LearnedLex
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from LearnedLex, Lawyer & Law Firm, Wari, Dhaka.
আইন জানা সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নিজের অধিকার রক্ষা করা এবং দেশের সঠিক মূল্যবোধ ও ন্যায়ের অবস্থান বোঝার জন্য আইন সম্পর্কে জ্ঞান থাকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
02/03/2026
পরকীয়া শুধু একটি ব্যক্তিগত ভুল নয়; এটি একটি সামাজিক অপরাধে রূপ নেয় যখন এর ফলে একটি পরিবার ভেঙে যায়, সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয় এবং একজন নির্দোষ মানুষ মানসিকভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। তাই পরকীয়ার বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ও কঠোর আইন প্রণয়ন সময়ের দাবি।
নারী হোক বা পুরুষ—পরকীয়ায় জড়িত থাকলে উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান থাকতে হবে। ন্যায়বিচার কখনো লিঙ্গভিত্তিক হতে পারে না।
অসংখ্য ক্ষেত্রে দেখা যায়, স্বামী বা স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে একজন মানুষ দীর্ঘদিন মানসিক নির্যাতন, অপমান ও অবহেলার শিকার হন। এই অব্যাহত মানসিক ও শারীরিক অশান্তি অনেককে আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। যদি প্রমাণিত হয় যে কারও আচরণ, নির্যাতন বা ইচ্ছাকৃত অবহেলা একজন মানুষকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে, তবে সেটিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা নয়, বরং গুরুতর অপরাধ হিসেবে কঠোরতম শাস্তির আওতায় আনা উচিত। কারণ এটি নৈতিকভাবে একটি জীবনের বিনাশের সমান।
এছাড়া, পরকীয়ার কারণে একতরফা তালাক দিয়ে একজন নারী বা পুরুষকে অসহায় অবস্থায় ফেলে দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায়। এ ধরনের একতরফা তালাকের ক্ষেত্রেও জবাবদিহিতা ও শাস্তির বিধান থাকা উচিত, যাতে কেউ নিজের দোষ ঢাকতে বা দায়িত্ব এড়াতে আইনকে ব্যবহার করতে না পারে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যেখানে সম্পর্কের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়।
জাতিসংঘের (United Nations) বিশেষায়িত সংস্থা (Specialized Agencies) হলো এমন স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা, যারা অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শ্রম, কৃষি, যোগাযোগ ইত্যাদি নির্দিষ্ট খাতে কাজ করে এবং জাতিসংঘের সাথে চুক্তিভিত্তিকভাবে যুক্ত থাকে।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর তালিকা দেওয়া হলো—
1.World Health Organization (WHO)
বাংলা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
Location: Geneva, Switzerland
অবস্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
2.United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO)
বাংলা: জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা
Location: Paris, France
অবস্থান: প্যারিস, ফ্রান্স
3.International Labour Organization (ILO)
বাংলা: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
Location: Geneva, Switzerland
অবস্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
4.Food and Agriculture Organization (FAO)
বাংলা: খাদ্য ও কৃষি সংস্থা
Location: Rome, Italy
অবস্থান: রোম, ইতালি
5.International Monetary Fund (IMF)
বাংলা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
Location: Washington, D.C., United States
অবস্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
6.World Bank
বাংলা: বিশ্বব্যাংক
Location: Washington, D.C., United States
অবস্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
7.World Intellectual Property Organization (WIPO)
বাংলা: বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা
Location: Geneva, Switzerland
অবস্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
8.International Civil Aviation Organization (ICAO)
বাংলা: আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা
Location: Montreal, Canada
অবস্থান: মন্ট্রিয়াল, কানাডা
9.International Telecommunication Union (ITU)
