Ashraf Tanim

Ashraf Tanim

Share

Music never tell a lie.

14/05/2026

যখন দেখবেন আহামরি অর্থ ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিত্ব, ব্যবহার আর কাজকর্মের উপর নির্ভর করে মানুষ আপনাকে ভালো জানছে, আপন ভাবছে, রেসপেক্ট দিচ্ছে,
ঠিক তখনই দেখবেন একদল DOG সাহেবরা আপনাকে ঘিরে ধরছে। আপনাকে ছোট করা, অপমান করা, বিতর্কিত করার এমন কোন হীন প্রচেষ্টা নেই যা এরা করবে না। এরা সেই শ্রেণীর দ্বিপদী প্রাণী যারা অর্থ ক্ষমতার বলে আকাঙ্ক্ষিত যে, মানুষ তাদের চাটবে।
এরা আসলে মানুষকে কি ভাবে, আমি জানিনা! এদের মিষ্টি কথা, লোক দেখানো ভালো মানসিকতা, শিক্ষিত মার্জিত ভদ্রলোক সেজে বসে থাকার মত বাহ্যিক রূপের বিপরীতেও একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন রূপ আছে।
আলো হয়ে জ্বলে উঠুন, দেখবেন সে অন্ধকার আপনাকেও গ্রাস করতে বসে আছে।

Photos from Ashraf Tanim's post 13/05/2026

আজ বিকাল প্রায় সাড়ে পাঁচটা থেকে আমি এক ব্যাগ AB- ব্লাড খুঁজছি। তখন আমি কর্মস্থলে ছিলাম। সাড়ে সাতটার দিকে সেখান থেকে ফিরে এসে এখন রাতের খাবার রান্না করছি। প্রতিদিনই ১০–১২ ঘণ্টা কাজ করার পর আবার পরিবার, দায়িত্ব—সবকিছু সামলাতে হয়।

কিন্তু যে মানুষটা এই মুহূর্তে রক্তের জন্য হাহাকার করছে, সে হয়তো এসব বুঝবে না। ব্লাড এখনো পাইনি, আদৌ পাব কি না তাও বলতে পারছি না।

রক্ত ম্যানেজ করে দেওয়ার পর সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও এমন অনেক মানুষ আছে, যারা একটা “ধন্যবাদ” তো দূরের কথা রক্ত দেওয়া হয়েছে কি না, রোগীর অবস্থা কেমন, সেটাও জানায় না। আবার অনেকেই ডোনার হাসপাতালে পৌঁছানোর পর বলে, “রক্ত এখন লাগবে না”।

ম্যানেজ করে দিতে না পারলে কেউ কেউ এমন আচরণ করে, যেন আমি কোনো রক্ত ব্যবসায়ী, কিংবা “চাহিবা মাত্রই ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিব” এমন কোনো মুচলেকা দিয়ে এই কাজের ইজারা নিয়েছি!

গালিগালাজও পর্যন্ত শুনতে হয়েছে মানুষের কাছ থেকে।

অথচ নিজের মূল্যবান সময়, শ্রম আর অর্থ ব্যয় করে একটা ব্যাগ রক্ত ম্যানেজ করার জন্য কি কি করতে হয় সেটা অনেকেই জানে না। ব্লাডটা আসলে কীভাবে কারা ম্যানেজ করেছিল সেটাও অনেকেই জানে না।

এতকিছু মাথায় নিয়েও আমার মতো যে সকল “বলদ” এখনো এসব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তাদের জিজ্ঞেস করলেই বুঝবেন এটা আসলে কতটা “মজার” কাজ। 🙂

যারা জীবনে ভালো সম্পর্ক ছাড়া কাওকে রক্ত দেননি কিংবা কারো জন্য ম্যানেজ করেননি তারা আমার থেকে দূরে থাইকেন!

