Technology Softzone Ltd

Technology Softzone Ltd

Share

website : http://techzoneltd.com/ TechZone INSTITUTES Specialized in DIGITAL MARKETING TRAINING Program. Please Join into our Communities.

We are the LEADER of Digital Marketing Training Program in Bangladesh. Want to Learn SEO, SMM, SEM, SMO, Affiliate, Youtube, Email Marketing?

26/08/2017

আমেরিকান ফ্রিল্যান্সারদের রেট কেন বেশি এবং আমাদের রেট কেন এত কম?
১। আমেরিকান ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের 40% সরকারকে দিতে হয় যা আমাদের দিতে হয় না।
২। আমেরিকায় পাইরেসি জিনিস নেই বললেই চলে।
কোনো কোনো ফ্রিল্যান্সারের মাসে 1000 ডলার বা তার বেশি শুধু সফটওয়্যার বা বিভিন্ন অনলাইন সার্ভিসে খরচ হয়। যা আমাদের হয় না কারন আমরা বংশ পরম্পরায় পাইরেসিতে বিশ্বাসী।
৩। আমেরিকানরা 100 ডলার আয় করলে ব্যাংক থেকে 100 ডলারই বের হয় আর আমরা 100 ডলার আয় করলে ৮০০০ টাকা বের হয়। তাই তারা 100 তে খুশি নয় কিন্তু
আমরা ৮০০০ এ মহা খুশি।
৪। আমেরিকানদের স্যালুনে শুধু শেভ করতে 20-30 ডলার লাগে। আর আমাদের শেভ করতে ৫০ টাকার বেশি মনে হয় লাগে না। একটু ভাল স্যালুনে গেলে হয়তো মাস্ক+ওয়াশ+হাবিজাবি সহ ৫০০-৬০০ টাকা লাগতে পারে তাও 20-30 ডলারের সমান হবে না।
৫। আমেরিকানদের অন্যতম প্রধান খাবার হল আটা। ওখানে ১ কেজি সাদা আটা 5 ডলার। আমাদের দেশে কোনোদিন 5 ডলার মানে ৪০০ টাকা আটা হয়নি আর মনে হয় আগামী ১০০ বছরে হবেও না।
পরিশেষে, তাদের কোনো কাজে আওয়ারলি রেট 100 হওয়া স্বাভাবিক এবং কারো কারো আয় 1 মিলিয়ন ডলারের বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। তাদের আয় দেখে স্ট্রোক করার কোনো কারন নাই। আমাদের দেশে দুর্নীতি এবং ধর্মীয় জাতি গত কোন্দল না থাকলে আমরাই বিশ্বের নাম্বার ওয়ান সুখি দেশ হিসেবে গণ্য হতাম।

