Next Level Web Development
২২টিরও বেশি দেশে আমাদের স্টুডেন্টস জব পেয়েছে।
📊 ৭২% স্টুডেন্ট বাংলাদেশে জব পেয়েছে
🌍 ২৮% স্টুডেন্ট ইন্টারন্যাশনালি জব পেয়েছে
Ai এর সংবিধান
"Lockdown Mode"
আজকালকার হ্যাকাররা কিন্তু শুধু কোড লিখে হ্যাক করে না, তারা অনেকেই AI কে কথার জালে ফাঁসিয়ে হ্যাক করে। এটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলে "Prompt Injection" hack। সহজ কথায়, চ্যাটবটকে এমনভাবে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করা হয় যাতে সে নিজের অজান্তেই কোম্পানির ইন্টারনাল এবং কনফিডেনশিয়াল ডাটা ফাস করে দেয়।
বড় বড় কোম্পানির এই কোটি টাকার ভীতি দূর করতেই OpenAI তাদের enterprise ecosystem এর জন্য Lockdown Mode ডিজাইন করেছে।
এটি মূলত একটি হাই লেভেল security architecture, যা অন করা মাত্রই পুরো AI platform একটি আল্ট্রা-সিকিউরড জোন বা লকডাউনে চলে যায়।
Lockdown Mode এর মেইন ফিচারগুলো কী কী?
Prompt Injection Shield: এই মোড অন থাকলে সিস্টেমের ব্যাকএন্ডে একটি রিয়েল টাইম ফিল্টার কাজ করে। কোনো ইউজার যদি সিস্টেমকে ম্যানিপুলেট বা বোকা বানানোর জন্য কোনো ক্ষতিকর prompt দেয়, এটি সাথে সাথে তা ব্লক করে দেয়।
Zero Data Leakage: অনেক সময় AI models কে ইমপ্রুভ করার জন্য ইউজারদের ডাটা দিয়ে ট্রেইনিং করানো হয়। কিন্তু Lockdown Mode অ্যাক্টিভেট থাকলে কোম্পানির কোনো enterprise data বা চ্যাট হিস্ট্রি কোনোভাবেই এক্সটার্নাল model training এর জন্য ব্যবহৃত হবে না।
Strict Enterprise Boundary: এটি কোম্পানির ডাটার চারপাশে এমন একটি ভার্চুয়াল দেয়াল তুলে দেয়, যার ফলে বাইরের কোনো API বা 3rd party টুল অনুমতি ছাড়া সিস্টেমের ভেতরে ঢুকতে পারবে না।
Advanced Compliance Control: কোম্পানির IT admins রা পুরোপুরি কন্ট্রোল করতে পারবেন কোন এমপ্লয়ি কতটুকু ডাটা অ্যাক্সেস করতে পারবে। কোনো সন্দেহজনক অ্যাক্টিভিটি দেখা গেলেই সিস্টেম অটোমেটিক্যালি সেই ইউজারের সেশন লক করে দেয়।
সোজা বাংলায়, Lockdown Mode হলো কোম্পানি গুলার জন্য একজন হাইলি ট্রেইন্ড সিকিউরিটি গার্ড, যাকে কোনো চতুর প্রম্পট বা কথার মারপ্যাঁচে বোকা বানানো অসম্ভব!
Database Normalization কেন দরকার?
06/06/2026
🚨 Frontend Developers: AI দিয়ে UI বানালে এই নতুন Google tool টা দেখে নিন।
একই prompt দেওয়ার পরেও Cursor, Claude Code বা Copilot কেন প্রতিবার আলাদা UI বানায়?