বাংলা: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা
Location: Geneva, Switzerland
অবস্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
10.International Fund for Agricultural Development (IFAD)
বাংলা: আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল
Location: Rome, Italy
অবস্থান: রোম, ইতালি
11.United Nations Industrial Development Organization (UNIDO)
বাংলা: জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা
Location: Vienna, Austria
অবস্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
12.Universal Postal Union (UPU)
বাংলা: আন্তর্জাতিক ডাক সংস্থা
Location: Bern, Switzerland
অবস্থান: বার্ন, সুইজারল্যান্ড
13.World Meteorological Organization (WMO)
বাংলা: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
Location: Geneva, Switzerland
অবস্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
14.International Maritime Organization (IMO)
বাংলা: আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা
Location: London, United Kingdom
অবস্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
15.World Tourism Organization (UNWTO)
বাংলা: বিশ্ব পর্যটন সংস্থা
Location: Madrid, Spain
অবস্থান: মাদ্রিদ, স্পেন
18/02/2026
জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান স্যারের আইনমন্ত্রী পদে আসীন হওয়া তাঁর দীর্ঘদিনের সততা, মেধা ও আপোষহীন পেশাগত জীবনের স্বীকৃতি। আইন অঙ্গনে তিনি একজন শ্রদ্ধেয় ও দক্ষ ব্যক্তিত্ব, যিনি সবসময় সংবিধান, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে এসেছেন।
আমরা আশা করি, উনার নেতৃত্বে বিচার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে, মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ সহজে ন্যায়বিচার পাবে। তাঁর এই অর্জন দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
উনার আগামীর পথচলা সফল হোক— এই কামনা রইল। আবারও অভিনন্দন মোঃ আসাদুজ্জামা স্যার ❤️💐
10/02/2026
১৩০টি জমি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ👇
জমির দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও অর্থ
মৌজা ✅ = গ্রাম
জে.এল নং ✅ = মৌজা নং / গ্রাম নম্বর
ফর্দ ✅ = দলিলের পাতা
খং ✅ = খতিয়ান
সাবেক ✅ = আগের / পূর্বের
হাল ✅ = বর্তমান
বং ✅ = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে
নিং ✅ = নিরক্ষর
গং ✅ = আরো অংশীদার আছে
সাং ✅ = সাকিন / গ্রাম
তঞ্চকতা ✅ = প্রতারণা
সনাক্তকারী ✅ = যিনি বিক্রেতাকে চিনে
এজমালী ✅ = যৌথ
মুসাবিদা ✅ = দলিল লেখক
পর্চা ✅ = প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
বাস্তু ✅ = বসত ভিটা
বাটোয়ারা ✅ = বন্টন
বায়া ✅ = বিক্রেতা
মং ✅ = মোট
মবলক ✅ = মোট
এওয়াজ ✅ = সমপরিমাণ বদল
হিস্যা ✅ = অংশ
একুনে ✅ = যোগফল
জরিপ ✅ = পরিমাণ
এজমালী সম্পত্তি ✅ = একাধিক শরীক সম্পত্তি
চৌহদ্দি ✅ = সীমানা
সিট ✅ = নকশার অংশ
দাখিলা ✅ = খাজনার রশিদ
নক্সা ✅ = ম্যাপ
নল ✅ = জমি পরিমাপের অংশ দণ্ড
নাল ✅ = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি
পিং ✅ = পিতা
জং ✅ = স্বামী
দাগ নং ✅ = জমির নম্বর
এতদ্বার্থে ✅ = এতকিছুর পর
পত্র মিদং ✅ = পত্রের মাধ্যমে
স্বজ্ঞানে ✅ = নিজের মতে
সমূদয় ✅ = সব কিছু
ইয়াদিকৃত ✅ = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
বিং ✅ = বিস্তারিত
দং ✅ = দখলকার
পত্তন ✅ = সাময়িক বন্দোবস্ত
বদল সূত্র ✅ = জমি বিনিময়
মৌকুফ ✅ = মাপ / নগদ
দিশারী রেখা ✅ = দিকনির্দেশনা
ভায়া ✅ = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল
দান সূত্র ✅ = দান সূত্রে সম্পত্তির মালিকানা
দাখিল খারিজ ✅ = পৃথকভাবে নাম জারি করা
তফসিল ✅ = তালিকা / সম্পত্তির তালিকা
খারিজ ✅ = সরকার বা জমিদারের অনুমতি
খতিয়ান ✅ = জমির রেকর্ড
জরিপ ✅ = কর নির্ধারণের সার্ভে
এওয়াজ সূত্র ✅ = সমপরিমাণ বিনিময় সূত্র
অছিয়তনামা ✅ = উইল / মৃত্যুর পূর্ব নির্দেশ
তফসিল ✅ = বিক্রিত জমির তালিকা
নামজারী ✅ = খতিয়ানে নাম রেজিস্ট্রি করা
অধীনস্থ স্বত্ত্ব ✅ = উপরিস্থিত স্বত্ত্বের অধীনে স্বত্ত্ব
আলামত ✅ = ম্যাপে চিহ্ন
আমলনামা ✅ = জমি নিলামের দলিল
আসলি ✅ = মূল ভূমি
আধি ✅ = ফসলের অর্ধেক