24/08/2017

ফ্রিল্যান্স???? লাখ লাখ টাকা??
অনেক সহজেই আয়???
এই চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন নিচের
লেখাটি পড়ুন
কেনো অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সাররা
নতুনদের সাহায্য করতে উৎসাহবোধ
করেন না?
১। একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের
জীবনী যদি জানতেন তবে আপনি
নিজেই প্রত্যেককে ‘লিজেন্ড’
উপাধিতে ভূষিত করতেন। বিশ্বাস
করুন তাঁরা শতবার ব্যর্থ হয়েছে।
কাউকে সে কথা বলেনি। রাতের
পর রাত পার করেছে শুধু স্কিল
ডেভেলপমেন্ট করার জন্য। কিন্তু যখন
একজন ছোটভাই তার কাছে এসে
আবদার করে, ‘ভাইয়া, দয়া করে
আমাকে সহজে ইনকাম করার কোন
উপায় দেখিয়ে দিন।’ তখন বড়
ভাইটি লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়ার
মতো বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। বড়
ভাইটি ভালো করেই জানে যে,
লং টার্ম ইনকাম করার জন্য কোনো
শর্টকাট উপায় নেই। আপনার বড় ভাই
আপনাকে কোনো রকম একটা বুঝ
দিয়ে গা ঢাকা দিবে।
২। প্রত্যেকটা সফল ফ্রিল্যান্সার
তাঁর নিজ আগ্রহে সফল হয়েছে।
কম্পিউটার, ইংরেজিতে দক্ষতা,
ইন্টারনেট থাকুক বা না থাকুক তাঁর
আগ্রহের কাছে এসব কোনো
ব্যাপারই না। নিজের আগ্রহ এতো
বড় একটা ব্যাপার যে, এটা ছাড়া
আপনার শরীরে কম্পিউটার আঠা
দিয়ে লাগিয়ে দিলেও আপনি
জীবনে অনলাইন প্রফেশনাল হতে
পারবেন না। যখন আপনি
আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়ে
এক্সপার্ট কোনো বড় ভাইয়ের কাছে
যাবেন শুধু লাক লাক টাকা ইনকাম
করার জন্য, তখন আপনার বড় ভাই খুব
সহজেই বুঝে যাবে যে, আপনার
এখানে শেখার কোনো ইচ্ছে নেই।
শুধু টাকা ইনকামের ধান্ধা।
এক্ষেত্রেও সে আপনাকে সাহায্য
করতে চাইবে না।
৩। প্রত্যেকটা অনলাইন ফ্রিল্যান্সার
খুবই ব্যস্ত থাকে। তাঁদের হাতে
আহামরি কোনো সময় থাকে না।
আপনারা ফেসবুকে তাঁদের
ঘুরাঘুরির যে ছবি দেখে থাকেন,
তা হলো তাদের অবসর সময়ে ঘুরতে
যাওয়ার ছবি। হয়তো নতুন হিসেবে
আপনি ভেবে থাকবেন যে, ইশ! কত্ত
স্বাধীনতা অনলাইন কাজের মধ্যে।
না, ব্যাপারটা মোটেও এতো
সোজা নয়। সে হয়তো কোন রকম
বাসায় ফিরে ছবিটি আপলোড
দিয়েই কাজে নেমে পড়েছে।
সেটা আমরা কেউ ভাবতে চাই না।
যাইহোক, আপনি যখন কোনো বড়
ভাইয়ের কাছে সাহায্য চাইবেন,
সে আপনাকে সাহায্য করতে
চাইলেও পারবে না, কারন তার
ক্লায়েন্ট তার প্রজেক্ট
ডেলিভারির জন্য বসে আছে। এমন
অবস্থায় আপনি তাকে ভাবওয়ালা
বলতে পারবেন। কিন্তু তার
প্যারাটা আপনি তখনই বুঝবেন যখন
একদিন আপনি এক্সপার্ট
ফ্রিল্যান্সার হবেন। আপনি হয়তো
সেটা না ভেবেই তাকে কষ্ট
দিয়ে কিছু বললেন বা ম্যাসেজে
গালি দিলেন। ব্যাস, তার মনটা
ভেঙ্গে গেলো। আপনার সাথে
আরও ১০ জন নতুন তার সাহায্য থেকে
বঞ্চিত হলো।
৪। যখন কোনো বড় ভাই আমাদের কিছু
টিপস দিলো, তখন সবাই হুমড়ি
খেয়ে তাকে ম্যাসেজ দেওয়া শুরু
করে দিলো। একটা ব্যস্ত মানুষ যদি
প্রতিদিন ৫০ টা ম্যাসেজের
রিপ্লাই দেয়, তাহলে সে কাজ
করবে কখন? ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য
কামনা করাটা বোকামী ছাড়া
কিছুই না। তাই তাকে ম্যাসেজ
দিয়ে তার কাছ থেকে রিপ্লাই
আশা করাটা সব সময়ের জন্য যথার্থ
নাও হতে পারে। কারন বড় ভাই
ভালো করেই জানে, যে শিখার
সে ২০ ভাগ ক্লু পেয়ে গেলে
বাকি ৮০ ভাগ নিজে নিজে খুঁজে
বের করে নিবে। আর যে ব্যক্তি
বাকি ৮০ ভাগ খুঁজে নিতে পারবে
না, মূলত তার অনলাইনে আয় করার
যোগ্যতাই হয়নি।
৫। গতানুগতিক চাকরি আর
ফ্রিল্যান্সিং এক জিনিস নয়।
গতানুগতিক চাকরিতে আপনি
অফিসে বসে কাজ করেন বা না
করেন মাস শেষে কিন্তু ঠিকই বেতন
পাবেন। আর ফ্রিল্যান্সারদের
ইনকামটা হয় কাজের উপর। কাজ না
করলে তাদের কোনো ইনকাম নেই।
কেউ যদি আওয়ারলি জব করে এবং
তার কাজের রেট যদি হয় ঘন্টায় ২০
ডলার তাহলে সে যদি কাউকে এক
ঘণ্টা সময় দেয় তাহলে তার ২০ ডলার
