Rakibul Islam Rakib

Rakibul Islam Rakib

Share

মানুষের মধ্যে সেই উত্তম, যে মানুষের উপকার করে

15/09/2026

গরিব হওয়ার কারণে অবুঝ তিন সন্তানকে এতিম বানিয়ে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে অসহায় মাকে—এই কথা মনে করে অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অবুঝ তিন শিশু। এত ছোট্ট বয়সে মাকে হারাতে হবে, এই কষ্ট কীভাবে সহ্য করবে?

14/09/2026

অসুস্থ পঙ্গু বাবার চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে মাত্র ৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন এসএসসি পাস ছেলে। আর সন্তানের কষ্টের কথা শুনে বাবা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সারা জীবন রিকশা চালিয়েছেন তিনি, কিন্তু সন্তানকে কষ্ট দেননি। আজ পঙ্গু হওয়ার পর সন্তানের ৫০ টাকা দিয়েই চলছে সংসার।

বাবার স্বপ্ন ছিল সন্তান পড়াশোনা করবে এবং চাকরি করবে; কিন্তু সেই স্বপ্ন মাটির সঙ্গে মিশে গেল। বন্ধ হয়ে গেল সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা। সারাদিন মোটরসাইকেল গ্যারেজে কাজ করেন তিনি।

এদিকে টাকার অভাবে বাবার সঠিক চিকিৎসাও করাতে পারছে না। এখন সঠিক চিকিৎসা না করালে সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে তাঁকে। অসহায় বাবা কোনো উপায় না পেয়ে নিজের সম্মান মাটির সঙ্গে মিশিয়ে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন, যদি আবারও সুস্থ হয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন এবং সন্তানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করাতে পারেন।

একবার ভাবুন, সন্তানের কষ্ট কোনো মা-বাবা সহ্য করতে পারেন? অঝোরে কান্না করছেন সন্তানের জন্য।

14/09/2026

চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের মো. রায়হান। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় সাত মাস। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্থানীয় একটি মাহফিলের মাঠে বাবার সঙ্গে দেখা হয়েছে তার। সন্তানকে ফিরে পেয়েছেন বাবা, তবে আগের সেই রায়হান আর নেই তার ডান পা নেই।

রায়হানের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি থেকে বের হয়ে সে কক্সবাজারে যায়। সেখানে কয়েকজন ছেলের সঙ্গে পরিচয়ের পর ট্রেনের ছাদে করে কমলাপুরে পৌঁছায়। পরে কয়েকজন লোক তাকে চারপাশে বাগান ও মাঝখানে একটি ঘর থাকা একটি জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তার মতো আরও অনেক ছেলে-মেয়ে ছিল।

রায়হান জানায়, এক সকালে ঘুম থেকে উঠে সে দেখতে পায় তার একটি পা নেই। কারণ জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, ট্রেনে দুর্ঘটনায় তার পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এরপর তাকে প্রতিদিন ভিক্ষা করানো হতো এবং ভিক্ষার টাকা প্লাস্টিকের ব্যাংকে জমা রাখা হতো। তার সঙ্গে থাকা অনেকেরই হাত-পা ছিল না বলে দাবি করেছে সে। সেখানে দুই পুরুষ ও এক নারী ছিল, যার নাম সালমা বলে জানায় রায়হান। একপর্যায়ে তাকে বাড়ি ঘুরে আসার কথা বলে একটি গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়। পরে সে চুনতির একটি মাহফিলে যায় এবং সেখানেই বাবার সঙ্গে দেখা হয়।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের নয়া পাড়ার বাসিন্দা রায়হান। তার বাবা নাজিম উদ্দিন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। দীর্ঘদিন আগে রায়হানের মায়ের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। নিখোঁজ হওয়ার আগে রায়হান সৎ মায়ের সঙ্গে থাকত বলে জানা গেছে।

নাজিম উদ্দিন বলেন, রায়হান একটি হেফজখানায় পড়ত। দুষ্টুমি বেশি করায় মাঝে মাঝে তাকে পানের ক্ষেতে নিজের সঙ্গে কাজে নিয়ে যেতেন। প্রায় সাত মাস আগে ১০০ টাকা দিয়ে চুল কাটতে সেলুনে পাঠানোর পর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মাহফিলে স্থানীয় এক ব্যক্তি রায়হানকে দেখে নাজিমকে খবর দেন। ছুটে গিয়ে ছেলেকে খুঁজে পান তিনি। দীর্ঘ সাত মাস পর বাবা-ছেলের সেই সাক্ষাৎ মুহূর্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন দুজন। তখনই নাজিম দেখেন, ছেলের একটি পা নেই। তাঁর দাবি, চক্রটি এতদিন রায়হানকে আটকে রেখেছিল এবং ভিক্ষার জন্য তাকে হুইলচেয়ারও দিয়েছিল। পরে রায়হান ৩৫০ টাকা বাসভাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

14/09/2026

মাকে বাঁচাতে দুই ভাই রাস্তায় নেমেছে, মা ছাড়া দুনিয়াতে কেউ নাই তাদের।

কামরাঙ্গীরচরের মাত্র ২৫ বছরের তরুণী আখিন আক্তার। স্বামী জসিমউদ্দিন রতন ও দুই সন্তান—আয়ান ও আইজানকে নিয়ে ছিল তাদের সংসার। কিন্তু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তার শরীরে ব্রেস্ট টিউমার ধরা পড়ে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারে রূপ নেয়। স্ত্রীকে বাঁচাতে স্বামী জসিমউদ্দিন জমানো টাকা খরচ করেন, সম্পদ বিক্রি করেন এবং একপর্যায়ে হোটেল ও চাকরির অবস্থাও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য আখিকে ভারতে নেওয়া হলেও টাকার অভাবে চিকিৎসা প্রায় বন্ধের পথে। তার এখনো ৮ থেকে ৯টি কেমোথেরাপি প্রয়োজন, যার জন্য প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকার মতো বিশাল অঙ্কের প্রয়োজন। একেকটি কেমোথেরাপির খরচই ৫ লাখ টাকা।

মায়ের এই চরম অসুস্থতার দিনে হিসাব বড়রা করছে না, করছে দুই মাসুম শিশু। ছোট্ট আয়ান ও আইজান বুঝতেও পারে না ক্যান্সার বা কেমোথেরাপি কী। তারা শুধু জানে তাদের মা অসুস্থ। মাকে বাঁচানোর আকুলতায় তারা কখনো মসজিদের সামনে, কখনো আবার অপরিচিত মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাতছে। হাজার মাইল দূরে ভারতের হাসপাতালে থাকা মায়ের সঙ্গে মোবাইলের পর্দায় কথা বললেও তাদের একটাই চাওয়া—মা যেন সুস্থ হয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসে।

অর্থের অভাবে এই অসহায় পরিবারটির জীবন আজ বিপর্যস্ত। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের একটু সহায়তা পেলে হয়তো এই দুই শিশু আবার ফিরে পেতে পারে তাদের মায়ের কোল

13/09/2026

ছোট্ট এই নিষ্পাপ শিশু সন্তান বলে, "আমি কত দিন হলো দোকান থেকে সদাই খাই না, আমাকে আর টাকা দেয় না সদাই কিনতে।" সন্তানের মুখে এই কথা শুনে অঝোরে কান্না করলেন মা। কীভাবে সদাই কিনে দেবে? ঘরে চাল নেই কয়েক দিন ধরে, না খেয়ে বেশি সময় পার করতে হচ্ছে।

সন্তান দুটির বাবা অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তাদের না খেয়ে থাকতে হচ্ছে, কারণ বাবা চলাচলের শক্তিটুকু হারিয়ে ফেলেছেন। সারাটা দিন অন্য বাড়িতে বাড়িতে চেয়ে এনে সন্তানদের মুখে একবেলা খাবার তুলে দিতে পারলেও অসহায় মায়ের কপালে আর খাবার জোটে না।

গরিব হওয়ার কারণে অসুস্থ বাবার সঠিক চিকিৎসাটাও করাতে পারছে না। প্রতিবেশীদের থেকে সাহায্য চেয়ে সন্তানদের খাবার নিয়ে এসেছিল এতদিন, কিন্তু প্রতিবেশীদের কাছেও এখন বোঝা হয়ে গেছে। নিজের কিছুই নেই—মাত্র বাড়িটা বাদে।

এসএসসি পরীক্ষা দেবে বড় মেয়ে, কিন্তু টাকার অভাবে এখন তার পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গেছে। যেখানে কপালে খাবার জোটে না, সেখানে পড়াশোনা করবে কী দিয়ে? তাই নিজের ইচ্ছা না থাকলেও তাকে (পড়াশোনা) বাদ দিতে হয়েছে।

সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারে না জন্য সারা দিন কান্না করেন বাবা, আর ক্ষুধার্ত সন্তানেরা বাবাকে এসে সান্ত্বনা দেয়। এই অসহায় পরিবারটির বাড়ি—নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বিপ্রো বেলঘড়িয়া ইউনিয়নের রামশাহ কাজীপুর গ্রামের সাজীপাড়া।

13/09/2026

ঘন জ'ঙ্গ'লে ভা'ঙ্গা ঘরে বসবাস করে এক অসহায় মা এবং ছেলে,ছোট ছেলেটা জন্মের পরে একদিনও এক টুকরো মাছ খেতে পারে নাই,অসহায় মা মাছ খাওয়াবে কিভাবে ঘরে থাকে না খাবার,নেই একটি ঘর বৃষ্টি এলে মা ছেলে দুজনেই ভিজতে থাকে,দরিদ্র মা এবং ছেলের ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি আসবে

13/09/2026

মেয়ে সবজীর ভ্যান টানছে, মা কোলে শিশু নিয়ে ভ্যানে, আরেক ছোট বোন ভ্যানেই ঘুমিয়ে! ওদের ৪ জনের জীবন সংগ্রামের পুঁজি এই ভ্যানটা! অথচ এ শহরে দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। টিকাটুলীর মোড়ে গতকাল রাত ৯টার দৃশ্য

12/09/2026

এই বাবা-মা হয়তো আর কয়েক দিন বাঁচবেন, আর শেষ কালে এসে তাঁদের কপালে জুটছে খাবারের কষ্ট, তিন দিন ধরে তাঁদের হাড়িতে রান্না হয় না। সন্তান থাকলেও অভাবের কারণে বাবা-মাকে সাহায্য করতে পারছেন না।

অনেক দিন আগে বৃদ্ধা মা পড়ে গিয়ে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁর দেখাশোনা থেকে শুরু করে গোসল-খাওয়ানো—সব কিছু তাঁর স্বামী করেন। বৃদ্ধ স্বামী নিজেও ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। তবুও স্ত্রী ও নিজের জন্য বাড়ি বাড়ি থেকে খাবার চেয়ে এনে খেয়ে বেঁচে থাকেন।

কিন্তু তিন দিন ধরে কোথাও খাবারও পাচ্ছেন না, তাই না খেয়ে আছেন তাঁরা দুজন। খাবারের কষ্টে তাঁদের শরীরে শুধু হাড় বেরিয়ে গেছে। যা কয়েক দিন বাঁচার কথা ছিল, তা মনে হয় খাবারের অভাবে মারাই যাবেন।

অসহায় বাবা-মায়ের বাড়ি গ্রাম: খনুয়া চরপাড়া, থানা ও জেলা: শেরপুর সদর।

12/09/2026

যে বয়সে বইয়ের পাতায় আর স্কুলের আঙিনায় রঙিন স্বপ্ন বোনার কথা, ঠিক সেই বয়সেই আজ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ফারজানা আক্তার নিঝুম। একটি অজানা দুরারোগ্য ব্যাধিতে তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট থাকছে না।

একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে গত এক বছরে মাথা গোঁজার শেষ সম্বল বসতভিটাটুকুও বিক্রি করে দিয়েছেন তার অসহায় বাবা। প্রায় ৫০-৬০ লাখ টাকা খরচ করে এখন মেয়ের একবেলা ওষুধ কিনতেও তার হিমশিম খেতে হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিঝুমকে বাঁচাতে এখন প্রয়োজন আরও প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা, যা এই অসহায় পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব।

চোখের সামনে তিলে তিলে নিভে যাওয়া সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও দেশবাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার অসহায় বাবা। আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের এই ছোট্ট বোনটির পাশে দাঁড়াই, তার জীবন বাঁচাতে বাড়িয়ে দিই সহযোগিতার হাত।

12/09/2026

তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইমাম, যিনি সারাজীবন পরম যত্নে নিজের হাত দুটো আল্লাহর দরবারে তুলেছেন মানুষের কল্যাণ কামনায়। আজ ঠিক সেই হাতগুলোই সন্তানের বুকফাটা আর্তনাদ আর মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার দৃশ্য দেখে নিরুপায় হয়ে নেমে এসেছে পথের ধুলায়। গায়ে জড়ানো তার সেই চেনা জুব্বাটা আজ বড্ড মলিন ও অপাঙ্ক্তেয়, ঝুলে থাকা পাগড়িটার ভাঁজে লুকিয়ে আছে এক অসহায় পিতার জীবনের সবচাইতে বড় পরাজয়ের ইতিহাস।

মসজিদের মেহরাবে দাঁড়িয়ে যিনি প্রতিদিন হাজারো মানুষকে ধৈর্যের ওয়াজ করেছেন, আজ নিজের বুকের টুকরো সন্তানকে হাসপাতালের ঠান্ডা বেডে তিল তিল করে নিভে যেতে দেখে তার নিজেরই বুক ভেঙে টুকরো হয়ে যাচ্ছে। পকেটে কানাকড়ি নেই, ওষুধের দোকানদারের পাষাণ হৃদয় গলাতে ব্যর্থ হয়ে তিনি নেমে এসেছেন খোলা আকাশের নিচে। পথচারীদের ভিড়ে পথ হারিয়ে ফেলা ওই শুকনো কণ্ঠ থেকে কাপাকাপা স্বরে ভেসে আসছে আকুতি—"আল্লাহর ওয়াস্তে দশটা টাকা দেন, আমার কলিজার টুকরা বাঁচবে না... একজন ইমামের সন্তানেরে বাঁচান!"

প্রতিটি পদচারী মানুষের উদাসীন দৃষ্টি পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার সময় তার চোখের জল গড়িয়ে মিশে যাচ্ছে হাতের ধুলোয়। বুকফাটা কান্নার শব্দগুলো ভেতরে ভেতরে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে তাকে, অথচ সন্তানের জীবনের চেয়ে নিজের সম্মান তো অনেক আগেই বিসর্জন দিয়েছেন তিনি। আকাশের মালিক আজ যেন এক অভূতপূর্ব পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তাঁর সবচেয়ে বিশ্বস্ত এক বান্দাকে—যেখানে এক পাল্লায় মসজিদের পবিত্রতা, আর অন্য পাল্লায় তার আদরের সন্তানের নিথর হয়ে যাওয়া ছোট্ট দেহটা।

Website

Address

Dhaka
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rakibul Islam Rakib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.