ইজারা ✅ = ঠিকা / ভাড়া
ইয়াদদন্ত ✅ = স্মারকলিপি
ইন্তেহার ✅ = ঘোষণাপত্র
এস্টেট ✅ = স্থায়ী বন্দোবস্ত
ওয়াকফ ✅ = ধর্মীয় উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
কিত্তা ✅ = ভূমি খণ্ড / পট
কিস্তোয়ার জরিপ ✅ = কিত্তা ভিত্তিক জরিপ
কিস্তি ✅ = নির্দিষ্ট তারিখে অর্থ প্রদানের অঙ্গীকার
কায়েম স্বত্ত্ব ✅ = চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
কবুলিয়ত ✅ = মালিকের স্বীকারোক্তি
কটকোবালা ✅ = জমি বন্ধক দিয়ে সুদে টাকা
কান্দা ✅ = উচ্চ ভূমি
কিসমত ✅ = মৌজার অংশ
কোলা ভূমি ✅ = বসত সংলগ্ন নাল জমি
কোল ✅ = নদীর ছোট অংশ
খানাপুরী ✅ = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি
খামার ✅ = খাস দখলীয় ভূমি
খাইখন্দক ✅ = চাষ অযোগ্য ভূমি
খিরাজ ✅ = কর / খাজনা
খানে খোদা ✅ = মসজিদ
খসড়া ✅ = জমির মোটামুটি বর্ণনা
গর বন্দোবস্তি ✅ = কোনো বন্দোবস্ত না থাকা জমি
গরলায়েক পতিত ✅ = অনাবাদি ভূমি
গির্বি ✅ = বন্ধক
চক ✅ = বসত ম্যাপের পট
জমা বন্দী ✅ = খাজনার তালিকা
চাকরাণ ✅ = জমিদার বাড়ীর কাজে দেওয়া জমি
চাঁদা ✅ = জরিপের স্টেশন
চটান ✅ = উচ্চ পতিত স্থান
চালা ✅ = উচ্চ আবাদি ভূমি
চর ✅ = পলিমাটি দ্বারা গঠিত ভূমি
জবর-দখল ✅ = জোরপূর্বক দখল
জমা ✅ = খাজনা প্রদান
জোত ✅ = প্রজাস্বত্ত্ব
জজিরা ✅ = নদীতে দ্বীপ
জায়সুদী ✅ = বন্ধক যা আসল টাকা পরিশোধ না হলে প্রযোজ্য
জালি ✅ = এক প্রকার ধান
টেক ✅ = নদী ভগ্নস্থানের পয়স্তি
টাভার্স ✅ = ঘের জরিপ
ঠিকা রায়ত ✅ = সাময়িক দখলকার
ঢোল সহরত ✅ = নিলাম বা দখলি প্রক্রিয়া প্রকাশ
তামিল ✅ = রেকর্ড সংশোধন
তামাদি ✅ = খাজনার বকেয়া সময়
তুদাবন্দী ✅ = সীমানা নির্দেশ
তহশিল ✅ = খাজনাদি আয়ের এলাকা
তলবানা ✅ = সমন ফিস
তলববাকী ✅ = বকেয়া খাজনা আদায়
তালুক ✅ = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব
তরমিম ✅ = শুদ্ধকরণ
তরতিব ✅ = শৃঙ্খলা
তৌজি ✅ = চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেজিস্ট্রি
দিয়ারা ✅ = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর
দর পত্তনী ✅ = পত্তনীর অধীন
দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা ✅ = দখলদার প্রজা
দশসালা বন্দোবস্ত ✅ = দশ বছরের বন্দোবস্ত
দাগ নম্বর ✅ = মৌজা নকশার সিরিয়াল নম্বর
দরবস্ত ✅ = সমুদয়
নথি ✅ = রেকর্ড
দেবোত্তর ✅ = দেবতাদিগকে প্রদত্ত ভূমি
দেবিচর ✅ = জোয়ারের পানিতে ডুবা বালুচর
দিঘলি ✅ = খাজনা আদায়কারী প্রজা
নক্সা ভাওড়ন ✅ = সীমা নির্ধারণ পুনঃচিহ্নিতকরণ
নামজারী ✅ = সাবেক নামের পরিবর্তে নতুন নাম রেজিস্ট্রি
নাম খারিজ / জমা খারিজ ✅ = পৃথক জমা সৃষ্টি
হেবা বিল এওয়াজ ✅ = জিনিসের পরিবর্তে জমি দান
বাটা দাগ ✅ = ভগ্নাংশ আকারে দাগ
অধুনা ✅ = বর্তমান
09/02/2026
অধস্তন আদালতের বিচারকদের বার্ষিক অবকাশ সংক্রান্ত বিদ্যমান ব্যবস্থায় সংশোধন আনা হয়েছে। পূর্বে ডিসেম্বরে টানা এক মাস অবকাশ প্রদান করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বছরে দুই দফায় মোট এক মাস অবকাশ প্রদান করা হবে। এ অনুযায়ী ডিসেম্বরে ১৫ (পনেরো) দিন এবং জুন মাসে ১৫ (পনেরো) দিন অবকাশ নির্ধারিত থাকবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভার একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
✅ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অপরাধ স্বীকারোক্তি, ধারা ১৬৪, সাক্ষ্য মূল্য, ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা
👉ভূমিকা
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় অপরাধ স্বীকারোক্তি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক সময় স্বীকারোক্তি একটি মামলার প্রধান প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে আইন স্বীকারোক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম নির্ধারণ করেছে, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য না হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ এই বিষয়ে বিস্তারিত বিধান প্রদান করেছে। পাশাপাশি জনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
🔶১। অপরাধ স্বীকারোক্তি কাকে বলে
অপরাধ স্বীকারোক্তি হলো এমন বিবৃতি যেখানে কোনো আসামি নিজেই অপরাধ করার কথা স্বীকার করে অথবা অপরাধে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।