মানে প্রায় ১৫০০ টাকা লস। আপনি
কি অপরিচিত কারো জন্য এই টাকা
লস করতে চাইবেন? তাছাড়া
গতানুগতিক চাকরিজীবীদের
সাথে ফ্রিল্যান্সারদের আরেকটা
পার্থক্য হলো গতানুগতিক
চাকরিজীবীরা অফিস টাইমের পর
ফ্রি। তখন তারা যা খুশি করতে
পারে। ফেসবুকে চ্যাটিং করতে
পারে বা কারো সাথে আড্ডা
দিতে পারে। কিন্তু
ফ্রিল্যান্সারদের ডিউটি ২৪
ঘণ্টাই। তাই আপনার ফ্রি টাইমে
ফ্রিল্যান্সাররাও ফ্রি থাকবে এটা
আশা করাও বোকামি।
৬। হয়তো অনেক বড় ভাই-ই সাহায্য
করতে চায় কিন্তু যখন দেখে যে
সাহায্য করা মাত্র আমাদের কিছু
ভাইরা বীরের বেশে স্প্যামিং
করছে, ইউটিউবে বাজে গল্প নিয়ে
ভিডিও পোষ্ট করছে তখন আর কী
করবে? সোজা চুপ হয়ে যায়। কারন
আমাদের দেশের অন্তত ২০-২৫% মানুষ
শুধু কপি পেষ্ট বা স্প্যামিং করে
ইনকাম করার ধান্ধায় থাকে।
৭। একজন হেল্পফুল মাইন্ডের মানুষ যে
সত্যিই নতুনদের সাহায্য করতে চায়
তাকে আবার আমরা সময়ে অসময়ে
বার বার মেসেজ দিয়ে জানতে
চাই, ‘ভাইয়া, কেমন আছেন? /
ভাইয়া, কি করেন? /
আসসালামুয়ালাইকুম ভাইয়া / হাই,
হ্যালো / ভাইয়া, বাসার সবাই
ভালো? / ভাইয়া, আপনার শরীরটা
ভালো? / ভাইয়া, আপনার দিনকাল
কেমন যাচ্ছে? / ভাইয়া, আপনার
ফোন নম্বরটা দিবেন? / ভাইয়া,
আপনার বাড়ি কোথায়? / ভাইয়া,
একটা হেল্প করবেন? / ভাইয়া, আমি
কি ফ্রিল্যান্সার হতে পারব?’
ইত্যাদি ইত্যাদি। আহা! কত
ফরমালিটি। কিন্তু সত্যি কথাটা
কি জানেন? অনলাইন
প্রফেশনালদের কাছে এই সকল
বিষয়গুলো খুবই বিরক্তিকর। একজন
ব্যস্ত মানুষকে বার বার এই টাইপের
মেসেজ দিলে সে বিরক্ত হবে না?
আপনি একজন বড় ভাইকে সোজা
মেসেজ দিয়ে আপনার সমস্যার কথা
বলতে পারেন। এতো ফরমালিটির
দরকার নেই।
৮। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের
সাহায্য চাওয়ার ধরনটা এই রকম যে,
‘ভাইয়া, আমি অনলাইনে আয় করতে
চাই, প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন।’
অনলাইনে এতো বেশি পরিমান
রিসোর্স থাকার পরও যদি কাউকে
এমন প্রশ্ন করেন তাহলে মেজাজ
বিগড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়।
আপনি এই কথাটি লিখে গুগলে
সার্চ করেন না, উত্তর পেয়ে
যাবেন। আপনার কি মনে হয় আপনার
বড় ভাই আপনাকে সবকিছু
বিস্তারিত বলে দেবে? কিংবা
আপনাকে হাতে ধরে শিখাবে?
এতো টাইম কোনো
ফ্রিল্যান্সারের নেই। একদম সোজা
সাপ্টা নির্দিষ্ট প্রশ্ন করুন। আপনার
বড় ভাই যখন বুঝতে পারবে যে,
আপনি অনেক রিসার্চ করেছেন এবং
কোথাও গিয়ে আটকে গেছেন তখন
দেখবেন ভালো একটা রিপ্লাই
পাবেন। পরিশ্রমী ফ্রেশারদের
সবাই সাহায্য করতে ভালোবাসে।
৯। ‘ভাইয়া আপনার ফোন নম্বারটা
দিবেন প্লিজ?’ এই প্রশ্নটা আমি খুব
বেশি বিরক্তির চোখে দেখি।
যেখানে খাওয়ার সময় পাই না,
গোসলের সময় পাই না সেখানে
কারো সাথে ফোনে কথা বলার মন
মানুষিকতা কীভাবে হবে? ফোনে
সমস্যার কথা বলে ফ্রিল্যান্সার
হওয়া যায় না। তাছাড়া একটু পরপর
ফোন আসলে ফ্রিল্যান্সারদের
কাজের সমস্যা হয়। কাজ করার সময়
অনেক মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে
হয়। কোনো বড় ভাইয়ের কাছে ফোন
নম্বর চাইলে যথার্থ কারন দেখিয়ে
ফোন নম্বর চাইবেন। উদ্দেশ্যহীন
ভাবে ফোন নম্বর চাইলে দেখবেন
মেসেজ সিনই করবে না।
১০। আমাদের মধ্যে খাইয়ে দেওয়ার
একটা ব্যাপার থাকে। অর্থাৎ কেউ
কোন টিউটোরিয়াল বা টিপস
দিলে কেনো সে একেবারে
আপনাকে শরবত বানিয়ে খাইয়ে
দিলো না, তাই তাকে
গালাগালি করতে আমাদের
গায়ে লাগে না। সামান্যতম
রিসার্চ করতে না পারলে আপনার
অনলাইনে কাজ করার যোগ্যতাই
হয়নি। আবার কারো ভালো
কাজের যথাযথ মূল্যায়ন না করে
আমরা সমালোচনাই করি বেশি।
এতে এক্সপার্টদের মন ভেঙ্গে যায়।
আর তখন দেখবেন যে, বড় ভাইরা শুধু
ফেসবুকে ফানি ভিডিও পোষ্ট
করবে আর বাংলিশ কমেন্ট করে
মজা নবে। কারন তাঁরা আজাইরা
পরিশ্রম করতে চায় না।
- 'ফ্রিল্যান্সার হওয়ার গল্প' বই
থেকে

