Arjonbd.com

Arjonbd.com

Share

Eat healthy
Be healthy
For any quary: 01854960660

26/09/2020

#আলুবোখারা

দেখতে খারাপ হলেও যে স্বাদ ভালো হতে পারে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ আলুবোখারা। ‘ড্রাই ফ্রুটস’ বলতে সবাই বেছে নিতে চান কিশমিশ, ‘অ্যাপ্রিকট’, ‘ফিগস’ ইত্যাদি। এখানে আলুবোখারা বেশ অবহেলিত।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে আলুবোখারার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে এখানে জানানো হল।

আলুবোখারা হল শুকনা পাম ফল। ক্যালরির মাত্রা এতে বেশ কম, তাই যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এটি কোনো সমস্যার কারণ হবে না।

এতে প্রোটিনের মাত্রাও কম, তবে ভোজ্য আঁশের মাত্রা বেশি। প্রতি ১৫ গ্রামে আছে এক গ্রাম আঁশ। তাই ডায়াবেটিস ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কার্যকর আলুবোখারা।

পটাশিয়ামের উৎস হিসেবে কলার পরেই আছে আলুবোখারা। মল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আলুবোখারার খ্যাতি আছে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে কিংবা হজমের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উপকারী খাবার এটি।

হাড়ের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে এবং ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক আলুবোখারা।

এতে আরও থাকে ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ ও ভিটামিন ‘এ’, যা চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। শরীরের লৌহের চাহিদা পুরণ করতেও কার্যকর।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে খুব বেশি হলে তিন থেকে চারটি মাঝারি আকারের আলুবোখারা খেতে পারবেন। আর তাতেই এই শুকনা ফল থেকে সর্বোচ্চ উপাকার পাওয়া যাবে।

সবসময় তাজা আলুবোখারা খাওয়া উচিত। টিনজাত ও প্যাকেটজাত আলুবোখারা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ সেগুলোতে থাকে ‘প্রিজারভেটিভ’ ও কৃত্রিম চিনি।

আলুবোখারার শরবত যা বাজারে ‘প্রুন জুস’ নামে পরিচিত, তা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারণ তাতে প্রকৃত আলুবোখারার মতো পুষ্টিগুণ থাকে

‌কাটিংকা, ফ্লাউমেন, হানিটা, আওয়াবাখার, প্রেজেন্টাসহ নানা নামে বিশ্ব জুড়ে পরিচিত ফলটিকে বাঙালিরা চেনেন আলুবোখারা হিসেবে। সারা বিশ্বে মোট দুই হাজার প্রকারের আলুবোখারা পাওয়া যায়।

‌ছোট, লম্বাটে ফলটিতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন ও আঁশ, যা একজন সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে আলুবোখারায় যথেষ্ট পরিমাণে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন A, B, C এবং E রয়েছে।

‌আলু বোখারার উপকারিতা প্রাকৃতিক ল্যাক্সোটিভ ও বাধ্যক্য বিরোধী গুণাগুণ যা সারা বিশ্ব জুড়ে বয়স্ক মানুষের কাছে সমাদৃত। তাজা বা শুকনো যেকোনোভাবেই এটি খাওয়া হোক না কেন এই ফলটি তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম একটি খাবার।

‌আলু বোখারা নার্ভের জন্য খুবই উপকারী। এটি মানসিক চাপ দূরে রাখতেও সহায়তা করে।

‌গড়ে ১০০ গ্রাম আলুবোখারায় রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম ক্যালরি, যা ফিগার সচেতনদের জন্যও উপযুক্ত। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আলু বোখারার জুড়ি নেই।

‌আলু বোখারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

‌আলু বোখারা সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। আলু বোখারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ওজন কমানো এবং তা ধরে রাখা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

‌গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ কষ্ট করে ওজন কমানোর পর শিগগিরই তা ফিরে পায়। তবে খাবারের তালিকায় আলু বেখারা যুক্ত হলে মানুষের স্থুলতা শুধু কমবেই না তা ধরে রাখতেও সহায়ক হবে।

25/09/2020

#আখরোট

আখরোট এমন এক প্রকার বাদাম যার মধ্যে পুষ্টিগুণ রয়েছে ভরপুর। শরীরের হাজারও সমস্যা দূরে রাখতে চিকিৎসকরা তাই আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, আখরোটের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ যা শরীরকে যেমন সুস্থ রাখে তেমনই কিছু নিত্য সমস্যারও সমাধান করে। এক নজরে দেখে নিন আখরোট খাওয়ার কিছু উপকারিতা।

১) ওজন নিয়ন্ত্রণ করে- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত আখরোট খেলে ওজন কিন্তু নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারণ এতে রয়েছে ওমেগা ৩, প্রোটিন এবং ফাইবার, যা দেহের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আখরোট খান।

