Property Solution
Any problems you faced regarding real estate. Just knock us. Your every information will kept in a safe custody.
Construction, Join-venture issues, Sale, Interior, Soil test, Pilling, Legal issues. Highly professional team to solve your problems smoothly
29/09/2023
নতুন আইনে জমি বিক্রির মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে
জমি বিক্রির লাভের ওপর কর দিতে হবে।
১৬ অগাস্ট ২০২৩
বাংলাদেশে কার্যকর হওয়া নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী এখন থেকে জমি বিক্রি করে পাওয়া লাভ বা মুনাফা করদাতার আয়ের সঙ্গে যোগ হবে এবং করদাতা ব্যক্তিকে এ আয়ের ওপর কর দিতে হবে।
তবে একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন আইনটিতে এ সংক্রান্ত কিছু বিষয় জনস্বার্থে আরও স্পষ্ট হওয়া দরকার।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ বছরের বেশি সময় আগে ক্রয় করা জমি বিক্রি থেকে এ ধরণের মুনাফার ওপর পনের শতাংশ হারে মূলধনী কর বা ট্যাক্স দিতে হবে, যা ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স হিসেবে পরিচিত।
জমিটি পাঁচ বছরের কম সময় আগে কেনা হয়ে থাকলে তাঁর উপর সাধারণ হারে কর দিতে হবে।
একই সঙ্গে কেউ যদি কাউকে জমি হেবা বা দান করে দেয়, বা অন্যের নামে রেজিস্ট্রি করে পাঁচ বছরের মধ্যে আবার নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে সেই জমি বিক্রি করে, তাহলে তাকেও ওই মুনাফার ওপর কর দিতে হবে।
যদিও এই কর নির্ধারণের সময় বিক্রেতা জমি ক্রয়ের সময় উৎসে যে কর দিয়েছিলেন সে অংশটুকু বাদ দিয়ে হিসেব করা হবে। এতদিন ওই উৎস-করকেই বিক্রেতার জন্য চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
আয়কর বিশেষজ্ঞ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সাব্বির আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলছেন বিক্রেতার জন্য জন্য আগেও কর নির্ধারিত ছিলো কিন্তু বাংলাদেশে জমি ক্রয় বিক্রয়ের সময় বিক্রেতার ওই কর ক্রেতা পরিশোধ করে আসার একটি প্রচলন চলে আসছিলো এবং উৎসে কর্তিত করকে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য করার বিধান ছিল বলে বিক্রেতাকে আর নতুন করে কোন কর দিতে হত না।
“এখন ক্রেতাকে তার জন্য নির্ধারিত কর যেমন দিতে হবে, তেমনি বিক্রেতাকেও তার জমি বিক্রি থেকে প্রাপ্ত লাভের ওপর কর দিতে হবে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
উদাহরণস্বরূপ একজন ব্যক্তি যদি এক কোটি টাকা দিয়ে কোনো জমি ক্রয় করেন এবং এখন বিক্রি করেন দুই কোটি টাকায়, তাহলে গেইন ট্যাক্স অনুযায়ী তাকে এক কোটি টাকা লাভের হিসেবে কর দিতে হবে পনের লাখ টাকা।
কিন্তু তিনি ক্রয়ের সময় রেজিস্ট্রেশনের জন্য উৎসে কর দিয়েছেন দশ লাখ টাকা। ফলে কার্যত এখন তাকে বাকী পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে।
Source: bbc.com
আসসালামু আলাইকুম,
মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা মডেল টাউনে ৫ কাঠা জমির উপর G+9 ভবনের ছয় তলায় দক্ষিন মুখি ১৮০০ বর্গফুটের নতুন ১ টি ফ্ল্যাট ১ টি গাড়ি পার্কিং সহ (৩/৪ মাসের মধ্যে হস্তান্তর যোগ্য) বিক্রয় করা হবে।
(৪ বেড, ৪ বারান্দা, ৪ টয়লেট, ড্রইং, ডাইনিং এবং কিচেন)
Everyone Everyone
04/05/2023
আসসালামু আলাইকুম,
"নিজের বাড়ি নিজে করি" প্রকল্পের আওতায় মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা হাউজিং এ ৩ কাঠা জমির উপর G+9 ভবনে ১৮ টি শেয়াররে মধ্যে ৬ টি শেয়ার বিক্রি করা হবে। ফ্ল্যাট সাইজ আনুমানিক ১০০০+/- বঃফুঃ
প্রতিটি জমির শেয়ারের মূল্য ১৫ লাখ টাকা মাত্র।
বুকিং ৫ লাখ টাকা। (বায়না দলিল)
পাইলিং এর সময় ১০ লাখ (জমি রেজিস্ট্রেশন)
অথবা
এককালীন ১৫ লাখ টাকা প্রদান করেই সাথে সাথে জমি নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া যাবে।
পরবর্তীতে পাইলিং শেষে কাজের সাথে সাথে সকল জমির মালিকগনের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে টাকা প্রদান করতে হবে।
Everyone
02/05/2023
শেয়ার দিয়ে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে....
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য আমার এই লেখাটিঃ-
১. মৌজা = গ্রাম।
২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩. ফর্দ = দলিলের পাতা।
৪. খং = খতিয়ান।
৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়
৬. হাল = বর্তমান।
৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম
লিখে।
৮. নিং = নিরক্ষর।
৯. গং = আরো অংশীদার আছে।
১০. সাং = সাকিন/গ্রাম।
১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা।
১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩. এজমালী = যৌথ।
১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক।
১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে
নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬. বাস্তু = বসত ভিটা।
১৭. বাটোয়ারা = বন্টন।
১৮. বায়া = বিক্রেতা।
১৯. মং = মবলগ/মোট
২০. মবলক = মোট।
২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে
সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ
বলে।
২২. হিস্যা = অংশ।
২৩. একুনে = যোগফল।
২৪. জরিপ = পরিমাণ।
২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক
শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা
এজমালী জোত বলে।
২৬. চৌহদ্দি = সীমানা।
২৭. সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের
নকশাকে সিট বলে।
২৮. দাখিলা = খাজনার রশিদ।
২৯. নক্সা = ম্যাপ।
৩০. নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১. নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২. পিং = পিতা।
৩৩. জং = স্বামী।
৩৪. দাগ নং = জমির নম্বর।
৩৫. এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।
৩৬. স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।
৩৭. সমূদয় = সব কিছু।
৩৮. ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে
শুরু করিলাম।
৩৯. পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৪০. বিং = বিস্তারিত।
৪১. দং = দখলকার।
৪২. পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৩. বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৪. মৌকুফ = মাপ।
৪৫. দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।
৪৬. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে
ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৪৭. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে
থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং
নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৪৮. অধুনা = বর্তমান।
৪৯. রোক = নগদ।
৫০. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৫১. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে
দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া
গন্য হয়।
৫২. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা
হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে
তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫৩. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে
লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫৪. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন সেটাকেই খারিজ বলে।
এর সাথেই থাকুন
৫৫. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম,
খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক
দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৬. জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই
সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৭. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত
বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৮. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে
তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর-
অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে
কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে
অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত
প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি
লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৯. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
৬০. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম
খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৬১. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী
স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে
অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৬২. আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর,
মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি
বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬৩. আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে
কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া
ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে
আমনামা বলে।
৬৪. আসলি = মূল ভূমি।
৬৫. আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক,
অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ
বলে।
৬৬. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা
নেওয়া।
৬৭. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।
৬৮. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।
৬৯. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত
মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৭০. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে
উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৭১. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে
এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৭২. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো
কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭৩. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার
অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭৪. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া
ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭৫. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি
করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত
বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর
রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৬. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে
জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয়
তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৭. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও
কান্দা বলে।
৭৮. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৯. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে
কোলা ভূমি বলে।
৮০. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান
স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে
তাহাকে কোল বলে।
৮১. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব
রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম
বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৮২. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার,
খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮৩. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের
অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮৪. খিরাজ = কর, খাজনা।
৮৫. খানে খোদা = মসজিদ।
৮৬. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৭. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত
দেওয়া হয় নাই।
৮৮. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়,
জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত
বলে।
৮৯. গির্বি = বন্ধক।
৯০. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক
বলে।
৯১. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।
৯২. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ
করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯৩. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা
বলে।
৯৪. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে
চটান বলে।
৯৫. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৬. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৭. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।
৯৮. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে
খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৯. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
১০০. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
তাহাকে জজিরা বলে।
১০১. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং
কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট
বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়,
যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে
ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল
করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০২. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে
জন্মে।
১০৩. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি
উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০৪. টাভার্স = ঘের জরিপ।
১০৫. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে
দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে
রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৬. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা
দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া
জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৭. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন
করা।
১০৮. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৯. তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।
১১০. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট
এলাকাকে তহশিল বলে।
১১১. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত
ফিস।
১১২. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১৩. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১৪. তরমিম = শুদ্ধকরণ।
১১৫. তরতিব = শৃংখলা।
১১৬. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয়
ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে
তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক
নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার
জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৭. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৮. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।
১১৯. দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে
প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১২০. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে
বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১২১. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১২২. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে
সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর
বলে।
১২৩. দরবস্ত = সমুদয়।
১২৪. নথি = রেকর্ড।
১২৫. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৬. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের
পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৭. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী
একপ্রকার প্রজা।
১২৮. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের
সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায়
না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে
ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক
লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে
যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন
জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার
নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৯. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক
নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী
বলে।
১৩০. নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা
জোতের মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
13/10/2022
https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/cbgzspr3ys
ভবন নির্মাণে উচ্চতার বিধিনিষেধ রইল না ঢাকা মহানগরের জন্য নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে রাজউকের আওতাধীন এলাকায় আবাসিক ভব...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Mohammadpur
Dhaka
1207