Photos from Technology Softzone Ltd's post 23/05/2017

আইসোশ্যাল এবং বিআইডিডি এর সমন্বিত উদ্দেগে সারা দেশব্যাপী মেয়েদের আউটসোর্সিং ট্রেনিংয়ের সমঝতা চুক্তি সই

প্রত্যেক জেলা উপজেলা পর্যায়ে মেয়েদেরকে আউটসোর্সিং কাজে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য ইনফোলেডি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড (আইসোশ্যাল) এবং বাংলাদেশ ইন্সিটিউট অফ ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইডিডি) এর মধ্যে একটি সমঝতা চুক্তি সই হয়। এই চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য হল প্রতি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কল্যাণীদের মাধ্যমে মেয়েদেরকে ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি ইনফোলেডি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড (আইসোশ্যাল) এর প্রধান
কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়। ইনফোলেডি সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের পক্ষে জনাব ওমর খৈয়াম সেরনিয়াবাত
( হেড অফ বিজনেস, আইসোশ্যাল) এবং বিআইডিডি এর পক্ষে জনাব সুব্রত রাহা (চেয়ারম্যান, বিআইডিডি)
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসোশ্যাল এর পক্ষে
মোঃ ফারহান শাহ্রিয়ার ও মাহিন আহমেদ এবং বিআইডিডি এর পক্ষে ইমাম
হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ নাদিম।

Photos 08/04/2017

Just Create a Creative Logo. Design BY Aanin

04/04/2017

আমাদের নিকুঞ্জ-২ Technology Softzone Ltd. আউটসোর্সিং অফিসে কলেজ পড়ুয়া এই তরুন গত সপ্তাহে ফাইভার মার্কেট প্যালেসে এই ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্সটি ডিজাইনটি সাবমিট করে, যা এই মূহুর্ত পর্যন্ত ৩১৬ বার বিক্রি হয়েছে। প্রতিটির মূল্য হলো ৫ ডলার। তাহলে এক সপ্তাহে তার আয় হয়েছে ১৫৮০ ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। যারা কেবল প্রশ্নই করে যাচ্ছেন, অনলাইনে কাজ করতে চান। কিন্তু শুরু ই করতে পারছেন না। তাদের প্রতি অনুরোধ বাংলাদেশী এই তরুন যে আমাদের Technology Softzone Ltd. এর সাথে কাজ করছে, সে যদি এক সপ্তাহে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারে তাহলে তার অন্যান্য কাজ মিলিয়ে মার্সিক আয় কত? একটু ভেবে দেখুন। উল্লেখ্য আনিন এর ইতিমধ্যে মার্কেট প্যালেস থেকে ২০ হাজার ডলার এর উপরে আয় করে ফেলছে। আমরা আনিন এর সাফল্যে গর্বিত। আনিন Technology Softzone Ltd. এ ফ্রিল্যান্সিং এর প্রোজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছে। আনিনকে নিয়ে আমাদের ভবিষ্যতে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। সবার কাছে আনিন এর জন দোয়া চাই।

Photos 02/04/2017

আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টায় আবার ফেসবুক লাইভ এ আসবো। ইনশাআল্লাহ। আমার সাথে থাকবে আমাদের অফিসের সফল তরুন ফ্রিল্যান্সার আনিন। কথা হবে আমাদের ফ্রিল্যান্সিং প্রোজেক্ট নিয়ে। কথা হবে আনিন এর সফলতা নিয়ে। আবারও দেশ বিদেশে থাকা সবার সাথে লাইভ ভিডিও কনফারেন্সে কথা হবে। আশাকরি সাথে পাবো সবাইকে।

Photos 02/04/2017

আমাদের নিকুঞ্জ-২ Technology Softzone Ltd. আউটসোর্সিং অফিসে কলেজ পড়ুয়া এই তরুন গত সপ্তাহে ফাইভার মার্কেট প্যালেসে এই ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্সটি ডিজাইনটি সাবমিট করে, যা এই মূহুর্ত পর্যন্ত ৩১৬ বার বিক্রি হয়েছে। প্রতিটির মূল্য হলো ৫ ডলার। তাহলে এক সপ্তাহে তার আয় হয়েছে ১৫৮০ ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। যারা কেবল প্রশ্নই করে যাচ্ছেন, অনলাইনে কাজ করতে চান। কিন্তু শুরু ই করতে পারছেন না। তাদের প্রতি অনুরোধ বাংলাদেশী এই তরুন যে আমাদের Technology Softzone Ltd. এর সাথে কাজ করছে, সে যদি এক সপ্তাহে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারে তাহলে তার অন্যান্য কাজ মিলিয়ে মার্সিক আয় কত? একটু ভেবে দেখুন। উল্লেখ্য আনিন এর ইতিমধ্যে মার্কেট প্যালেস থেকে ২০ হাজার ডলার এর উপরে আয় করে ফেলছে। আমরা আনিন এর সাফল্যে গর্বিত। আনিন Technology Softzone Ltd. এ ফ্রিল্যান্সিং এর প্রোজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছে। আনিনকে নিয়ে আমাদের ভবিষ্যতে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। সবার কাছে আনিন এর জন দোয়া চাই।

ফিলিপাইন বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার আইসিটি সার্ভিস সেল করে সুযোগ আছে আমাদেরও। | তারুণ্য বাংলাদেশ 25/03/2017

ফিলিপাইন বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার আইসিটি সার্ভিস সেল করে। তো তাদের নিয়ে একটা কুইক রিসার্স করতেছিলাম।

১) বছরে ৩৭ হাজার আইটি গ্রাজুয়েট বের হয়।
২) ইংরেজি বিজনেস, শিক্ষা ও যোগাযোগের প্রধান ভাষা। ইংরেজী ভাসাভাষি হিসাবে তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।
৩) শিক্ষার হার ৯৩%।
৪) ফিলিপাইন আউটসোর্সিং সার্ভিসের ডিমান্ড প্রতিবছর ৩০% হারে বাড়ছে যা ইণ্ডিয়া থেকে বেশি।
৫) তারা সার্ভিস ইণ্ড্রাস্টিটাকে কোর অফার হিসাবে প্রমোট করে
৫) তাদের কোম্পানী গুলোর অনলাইন মার্কেটিং চোখে পড়ার মতো
৬) তারা ইতিমধ্যে অনলাইনে নিজেদের একটা ব্রান্ড হিসাবে দাড় করিয়েছে
৭) ফোরাম, গ্রুপ, সোশ্যাল মিডিয়াতে ফিলিপাইনের রিমোট এমপ্লোয়ি হায়ার করতে রেফার করে । এটা হিউজ একটা বিষয়।

তারা যেই সার্ভিস গুলো প্রমোট করে তার সবই আমাদের দেশ থেকে হয়। তবে অফার ও মার্কেটিং ভিন্ন।
http://tarunnobangladesh.com/?p=1816

ফিলিপাইন বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার আইসিটি সার্ভিস সেল করে সুযোগ আছে আমাদেরও। | তারুণ্য বাংলাদেশ ফিলিপাইন বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার আইসিটি সার্ভিস সেল করে। তো তাদের নিয়ে একটা নিয়ে কুইক রিসার্স করতেছিলাম

Photos from Technology Softzone Ltd's post 21/10/2016

Digital World 2016. In the Early Moning. We are ready to Entry.
Team Of Technology Softzone Ltd
FX Younus Rana, Joyanta Hera, Nahidur Rahman Melon, Golam Maruf

Photos from Technology Softzone Ltd's post 17/10/2016

Election time

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Nikonjo 2, Road 2, #34. Khilkhet
Dhaka
1229