TTS Collection

TTS Collection

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from TTS Collection, Media/News Company, Dhaka.

27/05/2026

আপনি যদি নিজেকে "মাছে ভাতে বাঙালি" বলে গর্ব করতে পারেন, তাহলে কোরবানির বিরোধিতা করার নৈতিক অবস্থান আর থাকে না।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাছও ব্যথা অনুভব করে এবং মৃত্যুর সময় কষ্ট পায় (গবেষণার রেফারেন্স দেখুন কমেন্টে)। মাছের ধীরে ধীরে মারা যাওয়াটা একটা যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া।

আপনি যদি মাছ খেতে পারেন, তাহলে কোরবানিকে নিষ্ঠুর বলার অধিকার কোথায়? বরং সঠিক নিয়মে কোরবানি করার সময় পশু এর থেকে আরও কম সময় ব্যথা অনুভব করে, নরমালি গড়ে ২০ সেকেন্ড।

ধরে নিচ্ছি, আপনি নিরামিষভোজী। প্রতি বছর শাকসবজি উৎপাদনের জন্য কোটি কোটি পোকামাকড় ও ইঁদুর মারা যায়। কীটনাশক, ইঁদুর মারার ফাঁদ এসব প্রাণঘাতী উপায়ে জমি রক্ষা করা হয়। যদি প্রাণীপ্রেম থাকেই, তবে সেটা শুধু গরু-ছাগলের জন্য কেন, পোকামাকড় বা ইঁদুরের জন্য নয় কেন?

মূলত, অন্য কোনো প্রাণীর ক্ষতি না করে মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব না। আমরা কেবল এই খাদ্যশৃঙ্খলের একটি অংশ মাত্র। জীবন মানেই অন্য প্রাণীর ওপর নির্ভরশীলতা।

আর কোরবানির সময়ই তো বহু দরিদ্র পরিবার মাংস খাওয়ার সুযোগ পায়। সারা বছর যে মানুষ মাংস কিনতে পারে না, কোরবানির মাধ্যমে তার ঘরেও তা পৌঁছে যায়। এছাড়া গোটা কোরবানির অর্থনীতি, যেমন গরু পালন, চিকিৎসা, পরিবহন, কসাই, চামড়াশিল্প, সবই হাজারো মানুষের জীবিকা।

সুতরাং প্রশ্ন হলো...

আপনি কি সত্যিই প্রাণীর কষ্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন, নাকি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুশীলনকে নিশানা করাই আপনার মূল উদ্দেশ্য?

゚viralシ

26/05/2026

টাকা হলো এমন একটা টুল (tool), যা দিয়ে আপনার এবং আপনার ফ্যামিলির জীবন উন্নত করা যায়।

করিম আর শাহিদ ২ ভাই।

🔴 করিমের মাসে ইনকাম ৳১ লাখ টাকা, কিন্তু খরচ ৳১.২ লাখ টাকা।
🟢 শাহিদের মাসে ইনকাম ৳৫০ হাজার টাকা, আর মাসের খরচ ৳৪৫ হাজার টাকা।

করিমের চেয়ে শাহিদ বেশি হ্যাপি। শাহিদ বউ-বাচ্চা নিয়ে শান্তিতে ঘুমান, আর করিম নেক্সট মাসের ক্রেডিট কার্ডের EMI কীভাবে দেবেন, সেই চিন্তায় থাকেন।

একদম হতদরিদ্র অবস্থা, খরচ করার মতো টাকা নেই, সেটা অনেক কষ্টের। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট ইনকাম স্ল্যাব (income slab) পার করার পর টাকা আপনার লাইফকে আর খুব একটা ইম্প্রুভ করে না।

মানে, ৫০ হাজার টাকা বেতন পেলে আমাদের দেশে মোটামুটি ফ্যামিলি নিয়ে চলা যায়। কিন্তু ইনকাম ৪ গুণ হলে আপনার হ্যাপিনেসও (happiness) যে ৪ গুণ (4x) হবে, এমনটা নয়।