10/05/2026

জানা অজানা
তারুণ্যের কথা🌸

স্মারক - ৫

১৮'র ইভেন্টের পর আমাদের প্ল্যাটফর্ম টা টিকে থাকার প্রশ্নে চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছিল। "জনসংখ্যা যেখানে বেশি, সমস্যা সেখানে অধিক" এই কথাটার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছিল সে সময়। ১৮'তে তরুণদের আগ্রহ এবং টিমের একাংশের সিদ্ধান্তে তৎকালীন উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াদ, নরোত্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাকিব এবং আমাদের নিবেদিতা সিনিয়র আলাউদ্দিন রুবেল ভাইদের সংশ্লিষ্টতার প্রেক্ষাপটে ব্যক্তি অহমিকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল এবং ক্রেডিট সন্ধানী মানুষের বীভৎস প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলাম। কনটেস্ট পরাজয় এবং রুমানের সাথে মতপার্থক্য হওয়ায় বিশেষ গুরুত্বের জায়গায় থাকা ফরহাদ সেই ইভেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়। তবুও আমরা সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলাম৷ খুব দুঃখের সাথে লক্ষ্য করলাম যে মানুষগুলো সম্পর্কের আন্তরিকতায় গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে সেটাকে আধিপত্যে রূপান্তর করতে চাইল! তাদেরকেই ঘৃণ্য অপপ্রচারে লিপ্ত হতে দেখেছিলাম।

একটা ফেক আইডি থেকে খুব অপপ্রচার করা হচ্ছিল, নানান বাজে মন্তব্য। রুমনের খুব স্পষ্ট সন্দেহ হচ্ছিল যে, প্ররোচনায় পড়ে মামুন এসব করছে। আমি মামুনকে কখনো এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করিনি। তবে রুমনের ধারণা যদি সত্যি হয়, তাহলে আমি বলব মামুনকে বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে ব্যবহার করা হয়েছিল। মামুন আমার শৈশবের বন্ধু হওয়ায় সে-সময় রুমনের অপছন্দ সত্ত্বেও আমি মামুনের সাথে সম্পর্কে কোন তিক্ততা চাইনি। এখানে আরো একটা ক্যারেক্টার ছিল শাহীন। শাহিনের তৎকালীন ভূমিকা মামুনের প্রতি রুমনের নেগেটিভিটি কিছুটা হলেও প্রভাবিত করেছিল বলে আমার মনেহয়। তারপর অনাকাঙ্খিত অনেক কিছু ঘটে যায়, যার সাক্ষী শিপু, রাহেদ, সেলিম, রিজনদের মত মানুষগুলো। আমি মামুন রুমন শাহীন আমাদের যে একদমই ভুল ত্রুটি ছিল না এটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু আমি কখনো চাইনি আমার শত্রুও অহেতুক আমার হাত এবং মুখ দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হোক। সেদিনও আমি আমার নৈতিকতার সাথে আপোষ করতে পারিনি, সম্পর্ক ছেড়েছি তবুও দায়বদ্ধতা ছাড়িনি।
আজ আমি বুঝি, সেদিন আমরা বোকা ছিলাম! যারা দূর থেকে বিভাজন চাইল তারাই সেদিন সফল হয়েছিল।

এ ঘটনার পর থেকে রুমন টিম থেকে সরে গেল। আমরা অনেক চেষ্টা করেছিলাম তাকে ফেরানোর, কিন্তু সেটা আর সম্ভব হয়নি। এসবের পর আমি ভীষণ মর্মাহত হয়েছিলাম এবং ভেবেছিলাম এই পথ থেকে সরে আসবো।
কিন্তু, সিপু, রাহেদ, রবিন, রিজন, সহেল ভাই, রুবেল ভাই, সাইফুল, রাব্বানী সেলিমরা আমাকে সরে আসতে দেয়নি। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত হল ভিন্ন ধর্মী কিছু করবে। বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকায় ফরহাদকে আমি আবারো কানেক্ট করেছিলাম। আমরা একটা সুন্দর নাম খুঁজছিলাম, ছয়টা নাম জমা পড়েছিল যার মধ্যে চারটা আমি মেনশন করেছিলাম দুইটা রাব্বানী এবং সোহেল ভাই মেনশন করেছিল। সবাইকে সেখানে পছন্দের নাম নির্বাচন করতে বলা হয়েছিল। যার মধ্যে আমার মেনশন করা 'মানবিক তারুণ্য' নামটি সর্বোচ্চ সম্মতিতে নির্বাচিত হয়েছিল। (আমি জানিনা এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে কেউ নিজেকে এই প্লাটফর্মের ক্রিয়েটর দাবি করাটা কতটুকু যৌক্তিক হতে পারে? কিন্তু, ২০২৬ এসে যখন আমি ২০১৯ এর এই কথাগুলো লিখছি তখন আমি খুব অবাক হয়ে ভাবছি যে, 'মুখে মধু অন্তরে বিষ' টাইপের কিছু মানুষও শ্রদ্ধা সম্মানের বিপরীতে স্বার্থন্বেষীতা দেখিয়েছিল)

সবার আগ্রহ, সাহস, সমর্থন আমাকে আরো একবার ভাবতে বাধ্য করেছিল।

Loading...

09/05/2026

Stop Dirty Politics⛔

সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে যদি রাজনৈতিক আনুগত্য, আধিপত্য আর দলীয় পরিচয়ের মাপকাঠিতে বিচার করা হয়, তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় মানুষের ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্পর্ক ও সামাজিক সম্প্রীতির।

সমাজ পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা অনেক সামাজিক ও মানবিক প্ল্যাটফর্ম আছে, যেগুলোকে অবশ্যই সংকীর্ণ রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। সমাজের কল্যাণ কখনো দলীয় আধিপত্যের মাধ্যমে নয়, বরং যোগ্যতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আজ যদি ধর্মীয়, সামাজিক অনুষ্ঠানেও “নিজেদের লোক” খোঁজার সংস্কৃতি তৈরি হয়, তাহলে আগামী প্রজন্ম হারাবে আন্তরিকতা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সম্মানবোধ।

রাজনীতি থাকুক তার নিজস্ব পরিসরে। কিন্তু যে রাজনীতি মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে, সম্পর্ক নষ্ট করে, ঘৃণা ও সংঘাতের আগুন ছড়ায়, সেটা আর জনকল্যাণের রাজনীতি নয়, সেটি অপরাধনীতিতে পরিণত হয়।

মানুষের কল্যাণকামী রাজনীতি কখনো সমাজকে বিভক্ত করে না; বরং মানুষকে এক করে, মানবিকতা শেখায় এবং সহাবস্থানের পথ তৈরি করে।

02/05/2026

Politics does not belong where love, emotion, and responsibility lead.😉

A

22/04/2026

রক্তযোদ্ধা V মানুষ

চলতি বছরে আমি খুব একটা গুরুত্ব দিয়ে ব্লাড নিয়ে কাজ করিনি। তবুও এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০+ ব্যাগ রক্ত আমাকে ম্যানেজ করতে হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জন গ্রাহকের লোকজন ধন্যবাদ তো দূরের কথা আমার মেনশন করা ডোনারের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করে সেটা নিশ্চিত পর্যন্ত করেনি।

'রক্তযোদ্ধ' বলতে একেক মানুষ একেক ধরনের অভিজ্ঞতা লালন করে। আমি যেটা মনেকরি, আমি মূলত সেই ধরনের রক্ত যোদ্ধাদের জন্য লিখছি,

আমার কাছে এটা অনেকটা "নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর" মত। আবার অনেকের অভিজ্ঞতা ভিন্ন, কারো কারো কাছে এটা লাভজনক ব্যবসা ও বটে।
যাইহোক,
কেউ কখনোই এটা বলতে পারবে না যে, এই রক্ত ব্যবস্থা করে দেয়ার বিপরীতে কখনো এক কাপ চা খাওয়াতে পেরেছিল। অনেকে এটাও জানে না যে, রক্তটা কে ব্যবস্থা করেছিল?
- ডোনার পাঠিয়ে রাতের তিনটায় সেই ডোনারকে হসপিটাল থেকে বাসায় পৌঁছে দেয়া,
- ডোনারকে নিয়ে বসিয়ে রাখা,
- ডোনার পৌঁছানোর পর রক্ত লাগবে না বলে ডোনারকে ইগনোর করা
এসব নিত্যদিনের ঘটনার মতোই নিজেকে অভ্যস্ত করে নিয়েছিলাম। দিনের পর দিন নিজের মূল্যবান সময় অর্থ নষ্ট করে মানুষের জন্য এমন অনেক বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল আমাকে। তার উপর সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতি কিংবা পর্যাপ্ততার অভাবে রক্ত ব্যবস্থা করতে না পারলে অনেকের কটু কথা গালাগালি জীবনে বহুবার শুনেছি। অথচ আমি জীবনে কখনোই অর্থ কিংবা ক্রেডিটের জন্য এটা করিনি। আমার মত এমন অনেকেই ব্যক্তিগত কিংবা সাংগঠনিকভাবে রক্ত নিয়ে কাজ করে নানাভাবে লাভবান হয়েছে। অনেকেই আবার ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে মানবতাকে সামনে রেখে ব্যবসাও করে যাচ্ছে, অবশ্য আমি জানি না এটা অন্যায় কিনা। কিন্তু, আমি কখনো এসবের চিন্তাও করিনি। আবার এমন অনেক মানুষও দেখেছি, আমার মাধ্যমে রক্ত ব্যবস্থা করে ক্রেডিট নিয়ে দিনশেষে আমি আর আমার সংগঠন থেকে তরুণদের দূরে রাখাতে কাজ করে গেছে।

মানুষ আর অমানুষের পার্থক্যটা আমি এখন পরিষ্কার বুঝি। তোমরা যারা রক্ত যোগাড় করার কাজটুকু নিঃস্বার্থে কর, তোমরা একটু কঠিন হও। একটা মানুষও যেন রক্তের অভাবে মারে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখ, পাশাপাশি তোমাদের সম্মান আর গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টুকুও মাথায় রেখো। মনে রেখো, এই সমাজ দৃশ্যমান কর্মকান্ডে বিশ্বাসী এই সমাজ ক্রেডিট নেয়াতে বিশ্বাসী।

09/04/2026

সবচেয়ে ভয়ংকর প্রলয়ের নাম মানুষ!
সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ছাতার নামও মানুষ!
পার্থক্যটা গড়ে দেয় স্বার্থহীনতা কিংবা স্বার্থান্বেষীতা!

04/04/2026

অযত্ন অবহেলায় যে কয়টা কলি ফুল হয়ে ফোটার আগে ঝরে গিয়েছিল, তার মধ্যে একটা আমি ছিলাম🥹

আমার সব সবুজ, বিবর্ণ মলিন হয়ে গেছে।
এখন সময়ের স্রোতে ভেসে উল্টো দিকে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই।

31/03/2026

ওই ফুল, আমারে একটু কও'তো
- যোগ্যতার অভাব থাকলে চোষর না হইয়া উপ্রে যাওনের কোন রাস্তা আছে নাকি?
- নিজের নাম না থাকলে অন্যের বদনাম করা ছাড়া নিজেরে বড় করার কোন হাতিয়ার আছে কি'না?

31/03/2026

কারো পিছে লাগতে হবে না, আবার কারো ক্ষতিও করতে হবে না!
শুধুমাত্র নিজ যোগ্যতায় বেড়ে ওঠার চেষ্টা করে দেখুন, দেখবেন আপনার পিছে কিছু বিদঘুটে হিংসুক মানুষ আঠার মত লেগে থাকবে! আরো লেগে থাকবে, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং কূটনীতি🫠

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka