Pulse ProCare
A Platform for healthcare Product Smart Solution
10/06/2026
https://www.facebook.com/share/p/18rR54Rxs5/
Medical Equipment & Device Manufacturer and Exporter of Bangladesh
(MEDMEB)
Dhaka, Bangladesh
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ প্রসঙ্গে
মেডিকেল ডিভাইস শিল্প খাতে MEDMEB-এর প্রত্যাশা ও দাবিনামা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি | ১0 জুন ২০২৬
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আগামীকাল ১১ জুন ২০২৬, মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ডিভাইস ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অব বাংলাদেশ (MEDMEB)-এর পক্ষ থেকে দেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনার কথা জাতির সামনে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা
বাংলাদেশে মেডিকেল ডিভাইস শিল্পের বাজার বর্তমানে প্রায় ৮২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, দেশে ব্যবহৃত মোট চিকিৎসা সরঞ্জামের ৮৫ শতাংশেরও বেশি এখনও আমদানিনির্ভর। এই বিপুল আমদানি ব্যয় একদিকে যেমন আমাদের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডার শেষ করছে, অন্যদিকে দেশীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের দক্ষ জনবল, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং উৎপাদন অবকাঠামো ব্যবহার করে আমরা সহজেই একটি শক্তিশালী দেশীয় মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদন শিল্প গড়ে তুলতে পারি।
পূর্ববর্তী বাজেটের ইতিবাচক পদক্ষেপের স্বীকৃতি
আমরা স্বীকার করি যে গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সরকার হাসপাতাল বেড তৈরির কাঁচামালে ভ্যাট অব্যাহতি, ৫০ শয্যার অধিক হাসপাতালের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জামে আমদানি শুল্ক হ্রাস এবং ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালে শুল্ক ছাড়ের মতো কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছিল। আমরা এই উদ্যোগগুলোকে স্বাগত জানাই এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানাই।
বাজেট ২০২৬-২৭-এ MEDMEB-এর মূল দাবিসমূহ
1. দেশীয় উৎপাদনে সর্বোচ্চ কর সুবিধা: বাংলাদেশে উৎপাদিত মেডিকেল ডিভাইস ও সরঞ্জামের উপর ১০ বছরের জন্য সম্পূর্ণ কর অব্যাহতি প্রদান করতে হবে। একই সাথে দেশীয় প্রস্তুতকারকদের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে সকল শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ বাতিল করতে হবে।
2. রপ্তানি প্রণোদনা বৃদ্ধি: বর্তমানে মেডিকেল/সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি রপ্তানিতে ৬ শতাংশ প্রণোদনা রয়েছে যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে। আগামী বাজেটে এই প্রণোদনা ন্যূনতম ১০ শতাংশে উন্নীত করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে। বৈশ্বিক বাজারে আমাদের পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে এটি অপরিহার্য।
3. বিশেষ শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা: মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদনের জন্য দেশে একটি বিশেষায়িত 'মেডিকেল ডিভাইস শিল্পপার্ক' স্থাপনের জন্য বাজেটে বরাদ্দ দিতে হবে। এই শিল্পপার্কে গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকতে হবে।
4. মেডিকেল ডিভাইস রেগুলেটরি কাঠামো ও বাজেট: একটি আধুনিক ও কার্যকর মেডিকেল ডিভাইস রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া সহজীভূত করলে দেশীয় পণ্য বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
5. সুলভ ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা: মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদনকারী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ৫ শতাংশ সুদে বিশেষ শিল্প ঋণ তহবিল গঠন করতে হবে। প্রযুক্তি আধুনিকায়নে সহায়তার জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করা জরুরি।
6. গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ: বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ গবেষণায় বিনিয়োগকারী মেডিকেল ডিভাইস কোম্পানিগুলোকে বাড়তি কর ছাড় দিতে হবে। জাতীয় বাজেটে মেডিকেল ডিভাইস গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য আলাদা তহবিল বরাদ্দ রাখতে হবে।
7. সরকারি ক্রয়নীতিতে দেশীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার: সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল ডিভাইস ক্রয়ের ক্ষেত্রে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যকে ২৫ শতাংশ মূল্য-সুবিধা নিশ্চিত করে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে দেশীয় শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে।
সম্মানিত অর্থমন্ত্রীর প্রতি আমাদের আবেদন
মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মহোদয়, আমরা আপনার দক্ষ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় আস্থা রাখি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে মেডিকেল ডিভাইস শিল্পকে একটি কৌশলগত অগ্রাধিকার খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আপনার প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।
স্বাস্থ্য খাতে ৪৩,১৮৯ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বরাদ্দ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয় — দেশীয় মেডিকেল ডিভাইস শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করতে না পারলে আমরা সবসময়ই আমদানি-নির্ভর থাকব এবং বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষতি হতে থাকবে।
বাংলাদেশের মেডিকেল ডিভাইস শিল্পের সম্ভাবনা অপরিসীম। সঠিক নীতি সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা পেলে আগামী দশ বছরে আমরা কেবল দেশের চাহিদা পূরণ নয়, বরং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশকে একটি উল্লেখযোগ্য মেডিকেল ডিভাইস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব — যা একইসাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নতিতে অবদান রাখবে।
আমরা বিশ্বাস করি, একটি সুস্থ জাতি গড়তে হলে সুলভ ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যে দেশীয় মেডিকেল ডিভাইস শিল্পের বিকাশ অপরিহার্য। আমরা আশাবাদী যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও সরকার আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে এই শিল্পের অগ্রগতিতে সহায়ক একটি বাজেট প্রণয়ন করবেন।
সকলের প্রতি শুভকামনা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
___________________________
মৌসুমী ইসলাম
সভাপতি
মেডিকেল ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ডিভাইস ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অব বাংলাদেশ (MEDMEB)
ঢাকা, বাংলাদেশ
তারিখ: ১0 জুন ২০২৬
এই বিবৃতি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য MEDMEB সচিবালয়ে যোগাযোগ করুন
08/06/2026
Bedside Screen
Patient Privacy, Comfort & Protection
Designed to create a safe and private environment in hospitals, clinics, and healthcare facilities. Durable construction, smooth mobility, and easy-to-clean materials make it ideal for daily medical use.
⸻
Hospital Curtains
Enhancing Privacy, Comfort & Infection Control
High-quality hospital curtains designed to provide patient privacy while maintaining a clean, professional, and hygienic healthcare environment. Suitable for hospitals, clinics, ICUs, and ward applications.
Pulse ProCare Limited
📞 +880 1733-200886
🌐 www.pulseprocare.com
📧 [email protected]
07/06/2026
04/06/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
34, Topkhana Road , Puranapaltan
Dhaka
1000