আল্লাহ আমাদের সবার সঠিক রিজিক আর ধৈর্য ধরার ক্ষমতা দিক।

23/05/2026

হাসব্যান্ড এর মন রাখার জন্য নিজের পায়ুপথ ফুলায় লাল করে ফেলা,কলা গাছের ফার্নিচার মার্কা মেয়ে মানুষের কথা নিশ্চয়ই আমার মুখে শুনছেন অনেকবার।

এতদিনে আপনাদেরকে দেখানোর জন্য,সেটার পারফেক্ট এক্সাম্পল খুঁজে পেলাম।

আমাদের দেশের ছেলেদের পছন্দের তালিকায় প্রথম হলো, কম বুঝা, অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত গায়ে সুন্দর খালাতো বইন টাইপের মেয়ে মানুষ।

আমাদের দেশের বেশিরভাগ ছেলেরা শিক্ষিত,বুঝদার, ম্যাচুরড মেয়েদের উপর stand করতে পারে না।

কারণ দেখায়, বেশি শিক্ষিত মেয়েরা সংসারে মনোযোগী হয় না, বাচ্চাদের খেয়াল রাখে না বা বেশি বয়সে বাচ্চা হয় না।

আসল কারণ হলো, শিক্ষিত বুঝদার মেয়ের সাথে bulsh*tting করা যায়।

ছেলেরা even নিজের বরাবর কাউকে ও বিয়ে করতে চায় না। নিজের থেকে উপরে তো প্রশ্ন ই উঠে না । আমাদের দেশের ছেলেদের সেলফ এস্টিম এত কম ভাবা ও যায় না।

যাইহোক, এই ডাইনির কাছে হাসব্যান্ড সব শেয়ার করছে। ধর্ষণ ও তার সামনে করছে। মেরে ও তার সামনে ফেলছে।

চেহারা টা দেখেন। না আছে কোনো ভয়, না আছে কোনো অনুশোচনা।

আছে নির্লিপ্ততা।
আছে সংসার করার তীব্র আকাঙ্খা।
তা পায়ুপথ লাল করে হোক আর যেমনে হোক। আমার যতটুকু মনে হচ্ছে বিকৃত যৌনচারে আড্ডিক্টেড ছিল দুইটা ই।

যাইহোক, হাসব্যান্ড যদি বলে, সূর্য পশ্চিম দিকে উঠে আর আপনি ও যদি বিশ্বাস করতে থাকেন তাই তার মানে আপনার অটোনমি শেষ। Autonomy (অটোনমি )মানে হলো নিজের সিদ্ধান্ত নিজের নেয়ার ক্ষমতা, ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা।

দিনশেষে আপনি ও মানুষ, হাসব্যান্ড ও তাই। ভুল সবার হতে পারে। হাসব্যান্ড ভুল করলে সেটা ধরায় দেয়া আর নিজে ভুল করলে সেটাতে confess করা হলো একজন হেলথি হিউমান এর ফিচারস।

বিয়ে করেন, প্রেম করেন, সম্পর্কে থাকেন কিন্তু অটোনমি নষ্ট করে একটা অথর্ব তে পরিণত হবেন না।
নারী পুরুষ উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।

একজন অথর্ব না পরিবারের কোনো কাজে আসে,না সমাজের কোনো কাজে আসে।

আমার বউ/হাসব্যান্ড একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমি একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমার বোন একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমার ভাই একমাত্র সঠিক আর সব ভুল...
আমার বাবা মা সঠিক আর সব ভুল...

অটোনমি না থাকা অথর্ব মানুষের চিন্তার প্যাটার্ন এমন।

ভুল আমাদের সবার হতে পারে। আল্লাহ যে ব্রেন দিছে আমাদের, সেটাকে একটু কষ্ট করে কাজে লাগিয়ে মেন্টাল reasoning করতে হবে...

কে ঠিক, কে ভুল, কতটুকু ঠিক, কতটুকু ভুল.