আজ একটা button blue, কাল একই project-এ green।
কোথাও 16px spacing, কোথাও 24px
Font size, border radius, component styling সবকিছুই inconsistent।
সমস্যাটা AI-এর না, সমস্যা হলো AI জানে না আপনার product বা brand আসলে কেমন দেখতে হওয়ার কথা।
একজন নতুন developer-কে project-এ দিলে যেমন প্রথমে design system বুঝিয়ে দিতে হয়, AI-এর ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার।
এই সমস্যার সমাধানে Google open-source করেছে **DESIGN.md**।
এটা মূলত একটি markdown file, যেখানে আপনি আপনার পুরো design system লিখে রাখতে পারবেন।
যেমন:
✅ কোন color palette use হবে
✅ Typography কেমন হবে
✅ Button এবং form component কেমন দেখাবে
✅ Spacing এবং layout rules কী হবে
✅ Accessibility requirements কী
একবার DESIGN.md তৈরি করে project-এ রাখলে AI agents আপনার design language বুঝতে শুরু করবে।
ফলে Claude Code, Cursor, GitHub Copilot বা অন্যান্য AI coding tools প্রতিবার নতুন করে design explain না করেও অনেক বেশি consistent UI generate করতে পারবে।
আরও মজার বিষয় হলো, DESIGN.md accessibility-এর বিষয়গুলোও validate করতে সাহায্য করে।
যেমন:
• Color contrast ঠিক আছে কিনা
• Text readable কিনা
• UI elements accessible কিনা
ফলে শুধু সুন্দর UI নয়, আরও usable এবং inclusive interface তৈরি করাও সহজ হয়।
AI-powered development-এর যুগে codebase-এর পাশাপাশি design system-ও machine-readable হওয়া শুরু করেছে।
Frontend Developers, Product Designers এবং Design System Teams-এর জন্য এটা বেশ interesting একটা development।
আপনি কি project-এ Design System maintain করেন, নাকি এখনো component-by-component UI build করেন?
আর AI-generated UI-এর সবচেয়ে বড় সমস্যা আপনার কাছে কী মনে হয়?
👇 কমেন্টে জানান।
লিংক কমেন্টে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা এআই (AI) এর নতুন নতুন আপডেট শিখতে শিখতে ক্লান্ত ?
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চ্যাটজিপিটি বা ক্লোড-এর নতুন কোনো মডেলের রিলিজ নোট দেখলেই কি আপনার মনে হয়
"ধুর, কালকে যা শিখলাম আজকে ওটা ব্যাকডেটেড!"? মনে হচ্ছে যেন একটা অন্তহীন ইঁদুর দৌড়ে নেমেছেন, যেখানে এআই আপনার চেয়ে অনেক দ্রুত দৌড়াচ্ছে।
এই ঝড়ের গতিতে এগিয়ে যাওয়ার যুগে একজন হতাশ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে Ai কে নিজের অস্ত্র বানাবেন, চলুন তা নিয়েই আজকে খোলামেলা কথা বলা যাক।
১. কোড রাইটার নন, হয়ে উঠুন কোড এডিটর
সত্যি কথা বলতে, মুখস্থ সিনট্যাক্স টাইপ করার দিন শেষ। ডিক্লেয়ারেশন বা বয়লারপ্লেট কোড (boilerplate code) লেখার কাজটা এখন এআই আপনার চেয়ে অনেক দ্রুত করে দিতে পারে। তাই আপনার কাজ এখন টাইপ করা নয়, বরং নির্দেশনা দেওয়া।
✔ প্রবলেম ব্রেকডাউন: আপনার কাজ হবে একটা বড় বিজনেস লজিককে ছোট ছোট নির্দিষ্ট টাস্কে ভেঙে ফেলা, যাতে এআই ভুল না করে (hallucinate) একদম নিখুঁত কোড দিতে পারে।
✔ সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের মতো রিভিউ: এআই-এর দেওয়া কোডকে এমনভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খ চেক করুন, যেন আপনি কোনো জুনিয়র ডেভেলপারের Pull Request (PR) রিভিউ করছেন।
✔ সিকিউরিটি ও এজ কেস: কোড রান করলেই কাজ শেষ নয়। এজ কেস (edge cases) হ্যান্ডেল করা, ডেটা প্রাইভেসি এবং সিস্টেমের লং-টার্ম ডেট (technical debt) চেক করার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই।
২. সিস্টেম ডিজাইন এবং আর্কিটেকচারে জোর দিন
এআই যতই অ্যাডভান্সড হোক না কেন, সে কিন্তু পুরো একটা প্রজেক্টের ম্যাক্রো-লেভেল বা বড় ছবিটা একসাথে দেখতে পারে না। এখানেই আপনি তার চেয়ে শত গুণ এগিয়ে।
✔ হাই-লেভেল ডিজাইন: ডিস্ট্রিবিউটেড ফ্রেমওয়ার্ক কীভাবে কাজ করবে, ডেটাবেস স্কিমা কেমন হবে, কিংবা একটা স্টেট মেশিন কীভাবে ট্রানজিশন করবে এই বড় সিদ্ধান্তগুলো আপনার মাথা থেকেই আসতে হবে।
৩. এআই কে শত্রু না ভেবে নিজের 'অ্যাসিস্ট্যান্ট' বানান
এআই এর সাথে ফাইট করার সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি হলো তাকে নিজের দলে টেনে নেওয়া। টুলসগুলোকে ভয় না পেয়ে সেগুলোর মাস্টার হয়ে উঠুন।
✔ অ্যাডভান্সড টুলস ব্যবহার করুন: আপনার ডেইলি লাইফকে সহজ করতে Cursor বা GitHub Copilot-এর মতো context-aware টুলসগুলো ব্যবহার করা শুরু করুন। এতে আপনার প্রোডাক্টিভিটি ১০ গুণ বেড়ে যাবে।
✔ এআই স্ট্যাক শিখুন: শুধু এআই ব্যবহার করা নয়, বরং কীভাবে LLM APIs, Token windows বা RAG (Retrieval-Augmented Generation) ব্যবহার করে নতুন সফটওয়্যার বানানো যায়, তা শিখুন। PydanticAI-এর মতো লাইব্রেরিগুলো এক্সপ্লোর করতে পারেন।
৪. বিজনেস ডোমেইন আর সফট স্কিলে ফোকাস করুন
কোনো ক্লায়েন্ট বা কোম্পানির স্টেকহোল্ডার কিন্তু এআই-কে গিয়ে নিজের অগোছালো আইডিয়া বোঝাতে পারবে না। মানুষ মানুষের সাথেই কথা বলতে পছন্দ করে।
✔ বিজনেস মডেল বুঝুন: আপনার কোম্পানি কীভাবে রেভিনিউ জেনারেট করছে তা বুঝুন। শুধু জিরার (Jira) টিকিট ক্লোজ করার জন্য কোড না লিখে, ব্যবসার মূল সমস্যা সমাধানের জন্য টেকনোলজি ব্যবহার করুন।
✔ ইউজার এম্প্যাথি ও কমিউনিকেশন: ইউজারের ঠিক কী প্রয়োজন, তাদের পেইন পয়েন্টগুলো কোথায়—তা বোঝার ক্ষমতা একমাত্র মানুষেরই আছে। আপনার এই সফট স্কিলই আপনাকে সবসময় ইনডিপেনসিবল (indispensable) করে রাখবে।
শেষ কথা
দিনশেষে, এআই কিন্তু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের রিপ্লেস করছে না; বরং যে ইঞ্জিনিয়ার এআই ব্যবহার করতে জানেন, তিনি সেই ইঞ্জিনিয়ারকে রিপ্লেস করে দিচ্ছেন যিনি এআই ব্যবহার করতে জানেন না। তাই প্রতিদিনের নতুন আপডেট দেখে প্যানিক না করে, এআই কে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় লিভারেজ (leverage) হিসেবে ব্যবহার করুন।
১০০% ফ্রিতে Agentic Ai শিখুন।
আপনি Software Engineer হলে Job Interview এর এই পরিবর্তনগুলো আপনার জানা খুব জরুরি।
টেক ওয়ার্ল্ডে এখন ঝড় চলছে AI Revolution এর। ChatGPT, GitHub Copilot এর মতো টুলস আসার পর কোডিং বা টেকনিক্যাল কাজের ধরণ যেমন বদলে গেছে, তেমনি বড় বড় টেক কোম্পানিগুলোর হায়ারিং প্রসেসও পুরো উল্টে গেছে। আগে যেভাবে ইন্টারভিউ নেওয়া হতো, এখন আর সেই দিন নেই।
চলুন দেখা যাক, AI এর কারণে টেক কোম্পানিগুলো তাদের হায়ারিং কীভাবে বদলে ফেলছে।
১. LeetCode আর মুখস্থ কোডিংয়ের দিন শেষ!
আগে টেক ইন্টারভিউ মানেই ছিল কঠিন কঠিন ডেটা স্ট্রাকচার বা অ্যালগরিদমের পাজল সলভ করা, যেটাকে আমরা LeetCode স্টাইল ইন্টারভিউ বলি। কিন্তু এখন? AI এই ধরনের কোড কয়েক সেকেন্ডে নিখুঁতভাবে লিখে দিতে পারে। তাই কোম্পানিগুলো এখন আর ইন্টারভিউতে মুখস্থ কোডিং দেখতে চায় না।
এখন পরীক্ষা করা হয় আপনার System-level Thinking।
আপনি একটা বড় সিস্টেম কীভাবে ডিজাইন করছেন, AI-এর জেনারেট করা কোডের ভুলগুলো ধরতে পারছেন কি না, এবং আর্কিটেকচারাল ডিসিশন ঠিকঠাক নিচ্ছেন কি না সেটাই এখন আসল টেস্ট।
২. "Open-Book" AI ইন্টারভিউ
আগে ইন্টারভিউতে গুগল করা বা কোনো টুলের সাহায্য নেওয়া নিষেধ ছিল। কিন্তু এখন অনেক কোম্পানি উল্টো আপনাকে বলবে
"নিন, ChatGPT বা GitHub Copilot ব্যবহার করেই কোডটা করুন।"
এখানে তারা দেখতে চায় আপনার Prompt Engineering স্কিল কেমন। আপনি AI কে কতটা নিখুঁতভাবে ইন্সট্রাকশন দিতে পারছেন এবং সেই কোডটাকে কীভাবে নিজের প্রোজেক্টে ইন্টিগ্রেট করছেন, সেটাই এখনকার ইন্টারভিউয়াররা খেয়াল করেন। কারণ রিয়েল লাইফ জবেও আপনাকে এভাবেই কাজ করতে হবে।
৩. অ্যাপ্লিকেশন আর চিটিং ঠেকাতে কড়া নজরদারি
AI আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের কাজ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি রিক্রুটারদের মাথা নষ্ট হওয়ার অবস্থা। প্রার্থীরা এখন AI টুল দিয়ে অটোমেটিকভাবে হাজার হাজার কাস্টমাইজড রেজুমে বানিয়ে স্প্যামিং করছেন। আবার ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় স্ক্রিনের পেছনে AI ব্যবহার করে চিটিং করার ঘটনাও ঘটছে।
এগুলো ঠেকাতে কোম্পানিগুলো এখন ইন্টারভিউ প্রসেস আরও কড়া করছে:
AI screening tools: আপনার রেজুমে কোনো AI দিয়ে বানানো কি না বা আপনি গণহারে সব জায়গায় একই ফরম্যাটে অ্যাপ্লাই করছেন কি না, তা ধরার জন্য কোম্পানিগুলো এখন অ্যাডভান্সড AI স্ক্যানার ব্যবহার করছে।
Proctoring Software: রিমোট ইন্টারভিউয়ের সময় প্রার্থীর চোখের মুভমেন্ট বা স্ক্রিন শেয়ার ট্র্যাক করা হচ্ছে, যাতে কেউ লুকিয়ে AI-এর সাহায্য নিতে না পারেন।
In-person Loops: অনেক নামী কোম্পানি ফাইনাল রাউন্ডের জন্য আবার আগের মতো সশরীরে অফিসে ডেকে ইন্টারভিউ বা হোয়াইটবোর্ড টেস্টিং করা শুরু করেছে।
৪. বদলে গেছে "ডিমান্ডিং স্কিল"-এর সংজ্ঞা
এখন কোম্পানিগুলো এমন মানুষ খুঁজছে যারা শুধু কোড লিখতে পারে না, বরং AI এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। যাকে আমরা বলি AI Fluency।
এর পাশাপাশি Soft Skills এর গুরুত্ব এখন আকাশচুম্বী। যেহেতু টেকনিক্যাল কাজগুলো AI অনেকখানি সহজ করে দিচ্ছে, তাই আপনি টিমের সাথে কেমন কোলাবোরেট করছেন, আপনার অ্যাডাপ্টেবিলিটি কেমন এবং কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রবলেম সলভ করছেন এই হিউম্যান স্কিলগুলোই এখন আপনাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।
শেষ কথা
সব মিলিয়ে, AI কিন্তু মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে না, বরং যারা AI ব্যবহার করতে জানে না, তাদের চাকরি চলে যাচ্ছে। তাই টেক ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে আপনাকেও এই নতুন হায়ারিং ট্রেন্ডের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে।
Next Level বুটক্যাম্পের আর্লি জব প্লেসমেন্টে সুযোগ পাওয়ার ক্রাইটেরিয়া কি?
03/06/2026
গত কয়েক বছরে TypeScript Frontend এবং Backend Development-এর Standard হয়ে উঠেছে।
React, Next.js, NestJS, Express, Angular যেদিকেই তাকান, TypeScript।
কিন্তু TypeScript জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে একটা সমস্যা আরও বড় হয়েছে, সেটা হচ্ছে Performance.
ছোট Project-এ সেটা তেমন বোঝা যায় না।
কিন্তু বড় Codebase, Enterprise Application বা Monorepo-তে Type Checking, Build Process এবং IDE Responsiveness অনেক সময় Developer Experience-এর সবচেয়ে বড় Bottleneck হয়ে দাঁড়ায়।
Microsoft অবশেষে এই সমস্যাটার দিকে সিরিয়াসলি নজর দিয়েছে। আর সেই কারণেই TypeScript 7.0 Beta নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে।
১. TypeScript Compiler এখন Native
TypeScript-এর সবচেয়ে বড় খবর কোনো নতুন Type Feature নয়।
Microsoft পুরো TypeScript Compiler-টাই Go-তে Rewrite করেছে।
এর মানে Compiler এখন Native Code হিসেবে Run করবে। JavaScript Runtime-এর Overhead নেই, Multiple CPU Core ব্যবহার করতে পারবে, এবং Parallel Processing-এর সুবিধা পাবে।
ফলাফল?
Faster Build
Better Memory Usage
Multiple CPU Core Support
Faster Type Checking
অর্থাৎ Compiler এখন JavaScript Runtime-এর সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে Native Performance-এর সুবিধা নিতে পারবে।
২. Build Time 10x পর্যন্ত Faster হতে পারে
Microsoft-এর Benchmark অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে Build Time প্রায় 10 গুণ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
ধরুন:
আগে Build হতে লাগত 60 সেকেন্ড
এখন লাগতে পারে 6-10 সেকেন্ড
যারা বড় Codebase নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য এটা শুধু Speed Improvement না, Productivity Improvement।
৩. এখনই Try করে দেখতে পারবেন
npm install -D /native-preview@beta
তারপর:
tsgo
Run করলেই Native Compiler ব্যবহার করতে পারবেন।
৪. কিছু Breaking Change আছে, তাই Upgrade করার আগে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
-ES5 Support Removed
-Legacy Module Systems Removed
-Strict Mode Default হচ্ছে
-কিছু Deprecated Option Remove করা হয়েছে
তাই Production Project Upgrade করার আগে Migration Notes দেখে নেওয়া উচিত।
TypeScript 7.0 নতুন করে TypeScript শেখাবে না। Types, Interfaces, Generics কিংবা Utility Types সব আগের মতোই থাকবে।
তবে যদি Microsoft-এর Performance Improvement-এর লক্ষ্য বাস্তবে সফল হয়, তাহলে TypeScript ব্যবহার করার এক্সপেরিয়েন্স অনেক fast এবং আরও Smooth হয়ে উঠতে পারে। আপনার কি মতামত এই বিষয়ে?
Software Engineer হিসেবে ক্যারিয়ারে ফাস্ট grow করতে চাইলে একটা জোস পোর্টফোলিও সাইটের কোনো বিকল্প নেই। Recruiter বা HR সাইটে এসে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় কাটায়। এই অল্প সময়ে তাদের ইমপ্রেস করতে না পারলে কেল্লাফতে!
তাই হাবিজাবি ডিজাইন এবং প্রোজেক্ট দিয়ে সাইট ভারী না করে, ফোকাস করতে হবে স্পিড, সিম্পলিসিটি আর প্রবলেম-সলভিং স্কিলের ওপর।
চলুন দেখে নেওয়া যাক একটি উইনিং পোর্টফোলিও বানাতে কোন বিষয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি নজর দেওয়া উচিত:
১. ফার্স্ট ইমপ্রেশন হতে হবে ইমপ্রেসিভ
সাইটে ঢুকেই যেন ৩ সেকেন্ডের মধ্যে বোঝা যায় আপনি কে এবং কী কাজ করেন।
"ডিজিটাল উইজার্ড" বা "কোড নিনজা"র মতো খটমটে নাম বাদ দিন।
সরাসরি লিখুন: "Full-Stack React & Node.js Developer"।
আপনার রেজুমে ডাউনলোড করার বা সরাসরি কন্টাক্ট করার বাটনটি একদম সামনে রাখুন।
২. কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি দেখান (Projects)
১০টা সাধারণ বা টিউটোরিয়াল দেখে বানানো প্রজেক্ট রাখার চেয়ে, নিজের সেরা ৩ থেকে ৫টি প্রজেক্ট দেখান।
বেসিক ওয়েদার অ্যাপ বা টু-ডু লিস্ট দিয়ে এখন আর রিক্রুটারদের মন গলানো যায় না। এমন প্রজেক্ট বানান যা রিয়েল-ওয়ার্ল্ড প্রবলেম সলভ করে (যেমন: কাস্টম ফিল্টারসহ ই-কমার্স কার্ট লজিক বা কোনো থার্ড-পার্টি API ইন্টিগ্রেশন)।
প্রতিটি প্রজেক্টের সাথে লাইভ ডেপ্লয়মেন্ট লিংক এবং GitHub রিপোজিটরির লিংক ক্রিস্টাল ক্লিয়ারভাবে দিয়ে রাখবেন।
৩. কোডিংয়ের পেছনের গল্পটা বলুন (Case Studies)
শুধু প্রজেক্টের নাম আর টেক স্ট্যাক লিখে রাখলে চলে না। আপনার সেরা প্রজেক্টগুলোর জন্য ছোট করে একটা কেস স্টাডি লিখুন:
সমস্যাটা কী ছিল? (এই অ্যাপটি কেন বানালেন?)
এই টেক স্ট্যাক কেন? (Vue-এর বদলে কেন React বা MongoDB-এর বদলে কেন PostgreSQL ব্যবহার করলেন?)
কাজটা করতে গিয়ে কী বিপদে পড়েছিলেন এবং কীভাবে মাথা খাটিয়ে কোড দিয়ে সেটা ফিক্স করলেন?
এগুলা সম্পর্কে লিখুন। যেন দেখলেই বুঝা যায় আপনি একজন ভালো প্রবলেম সলভার।
আরেকটা ব্যাপার,
কন্টাক্ট করা যেন কোনো প্যারা না হয়। ইমেইল অ্যাড্রেসের পাশাপাশি একটা সিম্পল কন্টাক্ট ফর্ম রাখুন। এর জন্য Formspree বা Formsubmit এর মতো ফ্রি সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন।
আপনার LinkedIn এবং GitHub-এর লিংকগুলো সাইটের ফুটার বা হেডারে স্পষ্ট করে দিয়ে রাখুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Telephone
Address
Level-4, 34, Awal Centre, Banani
Dhaka