২)অনিদ্রা দূর করে- আখরোটে মেলাটোনিন নামক একটি উপাদান থাকে যা অনিদ্রার সমস্যাকে দূরে রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তাই রাতে যাদের ভাল ঘুম হয় না, তারা খাদ্যতালিকায় আখরোট রাখলে অনিদ্রার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

৩) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে- আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে, যা সুস্থ ত্বকের জন্য বিশেষ উপযোগী। ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে প্রতিদিন খান আখরোট।

৪) ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে- চিকিৎসকরা বলেন যে, যে-কেনও ধরণের বাদামই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষত যাঁরা নিয়মিত আখরোট খান তাঁদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেকটাই কম হয়।

৫)হৃদরোগের ঝু্ঁকি কম করে - যে-কোনও প্রকারে বাদামের মধ্যে আখরোটে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে যা হৃদরোগের ঝু্ঁকি কম করে। এছাড়াও আখরোটে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড ওমেগা ৩, যা খারাপ কোলেস্টরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টরল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন আখরোট খান , আর দূরে রাখুন শরীরের হাজারও সমস্যা।

24/09/2020

#কাজুবাদাম খেলে শরীরের কী কী উপকার হয়?

পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতার দিক থেকে দেখতে গেলে কাজু বাদামের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, কাজু বাদামে ভিটামিনের মাত্রা এতো বেশি থাকে যে চিকিৎসকেরা একে প্রকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট নামেও ডেকে থাকেন। পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে কাজু বাদাম, তাহলেই সুফল পাওয়া যাবে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত যদি এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপাকার। যেমন ধরেন-

১. অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে-
কাজুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা শরীরে প্রবেশ করে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এতো মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে-
কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৩. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে থাকে-
কাজুবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৪. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে হাড়ের শক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে গিয়ে অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে থাকে-
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

৬. সংক্রমণের আশঙ্কা কমায়-
এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে রোজের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন।

৭. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে-
কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন।

৮. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়-
কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৯. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে-
মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০. নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়-
বাদামে শরীরের থারা ম্যাগনেসিয়াম নার্ভের ক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে ব্রেনের কগনিটিভ ফাংশনেরও উন্নতি ঘটে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বাড়তে শুরু করে।

24/09/2020

Boost your immunity with Almond.

24/09/2020

ছোট একটা খাবার, কিন্তু এত গুণ! বলছি কাঠ বাদামের গুণের কথা। এই এক বাদাম আপনাকে যে পরিমাণ উপকার করবে জানলে অবাক হবেন আপনি। প্রচুর পরিমাণ নিউট্রিশনে ভরপুর এই কাঠ বাদাম আপনাকে করে তুলতে পারে লাবণ্যময়ী। এছাড়া কাঠ মাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও পটাশিয়াম। প্রতিদিন সকালে দুটো করে কাঠ বাদাম যদি নাস্তার তালিকায় রাখেন, ফলাফল আপনি নিজেই পাবেন।
কাঠ বাদামের সবথেকে শক্তিশালী গুণ হল, মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতেও এটি দক্ষ। ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম থাকার ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে কাঠ বাদাম।

• সকাল বেলা উঠেই দুটো কাঠ বাদাম খেয়ে নিলেই তরতাজা থাকা যায়। এনার্জি লেভেল ঠিক রাখতে রোজ কাঠ বাদাম খাওয়া উচিত।

• ভিটামিন ই, এ, বি১, বি৬ থাকার ফলে চুলও ভাল রাখে কাঠ বাদাম। ম্যাগনেশিয়ামের জন্য চুল গোড়া থেকে সুস্থ থাকে ও তাড়াতাড়ি বাড়ে।

•খিদে পেলে অল্প করে কাঠ বাদাম খেয়ে নিন। এতে খিদে যাবে। কিন্তু ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণেই। প্রোটিন যুক্ত এই বাদাম খেলে সুগার লেভেলও ঠিক থাকবে। তাই মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও থাকে না ২-৩ টে কাঠ বাদাম খেয়ে নিলে। আর তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে।

• কাঠ বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই ত্বক সুন্দর রাখে আর মুখে বয়সের ছাপ পড়ে না।

• কোলেস্টেরল লেভেলও ঠিক রাখতে পারে কাঠ বাদাম। এর মধ্যে থাকে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, প্রোটিন। যার ফলে হার্টকেও সুস্থ রাখে কাঠ বাদাম।

• হজমের জন্যও কাঠ বাদামের জুড়ি মেলা ভার। এতে যে ফাইবার থাকে, তা হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
1212