Gut স্ট্রং থাকতে হবে এমন ভাবার। অথর্ব হলে পারবেন না। স্ট্রং অটোনমি থাকতে হবে।

Note : আমাদের দেশে মেয়েরা হলো মেয়েদের সবথেকে বড় শত্রু। Specially কলা গাছের ফার্নিচার মার্কা মেয়ে মানুষগুলো থেকে সাবধান থাইকেন।

#বাংলাকাউন্সেলিং

22/05/2026

বাংলাদেশে হঠাৎ এত "সাইকো কিলার" কেন❓
একটু কি ভেবে দেখেছেন এই বিষয়ে⁉️

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে এমন কিছু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে যা দেখে মানুষ থমকে গেছে।

নিষ্ঠুরতার ধরন দেখে মনে হয়েছে — এটা কোনো "স্বাভাবিক মানুষ" করতে পারে না।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — এই মানুষগুলো কি জন্ম থেকেই এমন ছিল?

না। গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।

মস্তিষ্কে কী হয়?

পর্নোগ্রাফি দেখলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয় — ঠিক যেভাবে মাদকে হয়।

বারবার দেখলে মস্তিষ্ক "আরও বেশি উত্তেজনা" খুঁজতে থাকে।

এক পর্যায়ে সাধারণ কন্টেন্টে আর কাজ হয় না।

তখন শুরু হয় হিংসাত্মক, নিষ্ঠুর কন্টেন্টের দিকে ঝোঁক।

***অনুভূতি মরে যায়

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পর্নোগ্রাফি দেখলে —

*অন্যের কষ্টে সহানুভূতি কমে যায়

*মানুষকে "বস্তু" মনে হতে শুরু করে

*বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য ঘুচে যায়

এই তিনটি জিনিস যখন একসাথে হয় —

তখন একজন মানুষ "কিলার মাইন্ডসেট"-এ প্রবেশ করতে পারে।

***বিশ্বের গবেষণা কী বলছে?

FBI-র সিরিয়াল কিলার স্টাডিতে দেখা গেছে — ধরা পড়া অধিকাংশ সিরিয়াল কিলার হার্ডকোর পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ছিল

***টেড বান্ডি (বিখ্যাত সিরিয়াল কিলার) মৃত্যুর আগে স্বীকার করেছিল — পর্নোগ্রাফিই তাকে এই পথে নিয়েছে

হিংসাত্মক পর্নোগ্রাফি দেখা ব্যক্তিদের মধ্যে যৌন সহিংসতার প্রবণতা ৩১% বেশি

(Journal of Communication গবেষণা)

বাংলাদেশের বাস্তবতাঃ

স্মার্টফোন সস্তা হয়েছে,ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়েছে।

কিন্তু ডিজিটাল সাক্ষরতা ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেভাবে বাড়েনি এবং অনেক পরিবারেই ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদের বড়ো করার ব্যাপারে অনীহা দেখা যায়;অথচ একমাত্র আল্লাহ ভীতি ছাড়া পৃথিবীর কোন শক্তি নেই যা একজন মানুষকে এরকম নৃশংস কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে⁉️

ফলে কিশোর থেকে তরুণ — অনেকেই না বুঝেই এক অন্ধকার পথে হাঁটছে।

21/05/2026

ছবিতে যেই ফুল গুলোকে দেখতে পাচ্ছেন সবগুলোই ঝরে গেছে, কেউই ন্যায় বিচার পায়নি এক অথর্ব বিচারব্যবস্থার কারনে।। এরা হয়তো ভূল দেশে জন্ম গ্রহণ করেছিলো #বাংলাদেশ #ধর্ষক #বিচার #ব্যবস্থা #শাস্তি #মৃত্যুদন্ড

20/05/2026

খাবার-দাবার নিয়ে সচেতন হতে গিয়ে উলটো গভীর ডিপ্রেশনে পড়ে যাচ্ছি।

সাদা চিনি থেকে লাল চিনি তুলনামূলক কিছুটা স্বাস্থ্যকর, এটা জেনে বেশি দাম দিয়ে লাল চিনি কিনে দেখবেন, সেটা আসলে ইটের গুড়া বা ক্যামিকেল দিয়ে লাল করা।