স্বীকারোক্তির প্রকারভেদ
১। বিচারিক স্বীকারোক্তি — ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দেওয়া
২। বিচারবহির্ভূত স্বীকারোক্তি — অন্য ব্যক্তির কাছে দেওয়া
বিচারিক স্বীকারোক্তির গুরুত্ব বেশি।
🔶২। ধারা ১৬৪ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার ক্ষমতা
ধারা ১৬৪ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন—
👉মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
👉জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
👉ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
👉পুলিশ কর্মকর্তা স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন না।
🔶৩। স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার আইনি পদ্ধতি
(১) সতর্কীকরণ প্রদান
ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন—
সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয়
দিলে তা তার বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে
(২) স্বেচ্ছায় দেওয়া নিশ্চিত করা
ম্যাজিস্ট্রেট নিশ্চিত করবেন—
ভয় নেই
চাপ নেই
প্রলোভন নেই
(৩) চিন্তা করার সময় দেওয়া
আসামিকে সময় দিতে হবে যাতে সে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
(৪) পুলিশকে দূরে রাখা
স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
(৫) আসামির ভাষায় লেখা
স্বীকারোক্তি আসামির ভাষায় লিখতে হবে।
(৬) স্বাক্ষর নেওয়া
আসামি ও ম্যাজিস্ট্রেট উভয়ের স্বাক্ষর থাকতে হবে।
(৭) ম্যাজিস্ট্রেটের সার্টিফিকেট
ম্যাজিস্ট্রেট লিখবেন যে স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে।
🔶৪। স্বীকারোক্তির সাক্ষ্যগত মূল্য
(১) শক্তিশালী প্রমাণ
স্বেচ্ছায় দেওয়া স্বীকারোক্তি দণ্ড প্রদানে ব্যবহার করা যায়।
(২) জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি বাতিল
নির্যাতন বা চাপ দিয়ে নেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
(৩) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি
পরে অস্বীকার করলেও আদালত যাচাই করে বিবেচনা করতে পারে।
🔶৫। সাক্ষীর স্বীকারোক্তি প্রসঙ্গ
স্বীকারোক্তি সাধারণত আসামি দেয়।
তবে সাক্ষীর বক্তব্য ধারা ১৬৪ অনুযায়ী রেকর্ড করা যায় (Statement হিসেবে)।
🔶৬। জরুরি পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
ধারা ১৪৪
জমায়েত নিষিদ্ধ
চলাচল নিয়ন্ত্রণ
বিপজ্জনক কার্য বন্ধ
ধারা ১০৭
শান্তিভঙ্গের সম্ভাবনায় বন্ড নেওয়া।
ধারা ১৩৩
জনস্বার্থে ক্ষতিকর কাজ বন্ধের নির্দেশ।
ধারা ১৪৫
সম্পত্তি বিরোধে সংঘর্ষ ঠেকানো।
🔶৭। জনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা
আইনি ব্যবস্থা
গ্রেফতার
তল্লাশি
বন্ড
নিষেধাজ্ঞা
প্রশাসনিক ব্যবস্থা
পুলিশ টহল
নজরদারি
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
🔶৮। গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক দৃষ্টান্ত (সংক্ষেপে)
বাংলাদেশের আদালত বহু মামলায় বলেছেন—
স্বেচ্ছায় না হলে স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয় এবং সতর্কতা মানা বাধ্যতামূলক।
🔶৯। স্বীকারোক্তি সংক্রান্ত আইনি গুরুত্ব
বিচার দ্রুত করতে সাহায্য করে
সত্য উদঘাটনে সহায়তা করে
তবে অপব্যবহার রোধে আইন কঠোর
উপসংহার
অপরাধ স্বীকারোক্তি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধারা ১৬৪ স্বীকারোক্তি গ্রহণের সঠিক পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে অভিযুক্তের অধিকার রক্ষা করা হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি জনশান্তি রক্ষার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
✔️ একটি মামলার উদাহরণ (পরীক্ষায় লেখার মতো)
মামলার নাম: State vs. Kalu Bepari (43 DLR 249)
🔹 ঘটনার সারসংক্ষেপ
এই মামলায় আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে বিচার চলাকালে এই স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে—কারণ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার সময় প্রশ্ন-উত্তরের পুরো ফরম্যাট অনুসরণ করা হয়নি।
🔹 আইনি প্রশ্ন
স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার সময় যদি ফরম্যাট বা পদ্ধতিতে কিছু ঘাটতি থাকে, তাহলে কি সেটি অগ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে?
🔹 আদালতের সিদ্ধান্ত
আদালত বলেন—
যদি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় (voluntary) এবং সত্য (truthful) হয়,
এবং ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হন যে আসামি চাপ ছাড়া স্বীকারোক্তি দিয়েছে,
তাহলে শুধুমাত্র ফরম্যাটের কিছু ত্রুটির কারণে স্বীকারোক্তি বাতিল হবে না।
✔️ বাস্তব আইনি নীতি
১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হবে যখন তা স্বেচ্ছায় দেয়া হবে।
ম্যাজিস্ট্রেটকে আগে সতর্ক করতে হবে যে স্বীকারোক্তি না দিলেও চলে এবং দিলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
✔️ সংক্ষিপ্ত উপসংহার
বাংলাদেশের আইনে স্বীকারোক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। তবে সেটি অবশ্যই স্বেচ্ছায়, চাপমুক্ত এবং আইন অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দিতে হবে। তা না হলে আদালত তা গ্রহণ নাও করতে পারে।
👩⚖️দে ওয়ানি কার্যবিধি
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ হলো এমন একটি প্রক্রিয়াগত আইন, যা দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের থেকে শুরু করে রায় কার্যকর করা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করে।
📌 দেওয়ানি কার্যবিধির প্রধান বিষয়সমূহ :
✅ মামলা দায়ের (Plaint)
✅ সমন জারি (Summons)
✅ প্লিডিংস (Pleadings)
✅ সাক্ষ্য গ্রহণ (Evidence)
✅ রায় ও ডিক্রি (Judgment & Decree)
✅ আপিল (Appeal)
✅ কার্যকরীকরণ (Ex*****on)
🔶আদালতের সহজাত ক্ষমতা
ভূমিকা :
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা আদালতের প্রধান দায়িত্ব। সব বিষয়ে আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালত কিছু স্বাভাবিক বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। এই ক্ষমতাকে আদালতের সহজাত ক্ষমতা বলা হয়।
👉আদালতের সহজাত ক্ষমতা কাকে বলে :
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী—
ন্যায়বিচারের স্বার্থে অথবা আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার রোধ করার জন্য, যেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো আইনগত বিধান নেই, সেখানে আদালত যে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে তাকে আদালতের সহজাত ক্ষমতা বলে।
👉সহজাত ক্ষমতার বৈশিষ্ট্য :
১. এটি আদালতের স্বাভাবিক বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা।
২. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. আইনের পরিপন্থী হয়ে এই ক্ষমতা ব্যবহার করা যায় না।
৪. আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধে এটি ব্যবহৃত হয়।
👉কোন কোন ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয় :
১. মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত রাখা।
২. মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত রাখা।
৩. একাধিক মোকদ্দমা একত্র করা।
৪. আদালতের আদেশ সংশোধন করা।
৫. প্রয়োজন হলে পুনরায় শুনানির অনুমতি দেওয়া।
৬. আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
৭. প্রতারণা বা জালিয়াতি হলে আদালতের হস্তক্ষেপ করা।
৮. কোনো পক্ষ আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করলে তা বন্ধ করা।
৯. প্রয়োজন হলে আদালত তার নিজ আদেশ স্থগিত রাখতে পারে।
১০. ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করা।
👉সহজাত ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা :
১. এটি কোনো আইনের বিরোধী হতে পারবে না।
২. যেখানে আইনে স্পষ্ট বিধান আছে সেখানে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করা যায় না।
৩. শুধুমাত্র ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা যায়।
👉উপসংহার :
আদালতের সহজাত ক্ষমতা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। আইন যেখানে নীরব, সেখানে আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করে।
02/01/2026
আলহামদুলিল্লাহ!
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধনের ফলে এখন থেকে—
👉ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রয়
👉পাওয়ার অব অ্যাটর্নী
👉হেবা/দান
👉হেবার ঘোষণা বা দানের ঘোষণা
এই সকল দলিল নিজ নামে নামজারি করা ছাড়াই সরাসরি রেজিস্ট্রি করা যাবে।
এটি সম্পত্তি লেনদেন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী করবে।
আমমক্তা নামা (Ammokta Nama / আমমোক্তা নামা) হলো—
একজন ব্যক্তি অন্য একজনকে নিজের পক্ষে কাজ করার জন্য যে লিখিত ক্ষমতা বা অনুমতি দেয়, সেই দলিলকে আমমক্তা নামা বলা হয়।
বাংলায় এটাকে ক্ষমতাপত্র বা Power of Attorney (POA)–ও বলা হয়।
---
✅ সহজ ভাষায় আমমক্তা নামার মানে
যখন আপনি নিজে কোনো কাজ করতে পারবেন না—
তখন আপনি কাউকে লিখিতভাবে বলেন:
“তুমি আমার হয়ে এই কাজগুলো করবে।”
এই লিখিত অনুমতি = আমমক্তা নামা
---
✅ আমমক্তা নামা দিয়ে কোন কাজ করা যায়?
যে কাজগুলো করতে ব্যক্তি নিজে হাজির হতে না পারলে বা সুবিধা না থাকলে তিনি অন্য কাউকে দায়িত্ব দেন—
⭐ ১) জমি–বাড়ি সংক্রান্ত কাজ
দলিল রেজিস্ট্রি করা
দলিল মালিকানা হস্তান্তর
জমির খতিয়ান, দাগ সংক্রান্ত আবেদন করা
নামজারি করা
জমি মাপঝোক করা
ডিসি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হওয়া
⭐ ২) ব্যাংক সংক্রান্ত কাজ
টাকা উত্তোলন
এফডিআর, ডিপিএস পরিচালনা
স্বাক্ষর দেওয়া
⭐ ৩) মামলা-মোকদ্দমা
আইনজীবী নিয়োগ
কোর্টে হাজির হওয়া
পক্ষে মামলা চালানো
⭐ ৪) ব্যবসা ও চুক্তি
ব্যবসার কাগজপত্রে সই
পণ্য গ্রহণ/ডেলিভারি
চুক্তি সম্পাদন
---
✅ আমমক্তা নামার দুই ধরনের
১) সাধারণ আমমক্তা নামা (General Power of Attorney)
মোটামুটি সব কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
২) বিশেষ আমমক্তা নামা (Special Power of Attorney)
শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
যেমন: “শুধু দলিল রেজিস্ট্রি করবে।”
---
✅ আইনি গুরুত্ব
আমমক্তা নামা লিখে দিলে, যাকে ক্ষমতা দেওয়া হয় (এজেন্ট)
→ তিনি সেই সীমার মধ্যে পূর্ণ আইনগত ক্ষমতা পান।
তার কাজগুলো মালিকের কাজ হিসেবেই গণ্য হয়।
---
📌 সংক্ষেপে
আমমক্তা নামা = নিজের হয়ে কাজ করার জন্য অন্য কাউকে দেওয়া লিখিত আইনি ক্ষমতাপত্র।
---
আমমক্তা নামা (Ammokta Nama / আমমোক্তা নামা) হলো—
একজন ব্যক্তি অন্য একজনকে নিজের পক্ষে কাজ করার জন্য যে লিখিত ক্ষমতা বা অনুমতি দেয়, সেই দলিলকে আমমক্তা নামা বলা হয়।
বাংলায় এটাকে ক্ষমতাপত্র বা Power of Attorney (POA)–ও বলা হয়।
---
✅ সহজ ভাষায় আমমক্তা নামার মানে
যখন আপনি নিজে কোনো কাজ করতে পারবেন না—
তখন আপনি কাউকে লিখিতভাবে বলেন:
“তুমি আমার হয়ে এই কাজগুলো করবে।”
এই লিখিত অনুমতি = আমমক্তা নামা
---
✅ আমমক্তা নামা দিয়ে কোন কাজ করা যায়?
যে কাজগুলো করতে ব্যক্তি নিজে হাজির হতে না পারলে বা সুবিধা না থাকলে তিনি অন্য কাউকে দায়িত্ব দেন—
⭐ ১) জমি–বাড়ি সংক্রান্ত কাজ
দলিল রেজিস্ট্রি করা
দলিল মালিকানা হস্তান্তর
জমির খতিয়ান, দাগ সংক্রান্ত আবেদন করা
নামজারি করা
জমি মাপঝোক করা
ডিসি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হওয়া
⭐ ২) ব্যাংক সংক্রান্ত কাজ
টাকা উত্তোলন
এফডিআর, ডিপিএস পরিচালনা
স্বাক্ষর দেওয়া
⭐ ৩) মামলা-মোকদ্দমা
আইনজীবী নিয়োগ
কোর্টে হাজির হওয়া
পক্ষে মামলা চালানো
⭐ ৪) ব্যবসা ও চুক্তি
ব্যবসার কাগজপত্রে সই
পণ্য গ্রহণ/ডেলিভারি
চুক্তি সম্পাদন
---
✅ আমমক্তা নামার দুই ধরনের
১) সাধারণ আমমক্তা নামা (General Power of Attorney)
মোটামুটি সব কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
২) বিশেষ আমমক্তা নামা (Special Power of Attorney)
শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
যেমন: “শুধু দলিল রেজিস্ট্রি করবে।”
---
✅ আইনি গুরুত্ব
আমমক্তা নামা লিখে দিলে, যাকে ক্ষমতা দেওয়া হয় (এজেন্ট)
→ তিনি সেই সীমার মধ্যে পূর্ণ আইনগত ক্ষমতা পান।
তার কাজগুলো মালিকের কাজ হিসেবেই গণ্য হয়।
---
📌 সংক্ষেপে
আমমক্তা নামা = নিজের হয়ে কাজ করার জন্য অন্য কাউকে দেওয়া লিখিত আইনি ক্ষমতাপত্র।
02/12/2025
🌟 হ্যা ঠিকই শুনছেন পারিবারিক য়েকোনো মামলা এখন থেকে ঘরে বসেই e-Family Court এর মাধ্যমে পরিচালনা করা যাবে -- ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সবার জন্য e‑Family Court (ই-ফ্যামিলি কোর্ট) চালু হয়েছে —
পরিবারে সমস্যা হলে মানুষ আদালতে যেতে ভয় পায় — সময়, ঝামেলা, মানসম্মান ও মানসিক চাপের কথা ভেবে অনেকেই আইনি সহায়তা নেন না।
