Newlifebd
Help Doctors? Please Contact.
27/06/2015
যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর ঔষধ নিয়ে কিছু কথা
যারা সহবাসের পূর্বে বা শখের বসের যৌন শক্তি বাড়ানো ঔষধ ইয়াবা অথবা ইন্ডিয়ান ট্যাবলেট সেবন করেন তাদের জন্য একটি পরামর্শ সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না। এই ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর ঠেলে দেয়।
গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌনশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ও আয়ুর্বেদীয় ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। নিচে একজন হাকীমের নাম্বার দেয়া আছে আপনার চাইলে আপনাদের যৌন বিষয়ে তার সাথে খোলামেলা কথা বলতে পারেন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
মনে রাখবেন যৌন বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়। নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। সাময়ীক আনন্দের জন্য এই সব one time ঔষুধ নিয়ে হয়ত কিছু দিন আনন্দে থাকবেন তার পর ? এই সব সময়ীক ঔষুধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পরবর্তী জীবনকে অচল করে দিবে। তাই সাবধান থাকুন।
পনার যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ হাকীমের পরামর্শ নিন এবং স্থায়ী চিকিৎসা গ্রহন করুন। পরামর্শ নিতে কল করুন: ,01915287528,01978180898(হাকীম )
উপরের নাম্বারটি একজন হাকীমের (চিকিৎসক) আমরা ব্যক্তিগত ভাবে তাকে চিনি এবং একজন ভাল মানের চিকিৎসক তাই আপনাদের তার নাম্বার দেয়া।
যৌন শিক্ষা - জীবনের জন্য শিক্ষা। like/comment/share করতে সাহসী হউন - নিজের এবং অন্য বন্ধুদের তথ্য জানায় সহায়তা করুন। যৌনতা ছাড়া জীবন অচল - তাই সংসারে সুখের জন্য যৌন শিক্ষা নিন। জীবনের জন্য যৌন শিক্ষা।
অনৈতিক সম্পর্ক আমরা সমর্থন করিনা এবং করবোনা তাই যারা অবিবাহিত তারা আমাদের পেইজ থেকে তথ্য জেনে রাখুন এবং বিবাহের পর তা কাজে লাগাবেন। একটা কথা অবশ্যয় মনে রাখবেন আপনার যৌন জীবনে অশান্তি মানেই আপনার জীবন তেজপাতা..!
27/06/2015
এবার ওজন কমান খাবার খেয়ে
ওজন কমাতে চান? কিন্তু প্রতিদিন ব্যায়াম করা ও না খেয়ে থাকা আপনার দ্বারা সম্ভব নয়? ঠিক আছে তাহলে বাদ দিন এগুলো। খাবার খেয়েও ওজন কমানো যায়। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
তিনবার খাবার খান:
ওজন কমাতে হোলে আপনাকে অবশ্যই তিন বেলা খাবার খেতে হবে। ঠিক মতো খাবার না খেলে ওজন উল্টো বেড়ে যেতে পারে। তাই অল্প করে হলেও তিন বেলাই খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুণ।
রোজ তিন কোয়া রসুন খান:
রোজ সকালে উঠেই খালি পেটে ২/৩ কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিন, এর ঠিক পর পরই পান করুন লেবুর রস। এটি আপনার পেটের চর্বি কমাতে দ্বিগুণ দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তাছাড়া দেহের রক্ত চলাচলকে আরো বেশী সহজ করবে এটি।
মসলা খান:
রান্নায় অতিরিক্ত মশলা ব্যবহার করা ঠিক নয়। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু মশলা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে ম্যাজিকের মতন? রান্নার ব্যবহার করুন দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ। এগুলো আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাবে ও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।
রোজ সকালে লেবুর পানি:
একেবারেই চিনি ছাড়া এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবু চিপে নিন, এতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। এবার পান করুন সকালে ঘুম থেকে উঠেই আর রাতে ঘুমুতে যাবার ঠিক আগে। এটি আপনার দেহের বাড়তি মেদ ও চর্বি কমাতে সব চেয়ে ভালো উপায়!