দুধ কিনতে গিয়ে শুনবেন ডিটারজেন্ট আর ক্ষতিকর ক্যামিকেল দিয়ে দুধ বানানো হচ্ছে। পাউরুটিতে সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টির ক্যামিকেল মিশাচ্ছে সাদা করতে।

বাংলাদেশের প্রতিটা ফুড কার্ট ও রাস্তার পাশের রেস্টুরেন্টগুলোতে যে তেল বা সস ইউজ করা হচ্ছে সেগুলো স্রেফ বিষ। ১০০ টাকায় ৫ লিটার সস কিনে তারা। সেগুলোরে সুতা কালার করার রঙ ছাড়া আর কি থাকবে?

আমাদের দেশের মানুষগুলো ফল পাকাচ্ছে ক্যামিকেল দিয়ে, খাবার বানানো পানিটা নিতেসে ড্রেন থেকে। আমাদের মাছ মাংসে হেভি মেটাল, আমাদের প্রতিটা খাবারে কীটনাশক, বিষ। দেদারসে অটোরিকশা চলতে দেওয়ায় সেগুলোর ব্যাটারির লেড মিশে যাচ্ছে আমাদের পরিবেশে, সামনের জেনারেশন বড় হবে নির্বোধ ও ভায়োলেন্ট হয়ে।

দুনিয়ার আর কোন দেশে এত এগ্রেসিভলি খাবারে ভেজাল মেশানো হয় না। আফ্রিকার সবচেয়ে গরীব দেশেও না। ইউরোপের সবচেয়ে নাস্তিক যে দেশটা, যে দেশের ১০% মানুষও আল্লাহ খোদায় বিশ্বাস করে না, মৃত্যুর পর দুনিয়াতে করা সব অপকর্মের হিসাব দিতে হবে, অনন্তকাল শাস্তি হিসেবে আগুনে পুড়তে হবে— এসবে বিশ্বাস করে না, সেইসব দেশে গিয়ে আপনি যদি মানুষকে বলেন, আমাদের দেশের হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত বিভিন্ন খাবার, স্পেশালি বাচ্চারা খায় এমন খাবারে বিষাক্ত ক্যামিকেল মিশায় সামান্য লাভের আশায়, তারা খুব অবাক হবে! তারা কল্পনাও করতে পারবে না, এসব করার কথা কারো মাথায় আসতে পারে!

তাদের ভিতরে হয়তো খোদার প্রতি ভয় নাই। মৃত্যুর পর কি হবে সেসব নিয়ে তাদের দেশে হয়তো রাতভর বয়ান দেয় না কেউ। কিন্তু তাদের ভিতর এইটুকু মনুষ্যত্ববোধ আছে যে খাবারে ভেজল মিশানো ঠিক না। মানুষকে দূষিত খাবার খাওয়ানো অপরাধ। ইউরোপের সবচেয়ে অনুন্নত দেশটার সরকারও নিয়মিত এসব নিয়ে অভিযান চালায়, কেউ খাবারে ভেজাল দিলে শাস্তি হয় ভয়াবহ। সামান্য অনিয়মে লাইসেন্স বাতিল হয়, কোটি কোটি টাকার জরিমানা হয়।

আমাদের দেশের মানুশগুলো এমন কেন? সারারাত ধরে যারা ফলে ক্যামিকেল মাখিয়ে পাকায়, চিনিতে ইটের গুড়া মাখায়, মাছের পেটে পানি ভরে ওজন বাড়ায়, ৩ দিন ধরে পোড়া তেলে সিংগারা ভাজে, পা দিয়ে পাড়িয়ে পাউরুটি আর ফুচকার খামির বানায়— এরা তো উচ্চশিক্ষিত না যে পশ্চিমা বইপত্র পড়ে নাস্তিক হয়ে ভিতর থেকে আল্লাহ আর আখিরাতের ভয় চলে গেছে। উলটো এদের অনেকেরই বেশভুষায় প্র‍্যাক্টিসিং ধার্মিকই লাগে বাইরে থেকে। এদের তাহলে এমন হৃদয়হীন নিষ্ঠুর খুনী বানালো কিসে?

টাকার কতটা অভাব হলে মানুষ মৃত্যুর পর আল্লাহর সামনে জবাব দিতে হবে— এটা বেমালুম ভুলে গিয়ে খাবারে বিষ আর ভেজাল মিশাতে পারে নির্বিকার ভাবে, আমার জানতে খুব ইচ্ছা হয়।

20/05/2026

গতকাল রাতে বাংলাদেশী এক লোক সিডনীতে নিজের বউ আর দুই বাচ্চাকে খুন করে নিজেই পুলিশকে কল্ দিয়েছে।

এর আগেও বাংলাদেশী যে লোকটা তার বউকে খুন করেছিলো সেও নিজেই পুলিশকে কল্ দিয়েছিলো খুন করার পরে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন মাত্রই কয়েকদিন আগে বলেছে বাংলাদেশে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর হার পুরা সাউথ এশিয়াতে আফগানিস্তানের পরে বাংলাদেশ লিস্টে দ্বিতীয়!

আর পুরা দুনিয়াতে বাংলাদেশ ১১তম!
ওয়াও, আরেকটুর জন্য, অল্পের জন্য টপ-টেনে উঠে যেতে পারিনি আমরা। ইশ!
তবে বাংলাদেশের সবাই যেভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে, তাতে আশা করছি ইনশাআল্লাহ আগামী এক/দুই বছরের মধ্যে আমরা টপ টেন কেনো, গ্লোবালি টপ-ফাইভে চলে আসবো।

হামের মৃত্যুর পিছনে মা-দের দোষ খুঁজছিলেন না?
প্লীজ ডোন্ট স্টপ, দোষ অবশ্যই আমাদের খুঁজে বের করতে হবে মেয়েদের।
যারা ইনফ্লুয়েন্সার, পলিটিশিয়ান, সাংবাদিক, গবেষক সবাইকে আমি উদাত্ত আহবান জানাবো- এই যে আমাদের বাংলাদেশের যত প্রবলেম আছে সোশিও-পলিটিক্যাল, সবগুলোর পিছনে মেয়েদের দোষ আছে।
খুঁজে বের করুন।
ভালোভাবে খুঁজলে যেভাবে হামের কারণে শিশুদের মৃত্যুর পিছনে তাদের মা-দের দোষ খুঁজে পেয়েছেন, সেভাবেই পেয়ে যাবেন।

সব দোষ মা-দের। মেয়েদের। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলছে- বাংলাদেশে এখন প্রতি দুইজনে একজন মেয়ে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার, এই যে একজন বাকী আছে, সে বাকী থাকবে কেনো?
এদের সবাইকে পিটায়ে সোজা করতে হবে।
মেরে মেরে তক্তা বানায়ে এদেরকে বুঝাতে হবে- বাংলাদেশের সমস্ত সমস্যার মূল মেয়েরা। এরাই দোষী।

এতদিন তো দেশে পিটিয়েছেন, এবার বিদেশেও পিটান।
বিদেশেও বাংলাদেশীদের সুনাম হোক- ওওওও, বউ-বাচ্চা খুন করে ফেলেছে? বাংলাদেশী নাকি?
বাহ!
ওরা জানো না?
পৃথিবীতে ওরা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স লিস্টে ১১ তম!
ওরা তাই দেশ থেকে বের হয়ে বিদেশেও চেষ্টা করছে বউ-বাচ্চাদেরকে খুন করে করে টপ টেন তারপর টপ ফাইভে আসতে পারে কিনা।

এনিওয়ে, এই যে বউ-বাচ্চা খুন করে নিজেই পুলিশকে কল্ দেয় বাংলাদেশী পুরুষেরা, এটা কেনো জানেন?

কারণ এরা এখানে বউ-বাচ্চাকে খুন করার আগে অস্ট্রেলিয়ার আইনকানুন খুব ভাল করে ঘেঁটে ফেলে। জানে, অস্ট্রেলিয়ার আইন ইটসেলফ অনেক সেক্সিষ্ট। মেয়েদের প্রতি এখনো আনজাষ্ট। বিশেষ করে খুনের ক্ষেত্রে।
এরা জানে- বউকে খুন করে আত্মসমর্পন করে ভালো উকিল ধরলে ৭/৮ বছরের মধ্যেই এরা জেল থেকে বের হয়ে আসবে।

এবং আমার গবেষণায় যে প্যাটার্ন দেখেছি- বাংলাদেশী পুরুষেরা যারা এবিউসিভ হয়, তারা ভয়ংকর মাত্রায় ভিন্ডিক্টিভ। এরা বউকে খুন করে ৭/৮ বছর জেল খাটবে তাও ভালো, বউকে কিছুতেই নিজের এবিউসিভ কন্ট্রোল থেকে বের হতে দিবে না।

আর আমার থিসিসেও আমি যেটা লিখেছি- পুরা মাইগ্রেন্ট কমিউনিটিতে পুরুষদের নেটওয়ার্ক একটা সিন্ডিকেটের মত। পলিটিক্স প্রশ্ন আসলে বাংলাদেশী পুরুষেরা ৩ জন একজায়গায় থাকলেও ঝগড়া বেঁধে ৩ জন ৩ গ্রুপ হয়ে যায়।
কিন্তু নারী প্রশ্ন আসলে?
প্রচণ্ড ধার্মিক থেকে শুরু করে প্রচণ্ড সেক্যুলার, একদম নামায পড়তে পড়তে কপালে দাগ ফেলে দেয়া থেকে শুরু করে যে রেগুলার ড্রীং করে আর জুয়া খেলে- সব পুরুষ এক হয়ে যায় সিন্ডিকেটের মত।
এবং এরা একজন আরেকজনকে সবধরনের লিগ্যাল ইনফরমেশন দিয়ে হেল্প করে। অস্ট্রেলিয়ান আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে বউকে কন্ট্রোলে রাখবে।

ভালো বাংলাদেশী পুরুষ নেই?
আছে তো।
অবশ্যই আছে।
ঐ যে প্রতি দুইজন বাংলাদেশী নারীতে একজন নির্যাতিতা। বাকী আরেকজন যে, তার জামাইটা এবিউসিভ না।
তারমানে?
তারমানে প্রতি দুইজন বাংলাদেশী পুরুষের মধ্যে একজন তার বউকে নির্যাতন করে।
আমি বলছি না, বাংলাদেশ নিয়ে যত সার্ভে হয়েছে, প্রতিটা সার্ভের এই একই রেজাল্ট। আমি পিএইচডি করার সময় সমস্ত সার্ভে খুঁজে খুঁজে বের করেছি। কারণ আমার নিজের ডাটায় এত হাই-রেইট দেখে আমার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না।
আনফরচুনেটলি, আমার গবেষণায় বলে, বাস্তবতা এইসব সার্ভের রেজাল্টের চেয়ে আরো অনেক অনেক অনেক অনেক খারাপ।

Photos from TTS Collection's post 20/05/2026

A state reaches its final stage of moral collapse when a father sees his daughter’s ra*ped, headless body and says, “আমি জানি কোনো বিচার হবে না। পনেরো দিন যাক। নতুন আরেকটা ঘটনা হবে। এটা শেষ।” And you know what? We are disgusting.

One group will say, “হাসিনা ১৬ বছর ধরে বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, তাই এই অবস্থা।” Another group will ask, “লালবদররা এখন কোথায়?” Everyone has a slogan. Everyone has an enemy. Everyone has a narrative.

But that father said, “আমার বয়স ৫৫। আমি এই দেশের নাগরিক। আমাকে বোঝাতে আসবেন না।”

Fifty-five years of living in this country have taken away every last bit of hope from him. He does not even expect justice for his little girl anymore. Think about how terrifying that is. Because the truth is nobody really cares. Not me. Not you. Not society. Every tragedy simply becomes fuel for different political camps, ideological battles, online arguments, and temporary outrage. That’s it.

Our lives will move on until one day we become the victims ourselves. But that father will spend the rest of his life seeing that bodyless head in his nightmares. And still, he does not ask for justice.

Can you imagine the scale of a system’s failure when it breaks a human being to that extent. Sometimes I genuinely think all of us should d ie of shame.

17/05/2026

কার ভাগে কত পড়লো ভাই?

চিনি না জানি না।
কোনদিন দেখা হয়নি পর্যন্ত।
তবুও যেদিন জেনেছি মেয়েটি অসুস্থ, মনটা বিষন্ন হয়ে আছে।
জানতাম,যে কোন মুহূর্তে মৃত্যুর খবর আসবে।
তবে যেটা জানতাম না তা হলো মৃত্যুতেও লোকেদের আনন্দ হয়।
কেন তারা কি মারা যাবে না?
নাকি মৃত্যু শুধু খারাপ/ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য তোলা।

আমার দাদা প্রায় ৯০+ বছর বেঁচেছিলেন।
সব প্রকৃতিক খাবার খেতেন।
অর্গানিক যাকে বলে।
মৃত্যুর ১ মাস আগে ধরা পড়লো লিভার সিরোসিস।
কোন অষুধের তোয়াক্কা না করে গ্রামে চলে গেলেন।
১ মাস পর কোন এক ফজরের নামাজের পর ঘুমন্ত অবস্থায় মারা গেলেন।
জীবনে কোন অষুধ খেতে দেখিনি।
সব নিজে গাছের ছাল, বাকল দিয়ে হামানদিস্তায় ছেঁচে অসুধ বানাতেন।দাদা ছিলেন হালকা পাতলা।
কম খেতেন।পরিশ্রম করতেন বেশ।তবুও তাঁর লিভার সিরোসিস হলো।

কারিনা লিভার ডিজিজে মারা গেল।সবাই দল বেধেঁ ডাক্তারি ফলাতে আসলো।
কত আজব কারন যে বের হলো।
যাই হোক,কেন লিভার নষ্ট হলো আমার জানা নাই।
কিন্তু, এ উসিলায় তার মৃত্যু হলো।

আমাদেরও মৃত্যু হবে যেদিন যার যেভাবে লেখা আছে।

বুঝলাম না, বাংগালীর ওর সাথে কি শত্রুতা ছিল বা আছে।
ওকে অনেকে চেনে,আমাদের কেউ চেনে না সেটা?
ও কন্টেন্ট বানিয়ে টাকা রোজগার করতো আর আমরা বিছানায় আয়েশ করে শুয়ে বসে সেটা দেখতাম সেটা সমস্যা?

নাকি, ও আমার রোজগারের টাকায় খেয়ে অসুস্থ হলো সেটা?
কি সমস্যা আমাদের?
কেন সমস্যা আমাদের?

এতটুকু একটা মেয়ে মারা গেল।
ও স্লিভলেস পরতো,ওড়না পরতো না,নেইলপালিশ লাগাতো এটা সমস্যা?
ভাইরে ৩ বাচ্চার মা, আপাদমস্তক নেকাব পরা, উঠতে বসতে জাজাকাল্লাহ খাইরান বলা, ছোট মেয়েকেও হিজাব পরানো, মাদ্রাসা পরিচালনাকারীকে দেখেছি নিজের কৈশোর কালের প্রেমিকের ছবি বুকে নিয়ে সংসার ছাড়ার পরিকল্পনা করতে।
ঘরে অনুগত স্বামী, সন্তান কিছুই তার ভালো লাগে না।
পোশাক যদি মানুষের চরিত্র, আখলাকের কথা বলে দিত, তাহলে তো ভালোই হতো।

একদিক থেকে কারিনার জন্য, আমাদের এসব আলোচনা শাপে বর হয়েছে।
আমাদের সোয়াব ও নিয়ে, ওর যা গুনাহ আছে,,,, নিজে যেচে আমরা সেটা ভাগ করে নেবার প্রতিযোগিতায় নেমেছি।
কে কত ভাগ পেলাম সেটা একদিন জানা যাবে।

একটু থামেন।
নিজের কথা ভাবেন।
এ কি এক মানসিক রোগীর দেশ হয়ে উঠছে বাংলাদেশ?

13/05/2026

পারফেক্ট কাপল বলতে কিছু নাই। যদি থেকেই থাকে তাইলে সেটা আপনারটাই। যারা এখনো "মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং" এর মাধ্যমে ধরে রেখেছেন সম্পর্কের গৌরবময় পতাকা!

মিডিয়া বা অনলাইনে আপনি যাদের দেখে নিজের সম্পর্কের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করেন, কখনো অভিযোগ করেন, কখনো বিলবোর্ড ভাড়া করার চেষ্টা করেন - তাদের করুণ অবস্থা আপনার চোখের সামনে। তারপরেও আপনারা ইনফ্লুয়েন্স হোন, তাদের কীর্তিগুলো ভুলে যান, মেতে উঠেন গানে গানে উৎসবে।
____________

সম্পর্ক নিয়ে আমার পয়েন্ট অব ভিউটা ভেনেজুয়েলার Angel Falls এর মত, ৮০৭ মিটার গভীর। রক্তের সম্পর্ক ছাড়াই একটা মানুষকে ভালো লাগা, দিনের পর দিন সংসার করে যাওয়া, ভালো মন্দ মানিয়ে নেয়া চাট্টিখানি কথা না। এরমধ্যে আছে পার্টনারের প্রতি নির্দিষ্ট সময় পরে আকর্ষণ হারিয়ে ফেলা এবং ইউনিভার্সাল এক ফাঁদে পা দেয়া! (কমেন্টে একটা লেখা থাকলো)

আমরা অনেকেই মনে করি হয়তো অপর পক্ষের টক্সিসিটির জন্য পরকীয়ায় জড়ায় মানুষ। আসলে কিন্তু ব্যাপারটা এরকম না। মিউচুয়াল বোঝাপড়া সুন্দর করার জন্য দুই পক্ষকেই কাজ করতে হয়। তবে পরকীয়ায় যখন কেউ জড়ায় সে শুধুই "তার লুজ ক্যারেক্টার" এর জন্যই জড়ায়। এখানে অন্য কোন ফ্যাক্ট বা ভ্যালিডেশন কাজ করেনা। কেউ যদি বলে আমার বউ টক্সিক, এজন্য আমি প্রেম করছি আরেক চিকস এর সাথে - তাইলে তারে জুতা দেখিয়ে বলবেন - টক্সিক হইলে সেপারেশনে গেলিনা কেন আগে? নাকি তোর ক্যারেক্টারের জন্যই টক্সিক হইছে পার্টনার?

আপনার কাছে একটা ছেলে বা মেয়ে আসতেই পারে। আপনার ব্যক্তিত্ব ভাল লাগতে পারে, প্রপোজ করতে পারে। সে হয়তো কোথাও কমিটেড না, আপনি কমিটেড। যেই নারীতে আর ইন্টারেস্ট হচ্ছেনা তাকেই একসময় ভালোবেসে ঘরে আনছিলেন। যেই পুরুষের সীমাবদ্ধতার জন্য আরেক পুরুষের বিছানায় গেলেন, সে ই আপনাকে আগলে রাখছিল অসংখ্য দুঃসময়ে।

এগুলা ফিল এর ব্যাপার। চিন্তাধারায় রুচিশীলতার ব্যাপার। মিডিয়ার টক্সিসিটি বা এইসব ক্যারেক্টারলেসগুলার মোটিভেশন দেখে আপনি "aww Sweeet" হয়ে যাবেন না প্লিজ। নিজের সম্পর্ককে বেটার করার জন্য সময় দিন।
_______

প্রিয় পাঠক, যৌনতা এক সময় গৌণ হয়ে যায়।
সংক্ষিপ্ত জীবনে মুখ্য হয়ে যায় তখন "পাশে থাকা"।
পাশে থাকুন, ভালো থাকুন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka