَقُّ الزَّوْجِ عَلَى زَوْجَتِهِ، أَنْ لَوْ كَانَتْ قَرْحَةٌ فَلَحَسَتْهَا مَا أَدَّتْ حَقَّهُ ‘স্ত্রীর কাছে স্বামীর এরূপ হক আছে যে, স্ত্রী যদি স্বামীর দেহের ঘা চেটেও থাকে তবুও সে তার যথার্থ হক আদায় করতে পারবে না’।[7]
তাই স্বামীর শরী‘আত সম্মত সকল কাজে সহযোগিতা করা এবং তার বৈধ নির্দেশ মেনে নেওয়া স্ত্রীর জন্য আবশ্যক। আল্লাহ বলেন,فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللهُ– ‘অতএব সতী-সাধ্বী স্ত্রীরা হয় অনুগত এবং আল্লাহ যা হেফাযত করেছেন, আড়ালেও (সেই গুপ্তাঙ্গের) হেফাযত করে’ (নিসা ৪/৩৪)। আর স্বামীর আনুগত্যে অশেষ ছওয়াব রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন,الْمَرْأَةُ إِذَا صَلَّتْ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَأَحْصَنَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا فَلْتَدْخُلْ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَتْ– ‘মহিলা তার পাঁচ ওয়াক্তের ছালাত আদায় করলে, রামাযানের ছিয়াম পালন করলে, লজ্জাস্থানের হিফাযত করলে ও স্বামীর আনুগত্য করলে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে’।[8]
[1]. মুসলিম হা/১২১৮; ইবনু মাজাহ হা/১৮৫১; মিশকাত হা/২৫৫৫।
[2]. বুখারী হা/৫১৯৫; মুসলিম হা/১০২৬; মিশকাত হা/২০৩১।
[3]. বুখারী হা/৫১৯৫; মুসলিম হা/১০২৬; মিশকাত হা/২০৩১।
[4]. বুখারী হা/৪৭৯৫; মুসলিম হা/২১৭০।
[5]. তিরমিযী হা/৩৫০২; মিশকাত হা/২৪৯২, সনদ হাসান।
[6]. ইবনু মাজাহ হা/১৮৫৩; ছহীহাহ হা/১২০৩।
[7]. ছহীহুল জামে‘ হা/৩১৪৮; আত-তালীকুল হাসান, হা/৪১৫২।
[8]. মিশকাত হা/৩২৫৪, সনদ ছহীহ।
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না।
🚨আ,র,ব দেশগুলোতে মার্কিন ঘাটি। বিশ্বের পরাশক্তিধর দেশের ঘাটি থাকা মানেই নিরাপদ। আমেরিকার ভয়ে কেউ কথা বলবে না।
কিন্তু যে আ,মে,রি,কা,র ভরষায় আ,র,ব দেশগুলো শান্তিতে বসেছিল- ইরানের মারা/ত্মক হা/ম/লায় সেই আ,মে,রি,কা যখন নিজেরাই বাঁচতে পারছিল না- তখন ঘাটি রেখে পালাতে ব্যস্ত হয়ে পরে এবং সামরিক বিমানে করে পালিয়ে যায় সাইপ্রাসে।
এই ঘটনার পর এক সৌদি কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেন-- আমেরিকার সব নজর হচ্ছে ইসরায়েলকে বাঁচানোর জন্য, তারা আরবদের নিয়ে ভাবে না।
তাহলে মার্কিন ঘাটিগুলো আরব দেশগুলোতে কেন রাখা ?
কারণ একটাই। তোমরা বসে থাকো, আমরা তোমাদের নিরাপত্তা দিব। এই জিনিস আরবদের মাথায় ঢুকিয়ে তাদের মানসিক ভাবে শেষ করে দেওয়া। আমেরিকা- কৌশলে আরব মুসলিম দেশগুলোকে এভাবেই শক্তিহীন করে রাখলো।
যদি মার্কিন ঘাটি না থাকত- তাহলে আরব দেশগুলো নিজেরা নিজেদের রক্ষা করত। নিজেরা আরও সামরিক ভাবে শক্তিশালী হতো, কারও উপর নির্ভর করতে হতো না। তাদের নিজেদের মধ্যে দক্ষ সব মেজর-জেনারেল তৈরি হতো। প্রতিপক্ষের হু/ম/কি আসলে কীভাবে নিজেদের বাঁচাতে হবে- সেই কৌশল নিজেরাই সাজাত।
কিন্তু এখন কি ছিল ? যাই হোক- আমেরিকা আছে। তারাই বাঁচাবে। আমাদের তেলের টাকা আছে। সেই টাকা দিয়ে ঘুরব, মাস্তি করব। এটা করেই দিন কাটিয়েছে। আজকে ইরানের হা/ম/লায় যখন আমেরিকানরা পালিয়েছে তখন আরব দেশগুলো কার্যত শুন্যই হয়ে পরল।
ইরান বড় একটা শিক্ষা দিল আরব দেশগুলোকে 🇮🇷🇮🇷🇮🇷
#মিসাইল
26/02/2026
স্বামী সান্তনা দিয়ে বললো,
"ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ায় ভাল আধুনিক বাড়ি নেই বা অনেক অর্থবিত্ত নেই বলে আফসোস করো না। জান্নাতে গেলে এই পাহাড়গুলোর চেয়ে বড়, স্বর্ণের ইটের তৈরি প্রাসাদে তোমাকে নিয়ে অনন্তকাল বাস করবো ইন শা আল্লাহ"
স্ত্রী উত্তর দিলো,
"আপনার সাথে সেই জান্নাতে থাকার জন্য দুনিয়ার সকল কিছু ছাড়তেও রাজি আছি"
Abdur Rahman Rafi
26/02/2026
শাহবাগীরা এখন কোথায়?
মেয়েটিকে প্রথমে সৎবাবার সামনে থেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল ছয়জন মিলে গনধর্ষণ করলো।
এরপর স্হানীয় সালিস বসলো স্হানীয় সালিসে হয়তোবা টাকার কাছে মেম্বার বিক্রি হলো সাথে মেয়ের সৎবাপ।মেয়েটি বিচার না মানাতে পুনঃরায় গতকাল আবার তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে গণধর্ষণ করে মেরে ফেলা হলো।
গরীবের মা মরা মেয়ে সেজন্য আমরা সুশীলগণ চুপ থাকবো। ঘটনা: নরসিংদী এর মাধবদী থানা
Abdur Rahman Rafi
19/02/2026
একদা হযরত ঈসা (আঃ) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আঃ)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )
হযরত ঈসা (আঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"
লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"
হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"
লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।
(সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)
Abdur Rahman Rafi
রেখে_দিলাম_টাইমলাইনে
দেখা যাক পরবর্তীতে কী হয় দেশের আবস্থা
১৫/০২/২০২৬ ইং তারিখে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের রেখে যাওয়া বাংলাদেশ।
দূর্নীতিতে - ১৩ তম
রিজার্ভ - ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা -১৪৯ তম
মানব উন্নয়ন সূচকে - ১২৯ তম
গনতান্ত্রিক সূচকে অবস্থান- ৭৫ তম
বৈশ্বিক অর্থনীতির সূচকে- ৩৬ তম
অর্থনীতির আকার - (৪৫০-৪৫৫) বিলিয়ন ডলার।
মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ - ৭৮ হাজার টাকা।
🗣️একবছর পর পর আপডেট দেখে কম্পেয়ার করলে বোঝা যাবে দেশ আসলে কোনদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রেখে দিলাম প্রোফাইলে...।
সবাই টাইমলাইনে রেখে দেন ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ ❤️❤️
30/01/2026
— স্ত্রী স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলো:- "তুমি আমাকে ছাড়া আর কতজন নারীকে ভালোবাসো?"
— স্বামী বললো;- "আমার মাথার চুলের সংখক নারীকে ভালোবাসি"।
স্ত্রী স্বামীর কথা শুনে কাঁদতে কাঁদতে ঘর থেকে বের হয়ে গেলো। কিছুক্ষণ পর স্ত্রীর মনে পড়লো, তার স্বামী তো টাকলা! এরপর সাথে সাথে ঘরে ফিরে আসলো, এসে হাসতে হাসতে স্বামী টাক মাথায় চুমু দিয়ে বললো:- তুমি তো ভারী চালাক!!
আরবি কৌতুক সংগৃহীত
ফলো-
Abdur Rahman Rafi
মা'র চোখের সামনেই সন্তানের শেষ বিদায় 😢
নিজের সন্তান কে শেষ বাড়ের মত AUTO তে তুলে দিলেন আর প্রান হারালেন একটি দুর্ঘটনায় 😢😢
27/01/2026
Alhamdulillah
26/01/2026
ইন'শা'আল্লাহ 🌸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
2230