কিন্তু এখন আর সেই দুশ্চিন্তা নেই।
🔹 বাংলাদেশে চালু হয়েছে e-Family Court, যেখানে পরিবার-সংক্রান্ত মামলা অনলাইনে করা যায় — ঘরে বসেই।
শুনানি, কাগজপত্র জমা, সময়সূচি এবং রায়ের কপি সবকিছুই ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।
⚖️ e-Family Court এ কোন কোন মামলা করা যাবে--
✔ বিবাহবিচ্ছেদ (Divorce)
✔ ভরণ-পোষণ / খোরপোষ
✔ সন্তানের হেফাজত (Child Custody)
✔ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার (Restitution of Conjugal Rights)
✔ দাম্পত্য সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ
✔ পরিবারে সহিংসতা বা নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা
💻 অনলাইনে কীভাবে মামলা করা যাবে--
1️⃣ বাদী/বিবাদীর তথ্য প্রদান
2️⃣ অভিযোগ/দাবির ডিটেইলস আপলোড
3️⃣ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে যুক্ত করা
4️⃣ কোর্ট ফি অনলাইনে পরিশোধ
5️⃣ শুনানির তারিখ SMS বা ই-মেইলে পাওয়া
6️⃣ ভিডিও কনফারেন্সে বা সরাসরি শুনানি
7️⃣ রায়ের কপি ডাউনলোড করা যাবে অনলাইনে
🟢 e-Family Court কেন সুবিধাজনক
ঘরে বসে মামলা আদালতে বারবার যাওয়া লাগে না
সম্পূর্ণ ডিজিটাল সময় ও খরচ কমে
নিরাপদ ও গোপনীয় সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতি কম
দ্রুত নিষ্পত্তি পারিবারিক সংকট দীর্ঘ হয় না
💙 পরিবার–সংক্রান্ত সমস্যা লুকিয়ে রাখবেন না
সমস্যা হলে আইনি সহায়তা নেওয়া লজ্জার নয় — অধিকার।
আইন এখন আগের চেয়ে আরও সহজ, নিরাপদ এবং নাগরিকবান্ধব।
🟢 পরিবার–সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় আইনি সহায়তার জন্য ইনবক্স করুন
🟢 পরামর্শ গোপনীয় ও নিরাপদ।
Advocate -Gazi Mourin Kanta.
01/12/2025
সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয়ে প্রথম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা একটি নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠন করা হয়।
পরে, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ-এর আদেশে হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীকে সচিব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
ইনকাম ট্যাক্স আইন ২০২৩–এর ধারা ৩২৭(৩) কেন সংবিধান ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং কেন এটি অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। রুলে বার কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত আইনজীবী ছাড়া অন্যদেরকে কর আইনজীবী হিসেবে স্বীকৃতি কেন অবৈধ হবে না
রিট পিটিশনার আইনজীবী জুয়েল আজাদ এবং শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট তানভির, রাফসান, রইস, রুহুল আমিন, বিপ্লব কুমার, নিশাত মাহমুদসহ আরো অনেকে।
👇
১. রিটকারীদের বক্তব্যে মৌলিক আইনি ভুল রয়েছে (Category Error)।
কর আইনের আওতায় “কর আইনজীবী” (Tax Practitioner) একটি টেকনিক্যাল পেশাগত লাইসেন্স, এটি আদালতে প্র্যাকটিসকারী “Advocate”-এর বিকল্প নয়। কর আইনজীবী = ট্যাক্স রিটার্ন, অ্যাসেসমেন্ট, আপিল, হিসাববিষয়ক কাজ।
এটি বার কাউন্সিল-সনদযুক্ত Advocate এর বিচারিক ক্ষমতা, অধিকার বা আদালতে প্র্যাকটিস-অধিকারকে স্পর্শই করে না।
অতএব এটিকে “আইনজীবী পেশার ওপর আঘাত” বলা যুক্তিগতভাবে ভুল।
২. ইনকাম ট্যাক্স আইন ২০২৩ কোনোভাবেই বার কাউন্সিল আইনকে অকার্যকর করেনি।
আইনজীবী কে?—এটি বার কাউন্সিল আইন নির্ধারণ করে।
কর আইনজীবী কে?—এটি কর আইন নির্ধারণ করে।
দুটি আলাদা জুরিডিকশন।
এগুলোকে অভিন্ন মনে করা একধরনের আইনগত বিভ্রান্তি (Jurisdictional Misinterpretation)।
৩. বিশ্বের কোনও দেশেই ট্যাক্স প্র্যাক্টিস শুধুমাত্র Advocates দ্বারা একচ্ছত্রভাবে নিয়ন্ত্রিত নয়।
যুক্তরাষ্ট্রে – CPA, IRS Enrolled Agent
যুক্তরাজ্যে – Chartered Tax Adviser
ভারতে – Tax Practitioner, CA, CMA
সকল দেশেই ট্যাক্স-বিশেষজ্ঞদের আলাদা সার্টিফিকেশন আছে।
বাংলাদেশে একই ব্যবস্থা কার্যকর হওয়া সম্পূর্ণ যৌক্তিক। এটিকে “আইনজীবীদের মর্যাদা হ্রাস” বলা আত্মকেন্দ্রিক ও তথ্যবিরোধী।
৪. রিটকারীদের যুক্তি সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যা।
সংবিধানের
২৮(১) – সমতার অধিকার
৪০– পেশা বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা
এই দুই ধারাই স্পষ্টভাবে বলে—রাষ্ট্র প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পেশার আলাদা লাইসেন্স দিতে পারে।
কর আইনজীবী সনদ এই সাংবিধানিক পেশা-স্বাধীনতারই প্রয়োগ।
এটি কোথাও Advocates-এর অধিকার হরণ করে না।
৫. “Advocate ছাড়া অন্য কারও Tax Representation করার অধিকার নেই”—এ দাবি বাস্তবিকভাবে ভুল।
আয়কর অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল আদালত নয়;
এটি সিভিল কোর্টের আওতায় পড়ে না
এটি একটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত হতে পারেন—এটি দেশে-বিদেশে স্বীকৃত নীতি।
রিটকারীরা আইনব্যবস্থার এই মৌলিক কাঠামোকে উপেক্ষা করেছেন।
৬. রিটকারী আইনজীবীদের বক্তব্য স্বার্থগত (Self-Serving) এবং পেশাগত মনোপলি তৈরির চেষ্টা।
বার কাউন্সিল-সনদধারীদের হাতে কর প্র্যাক্টিস একচেটিয়া রাখার প্রচেষ্টা পেশাগত মনোপলি/গিল্ড-প্রটেকশনিজম, যা আধুনিক পেশাগত আইন ও অর্থনীতি-তত্ত্বের বিরুদ্ধে।
রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য – দক্ষ কর প্রশাসন, কর আদায় বৃদ্ধি।
আইনজীবীদের উদ্দেশ্য – ট্যাক্স মার্কেট ধরে রাখা।
এই দুইটি এক নয়, এবং রাষ্ট্র সবসময় জনগুরুত্বের নীতি অনুসরণ করবে, পেশাগত লবি নয়।
৭. রিটের লেখায় “মর্যাদা”, “আত্মমর্যাদা”, “সম্মান”—এগুলো আইনি যুক্তি নয়, আবেগী বক্তব্য।
হাইকোর্ট আইনের ভাষা দেখে সিদ্ধান্ত দেয়, আবেগ দেখে নয়।
পেশাগত মর্যাদা সংবিধান বা বার কাউন্সিল আইনের কোনো বিধান নয়—
এটি ব্যক্তিগত মূল্যায়ন, আইনগত প্রশ্ন নয়।
৮. কর আইনের বিশেষজ্ঞরা (CA/CMA/CS) বরাবরই ট্যাক্সে আইনজীবীদের চেয়ে বেশি দক্ষ—এটি একটি বাস্তবতা।
ট্যাক্স আইন = হিসাববিজ্ঞান + মূল্যায়ন + শুল্ক + রেকর্ড অডিটিং।
Advocate-দের বড় অংশের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেই।
তাই শুধুমাত্র Advocates কে ট্যাক্স প্র্যাক্টিসের একচ্ছত্র অধিকার দেওয়া অযৌক্তিক এবং জনগণের স্বার্থবিরোধী।
৯. রিটকারীরা মৌলিক প্রশ্নটি উপেক্ষা করেছেন—রাষ্ট্রের অধিকার কতদূর?
সংবিধানের Article 65 রাষ্ট্রকে আইন প্রণয়নের পূর্ণ ক্ষমতা দেয়।
রাষ্ট্র চাইলে—
A ট্যাক্স প্র্যাক্টিস
B কাস্টমস প্র্যাক্টিস
C কোম্পানি ল’ প্র্যাক্টিস
—এগুলোতে আলাদা পেশাজীবী তৈরি করতে পারে।
এটা বার কাউন্সিলের ওপর হস্তক্ষেপ নয়।
১০. রিটের যুক্তিগুলো দুর্বল, আবেগপ্রসূত ও আইনি বাস্তবতা-বর্জিত।
ধারা ৩২৭(৩)
* আইনসঙ্গত,
* আন্তর্জাতিক মানসম্মত,
* প্রশাসনিকভাবে যৌক্তিক,
* সংবিধানসম্মত,
এবং কোনোভাবেই “আইনজীবী পেশা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র” নয়—
বরং ট্যাক্স-সেক্টরে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয় আধুনিক সংস্কার।
সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Wari
Dhaka