খান লাল চালের ভাত:
সাদা ভাতের বদলে বেছে নিতে পারেন লাল চালের ভাত, ব্রাউন ব্রেড, আটার রুটি। এতে আপনার দেহে ক্যালোরি অতিরিক্ত ঢুকবে না। পেটে জমা চর্বি কমে আসবে ধীরে ধীরে।
চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করুণ:
মিষ্টি, মিষতিজাতীয় খাবার, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেক ১০০ হাত দূরে থাকুন। কেননা এ জাতীয় খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষত পেট ও উরুতে খুব দ্রুত চর্বি জমিয়ে ফেলে। তাই এগুলো খাওয়ার চেয়ে ফল খান।
প্রচুর ফল ও সবজি:
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক বাটি ভর্তি ফল ও সবজি খাবার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর পাবে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট, মিনারেল ও ভিটামিন। আর এগুলো আপনার রক্তের মেটাবলিজম বাড়িয়ে পেটের চর্বি কমিয়ে আনবে সহজেই।
মাংস থেকে দূরে থাকুন:
বিশেষত অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত গরু ও খাসির মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। এর বদলে বেছে নিতে পারেন কম তেলে রান্না করা মাছ।-সূত্র: এগ্মাসিনেগাইড।
27/06/2015
রুষত্বহীনতা,
পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌন সমস্যা। অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।
কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে সক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই। হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোন একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে।
শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-
• ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।
• পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যোনিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া
• প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব।
থাকতে পারে অনেকগুলো কারণ
প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো- ডায়াবেটিস, লিঙ্গে জন্মগত কোন ত্রুটি, সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌনরোগ ইত্যাদি। প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে। আবার অতিরিক্ত যৌন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মাস্টারবেট বা হস্তমৈথুন করা, যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না। এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।
কী করবেন?
• -প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো একজন ভালো ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন। এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লিজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী।
• – আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
• -নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারখান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।
• -সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সেক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
• -যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন। আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন। মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা পর্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।
কী করবেন না?
• -অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌনজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।
• -যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হবেন না বা কোন টোটকা ব্যবহার করবেন না। কোন তেল বা ওষুধ কিছুই ব্যবহার করবেন না হাতুড়েদের কথায় প্রভাবিত হয়ে।
• -বাজারে সাময়িকভাবে যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।
কোন কোন পুরুষ পুরুপুরি যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। এক সময় ঐ ঔষধ গুলিও শরীরে আর কাজ করে না। সাথে সাথে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিও বিরূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার শিকার হয়। অবস্থা এমন হয়ে দাড়ায় যে এইগুলির মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ হয়ে উঠে।
আপনার যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন,পরামর্শ নিতে কল করুন – 01915287528,01978180898
বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে কি বুঝায়?;
চলুন, আগে বিড়াল মারার কাহিনীটা শুনা যাক।
একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই দুই রাজকন্যা ছাড়া তার ছিলনা কোন রাজপুত্র। রাজকন্যা দুজন ছিল বাদশা এর অনেক অনেক আদরের। সবসময় দুই রাজ কন্যার জন্যে দশ পনেরো জন দাসী প্রস্তুত থাকতো। কখন কোনো রাজকন্যার কি দরকার হবে আর তারা হুকুম পালন করবে। দুই রাজকন্যারই একটা করে বিড়াল ছিলো। বিড়াল দুটো ছিলো তাদের সবসময় এর সাথী। তারা খেতে বসলে এমনকি ঘুমাতে গেলেও ঐ বিড়াল দুটো সাথে সাথে থাকত। তো দেখতে দেখতে দুই রাজকন্যাই একসময় বড় হয়ে গেলো। তারা বিবাহ উপযুগি হয়ে গেলো। তারপর বাদশাহ এর চিন্তা বাড়তে লাগল, কারন এই দুই রাজকন্যার জামাইদের উপরেই তার এই বিশাল রাজ্যের দায়িত্ত দিয়ে যেতে হবে। সুতারাং এমন যোগ্য দুজন ছেলে খুজে বের করতে হবে। যারা এই গুরু দায়িত্ব ভালো ভাবে পালন করতে পারবে। সারা রাজ্যে অনেক খোজাখুজি করে এমন দুইভাই পাওয়া গেলো যাদের কাছে রাজকন্যাদের বিয়ে দেয়া যায় বলে বাদশাহ এর মনে হল। তারপর অনেক ধুমধাম করে বিয়ে হল দুই রাজকন্যার একসাথে। অতঃপর বাদশাহ দুই মেয়ে জামাইকে সমান ভাবে রাজ্যের দায়িত্য ভাগ করে দিলেন। এরপর দুই ভাই রাজ্য চালনা নিয়ে অনেক ব্যাস্ত হয়ে পরলো। দুইজনের অনেক দিন দেখা সাক্ষাত নেই। হঠাত করেই রাজ্যের একটা বড় অনুষ্ঠানে দুই ভাই এর দেখা হয়ে গেলো। তারপর দুইজনই আবেগে আপ্লুত হয়ে পরলো এতদিন পরে ভাইএর সাথে দেখা এই জন্যে। তারপর অনেক কথায় কথায় ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো তাদের বৌ মানে রাজকন্যাদের কথা। তখন বড় ভাই বলল হুম, বড় রাজকন্যা তাকে অনেক সমীহ করে চলে। তার কোন কাজই করা লাগে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব শুনে ছোটভাই বলল ছোট রাজকন্যা তার কোন যত্নই করে না। সবসময় রাগা রাগি করে এমনকি মাঝে মাঝে গায়েও হাত তুলে। তখন বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করল কিভাবে রাজকন্যাকে বশ করল? তখন বড় ভাই বলল, রাজকন্যার বিড়ালের কথা। ছোট ভাই বলল হ্যাঁ ওই বিড়ালকে তো আমার চাইতেও বেশি যত্নে রাখে। বড়ভাই বলল, হ্যাঁ, প্রথম দিন বাসর রাতে ঘরে ঢুকেই আমি একটা তরবারি দিয়ে ওই বিড়ালের ওপরে দিলাম এক কোপ। ব্যাস একবারে দুইভাগ। এই ঘটনায় বড় রাজকন্যা ভাবলো আমি মনেহয় অনেক বড় কোন বীর, এরপর থেকেই সে আমাকে অনেক সমীহ করে চলে। তো এই কথা শুনে ছোটভাই মনে মনে ভাবলো ঠিক আছে আজকে বাড়ী ফিরেই বিড়ালের জীবন নাশ করা লাগবে। তারপরে আবার অনেকদিন পরে দুই ভাই এর দেখা। এবার ছোট ভাইএর শরীরে অনেক কাটা দাগ। বড়ভাই জিজ্ঞাসা করলো কি খবর কোন যুদ্ধে আহত হয়েছিলে নাকি? ছোটভাই বলল, না ভাই তোমার ঘটনা শুনে আমি ওইদিন বাসায় গিয়ে তরবারি নিয়ে এক কোপে বিড়ালটাকে দুইভাগ করে দিলাম। কিন্তু আমার বেলায় ঘটনা উলটো হল। আমাকে এর শাস্তি সরূপ একমাস কারাবন্দি আর অত্যাচার ভোগ করা লাগলো। তখন বড়ভাই বলল, বিড়াল বাসর রাতেই মারতে হয়, পরে মারলে কোন লাভ নাই। প্রকৃতপক্ষে বাসর রাতে বিড়াল মেরে কিছু হয়না। এগুলো শুধুই গল্প কথা…. এর সাথে ইসলামের দূরতমও কোন সম্পর্ক নেই। এ ধরনের অহেতুক কুসংস্কার থেকে আমাদের বেঁচে থাকা উচিৎ। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। আমীন!
22/06/2015
Baby Care
শিশুর পেট ব্যথায় করণীয়
শিশুর পেটে ব্যথা নিয়ে মায়েরা সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন। শুধু তা-ই নয়, সমস্যা কখনো এত জটিল ও অস্পষ্ট থাকে যে, নাড়ি প্যাঁচ খেয়ে যাওয়া, অ্যাপেনডিসাইটিস, নাড়ির মধ্যে নাড়ি ঢুকে যাওয়াÑ এসব সার্জিক্যাল সমস্যা থেকে আলাদা করা সম্ভব হয় না।
সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য, মেয়েলি রোগ, মূত্রতন্ত্র ও মূত্রনালিতে সংক্রমণ, বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা অন্যতম শিশুর এমন সমস্যার জন্য দায়ী। এ অবস্থায় চিকিৎসকের কাজ হলো অভিভাবককে আশ^স্ত এবং ব্যথার সম্ভাব্য কারণ পরীার মাধ্যমে নিশ্চিত করা।
করণীয় : ব্যথার ধরন ও বৈশিষ্ট্যগুলোই বলে দেবে ব্যথার মূল কারণ। সাধারণত বারবার পেটে ব্যথা নাভির চারদিকে হয়। কিন্তু যে পেটে ব্যথার ফলে অপারেশনের প্রয়োজন হয়, তা পেটের যে কোনো একটি জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে। বারবার পেটে ব্যথার সময় শিশুরা অস্থিরতা অনুভব করলেও সার্জিক্যাল ব্যথা প্রায়ই তীব্র ও অবিরাম প্রকৃতির হয়ে থাকে। এটি তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেয় অথবা ব্যথার সঙ্গে বমি হয়ে থাকে। রেট্রোসিকাল অ্যাপেনডিসাইটিসের েেত্র অ্যাপেনডিসাইটিসের অবস্থান পেছনের দিকে হওয়ায় অনেক সময় ব্যথা শুধু পেটের ডান কোণে নাও থাকতে পারে। ব্যথার ওষুধ সেবন, আলসারজনিত ত, পেটের টিবি রোগÑ এসব কারণে পেট ফুটো হয়ে গেলে অনেক সময় পেরিটোনাইটিস হয়ে ব্যথা পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ সময় পেট শক্ত আকার ধারণ করে। এ জন্য শিশুর তীব্র পেটে ব্যথা দেখা দিলে পেডিয়াট্রিক সার্জনরা প্রয়োজনে দাঁড়ানো অবস্থায় পেটের এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, রক্ত পরীা, মলদ্বার পরীা সর্বোপরি রোগের ইতিহাস পর্যবেণ করেই সার্জারির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এেেত্র অভিভাবকদেরও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Narayangonj
Dhaka
1000